• হরিদাস পাল  ব্লগ

  • হাসিমারার হাটে

    ন্যাড়া লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ০৫ অক্টোবর ২০১৯ | ১৭০ বার পঠিত
  • জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
  • অনেকদিন আগে একবার দিন সাতেকের জন্যে ভূটান বেড়াতে যাব ঠিক করেছিলাম। কলেজ থেকে বেরিয়ে তদ্দিনে বছরখানেক চাকরি করা হয়ে গেছে। পুজোর সপ্তমীর দিন আমি, অভিজিৎ আর শুভায়ু দার্জিলিং মেল ধরলাম। শিলিগুড়ি অব্দি ট্রেন, সেখান থেকে বাসে ফুন্টসলিং। ফুন্টসলিঙে এক রাত্তির থাকব। পরের দিন পারোর পার্মিট নিয়ে বাসে করে পারো হয়ে থিম্পু। এই হল প্ল্যান।

    প্রথমেই গর্দিশ। আমাদের পারো যাবার পার্মিট দিলনা। কাজেই সোজা থিম্পু। থিম্পুতে নেবেই মালুম হল এখানে সাতদিন কেন, তিনদিনও থাকা যাবেনা। করার মতন কিচ্ছু নেই। দ্বিতীয়দিনের মাথায় প্ল্যান চেঞ্জ করলাম। ব্যাক-টু-ফুন্টসলিং। সেখান থেকে দার্জিলিং চলে যাব। ফুন্টসলিঙে যখন নাবলাম তখন সেদিনকার মতন শিলিগুড়ি-নিউ জলপাইগুড়ির শেষ বাস চলে গেছে। কাল সকালের আগে বাস নেই। মানে পরের দিনটাও মায়ের ভোগে। পরশুর আগে দার্জিলিং পৌঁছনো যাবে না। স্থানীয় লোকেদের জিগেস করে অন্য একটা পথ বেরলো। ফুন্টসলিং থেকে হাসিমারা জিপে আধা-ঘন্টার পথ। রাত দশটায় হাসিমারা থেকে শিলিগুড়ির ট্রেন আছে। সেটা ধরলে সেদিন রাতেই শিলিগুড়ি পৌঁছে পরের দিন ভোরে দার্জিলিং-এর বাস ধরা যাবে। ব্যস। চালাও পানসি হাসিমারা।

    হাসিমারায় পৌঁছে গেলাম বিকেল তিনটে নাগাদ। ট্রেন তো সেই দশটায়। করব কী এতক্ষণ! জিপের ড্রাইভারই বলল যে পাশের গ্রামে হাট বসেছে। সেখানে সময় কাটান যেতে পারে। গিয়ে দেখলাম নদীর ধারে বিরাট মাঠ। মাঠের একদিকে রাস্তা, একদিকে নদী, একদিকে জঙ্গল আর অন্যদিকে হাল্কা গাছ-টাছ, আগাছা-ভরা জমি - সেদিকটাই হাসিমারার দিক। হাট সেই মাঠেই। কিছু স্থায়ী স্ট্রাকচার আছে, তাতে সাইনবোর্ডও ঝুলছে। মনে হয় এটাই বাজার, হাটবারে হাটুরেরা মালপত্র নিয়ে এখানে এসেই বসে পড়ে। ধুলোভরা ন্যাড়া মাঠ। খান কয়েক গাছ আছে। মাঠে চট-পেতে, গরুর-গাড়ির-ওপর, চৌকি-পেতে ব্যাপারিরা বসেছে। খরিদ্দাররাও সব চাষাভুষো, কুলি-কামিন, খেটে খাওয়া মানুষ। ইতস্তত কিছু গরু আর নেড়ি কুকুর ঘুরে বেড়াচ্ছে। গঞ্জের হাট যেরকম হয় আর কি! শুভায়ু একটু বামপন্থী আদর্শবাদী টাইপ। নিজে সাহিত্য-টাহিত্য করে। ঋত্বিকের বিরাট ভক্ত। হাটে ঢুকেই বারদুয়েক "প্রান্তিক, মার্জিনালাইজড, সাব-অল্টার্ন" এসব বলতে আরম্ভ করেছে। অভিজিতের আবার এসবে বিশেষ ঝোঁক নেই। কোথাও গেলেই তার ছোঁকছোঁক কী নেশা করা যায়! বিশেষতঃ দেশজ নেশা। এখানে এসেও চা খেতে খেতেই সে খবর নিয়ে ফেলেছে যে এখানকার গাঁজার ঠেকটা দশকর্মা ভান্ডারের পাশে। চা খেয়ে হাটটা এক পাক মারব বলে উঠতেই অভিজিত তাড়া লাগাতে শুরু করল, "চল, চল। দশকর্মা ভান্ডারটা ময়না করে আসি।" তো গেলাম। পাশে-টাশে নয়, দশকর্মা ভান্ডারের সামনেই বাঁশের বেঞ্চি পাতা আছে আর সেখানেই চলছে গঞ্জিকাসেবন। অভিজিত ব্যাগ থেকে নিজের কলকে বের করে গাঁজা কিনে তরিবত করে ঠাসতে শুরু করল। বেঞ্চিতে আরও কটা লোক বসে। দেখে সবাইকেই হাটুরে বলে মনে হয়। শুধু একজন লোক ধুতির ওপর একটা নীল মোটা সুতির পাঞ্জাবী পরে চোখ বন্ধ করে ব্যোম হয়ে পদ্মাসনে বসে আছে। একটা সাদা উড়ুনি গলায় মাফলারের মতন প্যাঁচানো। আর একটা উড়ুনি মাথায় জড়িয়ে পাগড়ির মতন করে পরা। একটু পরে বুঝলাম একা নয়, লোকটার সঙ্গে দুজন চাকর রয়েছে। তারাও বোধহয় আড়ালে দম দিচ্ছিল। একটু পরে চোখ লাল করে এসে লোকটাকে একটা কলকে সেজে দিল। লোকটা কলকেয় টান দিল। একটাই টান, কিন্তু সে কী টান! একটু পরেই ফট শব্দ করে কলকে ফেটে গেল। লোকটা ফাটা কলকেটা একজন চাকরের হাতে দিয়ে আবার ব্যোম হল। টানের বহর দেখে আমাদের চক্ষু চড়কগাছ। লোকটাকে দেখলে মনে হয় এখানকার অবস্থাপন্ন লোক। আমাদের শহুরে চোখে গ্রাম্যভাব প্রকট হলেও অন্য হাটুরেদের থেকে স্পষ্টই আলাদা।

    দশকর্মা ভান্ডারের মালিকের নাম হরিশ। প্রৌঢ়, মেঠো দোকানির যেরকম চেহারা হয়। অভিজিৎ দম নিল। শুভায়ুও। আমি প্রায় ডেজিগনেটেড ড্রাইভারের মতন একটাও টান না দিয়ে হরিশের সঙ্গে খেজুর করলাম। পাশের নদীটা তোর্সা। ওপর দিকে খর, কিন্তু এখান থেকে শান্ত। বন্যা-টন্যা বিশেষ হয়না। চারপাশে চা বাগান। একটু এগোলেই কালচিনি, দলসিংপাড়া, রাঙামাটি - এইসব চা বাগান - তাদের নাকি খুব নাম। এছাড়া চতুর্দিকে জঙ্গল। প্রায়ই হাতি বেরোয়। হাতিকে এরা এখানে ট্রান্সপোর্ট হিসেবেও ব্যবহার করে। যা বুঝলাম হাসিমারা টাউনে বিশেষ কিছু নেই। মূলতঃ চা বাগানের ট্রেডিং পোস্ট। সবার রুজিই কোন-না-কোনভাবে চা বাগানের সঙ্গে জড়িত। আর নয়ত জঙ্গলের সঙ্গে। দু-চারঘর ধনী আছে, কিন্তু তারাও মূলতঃ ট্রেডার। এবং অবাঙালি। নীল-পাঞ্জাবী-পরা লোকটা লোকাল লোক নন। গেল বছর দুয়েক আসছেন। থাকেনও না। পরিবার বোধহয় দক্ষিণের কোথা থেকে আসে। ভদ্রলোক এখান থেকে তাদের সঙ্গে নিয়ে ফিরে যান। কোথায় থাকেন কখনও স্পষ্ট করে বলেননি। হরিশ জিগেস করল, "মাঠান কি এবারও পিছবছরের মত হাতিতে ফিরিছেন নাকি গো?" ভদ্রলোক অল্প কথার মানুষ। বললেন, "নৌকোয়।"

    একটু পরে ওনার চাকর হন্তদন্ত এসে বলল, "বাবা, মাঠান এসে গেছে। আমি এগিয়ে দেখি।" ততক্ষণে রোদ পড়ে অন্ধকার গাঢ় হয়ে এসেছে। অধিকাংশ হাটুরেই তাদের দোকান গুটিয়েছে। অন্যরা হ্যাচাক জ্বালিয়ে নতুন উদ্যমে কেনাবেচা শুরু করেছে। হরিশও একটা হ্যাচাক জ্বালিয়ে ঝুলিয়ে দিল। রোদ চলে যাবার পরেই ঝপ করে ঠান্ডা নেবেছে। গা গরম করব বলে আমরা উঠে গিয়ে একটা তেলেভাজার দোকানে মুড়ি-পেঁয়াজি আর গরম গরম ভাজা জিলিপি খেলাম। অভিজিৎ বলল, "বড্ড মোবিলের গন্ধ"। তারপরে চা খেয়ে একটু এদিক-ওদিক ঘুরে ফিরে ঘড়ির দিকে চেয়ে দেখি সবে সাড়ে ছটা। হাট মোটামুটি ফাঁকা। খালি স্থায়ী কটা দোকানে আলো জ্বলছে - দশকর্মা, তেলেভাজার দোকান, একটা ভাতের হোটেল, খান-দুয়েক চায়ের দোকান, একটা কাপড়ের দোকান আর একটা বাসনকোসনের দোকান। এখন বুঝলাম জায়গাটা কত বড়। যে দোকানগুলোয় আলো জ্বলছে সেগুলো এত দূরে দূরে যে দুটোর মাঝে অন্ধকারের পুকুর। আমরা গুটিগুটি পায়ে আবার দশকর্মায় ফিরে এলাম। অভিজিৎ আরেকটা পুরিয়া কিনল, বলল, "এটাই লাস্ট"। ভদ্রলোক যেরকম বসে ছিলেন সেরকমই আছেন। ব্যোম স্টেটে। হঠাৎ একটা হাল্কা সোরগোল শুনে পেছনে তাকিয়ে দেখি একজন গিন্নিবান্নি ধরণের মহিলা, গ্রাম্য কিন্তু সুন্দরীই শুধু নন ব্যক্তিত্বময়ী, লটবহর, চাকর-বাকর, ছেলে-মেয়ে শুদ্ধু এসে উপস্থিত হয়েছেন। সঙ্গে চাকরকে দেখে বুঝলাম এটিই ভদ্রলোকের পরিবার। লটবহর বললাম বটে, তবে সঙ্গে জিনিসপত্র বেশি নেই। কটা বাক্স-তোরঙ্গ মাত্র। সঙ্গে জনাচারেক চাকর-ঝি। আর আছে দুই ছেলে, দুই মেয়ে। একটি মেয়ের হাতে খেলনা বেহালা, নিশ্চয়ই এক্ষুণি কিনেছে। একটা ফেরিওলা দেখছিলাম এখনও ঘুরে ঘুরে মাটির বেহালা বিক্কিরি করছে। বড় ছেলেটার হাতে একটা ছোট খাঁচা। ছোট পাখি বা ইঁদুর পোষে যাতে, সেরকম। ছোট ছেলেটার হাতে খেলনা তীরধনুক। ছেলেমেয়েরা ভদ্রলোককে এসে প্রণাম করল। গিন্নিও। সেই সঙ্গে ঝি-চাকররা। আমি শহরে বড় হয়েছি। এ দৃশ্য আমার কাছে একদম নতুন।

    উনি উঠে পড়লেন। চারদিক দেখে কথাটি না বলে দারা-পুত্র-পরিবার নিয়ে প্রায় মিছিল করে এগিয়ে গেলেন। এতক্ষণ লক্ষ্য করিনি। অন্য চাকরটার সঙ্গে একটা দড়িবাঁধা ষাঁড় ছিল। সেও যোগ দিল মিছিলে। মিছিল অন্ধকারে মিলিয়ে গেল। শুভায়ুর গলা প্রায় আবেগে বুজে এল - "মাদার কাল্ট। এই আমার ভারতবর্ষ"। হঠাৎ অভিজিত ধুমকি থেকে জেগে উঠে শুনি হরিশকে জিগেস করছে, "তোমার তো দশকর্মার দোকান। পাঁজি আছে?" হরিশ বলল, "তা আর থাকবেনি?"

    - দাও তো। আগের বছরেরটাও দিও।

    হরিশ দুখানা বেণীমাধব শীলের পাঁজি এগিয়ে দিল। আমি বললাম, "তোর খুব ধুমকি হয়েছে। পাঁজি রাখ, চল, আমরাও স্টেশনের দিকে এগোই আস্তে আস্তে।" অভিজিৎ ধমকে উঠল, "দাঁড়া। আমি ধুমকিতেও যা দেখলাম, তোরা তাও দেখতে পেলি না।" এই বলে দুটো পাঁজিতে দুটো পাতা খুলে আমাদের সামনে খুলে ধরে বলল, "নে, এবার দেখ শালা।" আমরা দেখলাম দুটোতেই "দুর্গাপূজার নির্ঘন্ট"-র পাতা খোলা। অভিজিৎ আঙুল দিয়ে দেখাল - গেল বছরেরটায় লেখা "দেবীর গজে গমন" আর এ বছরেরটায় লেখা "দেবীর নৌকায় গমন"। আর ঠিক তক্ষুণি হরিশের হ্যাচাকটা দপ-দপ-দপ-দপ আওয়াজ তুলে চারদিক অন্ধকার করে নিবে গেল।
  • বিভাগ : ব্লগ | ০৫ অক্টোবর ২০১৯ | ১৭০ বার পঠিত
  • জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
আরও পড়ুন
আয়না - ন্যাড়া
আরও পড়ুন
বদল - ন্যাড়া
আরও পড়ুন
ক্ষমা - Rumela Saha
আরও পড়ুন
কাঠাম - Rumela Saha
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • dc | 236712.158.786712.105 (*) | ০৫ অক্টোবর ২০১৯ ০২:০৪51044
  • ব্যাপক হয়েছে। আমি টুইস্টটা একেবারেই ধরতে পারিনি।
  • ন্যাড়া | 236712.158.565623.225 (*) | ০৫ অক্টোবর ২০১৯ ০৪:১৯51036
  • #
  • anandaB | 236712.158.780112.148 (*) | ০৫ অক্টোবর ২০১৯ ০৫:০৬51037
  • এই লেখাটা পড়লাম আচার্য চিন্ময় লাহিড়ীর টোরি শুনতে শুনতে। প্রায় ত্রিশ পঁয়ত্রিশ বছর আগে এরকম ই এক পুজোর দিনে এই বন্দিশ শুনেছিলাম

    এখন দেখি বাম চোখের পেছন টা ভিজে লাগছে, লেখার গুণ না বন্দিশ কে জানে। হয়ত দুটোই
  • @[email protected] | 237812.68.9008912.66 (*) | ০৫ অক্টোবর ২০১৯ ০৫:২১51038
  • এলেখাটার জন্য গুরুর পুজোবার্ষিকীতে সিংহাসন বাঁধা!
  • [email protected]& | 237812.68.9008912.66 (*) | ০৫ অক্টোবর ২০১৯ ০৫:২৩51039
  • বাঁধা থাকা উচিত
  • শঙ্খ | 236712.158.786712.59 (*) | ০৫ অক্টোবর ২০১৯ ০৬:০১51040
  • ধইন্য ধইন্য বলি তারে / বেঁধেছে এমনো ঘর শূন্যের উপর পোচতা করে
  • র২হ | 237812.69.563412.223 (*) | ০৫ অক্টোবর ২০১৯ ০৭:১৩51041
  • আহ, এটা প্রচন্ড ভালো!
  • ধুস | 236712.158.895612.20 (*) | ০৫ অক্টোবর ২০১৯ ০৭:৩৮51045
  • এই লেখার লাইনে লাইনে সুতো ছড়িয়ে আছে। গলায় উড়নি মানে সাপ, মাথায় উড়নি মানে জটা। চাকর দুজন নন্দী আর ভৃঙ্গী। হাতি আর নৌকার ইঙ্গিত স্পষ্ট। হাসিমারায় লোক থোড়ি নৌকো করে আসে। বেহালা, ইদুর আর তীর ধনুক সব ই বোঝা যাচ্ছে। দুর্বল হচ্ছে দোকানে দু'টো পঞ্জিকা।
  • !? | 237812.68.9008912.66 (*) | ০৫ অক্টোবর ২০১৯ ০৮:৫৩51046
  • ওমা নন্দী চাকর হবে কেন? নন্দী মহারাজ তো ষাঁড়টা। আর ভৃঙ্গী তো ভূত। অন্য ‘সুতো’ গুলি মিল্লেও চাকর দুটি ধুসের কথায় চলবে না।
  • | 237812.69.563412.223 (*) | ০৫ অক্টোবর ২০১৯ ১১:১৭51043
  • হাহাহাহাহাহা
    আমি এদিকে এবারেও হাতিতে ফিরিছেন ন্নৌকায় অবধি পড়েই বুঝে ফেলেছি গল্পটা
  • | 237812.69.563412.223 (*) | ০৫ অক্টোবর ২০১৯ ১১:১৭51042
  • হাহাহাহাহাহা
    আমি এদিকে এবারেও হাতিতে ফিরিছেন ন্নৌকায় অবধি পড়েই বুঝে ফেলেছি গল্পটা
  • ধুস | 236712.158.565612.241 (*) | ০৬ অক্টোবর ২০১৯ ১১:০৪51047
  • এক নন্দী অনুচর অন্য নন্দী বাহন। কে না জানে।
  • র২হ | 237812.69.453412.44 (*) | ০৬ অক্টোবর ২০১৯ ১২:৩৯51048
  • হ্যাঁ, সুতো তো আছেই, নৌকো থেকে স্পষ্টও, তবে তাতে করে লেখার মজাটা কমছে না।
  • i | 890112.162.9004523.159 (*) | ১১ অক্টোবর ২০১৯ ১২:৩৬51049
  • পুজাবার্ষিকীর মলাটের মত।
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত