ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ব্লগ

  • সোভিয়েত দেশের শেষ নাগরিক

    মণিশংকর বিশ্বাস লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ১০ জুন ২০২২ | ৪১৩ বার পঠিত | রেটিং ৪ (১ জন)
  • কৈশোরে উত্তীর্ণ হবার সময় স্পষ্ট মনে পড়ে মাঝেমাঝেই পোস্টম্যানকাকু 'সোভিয়েত দেশ' দিয়ে যেতেন বাড়িতে। সব মাসে আসত না। তখন ডাক ব্যবস্থাটাই এমন ছিল। কেউ এ নিয়ে তেমন অভিযোগও করত না। কিন্তু যখনই মসৃণ তুলোট কাগজে 'সোভিয়েত দেশ' হাতে পেতাম, খুব আনন্দ হত। স্বভাবতই, আমার মতো সদ্য কিশোররা সকলেই ছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন বা ইউএসএসআর-এর সমর্থক। অ্যামেরিকা বা ইউএসএ ছিল দেশের শত্রু, আমাদেরও। যদিও বেশ মনে আছে, আমাদের সেই পাড়াগাঁয়ে বসেও আমি এবং আমার মতো অনেকেই 'গ্লাসনস্ত' 'পেরেস্ত্রইকা' ইত্যাদি নিয়ে বেশ উত্তেজিত থাকতাম! অন্তত আমি, মিখাইল গর্বাচভকে দু'চক্ষে দেখতে পারতাম না। এরকম একটা সময়, ১৯ আগস্ট, ১৯৯১, ভোর হওয়ার সাথে সাথে সাঁজোয়া ট্যাঙ্কগুলি মস্কোর রেড স্কোয়ারে প্রবেশ করে। সহজ কথায় একটা সেনা-অভ্যুত্থান হতে যাচ্ছিল। গর্বাচভ, সেই সময়ে ছুটিতে। তাঁর সংস্কারের প্রচেষ্টা হার্ডকোর পার্টি কর্মীদের হতাশ করেছিল। কমিউনিস্ট পার্টির নেতারা ক্ষমতা পুনরুদ্ধার করতে বদ্ধপরিকর ছিলেন। বিশ্বের অন্যান্য জায়গার মতো সোভিয়েত ইউনিয়নের স্পেস স্টেশন মিরে বসে এসব ঘটনাবলীর বিশদ বিবরণ পাওয়া বেশ কঠিনই ছিল।

    "আমাদের জন্য, এটি সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত ছিল," সোভিয়েত মহাকাশচারী ক্রিকালেভ (Sergei Krikalev) পরে বলেছিলেন। “আমরা বুঝতে পারিনি কি হয়েছে। আমরা তখন বোঝার চেষ্টা করেছি যে এটি কীভাবে আমাদের মহাকাশ প্রোগ্রামকে প্রভাবিত করতে পারে।" গর্বাচভ অবশ্য কয়েকদিনের মধ্যেই ক্ষমতা পুনরুদ্ধার করেন, কিন্তু দেশের ভাগ্যে কী হতে চলেছে, সেই প্রস্তাবে ততদিনে নিশ্চিত করেই সিলমোহর পড়ে গেছে!

    মহাকাশচারী সের্গেই ক্রিকালেভকে"শেষ সোভিয়েত নাগরিক" হিসাবে বর্ণনা করা হয়। তিনি তাঁর মহাকাশযাত্রা শুরু করেছিলেন সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে আর তিনি ফিরে এসেছিলেন অন্য একটি ভিন্ন দেশে। মির মহাকাশ স্টেশন থেকে পৃথিবীতে তাঁর প্রত্যাবর্তন ইউএসএসআর-এর ভেঙে যাওয়ার কারণে স্থগিত করা হয়েছিল। এমনকি ঋণ শোধ করবার জন্য তাঁর জায়গায় রিলিভার হিসেবে যার যাবার কথা ছিল, সেই সিটটাও সদ্য স্বাধীন হওয়া কাজাখিস্তান প্রজাতন্ত্রের একজনকে দিয়ে দেওয়া হয়েছিল। ফলস্বরূপ, ক্রিকালেভকে বলা হয়, পরবর্তী নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত তাকে মহাকাশ স্টেশনেই থাকতে হবে। অপরিকল্পিত ভাবে দীর্ঘকাল মহাকাশে থাকাটা তাঁর মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের পক্ষে যে বিরাট ঝুঁকিপূর্ণ হতে চলেছে, এটা জানা থাকা সত্ত্বেও পরিকল্পিত পাঁচ মাসের জায়গায় অনির্দিষ্টকালের জন্য তাঁর পৃথিবীতে ফেরা স্থগিত হয়ে যায়! মহাকাশে অপেক্ষা করতে করতে তিনি সবচেয়ে দীর্ঘ সময় মহাকাশে থাকবার একটি নতুন রেকর্ড স্থাপনের প্রায় কাছাকাছি চলে এসেছিলেন।

    বাইকোনুর (Baikonur) থেকে মহাকাশ যাত্রা শুরুর পর, ক্রিকালেভ ৩১২ দিনের জন্য পৃথিবীর খোলা বাতাসে আর শ্বাস নেবেন না। মৃদুভাষী এই মহাকাশচারী তার দেশকে মহাকাশ থেকে একটা বিরাটকার বরফের চাইয়ের মতো ভেঙে পড়তে দেখবেন। তাঁর নিজের শহর লেনিনগ্রাদ হয়ে উঠবে সেন্ট পিটার্সবার্গ। একটা বিরাট ক্ষমতাবান কমিউনিস্ট রাষ্ট্রশক্তি ১৫টি দেশে বিভক্ত হয়ে যাবে। যখন তিনি ফিরে আসবেন, তখন ক্রিকালেভ হবেন, সংক্ষেপে, একসময়ের পরাক্রমশালী সোভিয়েত ইউনিয়নের শেষ অবশিষ্ট নাগরিক! যখন তিনি স্পেস-স্টেশনে ছিলেন, তখন তার জানা পৃথিবীর ক্ষমতার ভারসাম্য সম্পূর্ণ বদলে গেছে বা নষ্ট হয়ে গেছে! খুব অল্প কথায়, ঠাণ্ডা-যুদ্ধ বলে আর কিছু নেই! মস্কোর রাস্তায় ট্যাঙ্কগুলি গর্জে উঠেছিল, একটি ব্যর্থ সেনা-অভ্যুত্থান হয়েছিল, গণতন্ত্রীরা 'বিজয়ী' হয়ে বেরিয়ে এসেছিলেন, সোভিয়েত ইউনিয়ন পরস্পরের প্রতি সন্দেহ ও অবিশ্বাসপূর্ণ প্রজাতন্ত্রের এক দল রাষ্ট্রে বিভক্ত হয়ে পড়েছিল এবং একজন মার্কিন 'বুদ্ধিজীবী' ঘোষণা করেছিলেন যে ইতিহাসের শেষ দিন এসে গেছে!

    অন্যদিকে সুদূর মহাকাশের একটা স্পেসস্টেশনে থাকতে থাকতে ক্রিকালেভ যেন পুরাণ বা মাইথোলজির একটা চরিত্র হয়ে উঠেছিলেন! একজন ব্যক্তি হিসাবে, একজন অসহায় এবং প্রায় বিস্মৃত ব্যক্তি হিসেবে যিনি এমন একটা দেশের ইউনিফর্মে এরপর পৃথিবীতে ফিরে আসবেন যা আর নেই! একাকী, হতাশাগ্রস্ত, এমনকি যার মনস্তাত্ত্বিক সাহায্যের প্রয়োজন হওয়াও কিছুমাত্র অসম্ভব নয়!

    কী যে সাররিয়াল একটা অবস্থা! যখন ক্রিকালেভ মহাকাশে গেছিলেন, তখন তিনি এবং মির স্পেসস্টেশনে তাঁর সহকর্মী ভলকভ একই দেশের নাগরিক৷ কিন্তু মহাকাশে থাকবার সময়, ভলকভ একজন বিদেশী হয়ে ওঠেন, এবং তার দেশ ইউক্রেন ও ইউক্রেনের মানুষ একটি স্বাধীন জাতি হিসাবে আবির্ভূত হয়। প্রায় এক বছর আগে যখন ক্রিকালেভ তার স্ত্রী এবং ২ বছর বয়সী কন্যাকে বিদায়-চুম্বন করেছিলেন, তখন ক্রিকালেভের লেনিনগ্রাদ নামে একটি শহরে নিজস্ব একটা বাড়ি ছিল। তাঁর বাড়ি এখনো আছে, কিন্তু এখন সেটা অন্য এক শহরে, সেন্ট পিটার্সবার্গে। আর লেলিনগ্রাদ বলে কোনো শহরের কোনো অস্তিত্বও নেই। ক্রিকালেভ যখন মহাকাশের উদ্দেশ্যে টেক অফ করেন, তখন তার মাসিক উপার্জন ছিল ৬০০ রুবেল, যা বেতন হিসেবে খুবই ভালো, একজন অত্যন্ত দক্ষ বিজ্ঞানী-মহাকাশচারীর জন্য উপযুক্ত। এখন একজন বাস ড্রাইভারও তার দ্বিগুণেরও বেশি আয় করেন। সর্বোপরি যে শক্তিশালী সোভিয়েত মহাকাশ প্রোগ্রামের জন্য ক্রিকালেভ তার জীবন উৎসর্গ করেছিলেন তা তখন এক ভয়াবহ সংকটের মধ্যে! মহাকাশ কর্মসূচীকে ঠিকঠাক চালিয়ে যাওয়া তো দূরের কথা, কর্মকর্তারা, অর্থ সংগ্রহের জন্য উপায়ান্তর না দেখে, মির স্টেশনটিকে বিক্রি করবার চিন্তা-ভাবনাও শুরু করেছিলেন। "মানব জাতি তার এক সন্তানকে দূরে মহাকাশের বুকে পাঠিয়েছিল একটি নির্দিষ্ট কাজ সম্পন্ন করার জন্য" একটি কাগজ রিপোর্ট করেছিল “কিন্তু খুব অল্প দিনের মধ্যেই পার্থিব এবং সম্পূর্ণ ব্যাখ্যাযোগ্য কারণে তার এই সন্তান, তাঁর উপর সঁপা নির্দিষ্ট কাজগুলিতে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। পৃথিবীও তার মহাকাশচারী সন্তানের কথা ভুলে যেতে শুরু করে। এবং সম্পূর্ণ পার্থিব কারণেই তাঁকে নির্ধারিত সময়ে ঘরে ফিরিয়ে আনা স্থগিত হয়ে যায়।”

    কী চলছিল ক্রিকালেভের মাথায়, যখন তাকে ফিরিয়ে আনার গোটা বিষয়টিই ছিল মহাকাশের দুশো মাইল অন্ধকারে? ক্রিকালেভ তাঁর মানসিক টানাপোড়েনকে প্রায় সন্ন্যাসীর ভঙ্গিতে অনুচ্চারিত রেখে, "কি আমাকে সবচেয়ে অবাক করেছিল?" তিনি সাংবাদিকদের বলেছিলেন “প্রথমে পৃথিবী ছিল অন্ধকার, তারপর সাদা। শীত এসেছিল, গ্রীষ্মের আগে। এখন, এটি আবার রঙিন হয়ে উঠতে শুরু করেছে। মহাকাশ থেকে দেখা এই পরিবর্তনটাই সবচেয়ে চিত্তাকর্ষক!" এখন বলি, কেন মির স্টেশনে অনির্দিষ্টকাল থেকে যাওয়া ক্রিকালেভদের জন্য কোনো প্রশংসাবাক্য, কোনো পার্থিব সম্মানই যথেষ্ট নয়! মির স্পেস-স্টেশনে একটি ক্যাপসুল (Soyuz capsule) ছিল, যেটা ব্যবহার করে ক্রিকালেভ এবং তার কমরেড, ইউক্রেনীয় আলেক্সান্দার ভলকভ দ্রুত ফিরে আসতে পারতেন পৃথিবীতে। কিন্তু ফিরে আসবার এই সহজ উপায়টি ক্রিকালেভরা ব্যবহার করেননি। যদি তাঁরা মির ছেড়ে এভাবে চলে আসতেন তবে মির মহাকাশ স্টেশনটি ধ্বংস হয়ে যেত। শুধু সোভিয়েত ইউনিয়ন নয়, গোটা পৃথিবীরই এক গৌরবজনক মহাকাশ-অধ্যায় বিনষ্ট হয়ে যেত। বহু মেধাশ্রম ও অধ্যবসায়ের বিনিয়োগ ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হয়ে ছড়িয়ে পড়তো নিঃসীম মহাকাশের অন্ধকারে!

    দেশপ্রেম কী? দেশপ্রেম হল যে দেশটাই নেই তার প্রতি ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও আনুগত্যবোধে, নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়েও, স্ত্রী ও সন্তানের থেকে বহুদূরে, মহাকাশের নিঃসীম অন্ধকারে অনির্দিষ্টকালের জন্য অপেক্ষা করা। অথচ প্রবাসে এসে দেখেছি, আমরা অনেকেই ভারতীয় নাগরিকত্ব রিনাউন্স করে বসে আছি, ওদিকে ক্রিকেট খেলার মাঠে গিয়ে রঙচঙ মেখে ইন্ডিয়ান ক্রিকেট টিমের সাপোর্ট করে ভেবেছি, বিরাট দেশভক্তি দেখানো গেল! ক্রিকেট টিমের সাপোর্টই হোক আর দেশের সেনাবাহিনী নিয়ে আবেগে গদগদ হয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়াই হোক, এসব যে দেশপ্রেম নয়, স্রেফ ভারত নামক একটা দলের সমর্থন, এ কথা আমরা আর কবে বুঝবো!

    তথ্যসূত্র: https://www.theguardian.com/film/1999/apr/20/features.timradford

    https://www.chicagotribune.com/news/ct-xpm-1992-03-26-9201270930-story.html

    https://www.discovermagazine.com/the-sciences/the-last-soviet-citizen
     
  • ব্লগ | ১০ জুন ২০২২ | ৪১৩ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • guru | 103.211.20.198 | ১১ জুন ২০২২ ১৬:৪৮508794
  • অসাধারন একটি লেখা |aapnake অনেক ধন্যবাদ |
  • Ranjan Roy | ১১ জুন ২০২২ ১৭:১৫508800
  • এ ব্যাপারে  কিছুই জানতাম না। মণিশংকর বাবুকে ধন্যবাদ। ছোটবেলায় সোভিয়েত দেশ আসতো , আমার বামমার্গী কাকাদের সৌজন্যে।
     বাবা ভয় পেতেন। কারানগরী আত্মজৈবনিক উপন্যাসে লেখক বলেছেন পঞ্চাশের দশকে সোভিয়েত দেশ কারও হাতে দেখলে সরকারি চাকরি চলে যেত। 
    সত্তরের দশকে আমি অসুখে শয্যাশায়ী, ভিলাই ইস্পাতনগরীতে। তখন রাশিয়া ভারতের বন্ধু। বিনে পয়সায় আমার রোগশয্যায় সোভিয়েত ল্যান্ড আসতে লাগল, পাক্ষিক। ততদিনে চেহারাটা বেশ ঝকমকে। পড়েছিলাম ইয়েভতুশেংকো এবং ভজনেসেন্সকির কবিতা। সেই স্মৃতি মনে এল।
  • হীরেন সিংহরায় | ১১ জুন ২০২২ ২৩:৫৫508840
  • জানতাম না ! অশেষ ধন্যবাদ । সোভিয়েত দেশ ভালো মনে আছে - একটু বেয়াড়া সাইজের, আজকের এ ৪ নয় । অদ্ভুত একটা গন্ধ ছিল। আলতসহাইমারের প্রথম স্টেজ চলছে - পুরনো স্মৃতি একেবারে জীবন্ত । 
  • Kuntala Lahiri-Dutt | ১২ জুন ২০২২ ১৮:৪৫508933
  • কি সুন্দর যে লাগলো এই স্বচ্ছ ও স্বতঃস্ফূর্ত ভাষায় লেখা ক্রিকালেভ-নামা।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। সুচিন্তিত প্রতিক্রিয়া দিন