রাইত আটটার ঝটকাআরে মশয় শোনেন, এখন তো আর ভাষণ নাই, এখন হইলো গিয়া ‘ইভেন্ট’! আমাগো আগের কারবার আছিল আলাদা। প্রধানমন্ত্রী মুখ খুললে আমরা বুঝতাম দেশটা বুঝি কোনো বড় বিপদে পড়ছে কি না। বুকটা একটু ধড়ফড় করলেও একটা ভরসা আছিল। আর এখন? এখন রাইত আটটা বাজলে যদি টিভির পর্দায় ওই চেনা মুখ আর ‘মেরা পেয়ারে দেশবাসীয়োঁ’ ডাক শুনেন, তাইলে বুঝবেন পকেটের শেষ সম্বলটুকুও বুঝি গিয়াছে! আমাগো রাজা মশয় তো আবার পুরাপুরি ডিজিটাল। সংসদ-ফংসদ এখন যাদুঘরে পাঠাইয়া দিছে, সব কাম এখন একলাই সারেন টিভির ক্যামেরার সামনে।আরে কর্তা, গণতন্ত্রে তো একটা ‘চেইন অফ কমান্ড’ থাকে, না কি? সংসদে গিয়া কথা কবেন, বিপক্ষ দল ... ...
প্রিয় উনিজি আবার একটা ভাষণ দিলেন। সুখের ব্যাপার, এবার ভয়ানক কিছু ঘটেনি। সারা দেশের সব নোট বাতিল হয়নি। কাউকে এসআইআরের লাইনে দ্বিতীয়বার দাঁড়াতে হবে, এরকম ঘোষণা হয়নি। এমনকি সিঁদুর নামক আরেকটা গুলবাজিও শুরু হয়নি। বরং শুনে চমকে গেলাম, যে, উনি দেশের মহিলাদের উদ্দেশ্যে ক্ষমা চেয়ে শুরু করলেন। প্রথমে ভেবেছিলাম, অবশেষে চৈতন্য হয়েছে। উনি হয়তো মনিপুরের নারীদের কাছে ক্ষমা চাইছেন। উন্নাও-হাথরাসের ধর্ষকদের মালা দেবার জন্য ক্ষমা চাইছেন। কিন্তু নাঃ, সেই আশায় জল। এই লেকচার কেবলমাত্র ডিলিমিটেশন এবং মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে, যেটা আটকে দিয়ে ডবল ইঞ্জিনের মুখে ডবল জুতো মেরেছে বিরোধীরা। তাই উনি বিরোধীদের হয়ে ক্ষমা চাইছেন। খুব আবেগ দিয়ে বললেন, ... ...
"প্ল্যানড্ অবসলেন্স" এর বাংলা আমি জানি না। মানেটা মোটামুটি এরকম বাংলায় - কোনও ভাবে (অবশ্যই ইচ্ছাকৃত) পণ্যের মধ্যে এমন একটা কিছু ঢুকিয়ে দেওয়া যাতে সেই পণ্য আর জোড়াতাপ্পি দিয়ে চালানো না যায়। আরও নতুন পণ্য বিক্রি, আরও লাভ, সেই লাভের টাকায় ফের অন্য নতুন পণ্য। এই কিছুদিন আগেও ফোনের ব্যাটারি বদলানো যেতো, এখন ব্যাটারি খারাপ হলে নতুন ফোন নেওয়াই সস্তা পড়ে। অনেকভাবেই এটা করা যায় - সবটা ঠিক প্রযুক্তিরও ব্যাপার নয়। নেট প্রভাবী তাঁর পুরানো ফোন ছুঁড়ে দিয়ে নিলেন নতুন ফোন... এই অবধি বোঝা তেমন কঠিন না। আমরা যারা মধ্য চল্লিশে পৌঁছে গেছি বা যাবো যাবো করছি ... ...
এই মুহূর্তে বাংলার রাস্তাঘাটে একমাত্র আলোচনার বিষয়বস্তু, গণমাধ্যমের শিরোনাম হওয়া উচিত SIR প্রক্রিয়ার বাদ যাওয়া লক্ষ লক্ষ বাঙালির হয়রানি। এখানে হচ্ছে না। অন্তত পৃথিবীর আর পাঁচটা সভ্য সুস্থ জাত হলে তাই-ই হতো। অবাক হওয়ার বয়স পেরিয়ে গ্যাছে - তবু সহনাগরিকদের উদাসীনতা দেখে অবাক হই। হ্যাঁ এই উদাসীনতা এই সময়ে - যখন কমবেশি তিরিশ লক্ষ মানুষ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন - বস্তুতঃ বিচার চলছে এঁদের নাগরিকত্বের। যাঁদের নাম উঠে গ্যাছে অন্তত কোলকাতা শহরে আমার পরিচিত বৃত্তে - এঁরা নিশ্চিত এই এতজন মানুষের কিছু না কিছু গণ্ডগোল আছে নথিতে। আমার নেই, আমি নিশ্চিন্ত। রবিবারে খাসির মাংসের দোকানে বেঁধে রাখা, তখনও জ্যান্ত খাসির কাঁঠাল ... ...
আমার জন্মদিন উপলক্ষে লেখা কয়েকটি কবিতাআপনাদের আশীর্বাদ প্রার্থনীয় জন্মদিনের উপহার ১৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ কলমে : সহেলি বন্দ্যোপাধ্যায় ও মেয়ে.. জন্মদিনে চাস কি?? একটা খোলা আকাশ.. একটু মুঠো বাতাস.. পাবো কি? ও মেয়ে জন্মদিনে চাস কি? একটা খোলা মাঠ… সবুজ ঘাসে ভরা… এপার ওপার দৌড়ে যাবো.. করবে না কেউ মানা…. পাবো কি?.. ও মেয়ে জন্মদিনে চাস কি? নিমগাছের তলা.. কামারপাড়ার ঘর.. সামনে মেঠো পথ.. পথের পাশে বাড়ি হলুদ দোতলা…. পাবো কি? ও মেয়ে জন্মদিনে চাস কি? বাড়ির মধ্যে ঘর.. ঘরের মধ্যে খাট.. পূবদিক্ রোদ্দুর.. মন যেনো সমুদ্দুর.. পাবো কি? ও মেয়ে জন্মদিনে চাস কি? বাবার ভারী স্বর.. মায়ের হাতের পায়েস… রেডিওতে আকাশবাণী.. ছোটবেলা হারিয়ে গেছে জানি.. ফিরে পাবো কি? আমার কথা শোন.. . জন্মদিনের উপহার পেতেই যদি হয়….ছেলেবেলা এমনি করেই ফিরিয়ে দিতে হয়.. ফিরিয়ে দাও না কেন?গোধূলি বেলায়.. কলমে সহেলি বন্দ্যোপাধ্যায় ১৮ ই এপ্রিল, ২০২৫ নীলচে আকাশ লালচে মেঘ লাগছে ... ...
◆ প্রথম কবিতা : ২২ শে ডিসেম্বর, ১৯৮৪ সালে অমর কবি গোলাম মোস্তফার জন্মদিনের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য বাংলাদেশের শৈলকুপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রামে কবির বাসভবনে। মহাদেব বিশ্বাস ছদ্মনামে। শ্রদ্ধার্ঘ্য: অমর জ্যোতি লেখক : মহাদেব বিশ্বাস (শংকর হালদার শৈলবালা) রচনাকাল : ২২ ডিসেম্বর ১৯৮৪ কবি গোলাম মোস্তফা, তুমি হৃদয়ের গভীরে—যেন অমূল্য রতন, চিরস্থায়ী ধ্রুবতারা।শৈলকুপা আর দুই বাংলার মুসলিম ভুবনে,সাহিত্যাকাশে তুমি জ্যোতির্ময় অনুপম ধারা। কোটি কোটি সালাম মুসলিম সমাজের আজি—যেন অনন্ত ভক্তি, ভালোবাসার অঞ্জলি সাজি।নবজাগরণের আলোক-দীপ্ত তুমি ছিলে—যেন আঁধারে প্রজ্জ্বলিত বিশ্বাসী মশাল। "বিশ্বনবী" কাব্যে তুমি বিশ্বজয়ী বীর—সাহিত্য-আঙিনায় অমর কীর্তির উজ্জ্বল সকাল।ইসলামী আর দেশাত্মবোধক ... ...
বাংলার নীরব জনপদ: এক রাজনৈতিক বিবর্তনের গল্প পশ্চিমবঙ্গের ২০২৬-এর নির্বাচনী আবহে এক অদ্ভুত নিস্তব্ধতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যে জনপদ রাজনৈতিক তর্কে আকাশ-বাতাস প্রকম্পিত করতে ভালোবাসে, আজ তার এই ‘সাইলেন্ট মোড’ রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কাছে এক বিরাট ধাঁধা। আপাতদৃষ্টিতে একে ‘প্রতিষ্ঠান বিরোধী’ হওয়া বলে মনে হলেও, গভীরে বিশ্লেষণ করলে বোঝা যায় এটি আসলে এক ধরণের রাজনৈতিক বিবর্তন। দুর্নীতি বা বেকারত্বের মতো জ্বলন্ত ইস্যুগুলোতে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত ক্ষোভ থাকলেও, প্রকাশ্য প্রতিবাদের মঞ্চে আজ এক আশ্চর্য শূন্যতা। এই নীরবতা কি তবে কোনো বিরাট ঝড়ের পূর্বাভাস, নাকি প্রচলিত রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রতি এক গভীর অনীহা ও মোহভঙ্গের প্রকাশ? এই নীরবতার একটি বড় কারণ হলো ‘পরীক্ষিত ইস্যুর পুনরাবৃত্তি’ ... ...
**ব্যাটল অফ বী** (Battle of the Bees) বা **তাঙ্গা’র যুদ্ধ** প্রথম বিশ্বযুদ্ধের একটি অত্যন্ত নাটকীয় এবং কিছুটা অদ্ভুত যুদ্ধ। এটি ১৯১৪ সালের ২ থেকে ৪ নভেম্বরের মধ্যে তৎকালীন জার্মান পূর্ব আফ্রিকায় (বর্তমান **তানজানিয়া**) ব্রিটিশ ও জার্মান বাহিনীর মধ্যে সংঘটিত হয়েছিল।ব্রিটিশদের লক্ষ্য ছিল ভারত মহাসাগরের তীরে অবস্থিত 'তাঙ্গা' বন্দরটি দখল করা। এটি করতে পারলে জার্মান পূর্ব আফ্রিকার একটি প্রধান রসদ পথ বন্ধ করে দেওয়া সম্ভব হতো। ব্রিটিশ জেনারেল আর্থার এইটকেন প্রায় ৮,০০০ ভারতীয় ও ব্রিটিশ সৈন্য নিয়ে এই আক্রমণ চালান।জার্মান বাহিনীর নেতৃত্বে ছিলেন বিখ্যাত জেনারেল **পল ফন লেটো-ভরবেক**। ব্রিটিশদের তুলনায় জার্মান বাহিনীর সৈন্য সংখ্যা ছিল অনেক কম (মাত্র ১,০০০ থেকে ১,১০০ ... ...
গণতন্ত্রের খুন্তি অয়ন মুখোপাধ্যায় আমাদের পাড়ায় হরিপদবাবু বলে এক ভদ্রলোক আছেন। ভদ্রলোক বলছি, কারণ তিনি নিজেই নিজেকে ভদ্রলোক বলে পরিচয় দেন। অন্যেরা কী বলে, তা নিয়ে তিনি বিশেষ একটা কিছু ভাবেন বলে মনে হয় না। সকালে দাঁত মাজতে মাজতেই দেশ বাঁচান, দুপুরে ভাত খেতে খেতেই গণতন্ত্র কে সরিয়ে দেন, আবার সন্ধেবেলায় চায়ের দোকানে চা খেতে খেতে সরকার বদলে ফেলেন। পরেরদিন আবার নতুন করে সরকার বসিয়ে দেন। এহ্যানো হরিপদবাবুর একটা বিশেষ গুণ আছে। পৃথিবীর যে-কোনও জটিল ঘটনার তিনি সহজ ব্যাখ্যা করে দিতে পারেন। পাড়ার মুদি দোকানে চিনি নেই—বিশ্বপুঁজির চক্রান্ত। পাশের বাড়ির বিড়াল তিনদিন ধরে ডাকছে—বন্যপ্রাণী সঙ্কট। একদিন নিজের ছাতা হারালেন। বললেন, “এটা নিছক ছাতা চুরি ... ...
নির্বাক ইশতেহারবাতাসে উড়ছে প্রতিশ্রুতির খইতুমি ভাবলে উৎসবের আবিরআর বুক ফুলিয়ে মেতে উঠলেএক রঙিন মিছিলে।আকাশে ঘুরছে SIR-এর চিলতুমি ভাবলে নিছক প্রশাসনিক ভুল,অথচ ভোটার তালিকার কাটাছেঁড়ায়তোমারই নাম আজ ‘রিজেক্টেড’ জঞ্জাল।এইভাবেই—তুমি আরজি করের রক্তকে ভেবেছিলে স্রেফ নিউজ ফিডতাই কাদা ছোড়াছুড়ির ভিড়ে বিচার হারিয়ে গেল।তুমি গিরগিটির প্রতিশ্রুতিকে ভেবেছিলে পাথরের দাগঅথচ দেখলে— অন্যান্য রাজ্যে সেই দাগ স্রেফ জলের আলপনা।তুমি দেখেছ— চিৎকার করে শুধু মান-সম্মান খোয়ানো সারটুনটুনির ফাঁকা বুলিতে আজ আর চিঁড়ে ভেজে না,তাই ‘মন্দের ভালো’র আশ্রয়ে তুমি এখন এক নীরব শিকার।ঘরে ফেরা মানুষটি জানে—যমুনার জলে প্রতিশ্রুতি ভাসে, আর গঙ্গার পাড়ে নামে অন্ধকার।"তোমাকে বোকা বললেপুরোটা বলা হলো না ওয়েস্টপেপার বাস্কেটরাও চিৎকার করে বলছে—"তোমার ইশতেহার তারা নিতে চায়না। ... ...
তোকে বোঝাতে পারিনি, আসলে যা বলতে চাই আমি...এখন কোথাও নেই, ভালবাসা খুঁজে যাচ্ছি আমি...তোকে ভাল বেসে বেসেউঠেছি স্বপ্নে ভেসেবোঝাতে পারিনি তোকে, ভালবাসি তোকে।আজ পাঠকের হাতে, তুলে দিচ্ছি তোকে লেখা আমার প্রথম সেই চিঠি—‘মনামী,হাওয়ারা মারপিট জানে?কেন রাত শুধু শুধু, শুধু শুধু তোকে টেনে আনে?ভাগ্য হাসছে আর কোথায়?ভাবছি জানি বদলে যাব, কাল কোনও অন্যমতো হাওয়ায়...ঘুরছি দূরে কাছে,কবিতার বারান্দায়, এখনও তোকেই পাই কাছে।নতুন ডাইরি কিনে ফিরি—তোকে নিয়ে লিখব আরও, যতটুকু যতদিন পারি... তোর সেই ‘ভালো ছাত্র’ ... ...
আগের পর্বগুলো জানতে এখানে পড়ুন। পর্ব ১, পর্ব ২, পর্ব ৩, পর্ব ৪, পর্ব ৫, পর্ব ৬, পর্ব ৭, পর্ব ৮। জেরুসালেম ৮৩ BCE, অ্যান্টিপেটার এর দিনলিপি আবার লিখছি অনেকদিন পরে | রাজা আলেক্সান্ডার ইয়ানাই আর রাণী সালোমে দুজনে মিলে ভালোই রাজ্য চালাচ্ছেন | ওদের জেরুসালেমের লোকে বলে লোহা আর মখমল | রাজা ঠিক করেছেন উনি ওর বাবা জন হিরকানুসের মতোই আবার যুদ্ধযাত্রা করবেন | রাজা ইয়ানাই এর ধারণা যেহেতু উনি ওনার ভাইয়ের মতোই নিজেও "ব্যাসিলাস" উপাধি নিলেন তাই ফারিসীরা ওনার উপরেও বেশ চটে আছেন | রাণী সালোমে চেষ্টা করছেন ওনার ভাই সাইমনকে পাশে নিয়ে ফারিসীদের রাগ কিছুটা কমাতে | ওদিকে গ্রীক বণিকদের কাছ থেকে গত ... ...
( ১৯ ) বাইকটা রাস্তার একধারে করল প্রসূন। দেবাশিস দাঁড়িয়ে পড়ল। বলল, ' এই চলে যাচ্ছে... কী আর বলব ? ' --- ' কেন প্রবলেমটা কী ? বাড়ির সবাই ঠিকঠাক আছে তো ? ' এরকম মুরুব্বির চালে প্রসূনকে কথা বলতে শুনে দেবাশিস মনে মনে হেসে ফেলল। তার ঠাকুরমার প্রায়শই আওড়ানো একটা প্রবচন মনে পড়ে গেল --- ছিল যত নলবুনে, হল গিয়ে কীত্তুনে...। শালা স্কুলে প্রত্যেকদিন বেঞ্চের ওপর কান ধরে দাঁড়াত প্রায় প্রত্যেক পিরিয়ডে। বড় হয়ে মকুন্দ মন্ডলের ভাতের হোটেলে টেবিলে টেবিলে ভাত ডাল দিত। এখন সেই মুকুন্দ হোটেলের ট্রেড লাইসেন্স রিনিউয়ালের জন্য প্রসূনকে ... ...
বাতাস এখন চুপ–দেখতে পাচ্ছি রাত্রিবেলার অন্যরকম রূপ, বাতাস যখন চুপ... আকাশ এখন ধীর–বিক্রি হচ্ছে ফড়িং এবং শহরজুড়ে ভিড়, আকাশ যখন ধীর... মাথায় এখন জল–আমার পাশে নানান রঙের বান্ধবীদের দল, চোখে হঠাৎ জল
(১)তোমার লাশের ওপর আরতি হবে,তোমাকে দেখিয়ে রোজগার;অলকানন্দা কী ফিরে পাবে প্রাণপ্রতারক যে শোধনাগার !? (২)ওঁতপেতে থাকো লক্ষণ-রেখা-পাশে মনোহরণ ভন্ড ছদ্মবেশে;সোনার হরিণ অলীক কল্পনা সীতামন তবু বোঝেনা ছলনা!! (৩)রামছাগল যে গুঁতোবেসেতো সবাই অবগত; তবে,ঘাস না খেয়ে ঘুষ খাওয়ামানে,আচ্ছে দিন সমাগত।। (৪)আজ, অস্তিত্বের সংকট নয় ভ্রান্ত -প্রান্তরে শুরু হায়েনার আনাগোনা;একটা জাতিকে নিঃস্ব করার হীন চক্রান্ত। সময়ের দাবি কে মান্যতা দিতে, আর নয় দোনোমনা।। ... ...
অনেক গুলো ১লা বৈশাখ এলো গেল -কই শুভ তো ফিরে এলো না! ফিরলো শুভ'র খুনীআমরা তাদের চিনিশুধু নিজেকেই আমরা চিনিনা।।
শব্দ দিয়ে শুরু না, গন্ধ দিয়ে শুরু। পোড়া কাঠের গন্ধ। গলা ঘির গন্ধ। রক্তের গন্ধ। যে রক্ত তখনো পড়েনি - কিন্তু জানি পড়বে। যজ্ঞ মানে বলি। মৃত্যু। মৃত্যু মানে শুরু। আমি সেই গন্ধের ভিতরে শুয়ে আছি। চোখ বন্ধ। হাত পা বাঁধা না। বাঁধা না, মুক্ত। কিন্তু আমি নড়ি না। আমি অপেক্ষা করি সেই মুহূর্তের - যখন মন্ত্র শেষ হবে। পুরোহিত আমার মাথায় হাত রাখবে। যখন আগুন জ্বলবে, এবং আমি ধোঁয়ায় মিশে যাব - অথবা জেগে উঠব নতুন রূপে। জেগে উঠি। চোখ খুলি। একটি উঁচু ছাদ। সোনার কাজ। দেবদেবীর মুখ তারা হাসছে - তারা তাকিয়ে। যেন জানে আমি মিথ্যে। নকল।। সোনার ... ...
হে কাল, অজেয় তুমি বহিতেছো ধারা তব স্রোতে ভেসে যায় কত শত প্রাণ, নক্ষত্র নিভিয়া যায়, নিভে সুখ তারা ধরণেরই ধুলি তলে সব অবসান। যৌবন কুসুম ঝরে অগোচরে, গর্বের প্রাসাদ গড়ে মহাকাল গ্রাস, অশনির অট্টহাসি শোনা যায় ডোরে মিথ্যা মরীচিকা সমএ জড় বিলাস। তবু কেন মানবের বৃথা এই রণ? প্রেমের প্রদীপ জ্বালো হৃদি-মাঝরাতে, ক্ষমা আর দয়া হোক জীবনের ধন ... ...
উত্তর পূর্ব দিল্লীর চাঁদনী চক ওয়ার্ডের পুরোনো দরিয়াগঞ্জের কুচা চেলান মহল্লা ছিল শিল্পী-কবি-সাহিত্যিকদের আড্ডা, ১৮৫৭ র মহাবিদ্রোহে দিল্লী পুনর্দখলের সময় সেখানে পরিকল্পিত গণহত্যা চালায় ইংরেজরা। কয়েকশো শিল্পী-কবি-সাহিত্যিকদের কোতল করা হয়। উর্দু কবিতার ঈশ্বর - খুদা এ শাকুন মীর তাকি মীর একসময় সেখানেই থাকতেন। এছাড়াও তিনি থাকতেন দিল্লীর চাঁদনী মহল আর মাটিয়া মহল্লায়। শায়েরদের মুরুব্বি ছাড়া চলে না তাই মীরকেও নানা মুরুব্বির আশ্রয়ে থাকতে হয়, সব বড় বড় সমজদার মুরুব্বি : ইতিমাদ দৌলা দুই, জাভেদ খান, রাজা নগর মহল, ইমাদ উল মুলক, রাজা যুগল কিশোর আর রাজা নগর মল। সবাই পড়তি মোঘল দরবারের আমির ওমরাহ। হ্যাঁ, পড়তি তো বটেই সেসময় কারণ ... ...
নেশার আড়ালে প্রেমলেখক : শংকর হালদার শৈলবালারচনাকাল : ১৪ এপ্রিল, ২০২৬ গাঁজা খেয়ে রাজা মত্ত হয়েছে রঙিন অলীক ঘোরে,আমি তো মজেছি তোমার নেশায়— মায়ার অটুট ডোরে।বিড়ি টানে যারা 'ছোটলোক' তারা? জগত রটাবে তাই—আমি তো তোমার কাজল-চাউনি হৃদয়ে মাখিতে চাই। সিগারেট ফুঁকে ভদ্রলোকেরা ধোঁয়ায় উড়ায় শোক,আমার কেবল বিরহ-দহন— দেখুক দুনিয়া লোক।খৈনি টিপে ওই বোকা মানুষেরা কাটায় অলস কাল,আমার সময় কাটে যে বুনে তোমার স্মৃতির জাল। নেশায় মাতাল জগত এখানে বিবিধ পাত্রে টানে,কেহ বা মজিল তামাক-রসে, কেহ বা সুরার গানে।ভদ্র ও ছোট— ভেদাভেদ সে তো মেকি সমাজের খেলা,সব নেশা হার মানে অনুরাগে নামে যবে সন্ধ্যাবেলা। তুমিই আমার আরক-আবেশ, তুমিই মায়াবী ধন্দ,তোমার প্রেমের ঘ্রাণেতে হারায় জগতের সব ... ...