কাল রাতে বহু বার দেখা সিনেমা "গল্প হলেও সত্যি" আবার দেখছিলাম। আমাদের বিশেষ করে বাঙালিদের ইন্টালেকচুয়াল হবার মধ্যে একটা প্রছন্ন গর্ব থাকে। তাই কোন সাধারণ মানুষের সাধারণ কাজকে তথাকথিত ইন্টালেকচুয়ালরা তাচ্ছিল্য করেন। সিনেমাতেও দেখি ভানু বন্দোপাধ্যায়-এর ইন্টালেকচুয়াল ভাইপো তাচ্ছিল্য করে বলত নন্ ইন্টালেকচুয়ালদের মতো কাজ! এই ব্যাপারটি কে ভানুবাবু অসাধারণ ভাবে ব্যঙ্গ করেছেন। যখন তার ইন্টালেকচুয়াল ভাইপো জিগ্যেস করছেন ছোটকাকা তুুমি কি করছ? ভানু অবলীলায় উত্তর দেন : নন্ ইন্টালেকচুয়ালদের মতো বিড়ি টানছি!সত্যি তথাকথিত ইন্টালেকচুয়ালরা তাদের উন্নাসিক মনোভাবের জন্য কখন যে সাধারণ মানুষের জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যান তা তারা নিজেরাই বোঝেন না। সব ব্যাপারে নিজেরাই শেষ কথা বলবেন তা কি ... ...
নৃত্যের তালে তালে, ইতিহাস কথাবলে: -- লিখেছেন Lipikaa Ghoshপ্রাচীন কাল থেকে নৃত্য ভারতীয় সংস্কৃতির ঐতিহ্য। পুরোটা পড়ুন
প্রতিবার শীতকালে এইচ জি ওয়েলসের লেখা 'ওয়ার অব দ্য ওয়ার্ল্ডস্' উপন্যাসের কথা মনে পড়ে যায় আমার। শীত পড়ার আগে থেকে রোদে দিয়ে রাখা কম্বলের গায়ে কেচে রাখা ওয়ার পরানো নিয়েই আর কি! ওয়ার পরাতে পরাতে রীতিমতো ওয়ারই বেধে যাবার জোগাড়।
যতদূর অন্ধকারের শিরা উপশিরা ডুবে যায় নির্জন আলোর ভিতরে, / রাতের গভীরে চুপে স্বর্গের নির্ঘুম চিৎকার -
শহরটার প্রতিদিন আলাদা রূপ আবিষ্কার করি আমি। বড্ড রঙ পালটায় আমার তিলোত্তমা। সে কখনও খুব কাঁদে, আবার কখনও মন খুলে হাসে। যেমন বিচ্ছেদ করে, তেমনি আবার প্রাণ দিয়ে ভালোওবাসে। তাই হয়ত আমার শহরের অনেক রূপ। একভাবে তাকে বর্ণনা করা বড় কঠিন কাজ।
মার্কেট কী করে কাঁপানো যেতে পারে? সোস্যাল মিডিয়াতে ঝড় তুলে দেওয়া যায় কী করে? কী করলে সবার মনে হবে যে আমি ফাটিয়ে দিচ্ছি? হাসবেন না। গভীর সমস্যা এটা। সাজেশান প্লিজ।
নাঃ! এবারও হল না! অশোকদা যখন একের পর এক, কে কোন চরিত্রে বলে যাচ্ছে আর ওরটা পার করে আরও খানিক এগিয়ে গেছে, তখন অনেকদিন বাদে পার্থর সহদেবদার মুখটা মনে পড়ে গেল। সহদেবদা ওদের বাড়িতে দুধ দিত। শুধু ওদের বাড়ি কেন, বস্তুত ওদের পাড়ার বেশির ভাগ বাড়িতেই ভোরবেলা মানে সহদেবদা। বড়দের ভাষায় সহদেব গোয়ালার একচেটিয়া মৌরসিপাট্টা। ... ...
(আজকাল খুব ভয়েভয়ে থাকি) সত্তর সালের মাঝামাঝি, সদ্য শেষ হয়েছে রেল স্ট্রাইক, আর ক'দিন পর ঘোষণা হবে কুখ্যাত স্টেট এমার্জেন্সির নোটিফিকেশন, এটা সেই সময়ের কথা - জায়গাটি গৌহাটিতে উত্তর পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের প্রধান কার্যালয়, মালিগাঁওয়ের রেলওয়ে ইন্সটিটিউট। সেখানে উল্লেখিত দুটি ঘটনার ঠিক মাঝখানের সময়টুকুতে বিভিন্ন জায়গা থেকে আসা দলের একাধিক একাঙ্ক নাটক দেখেছিলাম। নাটকগুলো কি ছিল, কেমন ছিল, তার অধিকাংশই আজ আর মনে নেই। ... ...
এলগিন মোড়ে বাসের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে আছি। হাঁটার পথটা পেরিয়ে এসে আমার প্রিয় বাসের জন্য অপেক্ষা করছি। এদিক ওদিক দিয়ে নানারকম যানবাহনের আপন গতিতে ছুটে চলা দেখতে বেশ ভালোই লাগে এই সময়টা। পাশে নানা লোকজনের নানা রকম মুখের ভাজ দেখতে আরও ভালো লাগে। মুখের ভাঁজ গুলো অনেক রকমের হয়। যেমন বাস দেরি করে আসার একরকম ভাঁজ আবার বাস মিস হয়ে যাবার আর এক রকম ভাঁজ। নানা-রকম ভাঁজের মাঝে নিজেকেও গুলিয়ে ফেলি মাঝে মাঝেই। কারণ আমারও বিরক্ত লাগে বাসের জন্য দশ মিনিটের বেশি দাঁড়াতে। আজ সেই বিরক্তিই হচ্ছিল। প্রায় পনের মিনিট দাড়িয়েও বাসের দেখা পাচ্ছি না। মনে মনে রাগও ধরছে। ... ...
রুমির কবিতা পড়তে গিয়ে লোকে যেখানে ভুল করে তা হলো অত্যাধিক পরিমাণে ভালোবাসা জাতীয় শব্দ দেখে মনে হতে পারে এ কেবল মানব মানবীর প্রেম আর তাই নিয়েই যত আলোচনা কিন্তু এই সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া মারাত্মক ভুল। এই ভালোবাসা, এই বিরহ কেবল সৃষ্টি ও স্রস্টার মধ্যকার এসব কোনো পার্থিব ভালোবাসা নয় বরং ঐশ্বরিক!রুমির কবিতার অনেক বৈশিষ্ট্যের মধ্যে অন্যতম হলো খুব বেশি পরিমাণে সুন্দর সুন্দর উপমার ব্যবহার আর এর স্বার্থকতা গগণচুম্বি!সবচেয়ে যে বিষয়টি আরো টানে তা হলো আপনি যতই মনোযোগ সহকারে পড়েন না কেনো পড়ার শেষে মনে হবে আমি ঠিক বুঝলাম তো নাকি?না আরো মূল্যবান কিছু লুক্কায়িত রয়ে গেলো আমার অজান্তে যা ... ...
ভালবেসে ভালবাসার প্রতিদিনের রোজনামচায় থাকাটা সমাজের নির্মাণ। নাকি সেটা আসলে আত্মপ্রেম প্রতিদিনের আত্মপ্রত্যয়। নিজেকে খুঁজে পাওয়া.. প্রতিদিনের থোড় বড়ি খাড়া প্রেম কিংবা রাঁধার পর খাওয়া নয়তো খাওয়ার পর রাঁধা সম্পর্কের অভ্যাসটা আপাতদৃষ্টিতে সুখের সংজ্ঞা হলেও সে সুখ বোধ হয় কেউ কেউ চায়না তাই তো "সুখে থাকতে ভুতে কিলোয়"। এলোমেলো ভাবনার ভুত। স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় অনুভুতি গুলোর চাওয়া পাওয়ার সাথে সাথে আমার মধ্যেও অন্য একটা আমি আছে। ভালবাসাটাও নিজের কাছে নিজের অ্যাসাইনমেন্ট। "মধুর তোমার শেষ যে না পাই... " ... ...