• বুলবুলভাজা  আলোচনা  সমাজ

  • জয় এল কোন পথে

    প্রতিভা সরকার
    আলোচনা | সমাজ | ১৯ নভেম্বর ২০২১ | ৮৮৪ বার পঠিত | রেটিং ৫ (৬ জন)

  • মৃত্যু, শারীরিক মানসিক কষ্ট, রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন – সমস্ত কিছু তুচ্ছ করে কৃষকেরা মাটি কামড়ে পড়ে থেকেছেন বৎসরকাল। কোনো ভয় বা প্রলোভন তাদের নীতিচ্যুত করতে পারেনি। আজ তার সুফল ফলেছে। ১৯শে নভেম্বর ২০২১, গুরু নানকের জন্মদিনে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিশ্বের সামনে পিছু হটতে বাধ্য হলেন এবং সর্বসমক্ষে ঘোষণা করলেন – তাঁর সরকার তিন কৃষি আইন বাতিল করবে।

    এখনো এই ঘোষণা বাস্তবায়িত হওয়ার সব ধাপগুলো পেরোতে অনেক পথ বাকি। তার মধ্যে নাট্যাচার্য মোদী কোনো টার্ন অ্যান্ড টুইস্টের উপকরণ রাখবেন কিনা – তা তো জানা নেই, কিন্তু এই বিজয় পালনের আনন্দ এখনই ছড়িয়ে পড়ছে কৃষকদের এবং কৃষক আন্দোলনের সমর্থকদের ঘরে ঘরে। সেটাই স্বাভাবিক, কারণ কৃষি আইনের বিরুদ্ধে দীর্ঘ সময় ধরে জারি রাখা এই আন্দোলন শুধু সময় সীমার কারণে নয়, আরো অন্যান্য অনেক কারণে খুবই বিশেষ।

    প্রথমত এই আন্দোলনের অসাম্প্রদায়িক মেজাজ। সব সম্প্রদায়ের কৃষকই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই আন্দোলন গড়ে তুলেছেন। ২০১৩ সালের মুজফফর নগরের দাঙ্গার যে বিধ্বংসী প্রভাব দুই সম্প্রদায়ের মানুষকে বয়ে বেড়াতে হচ্ছিল, সেই লজ্জা ও অপমান থেকে এই আন্দোলন তাদের মুক্তি দিয়েছে।

    এর তাৎপর্য খুবই গভীর, কারণ মুজফফর নগরের দাঙ্গার ধর্মীয় মেরুকরণকে বিজেপি একটি দীর্ঘস্থায়ী অস্ত্রে পরিণত করে এবং সারা ভারতে সংখ্যালঘু-বিদ্বেষের হাওয়া তুলে ২০১৪ সালের নির্বাচন হেলায় জিতে নেয়। ২০১৭ সালের নোটবন্দীর ফলে মানুষের অপরিমেয় দুর্দশাও যেন এই সাম্প্রদায়িক বিভাজনের কাছে তুচ্ছ হয়ে যায়, এবং উত্তরপ্রদেশ বিধানসভায় বিজেপি দুই-তৃতীয়াংশ গরিষ্ঠতা হাসিল করে। সেখানেই শেষ নয়৷ এই বিভাজনকে এমন শক্তিশালী করে তোলা হয়, যে ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনও বিজেপি হেসেখেলে পার হয়ে যায়।

    অথচ আজ দেখুন। কৃষক মৈত্রী এই কলঙ্কিত ইতিহাসের পরিসমাপ্তি ঘটিয়েছে। এখন এমনকি সামাজিক অনুষ্ঠানেও স্থানীয় বিজেপি নেতামন্ত্রীদের ডাকলে ধোপা-নাপিত বন্ধ। পাঞ্জাব হরিয়ানায় স্থানীয় নির্বাচনগুলিতে প্রার্থী করার মতো লোক বিজেপি খুঁজে পাচ্ছে না। লখিমপুর খেরির পিষে মারার ঘটনার পর থেকে বিস্তীর্ণ গ্রামাঞ্চলে বিজেপি সাপোর্টাররাও হাওয়ায় মিলিয়ে গেছে। এ যদি বিশেষ অর্জন বলে স্বীকৃতি না পায়, তাহলে আর কী তা পেতে পারে !

    শুধু জাঠ-মুসলিম ঐক্য নয়, জমির মালিক ও ক্ষেতমজুরের ঐক্যও এই জয় ছিনিয়ে এনেছে। শুধু মালিক-শ্রমিক দ্বন্দ্ব নয়, এই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে জাতপাত ঘটিত দ্বন্দ্বও খুব বাস্তব। কিছুদিন আগেও এটা অকল্পনীয় ছিল যে তারা একই ঝান্ডা কাঁধে, একই আন্দোলনে সামিল হবে। কিন্তু তাই-ই হয়েছে। তাদের রুজিরোজগার যখন একচেটিয়া পুঁজির গ্রাসে, তখন তারা একই সঙ্গে পুঁজির ঘনিষ্ঠ সহযোগী মোদী-সরকারের কালা কানুনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে।

    এই জয়ে মহিলাদের অবদানের কথা স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। ঘরসংসার ফেলে তাঁরা আন্দোলন স্থলে দিনের পর দিন পড়ে থেকেছেন, দলে দলে ট্র‍্যাক্টর চালানো শিখে র‍্যালিতে যোগ দিয়েছেন। শুধু কমন কিচেনে নয়, মিটিং-এ তাঁদের বিপুল যোগদান এবং আন্দোলনের মুখ হিসেবে নানা বিবৃতি প্রদান নতুন আশার সঞ্চার করেছে। মনে হয় যেন পিতৃতান্ত্রিকতার নিগঢ় তারা অনেকটাই খসাতে পেরেছেন। এটা কতটা দীর্ঘস্থায়ী হবে তা সময় বলবে, কিন্তু কিসাণীর বিপুল অংশগ্রহণকে কিছুতেই লঘু করা যাবে না।

    এই বিপুলসংখ্যক মহিলার প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণের কারণ গত তিরিশ বছরে কৃষকের অবস্থা। এই সময়ে লক্ষ লক্ষ কৃষক অপরিশোধ্য ঋণের জালে জড়িয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তাঁদের জমিজমা ক্রোক হয়ে গেছে। আর কে না জানে, এইসবের গনগনে আঁচ সবচেয়ে বেশি এসে লাগে মেয়েদের গায়ে। তাঁদের নিজেদের ও পরিবারের নিরাপত্তার বোধ মেয়েদের দলে দলে কৃষক আন্দোলনে যোগ দিতে অনুপ্রেরণা দিয়েছে। এতে শুধু আন্দোলনের পুষ্টি ঘটেনি, উপরন্তু সমাজ লিঙ্গসাম্যের পথে কয়েক পা এগিয়ে গেছে।

    এই জয়ের বুনিয়াদ রচনায় গুরুত্বপূর্ণ আর একটি কথা বলতেই হয়। আন্দোলনের প্রথম দিন থেকেই দিল্লি-সীমান্তের সমস্ত কলকারখানার বেশিরভাগ শ্রমিক, কৃষকদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। শুধু সংহতি জাহির করা নয়, লড়াইয়ের ময়দানেও তাঁরা উপস্থিত ছিলেন। আর ছিলেন অগুনতি ছাত্র, বুদ্ধিজীবী,সাংবাদিক, অন্যান্য পেশায় নিযুক্ত মানুষজন। অন্নদাতাদের অন্নহীন অবস্থা এবং দুর্দশার কথা উপলব্ধি করে তাঁরা দৃষ্টান্তমূলক ঐক্য প্রদর্শন করেছেন। বিজেপি সমর্থকরা ছাড়া সমাজের সব অংশের যোগদান কৃষক আন্দোলনকে এই সময়ের বৃহত্তম গণআন্দোলনের চেহারা দিয়েছে।

    আর একটি কথা। তিন কালা কানুন পাশ করানোর আগেই মোদি সরকার শ্রমিকবিরোধী এমন আইন পাশ করিয়েছে, যাতে শ্রমের বোঝা বেড়েছে বহুগুণ, উপরন্তু লাগামছাড়া শোষণের মাত্রাও বিশ্রীভাবে বেড়েছে। সুতরাং আজকের ভারতবর্ষে শ্রমিক ও কৃষকের ভাগ্য এমনভাবে জড়িয়ে পড়েছে, যে আন্তর্জাতিক ফিনান্স পুঁজি এবং তাদের পোষ্য দেশি কর্পোরেট পুঁজির বিরুদ্ধে লড়াইতে শ্রমিক-কৃষক জোট অবশ্যম্ভাবী। তার সাফল্য চোখে আঙুল দিয়ে দেখাল এই জয়। এই পথেই ভবিষ্যতের লড়াই এগিয়ে যাক।

    মোদী ও তার সাঙ্গপাঙ্গদের এ এক অসীম লজ্জা ও অপমানের প্রহর। কারণ কৃষকের দাবি যে মূহুর্তে মেনে নেওয়া হল, সেই মুহূর্তেই এই চরম প্রতিক্রিয়াশীল সরকারকে ইচ্ছার বিরুদ্ধে তার ইষ্টমন্ত্র – নয়া উদারবাদের বিরুদ্ধে যেতে হল। তাকে প্রকারান্তরে বুঝিয়ে দিতে হল, সে কার পক্ষে – আন্তর্জাতিক বৃহৎ ব্যবসার, নাকি দেশীয় মার-খাওয়া কৃষকের। আপাতত বাধ্য হয়ে সে কৃষকের – ভবিষ্যতের কোনো ষড়যন্ত্র যদি না পাশা উলটে দেয়।

    গান্ধীবাদী সত্যাগ্রহের অনেক লক্ষণ এই আন্দোলনের দেহে পরিস্ফুট। এই গণসংগ্রাম শুধু নিজেদের মধ্যেই নয়, কী এক মন্ত্রবলে বিপরীতমনস্কদের সঙ্গেও মানসিক যোগাযোগ স্থাপন করতে পেরেছে। উত্তর ভারত মূল কেন্দ্র হলেও সমস্ত দেশেই এর অভিঘাত অনুভূত হয়েছে। অনেক বিজেপি-পন্থীরাও সরকারের দমন-নিপীড়নের বিরুদ্ধে। আন্দোলনকারীরা তাদের প্রতিটি দাবির সঙ্গে নিজেদের জীবন-মরণকে এমনভাবে মিলিয়ে দিতে পেরেছে যে অচিরেই সত্যাগ্রহী মনোভাব তাদের মধ্যে গড়ে উঠেছে। কঠোর আত্মশৃঙ্খলা এবং নিয়মানুবর্তিতায় ভর করে থাকা এই আন্দোলনকে বিরাট ক্ষমতাশালী শত্রু বার বার স্যাবোটাজ করার চেষ্টা করেও বিফল হয়েছে। বিন্দুমাত্র বিচ্যুতিও সহ্য করা হয়নি। যোগেন্দ্র যাদবকেও শৃঙখলাভঙ্গের কারণে কিছুকাল বসিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

    দেশের প্রতিটি কোণায়, যেখানেই রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি বিক্রি হচ্ছিল, নিপীড়ন নেমে আসছিল, বিরোধী কন্ঠরোধ করা হচ্ছিল রাজদ্রোহ বা সন্ত্রাসবাদবিরোধী আইন প্রয়োগ করে, সেখানেই কৃষক নেতারা আন্দোলনকারীদের অকুন্ঠ সমর্থন জানিয়েছেন৷ সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রতিটি অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন। এর ফলে আপামর জনসাধারণের প্রধান শত্রু কে – সেই সনাক্তকরণ দ্রুত সম্পন্ন হতে পেরেছে।

    কৃষক আন্দোলনের জয়ী কৃষকদের টুপিতে আজ অনেকগুলি সাফল্যের পালক। সংসদীয় রাজনীতিতে প্রচলিত ধারার আন্দোলন থেকে পৃথক একটি নতুন আন্দোলন-রীতির জনকদের প্রদর্শিত পথেই এ দেশের ভবিষ্যত আন্দোলনের অভিমুখ, এ আশা করাই যায়।

     

  • বিভাগ : আলোচনা | ১৯ নভেম্বর ২০২১ | ৮৮৪ বার পঠিত | রেটিং ৫ (৬ জন)
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ranjan Roy | ১৯ নভেম্বর ২০২১ ২৩:৪৫501325
  • প্রতিভা ম্যামকে ধন্যবাদ, অল্প সময়ে এই আন্দোলনের প্রথম জয়ের তাৎপর্যগুলো সংক্ষেপে তুলে ধরার জন্য। ইকনমিক ও মানবিক ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ব্যর্থ সরকারের ঝুলিতে এখন হিন্দু-মুসলিম বিভেদের সাম্প্রদায়িক কার্ড ছাড়া কিছুই নেই। একের পর এক মিথ্যার মুখোশ খসে পড়ছে। হীরকরাজ দলের চেয়ে নিজেকে তুলে ধরতে বেশি ব্যস্ত। অন্ধ ভক্তেরা  হতভম্ব, এট কি হল, কেমন কড়ে হল! এই বিভ্রান্তি ওদের আপাত নিশ্ছিদ্র শিবিরে ফাটল ধরাচ্ছে। মুখর হবে আরও বিবাদী স্বর দলের ভিতরেই । তারপর ধীরে ধীরে ইতিহাস হয়ে যাবে। 
     ডোভাল গত সপ্তাহেই আইপিএস একাডেমিতে আগামী যুদ্ধ নিজের দেশের সিভিল সোসাইটির বিরুদ্ধে গোছের মন্ত্র শুনিয়ে এসেছেন। সতর্ক থাকার এবং সংহতি বাড়ানোর বিশেষ প্রয়োজন।
  • Amit | 120.22.224.154 | ২০ নভেম্বর ২০২১ ০৬:১৫501327
  • হোয়াটস্যাপ ভক্ত দের এখন সুর হচ্ছে মোদির মতো নেতাই পারে নিজের ভুল স্বীকার করতে। আর কোনো লিডার এর এই সৎ সাহস নেই। laugh
  • 4z | 2606:40:4e5:133d::660:7a51 | ২০ নভেম্বর ২০২১ ০৭:১৪501328
  • Swapan Kumar Mandal | ২০ নভেম্বর ২০২১ ০৭:৪০501329
  • আপনাকে ধন্যবাদ। আপনি এই কৃষক আন্দোলনের বৈশিষ্ট্য গুলি তুলে ধরেছেন। এই আন্দোলন জাতিগত ও শ্রেণীগত ঐক্যকে যেভাবে, শত প্ররোচনা সত্ত্বেও, রক্ষা করেছে সেটা মনে হয় অভূতপূর্ব।  
  • Amit Sengupta | ২০ নভেম্বর ২০২১ ১২:০৮501331
  • নিঃসন্দেহে এটা বিরাট জয়। কিন্তু আবার নির্বাচন হবে, লড়াই হবে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে। সেই পরিসরে কোনো ঐক্য এবং স্ট্যাটেজি দেখা যাচ্ছেনা কোথাও। বহুখন্ডিত বিরোধীদের সরকারবিরোধী কোনো এক ছাতার তলায় আসার সম্ভাবনা দেখিনা। আঞ্চলিক দলেরা আছে নিজের রাজ্যে, তাদের নিজেদের মধ্যে জোট বাঁধার থেকে পরস্পর বিরোধিতার প্রবণতা অনেক বেশি। তাই খুব আশাবাদী নই যে বর্তমান সরকার আগামী নির্বাচনে সরে যাবে। পাবলিক মেমরি ক্ষণস্থায়ী, নতুন কোন ইস্যু এসে পড়লেই নতুন অ্যালাইন্মেন্ট এসে যাবে। দেখা যাক কি হয়। 
  • মুদি | 2405:201:9002:305a:41c2:abc2:c0d6:8b67 | ২০ নভেম্বর ২০২১ ১৫:১৯501336
  • মূলত উত্তরপ্রদেশ এবং পাঞ্জাবের ধনী মন্ডী মালিকেরা এই আন্দোলন চালাচ্ছিল। ভোটের আগে এইরকম আন্দোলন একটা ফালতু agitation লেগে থাকা ঝামেলার ব্যাপার; দ্বিতীয়, এই আইনগুলো এমনিতেই কার্যকর ছিল না সুপ্রিম কোর্টের আদেশে।
     
    ফলে, ভোটে সুবিধা পেতে এটা মোদী তুলে নিলো। পাঞ্জাব এবং ইউপি তে জিতে, পরের টার্মে প্রথমে এই মন্ডি মালিকদের খতম করবে, তারপর আবার আইন আনবে।
     
    সোজা analysis সোজা ভাবে কেন করতে পারেন না কে জানে, খালি বালের কৃষক ঐক্য আর নারীমুক্তি !!! 
  • মণিশংকর বিশ্বাস | 59.154.131.90 | ২১ নভেম্বর ২০২১ ০১:০১501350
  • খুব ভালো লিখেছেন! প্রতিটা পয়েন্ট ছুঁয়ে গেছেন, এটা খুব ভালো লাগল! কোনো হাওয়ায় ভাসিয়ে দেওয়া কথা নয়,সবই জরুরি লেখা। কুর্ণিশ।
  • হীরক সেনগুপ্ত | 2409:4060:8d:b000:74f4:f441:a3b8:f46 | ২১ নভেম্বর ২০২১ ১১:৫৬501362
  • ভালো।তবে রাজনীতির মারপ্যাঁচ  বেজায় শক্ত  ।
    শক্তিশালীও বটে। দেখা যাক ।
  • Rita Banerjee | ২১ নভেম্বর ২০২১ ১৩:১৭501363
  • তথ্য সমৃদ্ধ  ও বিশ্লেষণ মূলক ভালো লেখা। মোদী সরকারের ভোট পূর্ববর্তী এই উদ্দেশ্যমূলক এই পদক্ষেপ
     ভবিষ্যতে যেন সিদ্ধ তাসের ঘরের মত ভেঙ্গে পড়ে সর্বান্তকরণে এই কামনা করি। সংগ্রামী কৃষক সহ সব লড়াকু জনতা কে কুর্ণিশ।
  • Rita Banerjee | ২১ নভেম্বর ২০২১ ১৩:৩৩501364
  • আমার মতামত টা তে 'সিদ্ধ'শব্দ টি বাদ যাবে। একটু এডিট করার সুযোগ থাকলে ভালো হয়
  • তপন ভট্টাচার্য | 2401:4900:16cb:511:1:2:a020:2d63 | ২১ নভেম্বর ২০২১ ২২:৪৩501371
  • আলোচিত হ ও য়া-র মতো লেখা  ! 
  • বিপ্লব রহমান | ২৭ নভেম্বর ২০২১ ০৮:০০501465
  • রক্তের ধারা পেছনে যায় না! 
    লাল সেলাম, কৃষক সংগ্রাম...
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ক্যাবাত বা দুচ্ছাই মতামত দিন