আগস্টাস লস এর চাহিদার তত্ত্বে পড়েছিলাম, কোনো বস্তুর উৎপাদন যখন বেড়ে যায়, ধরে নি যদি সেটা খাদ্যবস্তু হয়, মানুষ প্রথমটা খায় ভালো লাগে তার, যখন আরো বেশি খায় ভালো লাগাটা ব্যস্তনুপাত হারে কমতে থাকে। চাহিদা কমে, জিনিসের দাম কমে। এক সময় খাবারটা মুখে নিতে ইচ্ছে করে না।
জীবনে লাস্ট ডেট বলে কিছু হয় না। চ্যান্স হারালো ভেবে ভেঙে পরো না। আমার কথায় বিশ্বাস রাখো, তোমার জন্য চ্যান্স এখনো আছে।
র্দীঘ ৪৫ মিনিটের কথোপকথনে, / নিজেদের সময় হয় না বলে চলে গেলেন! / অথচ কথা শুরুর আগে— / সময় জ্ঞানটা জানা থাকলেও, / মাঝখানে তা আর মনে থাকে না।
সারা দিন-রাত ওদের কানাকানি, ফিসফাস, টুপ টাপ, ঝির ঝির..দিনের আলো, রাতের অন্ধকার.. নদী, গাছপালা, পোকা, পাখিদের মগ্ন আলাপন..শব্দে, নিঃশব্দে। শুনতে কি পাও !..সারারাত ধরে ফুল ফুটিয়েছে হিজল বন। মৃদু সুগন্ধে, চাঁদের আলোয়, হিজল বনে গোলাপি মায়া। ফুলে ফুলে ভরা হিজল বনে, গভীর রাতে কাদের আসা-যাওয়া
কাজের চাপ বাড়ছিল, আর যতই জোরালো গলায় কাজ আমাকে চ্যালেঞ্জ করছিল, ভীতু সৈনিকের মত, ততই বেশী আমার পেট গুড়গুড় করছিল, ততই বেশী আমি পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ খুঁজছিলাম I পড়ার ঘরে আমি আর পড়তে পারছিলাম না, ঘুরতে বেড়িয়েও কাজ সংক্রান্ত দুশ্চিন্তার হাত থেকে বাঁচতে আমাকে সিনেমা বা থিয়েটারে ঢুকে পড়তে হচ্ছিল ৷ খাওয়ার টেবিলে আমার পাশে বসে থেকে এই দুশ্চিন্তা আমার ক্ষিধে নষ্ট করছিল, এমন কী বন্ধুদের সঙ্গে কথাবার্তার সময় এই দুশ্চিন্তারই নাছোড় ছায়া এসে দাঁড়াতে শুরু করেছিল আমার আর বন্ধুদের মাঝে ৷ ফলে বলার কথা আমার ঠোঁটেই শুকিয়ে যাচ্ছিল, শুষ্ক সৌজন্য বিনিময়ের পর আমি পালিয়ে বেড়াচ্ছিলাম ভূতগ্রস্থের মত। এইরকম একটা ... ...
মানব সভ্যতার উষালগ্ন থেকে একটি প্রশ্ন একশ্রেণীর মানুষকে বড় বিব্রত করে আসছে। পৃথিবীতে প্রাণের উদ্ভব কিভাবে হয়েছে? সৃষ্টিকর্তা বলে কেউ সত্যিই আছেন কি?.অল্পকথায় এ প্রশ্ন দুটির মীমাংসা অসম্ভব। তবে মহাবিশ্বের গঠন ও জীব কোষের ডিএনএ এর গঠন সম্পর্কে কেউ যদি ভালোভাবে জেনে থাকে তবে সে অবশ্যই সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব খুঁজে পাবে।.জীব কোষের ডিএনএ খালি চোখে দেখা যায় না। জীব কোষ থাকে নিউক্লিয়াস, নিউক্লিয়াসে থাকে ক্রোমোজোম, এর পরে জিন, তারপরেই শুধু ডিএনএ আধুনিক ইলেকট্রনিক মাইক্রোস্কোপ দিয়ে দেখা সম্ভব।.এই ডিএনএর গায়ে লেখা আছে প্রাণ সৃষ্টি ও পরিচালনার যাবতীয় কোড। কোন প্রাণী কিরকম, তার চোখের রং কেমন হবে, তার গায়ের রং কেমন, তার ব্যক্তিত্ব ... ...
পরের জন্মে দেখা হলে, / আমার চোখে তোর, / দুঃখ খুঁজিস।
জীবনের সাথে জীবন জুড়লে সেলাই যন্ত্রনা / জীবন শুকায় অষ্টপ্রহর সেলাই শুকায় না ! / হায় দুনিয়া, যেমন-তেমন, গরদ খাঁকি হয় / পণ্য চায় সে, পন্য চায়, কুচবরণ নয়।
একটা মোষ চাই / কিংবা মাংসল হরিণী / নিদেনপক্ষে দুচারটে ভীরু খরগোশ / যাদের অস্থিমাংস শুষে বেড়ে উঠব আমরা- / আমাদের নারীরা- / শিশুরা- / আজ তাই, / একটা মোষ চাই।
আত্মকথন – ঝর্না বিশ্বাস সুমিকে একদিন দুম করে বলে বসলাম, আজ তোর নোটবই দেখব। দূর থেকে তখন ডবলডেকারগুলো ছুটে যাচ্ছিল - চার্চগেটের গির্জাতেও ঘন্টা পড়ছিল ডং ডং ডং... একটা অচেনা মুখের লোক তাঁর পোষা বুলডগটিকে ভ্রমনে নিয়ে এলে সেও লাইন মারছিল পার্সী মহিলার সোনামণিটিতে...
মাটির ঢেলা শুধুই, তায় আগাছায় ঢাকা।একমানুষ জমি মাত্র। বেশিরভাগটাই নাবাল। মাঝে মধ্যে পোড় খাওয়া চাষি চষে যায় মাথা, বুক, শরীর… গরমে ঝলসে যাবার আগেএবারের ফসল ঘরে তোলার সময় হল বলে।মুখের স্বাদ মত বিচার করবেন … জানবেনসব ফলন পেট ভারির জন্যও থাকে না,কিছু ফলননাকেও গন্ধ ছড়ায় …'সুফি' নাম টা বনেদি ভাবতাম। পরিচয় হবার পর বুঝলাম পুরোটাই ঘন জঙ্গল,সভ্যতার চিন্হ নেই বললেই চলে। থাকলেও আগাছায় ভরা। ভরা সন্ধ্যে বেলায় পা ছড়িয়ে গতর দুলিয়ে শোনায় মাঝে মাঝে- ' মাস্টার, সালা বদ রক্তে ভরে গেল শরীল টা, চুলকানি খুব, সাদা পুঁজ জমে রোজ, গেলে দিয়ে সুখ পাই খুব...কিরিম টিরিম দে কিছু ...'বিদিগুচ্ছিরি মার্কা হাসে। রাগ ... ...
গুরুতে লেখা দিতে চাই কিন্তু কিভাবে তা জানি না। এটা জানিয়ে দিলে ভালো হয়। মাঝে মাঝে গুরুতে একটু আলোচনা হোক নানা বিষয়ে। তবে রাজনৈতিক আলোচনা হলে নীরব পাঠক হব।
প্রথমেই বলি এই বইটি এবার বইমেলায় প্রকাশ পেয়েছে এবং ঐ দিন আমি কিনেছিলাম। সুদীপ্ত দার সাথে কথা হয়েছিল দুদিনের মধ্যে পড়ে সুদীপ্ত দা যেদিন বইমেলায় আসবে একটা দীর্ঘ আলোচনায় বসবো এটা নিয়ে। কিন্তু, আমার দিদিমা হাসপাতালে ভর্তি হন, তাই, আর পড়া হয় নি তখন। এখন পড়লাম। খুব ভালো কিনা জানি না স্পষ্ট কথায় ভালো বই। ঘটনা হলো সমকামীতার বিজ্ঞান ভিত্তিক ইতিহাসের চেয়ে অর্ধনারীশ্বর, কৃষ্ণ বা অর্জুনের বৃহন্নলা রূপ, নারায়ণের মোহিনীর ব্যাখ্যা গুলো গল্পের ছলে বেশ ভালো লাগে। হিন্দুত্ববাদীদের পুরাণ দিয়েই ঘায়েল করে নিজের যুক্তিকে খাড়া করাই যায়। ... ...
স্থান- বারণাবত লক্ষ্য- বহু দৃর / শূণ্য সিংহাসন আর হস্তিনাপুর, / অনন্ত পাহারায় ভীষ্ম- বিদুর।
'গ্যালাক্সিটা যেন ছানার পায়েস'। প্রথম যেদিন এই বাক্যবন্ধ পড়ি, কতটা চমকে গেছিলাম, আজও মনে আছে। যেমন চমকে গেছিলাম বাকি একের পর এক লেখা পড়ে, কী অনায়াস সহজ স্বতঃসফূর্ত বিচরণে যে লেখাগুলো হয়ে উঠেছে উঠেছে একেকটা কবিতা৷ কবিতাগুলো ছবি আর ছবিগুলো কবিতা।খুলে যাচ্ছিল এতদিন নাগালের বাইরে থাকাঅন্যই একটা জগত। একটা গ্যালাক্সি। রুকুর গ্যালাক্সি। রুকুদের গ্যালাক্সি।অটিজম সচেতনতা দিবস তো আমাদের মত মানুষদের সচেতন করার জন্যে, যারা প্রায় জানেইনা, 'আমাদের নিজেদের মত' না হওয়া মানেই অক্ষমতা নয়, বহুসময়েই বিশেষভাবে সক্ষমতা, অন্যদের 'নিজেদের মত'। ... ...
বেচারী যুবতী, উষার স্নান নিয়ে বুড়োর যে পরিমান আহ্লাদ আর যা নিপুন বর্ণনা, গাছ ফাছের ওপর থেকে নিয়ম করে নজর রাখতেন, সন্দেহ হয়। বনে বনে অনুসন্ধিৎসু প্রকাশ-পিয়াসী নারীটিকে দিব্যি কল্পনা করতে পারছি .. বহু জনতার মাঝে একা হওয়ার টেকনিকটা আমি জানতাম, বস্তুত আমার পক্ষে একা না হওয়াই ছিল কঠিন। কিন্তু "অপূর্ব " একা হওয়াটা বুড়োর ইস্পেশাল ক্যারিশমা। (গানটা জর্জ বিশ্বাসের গলায়, আমার খুব প্রিয় গানগুলোর একটা) ... ...