• বুলবুলভাজা  অপার বাংলা

  • বামেরা এন আর সি নিয়ে চুপ কেন?

    দেবর্ষি দাস লেখকের গ্রাহক হোন
    অপার বাংলা | ০২ আগস্ট ২০১৮ | ১৫৬০ বার পঠিত
  • (এই প্রবন্ধ লেখা হয়েছিল দিন তিনেক আগে। তখনও এন আর সি বা নাগরিকপঞ্জির দ্বিতীয় বা চূড়ান্ত খসড়া বেরোয়নি। দ্বিতীয় খসড়া বেরোনোর পর জানা গেল গোটা আসামে ৪০ লক্ষ মানুষ নাগরিকত্ব হারাতে পারেন। বাম মহলের নিস্তব্ধতা আরো মুখর হয়ে উঠেছে।)

    নাগরিকপঞ্জি বা এন আর সি’র নবায়ণ নিয়ে, বন্দি শিবিরে হাজার খানেক সন্দেহজনক বিদেশিকে আটকে রাখা নিয়ে, বাম মহলে কোনো প্রতিবাদ নেই। ওঁরা কি জানেন না যে খাঁটি, বৈধ, ষোল আনা ভারতীয়দের ভুয়ো অভিযোগে বছরের পর বছর আটকে রাখা হচ্ছে? বা, নাগরিকপঞ্জিতে নাম ওঠানোর কাগজপত্তর খুঁজে না পেয়ে লোকে উন্মাদের মত ছোটাছুটি করছে, উৎকণ্ঠায় অনেকে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে? এটা সত্যি যে, যাদের বন্দি শিবিরে আটক করা হয়েছে তাদের ৭০% মুসলমান। বাকিদের মধ্যে হিন্দুরা থাকলেও তারা বেশিরভাগ বাংলাভাষী। কিন্তু ধর্ম বা ভাষার হিসেব তো করে ভূমিপুত্র রাজনীতি করনেওয়ালা দক্ষিণপন্থীরা। বাম রাজনীতির কাছে প্রাথমিকতা হওয়ার কথা কে নিপীড়িত, কে নয়। যদি বামপন্থীরা ভুলও করে, সে ভুল ক্ষমতাহীনের পক্ষ নিয়ে করলে জায়েজ থাকে, ক্ষমতাবানের পক্ষে করলে নয়। মানে, এরকমই হওয়ার কথা ছিল। যা দেখা যাচ্ছে আসামে, বাম ও দক্ষিণের কে কোনটা তফাত করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। এই আজব নিষ্করুণ নিস্পৃহতার কারণ কী?

    ভেবে চিন্তে গোটা চারেক কারণ খুঁজে পেলুম, আরও বেশিও থাকতে পারে।

    এক, পুরো রাজনীতি আজকে দক্ষিণ দিকে ঝুঁকে পড়েছে। দেশে বলুন বা আন্তর্জাতিক স্তরে, দক্ষিণপন্থী প্রবণতা হাঁ করে দাঁড়িয়ে আছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প সাহেব থেকে বৃটেনের ব্রেক্সিটওয়ালারা থেকে আমাদের খাঁটি স্বদেশি মোদি সরকার – হক্কলে ভূমিপুত্র রাজনীতির ডালে দক্ষিণমুখী বাসা বেঁধেছেন। আসাম ব্যতিক্রম নয়। আসাম আন্দোলনের সময়ে কিন্তু ছবিটা এরকম ছিল না। বামপন্থীরা হিংস্র জাতীয়তাবাদীর স্রোতের প্রতিকূলে গিয়েছিলেন, নিজের রাজনীতি রাখার ধক দেখিয়েছিলেন। বিনিময়ে পার্টি (সি পি আই, সি পি এম – দুই পার্টিই) বহু কমরেডের শাহাদত স্বীকার করেছিল। আজ বছর চল্লিশ পরে দলগুলোর সেই তাত্বিক বা ব্যবহারিক ক্ষমতা দেখা যাচ্ছে না যে একটা ঠিকঠাক রাজনৈতিক লাইন নিতে পারে। ধর্ম, ভাষা, জাতির রাজনীতির যাকে পরিচিতির রাজনীতি বলব (আইডেন্টিটি পলিটিকস), তার ফাঁদে না পড়ে শ্রমজীবী মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারে। দলের বাইরের সাধারণ বামমনস্ক মানুষদের অবস্থা তথৈবচ। বামপন্থীরা এক সংকীর্ণ জাতীয়তাবাদী রাজনীতির কাছে নিজেদের বিশ্বাস বন্ধক রেখেছেন। এই জাতীয়তাবাদী রাজনীতি ক্ষমতাধরদের ঘাঁটায় না। রাষ্ট্র ও তার সামরিক গা-জোয়ারিকে সয়ে নেয়। পুঁজির আগ্রাসনকে প্রশ্নই করে না। বরঞ্চ অঞ্চলের অনুন্নয়নের জন্য, প্রাকৃতিক সম্পদ, স্থানীয় সংস্কৃতি হারিয়ে যাওয়ার জন্য দায়ী করে অভিবাসী শ্রমজীবীদের। ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এক জোট সরকার ক্ষমতায় এসেছে। জোটের শীর্ষে আছে ভারতীয় জনতা পার্টি। সাথে আছে অসম গণ পরিষদ, বোড়োল্যান্ড পিপলস ফ্রন্ট, রাভা জাতীয় ঐক্য মঞ্চ ইত্যাদি ভূমিপুত্রস্বার্থ রক্ষাকারী দল। জোটের মূল স্লোগান হল স্থানীয়কে রক্ষা কর। এই স্থানীয়তা হিন্দুধর্ম দিয়ে হতে পারে, অসমিয়াভাষা বা অন্য জনজাতি গোষ্ঠীর পরিচয় দিয়েও হতে পারে। জোট কাদের হাত থেকে স্থানীয়কে রক্ষা করছে? স্পষ্টত, বহিরাগতদের থেকে। জোট সহজেই জিতেছিল। কংগ্রেস সরকারের দুর্নীতি, অপদার্থতা অবশ্য বিজয়ের রাস্তা সুগম করে দিয়েছিল।
  • আরও পড়ুন
    রণছোড় - Chayan Samaddar


  • দুই, নিস্তব্ধতার কারণ হয়তো উগ্র জাতীয়তাবাদীদের ভয়। মনে রাখা যাক নাগরিকপঞ্জি নবীকরনের বুদ্ধি মহামান্য সুপ্রীম কোর্টের মাথায় আসে নি। ২০০৫ সালে তরুণ গোগোইয়ের কংগ্রেস আমলে নবীকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়, পাইলট ভিত্তিতে কাজ শুরু হয়। তৃণমূলস্তরে বিশেষ করে অভিবাসীদের মধ্যে নবীকরন নিয়ে উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়ে। আমসু’র (অল আসাম মাইনরিটি স্টুডেন্টস ইউনিয়ন) প্রতিবাদে পুলিশ গুলি চালিয়ে চার যুবককে মেরে ফেলে। এসব দেখে সরকার নবীকরন মুলতুবী রাখে। ২০১৪ সালে যখন সুপ্রীম কোর্ট নবীকরনের আদেশ দিল তখন কিন্তু প্রতিবাদ বিশেষ দেখা গেল না। কেন গেল না? একটা কারণ হয়তো ভয়, সংখ্যালঘুর সংখ্যাগুরুর প্রতি ভয়। এ কথা সত্যি, যে সংগঠনগুলো একসময় আসাম আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিল আজকে তাদের করুণ হাল। ছাত্র সংস্থা বা অগপ কারোরই আর নতুন করে জাতীয়তাবাদী আন্দোলন গড়ে তোলার বা নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা নেই। এরা ভাজপা’র লেজুড় হয়ে রাজনৈতিকভাবে প্রাসঙ্গিক থাকতে চাইছে, বা সুপ্রীম কোর্টের খড়কুটো সম্বল করছে। তবে, এদের পেছনে আছে গোটা প্রতিষ্ঠান, আর প্রতিষ্ঠান সরে যাচ্ছে ডানদিকে। ফলে জাতীয়তাবাদীদের হেলাফেলা করা যাচ্ছে না।

    তিন, রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে নিচুতলার দূরত্ব বাড়ছে। গোটা দুনিয়াতে আর্থিক অসাম্য বাড়ছে, ভারতে তো বটেই। যাঁরা সরকারি নীতি টীতি নিয়ে চর্চা করেন, খবরের কাগজে প্রবন্ধ লেখেন, টিভিতে বিতর্ক করেন তাঁদের থেকে আম জনতার দুনিয়া দূরে চলে যাচ্ছে। প্রান্তিক মানুষের জীবনে তুঘলকি ফরমান কী ভীষণ নাড়াচাড়া ফেলে দিতে পারে তা নিয়ে এঁদের ধারণা অস্পষ্ট। শহুরে বুদ্ধিজীবীবর্গ থাকেন নাগরিকদের দুনিয়ায়। ইন্টারনেট, আধার কার্ড, ভোটার পরিচয়পত্র, প্যান কার্ড, ব্যাঙ্কের খাতা ইত্যাদি বৈধতার দস্তাবেজে সুরক্ষিত দুনিয়া। বৈধ নাগরিকদের তালিকায় নিজের নাম খুঁজে না পাওয়ার অনির্বচনীয় উদ্বেগ এই দুনিয়াবাসীরা আঁচ করতে পারেন না। বিদেশি আদালত (আসামে দেশি-বিদেশি বিচার করার বিশেষ আদালত) শমন পাঠালে কী যন্ত্রণা জনখাটা মুসলমান কামলাকে গ্রাস করে তা এঁদের বোধের বাইরে। খুদা না খাস্তা, যদি এনারা ভুলেও শমন পান, মামলা মোকদ্দমার ঝামেলা চটপট মিটে যায়। কেননা এনারা এমনিতেই বৈধ। অবৈধতা এঁদের গা থেকে হাঁসের পিঠের জলের মত ঝড়ে পড়ে। “বাংলাদেশি যদি না হয়, প্রমাণ করে দেখাক না।” – বৈধ বুদ্ধিজীবীদের থেকে এমত নিষ্পাপ প্রশ্ন প্রায় শোনা যায়। ওনাদের দুনিয়ায় সব কিছু প্রমাণ করা যায়। সব কিছু প্রমাণ করার দরকারও থাকে।

    চার, আদালতকে ঠাকুরের আসনে বসিয়ে পুজোআচ্চা। ক্ষমতাবান লোকের, ক্ষমতাবান প্রতিষ্ঠানকে সশ্রদ্ধ নমো নমো আমাদের ভারতীয়দের মজ্জায় আছে। গণতান্ত্রিক বোধ ছড়ায় নি, গুরু দেখলে গড়াগড়ি দিই। আদালতপুজো, বা সাধারণভাবে বিশেষজ্ঞ পণ্ডিত (টেকনোক্র্যাট) পুজোর পেছনে কিন্তু দলীয় রাজনীতির অধোগতিও আছে। বৃটিশ উপনিবেশ-বিরোধি লড়াইয়ের দরুন দলীয় রাজনীতি একটা সম্মানের জায়গায় পৌঁছেছিল। তার পর থেকে রাজনীতির মান সমানে নিচের দিকে যাচ্ছে। জনমানসে রাজনীতির প্রতি সম্মান তলানিতে পৌঁছেছে। এই পতনের পেছনে ন্যায্য কারণ বিলক্ষণ আছে। কিন্তু রাজনীতির শূন্যস্থান কে পূরণ করবে? নাগরিক সমাজ আমাদের দেশে দুর্বল। তার না আছে ক্ষমতা জনমতকে তুলে ধরার, না আছে জনমতকে নীতির মারফৎ বলবৎ করার। অন্যদিকে নয়া-উদারবাদী অর্থনীতির ভাগ্যবিধাতাদের কাছে গণতান্ত্রিক রাজনীতির গুরুত্ব কোনোকালে ছিল না। গণতন্ত্র পুঁজির গতিবিধিকে আইনের জালে আটকে দেয়, আজেবাজে জনমোহিনী কাজে টাকা নষ্ট করে। পুঁজির ব্যাপারীদের কাছে গণতান্ত্রিক রাজনীতি তলিয়ে গেছে মানে আপদ বিদেয় হয়েছে। রাজনীতির বদলে নয়া-উদারতাবাদীরা তোল্লা দেয় বিশেষজ্ঞ পণ্ডিতদের, মানে টেকনোক্রাটদের। কারা এই পণ্ডিতরা বা বিশেষজ্ঞরা? যাদের কাছে আছে বিশেষ জ্ঞান। এই জ্ঞান অনেক সময়ে রহস্যজনকও, আম আদমির সাধ্যি নেই তা বোঝার। আরও সুখের কথা, পন্ডিতরা আম জনতার কাছে কৈফিয়ত দেয় না। আদালতের প্রতি বিগলিত সম্মানবশে, বা পন্ডিতদের মহিমাকীর্তন করতে গিয়ে আমরা নিজেদের বুদ্ধিশুদ্ধি বন্ধক রেখে দিই। ১৯৭৫-এর আতৎকালীন ঘোষণায় সুপ্রীম কোর্টের পণ্ডিতরা সীলমোহর লাগিয়েছিলেন ভুলে যাই। অভিযুক্তকে প্রমাণ করতে হবে সে বাংলাদেশি নয়, বা নাগরিকপঞ্জির নবায়ণ – এই দুটো সিদ্ধান্তই আদালত থেকে এসেছে। দুটোই বিস্ময়কর রায়। প্রথমেই ধরে নেওয়া হচ্ছে যে অভিযুক্ত দোষী। এখন অভিযুক্তর দায় সে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করুক। ন্যাচরাল জাস্টিস, বা স্বাভাবিক ন্যায় বিচারের ধারণাকে উলটো করে টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে। দুটো রায়ই সংখ্যাগুরুর দাদাগিরিকে ন্যায্যতা দিচ্ছে। দুটোকেই বিনা প্রশ্নে মেনে নিচ্ছি কেননা আমরা পন্ডিতদের মহিমাকীর্তনে বিশ্বাসী।
  • বিভাগ : অপার বাংলা | ০২ আগস্ট ২০১৮ | ১৫৬০ বার পঠিত
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পাতা :
  • দেব | 785612.41.671223.204 (*) | ০৪ আগস্ট ২০১৮ ১০:০৬84780
  • একটু ফিরে আসা যাক। বাংলাদেশ সীমান্ত ৯০%+ কাঁটাতারে ঘেরা হয়ে গেছে। তিন থাকের তার। মাঝখানেরটা বিদ্যুতায়িত। কাজ শেষ হয়ে গেছে প্রায় বছর পাঁচেক হল। পুরোটা রাতের বেলায় ফ্লাডলাইটে আলো দেওয়ার কাজ চলছে। সেও প্রায় শেষের মুখে। পাকিস্তান সীমান্তে বছর কুড়ি আগেই দেওয়া হয়ে গেছে।

    এরপরেও যদি লক্ষ লক্ষ লোক প্রতি বছর ঢোকে, তাহলে বিএসএফ কি ঘোড়ার ঘাস কাটছে সেখানে?

    দ্বিতীয়ত এই NRC আর শুধু আসামেই সীমিত নেই। আসামে একটা দীর্ঘ ইতিহাস আছে। কিন্তু পবয় নেই। হ্যাঁ কিছু লোকে প্রসঙ্গটা তোলে কিন্তু সে সামান্য। অন্যান্য রাজ্যে আরো কম। কিন্তু আসামকে দেখে এইবার সিজোফ্রেনিয়াটা অন্যান্য রাজ্যেও ঢুকলো। ভেড়ার দল সর্বত্র ব্যা ব্যা করতে শুরু করেছে - "এ জিনিস আমাদেরও চাই! এ জিনিস আমাদেরও চাই!"

    বিজেপি দীর্ঘদিন ধরে ধর্মীয় জনবিন্যাস নিয়ে ভয়ের রাজনীতি করে এসেছে। তার কাছে এই নতুন ডেভেলপমেন্টটা প্রোপাগ্যান্ডার এক নতুন দিগন্ত খুলে দিল। আরিশ্লা! এতো দারুণ জিনিস। মন্দিরটা তেমন আর বাজারে কাটছে না। নতুন প্রোডাক্টের দরকার। এহেন 'সেকুলার' প্রোডাক্ট শহুরে লোকজনও খাবে। (ইন ফ্যাক্ট গ্রামের থেকে বেশী খাবে)। হয়ে গেল। প্রতিবার ইলেকশনের আগে এবাই এই কুমিরছানা বেরুবে। সুদূর কর্ণাটকে NRCর বাদ্যি বাজবে। এমন নয় যে বিজেপি এটা সত্যি সত্যি অন্যান্য রাজ্যে করবে। বিজেপি আর যাই হোক গান্ডু নয়। অলরেডি আসামেই সেমসাইড হয়ে বসে আছে। ৪০ লাখের মধ্যে ১৩-১৪ লাখ হিন্দু। তাদের মধ্যে ১ লাখ গুর্খা। বিনয় তামাং মমতা 'দিদি'র সাথে জোট বেঁধেছেন এখন। পরিস্থিতি স্ট্রেঞ্জ বেডফেলো তৈরী করে। সুতরাং বিজেপি আর রিস্ক নেবে না। কিন্তু ভোটের আগে প্লেয়িং টু দা গ্যালারী করতে কিছু নেই। মন্দির নিয়ে যেমন হয়। অপোজিশন যদি প্রতিবাদ করে তালেই ব্যাটা দেশদ্রোহী।

    আর কর্ণাটকই বা কেন বলি। পবর হিন্দু বাঙ্গালীরাই তো লাফাচ্ছিলেন এই কিছুদিন আগে অবধি। এখন পোঙায় ক্যাঁত খেয়েছেন। এ কি রে! ৪০ লাখের মধ্যে ১৩-১৪ লাখ হিন্দু বাঙ্গালী!!! এ কি করে হল! এমন তো হবার কথা ছিল না। আমরা তো শুধু মুসলমান বাঙ্গালীদেরকে বাসের চাকার নিচে ছুঁড়ে ফেলতে চেয়েছিলাম। বিদ্রোহ!

    আগুনে বোধহয় এরকম মাঝে মধ্যে হাত একটু পোড়া দরকার। চোখটা খুলে যায় তাহলে। দিলীপ আর রাহুল তো আর মঙ্গল গ্রহ থেকে আসেননি।
  • | 670112.210.9003412.174 (*) | ০৪ আগস্ট ২০১৮ ১০:১২84781
  • বিপ্লব দেবের অলরেডি কাপড়ে চোপড়ে হয়ে গেছে দেখছিলাম।

    আর এই ফাঁকে ONGC রিলায়্ন্সের কাছে হেরে গেল কোর্ট কেসে। ফেকু আম্বানি আরো জোরে হাগবে নে।
  • দেব | 785612.41.671223.204 (*) | ০৪ আগস্ট ২০১৮ ১০:৪৭84782
  • @দ - হ্যাঁ ঐটা পড়ে চমকে গেছিলাম। বিজেপি শাসিত ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী খোদ নিজেই NRCর সংজ্ঞানুযায়ী অনুপ্রবেশকারী!

    হাহাহাহা!....হাহা!.....হা?

    @ddt - আপনি শেষ প্যারায় যা লিখেছেন সেটাই হতে চলেছে। যে কটা শিবির আছে সেগুলোর ধারণক্ষমতা সর্বমোট কয়েক হাজার। সিন্ধুতে বিন্দু। আর ব্যাপার অতদূর যাওয়ার আগে ট্রাইব্যুন্যাল আছে। তারও আগে স্বপ্নভঙ্গ আছে। "আমরা তো ভেবেছিলাম এই সবকটাকে তাড়ানো হবে। এখন এরা বলছে বাংলাদেশকে জোর করা সম্ভব নয়! ব্যাটাদের মেরে তাড়া।" বিজেপি/অগপ এই তাৎক্ষণিক বিপদটা প্রশমিত করতে পারলে হয়।
  • পাতা :
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আদরবাসামূলক মতামত দিন