• বুলবুলভাজা  ধারাবাহিক  গপ্পো

  • বাঙালবাড়ির কিস্‌সা : তৃতীয় পর্ব

    রঞ্জন রায় লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | গপ্পো | ২৩ আগস্ট ২০১০ | ১৪০ বার পঠিত
  • জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার

  • গুরুচণ্ডা৯ সাময়িকীতে বেরোতে থাকা এই ধারাবাহিক এবার থেকে থাকবে সোমবারের বুলবুলভাজাতে।
    সতীনের নাম আরশোলা

    সুষমা মারা গেছেন। খবরটা পেয়ে উদাস হয়ে সিগ্রেট ধরাতেই গিন্নি বল্লেন - কি হয়েছেটা কি?

    আমি বল্লাম যে নিজের সময়ের আগে জন্মানো একজন এই দুনিয়াথেকে পাত্‌তাড়ি গোটালেন। তারপর এই সুষমাটি কে? আমার সঙ্গে কিসের সম্পর্ক? - এইসব বাঁধাগতের হাবিজাবি কথা উঠতেই আমি ঠাকুমার একটি ছড়া ঝাড়লাম,--- উনি আমার কি লাগেন? ঠাকুরবাড়ির গাই লাগেন।

    তারপর বল্লাম যে উনি আমার কোলকাতার পাতিপুকুর অঞ্চলের সেজপিসেমশায়ের সৎবোন, আবার ছত্তিশগড়ের রায়পুর শহরের দূর্গা কলেজের রেজিস্টার কারকুনদা'র সৎমা। গিন্নি বিরক্ত হয়ে বল্লেন --পারো বটে খুঁজে খুঁজে আত্মীয় পাতাতে।

    --- বাজে বোকো না। বালকবয়সে আমি পাতিপুকুর বাড়ি গিয়ে ওনার জন্মসূত্রে অস্বাভাবিক মেয়ে নিশার ভাইফোঁটা নিয়েছি। এখন চিনিনা বললে চলবে? ধম্মে সইবে? তার চেয়ে লিপটনের চা বানাও আর সুষমার গপ্পো শোনো।

    ---আরে! বাল্যকালের স্মৃতি? ছোড়ো কাল কী বাতেঁ। জীবনে দ্বিতীয়বার দেখেছ ওই ঠাকরুণকে? ঐ তোমার কেমন যেন পিসিমা?

    --আলবাৎ! আশির দশকে দেখা, কোলকাতায় নয়, ছত্তিশগড়ের রাজধানী খোদ রায়পুরে। ঐ কারকুনদাদার ছোটছেলে মুন্নার বিয়েতে। দাদা সৎমা সুষমাকে যথাবিহিত সম্মানের সঙ্গে কোলকাতা থেকে "নাইয়র" এনেছিলেন।

    --- নাইয়র? সেটা কি জিনিস? খায় না মাথায় লাগায়?

    --- কি মুশ্‌কিল! সায়গলের বিখ্যাত ভৈরবী মনে নেই? সেই যে গো "বাবুল মোরা, নৈহর ছুট যায়"। নৌকো? আসলে আমাদের বাঙালদেশে বছরের অধিকাংশ সময় নৌকোপথেই যাতায়াত হত কি না। তাই নৌকো করে আসা সম্মানিত অতিথি হলেন "'নাইয়র"। শচীনকর্তার গান গো? "' কে যাস্‌ রে, ভাটিগাঙ্‌ বাইয়া? আমার ভাই ধনরে কইয়ো "নাইয়র" যাইতো বইল্যা, তোরা কে যাস্‌?"

    তা' বিয়ে বাড়িতে পাকাচুল, ছিপ্‌ছিপে, ফর্সা, চোখা নাকমুখ, চশমাচোখে মহিলাকে দেখে যেই বলেছি---উনি কে ? চাপাগলায় উত্তর এলো --উনি সুষমা, সুষমা কারকুন। মানে আমার সৎমা। তোমার পিসি হন। মনে পড়েছে, গিয়ে ঢিপিস্‌ করে পেন্নাম করলাম।

    কড়া চোখে একনজর দেখে বল্লেন --- আরে? তুই কোলকাতার পার্কসার্কাসের রায়েদের বাড়ির না? সেই যে ধাঙড়বাজারে মুসলমান হোটেলের সামনে দোতলায় ভাড়া। গেছি তোদের বাড়িতে, তুই তখন সাত-আট বছরের।

    আমি হতবাক। -- আপনার মনে আছে? তিরিশ বছর পরে দেখেও চিনতে পারলেন?

    -- কেন ? কিয়ের অসুবিধা? সারা কইলকাতায় এমুন কাইল্যা রং আর কার বাড়িতে আছে! হেই গায়ের রং দেইখ্যাই চিনলাম।

    বিয়েবাড়ির হাসির হর্‌রার মাঝে আমি দন্ত কেলাসিত করলাম। ওনার সাথে সেই আমার শেষ দেখা।

    -- দন্ত কেলাসিত তো তোমার সিগ্নেচার স্টাইল। এখন বাজে কথা ছেড়ে সুষমার গপ্পো শোনাও, আমি লিপটন ঢালছি।

    নৌকো চলেছে মেজ্ঝা নদী বেয়ে। শরতের আকাশ, পেঁজা তুলোর মত মেঘ ভেসে যায়। পালে হাওয়া লেগেছে। ছই থেকে বেরিয়ে এসে নীলাম্বরবাবু একটু উসখুস করছেন। সিগারেট গেছে ফুরিয়ে। কিন্তু, কোলকাতার মেসবাড়ির অভ্যেস -- একটু ধুঁয়ো না খেলে চলছে না যে। ভাবছেন মাঝির সঙ্গে ভাব জমিয়ে হুঁকো চাইলে কেমন হয়? চোখে পড়লো আরেকজন, গলুইয়ের কাছে দাঁড়িয়ে ইতিউতি তাকাচ্ছেন। মনে হচ্ছে একই পথের পথিক। এগিয়ে গিয়ে জিজ্ঞেস করলেন
    -- "মশায়ের পরিচয়?"
    জবাব এল--"নন্দীপুরের নন্দী আমি - ঈশানচন্দ্র নন্দী। আপনার?"
    -- "ধাড়ীশ্বরের ধাড়ী আমি নীলাম্বর ধাড়ী।"
    -- "এইডা কেমুন নাম হইলো মশয়"?
    -- "ক্যারে? যেমুন আপনার নাম। আপনার গ্রাম নন্দীপুর, আমার গ্রাম ধাড়ীশ্বর"।
    -- "হ', বুঝছি। যেমুন আমার মামার নাম 'মহাভারত রায়'।"
    -- "আর আমার মামার নাম 'রাজকৃষ্ণ রায়ের গ্রন্থাবলী'। এহন কেমুন বুঝছেন?"
    -- "বুঝলাম যে আমি আধা বুঝছি, আর আপনে পুরা বুঝছেন।" যাহোক, দুজনের বাগ্‌যুদ্ধ শেষমেষ মধুরেণ সমাপয়েৎ হল একজন আর একজনের মুখে আগুন দিয়ে। ধোঁয়া টানতে টানতে নীলাম্বর ঈশানচন্দ্রকে বললেন
    -- "একটা কথা হাপনেরে জিগাই, শুনছি আপনার নন্দীপুরের একজন ভদ্রলোক নাকি মাইয়ার বিয়া নিজের বন্ধুর লগে দিছে? হাছা না মিছা?"
    -- "হাছা কথা। আর কইয়েন না, এরা নামে ভদ্রলোক, কায়স্থ, পদবি নন্দী লেখে; কিন্তু ব্যবহারে ছুডুলোকের অধম। পয়সার লোভে সোনার পুত্তলি মাইয়াডারে বাপের বয়সি বুইড়া বরের লগে বিয়া দিল।"
    -- "বর কেডা?"
    -- "মইমনসিংহের জংগলবাড়ির হরেন্দ্র কারকুন। সুদের কারবারি, মেলা পয়সা। "

    দুজনে খানিকক্ষণ মৌনীবাবা হয়ে ধোঁয়া গিললেন।তারপর নীলাম্বরের কৌতূহল আর বাঁধ মানলো না।
    -- "মেয়ের মা রাজি হইলো?"
    -- "তার রাজি আর অরাজি! নন্দীবুইড়া ঘইন্যা ত্যান্দড়, মেয়ের মায়েরে জানায় নাই। সিধাসাধা মানুষটা , খবর শুইন্যা কাইন্দা আকুল। নন্দীবুড়া ধমকায়, কয় -- চোখ মুছ, মেয়ে-জামাই আইলে ভাল কইর‌্যা বরণ কর। চোখের জলে মেয়ের অমঙ্গল হইবো।"
    -- "অমঙ্গলের আর বাকিডা কি? তারপর?"
    -- "মাইয়া বড় তেজি। বুইড়া বরে দিছিলো তারে সোনা দিয়া মুইড়া, সে পাল্কির মইধ্যে বইয়া সারা গয়না খুইল্যা পোঁটলা বান্ধলো। ঘরের দরজায় পাল্কি নামতেই মা আইলেন বরণডালা লইয়া। মেয়ে কয়-- মা, আঁচল পাত। তারপর পোঁটলা খুইল্যা দিল হগ্গল গয়না ঝপাৎ কইর‌্যা মায়ের কোলে ফালাইয়া কইলো----নে, এর লোভেই তো' আমারে বাপের বয়সী বুড়ার লগে বিয়া দিলি। আরও নে।"
    -- "এমুন জবাব দিলো? মাইয়া তো বড় তেজি! শেষে বুড়ার ঘর করল। সতীন কয়জন? মানে বুড়ার আগের পক্ষের?"
    -- "একজনই আছে, কিন্তু সে ঠিক মানুষ না"।
    -- "সতীন আছে, মানুষ না! তবে কি ভূত-প্রেত?" নীলাম্বরের চোখ বড়বড় হয়ে ওঠে। নন্দিগ্রামের নন্দী এবার গোঁফের ফাঁকে মুচকি হাসেন।
    -- "না- না, বছর পনেরোর মাইয়া সুষমা নন্দীর সতীন হইল তেলচুরা, যারে কইলকাত্তার ভাষায় কয় 'আরশোলা'।"

    নীলাম্বরের মুখের হাঁ বন্ধ হয় না। নন্দীমশায়ের করুণা হল। বুঝিয়ে বললেন যে সুষমা হলেন তাঁর স্বামীর পঞ্চমপক্ষ। প্রথম তিনজন গত হওয়ায় সুষমার জন্যে বিয়ের পিঁড়িতে বসার আগে সুতো বেঁধে একটি আরশোলাকে সাতপাক ঘুরিয়ে বুড়ো বর যমরাজকে ফাঁকি দিলেন। ফলে সুষমা চতুর্থ না হয়ে পঞ্চম হলেন, নইলে নাকি বছর ঘোরার আগেই বিধবা হতেন। তবে এই তুক্‌তাক ফলে গেলো। নন্দীবুড়োকে যমরাজা বছর তিনের মাথায় ডেকে নিলেন। ততদিনে সুষমার কোলে এসেছে জড় মেয়ে নিশা আর ছেলে অজয়।

    নিন্দুকে বলে তুক্‌তাক নয়। যমরাজা সুষমার প্রতি করুণায় নন্দীবুড়োকে কাছে টেনে নিলেন। ওসব কিছু না করলেই বরং উনি বেশ ক'বছর বাঁচতেন। উনি যে যমেরও অরুচি।

    বাদল সরকারের "খাট-মাট-ক্রিং" নাটকে মানুষ মানুষকে "খাট-মাট-ক্রিং' করে দুনিয়া থেকে নিশ্চিহ্ন করার পর দেখা গেল বেঁচে আছে শুধু আরশোলারা। আরশোলার জান বড় কড়া হয়। কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে টিঁকে থাকার মন্ত্র ওদের জানা আছে। বুদ্ধিমতী সুষমা সতীনকে দেখে বেঁচে থাকার কলাকৌশল শিখলেন। উনি ততদিনে জেনে গেছেন -- "এ দুনিয়া বড়ী ঘাগ্‌ হ্যায়"! কাজেই কোলেকাঁখে একছেলে-একমেয়ে নিয়ে বিধবা সুষমা দেশভাগের পর কোলকাতার পাতিপুকুর অঞ্চলের তেঁতুলতলায় উদ্বাস্তু কলোনিতে মহিলা আত্মরক্ষা সমিতি গড়ে তুললেন, (যেখানে এখন জয়া সিনেমাহল), জমির লড়াই লড়ে পামা আদায় করলেন এবং দীর্ঘজীবি হলেন। আর সমাজের ছোখ-রাঙানিকে কলা দেখিয়ে উনি জীবনসঙ্গী হিসেবে এক ছুতোর ভদ্রলোককে নিজের বাড়িতে এনে আজীবন রাখলেন। এমন দাপটের সঙ্গে রইলেন যে সৎছেলেদের ভালবাসা ও শ্রদ্ধা আদায় করতে ওনাকে বিশেষ বেগ পেতে হল না।

    কিন্তু সে অন্য গপ্পো।

    গিন্নি ছাড়বে কেন? বললো -- যদি আর এক রাউন্ড চা' খাবে তাহলে আগে আরো কিছু গপ্পো শোনাও। আর এসব কি নাম দিয়েছ, বাঙালবাড়ির কিস্‌সা? মানে বাঙালদের ঘরের কেচ্ছা-কেলেংকারি? তোমার কি ভীমরতি হল? নিজেদের ডার্টি-লিনেন কেউ রাস্তায় বসে কাচে? তাও এমন আছড়ে আছড়ে!

    -- আরে না-না, কিস্‌সা মানে কেচ্ছা নয়, এ হ্‌ল যাকে বলে '"টেইলস্‌ - সেই ক্যান্টারবেরি টেইলস্‌" এর মত।

    "সক্কাল-সক্কাল মরতে চাস্‌? ত' কীনা'র মা'রে বিয়্যা কর।"-- এর মানে জানো? এইসব প্রবাদের পেছনে একেকটি সামাজিক ইতিহাস লুকিয়ে রয়েছে, ঠিক লেজের মত। কীনার মা হলেন জনৈক মুসলমান মহিলা, বিধবা। লোকের বাড়ি বাড়ি ফাই-ফরমাস খেটে দিন গুজরান হয়। ছেলেপুলে নেই, আছে দুইবিঘে জমি, কংসনদীর পাড়ে। সেই জমির টুকরো গাপ্‌ করার লোভে লোকে আসে নিকের প্রস্তাব নিয়ে। কীনার মা রাজি হয়, কাজি আসেন। মহিলাটি একা থেকে দোকা হয়। কিন্তু, লোভী পুরুষটি বছর ঘোরার আগেই গোরের মাটি পেয়ে যায়। এমন বারচারেক হওয়ার পর লোকে ভয় পেল। ভাবলো-- ওর পেছনে নিশ্‌চয়ই কোন পোষা মাম্‌দো ভূত (মহম্মদী ভূত?) আছে। ওকে বিয়ে করলে মৃত্যু অবধারিত। ব্যস্‌, মুখে মুখে তৈরি হল প্রবাদ,"'সক্কাল সক্কাল মরতে চাস? তো কীনার মা'রে বিয়া কর।"

    অতিরিক্ত এককাপ চায়ের লোভে বলে উঠি -- এটা শোন, "'মুত্‌তে ছাগী ধরে না, দৌড়াইয়া লাগাল পায় না।" এর মানে হচ্ছে- এ স্টিচ্‌ ইন টাইম, সেভস্‌ নাইন"। কারণ হল - স্ত্রী -ছাগলকে দৌড়ে ধরে ফেলা কঠিন। কাজেই ও যখন সু-সু করছে... '।
    -- "বাস্‌ করো, রামদাস"। এবার ক্ষ্যামা দ্যাও। অনেক বোর করেছ। বরং তোমার আপনজনের কথা কিছু বল। ভাল গপ্পো শোনালে আজ দুপুরে মেটুলির দো- পেঁয়াজি বানিয়ে দেবো।

    ( কিস্‌সার পরের কিস্তি আবার হপ্তা দুই পর )
    চিত্রাঙ্কন : সায়ন কর ভৌমিক
    ২৩ শে অগস্ট, ২০১০


  • বিভাগ : ধারাবাহিক | ২৩ আগস্ট ২০১০ | ১৪০ বার পঠিত
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। সুচিন্তিত মতামত দিন