এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | ১৬ জুন ২০২৬ ০৯:০০556126
  • ওহ টই খুলে লিখবেন তার আবার অনুমতি কী? লিখে ফেলুন লিখে ফেলুন। সম্পাদক (??) বা তার তরফে কেউ বকবে না। ইন ফ্যাক্ট নিকোবর নিয়েই আমি আপনার সাথে কথা বলিতে চাইছি। সেই বইমেলার সময়ে আমাদের ফিশফ্রাই সহযোগে আলোচনা মনে করে আরেকটু বিস্তারিত জানতে চাই।
  • dc | ১৬ জুন ২০২৬ ০৮:৫৫556125
  • সিঙ্গল কের জন্য এই কবিতাটাঃ
     
    ডিড্ডিমাডিম ডিম
    তারা মাঠে পাড়ে ডিম
    তাদের লম্বা দুটো শিম
    তারা ডিড্ডিমাডিম ডিম
     
    আর এইবার ঘুরতে গিয়ে কোয়েলের ডিম কষা আর মালাবারি পরোটা খেলাম, সে যে কি ভালো খেতে!
  • | ১৬ জুন ২০২৬ ০৮:৫১556124
  • ও কেলোদা আপনাকে দেখে বেজায় খুশী হলাম ( k ফর কেলোদাই তো?) আপনাকে আমার দরকার। খোঁজাখুজি করে ফোন্নং যোগাড় করেছি। রাতের দিকে ৮টার পরে ফোন করলে অসুবিধে আছে? তাহলে আপনার জন্য সময় জানাবেন।
  • Partha | ১৬ জুন ২০২৬ ০৮:৪৪556123
  • শিক্ষিত, ভদ্রলোক বাঙালি আরজিকর নিয়ে দলে দলে রাস্তায় নেমে এসেছিলো মোমবাতি হাতে। খুব ভালো করেছিলো।
    কিন্তু এখন এই বর্বর, অমানবিক গরীব হকার উচ্ছেদে তারা একেবারে চুপ। কোনো প্রতিবাদ নেই এই বুলডোজার ধ্বংসের বিরুদ্ধে। বরং, অনেকেই উল্লাস প্রকাশ করছে। এবং এই নীরবতা ও উল্লাসের মাধ্যমে তারা বাংলায় ফ্যাসিবাদী, স্বৈরতান্ত্রিক শাসকদের হাত শক্ত করছে।
    বিজেপি আরএসএস ঠিক এটাই চেয়েছিলো। তারা বুর্জোয়া বাঙালির সুবিধাবাদী চরিত্র ঠিক ধরেছিলো।
    এই সমর্থকদের মধ্যে যেমন আছে কাল ছিলাম তৃণমূল, খেয়েছিলাম দুধ ঘি কিন্তু আজ আমি হয়ে গেছি বিজেপি -- সেই কুড়িজন টিএমসি সাংসদ আছে, তেমন আছে সিপিএম-পন্থী অসংখ্য একসময়ে বাংলাকে বুড়ো আঙুলের তলায় চেপে রাখা মার্ক্সবাদী বিপ্লবী। আমি নিজে তাদের অনেককে চিনি।
    এরা শুধু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পা ধরে টেনে নামিয়ে ক্ষান্ত হয়নি। এখন এরা রীতিমতো হিন্দুত্ববাদী, এবং উগ্র ধর্মান্ধতার সমর্থক। রাস্তায় ঘাটে ট্রেনে বাসে বিমানে যে কোনো তৃণমূল সাংসদ, এমএলএ বা স্থানীয় নেতা ও নেত্রীকে ক্ষ্যাপা কুকুরের মতো তাড়া করা, কিংবা চোর চোর বলে চীৎকার করা, এমন কি মারধোর করা, বিবস্ত্র করে রাস্তা দিয়ে টেনে নিয়ে যাওয়াকেও এরা সমর্থন করছে। আজ একজন শিক্ষিকাকে রাস্তায় অসভ্য ইতরভাবে আক্রমণ করা হয়েছে, মিথ্যা অভিযোগে।
    এই ট্রেণ্ড এখন চলবে। নিরীহ মানুষ আক্রান্ত হবে, অত্যাচারিত হবে পথে ঘাটে। তিলকধারী মাফিয়া বাড়ির মধ্যে ঢুকে যা খুশি করবে, যা খুশি বলবে।
    যারা আমাকে জিজ্ঞেস করে ফ্যাসিবাদ কী, এই উদাহরণগুলোই আমার উত্তর। এমন জিনিসের কথা আমরা বইতে পড়েছি হিটলার মুসোলিনির জমানায়, কিন্তু নিজের চোখে কখনো দেখিনি। এমন কি, নকশাল-কংগ্রেস-সিপিএমের রক্তাক্ত দিনগুলোতেও দেখিনি।
    কাল এই ভদ্রলোক বিজেপি বাঙালি যে কোনো ছুতোয় যে কোনো বিরোধী পক্ষের ব্যক্তিকে বিনা বিচারে জেলে নিয়ে যাওয়াকেও সমর্থন করবে। দুজন সাংবাদিক আক্রামুল বাগানী ও প্রবীর বিশ্বাসকে অলরেডি গ্রেফতার করে জেলে নিয়ে গেছে, এবং বিনা বিচারে তারা আটক আছে। তাদের জামিন হয়নি, যদিও তাদের বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধের কোনো প্রমাণ নেই। যে সব ব্যক্তি আগে বাক-স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র, মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে গলা ফাটিয়েছে, আজ তারা পিনড্রপ সাইলেন্ট।
    আরজিকরের সময় থেকেই দেওয়াল লিখন লেখা হয়ে গিয়েছিলো, ভদ্রলোক শিক্ষিত বাঙালি -- সিপিএম সিপিআই বিজেপি সবাই যে কোনো মূল্যে, যে কোনো জালিয়াতি, দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে মমতাকে টেনে নামাবেই।
    আমরা বুঝতে পেরে সাবধান করে দেওয়ার অনেক চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু ব্যর্থ হয়েছি।
    আমাদের মতো দূরের মানুষদের কথাকে পাত্তা দেওয়া হয়নি। এমন কি, রাস্তায় নেমে সারা জীবন লড়াই করে চলেছেন যে সব সম্পূর্ণ দুর্নীতিমুক্ত, সর্বত্যাগী রাজনৈতিক নেতা নেত্রী ও কর্মীরা, তাঁরাও আমাকে বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কারুর কথা শোনেন নি, কারুর ফোন তাঁর কাছে পৌঁছোয় নি। তিনি দরকার হলে ফোন করেছেন, কিন্তু কেউ তাঁর কাছে নিজের থেকে পৌঁছোতে পারেনি বিশেষ মাধ্যম ছাড়া।
    তিনি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বলে এসেছেন ছাব্বিশের কঠিন লড়াই তিনি সামলে নেবেন। কিন্তু রাস্তায় রকে গ্রামে ও শহরে কান পাতলেই যে বিজেপি আসছেই এবার, এই হুইস্পারিং ক্যাম্পেন চালানো হয়েছিলো, তিনি তাকে অগ্রাহ্য করেছেন। বাংলার বাইরেও এবং বাংলাদেশেও এই হুইস্পারিং ফিসফাস অন্তরালের প্রোপাগাণ্ডা ক্রমাগত চালিয়ে যাওয়া হয়েছে, যাতে লোকে বিজেপিকেই ভোট দেয়।
    অভিষেকের বিরুদ্ধে বহু মানুষের যে তীব্র ক্ষোভ ছিল, তাকেও তিনি সম্পূর্ণ অগ্রাহ্য করেছেন।
    তৃণমূলের এই পরাজয়ে শুধু যে ফ্যাসিস্ট বিজেপি ধর্মান্ধ উগ্রপন্থী সাম্প্রদায়িক আরএসএসের হাত ধরে পশ্চিমবঙ্গে ঢুকে পড়লো, তাই নয়। এমন মারাত্মক সর্বনাশ হলো যে বাংলায় বিরোধী শক্তি বলেই আর তেমন কিছু থাকলো না। আজ সারা ভারতে কৃষক থেকে বনবাসী, আদিবাসী থেকে অত্যাচারিত নারীরা এবং বিশেষ করে অপমানিত, অসম্মানিত, প্রতারিত যুব সম্প্রদায় বিজেপির অপশাসনের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে এসেছে। কিন্তু বাংলা এই মুহূর্তে সেই অত্যাচারীদের থালা সাজিয়ে ডেকে নিয়ে এলো।
    রামমোহন বিদ্যাসাগর রবীন্দ্রনাথ রামকৃষ্ণদেব জগদীশচন্দ্র সূর্য সেন নজরুল সুভাষ বসু প্রীতিলতা মাতঙ্গিনীর বাংলায় ঢুকে পড়লো বল্লাল সেন নবকৃষ্ণ রাধাকান্ত নেত্র সেন ও বর্গীরা।
    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূল কংগ্রেসকে এর দায় নিতেই হবে।
    তাদের অবিশ্বাস্য দুর্নীতি, তাদের ওই কুড়িজন সাংসদের মতো রেনিগেড নেতা ও নেত্রী, অভিষেক, ডিকটেটোরিয়াল মনোভাব ও কাজকর্ম, মানুষের জীবনের থেকে দূরে সরে গিয়ে ঔদ্ধত্যের রাজনীতি -- সবকিছুই এই বিপর্যয়ের জন্যে দায়ী।
    শুধু SIR, পরিকল্পিত জালিয়াতি, মিডিয়ার মগজধোলাই অথবা বিজেপির মিথ্যে প্রতিশ্রুতি এই পরাজয়ের একমাত্র কারণ নয়।
    তৃণমূল নিজেই এই ভয়াবহ গণতন্ত্র ধ্বংসের, মানবতা ধ্বংসের এক প্রধান কারণ।
  • k | ১৬ জুন ২০২৬ ০৮:৪২556122
  • আমিও এতদিন পরে আপনাকে দেখে বেজায় খুশী ডিসিদা।
    এক ডজন ডিম কিনে দেখি তার য়াটটাই পচা। দোকানে গিয়ে চোটপাট করব কি! দোকানী তো আমাকে এই মারে তো সেই মারে। বলে কিনা - নেবার সময় দেখে নেবেন তো।জোড়াসাঁকো মণ্ডলের অর্ডার ছিল বিশ ট্রে পচা ডিমের,আমি একটু একটু করে ডমাচ্ছিলাম। শেষে দেখি আটটা কম। চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলাম মশাই। যার কাছে গেছে সে কি আর ফেরত দেবে? তিনগুন দামে ব্ল্যাকে বিক্কিরি করবে। আপনি নেহাত বোকাসোকা মানুষ তাই ফেরত দিতে এসেছেন।
  • dc | ১৬ জুন ২০২৬ ০৮:২৮556121
  • সিঙ্গল কের পোস্ট অনেকদিন পর পড়ে খুব ভাল্লাগলো। কলকাতায় যা অঢেল ডিমের সাপ্লাই পাওয়া যাচ্ছে, তাতে আপনার কথাই ভাবছিলাম :-) তবে কিনা, কলকাতায় যোগান দিতে গিয়ে বাকি সব জায়গায় ডিমের দাম খুবই বেড়ে গেছে।
  • সিঙ্গল k | ১৬ জুন ২০২৬ ০৮:১৬556120
  • মাননীয় সরকার বাহাদুর গ্রেট নিকোবর দ্বীপে একটি মেগা প্রজেক্ট এনেছেন।
    বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকারের একটি প্রধান গুণ হল যে তাঁরা আট ঘাট না বেঁধে কোনো কাজ করেন না। বঙ্গবিজয়ের কথাই ধরুন - সেই কবে থেকে সলতে পাকানো শুরু হয়েছে - মুখ্য নির্বাচন কমিশনার নিয়েগের ক্রাইটেরিয়া বদলানো>SIR ব্যবহার> ব্যাদড়া ভোটার বাদ> অন্যান্য খুটিনাটি> ভোটগ্রহণ > জয়। শৃঙ্খলটি হয়ত আরও বড় কিন্ত এটি আমার আলোচনার বিষয় নয়। এই উদাহরন শুধুমাত্র একথা প্রমাণ করার জন্য যে বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকারের এবং তার পরিচালক রাজনৈতিক দলটির প্রতিটি কাজ অত্যন্ত সুশৃঙ্খল এবং বোধসম্পন্ন সুস্থমস্তিষ্কব্যক্তির কাছে সহজেই অনুধাবনযোগ্য।
    আমি সামান্য ডিম আনি ডিম খাই মানুষ, দুবেলা দুটি টাটকা পোলট্রির ডিম জোটানোই আমার পক্ষে দিন দিন কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে উঠছে। ফলে চারিদিকে এতকিছু ঘটে গেলেও অনেকসময় তা নিয়ে কিছু বলার সময় হয়ে ওঠে না। গুরুতে আমার পোস্টের গড় ফ্রিকোয়েন্সি বছরে দুটি, সেটুকুও হয়ে ওঠে না একেক সময়। তাই এবারে ঠিক করেছি মাননীয় এআইগনের সাহায্য নেব। গুরুচণ্ডা৯ র মাননীয় দেড়েল সম্পাদক মহাশয় যদি অনুমতি দেন তো আমি টইতে ঐ গ্রেট নিকোবর মেগা প্রজেক্ট সম্পর্কে একটি এআই জেনারেটেড মেগা প্রবন্ধ লিপিবদ্ধ করতে চাই।
    আমার অতি ক্ষুদ্র অনুপ্রেরণায় মাননীয় ক্লড সাহেব ওটি রচনা করেছেন ও আমাকে গুরুচণ্ডা৯ তে প্রকাশের অনুমতি দিয়ে বাধিত করেছেন।
    প্রবন্ধটি অবিলম্বে প্রকাশ পাওয়া জরুরী বলে মনে করি, কারন ঐ প্রজেক্টের একটি PIL এর শুনানি ও রায়দান আগামী সপ্তাহের ২৩ তারিখ আন্দামান ও নিকোবরের সার্কিট বেঞ্চ এ নির্দিষ্ট হয়ে রয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টের বিষয় হলেও আমাদের বাংলার মিডিয়ামহল এ ব্যাপারে উদাসীন। তাঁরা একটি আদ্যন্ত অ্যানার্কিস্টিক রাজনৈতিক দলের চলন-বলন-ভাঙ্গনের পর্যালোচনা করতে নিজেদের সম্পূর্ণ ধীশক্তি নিয়োগ করেছেন।
    এমতাবস্থায় আমি নিতান্ত নাচার হয়েই ক্লড সাহেবের সাহায্যে প্রবন্ধটি স্ক্রীনস্থ করি। আপনাদের গুরুচণ্ডা৯ তে বহু জ্ঞানী গুনী সম্পাদক লেখক বুদ্ধিজীবীর আনাগোনা, তাঁদের কারো যদি মনে ধরে, তবে তাঁরা অনায়াসে ঐ প্রবন্ধের সূত্র ধরে যে কোন মি়ডিয়ায় তাঁদের মৌলিক রচনা নামাতে পারেন, আমার বা ক্লড সাহেবের তাতে বিন্দুমাত্র আপত্তি নেই বরং সেই উদ্দেশ্যেই প্রবন্ধটির অবতারনা।
    এখন শুধু অপেক্ষা গুরুর কারিয়াকর্তাদের অনুমতির......
  • dc | ১৬ জুন ২০২৬ ০৭:৪২556119
  • এবার ঘুরতে গিয়ে রব ম্যাকেনার মতো অবস্থা হলো - যেখানে যাই সেখানেই বৃষ্টি! বেস্পতিবার রাত্তির একটায় বেরিয়েছি চেন্নাই থেকে, আড়াইটা নাগাদ ভেলোরে পৌঁছে দেখি তুমুল বৃষ্টি। ব্যস, তারপর কৃষ্ণগিরি, মাইসোর, সব জায়গায় বৃষ্টি পেলাম। হোটেলে পৌঁছে দেখি বনাসুরা সাগর লেকের ওপারে বৃষ্টি পড়ছে। আমার একটু সন্দেহ হলো, লবি ম্যানেজারকে জিগ্যেস করতে বললেন এই তো খানিক আগে শুরু হলো, তাতে আমি আর মেয়ে একসাথে বলে উঠলাম রব ম্যাকেনা!! :-)
  • কুণাল ঘোষ | ১৬ জুন ২০২৬ ০৭:১৮556118
  • শতরূপ বাদে আর সব কটা ঘোষই একেবারে চুমু।
     
    এরপর থেকে ইউনিয়ন রুমে ঘণ্টা পিছু ঘড় ভাড়া দেবার বন্দোবস্ত রাখলেই হবে। তাহলে আর পঁচাত্তর পঁচিশ ভাগ করতে হবে না। ঘর ভাড়া তোদের, আর ভর্তির তোলা ভাইপোর। ক্লিন ডিভিশন। কেউ কিছু বললেই সীমা দিদিমনিকে দেখিয়ে দেব। বকে দেবে।
     
    জগন্নাথ সংস্কৃতি মঞ্চেও সেরকম একটা ব্যবস্থা হতে পারে।
  • ✍️ সীমা ঘোষ। | ১৬ জুন ২০২৬ ০৬:৪৭556117
  • সাজিয়ে রেখেছি সব খাপে খাপ,তুমি চাখবে বলে।
    ১৪/৬/২৬

    মনে পড়ছে, কলকাতার একটি নামকরা স্কুলে একবার এক ছাত্রীর গার্জেন কল হয়, কারণ কী, না ছাত্রীর ব্যাগে কন্ট্রাসেপটিভ পিল পাওয়া গেছে। আর যায় কোথায় ? এরকম যৌন ব্যাভিচারী ছাত্রীকে স্কুল থেকে বের করে দিতেই হবে, গার্জেন কল তার প্রেক্ষাপট রচনা। বাবা মা বোঝাতে চেষ্টা করেন, ওটি ওর পিরিয়ড সমস্যার জন্য ডাক্তার প্রেসক্রাইব করেছেন। কিন্তু স্কুল কর্তৃপক্ষ এত সরল উত্তর মানতে চাইছিলেন না। যাই হোক, শেষমেশ কী হয়েছিল আমার মনে তা আমার নেই, কারণ এটি বহু আগের ঘটনা। কিন্তু,মনে আছে, পত্রিকায় এটি ঢের বিতর্ক তুলেছিল,( তখন এত সোস্যাল মিডিয়া ছিল না) আর সাহস করে কেউ কেউ লিখেছিল, গর্ভনিরোধক পিল যদি কোনো মেয়ে তার ব্যাগে রাখে, তবে তার বাস্তব বুদ্ধির প্রশংসা করা উচিত। কারণ, অবাঞ্ছিত কোনো সমস্যা ঠেকানোর জন্য এই কন্ট্রাসেপটিভ পিল ব্যবহার তার বাস্তবজ্ঞানের পরিচয়। 'আমার মেয়ে যদি এমনটা করে কখনো তবে আমি তার প্রশংসা করব' - হ্যাঁ,এমন সাহসী উচ্চারণ‌ও করতে দেখেছি কাউকে কাউকে।

    মনে আছে, ২০২৩ এ সম্ভবত সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজের সেই ইংরেজি সাহিত্যের মহিলা অধ্যাপক নিয়ে গার্জেনের অভিযোগ ? কী না, কোথাও বেড়াতে গিয়ে সুইমিং স্যুট পরে অধ্যাপক কোনো ফোটো পোস্ট করেছেন ফেসবুকে। তাই,ঐ কলেজের এক ছাত্রের বাবা মা চিন্তায় ঘুমোতে পারছেন না, তাঁর কলেজ পড়ুয়া ছেলের কচি মাথা বিগড়ে যাবে যে ! ছিঃ ছিঃ, সে যদি দেখে তার ম্যাম এরকম, '' অশ্লীল'' পোশাক পরে, তাহলে তার অধঃপতন কে রুখবে ? বাবা মা জানেই না, তার সন্তানটি আর দুগ্ধপোষ্য শিশুটি নেই ! যে ছেলের হাতে একটি অ্যান্ড্রয়েড ফোন আছে সে ছেলে যে রোজ রাতে পর্ণো দেখে, তার খবর‌ই এই সব " আধুনিক" বাবা মা রাখেন না। কাজেই মাথা বিগড়ে যাওয়ার কারণ, অধ্যাপকের ব্যক্তিগত জীবন শৈলী হতে পারে না, কিন্তু এ তাদের কে বোঝাবে ? এর চেয়ে বেশি ভাববার যা, তাই হলো, কলকাতা শহরের এই বিখ্যাত কলেজ, যেখানকার ঠাটবাট‌ই আলাদা, তাঁরা সেই অভিভাবকের অভিযোগকে মান্যতা দিয়ে পরিচালন কমিটির মিটিং বসান। আর মিটিং-এ সেই অভিযুক্ত অধ্যাপককে ডেকে, ফেসবুকের সেই সব ছবি স্ক্যান করে একটা একটা করে দেখিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। আমার মনে পড়েছিল, তপন সিনহার, "আদালত ও একটি মেয়ে" সিনেমার কথা। যে কোনো বিষয় নিয়ে সমাজের জ্যাঠামশাইরা একটি মেয়েকে নানাভাবে 'ধর্ষণ' করার 'আইনি' হক রাখে আজকেও। আর ভারতের বুকে সেই ভাবনা আরও গভীর হচ্ছে। যুক্তি তর্ক বোধ বিবর্জিত একটি যুবসমাজ সমাজ মাধ্যমে দাপাদাপি করছে প্রতিদিন !

    ঘটনাগুলো মনে পড়ছে, এই নিচের ছবিটি দেখে। আজকাল ক্ষমতাধরদের বিরোধী জব্দের একটা বড় হাতিয়ার, কন্ডোম আর খাট আবিষ্কার।

    যৌন‌-উপোসী ভারতীয় সমাজে যৌনতার ছুঁৎমার্গ এমন যে, আমার ছেলে পড়ত হোলি ক্রশ স্কুলে ( শিলচর )। সেখানে শিক্ষক বিজ্ঞানের বিশেষ চ্যাপ্টার, How do organisms reproduce" না পড়িয়েই কোর্স শেষ করেছিলেন। ছাত্রদের পরামর্শ দিয়েছিলেন,''ওটা বাড়িতে তোমরা নিজেরা পড়ে নিও। ''
    আশাকরি,সেই পরম্পরা এখনও টিকে আছে।

    খোদ কলকাতায় মহিলা শিক্ষকদের কোনো ব্যক্তিগত জীবন থাকবে কেন - এই প্রশ্ন কলেজের পরিচলন কমিটিতে আলোচ্য বিষয় হয়, কিংবা কোনো রাজনৈতিক নেত্রীর পার্টি অফিসে সুসজ্জিত মেক আপ রুমের সঙ্গে কন্ডোম পাওয়া গেছে, পাওয়া গেছে ম্যাসাজ মেশিন। আর যায় কোথায়, এতদিন পোশাক ত্রিপল ইত্যাদি আর আজ তো একেবারে হাতে গরম জিনিস। আর এটা নিয়ে টিভি চ্যানেলে সান্ধ্যকালীন খাপ বসে যাচ্ছে, তবে বুঝতেই হবে, যে দেশটাকে কণ্ডোম‌ই অপবিত্র করে তুলছে। 'সুনার বঙ্গালে' কালিপটকার প্যাকেটে ন্যাংটা মেয়ের ছবি থাকলে বাবা-মা অবশ্য তা নাবালক পুত্র কন্যাদের হাতে তুলে দিতে সংকোচ বোধ করেন না, সংকোচবোধ করেন না টিভির পর্দায় নানা অযৌক্তিক যৌন আবেদনমূলক বিজ্ঞাপন সংবাদ পরিবেশনের, " মাঞে মাঞে চালানো' হলে ছেলেমেয়েদের সঙ্গে সোফায় বসে দেখতে, তাঁরা এই 'কণ্ডোমে' কিন্তু লজ্জায় মরে যাচ্ছে। স্কুলের দিদিমণি, কলেজের অধ্যাপক সরকারি অসরকারি অফিসের লাঞ্চ ব্রেক হয়তো কণ্ডোমে হাত ধুয়ে পড়েছে ! আর আজকাল " জনরোষ" তৈরি শুধু আছড়ে পড়ার জন্য। এ জনরোষ দেশের আর কোনো খবর রাখে না যদিও।

    সত্যি আমরা বুড়ো হলাম, কিন্তু বড়ো হলাম না !
    ✍️ সীমা ঘোষ।
    ১৪/৬/২৬
  • . | ১৬ জুন ২০২৬ ০১:৫৯556116
  • বেলজিয়াম গোল শোধ করে দিলো।
    খেলার গতি দুর্দান্ত।
  • . | ১৬ জুন ২০২৬ ০১:৪৯556115
  • চৌঠা মে বলতে মনে পড়ল, তখন আর্মেনিয়াতে ঝটিকা সফরের গতিতে প্রচণ্ড বেড়াচ্ছি। তিন তারিখ রাতে হোটেলে ফিরেছি, দেদার ক্লান্ত হলেও একজিট পোল নিয়ে সাংঘাতিক কৌতূহলী আমরা দুজনেই।
    গুরু খুলতেই দেখি একজিট পোলের একটা লিংক এবং দাবী করা হচ্ছে যে এরা ৯৫% সঠিক রেজাল্ট বলে আসছে বিগত বেশ কয়েকটা নির্বাচনে। এরা নাকি পাবলিক কে জিগিয়েছে "দাদা না দিদি?"
    সেই বেসিসে একজিট পোলের রেজাল্ট। উরি বাপ্রে! কেন্দ্র ধরে ধরে রেজাল্ট বলে যাচ্ছে।
    তো বাঘু আমায় বলল — এই লোকটা কে?
    আমি বললাম এ লোক সঠিক একজিট পোলের মাস্টার।
    — আরে বাবা নামটা কী?
    তখন নাম বের করলাম।
    একটু পরে বাঘু নিজের ফোনে খুটখাট কীসব দেখে বলল — এ তো টিএমসির লোক!
    পরদিন যখন টুক টুক করে রেজাল্ট বের হতে শুরু করেছে... তখন তিনোরাই গেরুয়া আবির মেখে ঝাঁপিয়ে পড়েছে, সব অটো রিক্সায় টোটোয় তিনু পতাকা সরিয়ে বিজেপি পতাকা।
    আর এখন তো লট কে লট পাইকারি হারে এমেলে এম্পি জাম্প কাট মারছে।
  • . | ১৬ জুন ২০২৬ ০১:৩৪556114
  • কাবো ভের্দে ড্র করল স্পেনের সঙ্গে।
    ওদিকে ইজিপ্ট বেলজিয়াম ম‍্যাচে হাফ টাইম চলছে। ইজিপ্ট একটা গোল করেছে বুলেটের গতিতে। সেকেন হাফে খেলা কেমন জমে সেটাই দেখতে উদগ্রীব রয়েছি।
  • %~* | ১৬ জুন ২০২৬ ০১:১১556113
  • চটি চাটাদের পালের গোদাটা তো ফেবুতে বোরখার আড়ালে লুকিয়ে আছে ৪ মে-র পর থেকে। পাবলিক এমন স্বাগত জানাচ্ছে যে ফলো না করলে কমেন্ট অফ করে রাখতে হচ্ছে
  • . | ১৬ জুন ২০২৬ ০০:৪৫556112
  • এরাই বলত বা এখনও বলে যে চাড্ডি বা বিজেপি দেখলেই পেটাবে। তারপরে যার ওপর খার তাকে ঐসব দাগিয়ে নিজেদের জীবনের যাবতীয় ফ্রাস্ট্রেশন ভেন্ট আউট করে। এদের মুখে ন‍্যায়ের বাণী শুনলে ঘোড়ায়ও হাসবে।
    এখন নিজেরাই ডিম খাচ্ছে রোজ।
  • Manali Moulik | ১৬ জুন ২০২৬ ০০:০৪556111
  • @Syandi হ‍্যাঁ মনে আছে আপনার কমেন্টটি। খুবই দুর্দিন।
     
    ধুত্তোর দা/দি আমাকে ঠিক চিনেছেন।laugh
  • | ১৫ জুন ২০২৬ ২৩:৪১556110
  • তালিবানরা কিন্তু দিব্যি পোগোতিশীল। ভারতের বিশেষ বন্ধু তারা, বিদেশমন্ত্রী ক'্মাস আগে সে দেশে গেলেন, তাঁরাও এল, দিল্লীতে কোন এক সাংবাদিক সম্মেলনে মেয়েদের ঢুকতে দেওয়া হল না সেও হল, তারপর তারা গাড়ি হাঁকিয়ে ইউপি গেলেন যোগীজীর নাকের ডগা দিয়ে, গভঃ এর তখন খিল্লি হল খুব। তো এসব মনে হয় সিলেবাসের বাইরে, জানাই নেই মাখামাখি তাদের সঙ্গে কেমন। হয়ত তাদের এফেক্টেই এখন মূর্তিতে কাপড় পরানো। তালিবানি মানসিকতা টেনে আনলে হবে, গভঃ যখন তাদের তোল্লাই দিচ্ছে মহৎ জিওপলিটিকাল কারণে।
  • Dhuttor | ১৫ জুন ২০২৬ ২৩:২৯556108
  • আফনেরা এই নেকিমানালিকে একটুও পাত্তা দিয়েন না ত। আছোলা নেকিমি করে যায় পাত্তা পাবার জন্যি। ভেতরে ধড়িবাজ গিরগিটি৷
    তাচ্চে দিপচাড্ডি ডটচাড্ডির মতন ইভিল স্যাম্পলগুলোকে বিল্বিপত্তর শোঁকানোর ব্যাবস্তা করুন।
  • r2h | ১৫ জুন ২০২৬ ২৩:২২556107
  • ওদিকে এনসিপিআই আবিষ্কার হওয়ার পর বাংলা কাগজগুলি ছামনুর গুষ্টির তুষ্টি করে দিচ্ছে। কোথাও চৌমানু, কোথাও চাউমনু। এখনও পর্যন্ত চাউমিন চোখে পড়েনি অবশ্য।
    কী আশ্চর্য, সাম্বাদিক বিরাদরিতে একটু ত্রিপুরার লোকের সঙ্গে চেক করে নিলেও তো হয়।

    মনু নদী এবং গ্রাম, ব্লক, তার ছামনু, নাতি মনু, পুতিমনু- এইসব নদ নদী ও জায়গা আছে।

    ত্রিপুরার নদীগুলির নামগুলি সুন্দর। মুনমুন সেন যে রাইমা নদীর নামটি বঙ্গসমাজে বিখ্যাত করেছেন তাতে আমার বেশ আনন্দ হয়।
     
    রিয়া নামে কি নদী আছে? ত্রিপুরী মেয়েদের ঊর্দ্ধবাসকে রিয়া বলে জানি।
  • r2h | ১৫ জুন ২০২৬ ২৩:১১556106
  • আমার কাছে একটা কল আছে যাতে বাংলাপ্লেন থেকে ইউনিকোড হয়। দাঁড়াও দেখি ওটা কাজ করে কিনা, যদি করে তাহলে লিংটা দিচ্ছি।
  • শ্রাবণী | ১৫ জুন ২০২৬ ২৩:০৮556105
  • পুরনো গুরুর বাংলা এডিটরে লেখা বাংলাপ্লেন ফন্টে কীকরে কনভার্ট করা যায়?
    @এলসিএম/হুতো
  • r2h | ১৫ জুন ২০২৬ ২৩:০৭556104
  • অনলাইন তক্ক করে কিছু হয় কিনা- এইটা বন্ধুবৃত্তে একটা ফ্রিকোয়েন্ট তর্ক ছিল আজ থেকে বছর পনেরো আগে। তখনও বাংলাদেশে শাহবাগ হয়নি, সোশ্যাল মিডিয়ার রমরমা হয়নি, এদিক ওদিক ব্লগ টগ। এপারেও হোক কলরব হয়নি, তৃণমূল সদ্য ক্ষমতায়। ওদিকে আরব বসন্ত হয়ে গেছে, ইন্টারেনেটের ভূমিকাও আলোচিত, তবে পরবর্তীকালের সমালোচনাগুলি ভবিষ্যত। এমনকি বিজেপিও মসনদে বসেনি। তারপর তো কত কী হল, কত ঘাটে কত জল গড়ালো। ইন্টারনেট ট্রোল, পাইকারি স্প্যাম, হোয়াটসঅ্যাপ বিশ্ববিদ্যালয়। তো এখন ব্যাপার স্যাপার খুবই বড় লেভেলে। ইন্টারেনেটের প্রভাব, সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব- এইসব নিয়ে তো সন্দেহের কোন অবকাশই নেই আর। কিন্তু জিনিসপত্র এতই বড় হয়ে গেছে, যে ব্যক্তিগত স্তরে তর্ক করে কিছু হয় কিনা বোঝা মুশকিল। অনেক মুক্তচিন্তার ইন্ফ্লুয়েন্সাররা আছেন অনেক কন্টেন্ট যেগুলি ননকন্ফর্মিস্ট ইত্যাদি। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ার ফিড একটা খুব ঘোগের বাসা। ভুয়ো খবরের বিপক্ষে একটা রিল হয়তো লক্ষ লক্ষ লোক দেখলো- কিন্তু তারা হয়তো ঐগুলিই দেখে, যাদের একটু জ্ঞানাঞ্জন শলাকার খোঁচা দরকার ছিল তাদের কাছে হয়তো পৌঁছলোই না। কন্টেন্ট কিরকম ভাবে ঘুরিয়ে সেন্সর হয় তাও মজার- এই সপ্তাহেই খবর পড়লাম আনন্দ পটবর্ধনের সিনেমা ইউটিউব নামিয়ে দিয়েছিল। আবার সোশ্যাল মিডিয়ায় যারা খুব উপভোক্তা হিসেবে খুব সক্রিয়- তাদের মনোযোগের ব্যপ্তি নিয়ে আমার খুব সন্দেহ হয়। তো যাগ্গে, এইসব নানা কথা আরকি, অমীমাংসিত তর্ক সব নিজের মাথায়।

    সে হিসেবে মনে হয় নিজের বৃত্তে অন্তত নিজের কথা বলা টলা- এসব হলে তাও, হবে আর কী, কিন্তু মতামতের আদান প্রদান হওয়া সম্ভব।
    এই প্রসঙ্গে কাল মনে হচ্ছিল, বাইবেলে যিশুকে শেফার্ড বলাটা আমার ভয়ানক সুপ্রযুক্ত মনে হয়। জনতা তো গড্ডলিকা বই নয়। যখন একটা বিভেদমূলক হিংস্র ধরনের নেতৃত্ব থাকে, লোকে ঐ করে। যখন গান্ধীর মত কেউ আসে তখন আসমুদ্র হিমাচল লোকে অহিংস হয়ে যায়। যখন সিপুএম সরকারে থাকে তখন পাড়ায় পাড়ায় গণসঙ্গীত। তো একটা উদার দূরদৃষ্টিসম্পন্ন মেষপালক না থাকলে ভেড়ার দল ম্যা ম্যা করতে করতে ছোটাছুটি করবে।
    আমার এইটা মনে হচ্ছিল- যখন চাড্ডিরা সব জেএনইউতে কন্ডোম পাওয়া গেছে বলে হল্লা করলো তখন বাঙালীরা খুব হাসি ঠাটা করলো- চাড্ডিদের মাথায় গোবর। এখন যেই না বঙ্গে বিজেপি এলো ওমনি দেখা গেল সকল রকম আনাচ কানাচ থেকে খালি কন্ডোম উদ্ধার হচ্ছে। কার আলমারিতে একটা কন্ডোমের বাক্স বেরিয়েছে, হেডলাইন কন্ডোম উদ্ধার। নাকি ক্লাব ঘরে খাট উদ্ধার হয়েছে। কী আপদ নিতান্ত গরীব ক্লাব ঘরেও তাকিয়া তক্তপোষ থাকে, আগরতলায় একটা ক্লাব ছিল, তার নামই ছিল চৌকি সংঘ। কী, না, ক্লাবের একমাত্র সম্পত্তি ছিল একটা চৌকি, সেটা এখানে ওখানে পেতে সভ্যরা তাস পাশা খেলতো। যাগ্গে সে অন্য কথা, ক্লাব ঘরে খাট থাকা খুবই খারাপ নাহয় মেনে নিলাম, নাহলে লোকে আবার তৃণমূলের সমর্থক বলবে। কিন্তু মানে এ কি আজব ছ্যাবলামি চলছে, কন্ডোম তো না যেন পরমাণু বোমা। ওদিকে, আগেও একদিন লিখেছিলাম, খাপ, তালিবান, শরিয়া শুনে লোকে আঁতকে আঁতকে উঠে যেন শীতের রাতে বরফ জলের ছিটে, কিন্তু দেশে পুলিশ অভিযুক্তের কোমরে দড়ি বেঁধে কানে ধরিয়ে রাস্তায় প্যারেড করাচ্ছে- এতে ফুর্তির অন্ত নেই। পুশব্যাক নিয়ে যা হচ্ছে সেসব তো নাগরিক রেডারের বাইরে; বাইরেও না, কলকাতা শহরের লোক নো ম্যানস ল্যান্ডে উদ্ভ্রান্ত কিশোরীর আহাজারি শুনে বলছে এদের দিয়ে মেডিকেল কলেজের কংকাল বানানো হোক - এই সবই যেন একেবারে নাত্সিদের কার্বন কপি, কিন্তু সুশীল সমাজে শান্তি কল্যান। কী, না দুর্নীতি কমবে, শিল্প হবে, চাকরি হবে।
    তবে এই প্রসঙ্গে বারবার মনে পড়ে, এক আগমার্কা সিপিএম বন্ধু ফেলানির মৃত্যুকে প্রফেশনাল হ্যাজার্ড বলেছিলেন।
    তারপর আর ব্ন্ধুত্ব থাকেনি সে অন্য কথা, তবে মানুষের কাছে অন্য মানুষের জীবনের দাম বেশি না কোনকালেই।

    তো ঐ আরকি, সামান্য একটা দুটো, ইন ফ্যাকট দুটোও না, এই একটাই জায়গা বেঁচে আছে যেখানে এসব নিয়ে বিলাপ করা যায়।
    তাই সই।

    ও, জমা দিতে গ্যে মনে হল, কাল না পরশু দেখলাম মানালি জনৈক হমম কে ক দিয়েছেন। একবার ভাবলাম জিজ্ঞেস করি কেন, কী বুঝে। তারপর মনে হল মেহ, নেভার মান্ড, নো ওয়ান্ডার- ইত্যাদি। আর 'বুঝে' তো একেবারেই বিবেচনার বাইরে।
  • syandi | ১৫ জুন ২০২৬ ২২:৫২556103
  • @মানালি, বেশ কিছুদিন আগে CBSE- এর ইতিহাস বই-এর বিকৃতি নিয়ে কথা প্রসঙ্গে আমি লিখেছিলাম যে কেমিস্ট্রি বইতেও খুব চালাকির সঙ্গে উত্তরভারতীয় ফুড হ্য়াবিট বা নিরামিষভোজন প্রমোট করা হচ্ছে। আশা করি আমার কমেন্ট দেখেছেন। না দেখে থাকলে ২৬ মে ২০২৬ ০২:০০ এর কমেন্ট দেখে নিন।
  • :/ | ১৫ জুন ২০২৬ ২২:২১556102
  • এইটে একটু বাড়াবাড়ি হয়ে গেল। আম্রিগায় থাকা হামবড়া এনারাই যতই কুচ্ছো ও কোন্দলপ্রিয় হোক, সরল গোলগাল তালিবান অপেক্ষা তেনারা শ্রেয়। আধুনিকতার বড়াই করে বা না করে মুন্ডুকাটার মধ্যে বিশেষ কোনো পার্থক্য নাই। এন্ড অব দা ডে, কন্ধকাটা হয়ে ঘুরতে হবে।
  • . | ১৫ জুন ২০২৬ ২২:০০556101
  • "তাহলে কি তালিবানদের নিন্দা করে আমরাও তালিবানি হবার দিকেই এগোবো? "
    আমরা কম কীসে? কদিন আগেই তো আমার সম্বন্ধে সব ফাঁস করে দেবার হুমকি এখানে এসেছিল। এরা তো পণ্ডিত, অ‍্যামেরিকায় থাকে। তালিবানরা তো অত আধুনিক হবার বড়াই করে না। রোজকার আলোচনা দেখলে কি খুব প্রগতিশীল মনে হয়? আবার সেসব বললে সেই লোক বলে — এখানে আসা কেন?
    নানান নাম ভাঁড়িয়ে এসে যা করে, তার চেয়ে তালিবান ঢের ঢের ভালো।
  • | ১৫ জুন ২০২৬ ২০:৫৫556099
  • এরকম সত্যি একটা মূর্তি বানিয়েছিল, ২০২৩ এ। উনীজী কোন এক মণ্ডপম না কী যেন উদ্বোধন করেছিল, সেখানে ঐ মেয়েটির একটি রেপ্লিকা ছিল। রঙচঙে জামা কাপড় পরানো, সে যে কী কুৎসিত, মেয়েদের শরীরের প্রতি কী বা অপমান ! তো তখন থেকে মেয়েটির পেছনে সনাতনীরা লেগে আছে, থানকাপড় পরাবেই।
  • X | ১৫ জুন ২০২৬ ২০:৪৮556098
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত