• বুলবুলভাজা  আলোচনা  বিবিধ

  • আসামের জনসংখ্যায় বাঙালি ভাগ বাড়ার তাৎপর্য কী?

    দেবর্ষি দাস লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | বিবিধ | ২০ আগস্ট ২০১৮ | ৬৩৪ বার পঠিত
  • ১৯৮৫ সনে “আসাম চুক্তি” হয়। চুক্তি অনুযায়ী ২৪ মার্চ ১৯৭১ সনের পর যে বিদেশিরা আসামে এসেছেন তাদের নাম ভোটার লিস্ট থেকে কেটে দেওয়া হবে, দেশ থেকে বার করে দেওয়া হবে। বিদেশিদের শনাক্তকরনের কাজ যে আইনি হাতিয়ার দিয়ে করা হচ্ছিল তার নাম হচ্ছে “আই এম (ডি টি) এ্যাক্ট ১৯৮৩” (বে-আইনি প্রব্রজনকারী (ট্রাইবুনাল দিয়ে নির্ধারণ) আইন)। ২০০৫ সনে সুপ্রীম কোর্ট আই এম (ডি টি)-কে বাতিল করে দেয়। তারপর থেকে “বিদেশি আইন” দিয়ে বিদেশি পাকড়াও করা হচ্ছে। সমালোচকেরা বলছেন বে-আইনি প্রব্রজন এতো বেশি মাত্রায় হচ্ছে যে আইন দিয়ে সিন্ধুর বিন্দু ধরা পড়ছে না।

    ২০০৫ সনে “সদৌ অসম ছাত্র সংস্থা” (যাকে আসুও বলে) রাজ্য ও কেন্দ্র সরকারের সাথে আরেকটা চুক্তি করে। এবারের চুক্তি হল নাগরিকপঞ্জি নবীকরনের। মানে হল এই, আসাম চুক্তির সাথে নাগরিকপঞ্জি নবীকরনের সরাসরি সম্পর্ক নেই। আসাম চুক্তিতে নাগরিকপঞ্জির উল্লেখ পর্যন্ত নেই। অথচ ভাজপা’র জাতীয় সম্পাদক অমিত শাহ রাজ্যসভাতে ঠিক উলটো বলেছেন, আসাম চুক্তিতে নাকি নাগরিকপঞ্জি নবীকরনের কথা লেখা আছে। আসাম চুক্তিতে বিদেশিদের নাম ভোটার লিস্ট থেকে বাদ দেওয়ার কথা বিলক্ষণ আছে। নাগরিকপঞ্জি থেকে নয়। নাগরিকপঞ্জি নবীকরনের প্রথম চুক্তি হয় ২০০৫ সালে, আসাম চুক্তির পাক্কা ২০ বছর পর।

    ৩০শে জুলাইয়ে নাগরিকপঞ্জির প্রথম খসড়া বেরোনোর পর জানা গেল ৪০ লক্ষ লোক যাঁরা নাগরিক হওয়ার আবেদন জানিয়েছিলেন নাগরিকের তালিকায় জায়গা পান নি। ৪০ লক্ষ মানে অনেক লোক। ইউরোপের অনেক দেশের জনসংখ্যা ৪০ লক্ষের কম। এতো লোকের গায়ে চট করে অ-নাগরিক তকমা লাগিয়ে দেওয়া হবে? গোটা ব্যাপারটাই অবাস্তব। নাগরিকপঞ্জির নবীকরনের অন্যায় নিয়ে অনেকে দেরি করে হলেও মুখ খুলছেন। জবাবে অনেকে বলছেন যে বহিরাগতরা আসামের স্থানীয়দের সংস্কৃতিকে বিপদে ফেলে দিচ্ছে তাই নাগরিকপঞ্জি দরকার ছিল। জবাবি প্রবন্ধগুলো একটি চমকপ্রদ কথা বলেছে। ১৯৯১ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে আসামে অসমিয়াভাষীদের ভাগ ৫৮% থেকে ৪৮% হয়ে গেছে। একই সময়ে বাংলাভাষীদের ভাগ বেড়ে ২২% থেকে ২৯% হয়েছে। মাত্র ২০ বছরের মধ্যে অসমিয়ারা সংখ্যাগুরু ভাষাগোষ্ঠী থেকে অনেক সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর একটা হয়ে গেছে। বলা বাহুল্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। আমরা এই লেখায় অসমিয়া বাঙালির বাড়া-কমা নিয়ে আলোচনা করব।

    প্রথমেই যে প্রশ্নটা আসবে, এর সাথে নাগরিকপঞ্জির কী সম্পর্ক? নাগরিকপঞ্জি নবীকরনের উদ্দেশ্য বিদেশিদের ছেঁকে বার করে দেওয়া। বাঙালিদের ভাগ বাড়ার মানে এই নয় যে বাংলাদেশ থেকে বিদেশি ঢুকছে। ভারতের অন্য জায়গা থেকে যদি বাঙালিরা আসামে আসে তাহলে বাঙালিদের ভাগ বাড়বে। তাদের বার করে দেওয়ার কথা নিশ্চয়ই হচ্ছে না? ভারতের অন্য নাগরিকদের মত এদেরও অধিকার আছে আসামে বসবাস করার। এরকম মানুষজনও আছেন যারা বলছেন আসামের স্থানীয়দের সংরক্ষণ দেওয়া হোক যা অন্য অঞ্চলের লোকেরা পাবে না। এমন সংরক্ষণ উত্তরপূর্বের কয়েকটি রাজ্যে জনজাতিদের দেওয়া হয়। যেমন ভোটে দাড়ানোর অধিকার, সরকারি চাকরির অধিকার ইত্যাদি। কিন্তু সে ভিন্ন ইস্যু। নাগরিকপঞ্জির সাথে গুলিয়ে দেওয়ার মানে হয় না।

    দুই, ২০১১ সালের তথ্যের সাথে ১৯৯১ সালের তথ্যের তুলনা করা কেন? ২০০১-এর সাথে করলে কী হয়? ২০১১ এর আগে ২০০১ সালেই জনগণনা হয়েছে। নিচে ১ নং সারনীতে ২০০১ ও ২০১১ সালে আসামের প্রধান ভাষাগোষ্ঠীগুলোর তথ্য দিয়েছি।

    জনসংখ্যা, ২০০১ (হাজার) জনসংখ্যা, ২০১১ (হাজার) মোট জনসংখ্যার ভাগ, ২০০১ (%) মোট জনসংখ্যার ভাগ, ২০১১ (%) জনসংখ্যার বৃদ্ধি (%)
    অসমিয়া ১৩০১০ ১৫০৯৬ ৪৮.৮১ ৪৮.৩৮ ১৬.০৩
    বাঙালি ৭৩৪৩ ৯০২৪ ২৭.৫৫ ২৮.৯২ ২২.৮৯
    হিন্দি ১৫৭০ ২১০১ ৫.৮৯ ৬.৭৩ ৩৩.৮২
    বোড়ো ১২৯৬ ১৪১৬ ৪.৮৬ ৪.৫৪ ৯.২৬
    নেপালি ৫৬৫ ৫৯৬ ২.১২ ১.৯১ ৫.৪৯
    সারনী নং ১ আসামে প্রধান ভাষাভাষী লোকের সংখ্যা, ২০০১, ২০১১ | [সূত্রঃ জনগণনা, ভাষা ও মাতৃভাষা ২০০১, ২০১১]

    দেখা যাচ্ছে ২০০১-২০১১ এই দশ বছরে অসমিয়াভাষীদের ভাগ কমেছে ঠিকই, কিন্তু সামান্য কমেছে (৪৮.৮% থেকে ৪৮.৪%)। বাংলাভাষীদের ভাগ বেড়েছে, কিন্তু সামান্যই (২৭.৬% থেকে ২৮.৯%)। সত্যি কথা বলতে, ২০০১ সালের আগে অসমিয়াদের ভাগ দ্রুত কমে আসছিল, ২০০১-এর পর সেটা থেমেছে। আর যা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচ্ছি, বাঙালিদের সংখ্যা রাজ্যে সবথেকে তাড়াতাড়ি হারে বাড়ছে না। ১০ বছরে বাঙালিদের সংখ্যা বেড়েছে ২৩%, হিন্দিভাষীদের বেড়েছে ৩৪%।

    তিন, মনে রাখা যাক দেশভাগের আগে আসামে বাঙালিদের সংখ্যা অসমিয়াদের থেকে বেশি ছিল। দুটো ঘনজনবসতিপূর্ণ বাংলাভাষী জেলা, সিলেট ও কাছাড়, আসামে ছিল। দেশভাগের ছুড়ি সিলেটকে কেটে বাদ দিয়ে দেয়, ছোট্ট একটা অংশ আসামে থেকে যায়। কাছাড় পুরোটাই থাকে। এই অঞ্চলকে বরাক উপত্যকা বলে। বরাক স্বভাবত বাংলাভাষী অঞ্চল। মানে, আসামে বাংলাভাষীদের ভাগ বেশি নিঃসন্দেহে, কিন্তু এমনটা হওয়ার ঐতিহাসিক কারণ আছে।

    চার, একথা সত্যি ২০০১ থেকে ২০১১ এই ১০ বছরে বাঙালিদের সংখ্যা অসমিয়াদের তুলনায় বেশি হারে বেড়েছে। ২৩% বনাম ১৬%। এটাও সত্যি ২০০১ সালের আগে মোট জনসংখ্যায় বাঙালিদের ভাগ দ্রুত বেড়েছিল। এর মানে কি এই নয় যে বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশ হচ্ছে? এখানে দুটো কথা মনে রাখা যাক, দুটোই বাঙালিদের ভাগ বাড়ায়।

    (ক) হিন্দুদের তুলনায় মুসলমান মহিলাদের উর্বরতার হার বেশি। এটা আসামে যেমন সত্যি গোটা ভারতেই সত্যি। এর পেছনে মুসলমানদের গরিবি, অনুন্নয়ন ইত্যাদি কারণ আছে। এটাও লক্ষ্যনীয় উর্বরতার হার দুটো সম্প্রদায়েই কমছে, মুসলমানদের মধ্যে কমার হার বেশি। যাই হোক, ২০১৪ সালের আসামের “মানব উন্নয়ন রিপোর্ট” বলছে মুসলমানদের “মোট উর্বরতা হার” হিন্দুদের থেকে ১.২ বেশি – মুসলমানদের ২.৯, হিন্দুদের ১.৭। “মোট উর্বরতা হার” বা “টোটাল ফার্টিলিটি রেট” মানে একজন মহিলা সারা জীবলে গড়ে ক’টা সন্তানের জন্ম দেন। এখন, বাঙালি ও অসমিয়া সম্প্রদায়কে তুলনা করলে পাওয়া যাবে বাঙালিদের মধ্যে মুসলমানদের ভাগ বেশি। উর্বরতা হারের তফাত, ও মুসলমান ভাগের তফাত এই দুটোকে এক করলে পাওয়া যাবে যে বাঙালি জনসংখ্যা অসমিয়াদের তুলনায় দ্রুত হারে বাড়বে। ফলে বাঙালিদের ভাগও বাড়বে।

    (খ) পূর্ববাংলা থেকে আসা মুসলমানেরা যাঁরা ব্রহ্মপুত্র উপত্যকায় বসবাস করছেন তাঁদের অনেকে নিজেদের অসমিয়া পরিচয় দিতেন। ফলে ১৯৩১ থেকে ১৯৫১ এই ২০ বছরে আসামে অসমিয়াভাষীর সংখ্যা অস্বাভাবিক হারে বাড়ে (১৫০%)। এখানে আমরা সিলেটকে ধরছি না কেননা সিলেট ১৯৫১ সালে আসামে ছিল না। উলটো দিকে বাঙালি সংখ্যা ২৫% কমে যায়। এই গোষ্ঠীকে ন-অসমিয়া (নতুন অসমিয়া) বলা হয়। দেশভাগের দাঙ্গা, হিংস্রতা সম্ভবত এঁদের সন্ত্রস্ত করেছিল। নতুন দেশে তাঁরা ভাষা ও ধর্ম দু’দিক থেকেই সংখ্যালঘু। বিপদে অর্ধেক ত্যাগ করার কথা নাকি শাস্ত্রে আছে। ন-অসমিয়ারা ভাষা ছেড়ে ধর্ম রেখেছিলেন। আন্দাজ করা হয়, সম্প্রতি এঁরা ঘর ওয়াপসি করছেন। মানে সেন্সাসে নিজেদের অসমিয়া না লিখিয়ে বাঙালি লেখাচ্ছেন। বিশিষ্ট রাজনীতি বিজ্ঞান গবেষক মাইরন ওয়াইনার সাহেব ওনার আসাম আন্দোলনের প্রবন্ধে লিখেছেন ১৯৭০ দশকেও ঘর ওয়াপসি হচ্ছিল, অসমিয়াভাষীদের সন্ত্রস্ত করে তুলেছিল, ফলে আসাম আন্দোলন। আসাম আন্দোলনের পরের তিরিশ চল্লিশ বছরের শান্তি সম্ভবত ন-অসমিয়াদের বাঙালি পরিচয় দেওয়ার সাহস যুগিয়েছে। এই “ভাষা প্রত্যাবর্তনের” জন্যও বাঙালিদের ভাগ কমতে আর অসমিয়াদের ভাগ বাড়তে পারে। (হালে “মিঞা কবিতা”র উদ্ভব ন-অসমিয়াদের আত্মপরিচয় খোঁজার একটা দিক। অসমিয়া হরফে লেখা মৈমনসিংগিয়া কবিতা।)

    সংক্ষেপে, বাঙালিদের ভাগ বাড়া ও অসমিয়াদের ভাগ কমার মানে এই নয় যে অনুপ্রবেশই হচ্ছে। অনুপ্রবেশ হচ্ছে কিনা, হলে তার পরিমান কত সেসব মাপজোক করার জন্য বিস্তারিত গবেষণা দরকার। সন্দেহ নেই ভাষাগোষ্ঠী হিসেবে বাঙালিরা অসমিয়াদের থেকে তাড়াতাড়ি বাড়ছে। তা নিয়েও কারো কারো দুশ্চিন্তা থাকতে পারে। তবে সে অন্য বিষয়।

    ভাজপা’র বড় নেতাদের ভাষণ, বক্তব্যের থেকে পরিস্কার ওনারা নাগরিকপঞ্জিকে পুরো দুইয়ে নেবেন। বহু আগে গুরুচন্ডালির প্রবন্ধে এই আশঙ্কার কথা লিখেছিলুম। অমিত শাহ রাজ্যসভাতে বলেছেন, এন আর সি-ছুট ৪০ লক্ষ লোক নাকি ঘুসপেটিয়ে, অনুপ্রবেশকারী। নিহিত অর্থ এরা বাংলাদেশি। অর্থাৎ মুসলমান। এন আর সি সম্পন্ন করে ভাজপা হিন্দু ভারতকে মুসলমান দুষ্কৃতিদের হাত থেকে বাঁচাচ্ছে। নিজেদের পিঠ চাপড়ে ভাজপা আসলে ধর্মীয় মেরুকরনের রাজনীতি খেলছে, ২০১৯ সালে লোকসভা ভোট, তার আগে রাজ্যের ভোট। ৪০ লক্ষের মধ্যে প্রচুর পরিমানে হিন্দু নমশূদ্র থাকা সম্ভব, যারা অনেকে হয়তো ভাজপাকে ভোট দিয়েছেন। তাতে ভাজপার কিছু আসে যায় না। ওরা ৪০ লক্ষকে আকারেপ্রকারে বাংলাদেশি অর্থাৎ মুসলমান বলেই চালাবে। গোটা দেশে ধর্মীয় মেরুকরন মারফৎ ভোট জেতার জন্য সব জায়েজ।

    স্থানীয় মানুষের সংস্কৃতি-ভাষা বাঁচানো দরকার এই নিয়ে দ্বিমত থাকতে পারে না। কিন্তু এন আর সি মহাযজ্ঞে অসমিয়া জাতীয়তাবাদীরা আখেরে হিন্দুত্ববাদীদের খেলার বোড়ে না বনে যান। আর, “জাতি খতরে মেঁ হ্যায়” জাতীয় হুলুস্থুলু করার আগে খতরাখানা কী, অনুপ্রবেশের তথ্য কী, প্রশ্নগুলোর নির্দিষ্ট জবাব দরকার।

     

  • বিভাগ : আলোচনা | ২০ আগস্ট ২০১৮ | ৬৩৪ বার পঠিত
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • sangharak | 2345.110.9004512.124 (*) | ২৪ আগস্ট ২০১৮ ০৬:৩০84748
  • মুল প্রবন্ধে একটা কথা বাদ গেছে সেটা হল কোর্টে কেন্দ্র সরকারের দেওয়া বয়ান, যাতে বলা হয়েছিল আসামে ৮৪ লাখ অবৈধ অনুপ্রবেশকারী থাকতে পারে। যেটাকে কোর্ট নাগরিকদের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন বলে মন্তব্য করেছিল। ২০০৯ সালের ঐ দায়ের হওয়া পিটিশনের রায়ে যখন ২০১৪ সালে বলা হয়েছিল যে ২০১৬ র মধ্যে NRC তৈরীর কাজ শেষ করতে হবে, তখন কেন্দ্রের ঐ এফিডেভিটকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল।
  • sangharak | 2345.110.9004512.124 (*) | ২৪ আগস্ট ২০১৮ ০৬:৩৩84749
  • nrc r site e 2014 r sei verdict er pdf pawa jay. prai 80 patar mato hobe.
  • ddt | 4512.139.6790012.6 (*) | ২৭ আগস্ট ২০১৮ ০১:৫৮84750
  • ৫০ লক্ষ বলেছিল কেন্দ্র সরকার।

    "On 14th July, 2004, in response to an unstarred question pertaining to
    deportation of illegal Bangladeshi migrants, the Minister of State, Home
    Affairs, submitted a statement to Parliament indicating therein that the
    estimated number of illegal Bangladeshi immigrants into India as on 31st
    December, 2001 was 1.20 crores, out of which 50 lakhs were in Assam. "
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। হাত মক্সো করতে প্রতিক্রিয়া দিন