এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • বড় গল্প গণতন্ত্রের খুন্তি অয়ন মুখোপাধ্যায়

    Ayan Mukhopadhyay লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৭ এপ্রিল ২০২৬ | ৫৬৩ বার পঠিত | রেটিং ৫ (৩ জন)
  • গণতন্ত্রের খুন্তি

    অয়ন মুখোপাধ্যায়

    আমাদের পাড়ায় হরিপদবাবু বলে এক ভদ্রলোক আছেন। ভদ্রলোক বলছি, কারণ তিনি নিজেই নিজেকে ভদ্রলোক বলে পরিচয় দেন। অন্যেরা কী বলে, তা নিয়ে তিনি বিশেষ একটা কিছু ভাবেন বলে মনে হয় না। সকালে দাঁত মাজতে মাজতেই দেশ বাঁচান, দুপুরে ভাত খেতে খেতেই গণতন্ত্র কে সরিয়ে দেন, আবার সন্ধেবেলায় চায়ের দোকানে চা খেতে খেতে সরকার বদলে ফেলেন। পরেরদিন আবার নতুন করে সরকার বসিয়ে দেন।

    এহ্যানো হরিপদবাবুর একটা বিশেষ গুণ আছে। পৃথিবীর যে-কোনও জটিল ঘটনার তিনি সহজ ব্যাখ্যা করে দিতে পারেন। পাড়ার মুদি দোকানে চিনি নেই—বিশ্বপুঁজির চক্রান্ত। পাশের বাড়ির বিড়াল তিনদিন ধরে ডাকছে—বন্যপ্রাণী সঙ্কট। একদিন নিজের ছাতা হারালেন। বললেন, “এটা নিছক ছাতা চুরি নয়, এটা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র গণতন্ত্রের ওপর আঘাত।”

    সেদিন বাজার থেকে ফিরছিলাম। হাতে পটল-টমেটো, আর মাথায় হালকা অন্ধকার। মোড়ে হরিপদবাবু আটকালেন। চোখে সেই জ্যোতি—আজই দেশ শেষ শেষ হয়ে যাবে আচমকা হরিপদ বাবু আমাকে বললেন বললেন, “তিনটে বড় ভুল হয়ে গেছে।”
    আমি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলাম তিনটে বড় বড় ভুল হয়ে গেছে ? উনি সঙ্গে সঙ্গে বললেন হ্যাঁ তিনটে বিশাল বড় ভুল হয়ে গেছে
     
    আমি চুপ করে দাঁড়ালাম। তিনি বললেন, “প্রথম ভুল মানুষকে বোকা ভাবা ঠিক নয়। দ্বিতীয় ভুল—সবাইকে খুশি করতে গিয়ে কাউকেই খুশি করতে না পারা। আর তিন নম্বর ভুল—ফাঁদ চিনতে না পারা।” হরিপদ বাবুর মুখ দেখে এই মারাত্মক তত্ত্ব গুলো শোনার পর দেখলাম আর দেরি করা ঠিক হবে না আজকে ছুটির দিন আমরা সোজা চলে গেলাম ‘মা তারা টি স্টল’-এ। পাড়ার ভাষায়—মন্ত্রিসভা। নিতাই আমাদের চা দেয়, বাকিরা দেশ চালায়। হাজির নির্মলবাবু, গণেশ মাছওয়ালা, ভীম।
    হরিপদবাবু বললেন, “মানুষকে বোকা ভাবা সবচেয়ে বড় ভুল। অন্যায় হলে মানুষ চুপ করে থাকে, কিন্তু ভুলে যায় না। অপমান জমা রাখে। মনে রাখবেন যে অত্যাচার করে সে ভুলে যায় কিন্তু যে অত্যাচারিত হয় সে কখনো ভুলতে পারে না”

    নির্মলবাবু চশমা নামিয়ে বললেন, “মানে সুদে-আসলে ফেরত দেয়?”
    হরিপদবাবু মাথা নাড়তে নাড়তে বললেন, “ একদম ঠিক ধরেছে নির্মল বাবু মানুষ ঠিক সময়ে, ঠিক জায়গায় সুদে আসলে ফেরত দেয়।”

    চা এল। হরিপদবাবু বললেন, “দ্বিতীয় ভুল—সবাইকে খুশি করতে যাওয়া। একটু ধর্ম, একটু সেকুলার, একটু এই, একটু ওই—শেষে দাঁড়ায় কী? মিক্সড ভেজিটেবল তরকারি।”

    ভীম হেসে বলল, “আমরা তো সবই সবকিছু খাই দাদা।”হরিপদবাবু বললেন, “খাওয়া আর বিশ্বাস এক জিনিস নয়। পেট অনেক কিছু মানে, কিন্তু ভোট দেওয়ার সময় মানুষের মাথায় আলাদা অঙ্ক। ”

    হরিপদ বাবু আমাদের দিকেএকটু ঝুঁকে এলেন। বললেন, “তৃতীয় ভুল—ফাঁদ না চেনা। তালিকায় নাম নেই, কাগজের জট এই ধরুন এসআইআর—এগুলো নিছক গাফিলতি নয়। এগুলোই এখন কাগুজে বাঘ হয়ে আপনার ঘাড়-মটকাতে এসেছে।”

    নিতাই ও সুযোগ বুঝে সুর মিলিয়ে বলল, “আমার খুড়তুতো ভাই নিজের অস্তিত্ব প্রমাণ করতে ঘুরছে।”
    কয়েক সেকেন্ড চুপ। আমি বুঝতে পারলাম সত্যি কথা খুব ছোট হয়, তাই বেশি লাগে।

    ক্লাবের ভেতরে পটলা বসে ছিল। বেকার, কিন্তু ব্যস্ত খুব। তাকে জিজ্ঞেস করলাম, “এ পটলা তুই কোন দলে?”
    সে বলল, “উন্নয়নের দলে।”
    আমি বললাম“কোথায় উন্নয়ন আর কারই বা উন্নয়ন?”
    পাল্টা পটলায় হাসতে হাসতে বলল, “আমার উন্নয়ন।”
    পটলা আরো বলতে লাগলো, “শুনুন দাদা ভোট এখন মতাদর্শ নয়, পুরোটাই ম্যানেজমেন্ট। ভোটের দিন ঘোষণা হওয়ার থেকে ভোট পড়া পর্যন্ত সবটাই ম্যানেজমেন্ট অফিসের কারসাজি কোন নেতা কোথায় দাঁড়াবে কি বলবে? কখন বলবে? এমনকি কোন কর্মী কোথায় থাকবে কোন বুথে থাকবে? মিছিলের সামনে কে থাকবে কারা কারা বাইক চালাবে ভোটের দিন কে বুড়ো মানুষ নিয়ে আসবে সব আগে থেকে অফিসের হাত ধরে ঠিক করা থাকে আর ভোটের দিন যারা ভোট করাতে পারবে তারাই জিতবে।।আর দেখছেন না সব পার্টি কেমন আইপ্যাক এর মতন টিম রাখছে।"

    আমি আমি বলতে শুরু করলাম “ কিন্তু সাধারণ মানুষ।.. ” পটলা আমার মুখের কথা কেড়ে নিয়ে বলল “সাধারণ মানুষ শালা সব বোঝে। যে মাল দেবে সাধারণ মানুষ তার তাইতো ভোটের আগে থেকে ভোটের দিন পর্যন্ত আমরা ঘিরে ঘিরে রাখি।”
    এই ‘আমরা’ শব্দটা শুনে আমারঅদ্ভুত ঠান্ডা লাগল। কারণ গণতন্ত্রে আমরা এই ছোট্ট শব্দটাই মাঝে মাঝে সবচেয়ে বড় হেঁয়ালি শুনতে লাগে।

    দুপুরে হরিপদবাবুর বাড়ি। হরিপদ বাবু স্ত্রী শৈলবালাদেবী ভাত বাড়ছেন। হরিপদবাবু বলছেন, “বুঝলে শৈল এবার আর পুরনো প্রতিশ্রুতিতে কোনো কাজ হবে না। মানুষের মনে অসংখ্য প্রশ্ন ”

    শৈলবালাদেবী থালা নামিয়ে বললেন, “মানুষ অনেকদিন ধরেই প্রশ্ন করছে। কিন্তু শুনছে কে”
    তিনি থামলেন না। বললেন, জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে গ্যাসের দাম পেট্রোলের দাম বাড়ছে, সংসার কষ্ট —এই বাস্তব টা না বুঝলে রাজনীতি বোঝা যায় না।”

    হরিপদবাবু চুপ। কারণ হরিপদবাবু জানেন এই বাড়ির আসল বিরোধী দল একজনই—শৈলবালাদেবী।

    ভোট উপলক্ষে পাড়ায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হল—“গণতন্ত্র ও গীতাঞ্জলি সন্ধ্যা”। নেতা এলেন। এবার বক্তৃতা দেওয়ার পালা সবশেষে নেতা বারবার করে বললেন, “আমরা উন্নয়ন করেছি।”

    পেছন থেকে কেউ বলল, “কোথায় উন্নয়ন?”
    নেতা বললেন, “সব জায়গায়।”

    হরিপদবাবু ফিসফিস করে বললেন, “যেখানে দেখা যাচ্ছে না, সেখানেই বেশি।”

    ভোটের আগের দিনগুলোতে পাড়া ব্যস্ত। ভীমকে সকালে গেরুয়া, বিকেলে সবুজ, রাতে লাল পতাকার তলায় দেখলাম।

    বললাম, “তুই কীসের প্রতীক?”
    সে বলল, “আমি জোট রাজনীতির।”

    ভোটের দিন লাইন পড়েছে। বয়স্কা মহিলারা দাঁড়িয়ে, যুবকেরা বাইক নিয়ে ঘুরছে, পটলার চোখে হিসেব।

    হরিপদবাবু ধুতি পরে বেরিয়েছেন। বললেন, “সব ভোট একরকম হয় না। কিছু মানুষ ভোট দেয় আশায়, কিছু মানুষ ভোট দেয় নেতাদের ওপ রাগ করে, কিছু ভোট আবার হিসেবের। আর কিছু ভোট শুধু বলে—আপনাদের উপর আর ভরসা নেই।”

    সন্ধে নামল। ফল বেরোয়নি, কিন্তু সবাই মনে মনে নিজের অঙ্ক কষছে।

    রাতে শৈলবালাদেবী হরিপদ বাবুকে ঝাঁঝ মেরে বললেন, “দেশ নিয়ে ভাবতে সবাই ভালোবাসে। জল তোলার মেশিন খারাপ হয়ে গেলে তিনদিন পড়ে থাকে।তখন তোমার এই হুঁশ কোথায় থাকে এখন দেশ বাঁচাবো দেশ বাঁচানো বললে হবে আগে নিজের ঘর কে বাঁচাও" এরপর ঘর থেকে বেশ কিছু ঝনঝন দুমদাম শব্দ আসছিল সেগুলো আমি আর বলছি না। যাইহোক কিছুক্ষণ পর হরিপদ বাবু বাইরে এলেন
     
    আমি হেসে বললাম, “তা হলে এবার ভোটে কি কিছু পরিবর্তন হবে? কি বুঝছেন?”
    উনি দার্শনিকের মত উত্তর দিলেন, “পরিবর্তন পরিবর্তন সবকিছুরই একদিন পরিবর্তন হবে এটাই তো জগতের নিয়ম কিন্তু সব পরিবর্তনই ধীরে ধীরে হয়। আর আমরা ভুল লোকদের দেখে ঠিক লোকের চিনতে পারি।”

    ক্লাবের সামনে ছেলেরা খিচুড়ি খাচ্ছে। কারও গায়ে গেরুয়া রং, কারও গায় সবুজ এর ঝলকানি, কারও গায় আবার টি-শার্টে চে গুয়েভারার ছবি। কিন্তু সকলের হাতে প্লাস্টিকের প্লেটে খিচুড়ি, আর মুখে রাজনীতির গল্প।

    হঠাৎ মনে হল—এই রাজ্যটাই যেন একটা হাঁড়ি। চাল আছে -ডাল আছে, নুন ও আছে তবে কখনও তা কম, কখনও বেশি। একেই আবার ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে কেউ কেউ বলেন ঐতিহ্য, কেউ কেউ বলেন বিপর্যয়। অংকটা হল এত কিছুর পরেও সবাই কিন্তু খায়। কেউ সামনে খায় কেউ আবার গোপনে খায় কিন্তু খবর একটাই সবাই কিন্তু খাচ্ছে। তবে এখানে পার্থক্য আছে—এই খিচুড়ি কিন্তু নিজে নিজে নাড়ে না। কেউ না কেউ খুন্তি ধরে নাড়ায়। আর আমরা বেশিরভাগ মানুষ সময় সময় হাঁড়ির ধারের গন্ধ নিই, ঝগড়া করি, মারামারি করি তারপর লাইনে দাঁড়িয়ে খিচুড়ি খাবার জন্য খালি প্লেট হাতে দাঁড়িয়ে থাকি।

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। দ্বিধা না করে মতামত দিন