এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • রসিকার ছেলে 

    সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায় লেখকের গ্রাহক হোন
    ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ | ৩০৮ বার পঠিত | রেটিং ৪.৫ (২ জন)
  • পাড়ায় ফিরে দেখি হেবি ক্যাচাল। জেল থেকে ফিরে কচি গুন্ডা  আমাদের ক্লাবঘর ভেঙে দিয়েছে। সেই নিয়ে পচাবাবুর আর মুনিয়াদির নেতৃত্বে  প্রতিবাদসভা। থানায় ডেপুটেশন হবে। 
    হুজুগ এলেই আমরা সবাই একপায়ে খাড়া। কিন্তু থানার বড়বাবু সব শুনে বললেন, সবই তো বুঝলাম। কিন্তু জমির কি কোনো কাগজপত্র আছে? 
    কোন ক্লাবের আবার জমির কাগজ থাকে। জাঙ্গিয়ারও বুকপকেট, বারোয়ারি মণ্ডপেরও আধারকার্ড । বড়বাবু বললেন, তাহলে তো আমাদের কিছু করার নেই। দেওয়ানি কেস হবে।
    পাড়ার শ্যামাদি উকিল। তাঁর প্রচণ্ড ঘ্যাম। রোজ কালো কোট পরে হাইকোর্টে যান। বললেন, কোনো ব্যাপার না। স্টে এনে দেব। আমরা সবাই ফুর্তিতে আটখানা। মিছিল হয়ে গেল। সামনে মুনিয়াদি চিল্লাচ্ছেন, কচি আমার ছিঁড়বে কেশ। পিছনে আমরা বলছি, স্থগিতাদেশ স্থগিতাদেশ।
    দুদিন বাদে শ্যামাদি সত্যিই স্থগিতাদেশ এনে দিল। 'কেমন দিলাম?' হাবভাব করে। দিয়েছেন তো দারুণ, আমরা বললাম,  তাহলে এবার ক্লাবঘর সারিরে ফেলি? শ্যামাদি বলল উঁহু।
    উঁহু মানে কী? না, এখন ঘর যে অবস্থায় আছে ঠিক সেই অবস্থায় রাখতে হবে। কিন্তু এখন তো ওর মধ্যে কচি গুন্ডাও আছে। শ্যামাদি মাথা নাড়িয়ে গম্ভীরভাবে বলল, সে আর কী করা যাবে। ব্যাপারটা এখন মহামান্য আদালতের বিচারাধীন।
    স্থগিতাদেশ না পিছনে বাঁশ বোঝা মুশকিল। মোদ্দা কথা, আমাদের আন্দোলনের চোটে কচিগুন্ডার একটা নিজের বাড়ি হল। দুদিন বাদে দেখি, তার সামনে হাতকাটা পাঁচু দলবল নিয়ে বেঞ্চি পেতে বসেছে। মেয়েদের টিটকিরি মারছে। আমাকে দেখেই বক দেখাল। এটা কী হল? শ্ম্যামাদিকে বলতে বলল, ঘরের সামনে কোনো স্থগিতাদেশ নেই। বেঞ্চি পাতার উপরে তো নেইই। যে মেয়েদের টিটকিরি মারছে, তারা অবশ্য শ্লীলতাহানির কেস করতে পারে, কিন্তু কেস দাঁড়াবেনা।
    লে হালুয়া। মুনিয়াদি আর পাঁচুবাবুর সঙ্গে মিটিং হল। মুনিয়াদি বলল, এই বয়সী ছেলেরা বেঞ্চি পেতে বসবেই। আর বসলে টিটকিরি মারবেই। মূল জিনিসটায় নজর দে। তাছাড়া  অত কেস করা যাবেনা। পয়সাকড়ির ব্যাপার।
    মূল ব্যাপার হল, যে, আমাদের আন্দোলনে কচির দলবলের একটা নতুন ঠেক হল। সেখানে আরও দুদিন বাদে, দেখি, শুধু ছেলে নয়, কটা হনুমানও এসে জুটেছে। পাশের গাছে হুপহাপ করছে। আর হাতকটা পাঁচু ঘরের সামনে কটা কলা ছাড়িয়ে বলছে, আয় হনুমান কলা খাবি? এখানেই শেষ নয়, দুটো মেয়ে হনুমানের সঙ্গে সেলফি তোলার চেষ্টা করছে।
    এদের কি মাথা খারাপ হয়ে গেল নাকি? মুনিয়াদি বলল, হৃদয় পরিবর্তনও হতে পারে। কেষ্টর জীবকে ডেকে খাওয়াচ্ছে। মানুষ তো বদলায় নাকি? 
    কথাটা ঠিকই। শুধু মানুষ কেন হনুমানও বদলায়। নইলে আর মানুষ এল কোথা থেকে? ওরাই তো মানুষের আদিপুরুষ। তা, দুদিন বাদে দেখি, আদিপুরুষের একটা মূর্তি বসিয়ে দিয়েছে সামনে। পিছনে লেখা, জয় শ্রী হনুমান। এটা আবার কী? মুনিয়াদি বলল, দেখ, ওগুলো ধর্মীয় ব্যাপার। কে কাকে জয় হনুমান বলবে, তার ব্যাপার। আসল জিনিসটায় নজর দে।
    আমি তো আসল জিনিসে নজর দিয়েই রেখেছি। কেস চলছে। শ্যামাদি তেড়ে শুনানি করছে। কেমন বুঝছ? জিজ্ঞাসা করায় বলল, হনুমানের ব্যাপারটা পিটিশনে দিয়েছি। দেখা যাক। ওদিকে শুনানি হবার আগেই দেখি, মূর্তির পিছনের লেখা বদলে গেছে। শ্রীশ্রী হনুমান মন্দির নির্মাণ প্রকল্পে মুক্তহস্তে দান করুন।
    ক্লাবঘর ভেঙে মন্দির বানাবে নাকি? মুনিয়াদি আর পাঁচুবাবুর সঙ্গে আবার মিটিং করলাম। পাঁচুবাবু গম্ভীরভাবে বললেন, অনেক লোক টাকা দিয়েছে, বুঝলি। এখন দেখি, আদালত কী বলে। রাতে দেখি মুনিয়াদি একটা রিল পাঠিয়েছে। ক্লাবঘরের সামনে একটা মেয়ে হনুমানের চারদিকে নাচছে। পিছনে গান চলছে 'ও আমার সোনুমনু, ও আমার ছোট্টো হনু'। এইসব গান কোথা থেকে পায় কে জানে, কারাই বা বানায়। যাই হোক, সেটা ব্যাপার না, আমাদের আন্দোলনের ফলে মেয়েগুলো রিল বানানোর একটা জায়গা পেয়েছে, এটাই আসল কথা।
    রিল অবশ্য একটায় শেষ হয়না। একটা হিট হলেই, জায়গাটা টুরিস্ট স্পটের মতো হয়ে যায়। আদালতের শুনানি হল আরও পনেরোদিন পরে। ততদিনে রিলে রিলে ছেয়ে গেছে ইন্টারনেট। আমাদের ভাঙা ক্লাবঘরের নাম হয়ে গেছে হনুমানতলা। মেয়েরা লাফিয়ে লাফিয়ে ট্রাম-বাস-টেম্পো করে ভিডিও তুলতে আসছে। এর মধ্যেই শুনানি। শেষ করে এসে শ্যামাদি বলল, আদালত বলেছে জায়গাটা বিতর্কিত।
    সে তো বটেই। নইলে আর মামলা কেন। - আর, শ্যামাদি বলল - বলেছে পাশের আমবাগানটা হনুমানেরই আদি আবাসভূমি। সেটার টুকরো কেটেই তো মণ্ডপ। ওখানে হনুমানমন্দির বানানোই যুক্তিসঙ্গত।
    কথায় ভুল কিছু নেই। গোটা পৃথিবীই তো হনুমানদের আদি আবাসভূমি। মুনিয়াদিকে খবরটা দিতে গিয়ে দেখি, আগেই জানে। খুব একটা দুঃখ পেয়েছে বলে মনে হলনা। বলল, পরশুদিনই তো শিলান্যাস। আমাকে ডেকেছে। প্রধান অতিথি করবে। আর পাঁচুদাকে সভাপতি।
    আমি বললাম, যাবে? মুনিয়াদি বলল, ও মা যাবনা কেন। বললামনা ছেলেগুলোর হৃদয় পরিবর্তন হয়ে গেছে। এখন জীবসেবা করছে। তাছাড়া ধর্মকর্মের ব্যাপার। বাগড়া দিয়ে আর কী হবে। তুইও চ। এখনও বিশেষ অতিথির জায়গাটা ফাঁকা আছে। 

    পরশুদিন পাড়ায় হনুমানমন্দিরের শিলান্যাস। হনুমানচালিশা পাঠ হবে। মুনিয়াদি আমাকেও একপিস দিয়েছে। শিলান্যাসে বিশেষ অতিথিরা একসঙ্গে পড়বে। 

    -----------
    যথারীতি, এটাও বইয়ে নেই। গল্পটা আমি লিখলাম। কী নিয়ে সে আর বুঝিয়ে বলতে হবেনা। যে বইয়ের প্রসঙ্গে লিখলাম, তার নাম 'রসিকার ছেলে'। লিখেছেন প্রতিভা সরকার। প্রকাশক গুরুচণ্ডা৯। এই বই প্রসঙ্গ এই গল্প এল কেন, সেটাও দু লাইনে লিখে দেওয়া দরকার। এটি একটি উপন্যাস, যার মূল চরিত্র রসিকা। তাঁর  ছেলের চরিত্রটি তৈরি হয়েছে রোহিত ভেমূলার আদলে। ছেলের জন্য আওয়াজ তোলেন, মিছিলে যান রসিকা। পুরো আখ্যান এখানে বলার কোনো মানে নেই, একটা টুকরো থাক, যা ভূমিকাতেও আছে।

    "টি.ভি ক্যামেরাম্যানের পাশ থেকে মুখবার করে মাথার পেছনে ঝুঁটিবাঁধা ছেলেটি রসিকা-কে জিজ্ঞাসা করে ‘আপনি কি সত্যি বিশ্বাস করেন, এইভাবে দৌড়োদৌড়ি করে, কয়েকজনকে নিয়ে মিছিল করে, দু চাট্টি আন্দোলন আন্দোলন খেলা করে আপনারা রাষ্ট্র, সরকার, প্রশাসনের ক্ষমতাবানদের কাছ থেকে সুবিচার আদায় করতে পারবেন? সিস্টেমে আনতে পারবেন কোনো পরিবর্তন?’...
    কথাগুলো তার (রসিকাম্মার) মাথার মধ্যেই ঘুরপাক খাচ্ছিল। তাই দূরের চেয়ারে তেমন কেউ বসে নেই দেখে সে দমে গেলেও মুখ ফিরিয়ে সাংবাদিক ছেলেটির চোখে চোখ রেখে বলল, 
    ‘আপনি ভেবেছেন, আমি আন্দোলন করি, মিছিলে যাই, মিটিংয়ে বক্তব্য রাখি, সন্তানহারা মায়ের হাত ধরে লাশকাটা ঘরে দাঁড়িয়ে থাকি, এই দুর্নীতিবাজ শক্তিধরদের মন পরিবর্তনের জন্য? রাষ্ট্রযন্ত্রের মন বলে কিছু থাকে? আপনি একেবারেই ভুল ভেবেছেন, বাবা! আমি এগুলো করি অন্যকে পরিবর্তনের জন্য নয়, আমি নিজেই যেন পরিবর্তিত না হয়ে যাই, সেইজন্য।’"


    তা, কথা হল, এইসব লেখালিখি, বই ​​​​​​​ছাপাছাপি, ​​​​​​​একই ​​​​​​​কথা ​​​​​​​বারবার ​​​​​​​নানা ​​​​​​​আঙ্গিকে ​​​​​​​মনে ​​​​​​​করিয়ে ​​​​​​​দেওয়া, স্রেফ অন্যকে জানান ​​​​​​​দেবার ​​​​​​​জন্য না। ​​​​​​​নিজেও ​​​​​​​যেন ​​​​​​​বদলে ​​​​​​​না ​​​​​​​যাই ​​​​​​​সেই জন্য। ​​​​​​​বিরোধিতা ​​​​​​​করতে ​​​​​​​করতে ​​​​​​​একদিন নিজেই ​​​​​​​যেন প্রধান ​​​​​​​অতিথি ​​​​​​​না ​​​​​​​হয়ে ​​​​​​​যাই, ​​​​​​​সেই ​​​​​​​জন্য। ​​​​​​​গুরুচণ্ডা৯ ​​​​​​​এই ​​​​​​​মূল ​​​​​​​কথাটা ​​​​​​​বিস্মৃত ​​​​​​​হয়নি ​​​​​​​কখনও। ​​​​​​​এই ​​​​​​​বইয়ের ​​​​​​​কথা ​​​​​​​বলতে ​​​​​​​গিয়ে ​​​​​​​একটা ​​​​​​​প্রচারধর্মী গল্প ​​​​​​​গুঁজে ​​​​​​​দেওয়াও ​​​​​​​সেই ​​​​​​​কারণেই।
     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • π | ১৬ জানুয়ারি ২০২৪ ০৭:২২527657
  • Ranjan Roy | ১৭ জানুয়ারি ২০২৪ ০৯:৫৮527693
  • এই বই কিনবো,  কিনবো  কিনবো!
    নয় তো বুঝবো আমারও হৃদয় পরিবর্তন হয়ে গেছে কাকা. 
     
    কিন্তু আগে একটু হেসে নি:
     
    "কচি আমার ছিঁড়বে কেশ,
    স্থগিতাদেশ! স্থগিতাদেশ!"
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। মন শক্ত করে মতামত দিন