এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ব্লগ

  • ভোটুৎসবে ভাট - হযপচো 

    সমরেশ মুখার্জী লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ০১ জুন ২০২৪ | ২৮১ বার পঠিত
  • | | | | | | | | | ১০ | ১১ | ১২ | ১৩
    কিছুদিন ধরে NRC নিয়ে একটু দুশ্চিন্তায় ছি‌লাম। দুশ্চিন্তা এজন‍্য নয় যে বাপ ঠাকুর‌দার দেশে জন্মে‌ দীর্ঘদিন সরকারকে আয়কর ও কয়েকবার ভোট দিয়েও বাঞ্ছিত কাগজ না দেখাতে পেরে ডিটেনশন সেন্টারে গিয়ে শেষ জীবনটা ডোলের মিল খেয়ে বাঁজা কাব‍্যচর্চা করে কাটাতে হবে। চিন্তা এও নয় যে তাহলে হয়তো বাকি জীবনে কালেভদ্রে  বৌ, ছেলের সাথে গরাদের ভেতর থেকে‌ই কথা বলে কাটবে। কারণ বিপুল অর্থব‍্যয়ে সংঘটিত  NRC  নামক অর্থহীন পয়জার‌টাই NRC বা Nothing Really Credible বিবেচিত হয়ে হয়তো আদালতের রায়ে বা সরকার বদলে গিয়ে বাতিল হয়ে যেতে পারে। শেষবেষ যদি তা লাগু‌ও হয় তা আমার জীবদ্দশায় হবে কিনা কে জানে। দুশ্চিন্তার কারণ - কী পদ্ধতিতে তা নির্ধারিত হবে?

      তখন একদিন হঠাৎ 'হঠাৎ যদি উঠলো কথা' নামক একটি তুমি‌নল নালা চোখে পড়লো। প্রথমেই নজর কাড়লো সেই নালার নারী নোঙ্গর। তার নাম পৌলমী নাগ। নিবাস উত্তর কলকাতা‌। পড়াশোনা জয়পুরিয়া কলেজ থেকে সাংবাদিক‌তা। দেখে মনে হোলো দেশের নানা দূর্নীতি ও অব‍্যবস্থায় সে এক অসন্তষ্ট হৃষ্টপুষ্ট যুবতী। 
    তার চশমা‌টি নাক থেকে হড়কে গালে ঠেকনো দিয়ে টিকে থাকে। ফলতঃ ফ্রেমের উপরাংশ তার ধারালো চক্ষুদ্বয়ের উর্ধ্বরেখার সাথে মিলে থাকে। সে যখন ঝুলে পড়া চশমায়, ঝকঝকে দন্তশোভায়, ক্ষুরধার কথায় মানানসই মস্তক সঞ্চালনে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গুরুগম্ভীর ভাবে পেশ করে তখন‌ও আমার তাকে দেখে বেশ মজা লাগে। 

       একথা 'হঠাৎ যদি' পৌলমী শুনতে পায় তাহলে নিশ্চিত আরো অসন্তুষ্ট হয়ে আরো সিরিয়াসলি বলবে - আপনাদের মতো লঘুচিত্ত বুড়োদের জন‍্য‌‌ই দেশের আজ এই অবস্থা। সিরিয়াস বিষয়ে সিরিয়াসলি আলোচনা করছি তাও আপনার মজা লাগছে? কিন্তু কী করি। আমার জন্ম বোধহয় ফাজলামি তিথির ফচকেমি লগ্নে রসিকতা নক্ষত্রে, তাই কুষ্টিতে লেখা আছে ইয়ারকি রাশি ও চ‍্যাংড়ামি গণ। তাই লঘু মজা, খেলো রসিকতা করার জন‍্য আঙ্গুল, মুখ মুখিয়ে থাকে। মন তো থাকে‌ই।

      তার চক্ষুদুটি‌ও 'প্রজাতন্ত্র' টিভির মূখ‍্য পুরুষ নোঙ্গর - 'সাগর গোপতি' সদৃশ বুদ্ধি‌দীপ্ত। তবে 'হয‌উক' নালার মহিলা নোঙ্গর 'সাগরের' মতো লাফালাফি বা তর্জনী আস্ফালন করে আড়াইশো ডেসিবেলে গর্জন করেন না। শোনা গেছে নিয়মিত সমূদ্রগর্জন শুনে ছায়াপথের এক দূরবর্তী তারা থেকে - যেখানে মানুষের চেয়ে অনুন্নত কোনো প্রজাতির উদ্ভব হয়েছে - বেতার তরঙ্গে বিপন্ন বার্তা পাঠিয়েছে - "ব্লিপ, ব্লিপ, হ‍্যালো পৃথিবী, আমরা তোমাদের গ্ৰহ থেকে এক নোঙ্গর 'সাগরের' কথা বেতার তরঙ্গের সাহায‍্য ছাড়া‌ই সরাসরি শব্দতরঙ্গের মাধ‍্যমে শুনতে পাচ্ছি, তাই জানতে চাইছি পৃথিবী‌বাসীর, বিশেষ করে ভারতবাসীর কানের কী অবস্থা?"

        তো সে‌ই যুবতী নোঙ্গর লম্বা হাতার ব্লাউজে, মার্জিত পোষাকে, পরিমিত প্রসাধনে পরিপাটি হয়ে পরিচ্ছন্ন ভাষায় প্রভূত বিশ্লেষণ সহকারে সেদিনের নির্ধারিত বিষয়ে তার বক্তব‍্য পেশ করেন। তাই তার কথা শুনতে বেশ লাগে। মনে হয় এনাদের মতো অপেশাদার নোঙ্গর‌দের দেখে 'মহাসাগর' গোষ্ঠীর পেশাদার নোঙ্গর‌রা কেন বোঝে না যে কেবল গর্জন করলেই বক্তব্যের ওজন বাড়ে না। তাতে থাকা চাই কিছু সারবস্তুও। কারণ দর্শকদের যতটা নির্বোধ ভেবে তারা তাদের ফাঁকির পসরা সাজিয়ে টিভির পর্দায় সাংবাদিক‌তার নামে বাণিজ্য করতে হাজির হন - সবার না হলে‌ও - অনেকের কাছেই তা রীতিমতো বিরক্তিকর লাগে।
      
      হঠাৎ ওঠা কথার মতো অনেক কিছু‌ই হঠাৎ হয়। হঠাৎ আসে অতিমারী। হঠাৎ‌ হারায় চাকরি। হঠাৎ মানুষ প্রেমে পড়ে। হঠাৎ তাকে তোলে ঘরে। হঠাৎ ফুরোয় মোহের ঘোর।  হঠাৎ‌ ভাঙে তিথিডোর। এভাবে নানা কিছু বহুদিন ধরে ভোগ, যত্ন, সঞ্চয়, অবহেলা, অপব্যবহার করার পর হঠাৎ কোনো পরিস্থিতি‌, ঘটনা, কথা, দৃশ‍্যে  হঠাৎ‌ই হয় বোধোদয়।

        রোজ সকালে ঘুম থেকে উঠে ঘুমচোখে দুফোঁটা আইটোন দিয়ে একটা টুলে বসে আমি ফুট ম‍্যাসাজারে পা দুটো ঢুকিয়ে দিই। মেশিন কোঁয়াও কোঁয়াও করে ম‍্যাসাজ করতে থাকে পায়ের পাতা। আমি চোখ বুঁজে আফিমখোর বুড়োর মতো ঝিমোতে থাকি। শরীর থেকে ধীরে ধীরে কেটে যায় বাঁচাবুচা ঘুমের রেশ। তারপর উঠে একটু হাত পা নাড়ি। শরীর‌ নামক যন্ত্র‌টাকে‌ও তো চালু রাখতে হবে। না হলে করোনা‌র কড়কানি কমলে আবার 'একলা চলো রে' হবে  কী করে? আসলে আমি মূলতঃ ঘুমকাতুরে। কোনোকালেই আমার ভোরে উঠতে ভালো লাগে  না। অথচ ভোরের মহিমাময় সৌন্দর্য উপভোগ করতে‌ও ভালো লাগে। এ যেন পেটরোগার রাবড়ি ভোজনের বাসনা। ছড়াবে তবু ছাড়বে না।

         ড্রয়িং রুমের যেখানে বসে রোজ আমার এই প্রাতঃবিলাস হয় তার ডান দিকে পরপর তিন থাক ও বাঁদিকে মেঝেতে পাশাপাশি দুটো কার্ডবোর্ড কার্টন রাখা আছে। পাঁচটা‌ই Amazon Pantry থেকে পাওয়া।  কার্টন‌গুলো ভালো। তাই ফেলি‌নি। ডানদিকে‌র তিন থাকে থাকে ব‌ই ও বেড়ানোর সামগ্ৰী। বাঁদিকে‌র মেঝেতে দুটো কার্টন Items Quarantine Chamber. চায়না, দুবাই থেকে আসা  সম্ভাব‍্য করোনা আক্রান্ত যাত্রীদের মতো দোকান থেকে কেনা মুদীর মাল‌গুলো প্রথমে ঢোকে এক নম্বরে। তিনদিন পড়ে থাকে সেখানে। প‍্যাকেটের গায়ে করোনো ভাইরাস লেগে থাকলেও কাউকে কামড়াতে না পেরে তিনদিনে তারা অনশনে মারা যাবে। এমনই নিদান দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। যেমন যাচ্ছে (মারা) রাস্তায় কিছু পরিযায়ী শ্রমিক। করোনা‌ আতঙ্কে পায়ে হেঁটে বাড়ি ফিরতে গিয়ে। তারপর দ্রব‍্যগুলি আসে দু নম্বর কার্টনের সেফ জোনে। বৌমণিকে করোনাকালীন SOP বুঝি‌য়ে দিয়েছি। তিনি দুনম্বরী বাক্স থেকে মাল নেন।

        তো সেদিন পা ম‍্যাসাজ করতে করতে তন্দ্রাজড়ানো চোখ পড়লো ডানদিকে‌র কার্টনে লেখা লোগোটার দিকে। আগে অনেকবার দেখেছি। কিন্তু সেদিন  'হঠাৎ যখন পড়লো চোখে' তখন লোগোটা যেন চোখে আঙুল দিয়ে বুঝি‌য়ে দিলো তার তাৎপর্য। হয়তো এ তাৎপর্যের সাথে আমার পরিচিত সবাই বহু আগে থেকেই পরিচিত। আমার‌ই উপলব্ধি হোলো হালে। লেট লতিফ বলে।

      
     লোগোর নীচে তীরের ন‍্যাজটা a তে শুরু হয়ে মুখটা শেষ হয়েছে z তে। তার পর দুটো অক্ষর on. অর্থাৎ লোগোটা যদিও বিখ‍্যাত বর্ষাবনের নাম তবে সে যেন গ্ৰাহককে বলতে চাইছে - a to z যা চাইবে, on dot পৌঁছে যাবে ঘরে। তীরটাও স্মাইলির মতো - অর্থাৎ be happy, ডু ফূর্তি and be rest assured about on time delivery.

      বহু বিখ্যাত কোম্পানির নামের আদ‍্যক্ষর ক‍্যাপিটাল লেটার - Google, Microsoft, Apple, Volvo, Reliance, Airtel ইত‍্যাদি। Indigo’র আদ‍্যক্ষর তো স্বগর্বে ঘোষণা করছে আমিত্ব - I'm the best. কারুর ব্র্যান্ড  আবার অল ক‍্যাপ - TATA, BMW, AMD যদিও শেষোক্ত ব্র্যান্ডের  বড়দার ঘোষণা subtle & intelligent -  “intel” - কারণ সে জানে তার খেলা চলে insideএ।
     
    কিন্তু আমাজনের কারবার বহু‌জন‌কে নিয়ে যাদের কারুর আবার বোল্ড, ক‍্যাপিটাল অক্ষর দেখে চোখ কড়কড় করে। তেমন লোকজন বেশী হয়ে আমাজন বয়কট করলে বেজোসকে বেচাকেনা বন্ধ করতে হবে। তাই হয়তো আমাজনের লোগো অল লোয়ার কেস।

       আজীবন আমরা নিয়ত বহু কিছু দেখি, শুনি, তবে কখনো 'হযপচো' বা 'হযশুকা' (শুনি কানে) থেকে হঠাৎ হতে পারে 'হযহম'  (হলো মনে)। অপ্রত্যাশিত দৃশ‍্য, আলটপকা কথা, আচমকা উপলব্ধি - এসবের অভিঘাত কখনো হতে পারে অনন্য এবং সূদুরপ্রসারী। 

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
    | | | | | | | | | ১০ | ১১ | ১২ | ১৩
  • ব্লগ | ০১ জুন ২০২৪ | ২৮১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • অরিন | 119.224.61.73 | ০১ জুন ২০২৪ ১৫:২২532563
  • "AMD যদিও শেষোক্ত ব্র্যান্ডের  বড়দার ঘোষণা subtle & intelligent -  “intel” - কারণ সে জানে তার খেলা চলে insideএ।"
     
    AMD আর Intel দুটো কিন্তু প্রতিদ্বন্দ্বী সিপিইউ তৈরীর কোম্পানি। ইনটেলকে এ এম ডির বড়দা বলা যায় কি না জানি না। দুটোই যতদূর জানি ষাটের দশকের শেষের দিকে প্রায় এক সময়ে শুরু হয়েছিল। ইনটেলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা গর্ডন মুর অবশ্য প্রবাদপ্রতিম ব্যক্তিত্ব । 
  • সমরেশ মুখার্জী | ০১ জুন ২০২৪ ১৫:৫৭532565
  • অরিনলান,
    এটা একটা লঘু লেখা with subtle satirical layers. এতে AMD and intel নিয়ে শব্দের খেলা ছাড়া অন‍্য কিছু খোঁজা উচিত নয়। যদিও Intel (1968) & AMD (1969) প্রায় এক‌ই সময়ে শুরু হয়েছিল কিন্তু হয়তো AMD was earlier and still now lagging behind intel. তাই intel কে AMD'র বড়দা ভেবেছি।

    উইকি কী বলছে দেখুন - During the 1990s, the partnership between Microsoft Windows and Intel, known as "Wintel", became instrumental in shaping the PC landscape and solidified Intel's position on the market. As a result, Intel invested heavily in new microprocessor designs in the mid to late 1990s, fostering the rapid growth of the computer industry. During this period, it became the dominant supplier of PC microprocessors and was known for aggressive and anti-competitive tactics in defense of its market position, particularly against AMD, as well as a struggle with Microsoft for control over the direction of the PC industry.
    Since the 2000s and especially the late 2010s, Intel has faced increasing competition from AMD, resulting in a significant decline of its dominance and market share in the PC market. Nevertheless, with a 68.4% market share as of 2023, Intel still leads the x86 market by a wide margin.
  • অরিন | 119.224.61.73 | ০১ জুন ২০২৪ ১৫:৫৯532566
  • আপনার লেখাটা পড়ে আরেকটা কথা মনে হল, হয়ত প্রাসঙ্গিক হলেও হতে পারে। ইনটেল যখন শুরু হয়েছিল, তখন আজকের দিনে আমরা যাকে আরটিফিশিয়াল ইনটেলিজেনস বলি, সেই সময়ে সে জিনিস সবে হাঁটি হাঁটি পা পা, এমনকি খুব একটা কেউ মাথা ঘামাত না, মারভিন মিনস্কির লেখাতে জানা যাচ্ছে যে ফাণ্ডার রা বহুকাল মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলেন, :-),  বস্তুত ১৯৬০ এর দশকের শেষের দিক থেকে পরবর্তী প্রায় দু দশক সে এক হিমঘরে যাবে , আক্ষরিক অর্থে এ আই উইনটার।
    ইনটেল যে কারণে শুধুই ইনটিগ্রেটেড ইলেকট্রনিকসের পোর্টম্যানটো শব্দ, এরা যতদূর মনে হয় সার্কিট বোঝাতে ব্যবহার করত, ইনটেলিজেনসের ব্যাপারটা কিন্তু সেভাবে ছিল না কখনো।  ইনটেল ইনসাইড বলতে শুধু চিপটুকু বোঝাত বা বোঝায় (?)।
  • অরিন | 2404:4404:1732:e000:11f6:2626:702:dec9 | ০১ জুন ২০২৪ ১৬:২৭532569
  • ইনটেল আর এ এমডির পারস্পরিক সম্পর্কের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে আই বি এম এর আমল থেকে। সে আবার অন্য গল্প।
  • সমরেশ মুখার্জী | ০১ জুন ২০২৪ ১৮:৩৩532575
  • অরিনলান,
    AI এবং intel প্রসঙ্গে বিশদে কিছু না জেনেও মনে হয়েছে আপনি যা বলেছেন, তা ঠিক।  মানে আপনি intel শব্দের অর্থ যা ভেবেছেন - "ইনটিগ্রেটেড ইলেকট্রনিকসের পোর্টম্যানটো শব্দ, এরা যতদূর মনে হয় সার্কিট বোঝাতে ব্যবহার করত" - তাই‌‌ই হবে হয়তো। 

    "ইনটেলিজেনসের ব্যাপারটা কিন্তু সেভাবে ছিল না কখনো" - আমি‌ও এ লেখায় intelligent বলতে AI ভাবিনি, ঐ শব্দটি দিয়ে ইন্টেলের সুকৌশলী মার্কেটিং ট‍্যাকটিক বলতে চেয়েছি। তখন ডেসকটপ পিসি‌র বাইরে -  "ইনটেল ইনসাইড"- ট‍্যাগলাইন বোঝাতো - দ‍্যাখো এই পিসি‌র ভিতরে intel চিপ লেগে আছে। লেখায় "তার খেলা চলে insideএ"- এটাই আক্ষরিক অর্থে বলতে চেয়েছি। যেভাবে মাইক্রোসফট পিসি নির্মাতাদের সাথে বাই ডিফল্ট OS হিসেবে Window OS চালাতে চেয়েছিল। অনেকটাই সফল হয়েছিল মনে হয়। তবে এসব নিয়ে আমার বিশেষ ধারণা নেই। ওপর ওপর যা মনে হয়েছে - বললাম।

    প্রসঙ্গত বলি, ২০০০-০২ সাল নাগাদ কয়েকজন PC assembler দের সাথে কথা বলে মনে হয়েছে তাদের AMD চিপের থেকে intel চিপের ওপর বেশী ভরসা ছিল।
  • অরিন | 119.224.61.73 | ০২ জুন ২০২৪ ০৫:০৪532587
  • "প্রসঙ্গত বলি, ২০০০-০২ সাল নাগাদ কয়েকজন PC assembler দের সাথে কথা বলে মনে হয়েছে তাদের AMD চিপের থেকে intel চিপের ওপর বেশী ভরসা ছিল।"
     
    খুবই স্বাভাবিক,কারণ এরা সব মেশিনে পাইরেটেড বা অরিজিনাল যে যেমন পারত উইণ্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করত যার জন্য ইনটেল পছন্দের ছিল। এ এমডির জন্য আলাদা করে ড্রাইভার ইত্যাদি ইনস্টল মনে হয় করতে হত বলে পছন্দের ছিল না। জানিনা তাই কিনা,কারণ আমি সাধারণত উইণ্ডোজ ব্যবহার করিনি বা করি না।
  • যদুবাবু | ০২ জুন ২০২৪ ১৮:২৬532600
  • এইটা জানতাম। বিখ্যাত কোম্পানির লোগোয় লুকোনো সিম্বল নিয়ে কোনো একটা ইমেল থেকে পড়েছিলাম। সেই যখন forwarded email আজকের হোয়ার ভূমিকা পালন করতো। 
     
    হযপচো কিন্তু shower thoughts এর ভালো বাংলা হতে পারে। 
  • সমরেশ মুখার্জী | ০২ জুন ২০২৪ ২১:৫৬532618
  • এই দ‍্যাখো … Shower thought শব্দ‌বন্ধটি আজ তক্
     শুনি‌ই নি। কতকি যে অজানা। যদুবাবু‌র দৌলতে জানলুম। ধন‍্যবাদ। অথচ এতো কম জানা নিয়ে অবিরল বকে গেলে নিকেরা তো বলবেই “হেজুবুড়ো”। তাই নিকের গালি‌তে রাগ করিনা আমি, উল্টে তাই নিয়ে আরো টুকু‌ন হেজিয়ে দিই :)



     
  • যদুবাবু | ০৩ জুন ২০২৪ ০০:০৩532638
  • আরেনন্না নিকের নয়, নিজের ইচ্ছেমত লিখুন। 
     
    নিক/ট্রোল কিচ্ছু না থাকলেও কিছু অত্যন্ত রুড ও  তিক্ত মানুষ থাকবেনই, গুচ শুধু না, সর্বত্র। উয়াদের পাত্তা দিয়ে এই ক্ষণিকের জীবনের মূল্যবান সময় অপচয় করে লাভ নেই। :) 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। চটপট প্রতিক্রিয়া দিন