এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কেন ঠাকুর হলো না???

    Manab Mondal লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৮ মে ২০২৩ | ৩৯২ বার পঠিত
  • রবি ঠাকুর কেন ঠাকুর হলো না??

    বাঙালি ভাইরা - এবার একটু জাগুন। গণশক্তি ছেড়ে জাগোবাংলা পড়েও কেন জাগছেন না। ঘুম থেকে জেগে উঠে একটা পেপসি খেয়ে, "জয় বাংলা" না বলে বলুন "এ দিল মাঙে মোর"। ইতিহাস প্রমাণ করেছে, বাঙালি অল্পতেই সন্তুষ্ট। বেশি কিছু চায় না। সাহিত্যে দেখো ইশ্বর পিটানি একটা জলজ্যান্ত দেবীদেবতাকে সামনে পেয়ে বলছে, "আমার সন্তান যেনো থাকে দুধে ভাতে।" অন্তত বলতে পারতো থাকুক মাংস ভাতে বা মাছ ভাতে। ওই দোষটা আজও রয়ে গেছে বাঙালির। সময় ও অর্থ ব্যয় করে তারা সরকারি চাকরি পাওয়ার চেষ্টা করবে, চাকরি না পেলে কোটি কোটি টাকা ঘুষ দিয়ে চাকরি কিনবেন। যদি টাকা না থাকে শুধু যোগ্যতা থাকে, তাহলে বছরের পর আদালতে মামলা করবেন, ধর্ণা দেবেন, কিন্তু ব্যবসা বাণিজ্য করার চেষ্টা করবেন না।

    তবে আমি এক মহান অর্থনৈতিকবিদের মতো আপনাদের চপমুড়ির দোকান দিতে বলছি না, বা কাশফুল দিয়ে বালিশ, বা কচুরিপানা দিয়ে থালা বানানোর উদ্যোগপতি হতে বলছি না। আরও কোনো ব্যবসা আছে কিনা দেখুন না, চেষ্টা করুন না একবার। একটু আত্মবিশ্বাসী হন। ভয় করলে একটু ডিউ পান করুন, তারপর বলুন ডরকে আগে জিত হে। কে বলে বাঙালিদের দ্বারা ব্যবসা হয় না।

    মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যে দেখুন সমাজপতিরূপে চাঁদ সদাগর ধনপতিদের কাছে গণ্য হতেন না যদি না তিনি ব্যবসায়ী হতেন। অথবা, আলিবর্দী খাঁর নবাবী মহলেও উমের চাঁদ, জগত শেঠ-দের গুরুত্ব থাকত না। ওরা ব্যবসায়ী ছিলেন বলেই সুলতানও ওদের সন্মান করত। এক কালে বাংলার বয়ন শিল্প নিজগুণে খ্যাতি এবং বাজার পেয়েছিল এশিয়া এবং ইউরোপে। মতিলাল শীল, রাম দুলাল সরকার -দের কথা ধরুন, Oriental Insurance Company (১৮৩৪) এখনো ব্যবসা করছে। প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুরের কথা ভাবুন।

    সরি বন্ধু, সকালবেলায় জ্ঞান দিতে গিয়ে একটা ব্রেকিং নিউজ দিতে ভুলে গেছি। দ্বারকানাথ ঠাকুরের কথা উঠতেই মনে পরে গেল। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর "ঠাকুর" হতে অস্বীকার করেছেন। কি ভাবছেন যে আমিও ক্ষমতা ব্যানার্জী হয়ে গিয়ে উল্টোপাল্টা বলছি। পুরো ব্যাপারটা না জানা থাকলে বলছি। আপনারা সব কিছু জানবেন এটা হয় নাকি? আপনারাও ক্ষমতা ব্যানার্জী নাকি? উনি হিন্দি জানেন, উনি উর্দু জানেন, ভারতের সব ভাষা জানেন, উনি একাধারে শিল্পী, কবি, ডাক্তার, উকিল, ম্যাজিসিয়ান। ভিতরে ভিতরে কখন এত শিল্প করে দিলেন আপনারা জানতে পেরেছেন। তাই আপনারা সব কিছু জানতে পারেন এটা হতে পারে না।

    কথা হচ্ছিল গিয়ে, পথঘাট ছেড়ে এখানে রেলস্টেশনে বসে একদল মুসলিম মানুষ কমপ্লান বয়ের মতো বোঝাতে চাইছে - আমরা আর সংখ্যালঘু নয়, দেখো আমরা বাড়ছি মামি। সেই খবর দেখিয়ে whatsapp ইউনিভার্সিটি ভোটের বাজার গরম করতে চাইছে, কিন্তু দেবতারা একটু আধটু ভয় পেয়েছে। কারণ সাম্প্রতিক একটা সিনেমাতে দেখেছে ওরা কিভাবে হিন্দু মেয়েগুলোকে টপাটপ মোল্লা বানিয়ে ফেলেছে। তাই দেবতা সভাতে ঠিক হয়ছে কিছু একটা করতে হবে। এন্ড্রয়েড যুগ, দেবতাদের আপগ্রেড না করলে চলে নাকি। ত্রিদেব থেকে বলা হল, "আবার কি আপগ্রেড করবেন? দক্ষিণেশ্বরের হাতে তো বন্দুক দেওয়া। থিম পুজোর দৌলতে দূর্গা সরস্বতীকে মর্ত্যবাসীরা দীপিকা পাডুকন আলিয়া ভাট বানিয়ে ছাড়ে। তার চেয়ে কোনো নতুন দেবতা রপ্তানি করো মর্ত্যলোকে। মর্ত্যে তো সরকার সব কোম্পানি বন্ধ করছে, বিক্রি করে দিচ্ছে, আর তোমরা বলছ নতুন দেবতা লঞ্চ করতে হবে। নতুন দেবতার প্রোমোশন করার মতন টাকা পয়সা নেই আর আমাদের, সবাই কর্মী ছাঁটাইয়ের কথা ভাবে, এদিকে তোমরা রিক্রুটমেন্ট এর কথা বলছে"।

    দেবতারা ব্যাপারটার গুরুত্ব বোঝাতে চেষ্টা করলেন যে কেনো নতুন একটা দেবতা চাইই চাই।
    ত্রিদেব বললেন, "দেবতা নয়, কোনো সৎ মহাত্মা পাঠানো হোক। তাতে পরিবহন খরচটাও কম হবে"।
    দেবতারা জানালেন সেটা সম্ভব নয়। কারণ পাকিস্তান যেমন ভারত সরকারের সাথে সিন্ধু নদের জল নিয়ে চুক্তি সই করিয়ে নিয়েছে, তেমনি চৈতন্য মহাপ্রভু দলে দলে মুসলিমকে যখন হিন্দু বানিয়ে ফেলতে শুরু করেছিল, তখন আল্লাহ তায়ালা দেবতাদের সাথে একটা চুক্তি করে। হজরত মহম্মদ এর পরে যেমন কোনো নবী থাকবে না, তেমন চৈতন্য মহাপ্রভুর পর আর কোনো অবতার পুরুষ পাঠানো যাবে না। মর্ত্যে কিছু নিন্দুকরা বলেন, ক্ষমতা ব্যানার্জী যেমন নিজের রেকর্ড বাঁচাতে, সোনালী গুহকে ভোটের টিকিট দেয় নি, তেমনি চৈতন্য মহাপ্রভুর জনপ্রিয়তা দেখে আমরা বাংলা সিরিয়ালের মতো জোর করে মহাপ্রভু কাহিনী শেষ করে দিয়েছি এই চুক্তি স্বাক্ষর হবার পর। সুভাষচন্দ্র বসু অন্তর্ধান রহস্যের মতো চৈতন্য মহাপ্রভু রহস্যময় রয়ে গেছে। তাই বাঙালিরদের জন্য অন্তত একটা আঞ্চলিক দেবতা পাঠাতে দিন।

    ত্রিদেব বলেন, "তা দুম করে ইলিনা গর্ভবতী হয়ে গেলেও, দেবতার জন্ম তো দুম করে হয় না। একটা পাকাপোক্ত কারণ চাই"।
    দেবতারা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন বললেন, "ও নিয়ে চিন্তা করবেন না প্রভু। বাংলায় বিভিন্ন স্থানে বিচিত্র কারণে নতুন নতুন লৌকিক দেবদেবীর আমদানি হয়। বসন্ত রজার জন্য শীতলা, রক্ত আমাশা হলে রক্তন গাজী, কলেরা হলে ওলাবিবি, জ্বর হলে জ্বরাশ্বুরের পূজা করে। বাঘের ভয়ে বনবিবি, সাপের ভয়ে মনসা পূজা করে"।
    ত্রিদেব বলেন, "থামো, থামো, অত কথা বলতে হবে না। এখন তো ডাক্তার বৈদ্য হয়েছে, তা লোকজন দেবদেবীর কাছে যাবে কেন?"
    দেবতারা বললেন, "বাংলায় একটি অসুখ আছে যেটা হলে ডাক্তারবাবুরা ঐ অসুখের চিকিৎসা করেন না। কারণ সরকারের চাপে অসুখের নাম নেওয়া যাবে না। অসুখটা হলো ডেঙ্গি। মশা থেকে হয়। গুড নাইট, কিংবা কচ্ছপ ছাপ ধূপ ধরিয়েও মশার হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায় না বাংলায়। তাই মশা তাড়ানোর জন্য একবার নতুন কোনো দেবতা পাঠান বাংলায়, পাঠানের চেয়ে হিট করবে এ দেবতা। ১০০% গ্যারান্টি।"

    ত্রিদেব একটু চিন্তায় পড়লেন, কিছু একটা ভেবে বললেন, "ইউনিয়ন করে রামপন্হীদের জন্য বাংলার কর্মসংস্কৃতি গোল্লায় গেছে, এখনকার সরকার কথায় কথায় ছুটি দেয়। নতুন দেবতা লঞ্চ মানে তাঁর পূজাতে আবার কর্মদিবস নষ্ট। বেশি ছুটির দিন মানে দেশের ক্ষতি এটা কি বোঝো তোমরা? তার ওপর পূজা মানেই তো চাঁদা নিয়ে সাধারণ মানুষের ওপর জোর জুলুম"।

    দেবতার মাথা চুলকাতে চুলকাতে উত্তর দিল, "সে নিয়ে চিন্তা করতে হবে না প্রভু, আমরা এমন একজনকে ঠাকুর করবো বলে ঠিক করছি যে আগে থেকেই বাঙালি জাতি দ্বারা পূজিত"।
    ত্রিদেব বলেন, "তাহলে তো ভালো কথা, আগে থেকেই ব্র্যান্ড রেডি, শুধু লঞ্চ এর অপেক্ষা, তা তিনি কে?"
    দেবতারা সঙ্গে সঙ্গে সগর্বে ঘোষণা করলেন, "বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে আমরা ঠাকুর হিসাবে মর্ত্যলোকে লঞ্চ করতে চাইছি"।
    হঠাৎ স্বর্গের বুদ্ধিজীবী মঞ্চের থেকে প্রতিবাদ করে উঠল, "না, সেটা হয় না।"

    সকলেই জানেন বোধহয় এক জোড়া হাওয়াই চটির প্রভাবে আজকাল বুদ্ধিজীবীরা লুপ্তপ্রায় প্রাণীর মতো নিখোঁজ হয়ে গেছেন। তারা আর আজকাল প্রতিবাদ করে পথ অবরোধ, মিটিং মিছিল করেন না। কোনো টুঁ শব্দটি করেন না। এই শীতঘুম ভাঙা সাপেদের হঠাৎ ফোঁস করে উঠতে দেখে সবাই অবাক।
    এবং, স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে ঠাকুর বানানোর প্রস্তাবের প্রতিবাদ করছেন।
    দেবতারা কাঁচুমাঁচু হয়ে বলেন, "হে গুরুদেব, আপনি কেন দেবতা হতে চাইছেন না। মশা তাড়ানোর ঠাকুর হতে কি আপনার অপমান বোধ হচ্ছে?"
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বললেন, "মশা ক্ষুদ্র পতঙ্গ হলেও অনেক ক্ষমতাবান, অনেক পুরুষ মানুষকেই হিজড়া বানিয়ে ছেড়েছে। কিন্তু আমার আপত্তি অন্য জায়গায়।"
    দেবতাদের মধ্যে একজন বলে উঠল, "বুঝতে পারছি, বাংলায় কিছু করতে গেলেই, কাটমানি বা ঘুষ দিতে হয়। ভয় পাবেন না আপনাকে ঠাকুর হতে গিয়ে কোন কাটমানি দিতে হবে না। আর প্রাপ্য ডিএ-র জন্য আদালতে যেতে হবে না, ধর্ণা মিছিল করতেও হবে না। খুশি তো।"
    রবিঠাকুর বললেন, "ওটাও কারণ নয়.."
    দেবতারা বললেন, "ও বুঝেছি, বাংলায় দেবদেবীদের গহনা চুরি হচ্ছে আজকাল। আপনাকে কোনো গহনা পড়তে হবে না। আপনি তো ভগবানের আপগ্রেডেড ভার্সান।"
    রবিঠাকুর বললেন, "না, ওটা সমস্যা নয়। বহু বছর আগে আমার নোবেল চুরি গেছে। আমি কি প্রতিবাদ করেছি?"
    ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে ত্রিদেব বললেন, "রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, আপনি ঠাকুর হতে আপত্তি জানাচ্ছেন কেন? আমরা ইডি কিংবা সিবিআই না যে একটা দুটো প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে বছরের পর বছর সময় নেবো।"

    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিনম্র হয়ে বললেন, "গত কয়েক বছর আগে দাড়ি রাখলে লোক সন্ত্রাসবাদী ভাবত, তাই বোধহয় আমার ভক্তরাও কেউ আমার মতো দাড়ি রাখেন নি। কিন্তু হঠাৎ ছাপ্পান্ন ইঞ্চি বুকওয়ালা এক গুজরাটি আমার অনুকরণ করে দাড়ি রাখতে শুরু করল। তাই কয়েক বছর ধরে বইমেলায় এক বড় সংঙ্কট শুরু হয়েছে। কেউ গীতা বিক্রি করতে চাইছেন। বাধার মুখে পড়ছে। এখনো তেমন কিছু হয় নি। তবে হঠাৎ করে দেশভক্তরা বলতেই পারে গীতাঞ্জলি বিক্রি করতে দেওয়া হলে গীতা কেন বিক্রি করতে দেওয়া হবে না? প্রভু, আমি বিশ্বমানবতার কথা বলে এসেছি। আমি না হিন্দু, না মুসলমান হতে চাই। শুধু হিন্দুদের ঠাকুর হবার ইচ্ছা আমার নেই। আমি হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ খ্রিস্টান সবার কবিগুরু হয়ে থাকতে চাই। ঠাকুর হবার ইচ্ছা আমার নেই।"
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • দীমু | 182.69.176.189 | ০৯ মে ২০২৩ ০০:৪৫519589
  • কোনো ঠাকুরই মনে হয় ঠাকুর হিসেবে থাকতে চান না, কিন্তু কর্তার ইচ্ছায় কর্ম, অগত্যা...
  • Manab Mondal | ০৯ মে ২০২৩ ০৭:৩২519602
  • সেটা জানা নেই আমার
  • প্রিয়া | 157.40.161.230 | ০৯ মে ২০২৩ ১০:০০519608
  • ভালো লাগলো
  • Manab Mondal | ০৯ মে ২০২৩ ১১:২৮519617
  • ধন্যবাদ
  • ধোরবা | 2405:8100:8000:5ca1::138:5d0f | ০৯ মে ২০২৩ ১১:৫৭519619
  • সেই 'নুনুতম' পাবলিকটা আবার জুটেচে এসে। বানানের মা বাপ ঠাকুর্দা ঠাকুমা কিচ্ছু নাই ইদিকে লেখার শখ।
  • Manab Mondal | ০৯ মে ২০২৩ ১৩:২৬519622
  • ধন্যবাদ
  • Arijit | 202.142.67.17 | ০৯ মে ২০২৩ ১৭:২০519627
  • বাঃ 
  • Manab Mondal | ১০ মে ২০২৩ ০৭:১৭519635
  • ধন্যবাদ
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লাজুক না হয়ে প্রতিক্রিয়া দিন