এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • বুলবুলভাজা  আলোচনা  সমাজ

  • তুষার যুগ ও আয়লান কুর্দি

    প্রতিভা সরকার
    আলোচনা | সমাজ | ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২ | ১৩৭৫ বার পঠিত | রেটিং ৪.৫ (২ জন)

  • দু’হাজার বাইশের জানুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহ চলছে। শীত শেষ হবার মুখে, অথচ এখনই বেশ কয়েকটি রাজ্যে শৈত্যপ্রবাহ থেকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহের সতর্কতা জারি করা হল। বেশির ভাগই উত্তর ভারতের রাজ্য, তবে আমাদের রাজ্যেও আবার তীব্র শীতের ভবিষ্যতবাণী রয়েছে, সঙ্গে দারুণ কুয়াশা। হিমালয় পর্বতের পাহাড়ি শীত এবার ক্যানিং, বোলপুরেও উপস্থিত হয়েছিল। এখনও তার রেহাই দেবার ইচ্ছে নেই। এবার শীত প্রবলতর হবে – এ-ই আবহাওয়া দপ্তরের ইঙ্গিত।

    তাই মনে পড়ে গেল ১৭০৯ সালের কথা। আওরঙ্গজেব সবে দু’বছর হল মারা গেছেন। দিল্লি কাঁপিয়ে নাকি সেবার শীত পড়েছিল। এবার এখনই ৯ ডিগ্রির নিচে, সেবার হয়তো ৩/৪-এর নিচে গোঁত্তা খেয়ে নেমেছিল। কোনো পূর্বাভাস ছাড়া বেগানা, আওয়ারা-রা খোলা রাস্তার পাশে কেমন কেঁপেছিল – জানার কোনো উপায় নেই। তখন বিজ্ঞান এত উন্নত ছিল না। তবে ঐ একই সময়ে যা ঘটেছিল ইউরোপে, তা আজও অব্যাখ্যাত রয়ে গেছে।

    সে বছরের শুরুতে, জানুয়ারি মাসে ভোর ভোর ঘরের দরজা খুলতেই যে হিমেল হাওয়ার ঝাপটা টের পেল মানুষ, তাতে টেম্পারেচার মনে হয় -১২°সেলসিয়াসের আশেপাশে। অথচ আগের দিন অবধি দিব্যি আলো-ঝলমল দিন, উষ্ণ সোনালি রোদ, সব স্বাভাবিক!

    কিন্তু থার্মোমিটারেও এই রিডিং-ই ছিল সেদিন। মানুষ বা পশু যারা রাস্তায় ছিল, তারা তো জমে মরলই, লোকে দরজা বন্ধ করে বাঁচবে – সে উপায়ও নেই, পায়ের নিচের মাটি এক মিটারের বেশি বরফ হয়ে জমাট বেঁধে গেছে। গোয়ালে গরু, খামারে শুয়োর, ঘোড়া, অন্যান্য পশু পাখিরা জমাট বেঁধে – কেউ দাঁড়িয়ে কেউ বসে – সবাই প্রাণহীন। মোরগদের মাথার গর্বিত ঝুঁটি-অবধি জমে শক্ত হয়ে খসে খসে পড়ছে।

    বাইরে দুম দুম করে আওয়াজ। কাচের জানালা দিয়ে দেখা গেল – গাছের গুঁড়ি, শাখাপ্রশাখা সব বিস্ফোরণে ছিটকে যাচ্ছে, কারণ তাদের ভেতর দিয়ে চলাচল করা প্রাণরস (sap) জমাট বেঁধে গেছে। মানব শরীরের শিরা-উপশিরা যে ফেটে যায়নি – এই না কত! রুটি (bread) জমে এমন অবস্থা, যে কোথাও কোথাও তা টুকরো করতে হয়েছে কুড়ুল দিয়ে।

    Gabriele Bella The Venetian Lagoon Frozen, 1709.
    Gabriele Bella: The Venetian Lagoon Frozen, 1709.


    অবর্ণনীয় দুঃখের কাহিনি কি এখানেই শেষ? পাখি ডানা মেলে উড়তে উড়তে মাঝ-আকাশ থেকেই খসে পড়ছে – যেন পাথরের টুকরো। মৃত্যু হচ্ছে, মৃতের সৎকার দরকার, কিন্তু মরদেহ তোলা যাচ্ছে না, বিছানার চাদরের সঙ্গে একেবারে এঁটে গেছে।
    এই শীত চলে গেলেও, ব্যাপক শস্য ও বৃক্ষ ধ্বংসের শেষ পরিণতি – দুর্ভিক্ষ – ঠেকায় কে!

    এইটুকু পড়ে মনে হবে, আমি দুঃস্বপ্ন দেখছি অথবা বানিয়ে গল্প লিখছি। কিন্তু এ সবই তো বাস্তব। ১৭০৮-০৯ ইউরোপে ঠিক এমনটাই ঘটেছিল। ইতিহাসে The Great Frost নামে পরিচিত এই তুষারকালের সম্যক পরিচয় পেতে হলে পড়তে হবে ঐসময়ের কিছু চিঠিচাপাটি, স্মৃতিকথা, নথিপত্র, নিদেনপক্ষে বিভিন্ন পরিবেশ-পত্রিকার এই সংক্রান্ত সংখ্যাটি।

    এক অভিজাত ডাচেস তার আত্মীয়াকে চিঠি লিখতে গিয়ে জানাচ্ছেন, তিনি প্রবল কাঁপতে কাঁপতে চিঠিটি লিখছেন – পেন হাতে রাখাও খুব মুশকিল – এমন কাঁপুনি, যদিও পর্দা-টানা দরজা ভাল করে আঁটা, শরীর ঢাকা ফারের পোশাকে, দুই পা ঢুকে রয়েছে ভালুকের লোমশ চামড়া দিয়ে বানানো থলের ভেতরে। সবচেয়ে বড় কথা, তিনি নিজে প্রায় ঢুকে বসে আছেন দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকা ফায়ার প্লেসের ভেতরে। তবু লিখতে হচ্ছে ধীরে ধীরে, কষ্ট করে আঙুলে পেন চেপে রেখে, ‘Never in my life have I seen such a winter as this one!’

    না, গত পাঁচশ’ বছরে এমন শীত কেউ দেখেনি, তাপমাত্রা এইভাবে কখনো মুখ থুবড়ে পড়েনি। এই তো সেদিন হঠাৎ ধেয়ে আসা তুষার ঝড় আর বরফ এক রাতে মেরে ফেলেছে ২০০০ সুইডিশ সৈন্যকে – যারা রাশিয়ার সীমান্তে ঘাঁটি গেড়ে বসেছিল। ভেনিসে বড় বড় খাঁড়ি জমে এমন হয়েছিল, যে মানুষ তাদের ওপর চলতে গিয়ে দেদার আছাড় খাচ্ছে। সুইজারল্যান্ডে ক্ষুধার্ত নেকড়েরা দলবদ্ধভাবে গ্রামে ঢুকে পড়ছে। পুরো বাল্টিক সাগর জমে পাথর। সমস্ত নদী জমে পাথর, যানবাহনের অভাবে ব্যবসা লাটে উঠেছে। প্রথম প্রথম লন্ডনবাসী মহা ফূর্তিতে জমে যাওয়া টেমসের ওপর স্কেটিং, খানাপিনা ইত্যাদি করছিল। তারপর অবস্থা দাঁড়াল – ছেড়ে দে মা, কেঁদে বাঁচি।
    কারণ একদিন-দু’দিন নয়, পাক্কা তিনমাস টিকেছিল এই ভয়াবহ শীত, তারপর ব্যাপ্ত দুর্ভিক্ষ আর খাবারের জন্য পশুর পর্যায়ে নেমে যাওয়া, বিভিন্ন এলাকায় ফুড রায়ট। ফ্রান্সের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ, কারণ এই শীত-শেষের দুর্ভিক্ষে প্রাণ যায় ৬ লক্ষ লোকের।

    খাবার থাকবে কী করে? জমির হাল তো আগেই বলেছি – তিনমাস পর বরফ গলতেই শুরু ব্যাপক বন্যা। উপোস দেওয়া ছাড়া মানুষের আর কোনো উপায় রইল না। সামলে নিতে লেগেছিল টানা দশ বছর।

    কারণটা কী এই ভয়াবহ শীতের – তা আজ অবধি সঠিক জানা যায়নি। কেউ বলে সৌর ঝড়, কেউ বলে গভীর সমুদ্রের রহস্যময় প্রবাহের চলনে উত্তর গোলার্ধে হঠাৎ তাপমাত্রার নেমে যাওয়া। কারণ যাই-ই হোক না কেন, তুষার যুগ ব্যাপারটা কী হবে, তা ভালই বুঝিয়ে দিয়েছিল ১৭০৮-০৯-এর এই ‘গ্রেট ফ্রস্ট’।

    এবারের শীতে কোথায় যেন সেই আভাস একটু লুকিয়ে আছে। তাপমাত্রায় নয়, এত এত মানুষের অতিমারিতে চলে যাওয়া, জীবিতদের আর্থিক, শারীরিক, মানসিক দুর্দশার অন্ত না থাকা, বিশ্ব জুড়ে মন্দা, পরিবেশ-প্রতিবেশকে ছারখার করে দেওয়া রাজনৈতিক চাল, ধর্মীয় বিভেদ, গুপ্ত হত্যা, ধনী-দরিদ্রের ফারাক অশ্লীলভাবে বেড়ে চলা, মনের মধ্যে একটু একটু করে নামছে এক ভয়াবহ তুষার যুগ। তার পায়ের ছাপ দেখা যাচ্ছে এখনই সর্বত্র।

    একটা উদাহরণ না দিয়ে পারছি না। অবশ্য তার আগে একটি প্রশ্ন। কোন দেশের সবচেয়ে বেশি মানুষ অভিবাসীর (immigrant) জীবন বরণ করে নেয়? জানি, সঙ্গে সঙ্গে সিরিয়া, ইরাক, লিবিয়ার মত মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো, ওদিকে সেন্ট্রাল আমেরিকার দেশগুলোর নাম সমস্বরে উচ্চারিত হতে থাকবে। কিন্তু মুশকিল হল এই, তথ্য বলছে, যে দেশ থেকে মানুষ সবচেয়ে বেশি পালায় অন্য দেশের উদ্দেশ্যে – তার নাম হচ্ছে – সকল দেশের রাণী – এই ভারতবর্ষ।

    ঠিক এক বছর আগে, একুশ সালের জানুয়ারিতে, রাষ্ট্রসংঘের তথ্য উদ্ধৃত করে দ্য ইকনোমিক টাইমস জানিয়েছে, ওই সময় অবধি গোটা পৃথিবীতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে বসবাস করছে ১৮০ লক্ষ ভারতীয়। নিশ্চয়ই ভাল থাকার হাতছানি, প্রথম বিশ্বের সমস্ত সুযোগ-সুবিধা পাবার আশা, রাষ্ট্রীয় দমন, পীড়ন, দারিদ্র্য, বেকারত্ব – সবই আছে এর পেছনে। ভাল থাকতে চাওয়া তো কোনো অপরাধ নয়। কিন্তু প্রায়ই দেশ ছাড়তে চাওয়া মানুষটির দুরবস্থা মর্মান্তিক ও অসহনীয় হয়ে ওঠে। আর এই সমস্যার দিকে রাষ্ট্র এবং সাধারণ মানুষের যে উদাসীনতা অহরহ দেখা যায়, তাই-ই যেন বলে দেয়, আমাদের বুকের ভেতরে কোথাও তুষার যুগের সূচনা হয়েই গেছে।

    নিশ্চয়ই আমরা কেউ এতটা মূর্খ নই, যে ভেবে বসব – এই অভিবাসীরা সবাই পরাগ আগরওয়াল বা সুন্দর পিচাই; এদের কাছে পাসপোর্ট, ভিসা সবই সযত্নে সাজানো আছে; এরা কেউ আয়লান কুর্দির বাবা মায়ের মত রাবার বোটে করে সমুদ্র ডিঙোবার চেষ্টা করেনি। এইরকম ভাবলে, তার জন্য রইল এক ভারতীয় আয়লানের কাহিনি – এই সেদিন, মাত্র দিন পনেরো আগে, বরফ-ঢাকা প্রান্তরে খুঁজে পাওয়া গেছে যার দুধ খাওয়ার বোতল। দা গ্রেট ইউরোপিয়ান ফ্রস্টের মত, এই ঘটনাও দা গ্রেট ইন্ডিয়ান ইমিগ্রেশনকে আমাদের চোখের সামনে নাঙ্গা করে দেয়।

    ২০২২-এর ২১শে জানুয়ারি। গুজরাতি এক পরিবার, যে কোনো মূল্যে আমেরিকায় ঢুকতে মরিয়া। বরফপাত আর চামড়ায় ছুরির মতো কেটে বসে যাওয়া বাতাসের মধ্য দিয়ে তারা চলেছে রাতের অন্ধকারে কানাডা সীমান্ত তড়িঘড়ি পেরবে বলে। বাবা, মা, দুই সন্তান – একটি নেহাতই শিশু। যেখান দিয়ে তারা চলছিল, সেখানে তাপমাত্রা -৩৫°-র কাছাকাছি ঘোরাফেরা করে। অন্ধকার জনমানবহীন বিশাল প্রান্তরে, প্রবল তুষার ঝড়ে, হয়তো একজনের কাছ থেকে আর একজন ছিটকে গিয়েছিল তারা। উড়ে গিয়েছিল মাথার টুপি। ওই তাপমাত্রায় হাইপোথার্মিয়া অবশ্যম্ভাবী – যখন শরীর যতটা তাপ উৎপন্ন করতে না পারে, হারাতে থাকে তার চেয়ে অনেক বেশি।

    এরা একা ছিল না কিন্তু। দলে আরো পাঁচজন ছিল। ঐ পরিবারের চারজনেরই মৃতদেহ উদ্ধারের আগে, আমেরিকান সীমান্ত পুলিশ আরো পাঁচ ভারতীয়কে আটকায়। তাদের পিঠের ব্যাগে পাওয়া যায় দুধের বোতল, খেলনা ও শিশুর ডায়াপার। এদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা যায়, টানা ১১ঘণ্টা পায়ে হেঁটে তারা আমেরিকান সীমান্তের কাছাকাছি এসে গিয়েছিল। কথা ছিল, এখানেই এক এজেন্ট কাগজপত্র ছাড়াই তাদের গন্তব্যে নিয়ে যাবে। তাদের দলে ছিল বাবা মায়ের সঙ্গে থাকা দুই শিশু। এই দলছুট চারজনের মৃতদেহ আবিষ্কৃত হয় কানাডার ভেতরে সীমান্তের মাত্র ১০ কিলোমিটার দূরে।

    অভিবাসনের সমস্যা অতিমারিকালে কমেছিল, কারণ সীমান্ত বন্ধ ছিল। ইদানিং আবার বেড়েছে, কারণ সীমান্ত খুলে দেওয়া হয়েছে। আর আমেরিকা এখনও যৌবনের উপবন, বার্ধক্যের বারাণসী! দেওয়ালে কতখানি পিঠ ঠেকে গেলে মানুষ এমন মরিয়া হয়ে ওঠে! প্রাণ হাতে করে দেশ ছাড়তে চায়! এবং এই প্রবণতায় কোনো বিশেষ জাত-ধর্ম-রাজ্য-ভাষার দিকে আঙুল তোলা যাবে না। এ দলে সবাই আছে – সব রাজ্যের, সব ধর্মের, সব ভাষার মানুষজন।

    একদিন, বহু মিলিয়ন বছর পরে (কারো কারো মতে অত দেরিও নেই), এই পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্র জুড়িয়ে যাবে, সুমেরুবৃত্ত থেকে নিরক্ষরেখার দিকে যাওয়া-আসা করা সমুদ্র-প্রবাহ, তুষার যুগ আনবার ষড়যন্ত্রে তার অনেক আগেই লেগে পড়বে, সূর্য তার তেজ হারিয়ে পরিণত হবে বামন তারায়, তার বহু বহু আগে, এই এখন – এই সময়ে ঘটে যাওয়া এইসব প্রাকৃতিক ও সামাজিক ঘটনা নির্ভুলভাবে জানান দিতে থাকবে, সে আসছে। আসবার আগে চারিয়ে দিচ্ছে মানুষের দেহে-মনে এই উদাসীন শৈত্য, যখন শীতার্ত সমুদ্রের তীরে আগাছায় আটকে থাকা শিশুর মৃতদেহ দেখে জিজ্ঞাসা করা যায়, কাদের ছেলে ও, কী ওর ধর্ম! কেন ওর বাপ-মা ঐ প্রবল সমুদ্রে, মানুষে উপচে পড়া রাবার বোটে ওকে নিয়ে পাড়ি দিতে গেছিল! আরে ছাড়ো, ‘ওরা’ তো ঐরকমই হয়!



  • আলোচনা | ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২ | ১৩৭৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • aranya | 2601:84:4600:5410:b905:c82:d1af:6ac4 | ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ০৩:১২503672
  • জরুরী লেখা। যদিও লিখে কী হয় তা আর বুঝি না, সিনিক হয়ে যাচ্ছি। 
    তাও লিখে তো যেতেই হবে। কলম (কী বোর্ড ) ছাড়া আর আমাদের আছেই বা কী 
  • Swati Ray | 117.194.36.254 | ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ০৪:৪৫503674
  • ইসস
  • যশোধরা রায়চৌধুরী | 2405:201:8009:c1e0:bd31:fe45:80d4:4202 | ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ১৬:৪৩503701
  • জরুরি! বেদনাদায়ক 
  • ঈশিতা ভাদুড়ী | 115.187.48.83 | ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ২১:০৩503713
  • পড়ে গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠল। খুবই কষ্টের।
  • Abhyu | 47.39.151.164 | ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ২১:৫০503714
  • প্রতিভাদির লেখা সব সময়েই মন দিয়ে পড়ি। নমস্কার জানবেন।
  • Rajasri | 157.40.131.163 | ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ২২:১০503715
  • বড় বেদনাদায়ক। পড়তে পড়তে শেষে কেঁপে উঠতে হলো।
  • পারমিতা | 113.193.61.19 | ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ২৩:০৯503716
  • দুঃখের লেখা
  • প্রতিভা | 2402:3a80:1cd0:aeac:178:5634:1232:5476 | ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ২৩:৩৯503719
  • অভ্যু, অনেক ধন্যবাদ। যাঁরা পড়লেন, মন্তব্য করলেন, সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।
  • অলকানন্দা | 103.240.98.236 | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ০৮:৫৮503724
  • বড় কষ্ট হয়, যখন চারদিকে ন‍্যূনতম সহানুভূতিহীন মানুষের সংখ‍্যাধিক‍্য দেখি। এই লেখাগুলি যদি তাদের বিবেকে এতটুকু নাড়া দিতে পারে! জানিনা আজকের পৃথিবীতে সেটা কতটুকু সম্ভব!
  • bodhisattvagc dasgupta | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ০৯:১৯503725
  • খুব ভালো লাগল।
  • | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ১২:৪৬503763
  • দারুণ লেখা। যেমন অরতিভার লেখা হয় আর কি।  ফেসবুকে দেখেছিলাম যখন তখনো গুজরাটি পরিব্বারের খবরটা আসে নি,   আমার অবাক লেগেছে যে যাদের হাতে অতটা  টাকা আছে খরচ করার মত তারা কেন আইনী উপায়ে ইমিগ্রেশানের চেষ্টা করলেন না। 
     
    আর একটা কথা মনে হল। মানুষ বোধয় বরাবরই হিংস্র টাইপ। অবতত ইতিহাস পড়ে ত সেরকমই মনে হয়। 
  • | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ১২:৪৭503764
  • *যেমন প্রতিভার লেখা হয় আর কি।
  • Ankhi Bhattacharjee Chakrabarti | ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ১৭:০৫503800
  • ভীষন প্রাসঙ্গিক একটা লেখা ।
  • নন্দিতা গোমস | 2605:8d80:643:bd16:305c:c310:f8cc:3b4c | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ০২:১৩503824
  • খুবই প্রাসঙ্গিক লেখা। কেউ ঘর ছাড়ে বিদেশে থাকার মোহে, আবার কেউ বা রাজনীতির চক্রব্যূহে পড়ে জীবিকা র্নিবাহ করতে অসমর্থ হয়ে। নিজভূমিতে থাকা টাই তখন অসহ্য হয়ে ওঠে। 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভ্যাবাচ্যাকা না খেয়ে প্রতিক্রিয়া দিন