এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ব্লগ

  • বিরল পৃথিবী

    Mani Sankar Biswas লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ১৮ জুন ২০২৪ | ১৪০ বার পঠিত
  • আমাদের মাঝারি বা একটু ছোট মাপের গ্যালাক্সিটিতে প্রায় ১০০ কোটি নক্ষত্র রয়েছে ১ লক্ষ আলোকবর্ষ (950,000 trillion km) জুড়ে। কিন্তু যদি জিজ্ঞেস করা হয়, এই সুবিশাল মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতে পৃথিবীর অনুরূপ কয়টি গ্রহ আবিষ্কার করেছেন বিজ্ঞানীরা? উত্তর পাব একটিও না। ওহ, হ্যাঁ আমাদের মিল্কিওয়েতেও প্রচুর এক্সোপ্ল্যানেট রয়েছে (আজকের হিসাবে 5,599 টি), কিন্তু আবিষ্কৃত গ্রহগুলির শুধু মাত্র ২০% শক্ত পাথুরে গ্রহ। এবং পাথুরে গ্রহগুলির ভিতর আবার ৭৫% এম-শ্রেণির লাল বামন নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে ঘুরছে যেখানে জটিল ও উন্নত বহুকোষী জীবন সম্ভবই না।
    তাছাড়া কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া, বেশিরভাগ পাথুরে এক্সোপ্ল্যানেটগুলি সুপার-আর্থ। এর মানে হল এটি পৃথিবীর চেয়ে আয়তনে বড়। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে দেখিয়েছেন যে কোনো পাথুরে (বা পৃথিবীর মতো) গ্রহ যদি পৃথিবীর চেয়ে কম-বেশি ০.৫ গুণ বড় বা ছোট হয় তবে সেই গ্রহ একটি উপযুক্ত চৌম্বক ক্ষেত্র পেতে সক্ষম হবে না। তার মানে সেখানে তেজস্ক্রিয়তার বিরুদ্ধে সুরক্ষা থাকবে অতি সামান্য। অর্থাৎ এইসব গ্রহে কোনো প্রাণ থাকতে পারে না। বা বড়জোর প্রাণ বলতে ব্যাকটেরিয়া।
    এছাড়াও আমরা যদি আমাদের গ্যালাক্সিটির উন্নত প্রাণ ধারণের উপযুক্ত অঞ্চলের দিকে তাকাই, তাহলে দেখব এই অঞ্চলটি আমাদের বেশিরভাগ বিজ্ঞান-উৎসাহী মানুষের ধারণার চেয়ে অনেক ছোট। আমাদের পৃথিবী যে স্পাইরাল বাহুর অংশ সেটা গ্যালাক্সির কোর (সুপার ম্যাসিভ ব্ল্যাক হোল-এসএমবিএইচ) থেকে ২৬০০০ আলোকবর্ষ দূরে। এরকম দূরত্ব থেকে গ্যালাক্সির স্পাইরাল বাহুগুলি আর ওই অঞ্চলে অবস্থিত নক্ষত্রগুলি একই গতিতে কেন্দ্রের চারপাশে ঘোরে। আমাদের সৌরজগৎ আমাদের গ্যালাক্সি কোর থেকে প্রায় 25,000 আলোকবর্ষ আর 26,000 আলোকবর্ষের ভিতরে রয়েছে, যা পৃথিবীতে প্রাণ ও প্রাণের বসবাসযোগ্যতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ গ্যালাক্সির ওই স্পাইরাল বাহুগুলির সহ-ঘূর্ণন আমাদের সৌরজগতের নিজস্ব গতিকে ব্যাহত করে না। ব্যাপারটা এরকম, ধরা যাক একজন মানুষ একটা ট্রেডমিলে ছুটছে। মানুষের গতি আর ট্রেডমিলের গতি একই থাকায় মানুষটা পড়ছে না। কিন্তু যে কোনো একটার গতি বেশি হলেই তো মানুষটা পড়ে যাবে!
    অন্যদিকে আমরা যদি গ্যালাক্সি কোরের খুব কাছাকাছি থাকতাম, তেজস্ক্রিয়তার প্রভাব, আমাদের পৃথিবীকে প্রাণ ধারণের অনুপযুক্ত করে তুলত । আবার আমরা যদি ঐ সহ-ঘূর্ণন দূরত্বের বাইরে থাকতাম, তবে জীবনের জন্য পৃথিবীতে যথেষ্ট ভারী মৌলগুলি থাকত না। তাই মানুষের বাসযোগ্য গ্রহ থাকতে পারে এমন অঞ্চল এই বিশালাকার ছায়াপথেও খুবই ছোট্ট একটি অংশ!
    অবশেষে, যদি আমরা সত্যিই পৃথিবীর মতো একটি গ্রহ খুঁজি যা অস্তিত্বশীল জীবন-সমৃদ্ধ, সেই গ্রহটিকে এমন একটি তারকা সিস্টেম বা সৌরজগতের অংশ হতে হবে যেখানে কেন্দ্রীয় নক্ষত্র বা ওই সৌরজগতের সূর্যটিকে হতে হবে একটি Pop I তারা। তারাদের তিনটি প্রজন্মের মধ্যে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়। এই শ্রেণীবিভাগ নক্ষত্রগুলির বয়স, ভারী মৌলিক উপাদানের প্রাচুর্য আর গ্যালাক্সিতে তাদের অবস্থানের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত।
    পপ I নক্ষত্রের মধ্যে রয়েছে সূর্য। এই নক্ষত্রগুলি উজ্জ্বল, উষ্ণ এবং তরুণ। গ্যালাক্সিতে এদের অবস্থান সবসময়েই স্পাইর‍্যাল বাহুগুলিতে। পপ I তারকারা সবচেয়ে ধাতব মৌল সমৃদ্ধ । এর মানে হল যে গ্যাস থেকে পপ I তারকারা তৈরি হয়েছিল তা অবশ্যই পূর্ববর্তী প্রজন্মের নক্ষত্রগুলি থেকে রিসাইকেলড হয়েছে। এবং পপ II এর তুলনায় পপ I তারকার সংখ্যা 2% এর বেশি নয়। পপ II নক্ষত্রগুলি গ্লোবুলার ক্লাস্টার এবং গ্যালাক্সির নিউক্লিয়াসে পাওয়া যায়। যেখানে আগেও বলেছি তেজস্ক্রিয়তার প্রাচুর্যের কারণে প্রাণ, উন্নত প্রাণ সম্ভব নয়। কিন্তু এছাড়াও পপ II তারকাগুলি পপ I নক্ষত্রের তুলনায় বয়স্ক, কম আলোকিত এবং শীতল হতে থাকা নক্ষত্র। এই তারকাগুলির মধ্যে ভারী ধাতব মৌল থাকে না। স্বভাবতই এই তারকাগুলিকে কেন্দ্র করে যে গ্রহগুলি পাক খায় তাদেরও শরীরের ধাতব মৌল বা ভারী মৌলিক পদার্থ থাকে না। আবার আমাদের সহজ বুদ্ধিতে এ কথা বুঝতে কষ্ট হয় না যে, প্রাণ সৃষ্টির জন্য এই সব ভারী মৌলগুলির বিশেষ আবশ্যকতা রয়েছে। তাই প্রাণের বিকাশ হবার জন্য সেই স্টার সিস্টেম বা নক্ষত্র-জগতের নক্ষত্রটিকে Pop I নক্ষত্র হতেই হবে।
    এছাড়া আমাদের মতো একাধিক গ্রহের সৌরজগতও বিরল। বাস্তবিকই আমরা এখনও অন্য কোনও এক্সোপ্ল্যানেট সিস্টেম খুঁজে পাইনি যা আমাদের সৌরজগতের মতো । একটিও নয়। তাছাড়া যেসব পাথুরে গ্রহগুলির খোঁজ পাওয়া গেছে তাদের বেশিরভাগ হয় জলে ভাসছে অর্থাৎ উপরিতলে শুধুই জল, কোনো শুকনো জমিই নেই অথবা গ্রহটির বেশিরভাগ অঞ্চলই অত্যন্ত শুষ্ক, জল প্রায় নেই বললেই চলে। সামান্য যে জলটুকু আছে তা ওই মেরুপ্রদেশেই সীমাবদ্ধ! আবার যে গ্রহগুলিতে জল আছে সেই গ্রহগুলিতেও সেখানকার জল ভয়ানক অম্লীয় বা অ্যাসিডিক। যা প্রাণের বিকাশের জন্য উপযুক্ত নয়। অবশ্য প্রাণ বলতে যা আমরা বুঝি। তাছাড়া শুধু জলই নয়, জল ছাড়াও প্রাণের বসবাসযোগ্যতার জন্য, বিশেষত উন্নততর প্রাণের জন্য, আরও অনেকগুলি, অন্তত গুরুত্বপূর্ণ ৯ টি ফ্যাক্টর রয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে: অতিবেগুনি রশ্মির অপ্রতুলতা (অতিবেগুনি রশ্মি তীব্রতা বেশি হলে তা প্রাণকোষকে ধ্বংস করে দেবে, বলাইবাহুল্য ) সালোকসংশ্লেষ-যোগ্যতা বা ফোটোসিন্থেটিক (একটি গ্রহে ফোটন কণার কতটা পর্যাপ্ততা আছে, তা বিশাল একটা প্রাণীজগতের প্রয়োজনীয় খাদ্যসম্ভার যোগানকে সম্ভব করে তোলবার মতো সালোকসংশ্লেষ-সক্ষম কিনা) , ট্রপোস্ফিয়ারিক ওজোন, গ্রহের ঘূর্ণন হার, গ্রহের ঘূর্ণন অক্ষের টিল্ট, জোয়ার-ভাটা লকিং ফ্যাক্টর, অ্যাস্ট্রোস্ফিয়ার, বায়ুমণ্ডলীয় বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র এবং নক্ষত্রীয় চৌম্বকক্ষেত্র ইত্যাদি।
    এর প্রত্যেকটি ফ্যাক্টর বহুকোষী উন্নত-জটিল প্রাণের বিকাশের জন্য প্রয়োজনীয়, অন্তত পৃথিবীর সাপেক্ষে প্রাণ বলতে যা আমরা বুঝি।
    খুব সংক্ষেপে আরও কয়েকটির ফ্যাক্টরের কথা এখানে বলা যায়, এটা বোঝাতে যে পৃথিবী ও পৃথিবীর অবস্থান-বৈশিষ্ট্য কতটা ইউনিক!
    *আনুপাতিক হারে এই আকারের চাঁদের মতো অন্য কোনও গ্রহের উপগ্রহের কথা এখনো আমরা জানি না। পৃথিবীর অক্ষটির একদিকে হেলে থাকা বা টিল্টকে স্থিতিশীল করতে সাহায্য করবার জন্য আমাদের চাঁদের বিশালত্ব অনস্বীকার্য। পৃথিবীর এই ভাবে কাত হয়ে না থাকলে, পৃথিবীর জলবায়ু মোটেই স্থিতিশীল হত না। পৃথিবীর প্রথম স্থলচর প্রাণী যে জোয়ারের জলেই স্থলে উঠে এসে আর জলে ফিরে যেতে পারেনি, সেতো বলাইবাহুল্য। সুতরাং এই মাপের চাঁদ ছাড়া স্থলচর প্রাণের এই অগ্রগতি অসম্ভব ছিল।
    *প্লেট টেকটোনিক্স। তুলনামূলকভাবে সাম্প্রতিক সময়ে আমরা বুঝতে পেরেছি যে প্লেট টেকটোনিক্স সম্ভবত প্রাণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। প্রতি কয়েক মিলিয়ন বছরে ভূপৃষ্ঠে বিপর্যয় না ঘটিয়ে ভূত্বকটির ম্যান্টলের পুনর্ব্যবহার হয় পৃথিবীতে। সৌরজগতের গ্রহগুলির মধ্যে শুধুমাত্র পৃথিবীতেই উপযুক্ত প্লেট টেকটোনিক রয়েছে। মহাবিশ্বে? খুব ওয়াইল্ড গেস করলেও পাথুরে গ্রহগুলির ভিতর ১০% এর বেশি এরকম গ্রহ ভাবাই যায় না!
    *পৃথিবীর ভূত্বক অত্যন্ত অস্বাভাবিক কারণ এটি দুটি ভিন্ন প্রকারের শিলা দ্বারা গঠিত। লিথোস্ফিয়ারের হালকা অংশটি উপরে উঠে, আমরা যে অংশটিকে ‘শুষ্ক ভূমি’ বলি, তৈরি করেছে এবং ভারী অংশটি সমুদ্রের তলদেশ। পৃথিবীতে এরকম হয়েছে বলেই এখানকার জলবায়ু এত স্থিতিশীল ও প্রাণের এই স্ফুরণ সম্ভব হয়েছে!
    আবার আমরা যে সৌরজগতটিতে আছি, সেটি নিজেও কিন্তু অত্যন্ত অস্বাভাবিক। খুব সংক্ষেপে সৌরজগতের এই অভিনবত্ব সম্পর্কে একটু বলি।
    *আমাদের সৌরজগতে বাইরের প্রান্তে বড় গ্রহ এবং নক্ষত্রের কাছাকাছি ছোট গ্রহ রয়েছে, যা প্রায় দেখা যায় না বললেই চলে। বেশিরভাগ নক্ষত্রজগতে বড় গ্রহগুলি কেন্দ্রীয় নক্ষত্রের কাছাকাছি এবং ছোট গ্রহগুলি বাইরের দিকে থাকে।
    *একটি সৌরজগতে পাথুরে গ্রহ এবং গ্যাস-দৈত্য, উভয় প্রকারের গ্রহই রয়েছে, এটা বেশ অস্বাভাবিক। বেশিরভাগ স্টার সিস্টেমেই যে কোনো এক প্রকারের গ্রহ থাকে, কিন্তু উভয়ই নয়। পৃথিবীকে কীভাবে এই গ্যাস-দৈত্য গ্রহগুলি রক্ষা করছে, আমরা প্রায় সকলেই জানি।
    *প্রায় 85% স্টার সিস্টেমে একাধিক তারা রয়েছে, বড়জোর 15% স্টার সিস্টেমে সৌরজগতের মতো একটি তারা রয়েছে। একাধিক নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে যখন একটি গ্রহ আবর্তন করতে থাকে, তখন তার ঘূর্ণন হয় অস্বাভাবিক, বন্য। এরকম ভয়ংকর অনিয়মিত দুর্দমনীয় আবর্তন গতি সম্পন্ন গ্রহতে উন্নত প্রাণের বিকাশ অসম্ভবই বলা চলে।
    *সৌরজগতের চতুর্থ অভিনবত্ব, আমরা গ্যালাক্সির একটি অস্বাভাবিক শান্ত অংশে অবস্থিত। বেশিরভাগ জায়গাই এক্স-রে বিস্ফোরণ, সুপারনোভা ইত্যাদি বিভিন্ন ধরণের মহাজাগতিক ভয়াবহতা রয়েছে!
    অর্থাৎ, প্রাণের বসবাস-যোগ্যতার শর্তগুলি একে অপরের সঙ্গে ওভারল্যাপ করছে, আমরা এমন একটি ‘পৃথিবী’ও খুঁজে পাইনি। এতগুলি ফ্যাক্টর দূরে থাক এমন একটা গ্রহও পাওয়া যায়নি যেখানে জল এবং UV জোন ওভারল্যাপ করেছে।
    এইসব নানা প্রকারের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখানো যায় যে সূর্য এবং পৃথিবী দুই-ই অত্যন্ত বিশিষ্ট, মহাজগতের সাপেক্ষে। এখান থেকেই এসেছে রেয়ার আর্থ হাইপোথিসিস। সহজভাবে রেয়ার আর্থ হাইপোথিসিস বলে, যে পৃথিবীর কন্ডিশন খুবই অনন্য বা ব্যতিক্রমীভাবে অস্বাভাবিক যা জটিল জীবনকে বিকাশ লাভ করতে দিয়েছে এবং মহাবিশ্ব জুড়ে এরকমটা আরও অনেক জায়গায় ঘটার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। এমনকি হতে পারে এই প্রায় অসীম বিস্তৃত মহাবিশ্বে মানুষই একমাত্র মহাকাশ-অনুসন্ধিৎসু প্রাণ! পৃথিবীর এই বিরলত্ব, এর তুলনাহীন বিশেষত্ব, এ ছাড়া মানুষের আর কোনো বাসস্থান নেই, আর কোনো স্থায়ী বাসস্থান অদূর ভবিষ্যতেও হতে পারে না, এইটুকুও আমরা ঠিকঠাক বুঝে উঠতে পারিনি এখনও!
    (তথ্যসূত্রঃ- https://www.astronomy.com/.../rare-earth-hypothesis-why.../ )
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ব্লগ | ১৮ জুন ২০২৪ | ১৪০ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। বুদ্ধি করে প্রতিক্রিয়া দিন