• হরিদাস পাল  আলোচনা  শিক্ষা

  • এভাবেও পরীক্ষা বাতিল হয় :২০২১

    Jharna Panda লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | শিক্ষা | ১২ আগস্ট ২০২১ | ৩৯৩ বার পঠিত
  • শিক্ষকদের পেশার প্রতি সাধারন মানুষের বিরূপ ধারনার কথা বলতে গিয়ে শিক্ষাক্ষেত্রে তাদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় একজন শিক্ষক লিখছেন - ‘এইসব লোকেরা ভাবেনা যে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শিক্ষকরাই ভোটের কাজ সম্পন্ন করেন’। তিনি আরো মনে করছেন যে শিক্ষকরা না থাকলে আমাদের ছেলেমেয়েরা অ,আ পর্যন্ত শিখতে পারতো না। অপমানিত হওয়ার কারনেই যে মাষ্টারমশাইয়ের এই ক্ষোভ সেটুকু আমরা বুঝতে পারি। তবু মনে হয় কেনইবা সমাজের এমন একটি গুরুত্বপূর্ন পেশাকে বারেবারে অসন্মানিত হতে হচ্ছে? শিক্ষকরা অপমানিত হলে অসন্মানিত হলে তার দায় কেবলমাত্র আমাদের নয়। গত দেড় বছরে স্তব্ধ হয়ে যাওয়া শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে আমাদের মনে হাজার প্রশ্ন হাজার আশঙ্কা। বর্তমান পরিস্থিতিতে কয়েক কোটি ছাত্রছাত্রীর শিক্ষার ভবিষ্যত বিষয়ে শিক্ষকদের নিরবতাটি নিয়েও আমাদের মনে প্রশ্ন জাগে। সেইকারনেই হয়তো আমাদের মতো সাধারন মানুষরাও আপনাদের পেশাটিকে প্রশ্ন করি। আপনারা তাতেই কি অসন্মানিত বোধ করেন? আপনাদের মতো আমাদের সবার পেশাতেও ঝুঁকি আছে। সেই ঝুঁকিটি নিয়েই আমাদের কাজ করতে হয়। আমরা জানি মাসকয়েক আগেই আপনারা ‘জীবনের ঝুঁকি নিয়ে’ ভোট করিয়েছেন। প্রতি পাঁচ বছর অন্তর এমন করেই আপনাদের একবার ‘জীবনের ঝুঁকি’ নিতে হয় সেকথাও আমরা জানি।

    আপনারা যাই বলুন মাষ্টারমশাই আমরা তো দেখছি দেশ তথা সমাজের এমন বিপর্যয়ের সময় শিক্ষকদের মতো নিরাপদ পেশায় থাকা মানুষদের ঝুঁকি না নিয়েই তো দিন কাটছে। সামনের সারিতে দাঁড়িয়ে কোভিড ঢেউ সামলানর দায় কি কেবলমাত্র পুলিশকর্মী স্বাস্থ্যকর্মী অথবা আমাদের ডাক্তারবাবুদের? সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়া সত্বেও আমাদের সরকার ‘ফ্রন্ট লাইনার’ হিসেবে মাষ্টারমশাইদের যুক্ত করার কথা ভাবলেন নাইবা কেন? এ প্রশ্ন আমাদের সকলের। বছর দেড়েক ধরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি বন্ধ। বর্তমান পরিস্থিতিতে নিম্নবিত্ত পড়ুয়ারা আজ কেউবা সবজি বিক্রেতা। মেয়েরা বিড়ি শ্রমিক নয়তো গৃহকর্মী কিংবা গৃহবধূ। গৃহশিক্ষকতা অথবা শিক্ষা সংক্রান্ত কর্মাশিয়াল অ্যাপের মার্কেটিং ব্যবসায় মাষ্টারমশাইদের ব্যাংক ব্যালেন্স বৃদ্ধির খবরে শিক্ষক শিক্ষিকাদের পেশাগত দায়িত্ব সম্পর্কে বন্ধুরা প্রশ্ন তুলছেন -‘আজকের উদয়ন পন্ডিতরা কি কেবল মাস মাইনের চাকুরীজীবি?’। আমাদের এসব প্রশ্নের জবাব আমরা পাই বা না পাই প্রশ্ন করার অধিকারটুকু আমাদের আছে। আমরা প্রশ্ন করবো দুয়ারে দুয়ারে ত্রান রেশন এমনকি দুয়ারে হাজির সরকার বাহাদুর। তাহলে (শিক্ষাক্ষেত্রে গত একবছরের ক্ষতিপূরনসহ) ‘দুয়ারে শিক্ষা’ ‘দুয়ারে পরীক্ষা’ নয় কেন? এই যে মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা নিয়ে যা হল তাতে করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ব্যাপারে সরকারের অবস্থানটি নিরাপদ হতে পারে কিন্তু আমাদের ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যত? তাদের মানসিক স্বাস্থ্য? সেসব দায় কি কেবল হতভাগ্য পরীক্ষার্থী ও তাদের বাবামায়ের?

    পরীক্ষা নেওয়া না নেওয়ার ব্যাপারে সরকারের নিরাপদ অবস্থানটি সুনিশ্চিত করতে গিয়ে তাদের পরামর্শদাতারা কি ভুলে গিয়েছিলেন যে এই পরীক্ষা নেওয়া বা না নেওয়ার বিষয়ে ই-মেইল মারফত মতামত জানানর বিষয়টি থেকে সংখ্যাগরিষ্ঠ অভিভাবকই বাইরে থেকে যাবেন? শুধু পরামর্শদাতাদের কথাইবা বলি কেন? মাষ্টারমশাইরাও তো জানতেন সেকথা। তারা তো বিশ্বাস করেন বিভিন্ন সেমিনারে সোচ্চারে তা প্রচারও করেন যে শিক্ষার মানন্নোয়নে বিঘ্ন সৃষ্টিকারী অন্যতম কারনটি হল প্রথম প্রজন্মের পড়ুয়া। পরীক্ষা নেওয়া বা না নেওয়া বিষয়ে সেই প্রথম প্রজন্মের পড়ুয়াদের বাবামাসহ সংখ্যাগরিষ্ঠ অভিভাবকরাই যে ই-মেইল মারফত তাদের মতামত জানাতে পারবেন না সেটা আমাদের মাষ্টারমশাই দিদিমনিরা জানতেন না? অনলাইনে ফর্ম ফিলাপ করার অভিজ্ঞতা নিয়ে যদি কেউ সাইবার ক্যাফেতে ছুটে গিয়ে ‘আমরা চাই পরীক্ষা হোক (বা আমরা পরীক্ষা চাইনা) এই কথাটা লিখে দে বাবা’ বলে অনুরোধও করতেন কার্যত লকডাউনে সেটিও যে বন্ধ - মাষ্টারমশাইরা সেটিও জানতেন। জেনেও আপনারা প্রশ্ন করবেন না মাষ্টারমশাই? আমরা তো ভেবেছিলাম আপনারা যেভাবে ‘জীবনের ঝুঁকি’ নিয়ে ভোট করিয়েছেন ঠিক সেইভাবে মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা নেওয়ার পক্ষে সোচ্চার হওয়ার ‘ঝুঁকি’টুকু অন্তত নেবেন। তবে কি সেই ভোটের ‘ঝুঁকি’টি বাধ্য হয়েই আপনাদের নিতে হয়? পেশাগত ‘ঝুঁকি’টির ক্ষেত্রে এতো নীরবতা কেন?

    চাকুরিজীবি ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন পেশায় যুক্ত শহুরে অভিভাবকরা যারা মহামারীর সময় আনলকডাউন কার্যত লকডাউন ইত্যাদি কেতা দুরস্থ নামের আড়ালে ভীড়ে বাদুড় ঝোলা হয়ে অফিস যাতায়াত করছেন সেইসব অভিভাবকদের কথা যদি ছেড়েও দিই আমাদের সংখ্যাগরিষ্ঠ অভিভাবক যারা দিন মজুরের কাজ করেন, সবজির গাড়িতে গাদাগাদি করে বসে প্রতিদিন শহরে আসেন, ভিড়ে থিকথিকে বাজারে বসে জিনিসপত্র বিক্রি করেন তারা কি মনে করেন যে তাদের ছেলেমেয়েরা পরীক্ষার হলে বসে পরীক্ষা দিলে সংক্রমিত হবে? মেটিয়াবুরুজ অঞ্চলের একজন শ্রমিক পিতা যখন বলেন - ‘আমরা যখন একজন আর একজনের মাথায় বস্তা চাপাই আমাদের নাকেনাকে ঘষা লাগে। মুটেগিরি করি আমরা ওইসব কোভিড বিধিটিধি মানতে পারিনা’। এমন মুটেগিরি করা বাবারা মনে করবেন যে তাদের ছেলেমেয়েরা পরীক্ষার হলে বসে পরীক্ষা দিলে সংক্রমিত হবে? ট্রেন বন্ধ থাকায় ব্যবসায়ী বিদেশবাবুর ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাওয়াতে তিনি পরীক্ষার্থী ছেলেকে নিয়ে ঘুরেঘুরে আম বিক্রী করেন। পরীক্ষা বাতিল হতেই গ্রাম থেকে ফোনে বললেন - ‘পরীক্ষা দিতে গেলেই আমাদের ছেলেপুলেদের করোনা হবে না গো দিদিমনি। যারা পরীক্ষা দিবে তারা তো সব বড় বড় ছেলেপুলে। মাষ্টারে যদি বলে মুখ থেকে মাস্ক খুললে পরীক্ষার হল থেকে বের করে দিবেক, তাহলে উয়ারা ভয় পাবে। মাস্ক পরে তোমাদের ওইসব করোনা বিধিটিধি মেনে পরীক্ষাটা হলেই ভালো হতো’। মাষ্টারমশাই আপনারা কিন্তু এসব জানেন তাসত্বেও আপনারা আপনাদের প্রিয় ছাত্রছাত্রীদের বিষয়ে নীরব কেন?

    আরও পড়ুন
    মালিক - Chayan Samaddar


    ইলেকট্রনিক্স গেজেট থাকার সুবাদে, ই-মেইল করতে ও লিখতে পারার সুবিধে নিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ অভিভাবকদের বাইরে রেখে সিদ্ধান্ত গ্রহনের ব্যাপারে আমাদের মতামতটিই তো শেষ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠা পেলো। মাষ্টারমশাইরা আপত্তি করলেন না তো? আমাদের রাজ্যে শিক্ষক সংগঠনের উপস্থিতিও তো বেশ উজ্বল কিন্তু তারাও এব্যাপারে মুখে কুলুপ আঁটলেন। পরীক্ষার পক্ষে বা বিপক্ষের মতামত জনসমক্ষে সোচ্চার মতামত হয়ে উঠে এল কই? অভিভাবকদের লিখিত অনুমতি নিয়ে, কোভিড বিধি মেনে, ছাত্রছাত্রীদের সংখ্যা ভাগ করে, একাধিক প্রশ্নপত্রে একাধিক দিনে, প্রাইমারী হাইস্কুল মিলিয়ে আমাদের টীকাকরন সম্পূর্ন হওয়া প্রায় কয়েক হাজার শিক্ষকদের সাহায্যে বড় স্কুল ব্লিডিং ব্যবহার করে পরীক্ষার নেওয়ার মতো সম্ভাবনার বিষয়টি খতিয়ে দেখার পরামর্শটুকুও তো শিক্ষক সংগঠনগুলি দিতে পারতেন। মাষ্টারমশাইরা প্রশ্ন না করলেও আমরা কিন্তু প্রশ্ন করবো যে, কোন যাদু বলে মাত্র কয়েক ঘন্টায় চৌত্রিশ হাজার ই-মেইল থেকে পরীক্ষা বাতিলের মতো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে গেল?

    দায়িত্বশীল শিক্ষকদের মধ্যে থেকে কেউ কেউ কোভিড বিধি মেনে ছাত্রছাত্রীদের পরীক্ষা নেওয়ার পক্ষে সোশ্যাল মিডিয়ায় আবেদন করলেন, তাদের এই মতামতটি এই আবেদনটি ছড়িয়ে দেওয়ার অনুরোধও করলেন। তাদের ক্ষীন কন্ঠস্বরে গলা মেলানর জন্য না সহকর্মী্দের না সংগঠনের কাউকেই তেমনভাবে পাশে পেলেন কই। আমরা সাধারন মানুষেরা আমাদের চারপাশে এইসব দায়িত্বশীল শিক্ষকদের পরিচয় না পেলে আমরা তো সেইসব দায়িত্বশীল উদয়ন পন্ডিতদেরই খুঁজে বেড়াব।

    মহামারীর দ্বিতীয় ঢেউয়ে পর্যুদস্ত জনজীবনে তৃতীয় ঢেউয়ের আগাম সর্তকবার্তা – মারন ভাইরাসটি নাকি ছ’গুন বেশি সংক্রমন ক্ষমতা নিয়ে ফিরে আসবে এবং তাতে নাকি শিশুদের সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনাটিও প্রবল। প্রবীন ও বর্তমান প্রজন্মের কয়েক লক্ষ মানুষকে আমরা রক্ষা করতে পারিনি কিন্তু মহামারীর তৃতীয় ঢেউ থেকে আমরা আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে নিরাপদে আগলে রাখতে পারব তো? এমন বিপর্যয় মোকাবিলায় চিকিৎসকরা সাধারন মানুষকে সামিল হওয়ার ডাক দিচ্ছেন। আমাদের নবীন প্রজন্ম আমাদের রেড ভলানটিয়ার্স তোমাদের কুর্নীশ জানাই। তোমাদের কাছ থেকে আমরা যেমন ‘জীবনের ঝুঁকি’ নেওয়ার আগাম পাঠ নেব তেমনি রঙহীন ভলানটিয়ার্সরাও আমাদের অনুপ্রেরনা হবেন। শিশু সংক্রমনের আগামবার্তায় গুরুমশাইরা কি তাদের ছাত্রছাত্রীদের থেকে মুখ ফিরিয়ে থাকতে পারবেন? অসংগঠিতভাবে হলেও তো কোথাও কোথাও স্যানিটাইজারের জার পিঠে জনাকয়েক গুরুমশাইরা নিরলসভাবে কাজ করছেন কোথাও আবার ছাত্রছাত্রীরা তাদের সঙ্গী। তৃতীয় ঢেউয়ের আগাম বিপদ সঙ্কেত যখন আমাদের দোরগড়ায় তখন সংগঠিতভাবে গুরুমশাইদের অংশগ্রহনের বিষয়টিতে প্রশাসন উদ্যোগী হবেন তো? শিশুদের জন্য সেফ হোমের প্রয়োজন হলে স্কুল বাড়িগুলিকে উপযোগী করে তোলা যায় কিনা সে বিষয়টিও ভেবে দেখার প্রয়োজন আছে। স্বাস্থ্য কর্মীদের সাথে সাথে শিক্ষকদের হাতেও অর্পিত হোক ‘দুয়ারে শিশু স্বাস্থ্য’র ভার। আজও যেসব দায়িত্বশীল শিক্ষকরা সকলের অগোচরে গুটিকয়েক ছাত্রছাত্রী নিয়ে পাড়ায় পাড়ায় স্যানিটাইজ করে বেড়াচ্ছেন, কিছুদিন আগেও পৌঢ় মাষ্টারমশাই ভোর না হতেই সাইকেলে গরম চায়ের কেটলি ঝুলিয়ে সেফ হোমের উদ্দ্যেশে রওনা দিচ্ছিলেন আমরা আশা করবো তাদের দ্বারা অনুপ্রানিত হয়ে তাদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আমাদের শিক্ষকরা সকলে মিলে মহামারীর তৃতীয় চতুর্থ পঞ্চম ঢেউ যাই আসুক না কেন তারা তাদের প্রিয় ছাত্রছাত্রীদের আগলে রাখতে যম ও মানুষের মাঝে ঢাল হয়ে দাঁড়াবেন।

    ঝর্না পান্ডা

    [email protected]
  • বিভাগ : আলোচনা | ১২ আগস্ট ২০২১ | ৩৯৩ বার পঠিত
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। সুচিন্তিত প্রতিক্রিয়া দিন