ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ব্লগ

  • লাশকাটা ঘর

    Biplob Rahman লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ১৯ অক্টোবর ২০১৩ | ১০৫৩ বার পঠিত
  • 'শোনা গেল লাশকাটা ঘরে/নিয়ে গেছে তারে;/কাল রাতে - ফাল্গুনের রাতের আধাঁরে...'

    ০১. একের পর এক সাপ্তাহিকীতে কলম-পেষার পর নয়ের দশকের শুরুতে দৈনিক আজকের কাগজে তিন হাজার+ অনিয়মিত বেতনে ক্ষুদে রিপোর্টার হিসেবে প্রথম চাকরীতে যোগদান। সেই সময় দুর্ধর্ষ ক্রাইম রিপোর্টার আমিনুর রহমান তাজ (এখন অবসর জীবনে) ভাইকে দেখে অধমেরও শখ জাগে ওনার মতো খ্যাতনামা ও ক্ষমতাধর ক্রাইম রিপোর্টার হওয়ার। শুরু হয় তাজ ভাইয়ের পেছনে ঘোরাঘুরি।

    তখনই বোঝা হয়ে গিয়েছিলো, সাংবাদিকতায় রাজনৈতিক ও অপরাধ বিষয়ক রিপোর্টারদের সবচেয়ে বেশী বাজারদর। ক্ষমতার পাল্লাটিও বেশ ভাড়ি।

    কিন্তু তাজ ভাই কিছুতেই এই পুঁচকে সাংবাদিককে তার দলে নেবেন না। তার এক কথা, তুই তো চ-ব-খ দিয়ে কথাই বলতে পারিস না! তোর মতো ভদ্র ছেলে দিয়ে ক্রাইম রিপোর্টিং হবে না। ক্রাইম রিপোর্টিং কোনো ভদ্রলোকের পেশা না। গুডি বয় - চকলেট বয়রা এই বিটে টিকতে পারে না। তুই তো থানায় গিয়ে ওসির দরজায় নক করে বলবি, মে আই কাম ইন স্যার? আর ওসি মনে করবেন, এইডা আবার কোন ছাগল!

    মুখ ফসকে বেরিয়ে আসে, অ্যাঁ!

    তাজ ভাই বলেন, ঠিকই বলছি। শোন, এদেশে হেরাল্ড ট্রিবিউন বা আশাহি সিম্বুনের সাংবাদিকতা চলবে না। ক্রাইম রিপোর্টার হতে গেলে, থানার দরজায় লাথি মেরে ওসির রুমে ঢুকবি । টেবিল চাপড়ে বলবি, এই ব্যাটা ওসি, আমি ক্রাইম রিপোর্টার বিপ্লব। জলদি আমার জন্য এক প্যাকেট বেনসন আনান! তখন ওসি মনে মনে বলবেন, এই তো একজন জাত সাংবাদিক এসেছেন! বুঝলি?

    ০২. অনেক কষ্টে চা - সিগারেট খাইয়ে, ফুটফরমাশ খেটে দিয়ে তাজ ভাইয়ের মন গলানো গেলো। লেগে পড়া গেলো শখের ক্রাইম রিপোর্টিং-এ।

    একদিন তাজ ভাই ডেকে বললেন, এই শোন, তুই তো খুব ভদ্র ছেলে, মর্গে বেশি ঘোরাঘুরি করবি না!

    -- কেনো তাজ ভাই?

    - কোনো প্রশ্ন করিস না। যেটা বলেছি, সেটা শোনার চেষ্টা করিস। নইলে রাতে ভয়ের স্বপ্ন দেখবি।

    -- রাতে ভয়ের স্বপ্ন দেখি তো!

    - মানে?

    -- ইয়ে... প্রায় রাতেই ভয়ংকর সব ভয়ের স্বপ্ন দেখি। ঘুমের ঘোরে দেখি, বিছানায় শুয়ে আছি, আমার মাথার ওপর দিয়ে পোস্ট মর্টেম করা কাঁটাছেড়া বিভৎসব সব নগ্ন লাশ একের পর এক উড়ে যাচ্ছে! তখন ভয়ের চোটে ঘুমের ভেতর ছটফট করি। ঘুম ভেঙে গেলে দেখি, পুরো শরীর ঘামে ভিজে গেছে। গ্লাসের পর গ্লাস পানি খাই; তবু তৃষ্ণা মেটে না!

    তাজ ভাই তার নবাগত শিষ্যের করুন হাল দেখে বিস্ময়ে হতবাক হয়ে যান। তার মুখে বাক্য সরে না।

    এবার পাল্টা প্রশ্ন করা হয়, তাজ ভাই, আপনার কী অবস্থা? আপনিও কী ভয়ের স্বপ্ন দেখেন?

    তার সরল জবাব, আমার কথা আর কী জানতে চাস? আমি তো এখন মর্গে বসে ভাতও খেতে পারবো!

    ০৩. বলা ভালো, সে সময় ডিএমসি'র (ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল) মর্গের বেহাল দশা যারা না দেখেছেন, তাদের পক্ষে একটু বোঝা মুশকিল, মর্গ কতোটা বিভৎস হতে পারে!

    এখনকার মতো এসি তো দূরের কথা, তখন মর্গে ফ্যানও লাগানো ছিলো না। সেখানে সারিবদ্ধ স্টিলের স্ট্রেচারে ফরমালিন দেওয়া লাশগুলো সংরক্ষণ করার যেনো একটা প্রহসন হতো। আর প্রায়ই ফরমালিনের অভাবে পঁচন ধরতো লাশে। মর্গের আধ মাইল দূর থেকে পাওয়া যেতো লাশের বোঁটকা দুর্গন্ধ।

    এই অধমদের মতো পুঁচকে ক্রাইম রিপোর্টারদের কোনো মৃত্যূর খবর নিশ্চিত করতে ছুটে যেতে হতো ওই মর্গেই। তখন মর্গের অধিপতি ছিলেন মাঝ বয়সী সুদর্শন রমেশ ডোম। স্বীকার করা যাক, বয়সে ছোট বলে রমেশ দা'র কাছে নবীন সাংবাদিকের খাতির অন্যদের চেয়ে একটু বেশীই ছিলো।

    ফিনফিনে সিল্কের সাদা পাঞ্জাবি - লুঙ্গী, সোনার চেন, আর আট - দশটি ঝলমলে আংটিতে কে তাকে দেখে বলবেন যে, তিনি একজন পেশাদার ডোম! তাদের কয়েক পুরুষের পেশা-- লাশ কাটা।

    একবার খুব শখ হলো, পোস্ট মর্টেম বা ময়না তদন্ত দেখার। রমেশ দা কিছুতেই রাজী হন না। অনেক বলে-কয়ে তাকে রাজী করানো গেলো। অবাক হয়ে দেখা গেলো, একজন ডাক্তার উলঙ্গ এক বৃদ্ধর লাশের (ডিএমসির ভাষায়: বডি) এখানে - সেখানে ছড়ি দিয়ে ইঙ্গিত করছেন। রমেশ দা ভাবলেশহীনভাবে স্কালপেল দিয়ে লাশ কাঁটাছেড়া করছেন। পরীক্ষা - নীরিক্ষা শেষে হাঁটু মুড়ে বসে লেপ - তোষক সেলাই করার মতো আবার সেই লাশ জোড়া দেন
    তিনি। এবার অবশ্য দু - তিনজন সহকারী তাকে সহায়তা করেন।

    ০৪. একবার রমেশ দা'কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল 'লাশ খেকো খলিলুল্লাহ'র কথা। তিনি শুধু বলেন, চিনতাম গো দাদা। ওই কথা ছাড়া অন্য যে কোনো কথা কন।

    এরপর কিছুতেই তিনি এ বিষয়ে মুখ খুলতে চাইতেন না।

    অনেকেরই হয়তো মনে থাকবে, খলিলুল্লাহর কথা। বিষয়টি জানা গেছে, সাবেক নকশালাইট বাবা আজিজ মেহেরের ব্যক্তিগত বইয়ের ভাণ্ডারে ঘেঁটে। মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক সাহাদাত চৌধুরী সম্পাদিত সাতের দশকের জনপ্রিয় 'সাপ্তাহিক বিচিত্রা'য় একটি পুরো প্রচ্ছদ প্রতিবেদন ছিলো এই নিয়ে ।

    সাদাকালো প্রচ্ছদে খলিলুল্লাহ মানুষের লাশ খাচ্ছেন, এমন একটা ছবিও ছাপা হয়েছিলো।

    খলিলুল্লাহও ছিলেন ঢাকা মেডিকেলের তালিকাভুক্ত ডোমদের একজন। তখন ডোমদের মধ্যে প্রচলিত বিশ্বাস ছিলো, লাশের কলজের একটু খানি কাঁচা খেলে নাকি মনে সাহস বাড়ে, লাশ কাটতে সহজ হয়। এই ভাবে মরা মানুষের কলজে খেতে খেতে খলিলুল্লার মানসিক বিকৃতি ঘটে।

    তিনি শেষ পর্যন্ত আজিমপুর গোরস্থান থেকে লাশ চুরি করে কলজে ছিঁড়ে খাওয়া শুরু করেন! বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর ঢাকা জুড়ে দেখা দেয় খলিলুল্লাহ - আতঙ্ক।...

    পরে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে চিকিৎসার জন্য পাবনা মানসিক হাসপাতালে পাঠায়। শোনা গেছে, একেবারে শেষ বয়সে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে খলিলুল্লাহ নাকি আজিমপুর গোরস্থানের গেটে বসে ভিক্ষে করতেন। এই করতে করতে শেষে তিনি মারা যান।

    ০৫. আরেকদিন ধরা গেলো রমেশ দা'কে, আচ্ছা দাদা, কোনো রাতে লাশ কাটতে ভয় পেয়েছেন?

    রমেশ দা হাসেন, আরে না রে বোকা। আমাদের আবার ভয়ডর কি! আমাদের ভয় করলে চলে? তয় যে রাতে বডি বেশী কাটতে হয়, তার আগে একটু 'বাংলা' মাইরা লই। মনে বল পাওয়া যায়, কাজও হয় ভালো।

    তিনি নিজে থেকেই বলেন, আমি কোনো বডির মুখ - শরীর, কিছুতেই মনে করতে পারি না। তবে একটা মাইয়ার মুখ সারা জীবন মনে থাকবে গো দাদা!

    -- কোনো? কী হয়েছিলো তার?

    - সুইসাইড কেইস। প্রেমে ব্যর্থ হইয়া বিষ খাইছিলো। এই ধরো ১৭ - ১৮ বছর বয়স হইবো। কি যে সোন্দর আছিলো দেখতে! তখন আমার বয়সও ছিলো কম। বাপের কাছে নতুন নতুন বড়ি কাটা শিখছি। তো সেই বডি কাটতে কিছুতেই মন সায় দেয় না। বার বার মনে হয়, এতো সুন্দর নিস্পাপ মাইয়াটারে আমি কাইটা ফেলবো? এই মাইয়াটা যদি ব্যাথ্যা পায়? যদি তার অভিশাপ আমার গায়ে লাগে? ... এদিকে ডাক্তার সাব আমারে খালি ধমকান, এই রমেশ, তাড়াতাড়ি করো, তাড়াতাড়ি করো।

    ... শেষে মনে মনে মাইয়াটার কাছে মাফ চাইয়া লই। মা জননী গো, তুমি আমারে ক্ষমা দেও। তোমার বডি না কাটলে আমার চাকরি যাইবো গা। ...পরে কাজ শেষ হইলে বডিটারে আমি প্রনাম করছি। ওইটাই প্রথম, ওইটাই .‌শ্যাষ।...

    ০৬. রমেশ ডোম এখন আর লাশ কাটেন না। তার সহযোগিরাই কাজ চালিয়ে নেন। তার ছেলেদের কাউকেই তিনি এ পেশায় আনেন নি। তাদের লেখাপড়া শেখাচ্ছেন, উজ্জল ভবিষ্যতের আশায়। 'ডোম' পরিচয় ঘোচাতে কয়েক বছর আগে ধর্ম বদল করে তিনি এখন মোহাম্মাদ সিকান্দার।

    তথ্য-সাংবাদিকতায় জীবনের অনেকটা বাঁক পেরিয়ে এখনো হঠাৎ হঠাৎ তার কথা মনে পড়ে।

    ব্যস্ততার কারণে রমেশ ডোম, ওরফে মো. সিকান্দারের সঙ্গে শেষ পর্যন্ত দেখা করা হয়ে ওঠে না। মনে পড়ে তার সেই কথা, আমারে ক্ষমা দেও গো মা জননী। তোমার বডি না কাটলে আমার চাকরি যাইবো গা!...

    কসাইয়ের মতো নির্লিপ্ততায় যখন গণহত্যা বা পাহাড়ি-বাঙালি মারাত্নক সব সহিংসতার সংবাদ লেখা হয়, সংবাদে তুলে আনা হয় ধর্ষিতার আর্তনাদ, যখন তুমুল স্পিডে টাইপ করতে হয় ঘুর্ণিঝড়ে হতাহতদের তাজা খবর, অথবা সাধারণ কোনো মৃত্যূ সংবাদ -- তখন মাঝে মাঝে নিজেকেও কেনো যেনো রমেশ ডোম, ওরফে মো. সিকান্দার বলে ভ্রম হয়।...

    জানা আছে নির্ঘাত, এই সব বিবিধ টাটকা খবরের ময়না তদন্ত না করলে রমেশ ওরফে সিকান্দারের মতো এই অধমেরও 'চাকরি যাইবো গা!'...

    * বিভাগ: রিপোর্টারের ডায়েরি, দিনপঞ্জি, ব্লগাড্ডা।
  • | বিভাগ : ব্লগ | ১৯ অক্টোবর ২০১৩ | ১০৫৩ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    মসনদ - Sobuj Chatterjee
    আরও পড়ুন
    চিঠি - Shomita Banerjee
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • তাতিন | 132.252.251.244 (*) | ১৯ অক্টোবর ২০১৩ ০২:৪০46755
  • ঃ)
  • Dipu | 113.9.115.66 (*) | ১৯ অক্টোবর ২০১৩ ০৪:৫৭46756
  • নতুন এক গল্পো , না শোনা , অজানা জিনিস ।
    অসাধারন ।।।
  • debu | 180.213.132.253 (*) | ২১ অক্টোবর ২০১৩ ১১:৪২46758
  • বাহ!
  • Biplob Rahman | 190.234.212.49 (*) | ২১ অক্টোবর ২০১৩ ১১:৫০46757
  • @ তাতিন, @Dipu,

    সঙ্গে থাকার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

    লক্ষ্যনীয়, জাত-পাতের বৈষম্য খোদ রাজধানীর রমেশ ডোমকেও ছেড়ে কথা বলেনি। তাই বংশ পরম্পরায়ের পেশাগত পরিচয় ঘোচাতে তিনি ধর্ম বদল করেন, মুসলমান হয়ে মো. সেকেন্দার নাম নেন।

    এইভাবে নিম্নবর্গের মানুষ, আদিবাসী ও জনজাতী মানুষজন ক্রমেই পরিচয় বদল করেন, পেশার বদল করেন, তবু কি তারা সন্মানের জীবন বেছে নিতে পারেন? ঠিকঠাক বুঝে পান মৌলিক মানবিক অধিকার? ...

    কয়েক বছর আগে বৃহত্তর সিলেটের খাসি পাহাড়ে পরিচয় হয়েছিল বর্ষিয়ান আদিবাসী নেতা অনিল ইয়াং ইউমের সঙ্গে। খাসি'দের মধ্যে তিনিই একমাত্র, যিনি গোঁ ধরে আছেন, আদিধর্ম প্রকৃতি পূজা ত্যাগ করে খ্রিষ্ট ধর্মে দীক্ষিত হননি। তাদের পাহাড়ি সমাজের সকলেই, এমনকি তার পরিবারের সব সদস্য গত একশ বছরে খ্রিষ্টান হয়েছেন।

    দুদিন আগে মোবাইল ফোনের দুর্বল নেটওয়ার্কে ভেসে আসে অনিল দা'র ফ্যাঁসফেঁসে গলা, এ কথা, সে কথার পর খানিকটা দ্বিধা করেই বললেন, বিপ্লব বাবু, আমার সব ক'জন ছেলেমেয়ে একে একে খ্রিষ্টান হয়েছে। কি আর করবে, দুর্গম পাহাড়ে মিশনারীরাই যা লেখাপড়া-চিকিৎসা সুবিধা দিচ্ছে। যুগের হাওয়া। তবে আমি তাদের জানিয়েছি, আমি আদি ধর্ম বিশ্বাস নিয়েই মরতে চাই! ...

    যা হোক। সে এক অন্য কথন। অন্য সময়ে না হয় বিস্তারিত বলা যাবে।
  • Kaushik Ghosh | 126.203.239.160 (*) | ২২ অক্টোবর ২০১৩ ০২:০০46759
  • বিপ্লব ভাই,
    অনিল ইয়াং-এর কথা পরে অবশ্যই বলবেন। অপেক্ষায় থাকব।

    এ লেখাটাও আপনার আর সব লেখার মতন সমান ভালো। লাশের কলজে খাওয়ার ঘটনাটা একটা নতুন অভিজ্ঞতা। এরকম আরো লিখুন।

    ভালো থাকবেন।
  • π | 118.12.173.94 (*) | ২২ অক্টোবর ২০১৩ ০৩:০৪46760
  • অনিল ইয়াং এর কথাও শুনতে চাই। লেখাটা ভাল লাগল।
  • Biplob Rahman | 127.18.231.60 (*) | ২৪ অক্টোবর ২০১৩ ০৬:২৮46761
  • যারা এই নোটটি পড়ছেন, তাদের সবাইকে সাধুবাদ।

    অনিল ইয়াং ইউয়ুমের কথা আরেকটি নোটে বেশ খানিকটা বলেছিলাম। সেটা সময় করে গুচ’তে দেব নিশ্চয়।

    অনেক শুভেচ্ছা।
  • k | 131.241.218.132 (*) | ২৪ অক্টোবর ২০১৩ ০৯:৫৭46762
  • Biplob Rahman | 190.234.212.49 (*) | ২৫ অক্টোবর ২০১৩ ০২:১৮46763
  • #k,

    ভিডিও লিংকের জন্য অনেক ধন্যবাদ। চলুক।
  • she jai hok | 24.96.114.3 (*) | ২৮ অক্টোবর ২০১৩ ১১:৪১46764
  • Kudos
  • nina | 78.37.233.36 (*) | ২৯ অক্টোবর ২০১৩ ০৩:২৬46765
  • কেমন যেন এক অজানাকে জানা-----
  • Biplob Rahman | 212.164.212.20 (*) | ০৪ নভেম্বর ২০১৩ ০১:০০46766
  • #she jai hok, # nina,

    সঙ্গে থাকার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। মন শক্ত করে মতামত দিন