
...সমস্ত বার-ব্রত-তিথি-নক্ষত্র পালনে তিনি স্বয়ং মনুর থেকেও নিষ্ঠুর এবং অমোঘ। ... ...

কৃষি কর্পোরেট হয়ে যাওয়া কি সাপোর্ট করা যায়? এরমধ্যেই পাঁচ লাখ মেট্রিক টন শস্য ভর্তি গুদাম আদানির খপ্পরে চলে গেছে, জানেন? তিনলাখ মেট্রিক টন ফুড কর্পোরেশনে। এরপরে কী হবে বুঝতে পারছেন? ... ...


লকডাউন পিরিয়ডটা অনেককিছু শিখিয়ে দিল ত্রিদিবদা। আই হ্যাভ লার্ন্ট আ লট। আগেও অনেককিছু শিখেছি। কিন্ত এই কোভিডটাইমটা আমার দশবছর বয়স বাড়িয়ে দিয়েছে। ত্রিদিব নিজেকে সামলাতে পারলেন না। ... ...

পুলিশ কাস্টডিতে অসংখ্য অত্যাচারের চিহ্ন শরীরে। নারী শরীর। তাকে অত্যাচার করে মজা আছে। সুবিধেমত। তারপর দলিত। দলিত মেয়েদের রেপ করলে, অত্যাচার করলে অত কেউ মাথা ঘামাবে না। প্রতিদিন কিছু মেয়ে ধর্ষিত হয়। নোবডি কেয়ার্স। তবু নামটা মিডিয়া তুলে আনল কেন? ... ...

পুনরাধুনিক। পড়ে বলবেন কিন্তু। ... ...

আরেকবার রিলকে। আপনারা পড়ছেন তো? ... ...

ঝুরো ঝুরো জীবন ... ...

ছোট করে চুল কাটলে আমাকে একদমই বাঙালী বলে চেনা যায় না সেটা আবার আজ টের পেলাম। আর এমনিতে আমাকে দেখে ঠিক কি মনে হয় সেটারও রিমাইন্ডার এসে গেল আজ আমাদের হাউসিং কমপ্লেক্সে ওনম উপলক্ষ্যে মেলা টাইপের বসেছে - নানা ধরণের নারকেল তেল বিক্রী হচ্ছে খুব। কি খাওয়া সেফ হবে সেই ভাবতে ভাবতে দেখতে পেলাম এক দোকানে লস্যি পাওয়া যাচ্ছে। একবোতল ম্যাঙ্গো আর একবোতল স্ট্রবেরী কিনে বগলদাবা করে ফিরছিলাম, সেই দোকানী ভালোবেসে কাগজের ঠোঙায় প্যাক করে দিল সেই প্যাকিং নিয়ে আমি লিফটে ঢুকে দেখি এক দম্পতি। লোকটি আমাকে আপাদমস্তক দেখে হিন্দীতে বলল - - অ্যাই সুইগি ভাই, তুমি এই লিফটে কেন? ভেন্ডরদের জন্য যে লিফট আছে সেটায় যাও নি কেন? - আমি তো সুইগি নয়! - তাহলে জ্যমেটো হবে! তোমাদের তো কোম্পানী লেখা টিশার্ট থাকে। সেটা পর নি কেন? ... ...

‘ चलो अब घर चलें ‘ – और चल दिये सब, मरेंगे तो वहीं जा कर जहां पर जिदगी है ! – गुलजार ... ...

নেদারল্যান্ডস বা হল্যান্ডের কথা বললে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কথা তো মাথায় আসেই, তার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে যায় অ্যানা ফ্র্যাঙ্কের কথাও। ক্লাস সেভেন বা এইটে কোনোভাবে হাতে এসেছিল সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের অনবদ্য অনুবাদে ‘আনা ফ্রাঙ্কের ডায়েরী’। আমারই বয়সী একটি মেয়ে, যে বয়সে আমরা স্কুলে যাচ্ছি, ক্রিকেট-ফুটবল খেলছি, কেউ আঁকছি, কেউ গান গাইছি, কেউ বা তবলায় হাত পাকাচ্ছি, সেই বয়সেই, অ্যানা নামের একটি মেয়ে লুকিয়ে পড়েছে অন্ধকার ঘরে, বাইরে বেরনো বন্ধ, স্কুলে যাওয়া, বন্ধুদের সাথে দেখা করা, খেলাধূলা, এমনকি গান-বাজনা পর্যন্ত বন্ধ, পাছে কেউ দেখে না ফেলে, পাছে কেউ শুনে না ফেলে। বাড়ির বাইরে থেকে বোঝার কোনো উপায় নেই যে ভেতরে কয়েকটা গুপ্ত ঘরে লুকিয়ে রয়েছে আটটা তাজা প্রাণ (ডুসেল, আরেক প্রতিবেশী অবশ্য পরে যোগ দেন)। পড়তে পড়তে আনা-র সঙ্গে যেন আমিও ঢুকে পড়েছিলাম সেই গুপ্ত কক্ষে, ভাগ করে নিচ্ছিলাম অজানা আশঙ্কার মুহূর্তগুলো! ... ...

ঝুরোগল্প ... ...

সেঙ্গোল যতখানি রাজতন্ত্রের প্রতীক, ততখানিই ব্রাহ্মণ্যবাদের। যে ব্রাহ্মণ্যবাদকে নেহরু বাতিল করেছিলেন, মোদি এখন তাকেই সাষ্টাঙ্গ প্রণাম করছেন। ... ...

প্রতিবছর দেশপ্রেমের নূতন নূতন পরীক্ষা এসে হাজির হচ্ছে। নামমাহাত্ম্য, দেশভক্তি, আবেগ, ইতিহাস আর প্রযুক্তির এক জোরদার ককটেল এখন তৈরি হচ্ছে। ... ...

এমনকি যা পরিস্থিতি আসছে তাতে ভবিষ্যতে প্রচণ্ড গরমে একেবারে হতদরিদ্র মানুষেরও সাময়িকভাবে আশ্রয় নেবার জন্য কিছু কিছু এয়ারকন্ডিশনড জায়গার ব্যবস্থা করতে হলেও আশ্চর্য হব না। তো, এই সময়ে লোকজনকে এসি ব্যবহারের এবং এসি ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে উস্কোনো একটি অত্যন্ত বড় অসভ্যতা ছাড়া আর কিছু নয়..... ... ...

নেহরুর ভারত ভাবনার মধ্যে আমাদের বেঁচে ওঠার সঞ্জীবনমন্ত্র নিহিত আছে যদিও আজ তা সর্বাপেক্ষা আক্রান্ত, আজাদীর এই অমৃতকালেই আরো বেশি করে যেন বা। আমাদের সৌভাগ্য যে আমরা ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে পণ্ডিত নেহরুকে পেয়েছিলাম। নেহেরু সংবিধানের অবজেকটিভ রেজোলিউশন উপস্থাপন করেছিলেন কনস্টিটিউশনাল অ্যাসেম্বলির কাছে। হিন্দুত্ববাদীদের মিথ্যা ট্রোলগুলি, হোয়াটস অ্যাপের মিথ্যাগুলিকে একটু অনুসন্ধান করলেই মিথ্যের বেসাতিটা ধরা পড়ে। ভারত ভাবনার মূল রূপকার পণ্ডিত নেহরু এদের আক্রমণের অন্যতম লক্ষ্য। ... ...

নতুন এ রচনা। গন্ধ নিয়ে। গন্ধ মানে সৌরভ, গন্ধ মানে পারিফিউম, গন্ধ মানে কলকাতায় দিনমানে চলা কর্পোরেশনের জঞ্জাল ফেলার গাড়ি, গন্ধ মানে শেষযাত্রার অগুরু, গন্ধ মানে ধুপ-ধূনো, গন্ধ মানে মায়ের খোলা চুল। এমন কতো কিছুই। আপনাদের উৎসাহ পেলে ভরসা বাড়বে। ... ...


যে কোন নাটকের গোড়ায় পাত্র পাত্রীর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয় , তারপরে ঘটনার ঘন ঘটা - রাইজিং অ্যাকশন! সেটির পরিণতি ক্লাইম্যাক্সে ; অতঃপর ফলিং অ্যাকশন । বিভিন্ন দেশে আন্তর্জাতিক ম্যাচ দেখার অভিজ্ঞতা থেকে স্বচ্ছন্দে বলতে পারি নাট্য শাস্ত্রীদের এই বিন্যাসের সঙ্গে ফুটবল খেলাটা হুবহু মিলে যায় । তফাত এই যে সবটাই মঞ্চে বা মাঠে অনুষ্ঠিত হয় না । পাত্রদের নাম ধাম , প্রতি সপ্তাহের বেতন কত তা আমরা জানি । তাদের ভূমিকা এই নাটিকার ক্লাইম্যাক্স পর্বে , মানে মাঠের ভেতরে। খেলা শুরুর আগে মঞ্চের চারপাশে যা চলতে থাকে সেটা রাইজিং অ্যাকশন, সেটা আমার কাছে আসল খেলার চেয়ে অনেক বেশি আকর্ষণীয়! ম্যাচের কয়েকদিন আগে থেকেই শহরের পথঘাট ভরে যায় - নানান দেশের পতাকা, মুখে রং, মাথায় বিচিত্র টুপি , ক্লাউনের সাজ সজ্জা , ফুটপাথে ম্যাপ ও ছবি আঁকা, নানান গান ( একবার লন্সে ইউরো ২০১৬ তে ক্রোয়েশিয়া আর পর্তুগালের ফ্যানরা রাস্তার ওপরে লোক সঙ্গীতের চাপান উতর বসিয়ে দিয়েছিলেন – এ যতো গায় অন্যে গায় তার শত গুণ। কারো ভাষা অবিশ্যি কেউ বোঝে না )। স্লোগানে স্লোগানে অলি গলি গুলজার। সারা ইউরোপে উজ্জ্বল গ্রীষ্মের দিনে অজস্র হাসি খুশি মানুষের মেলা বসে যায় – ফুটবল শুধু একটা বাহানা! ... ...

সন্ধ্যে হয়ে এসেছিল। বইটি রেখে দিয়ে বিছানা থেকে উঠে পড়ে দীপ। আলনা থেকে শার্টটা গায়ে গলিয়ে বোতাম লাগাচ্ছিল - একটু বাইরে বেরিয়ে আসা দরকার, মাথাটা জ্যাম হয়ে আছে। ঘর থেকে বেরুনোর আগে বইটির দিকে হঠাৎ চোখ পড়তেই চমকে উঠে সে! বিমূর্ত প্রচ্ছদটিতে একটি ছবি ভেসে উঠেছে, একটি মেয়ে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে দীপের দিকে, আর তার মুখটা আগের থেকেও রক্তশূন্য! ... ...