• টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। যে কোনো নতুন আলোচনা শুরু করার আগে পুরোনো লিস্টি ধরে একবার একই বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে কিনা দেখে নিলে ভালো হয়। পড়ুন, আর নতুন আলোচনা শুরু করার জন্য "নতুন আলোচনা" বোতামে ক্লিক করুন। দেখবেন বাংলা লেখার মতো নিজের মতামতকে জগৎসভায় ছড়িয়ে দেওয়াও জলের মতো সোজা।
  • পুরনো বাংলা (যখন তিনোমুল ছিলোনা, এমনকি সিপিয়েম ও না)

    Blank
    বিভাগ : অন্যান্য | ২৪ মার্চ ২০১০ | ১৮৩ বার পঠিত
আরও পড়ুন
এ¾ট্রী - Blank
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1 | 2 | 3 | 4 | 5 | 6 | 7 | 8
  • kallol | 115.242.228.203 | ০১ জুন ২০১১ ১৯:৫৩442959
  • তখন মোট্টেও সিপিয়েম ছিলো না। তখন ডানপন্থী কম্যুনিষ্ট পার্টি আর বামপন্থী কম্যুনিষ্ট পার্টি ছিলো। ঝ্যালঝ্যালে হাতা গোটানো পাঞ্জাবী, বড় ঘেরের পাজামা উলুকঝুলুক দাড়ি আর বিড়িমুখে, মার্কস ফ্রয়েড আর ইয়ুং নিয়ে ফাটাফাটি তক্কো করতো, শান্তিনিকেতনি ঝোলায় সুতলি দড়ির লাল-সাদা পেটো নিয়ে মিছিলে যেতো। ক্রুশ্চভকে গাল পাড়তো। মনুমেন্টে মিটিংএর দিন পাড়ার বাড়িতে বাড়িতে বৌদি-কাকীমা-মাসীমা-পিসিমাদের কাছে চারটে রুটি আর আলুরদমের বায়না করতো। তখন সিপিয়েম মোট্টেও ছিলো না। হ্যাঁ, ডানপন্থী কম্যুনিষ্ট পার্টি আর বামপন্থী কম্যুনিষ্ট পার্টি ছিলো।
  • somnath | 207.239.86.106 | ০১ জুন ২০১১ ২১:০২442960
  • এই টই টাকে লাইকিয়ে গেলুম। Blank, Kallol এবং বাকিদের অনেক ধন্যবাদ বঙ্গের ইতিহাস সম্পক্কে এন্‌লাইটেন করার জন্য। আদি গঙ্গা, দক্ষিন কল কাতা এবং শহর তলি তে যে এতো ঐতিহাসিক মনি মানিক্য ছড়ানো আছে জান তাম না। দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া... এই টই টা বন্ধ কর বেন ন, চালিয়ে যান।
  • somnath | 207.239.86.106 | ০১ জুন ২০১১ ২১:০৬442961
  • বন্ধ কর বেন না *
  • omnath | 117.194.203.106 | ০২ জুন ২০১১ ০০:০৫442962
  • ও: । যাক এটা আমি নয়। কনফুজড হয়ে গেছিলু আমার নাম দেখে।
  • kd | 99.38.123.8 | ০২ জুন ২০১১ ০০:৪২442963
  • মনীশ, ডাউয়া কী জানি না তবে বাকীগুলো তো রেগুলার পাওয়া যায় আমাদের জগুরবাজারেই। মানে যখন ওদের ছিজন, তখন।
  • pi | 128.231.22.150 | ০২ জুন ২০১১ ০০:৫৪442964
  • আমি তো ছোটোবেলায় ফলসা খেতুম। ইন ফ্যাক্ট ঐ একটাই ফল ভালবেসে খেতুম। ফল-ফল কম আর হজমি-হজমি বেশি ছিল বলে।
  • kallol | 220.226.209.2 | ০২ জুন ২০১১ ১৭:৪৫442965
  • আর ছিলো আমাদের পানায় ঢাকা ঝিল।
    একসময় হয়তো বেশ বড়সর একটা ঝিল ছিলো সেটা। আমার জ্ঞান হওয়া অবধি দেখছি তা খন্ড খন্ড হয়ে গেছে। মাঝে মাঝে সরু আলের মতো একটা খাটালের সাথে আরেকটাকে যোগ করেছে। শুরুতেই মদন গোয়ালার খাটাল। খাটালের অর্ধেক জুড়ে আখাড়া। একদিকে একটা প্যারালাল বার। পাশেই একটা চালার নীচে গোটা পাঁচেক কাঠের মুগুর। ওফ কি ভারী। কি করে জানলাম। খুব সোজা, তুলতে গিয়ে। কিন্তু প্রশ্ন তুলতে গেলাম কেন? একবার যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা হচ্ছিলো। সেটা মহাভারতের যুদ্ধ। ফলে তীর ধনুক নিয়ে অর্জুন হওয়ার ধুম। তা গোটা ছয়-সাতেক অর্জুন চাদ্দিকে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং সাঁই সাঁই তীর চলছে। এর মধ্যে বুবুর ধনুকটা ভেঙ্গে গেছে, নাকি তীরের স্টক শেষ। তাইতে বুবু হুংকার দিয়ে বলল, "আমি ভীম হবো"। বলেই এক দৌড়। তো, ধর ধর ধর করে আমরাও ছুটলাম পেছনে। সে তো দেখি পাড়া ছড়িয়ে ঝিলের দিকে। তাপ্পর হঠাৎ সাঁৎ করে নব্বই ডিগ্রি ঘুরে মদনের খাটালে। তখনও বুঝিনি মতলব কি। ওম্মা, সে দেখি চালাটার ভিতরে ঢুকে একটা মুগুর নিয়ে টানাটানি করছে। এখন ব্যাপার হলো, খাটালবাসী অনেক গোয়ালাই বেশ তরিবৎ করে মুগুর ভাঁজতো। মাথার উপর দিয়ে নিয়ে পিঠের পিছন দিয়ে ঘুরিয়ে আনতো এক হাতেই। ফলে ওগুলোর ওজন সম্পর্কে আমাদের সম্যক ধারনাই ছিলো না। বা, বলা যাক বেশ ভুল ধারনাই ছিলো। বুবুও তার ব্যাতিক্রম নয়। ফলে বুবুর প্রাণপন টান উপেক্ষা করে, বিলকুল পাত্তা না দিয়ে মুগুরটির হেলদোল নাই। আমরাও সেকেন্ড কয়েকের মধ্যে বুঝে গেলাম কেসটা কি হয়েছে। সেদিন অভিমুণ্য বধ হলো। একমাস বুবু আমাদের বেতাল আর ম্যান্ড্রেক্সকের কমিকের বই দ্যায় নি।
  • Somnath | 207.239.86.106 | ০২ জুন ২০১১ ১৯:৪৩442966
  • @ omnath আমি গুচ তে একেবারে নবীশ.. এই প্রথম টই তে লিখ্‌লাম ..confused হোবেন না পিলিজ :-)
  • aka | 168.26.215.13 | ০২ জুন ২০১১ ২২:৩৪442967
  • নতুন সোমনাথের পুরনো পোস্ট টা একেবারে পুলিশের গু খেয়ে বকের মৃত্যুর মতন হল।
  • achintyarup | 59.93.246.194 | ০৩ জুন ২০১১ ০৪:১৭442969
  • ডাউয়া ফলেরে পশ্চিমবঙ্গীয় ভাষায় কয় ডেফল। খুব বেশী দেখা যায় না, তবে এখনো পাওয়া যায় কোনো কোনো বাজারে। বাঘাযতীনেই দেখেছি। গোলালো টাইপের, কিন্তু একেবারে গোল নয়। সারা গায়ে হাল্কা রোঁয়া, অ্যাপ্রিকটের মত। পাকা ফলের রং-ও অ্যাপ্রিকটের মত। ফলটা কিন্তু নরম। ভেতরে ছোট্ট ছোট্ট কোয়া থাকে, টক-মিষ্টি খেতে হয়। দারুণ। কাঁচা অবস্থায় ফলের রং সবুজ, দারুণ রসালো। গাঁয়ে থাকতে সেলেট মোছার জন্য ঐ কাঁচা ফল বাবা পেড়ে নিয়ে আসত মনে আছে।
  • achintyarup | 59.93.246.194 | ০৩ জুন ২০১১ ০৫:২১442970
  • পুরোনো বইপত্তর ঘাঁটতে ঘাঁটতে একখানা ইণ্টারেস্টিং প্রতিবেদন পেলুম। এইবেলা এইখেনে লিখে রাখি।

    ২৭ ডিসেম্বর, ১৮১৮।

    সল্ট ওয়াটার লেকের কাছাকাছি জায়গা থেকে পাঠানো একখানি চিঠিতে দেখা যাচ্ছে কয়েকদিন আগে সুন্দরবন কিম্বা বালিয়াঘাটের পুবদিকের জঙ্গল থেকে একটি বাঘ লোকালয়ে ঢুকে আসে। Sourytollah (শুঁড়িটোলা?) এবং বাগমারী (Baughmaree) গাঁয়ের ভেতর দিয়ে এসে গত শনিবার মধ্যরাত্রে বাঘটি Bale Couchee (কিছুতেই বুঝতে পাল্লুম না কি উশ্চারণ হতে পারে)-তে পৌঁছয়। তারপর গৌরীপুর ব্রিজের দিকে খানিকটা এগিয়ে সে এক বাঙালীর কুঁড়ের ভেতর আস্তানা গাড়ে। বাসস্থান ঠিক করে নেওয়ার পর বাঘটি খাদ্যের সন্ধান করতে থাকে এবং এক মহিলাকে আক্রমণ করে তাঁকে পেটের কাছে কামড়ে ধরে। মহিলা কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রাণ হারান। বাঙালী লোকটি প্রচণ্ড ভয় পেয়ে কুঁড়ে থেকে বেরিয়ে আসে, কিন্তু উপস্থিত বুদ্ধির পরিচয় দিয়ে ঘরের দরজাটি বাইরে থেকে বন্ধ করে দেয়। তারপর আর দেরি না করে সে সোজা চলে আসে দমদমে এবং সেখানে সমস্ত ঘটনার বিবরণ দেয়। সব শুনে অফিসাররা বেশ কয়েকজন লোককে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পৌঁছন। ঐ গ্রামের এবং আশেপাশের বেশ কয়েকটি গ্রামের লোক কুঁড়েঘরটিকে চারদিক থেকে ঘিরে রেখেছিল, যাতে জানোয়ারটি পালাতে না পারে। অফিসাররা পৌঁছনোর সঙ্গে সঙ্গেই জনতা হৈ হৈ কর বাঘটিকে আক্রমণ করে। অবশেষে গ্রামবাসীদের উল্লসিত করে ডক্টর টমাস এক গুলিতে তাকে শেষ করেন।

    লেখাটি বেরিয়েছিল ১৮১৯ সালের এশিয়াটিক জার্নাল এবং মান্থলি মিসেলেনিতে।
  • y | 59.164.189.160 | ০৩ জুন ২০১১ ০৭:৩৪442971
  • বেলকুচি নমে কোনো জায়গা ছিল নাকি?
  • kallol | 220.226.209.2 | ০৩ জুন ২০১১ ০৯:৩২442972
  • কিংবা বেলকুশী বা বেলেকুচি?
  • kallol | 220.226.209.2 | ০৩ জুন ২০১১ ০৯:৩৪442973
  • অবশ্য, দেখো গে সেটাই হয়তো এখন বারো নম্বর ট্যাঙ্ক বা সেক্টর ফাইভ।
  • kallol | 220.226.209.2 | ০৩ জুন ২০১১ ১০:২২442974
  • সে যাগ্গে। হচ্ছিলো আমাদের ঝিলের কথা।
    মদন গোয়ালা ছাড়াও, লচ্ছু গোয়ালা, বিলাস গোয়ালা, লাল্লন গোয়ালা এদের খাটাল ছিলো। এরা সক্কলেই দুধে জল মেশাতো, দাদু বলতো জলে দুধ মেশাতো। কিন্তু খুব ভালো মানুষ ছিলো। বিকাল বেলায় যখন মদন, লাল্লু, বিলাস লাল্লন সকলে মাটি মেখে লেঙ্গট পরে কুস্তি করতো, তখন আমরা বাচ্চারা ছাড়া পাড়ার বড়দের মধ্যে একজনই থাকতেন নির্মলকাকু। মদনকে কেউ হারাতে পারতো না। সেই মদন নির্মলকাকুর কাছে হেরে যেতো। মদন ছয়ফুটি। তার ওপর ইয়া ছাতি আর ইয়া ভুড়ি। হাত দুটি সত্যি মুগুরের মতো মস্তো গোছ। কিন্তু আদৌ পেশীবহুল নয়। নির্মলকাকু গড়পড়তা বাঙ্গালী উচ্চতার মানুষ ৫ফুট ৭/৮ ইঞ্চি। ওনার চেহারাও পেশীবহুল ছিলো না। কিন্তু চাওড়া ছাতি,অল্প ভুড়ি, আর দারুন চওড়া কাঁধ।
    দিনের শেষে উনি নামতেন মদনের মহড়া নিতে। থাইতে চাপড় দিতে দিতে দুজনে গোল হয়ে ঘুরতো চোখে চোখ রেখে। বাপ্পা ফিসফিস করে বলতো ওটাই নাকি আসল ব্যাপার। নির্মলকাকু নাকি মদনকে হিপ্নোটাইজ করে ফেলতো। কি করতো নির্মলকাকু কে জানে। প্রত্যেক বার যখন পাক খেতে খেতে মদন একটা চাপা হুংকার দিয়ে নির্মলকাকুকে ধরতে যেতো পরমুহুর্তে দেখা যেতো নির্মলকাকু মদনের পিঠের ওপর। দুহাত দিয়ে মদনের ঘাড় ঠেসে ধরে আছে আর পাদুটো সাপের মত পেঁচিয়ে ধরে আছে মদনের পা। কিছুক্ষন এরকম থাকার পর মদন চেঁচিয়ে আহত বাঘের মতো গোঙ্গিয়ে উঠতো - কিরপাআআআ...........। নির্মলকাকু উঠে দাঁড়াতেন, আর মদন ওঁর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করতো।
    এক একদিন মদনও নির্মলকাকুকে চিৎ করে দিতো। নির্মলকাকুর হাত ঠিকঠাক ধরতে পারলে, মদন মাথাটা ঝুঁকিয়ে নির্মলকাকুর পেটের মধ্যে ঢুকিয়ে মাথার উপর দিয়ে পিছন পানে তুলে ফেলে দিতো। কিন্তু কখনো নির্মলকাকুকে ঐ অবস্থায় মাটির সাথে ঠেসে ধরতো না। নির্মলকাকুও উঠে দাঁড়িয়ে আর লড়াই দিতেন না। বরং মদনের পিঠ চাপড়ে দিতেন আর বলতেন - ধোবীপাটটা তুই ভালোই তুলেছিস। নে: এবার মালিশ কর দিনি।
    মদন বা অন্য যে কেউ নির্মলকাকুকে একটা বেঞ্চের উপর উপুর করে শুইয়ে দলাই মলাই করতো।
    সন্ধ্যে নেমে আসতো। পশ্চিমে ইমামবাড়ার মাথার ওপর মেঘেদের সাথে খুনখারাপী হোলী খেলে, সুয্যি পাটে যেতেন। রতনের বিধবা মায়ের গলা পাওয়া যেতো অঅঅ রতঅঅন। আমরা ঘরে ফিরতাম।
  • kallol | 220.226.209.2 | ০৩ জুন ২০১১ ১৬:৪৮442975
  • ধুত্তোরো, ঝিলের কথায় আসি।
    এই ঝিলটায় কেউ স্নান করতো না। শুধু বাসন মাজা আর কপড় কাচা। ঝিলটার উত্তর পাড়ে অ্যামপিউল ফ্যাক্টরী আর নিকিরিপাড়া পূবে এফসিআইয়ের গুদাম। দক্ষিণে আমাদের পাড়া শান্তিপল্লী আর বৈশাখীসংঘ। পশ্চিমে আজাদ সংঘ আর মুসলমান বস্তি।
    সারা ঝিলটাই পানায় ঢেকে থাকতো বছরভোর। একবার হয়েছে কি, এক গাড়িচোর, গাড়ি চুরি করে আজাদ সংঘের রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলো। স্বাভাবিকভাবেই রাতে ফাঁকা রাস্তা, ততে চোরাই গাড়ি, ফলে বেশ জোরেই যচ্ছিলো। রাস্তার শেষে পানা পুকুর। অন্ধকারে চোর ভেবেছে মাঠ। ব্যাস, গাড়ি সমেত সোজা ঝিলে। সেটা ছিলো রবিবার। চার চারটে পাড়ার বাচ্চা বুড়ো ঝেঁকে এসেছে। নিকিরি পাড়ার লোকজনই চোরকে উদ্ধার করে। তারা তো আর জানে না যে লোকটা চোর। কিন্তু জলে ডুবে জল খেয়ে চোরমশাইও এতো কাহিল যে কেটে পড়তে পারেন নি। ওদিকে থানা থেকে পুলিশ এসে লাইসেন্স, গাড়ির কাগজ চাইতে গিয়ে বেরিয়ে পড়েছে চুরির খবর। আমরা চোরকে দেখতে পেলাম না। কি আফসোস। গাড়ি চোর বলে কথা। গাড়িটা মনে আছে ফিয়াট। গোটাটাই ডুবে ছিলো শুধু ছাদ দেখা যাচ্ছিলো। ক্রেন এলো। লোক নামলো। সারাদিন ধরে গাড়ি গা তুলল। সে এক মোচ্ছব। এই মৌকায় নিকিরি পাড়ার আলুর চপের দোকান উঠে এলো ঝিলের পাড়ে, আলুর চপ, ঘুগনী আর পাঁউরুটি নিয়ে। সে এক সাড়ে সাঁইতিরিশ মজা। আমি শুধু এক পিতা-পুত্র কখোপকথনে বেশ মজা পেয়েছিলাম। সে তার বাবাকে ক্রমাগত জিজ্ঞাসা করেই যাচ্ছিলো, "বাবা, গাড়ি চোরকে পেটায় না?" বাবা শেষকালে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, "ধুর, চোর বলে বুঝলে তো? আমরা তো ভেবেছিলাম ড্রাইভার!"
  • Shibanshu | 117.195.170.36 | ০৩ জুন ২০১১ ১৭:৪৩442976
  • কল্লোল, কোনও কথা হবেনা।
  • kallol | 115.241.4.75 | ০৪ জুন ২০১১ ০৭:৩৯442977
  • :-))
  • achintyarup | 121.241.214.38 | ০৪ জুন ২০১১ ১৮:২৭442978
  • আহা, গাড়িচোর হলে কি আর ডেরাইভার হতে পারে না?
  • kallol | 115.184.105.225 | ০৪ জুন ২০১১ ১৮:৫১442980
  • না না, মাথা খারাপ!! কোথায় ড্রাইভার কোথায় চোর!!
    এখন আর কি বুঝবে, এখন তো সবারই গাড়ি। তখন, ঐ যে লিখেছি সুদর্শন ড্রাইভার। কি তার ইয়ে! গাড়ির কাছে ঘেঁষতে দিতো না আমাদের। সত্যি কথা বলতে কি, ল্যান্ডমাষ্টার/অ্যাম্বাসেডর ফিয়াট এসে ড্রাইভার ব্যাপারটাকে এই কেমন কাজের লোকের স্তরে নিয়ে গেলো। আগে স্টুডিবেকার, ডজ, অস্টিন, মরিস এসব গাড়ির ড্রাইভারেরা অন্য জঁরের ছিলো।
  • kallol | 115.242.223.143 | ০৫ জুন ২০১১ ১২:৫৬442981
  • কদিন ধরেই দেখছি, বিকেলে অনুপম, বাদল, বাপ্পা, প্রদীপ এরা লেকের মাঠ থেকে খেলে ফেরার পথে কোথায় একটা হাওয়া হয়ে যায়।
    আমরা তখন, আজাদ সংঘের পাশের পাড়া মিলন সংঘে নাম লিখিয়েছি। ফুটবল খেলছি। নবাদা আমদের কোচ। মাঠে এসেই দৌড়। সে কি যন্ত্রনা। কোথায় বল পেটাবো! তা না, খালি চক্কর মারায়। আমাদের তো কাহিল অবস্থা। ফাঁকি দেওয়ার উপায় নেই। এক তো নবাদা নিজে আমাদের সাথে দৌড়ায়, তার উপর নবাদার ভাই গণেশ, সে ব্যাটা এক নম্বরের দালাল। ফাঁকি দিলেই নালিশ। সেই প্রথম শুনছি, স্কোয়ার পাস, ফরোয়ার্ড পাস, ব্যাক পাস, ফেইন্ট, বল ক®¾ট্রাল। নবাদা ল্যাংচা মিত্রের শিষ্য। ফলে ফুটবলের নানান টেকনিক নিয়ে কথা শুনছি, যা আগে কখনো শুনিনি। তখন ৩-২-৫ ফর্মেশনে খেলতো সবাই। স্টপার পজিশনটা খুব গ্ল্যামারাস লাগতো। সকলেই স্টপার হতে চাইছে। জার্নাল সিং, নঈম এঁরা সব রোল মডেল। এর মধ্যে হঠাৎ ৪-২-৪। কি না ব্রাজিল খেলছে এই ফর্মেশনে। অলিম্পিক, গড়ের মাঠ নামে দুটি খেলার কাগজের দৌলতে পেলে, গ্যারিঞ্চার নাম শুনেছি। তবে তারা যে চুনী বা সমাজপতি বা পিকে কি বলরামের চাইতে ভালো খেলে সে সম্পর্কে নিশ্চিত নই।
    তা সে যাগ্গে।
    সেদিন ফেরার পড়ে প্রদীপকে পাকড়েছি।
    - তোরা রোজ খেলার পরে কোথায় যাস রে?
    - তু যাবি?
    - যাবো
    সেদিন খেলার পরে যখন হাঁটতে হাঁটতে ঝিলের কাছে, প্রদীপ হট করে হাত ধরে ঢুকিয়ে দিলো একটা তৈরী হতে থাকা বাড়ির ভিতর।
    আমাদের ঝিল বুজিয়ে বাড়ি উঠছে তখন এদিক সেদিক। প্রদীপ নিয়ে গেলো দোতলার কোনার দিকে। সেখানে আগে থেকেই হাজির অনুপম, বাদল আর বাপ্পা। ওদের হাতে হাতে ঘুরছে সিগারেট। আর কত কায়দায় ধোঁয়া ছড়ছে ওরা।
    - নে: বৌনি বৌনি কর। বলে বাদল এগিয়ে দিলো।
    আমার ডাল হাতের তর্জনী ও মধ্যমার মাঝখানে সে। আগুন মুখে দপদপ করছে। আমার হৃদপিন্ড যেন আমারই আঙ্গুলের ফাঁকে। আস্তে আস্তে সে আমার দুই ঠোঁটের ফাঁকে। ভিতরে টানছি তাকে, তার জানকে। ধোঁয়ায় ভরে যাচ্ছে আমার মুখের ভিতর। খুব সাবধানে। কেশে না ফেলি যেন। ইজ্জত কা সওয়াল। ঠোঁটের ফাঁক থেকে নামিয়ে আনলাম তাকে। ধীরে ধীরে ছড়তে লাগলাম ধোঁয়া। তামাকের গন্ধ, ধোঁয়া, চুন সুড়কির দেওয়াল, পাশে স্তুপ করে রাখা বালির বস্তা। আমি বড় হয়ে যাচ্ছি..............। ক্লাস ফাইভ। প্রাইমারী সেকশন পেরিয়ে গেছি। আহ:।
  • achintyarup | 59.93.245.162 | ০৩ জুলাই ২০১১ ০৪:৫২442982
  • খনা মিহিরের ঢিপি দেখতে যাব। সঙ্গী খুঁজছি
  • Bratin | 117.194.102.113 | ০৩ জুলাই ২০১১ ১৩:০৩442983
  • অচিন্ত্য দা, যে কোন শনি/রবি বার হলেই আমি সঙ্গে আছি।
  • kb | 203.110.246.22 | ০৯ আগস্ট ২০১১ ২২:১২442984
  • একটু অন্য প্রসঙ্গ সুরু করচি।
    কদিন আগে wikiতে ভুরসুট রাজ্যের কথা পড়লাম। http://en.wikipedia.org/wiki/Bhurishrestha। পড়ে ঐ অন্‌চলে একদিন বেড়াতে যাই।প্রথমে যাই রাজবল্লভহাট (জিলা-হুগলি), সেখান থেকে গড়ভবানিপুর ও তারপর ডিহি-ভুরসুট (জেলা - হাওড়া)। গ্রাম গুলি দমোদরের দুইপারে অবস্থিত। ওখানকার কিছু ব্যক্তির সাথে কথা বোলে যা বুঝলাম তা আমি ছোটো করে তুলে রাখছি এখানে।

    ভুরসুট পরগনা হাওড়া হুগলি নিয়ে তৈরি। ভরতে সুল্‌তানি সাম্রাজ্য প্রতিস্‌ঠা হবার আগে ঐ অন্‌চলে চন্ড ডামর নামে এক বাগদী রাজা ছিলো। মহ: ঘুরি যখন ভরতে আসে তখন ওখানে রাজা ছিলো শনি ভাঙ্গর (চন্ড ডামরের বংশধর)।
  • kb | 203.110.246.22 | ০৯ আগস্ট ২০১১ ২২:৪৫442985
  • তারপর চতুরানন নিয়োগি নামে এক ব্রাম্ভন (কথিত আছে শনি ভাঙ্গর পালিত) শনি ভাঙ্গরকে হত্যা করে রাজ্য দ্‌খল করে এবং ৪০বছর রাজত্য করে।তার রাজধানি ছিলো গড়ভবানিপুর। পরে তার জামাই সদানন্দ রায় রাজ্য পায়। সদানন্দ রায় ১২৪২সালে রাজবল্লভী দেবির মন্দির স্থাপন করে ও রাজবল্লভহাট/রাজবলহাট গ্রাম পত্তন করে। এখানে তিনি এক দুর্গ তৈরী করে। এই বংশের এক রাজা হলো রুদ্রনারায়ন রায়। রুদ্রনারায়ন রায় ও ওড়িষা রাজের মিলিত বাহিনি ত্রিবেনির যুদ্ধে পাঠানদের পরাজিত করেছিলো। রুদ্রনারায়ন রায়ের মৃত্যু হোলে রাজ্য অরক্ষিত ভেবে পাঠান সর্দার ওসমান খান ভুরসুট আক্রমন করে। কিন্তু রানি ভবাসঙ্করী নিজে যুদ্ধে অংশ নেয় ও পাঠানদের পরাজিত করে। সম্রাট আকবর রানিকে রায়বাঘিনী উপাধি দেয়।
  • kb | 203.110.246.22 | ০৯ আগস্ট ২০১১ ২৩:২৮442986
  • রায়বাঘিনী ঘোড়ায় চাপতে, তরোয়াল চালাতে ও বর্শা ছুঁরতে জানত। সুল্‌তানা রাজিয়া, ঝাঁসির রানি এদের কথা তো পড়েছি। এক বাঙ্গালী রানিও যে ঘোড়ায় চেপে যুদ্ধ করেছে এটা জেনে আমার বেশ গব্বো হয়েছিলো। এটাও interesting যে রানি সহমরনে যায়নি।

    এই রাজ্যের পতন হয় নবাব আমলে।

    https://picasaweb.google.com/100479316601123249722/9August2011 গড়ভবানিপুরের দুর্গএর অবশেষ।

    ফটকগোড়া হলো রাজবলহাটের দুর্গের অবশেষ। এটা আসলে ফটকের অংশ। এটাও কোনোদিন ভেঙ্গে বাড়ি হয়ে যাবে।

    বেশির ভাগ তথ্য শ্রী নিমাই স্বাহাচৌধুরি (রাজবলহাট)এর কাছে পাওয়া। "বঙ্গ-বীরাঙ্গনা রায়বাঘিনী" - শ্রী বিধুভুষন ভট্টচার্য্য (১৯১৯ খ্রী:) এবং "রায়বাঘিনী"-শ্রী বাণীকুমার (১৩৬৪ বঙ্গাব্দ)----------------এই দুটি বইতে এই এখানকার বর্নিত আছে। আমি এ দুটি সংগ্রহের চেস্টায় আছি।

    এই অবধি আমার দৌড়। এরপর কেউ হেল্পালে ভালো হয়।
  • kb | 203.110.246.22 | ০৯ আগস্ট ২০১১ ২৩:৩৩442987
  • বাকি তথ্য সরবরাহকারিদের নাম জানি না। আর বানান ভুল ক্ষমা করে দেবেন। নতুন তথ্যএর অপেক্ষায় রইলাম।
  • achintyarup | 121.241.214.34 | ১০ আগস্ট ২০১১ ০০:০৫442988
  • রায়গুণাকর ভারতচন্দ্রের জন্ম হয়েছিল ভুরশুট পরগণায়। ছেলেবেলায় ১৩ কিলোমিটার সাইকেল চালিয়ে ঐ অঞ্চলে পড়তে যেতুম। শীতের ভোরে সাইকেল চালাতে চালাতে নাকের ডগা ঠাণ্ডা হয়ে যেত, কচি দাড়িগোঁপের জঙ্গলে শিশির জমে সাদা হয়ে যেত মনে আছে। ওখানকার জামতলা নামের এক গ্রামে কয়েকঘর তাঁতি ছিল। ভোর বেলা তাঁতের খট খটাং খট খটাং আওয়াজ শোনা যেত। ওই তাঁতিদের পদবী জেনে আশ্চর্য হয়েছিলুম। শোলাঙ্কি। রাজকাহিনী মাথায় ঘুরত। অবশ্য ওসব অঞ্চলে মানসিংহের প্রবল প্রতাপ ছিল এককালে শুনেছি। তাঁর নামে গ্রামও আছে -- মানসিংপুর। হয়ত ওই তাঁতিদের পূর্বপুরুষরা কোনোদিন মানসিংহের সৈন্যদলের সঙ্গে এসেছিল, তারপর থেকে রয়ে গিয়েছে ওখানেই।
  • kb | 203.110.246.22 | ১০ আগস্ট ২০১১ ০০:১৮442989
  • একদম ঠিক। রায়গুনাকর ভারত চন্দ্রের জন্ম হয়েছিলো হাওড়ার পেঁড়ো গ্রামে। তিনি ঐ রাজবংশেরই সন্তান। পেঁড়ো গ্রামেও একটা দুর্গ ছিলো। রানি ভবাসঙ্করীর পিতা দীননাথ ঐ দুর্গের সেনাপতি ছিলেন।

    পেঁড়ো তে কি ভারতচন্দ্রের নামে কোনো মেলা হয়?
  • achintyarup | 59.93.240.27 | ১০ আগস্ট ২০১১ ০২:৪১442991
  • ভারতচন্দ্রের নামে মেলা হয় পেঁড়োতে। যাইনি কখনো। তবে যদ্দুর মনে পড়ছে সে একেবারেই আধুনিক
  • siki | 123.242.248.130 | ১০ আগস্ট ২০১১ ০৮:৪৮442992
  • হাওড়াতেও পেঁড়ো আছে?
  • kb | 203.110.247.221 | ১১ আগস্ট ২০১১ ১৯:৩৪442993
  • হাওড়াতেও পেঁড়ো আছে। উদয়নারায়নপুরের কাছে।
  • h | 213.99.211.19 | ০৪ নভেম্বর ২০১৩ ২২:৫৩442995
  • শরদিন্দু র সংগে আর যাই থাক, ইতিহাসের কোন সম্পর্ক নেই। বংকিম ও মূলতঃ ঊনবিংশ শতকীয় বাঙালী ভদ্রলোকের রাজনইতিক দৃষ্টিভংগী। অবনীন্দ্র ও তাই তবে সেকুলারাইজ্ড বাই ছবি। সাকসেসফুল হিস্টরিকাল নভেল, বাংলায় বেশি নেই। ভূদেব মুখোপাধ্যায় এবং অনেক পরে শওকত আলি ব্যতিক্রম। অমিয় ভূষণ এর রাজনগর এর উপরে কি জেন নাম, সেটাও খুব ভাল কিসু না। বরঞ্চ হিস্টরিকাল না হলেও মধু সাধু খাঁ টা নিয়ারার টু হিস্টরিকাল ট্রুথ, অষ্টাদশ শতাব্দীর নর্থ বেংগল এর রিভারাইন গপ্প।
  • h | 213.99.211.19 | ০৪ নভেম্বর ২০১৩ ২২:৫৪442996
  • যে কোনো কারণেই, হোক, বাংলায় ঐতিহাসিক এর থেকে সামাজিক এর প্রচলন বেশি।
  • h | 213.99.211.19 | ০৪ নভেম্বর ২০১৩ ২২:৫৫442997
  • *বাংলা উপন্যাসে
  • h | 213.99.211.19 | ০৪ নভেম্বর ২০১৩ ২২:৫৬442998
  • অবশ্য মুকুট নাটক টা খারাপ না। ইন ফ্যাক্ট বেশ নাটক-নাটক, কবিতা গান এইসব না ;-)
  • Atoz | 161.141.84.239 | ০৫ নভেম্বর ২০১৩ ০৪:৫০442999
  • আর বাংলার ঐতিহাসিক যাত্রাপালাগুলো ? "আসিতেছে আসিতেছে আসিতেছে- ভয়াল, ভয়ংকর, অশ্রুসজল ঐতিহাসিক পালা- কবরে কাঁদিছে প্রিয়া। "
  • soumitra | 228.248.49.2 | ০৫ নভেম্বর ২০১৩ ১০:৩২443000
  • বেলগাছিয়া?
  • সিকি | 132.177.153.230 | ০৫ নভেম্বর ২০১৩ ১১:৪০443002
  • এই সুতোর পাঁচের পাতায় আদিগঙ্গার ছবির লিং দিয়েছিলাম। পিকাসার লিংক, টেম্পোরারি, পরে সেটা ডিলিট মেরে দিয়েছি। :(
  • h | 213.132.214.155 | ০৫ নভেম্বর ২০১৩ ১২:০২443003
  • তার মানে সিকি ই সেই বহুদিনের রহস্যাবৃত গুরুচন্ডালী 'কর্তৃপক্ষ', যে কিনা 'ডিলিট' মারতে পারে ;-)
  • সিকি | 132.177.153.230 | ০৫ নভেম্বর ২০১৩ ১২:১৮443004
  • আরে না! ওটা তুলেছিলাম আমার পিকাসায়। আমার পিকাসা থেকে ডিলিট মেরেছি।

    আমাকে বুর্জোয়া কর্তৃপক্ষ বানানোর অপচেষ্টা রুখছি, রুখব।
  • b | 135.20.82.164 | ১৮ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৭:৫৩443005
  • এই ঠই হারাইলো কেনো?
  • Rudra | 113.211.23.194 | ০১ মার্চ ২০১৮ ২৩:৩৬443006
  • কল্লোলদা
    আমি একটা বইয়ে পড়েছিলাম টলির নালা আগেকার কালের মারাঠা ডিচের একটা অংশ । পরে এই মারাঠা ডিচ ভরাট করে সার্কুলার রোড তৈরী হয় ।
  • করোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1 | 2 | 3 | 4 | 5 | 6 | 7 | 8
  • গুরুর মোবাইল অ্যাপ চান? খুব সহজ, অ্যাপ ডাউনলোড/ইনস্টল কিস্যু করার দরকার নেই । ফোনের ব্রাউজারে সাইট খুলুন, Add to Home Screen করুন, ইন্সট্রাকশন ফলো করুন, অ্যাপ-এর আইকন তৈরী হবে । খেয়াল রাখবেন, গুরুর মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করতে হলে গুরুতে লগইন করা বাঞ্ছনীয়।
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত