ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ব্লগ

  • গান কই ?

    প্রবুদ্ধ বাগচী লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ২৯ নভেম্বর ২০২১ | ৩৭৩ বার পঠিত | রেটিং ৪ (১ জন)
  • গান কই?
    প্রবুদ্ধ বাগচী

    হীরক সাম্রাজ্যের কোষাগারে পৌঁছে গুপী-বাঘা যখন দেখল সেই ঘরের মণিমুক্তো ভরা প্রকান্ড সিন্দুক পাহারা দিচ্ছে এক অতিকায় বাঘ। তাদের মুখে কথা সরছিল না। অথচ ভুতের রাজার দেওয়া বরে একমাত্র গান গেয়েই বশ করা সম্ভব ‘বাঘমামা’কে। তখন আতঙ্কিত গুপী নিজেই বলে ওঠে ‘গান কই?’ --- সমান সন্ত্রস্ত বাঘা তাকিয়ে থাকে গুপীর দিকে। গান কই ? অবশ্য ফিল্মে ওই টেনশন পেরিয়ে শেষ অবধি গান আসে গুপীর গলায়। আমরা সবাই জানি সেই অনবদ্য গানটি।

    কিন্তু এই ‘গান কই?’ জিজ্ঞাসাটা সম্প্রতি আমায় খুব উত্তেজিত করে চলেছে ভিতরে ভিতরে। সরকারিভাবে উৎসবের মরশুম সদ্য শেষ হল। দুগগা পুজো থেকে কালী পুজো হয়ে জগদ্ধাত্রী, কার্তিক সবই আজকাল একেকটা মেগা ইভেন্ট হয়ে উঠেছে সারা রাজ্যজুড়ে। নইলে জগদ্ধাত্রী বা কার্তিক পুজো মূলত রাজ্যের কিছু বাছাই এলাকায় প্রচলিত পুজো ছিল। কালী ঠাকুরও বারোয়ারি হিসেবে কলকাতায় তেমন চালু ছিল এমন নয়। এমনকি ইদানিং ছট পুজোও আমাদের উৎসবের অঙ্গীভূত, যার অনুষঙ্গে তেমন কোনো প্রতিমা বা মণ্ডপ নেই। উত্তর- বিশ্বায়ন পর্বে পুঁজি ও পুজো দুয়েরই অবাধ চলাচলের রাস্তায় হয়তো বা আজকাল সবুজবাতি জ্বলে থাকে সব সময়। ‘গ্রিন করিডর’ দিয়ে ছুটে চলা এই মাতোয়ারা উৎসব নিয়ে আমাদের কিছু বলার নেই।

    বরং বলার কথা এইটাই বাঙালির পুজোয় গানের একটা ভূমিকা আছে, বরাবরই --- কথাটা তা নিয়েই। দুর্গা পুজো বাঙালির ‘সেরা উৎসব’ এমন বলতে গেলে নিশ্চয়ই ঢোঁক গিলতে হবে ---- তবে বাংলার সমাজ দুর্গাপুজোকে যেভাবে বিবাহিত বাঙালি মেয়ের ‘বাপের বাড়ি’ ফিরে আসার সঙ্গে সাংস্কৃতিকভাবে চিহ্নিত করেছে তা অস্বীকার করা উচিত নয়। আর এই ভাবনার সঙ্গেই জুড়ে যায় আগমনী গান, যা বাংলা গানের একটা বহু প্রাচীন ধারা। শরত ঋতুর উঁকিঝুঁকির সঙ্গে সঙ্গেই আগমনী গান একসময় ছড়িয়ে পড়ত বাংলার গ্রামে গঞ্জে। অনেক পল্লী গায়ক/গায়িকা এই গান গেয়ে বাড়ি বাড়ি ঘুরে জীবিকা নির্বাহ করতেন।প্রচলিত গানের পাশেপাশে অনেক আগমনী গান রচিত হয়েছিল একসময়, রেকর্ড কোম্পানি তা রেকর্ড হিসেবে প্রকাশ করেছেন। আটাত্তর আর পি এম ডিস্কে ধীরেন্দ্রনাথ দাসের গাওয়া ‘শঙ্খে শঙ্খে মঙ্গল গাও / জননী এসেছে দ্বারে’ একসময় প্রবল জনপ্রিয় হয়েছিল। প্রজন্মের পর প্রজন্ম এই গান রেকর্ড করেছে সেই জনপ্রিয়তাকে মাথায় রেখেই। পাশাপাশি রয়েছে আরো নানা গানের দৃষ্টান্ত। খেয়াল রাখতে হবে, এইসব গান কিন্তু ঠিক পাড়ার পুজো প্যান্ডেলে বাজার মতো গান নয়। এগুলো মানুষ শুনতেন নিজের বাড়িতে। প্যান্ডেলে বাজার জন্য যে গান বরাদ্দ ছিল তা হল বাংলা আধুনিক গানের পুজোর সম্ভার। রেকর্ড কোম্পানিগুলো সারা বছর ধরে চেষ্টা করত কে কত ভাল পুজোর গান প্রকাশ করতে পারেন---- যে গান হিট হলে লক্ষ্মীলাভ নিশ্চিত। এইসব গানের সঙ্গে কিন্তু পুজোর পুরাণ-অনুষঙ্গ কোনোদিনই ছিল না। মান্না দে-র গাওয়া ‘ললিতা, ওকে আজ চলে যেতে বল না’ র মতো প্রেমের গান একদা পুজোর গান হিসেবেই বাজার মাত করেছিল। এমন ভুরি ভুরি দৃষ্টান্ত আছে হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়, শ্যামল মিত্র, তরুণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখের। এর সঙ্গে তুলনা করা যায় অনেকটা পত্রপত্রিকায় বেরোনো শারদ উপন্যাসের। অর্থাৎ কিনা দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে বাংলা সাহিত্য সংস্কৃতি ও বিনোদনের যে জগৎ এগুলোকে সেখানে অনায়াসে জায়গা দেওয়া যায়। কিন্তু আগমনী গান নির্দিষ্টভাবে দুর্গা-কেন্দ্রিক রচনা যার কেন্দ্রে আছে উমার সপরিবার বাপের বাড়ি আসা, ভোলানাথ মহাদেবের সঙ্গে তার টানাপোড়েন, মা মেনকার দুশ্চিন্তা ও বেদনা ইত্যাদি।

    ঠিক একইভাবে বাংলা গানের আরেকটা ধারা হল শ্যামা-বিষয়ক গান, যাকে আমরা শ্যামাসংগীত বলে চিনে নিয়েছি। দেবী হিসেবে দুর্গার উল্লেখ পুরাণে যত প্রত্যক্ষ বা তাঁকে ঘিরে পৌরাণিক আখ্যানের কাহিনি যত সুবিস্তৃত, কালী-র ক্ষেত্রে ব্যাপারটা তেমন নয়। অনেক নৃতাত্ত্বিক মনে করেন, কালী আসলে অনার্য গোষ্ঠীর পূজিত দেবী ---- পরে যা আর্যদের সংস্কৃতির মধ্যে আত্মীকৃত হয়েছে। রূপক হিসেবে তাই দুর্গার প্রতিমায় যত স্নিগ্ধতা থাকে, তুলনায় কালী প্রতিমার সঙ্গে যুক্ত থাকে কিছুটা শক্তি ও হিংস্রতা--- পশুবলি এখনো এই পুজোর প্রায় অনিবার্য অঙ্গ, আজও। মনে না পড়ে উপায় নেই, ‘প্রথম আলো’ উপন্যাসে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় বিজ্ঞান সাধক ডাঃ মহেন্দ্রলাল সরকারের মুখে কালী ঠাকুর বিষয়ে ‘সাঁওতালি মাগী’ শব্দ ব্যবহার করেছিলেন বলে তাঁকে মৌলবাদীদের হাতে আদালতে ‘কেস’ খেতে হয়েছিল। কিন্তু এগুলো মনে রাখলেও কালী সাধনা বাংলার এক পুরনো রীতি যা জন্ম দিয়েছে শ্যামাসংগীতের। সাধক রামপ্রসাদ সেন-এর শ্যামাবিষয়ক গানগুলি তাই বাংলা গানের মানচিত্রে আলাদা একটা যোজক শুধু নয় তার সুরগত স্বাতন্ত্র্য আলাদা করে চোখে পড়ে। রামপ্রসাদী সুর বাংলা গানের সুরের একটা ধারা। মনে পড়তে পারে, ‘দেবী’ ছবিতে সত্যজিৎ রায় এই সুরে একটি গান নিজেই রচনা করে ছবিতে ব্যবহার করেছিলেন। সিলেবাসে থাকায় রামপ্রসাদের গান বিষয়ে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের পড়ুয়াদেরও চর্চা করতে হয়।

    এখন কথাটা হল, দুর্গাপুজোর আবহে আগমনী গান তৈরি হলেও বারোয়ারি পুজোর প্যান্ডেলে তা সচরাচর বাজানো হয় না। আর বিপরীতটা হল, কালীপুজোর বারোয়ারি প্যান্ডেলে মূলত বাজানো হয় শ্যামাসংগীত, সেখানে আধুনিক বাংলা গান বাজানোর উদাহরণ কার্যত নেই। সমীক্ষা করলে দেখা যাবে, এই প্যান্ডেলগুলিতে আজও বেজে চলে মূলত পান্নালাল ভট্টাচার্যের স্বর্ণকন্ঠে রেকর্ড করা কিছু চেনা গান। এগুলি প্রকাশ হয়েছিল এইচ এম ভি র একটি লং প্লেয়িং রেকর্ডে, আজ থেকে অনেক বছর আগে। রামপ্রসাদ সেন, সাধক কমলাকান্ত প্রমুখদের লেখা কিছু গান এই অ্যালবামে ধরা আছে। সাম্প্রতিক কালে কিছু শিল্পী ওই গানগুলিকেই নতুন করে রেকর্ড করে গাইছেন। কিন্তু নতুন গান কই ? কাজী নজরুল ইসলাম একসময় কিছু চমৎকার শ্যামাসংগীত লিখেছিলেন ---- মৃণালকান্তি ঘোষ সেগুলি কিছু কিছু রেকর্ড করেছিলেন, কিন্তু সেইসব গান আজ লুপ্তপ্রায় । আজ আমরা প্রায় ধরেই নিয়েছি কালীপুজোর প্যান্ডেলে অনিবার্য ভাবে শোনা যাবে পান্নালাল ভট্টাচার্যের ‘অল টাইম হিট’ ওই গানগুলি। কেন এমন হবে? শ্যামা বিষয়ক গান তো বাংলা গানের একটি ধারা ---- সেই ধারাস্রোত যদি নতুন সুরের প্লাবনে সঞ্জীবিত না হয় তবে কি আর তাতে কোনো প্রাণ থাকে ? আমরা যারা পুজো প্যান্ডেলের ধারকাছ না মাড়ালেও মাইক-বাহিত গান শুনতে পাই বা কিছুটা শুনতে বাধ্য হই তারা যদি নতুন কোনো শ্যামা সংগীতের পিয়াসী হই নিছকই সংগীতের উপভোক্তা হিসেবে তা কি খুব দোষের ব্যাপার?

    অথচ গত তিরিশ বছরের মধ্যে আমাদের অভিজ্ঞতার মধ্যে মাত্র একটা শ্যামাসঙ্গীতকে খুব জনপ্রিয় হতে দেখেছি ----- মান্না দে-র কন্ঠে রেকর্ড হওয়া ‘আমায় একটু জায়গা দাও/ মায়ের মন্দিরে বসি’--- গানের কথা লিখেছিলেন পুলক বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ অনেক বছর হল পুলকবাবু বা মান্নাবাবু দুজনেই চলে গেছেন। কিন্তু তার মানে কি আর নতুন গান হবে না? গান তো একটা ধারাবাহিক সত্ত্বা, সময়ের বাঁকে বাঁকে তার নতুন চেহারায় ফিরে আসার কথা। অন্তত ধর্মীয় অনুষঙ্গ যেসব বারোয়ারি পুজোর মৌলিক ভিত্তি আর যে পুজোর প্রচার ও প্রসার (সেইসঙ্গে জাঁকজমক ) ক্রমশ জ্বালানি তেলের দামের মতোই ঊর্ধমুখী, সেই পুজো-সংস্কৃতির সঙ্গে জুড়ে থাকা গান নিছকই এক পুরোনো ইতিহাসের চর্বিত চর্বণ হয়ে থাকলে কোথাও একটা আড়ষ্ট বোধ হয়। তার মানে কি এই যে, শুধু সরকারি অনুদান, কর্পোরেট চাঁদা , জাঁকালো মণ্ডপ সজ্জা আলো প্রতিমা --- এইটুকুই শুধু পুজো? বাকি আর কিছু নয় ?
    বাংলা আধুনিক গানের চর্চা ভাল হোক মন্দ হোক কিছু একটা আজও হচ্ছে যদিও দুর্গা পুজোর মণ্ডপে সেইসব গান বাজানো হয় না। কিন্তু গানের এই কঙ্কালসার ফসিল হয়ে যাওয়া চেহারাটা সব থেকে প্রকট হতে দেখি অন্য পুজোয়। ইদানিং এমনকি জগদ্ধাত্রী পুজোর প্যান্ডেলেও ‘মায়ের পায়ে জবা হয়ে ওঠ না ফুটে মন’ বেজে চলতে দেখেছি --- একেবারে কালী প্রতিমা কেন্দ্রিক গান দিব্যি চালানো হচ্ছে জগদ্ধাত্রী পুজোয়, আসলে যিনি নাকি মা দুর্গারই একটা রূপ ! কী চূড়ান্ত গুরুচণ্ডালী ব্যাপারস্যাপার বলুন দেখি? জগদ্ধাত্রীর আরাধনা করার মতো কেউ একটা গান বানাতে পারেনি আজও, পারেনি দেবসেনাপতি কার্তিকের জন্যও । সব প্যান্ডেলেই আজও প্রক্সি দিতে হচ্ছে সেই পান্নালাল ভট্টাচার্য- কে ------ এতে পুজোর তুলসীতলা অশুদ্ধ হয় না বুঝি?

    পাশাপাশি আরেকটা অভাবের কথাও অনেকদিন ধরেই আমার মনে হয়, ভয়ে ভয়ে বলেই ফেলি। ‘মহিষাসুরমর্দিনী’ গীতি-আলেখ্যটি নিঃসন্দেহে হিন্দু বাঙালি সংস্কৃতির পক্ষে একটি শ্লাঘার বিষয়, যাকে ‘কালজয়ী’ বললেও খুব বাড়িয়ে বলা হয় না। কবীর সুমন বলেছেন এই আলেখ্যের সুরে কোথাও কোথাও পঙ্কজ কুমার মল্লিক ফজরেরআজানের সুরও ব্যবহার করেছেন, তাই সুর সৃষ্টির দিক দিয়ে এটি একেবারে ‘সেকুলার’। সবই ঠিক আছে। কিন্তু যে কোনো ভাল জিনিসও তার অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারে স্বাভাবিক ঔজ্জ্বল্য হারায়। যতদিন মহালয়ার ঊষালগ্নে বেতারবাহিত হয়ে তা বাঙালি হিন্দুর ঘরে ঘরে পৌঁছাত ততদিন তার একটা আলাদা আবেদন ছিল। যেদিন থেকে ওই রেকর্ডিং বেতারকেন্দ্রের আওতার বাইরে বাজারে ক্যাসেট হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে সেইদিন থেকেই তার আবেদন ফিকে হয়ে গেছে। যে কোনো সময় যে কোনো উপলক্ষে ‘মহিষাসুরমর্দিনী’ যেখানে সেখানে বেজে উঠতে শুনি আমরা ---- কখনো বা পুজোয় উদ্বোধন হওয়া কোনো ছিট কাপড়ের দোকানে অথবা সন্ধ্যের ভিড় ঘেরা অটো স্ট্যান্ডে বা রক্তদান শিবিরের ঘোষণায় বা কারোর মোবাইলের কলার টিউনে। স্থান-কাল-পাত্র একাকার হয়ে গেলে কোনো উৎকৃষ্ট শিল্পও তার আস্বাদনের দিক থেকে যাকে বলে ‘ঘেঁটে ঘ হয়ে যায়’ ----শুনতে খারাপ লাগলেও, বাঙালির সাধের ‘মহালয়া’ রও এখন সেই দশা। নতুন নতুন গান হোক না, হোক না আরেকটা ‘মহিষাসুরমর্দিনী’ --- তাতে তো বাংলা ধর্মীয় গানের ধারাবাহিকতারই একরকম উদযাপন হতে পারে। যতদিন না হয় ততদিন আমরা এ ওর মুখের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞাসা করেই যাব : গান কই?
  • | রেটিং ৪ (১ জন) | বিভাগ : ব্লগ | ২৯ নভেম্বর ২০২১ | ৩৭৩ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    চিঠি - Shomita Banerjee
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • শুদ্ধসত্ত্ব দাস | ০৩ ডিসেম্বর ২০২১ ০৪:৪৬501635
  • কোনো পরিসরেই আর নতুন গান হচ্ছে না...  
     
    আরেকটা কথা বলতে চাই, দুগগা পুজো হিন্দু বাঙালিদের মুখ্য উতসব, সব বাঙালিদের নয়। 
  • প্রবুদ্ধ বাগচী | ০৯ ডিসেম্বর ২০২১ ১১:৫৩501893
  • ঠিকই বলেছেন,দুগগা পুজো হিন্দু বাঙালির মূলত। তবে বিষয়টির মধ্যে একটা সামাজিক চেহারা এসে যাওয়ায় বারোয়ারি পুজোয় সেই কট্টর হিন্দুয়ানি কিছুটা শিথিল। আমার লেখায় তার ইশারা আছে।
     
  • santosh banerjee | ০১ জানুয়ারি ২০২২ ১৯:০৪502416
  • গানের ব্যাপারে এখন যত কম বলা যায় তত ভালো। তবু বলি, কোনো আগা‌ নেই মাথা নেই একটা অদ্ভুত খিচুড়ি শুনি। নেপথ্যে বাজনা? হার্ট এর রুগী হিসাবে তো ভয় হয়, কখন চোখ উলটোয় !! স্বর্ন যুগ দুরের কথা, এ যুগেও তো ভালো গান হচ্ছে! সেটাও বাজে না। আশা ভোঁসলে কি একমাত্র শিল্পী যিনি বাঙলা গান গেয়েছেন? আর, বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্র ? শালা , নালায় নর্দমায়, টোটো গাড়ীর মধ্যে হয়তো দুপুর সাড়ে বারোটায় বাজছে"" আশ্বিন এর শারদ প্রাতে"".... মানে এত নিকৃষ্ট আর অশিক্ষিত পরিবেশ গানের কহতব্য না। মনে হয়, চরম সাঙ্গীতিক অরাজকতা চলছে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। কল্পনাতীত প্রতিক্রিয়া দিন