• বুলবুলভাজা  খবর  খবর্নয়

  • মণিপুরের এনকাউন্টার মৃত্যুঃ আফস্পার চূড়ান্ত অপব্যবহার

    মুকুল সিনহা লেখকের গ্রাহক হোন
    খবর | খবর্নয় | ১৬ জুলাই ২০১৩ | ২৫৬ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • ইশরাতের ঘটনা নিয়ে তো কম লেখালেখি হল না; কিন্তু এবার একটু দূরদেশের দিকে তাকান তো। মণিপুর – গুজরাতের একেবারে উল্টোদিকে, তা হোক, এনকাউন্টারের ব্যাপারে মিল অনেক দুই রাজ্যেই।

    তা প্রায় তিরিশ বছর হয়ে গেল, নিয়মিত মণিপুরে তরুণ তরুণীদের এনকাউন্টারে মেরে ফেলাটা মণিপুর রাইফেলস বা মণিপুর পুলিশের কম্যান্ডোদের কাছে একটা জলভাত ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত দশ বছরে গড়ে প্রতি সপ্তাহেই দুটি করে অমন তাজা প্রাণ “এনকাউন্টারে” প্রাণ হারিয়েছে। অভিযোগটা খুবই রুটিন। কোনো না কোনো মিলিট্যান্ট গ্রুপের কেউ সিকিউরিটি ফোর্সের দিকে গুলি ছোঁড়ে, আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালালে এক বা একাধিক সন্ত্রাসবাদী প্রাণ হারায়। এনকাউন্টারের পরে জমা দেওয়া FIRগুলোও মোটামুটিভাবে একই গতের।

    এই রাজ্যটি মোটামুটি ভাবে কংগ্রেসের শাসনেই চলছে গত এক দশক ধরে। কিন্তু রাজ্যে উন্নতির কোনো চিহ্নই নেই, কেন্দ্রীয় সরকারের বিশাল মাপের অনুদানের কোনো খামতি নেই। কিন্তু এইসব গ্রান্টের বেশির ভাগটাই শাসক দল আর তার সাঙ্গোপাঙ্গদের পকেটে ঢোকে। নেহাতই যেসব সরকারি টাকা যায় রাস্তাঘাটের উন্নতির জন্যে, সেগুলির বরাতও পায় চেনা লোকেরাই। মোটা নজরানার পয়সা দিতে হয় শাসক দলকে। আর এইসব কন্ট্রাক্টরদের সোজা রাখতেই দরকার পড়ে এইসব “মিলিট্যান্ট”দের। আর মিলিট্যান্টরা যখন পাওনাগন্ডায় গরমিল ঘটায় তঝনই তাদের কপালে জোটে এনকাউন্টারে মৃত্যু। মণিপুর রাইফেলস আর মণিপুর পুলিশের কম্যান্ডো বাহিনীর উপর থাকে এইসব এনকাউন্টার ঘটানোর দায়িত্ব। AFSPA সহায় থাকলে আইনি ব্যবস্থার নজরদারি সম্ভব হয় না।

    হাজারের উপর তরুণ মণিপুরী গত দশকে এইভাবে মৃত্যুবরণ করেছে। মরিয়া হয়ে মণিপুরী স্বামীহারা তরুণীরা একটা সংগঠন গড়ে তুলে পৌঁছয় সুপ্রিম কোর্টের দোরগড়ায়, তাঁদের সাহায্য করেন Human rights law network (HRLN)। সুপ্রিম কোর্ট এই হত্যালীলার ব্যাপকতা দেখে সত্যি যেন হতবুদ্ধি হয়ে পড়ে আর অবিলম্বে একটি দুই সদস্যের কমিশন গঠন করে। এই সদস্যদের একজন প্রাক্তন নির্বাচনী কমিশনার শ্রী লিংডো  আর অন্যজন কর্ণাটকের প্রাক্তন ডিজিপি।

    কমিশনের কাছে পেশ করা হয় এরকম ছটি এনকাউন্টারের ঘটনা যাতে প্রাণ হারিয়েছেন সাতজন তরুণ। এঁদের নামগুলি যথাক্রমে একইজ্যাম প্রিয়প্রত, নোবো, গোবিন্দ, কিরনজিৎ, ওরোনজিৎ, উমাকান্ত আর মহম্মদ আজাদ খান। আজাদ খান, মাত্র ১২ বছয় বয়সি, একটি স্কুলের পড়ুয়া ক্লাস এইটের ছাত্র। এই বাচ্চাটিকে গুলি করে মারে কুড়িজন সশস্ত্র কম্যান্ডো, ছেলেটির বাড়ির পিছনের মাঠেই। এই ছটা এনকাউন্টার ঘটেছিল এপ্রিল ২০০৯ থেকে মার্চ ২০১০এর মধ্যে। এ তো খুবই সামান্য নমুনা। সুপ্রিম কোর্ট চেয়েছিল এই নমুনাগুলো তদন্ত করে, তারপর যে প্রায় ১৫০০ জন প্রাণ হারিয়েছেন গত দশ বছরে, সেই ব্যাপারে অগ্রসর হতে।

    আমার সৌভাগ্য যে স্বামীহারাদের সংগঠন আমাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল সুপ্রিম কোর্টে তাদের সাহায্য করতে। এর ফলে আমি, মণিপুর রাইফেলস ও পুলিশের লোককে জেরা করবার সুযোগ পেয়েছিলাম, দিল্লি আর ইম্ফল, দুই জায়গাতেই। আমি যখন ইম্ফল যাই ২০১৩র মার্চ মাসে, তখন সাক্ষাত হয়েছিলো বাবলু লয়টংবাম নামে এক আইনজীবির সাথে। উনি কয়েকজন জেদী আইনজীবির একটি ছোটো গ্রুপকে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন এই এনকাউন্টারের শিকার হওয় মানুষগুলির স্বজনদের আইনি সাহায্য দিতে। শয়ে শয়ে স্বামীহারা মহিলারা এই কমিশনের শুনানি চলাকালীন হাজিরা দিতেন। কমিশনের মাথায় ছিলেন বিচারপতি হেগড়ে। আমি,আমার অভিজ্ঞতায়, এই প্রথম একটা কমিশনে হাজির ছিলাম যেখানে কমিশন একেবারে হৃদয় দিয়ে তদন্তে নেমেছিলেন। আমরা ইম্ফলে ছিলাম ছয়দিন আর নয়াদিল্লিতে চারদিন। আর মার্চের শেষেই কমিশন তার রিপোর্ট পেশ করেন।

    সুপ্রিম কোর্টের কাছে পেশ করা এই রিপোর্টে সর্বসম্মত মতামতে জানানো হয়েছে যে তদন্তের জন্য আনা ছয়টি এনকাউন্টারই সাজানো ঘটনা। স্বামীহারাদের সংগঠনের আইনজীবি শ্রী কলিন গঞ্জালভেস এখন সুপ্রিম কোর্টের কাছে দাবি করেছেন যে কোর্ট যেন SITর মাধ্যমে অন্যান্য এনকাউন্টারেরও তদন্ত করে ও দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি হয়।

    গুজরাত আর মণিপুর, এই দুই রাজ্যেই এনকাউন্টার মৃত্যুর মাঝে কয়েকটা মিল খুঁজে পাওয়া যায়। তবে দুটোর মধ্যে মোটিভের আকাশ পাতাল ফারাক। গুজরাতে যেরকম মুল লক্ষ্য ছিল রাজনৈতিক ফায়দা তোলা, মণিপুরে কিন্তু মূল উদ্দেশ্য ছিল সরকারি গ্রান্টের পয়সা পকেটে ভরানো। মিলটা এইখানেই যে নিরীহ মানুষেরা প্রাণ হারাচ্ছে, সে বিজেপি বা কংগ্রেস, যে সরকারই হোক না কেন।

    নোটঃ কমিশনের রিপোর্ট কিছুদিন পরেই প্রকাশ করা হবে আর আমরা তখনই সেই রিপোর্ট জনসমক্ষে আনব।


    অনুবাদঃ দীপ্তেন

  • বিভাগ : খবর | ১৬ জুলাই ২০১৩ | ২৫৬ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন গ্রাহক পুনঃপ্রচার
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Kisholoy | 127.194.225.5 (*) | ১৯ জুলাই ২০১৩ ০১:১৪77522
  • Human rights er effort চলুক, তবে এই রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের মোকাবিলা করা যাবে কেবল মাত্র গণ আন্দোলনের মাধ্যমে।
  • বিপ্লব রহমান | 212.164.212.20 (*) | ১৯ জুলাই ২০১৩ ০১:৫৭77523
  • "হাজারের উপর তরুণ মণিপুরী গত দশকে এইভাবে মৃত্যুবরণ করেছে। মরিয়া হয়ে মণিপুরী স্বামীহারা তরুণীরা একটা সংগঠন গড়ে তুলে পৌঁছয় সুপ্রিম কোর্টের দোরগড়ায়, তাঁদের সাহায্য করেন Human rights law network (HRLN)। সুপ্রিম কোর্ট এই হত্যালীলার ব্যাপকতা দেখে সত্যি যেন হতবুদ্ধি হয়ে পড়ে আর অবিলম্বে একটি দুই সদস্যের কমিশন গঠন করে। এই সদস্যদের একজন প্রাক্তন নির্বাচনী কমিশনার শ্রী লিংডো আর অন্যজন কর্ণাটকের প্রাক্তন ডিজিপি।"

    কি সাংঘাতিক! এপারেও সেই সাতের দশকের সর্বহারা-নকশাল আমল থেকে "এনকাউন্টার/ ক্রস ফায়ারের" নামে নিরাপত্তা বাহিনীর হেফাজতে বিনা বিচারে হত্যাকাণ্ড চলছে। এরমধ্যে সর্বহারা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা, দেশ প্রেমিক বিপ্লবী সিরাজ সিকদার হত্যাকান্ডটি সবচেয়ে আলোচিত। মুজিব দুঃশাসনের কালে এটি সম্ভবত দেশের প্রথম রাজনৈতিক "এনকাউন্টার/ ক্রস ফায়ার"। এই নিয়ে একবার লিখেছিলাম।
    http://biplobcht.blogspot.com/2013/06/blog-post_21.html

    বিগত খালেদা জিয়ার দল বিএনপি সরকারের আমলে গঠন করা আধা সামরিক বাহিনী ড়্যাব [রক্ষীবাহিনী এগেইন ব্যাক] তো এখন রীতিমতো "এনকাউন্টার/ ক্রস ফায়ারে" ভয়ংকর খুনে বাহিনী হিসেবে দেশে-বিদেশে নাম কুড়িয়েছে। কোনো সরকারই ক্ষমতায় এসে রাজনৈতিক কারণে ড়্যাব বিলুপ্ত না করে এর ক্ষমতা আরো বাড়ায়। এই সব ফ্রাংকেস্টাইনেরা যেদিন প্রভুদের "এনকাউন্টার/ ক্রস ফায়ার" শুরু করবে, আশা করা যায়, সেদিন বোধহয় জনতার মুক্তি মিলবে দস্যুদের শাসন থেকে। ...

    মণিপুর ঘটনাটি জানানোর জন্য লেখক মুকুল সিনহা ও অনুবাদক দীপ্তেনকে অনেক ধন্যবাদ। পর্যবেক্ষণসহ কমিশন প্রতিবেদনের পুরোটা না হলেও সারাংশটুকু অন্তত চাই। অপেক্ষায় রইলাম আরো আপডেটের জন্য। চলুক।
  • Somaditya | 82.37.248.39 (*) | ২০ জুলাই ২০১৩ ০৪:১৪77524
  • Can I get the English link of this article as it is the translated one.
  • ranjit sur | 69.93.194.230 (*) | ২৪ আগস্ট ২০১৩ ০৬:৪৪77526
  • Rajjya sarkar WEST BENGAL CORRECTIONAL SERVICES ACT -1992 amend korar jonno Assembly te bill anche Mongalbar 27th August. Ei Amendment er modhey die sarkar Rajnaitik Bandhider POLITICAL PRISONER STATUS kere nite chaiche. Bahu chestay ei ain ti tairi hoye chilo. Er jogyo protibad hoya dorkar. APDR o bivinno gono-songothon akjoge Sombar (26th August ) er protibade ASSEMBLY te deputation debe- Speaker , Leader of the Opposition o Kichu birodhi doler pratinidider kache ( Congress Chara ). Dabi : SCRAP CORRECTIONAL SERVICES ACT AMENDMENT BILL. Jomaet : Sombar 1 pm, APDR office.( 18 Madan Baral Lane, Kol: 12, Hind Cinemar kache ). Sobaike ei jomaete ashar jonno o protibade samil hoyar jonno onorodh korchi. APDR
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভ্যাবাচ্যাকা না খেয়ে মতামত দিন