থেকে যায় কথা,থেকে যায় হাসি,শুধু থাকেনা মানুষটি। থেকে যায় ব্যথা,থেকে যায় স্মৃতি,শুধু থাকেনা মানুষটি। থেকে যায় ভালোবাসা, থেকে যায় আকাঙ্খা, শুধু থাকেনা মানুষটি। থেকে যায় মত বিনিময়, থেকে যায় কথা কাটাকাটি, শুধু থাকেনা মানুষটি। থেকে যায় বুকচাপা দুঃখ, থেকে যায় না প্রকাশ করা কথা, শুধু থাকেনা মানুষটি। থেকে যায় মিলনের গান, থেকে যায় বিরহের হাহাকার ... ...
মেঘ বলেছে যাব, যাব, রাত বলেছে যাই। সাগর বলে কূল মিলেছে, আমি তো আর নাই। মাথার মধ্যে হয়তো গানটা নরম, নরম ওয়াটার কালারের মতই গুলছিল, সেই ছোটবেলায় দেখা দীঘার সমুদ্রের পাড় জুড়ে এক নির্মেদ বৃষ্টি। সফেদ, সফেদ সাদা কুয়াশার মতন তখন হয়তো রং। সমুদ্রের ঘণ নীলের ডানা, হয়তো তখন সেই নীরব কিন্তু সুপার্ব এক সাদা ... ...
|| ৩. হিন্দুরা কি উদার এবং পরধর্ম সহিষ্ণু? ||এই বর্তমান পর্যায়ে, অর্থাৎ, বিশ শতকের প্রথমার্ধে ব্রিটিশ শাসকের আশঙ্কাকে সত্য প্রমাণ করে স্বাধীনতা আন্দোলনের যে জোয়ার আসে, যার পরিণতিতে অবশেষে ১৯৪৭ সালে দেশ স্বাধীন হয়, তার মধ্যেই বহু খেপে হিন্দু মুসলিম সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা একটা নৈমিত্তিক অ্যাজেন্ডায় পর্যবসিত হয়। আর তাতে ধুনো দেবার প্রয়োজনে ক্রমাগত বেশ কয়েকটি হিন্দু মিথের নির্মাণ ... ...
সে রাতের সেই স্বপ্নের কথা আমি আজও ভুলতে পারিনা। সে স্বপ্ন দেখার পর জীবনে আমার কী পরিবর্তন হল তার বর্ণনা করাই এ কবিতার মূল কথা। তুমি আমার স্বপ্নে এসে বলেছিলে যে,তুমি নাকি আমার সন্তান হয়ে আসছ। এমন কথা শুনে আমি কয়েক মুহূর্তের জন্য ভুলেছিলাম - সত্য মিথ্যা ভালো মন্দ স্বর্গ নরক ঈশ্বর শয়তান ... ...
এ বুকে ওঠে অনেক সূর্য চাঁদ তারা, কিন্তু তাদের আলোয় হৃদয় আলো হয় না।এ বুকে ঝরে পড়ে অনেক মেঘ হতে বৃষ্টি, কিন্তু তার ফলেও হৃদয়ে আসে না এতটুকু শান্তি। এ বুকে বয়ে চলে ধীর গতিতে নদী, কিন্তু তাতে তরী ভাসিয়েও না পাই কূল না পাই স্বস্তি। এ বুকে বিদ্যুতের ঝলক ... ...
ডাব্লুবিসিএস পরীক্ষায় বাংলা বাধ্যতামূলক হবার পরই চারদিকে শোনা যাচ্ছে, এতে নাকি প্রচুর অসুবিধে। কথাটা ঠিকই, যাঁরা বাংলা বলতে, লিখতে, পড়তে পারেননা, এতে তাঁদের চাকরি পেতে খুবই অসুবিধে হবে। কিন্তু সমস্যা হল, তাঁরা বাংলা না জানলে আবার জনতার অসুবিধে। এ তো ইংরেজ আমল না, যে, বিলেত গিয়ে খ্যাটখ্যাটে ইংরিজিতে পরীক্ষা দিলেই কেল্লা ফতে ... ...
একদিন মাটির ভিতর বাস হবে, এ মানব সংসার ত্যাগ করে মাটির জগতে যেতে হবে। ও মন থাকবে পড়ে নিজের বাড়িথাকতে হবে মাটির ভিতর রে- যাবে না অর্থ খ্যাতি যশ মান এ দেহের সাথে। ও মনধরবে যখন দেহে
যখন আমি আর থাকব না তোমাদের মাঝে,তখন আমার নাম কি আর মনে রাখবে? আর কি আমায় নিয়ে করবে আলোচনা তোমাদের ব্যস্ত জীবনের ফাঁকে? বিদায় নিলেও চাঁদ- লোকে ভোলে না তবু তার জোছনা। বাসি হলেও নিজ সৌরভ ধরে রাখে ফুল, হোক না তা হালকা
গত কয়েক দশক ধরে কেন্দ্রীয় ভাবে এবং একাধিক রাজ্য স্তরে গেরুয়া প্রভাব ও শাসনের বিস্তারের ফলে হিন্দুত্ববাদ তথা হিন্দু ধর্মের ক্রমশ প্রকট আগ্রাসী রূপ সম্পর্কে বিচার বিশ্লেষণ করা সমাজ কর্মী ও ভাবুকদের তরফে এই মুহূর্তের এক আদর্শগত দায় হয়ে পড়েছে। সাধারণভাবে আমরা হিন্দুধর্ম বলতে যা বুঝি এবং দেখি—ধর্ম সংক্রান্ত বৈজ্ঞানিক যুক্তিবাদী তর্ক আপাতত পাশে সরিয়ে রেখে বলছি—তার মধ্যে ... ...
Utterly confused উদ্ভট এক জীব। পড়াশোনায় কাঁচা। পড়তে ভালোই লাগে। খামখেয়ালি। সঙ্গীত চর্চা করি। গান তৈরি করে থাকি। লেখালেখিও করি।
আজি দক্ষিণ দুয়ারে তালামুদ্রা শো, পেশি শো, রোড শোতবু 'হুল ফোটানোর জ্বালা -ভোলার,দাবাই বলে দিল 'জো'।
এরপর আশুরা অন্য শহরে চলে এল, যেটা কিনা কলকাতার বেশ কাছাকাছি। এই সময় হটাৎই তাঁর বাবা মেয়ে ও ছেলের ভবিষ্যত নিয়ে বিশেষ ভাবে চিন্তিত হয়ে পড়েন। ঠিক করেন দুজনকেই হোস্টেলে রেখে পড়াশুনা করাবেন সেই মতো দুজনেই চলে গেল দুটি হোস্টেলে। সেখানে আশু শুরুটা খারাপ করলেও,ধীরে ধীরে পড়াশুনায় মনোযোগী
আকাশে মেঘেরাই প্রকৃত সুখী। আসলে ওরা অলস কোনো কাজ করে না। সারা দিন রাত ধরে শুধু ভেসে বেড়ায়ওদের কোনো ভাবনা নেই চিন্তা নেই। পৃথিবীর লক্ষ কোটি জীবের কোনো খোঁজখবর রাখে না,কে মরল কে বাঁচল এসবও না। নিজের খেয়ালেই এ প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে
তোমার মধ্যে আমি আটকে গেছিএকেবারেই আটকে গেছি।কিছুতেই বেরোতে পারছি নাশতচেষ্টা করেও নয়।আসলে আজ তোমার ফটোটার সামনে দাঁড়িয়েশুধু ভাবছি পুরনো দিনের কথা।সেই ফেলে আসা দিনের স্মৃতিগুলোমনকে নাড়িয়ে দিচ্ছে।তোমার আর আমার কত কথা,কত ভালোবাসার ছবি দেখতে পাচ্ছি।কিন্তু এ দেখার পিছনে আরও যেন কিছু দেখতে পাচ্ছিঠিক বুঝতে পারছি নাখুব আবছা লাগছে।তুমি কী জাদু জানো বলো তো?আমায় ছাড়ো এবার।আর আটকে রাখলে হবে?না: তুমি দেখছি ছাড়বেই না-একেবারে সঙ্গে করেই রেখে দেবে।এই যে কী করছ কী?তোমার হাতে ছুড়ি!কেন কী করবে এটা দিয়ে?পাগল নাকি তুমি?মাথা খারাপ হয়ে গেল তোমার?আরে.... আমার গলায় বসাচ্ছ কেন ওটা?আ......আ......।হঠাৎ ঘুমটা ভেঙে গেল।শুনলাম বড়ো দেওয়াল ঘড়িটায় দুটো বাজল।ধড়মড়িয়ে উঠে বসলাম বিছানায়।সারা শরীর ঘেমে একাকার,যদিও মাথার ... ...
মহাকাশে মেঘেরাই প্রকৃত সুখী। আসলে ওরা অলস কোনো কাজ করে না। সারা দিন রাত ধরে শুধু ভেসে বেড়ায়ওদের কোনো ভাবনা নেই চিন্তা নেই। পৃথিবীর লক্ষ কোটি জীবের কোনো খোঁজখবর রাখে না, কে মরল কে বাঁচল এসবও না। নিজের খেয়ালেই এ প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে পাড়ি জমায়-বারণ করার কেউ
দুঃখ আছে বলেই তো সুখের আশায় থাকি, কৃষ্ণকে পাবো না জেনেও তো কৃষ্ণের নাম জপি। মাঝ সাগরে হারিয়ে গিয়েই তো কূলের আশায় থাকি, পাবোনা কোনো উত্তর জেনেও তো আকাশকে চিঠি লিখি
রাশিচক্রে কার কখন রাহু হয়, কার কখন কেতু, বলা মুশকিল। কিছুদিন আগে পাঁচ সংখ্যাটার শনির দশা যাচ্ছিল। তখন পাঁচশ(নি) টাকার সব নোটের রঙ কালো হয়ে যাওয়ায় বাতিল করতে হয়েছিল। সেই সময় তুঙ্গে বৃহস্পতি ছিল দুই এর। পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথমবারের মতো দু-হাজারের নোটে বসছিল হাইফাই মাইক্রোচিপ। এমনকি কোনো কোনো নোট তো স্যাটেলাইটের সঙ্গেও যোগাযোগ করতে পারত। শ্রীফেকুর পরামর্শে সেই সময় পাঁচকে পলা ধারণ করানো ... ...
শাহরিয়ার চলে যাবার পর লাহোরের কেল্লায় নিজেও ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন জাহাঙ্গীর। পথে চলমান তাঁবু থামল বাহরামগল্লা বলে এক অপূর্ব জায়গায়। কাছেই এক জলপ্রপাত যার সফেন জল ধোঁয়ার মতো ওড়ে আর সকালে, দিনে, রাতে নানান রূপ বদলায়। রামধনুও দেখা যেতে পারে। সে নানান রঙ আর তার কল্পনা কি চাঙ্গা করছে শাহেনশাহের দিল? না হলে তিনি কেন সুস্থ বোধ করবেন যাবেন ... ...
আমি তোমাকে সর্বত্র খুঁজেছি।গোটা বিশ্ব স্বর্গ পাতাল মহাকাশ সূর্য চন্দ্র এমনকি লক্ষ কোটি তারাতেও-কিন্তু কোথাও পাইনি।কোথাও তুমি নেই।তোমার কি মৃত্যু হয়েছে নাকি তুমি নতুন করে জন্মগ্ৰহণ করবে?এসবের কোনো খবর নেই আমার কাছে।আসলে আমার নাম 'সময়'।এই বিশ্ব ব্রম্ভান্ড যখন সৃষ্টি হল তখন আমারও যাত্রা শুরু হল
ভরসা একজোড়া বুলবুলি পাখি 'বেসিকের' লিচু গাছে বাসা বেঁধেছে। কখনও কখনও, খুুব ভালো করে সুবিশাল পৃথিবীতে ;তাদের সামান্য সংসার প্রত্যক্ষ করি। বিকেলের ঝর দেখতে দেখতে মনে হতে থাকে- পাখিরা সব ডালে বাসা বাঁধে না। যে ডাল ভরসার যোগ্য, তাতেই তাদের সংসারের আশ্রয়। ~। শুভঙ্কর বৃক্ষ