• টইপত্তর  অন্যান্য

  • বুড়োদের কতা

    hutum
    অন্যান্য | ১১ জুন ২০০৭ | ৪০৫০ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • বলরাম হাড়ি | 94.235.73.164 | ০২ সেপ্টেম্বর ২০১২ ১২:১০390044
  • কাদম্বরীর মৃত্যু ও জাহাজ ব্যবসা লাটে ওঠার পর জ্যোতিদাদা নিজেকে আস্তে আস্তে গুটিয়ে নিলেন। ১৮৮৪ সালেই মারা গেলেন দেবেন্দ্রনাথের আর এক সহায় হেমেন্দ্রনাথ। জমিদারির দায়িত্ব পড়ল রবীন্দ্রনাথের কাঁধে। বিয়ে ও সংসার শুরু হল। কাদম্বরীর ট্রমা গভীরতম হলেও তা ছিল ব্যক্তিগত, এবং অজস্র কাজের মধ্য দিয়ে রবীন্দ্রনাথ শুধু এই বিষাদবোধ থেকে বেরিয়ে এলেন তাই নয়, ঠাকুরবাড়ির ঘেরাটোপ থেকে বাইরের জগতে তাঁর একধরনের মুক্তি হল। রবীন্দ্রনাথের রবীন্দ্রনাথ হয়ে ওঠার এটা একটা প্রধানতম অধ্যায়- অসংখ্য বন্ধন মাঝে মহানন্দময় লভিব মুক্তির সাধ।

    অন্যদিকে নরেন্দ্রনাথের ট্রমা ব্যক্তিগত হলেও তার মধ্যে সময়ের নাড়ি দপ্‌দপ্‌ করছে। হঠাৎ বাবা মারা গেছেন, অমিতব্যয়ী হবার ফলে বেশি কিছু রেখে যান নি, বড়ো ছেলে বেকার, ঘরে ছোটো ভাইবোন, মাঝে মাঝে খাওয়া জোটে না, সারা কলকাতায় হা চাকরি হা চাকরি বলে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, অথচ জীবন নিয়ে মনের মধ্যে গভীরতম জিজ্ঞাসা ঘুরপাক খাচ্ছে। উনিশ শতকের অ্যাংস্টজর্জর যৌবনের এর থেকে ভালো প্রতিমূর্তি হয় না। যে কারণে নরেন্দ্রনাথকে অনেক ধরাছোঁয়ার নাগালের মধ্যে পাওয়া যায়, এম্প্যাথিযোগ্য হয়ে ওঠেন। অন্যদিকে শাজাদ্পুরে পদ্মার বুকে বজরায় ঘুরে বেড়ানো রবীন্দ্রনাথ ক্রমশঃ অতিমানবত্বের দিকে যাত্রা শুরু করবেন।
  • lcm | 34.4.162.218 | ০২ সেপ্টেম্বর ২০১২ ১২:২৭390045
  • ভারি সুন্দর স্টাইলের লেখা। চলুক।
  • Rit | 213.110.243.21 | ০২ সেপ্টেম্বর ২০১২ ১৩:৫৪390046
  • বলরাম দা,
    দারুন লাগছে। চলুক চলুক আরো তাড়াতাড়ি।
  • PM | 96.22.56.206 | ০২ সেপ্টেম্বর ২০১২ ১৮:৪১390047
  • এই বলরাম হাড়ি আর রঙ্গন কি এক-ই লোক?
  • kc | 47.37.138.134 | ০২ সেপ্টেম্বর ২০১২ ২১:৫৪390048
  • তা রবীন্দ্রনাথ অতিমানবত্বের দিকে যাত্রা শুরু করুন, আমরা এইফাঁকে একটু পিছনে ফিরে চাই। জোড়াসাঁকো থেকে দক্ষিণে। বেশীদূরে নয়, ভবানীপুরে, বাড়ির মালিকের নাম হল রূপচাঁদ মুখার্জ্জি। নবাব ওয়াজেদ আলি শাহের বেশ উচ্চপদস্থ কর্মচারী রূপচাঁদ মুখুজ্জের নামে একটা রাস্তাও ছিল। রসা রোডের পেছনে। এই রাস্তা যেখানে কালিঘাট রোডের সঙ্গে মেশে সেইখানে ছিল এনার বাড়ি।

    তা এই ভদ্রলোক, নবাবের দরবারের গাইয়ে-বাজিয়ে, বাঈজিদের নিজের বাড়িতে ডেকে এনে ফি হপ্তাতেই লাগিয়ে দিতেন গানের জলসা। আশেপাশের বাঙালি লোকেদের ডেকে আনতেন। তা এই রকমের এক জলসায় অন্য অনেকের সঙ্গে একদিন উপস্থিত পাখোয়াজ বাদক কেশব মিত্র। ভবানীপুরের মিত্র বাড়ির সন্তান কেশব ছিলেন এক হাটখোলা চরিত্র, গানবাজনা পয়সা রোজগার না করে খরচাপাতিই করতেন বেশী। কোনও ওস্তাদ কলকাতায় এসেছেন, তো কলকাতার সেরা পাখোয়াজী, ওস্তাদের কাছে গিয়ে নিজের জন্য অনুষ্ঠান চেয়ে নিতেন। তা এহেন কেশব মিত্তির সেদিন বাজাবেন রূপচাঁদ হাউসে, কোত্থেকে খবর পেয়ে বাজনা শুনতে জুটে গেছেন এক পালোয়ান,..... যদু ভট্ট।
  • de | 213.197.30.4 | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১২ ১৭:৪৩390049
  • তাপ্পর? হাড়ি-বাবু?
  • শ্রাবণী | 134.124.86.85 | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১২ ১৭:৫৯390050
  • এই টইটা জেগে ওঠায় বেশ একটা নস্টালজি ভাব......................"জানে কঁহা গয়ে ওহ দিন"।:)
    হাড়িবাবু একবার বলেছিলেন পাঁচবছর অনেকটা সময়, অত আগের কথা ভাবব কেন বা কি করে, এই ধরণের কিছু অন্য একটা সেই আমলের টইয়ে।
    তা এই টইয়েরই দেখছি পাঁচবছর হয়ে গেল।
    গড়গড়িয়ে চলুক!
  • Abhyu | 107.81.103.172 | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১২ ১৩:১৯390051
  • তারপর?
  • Abhyu | 107.81.103.172 | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১২ ০৩:২৪390052
  • এসেই একটা মস্ত ভুল করলেন, জেদ ধরলের আমাকে গান শেখাবেনই। সেইজন্যে গান শেখাই হল না। কিছু কিছু সংগ্রহ করেছিলুম লুকিয়ে-চুরিয়ে। ভালো লাগল কাফি সুরে রুম ঝুম বরখে আজু বাদরওয়া, রয়ে গেল আজ পর্যন্ত আমার বর্ষার গানের সঙ্গে দল বেঁধে।

    ও রাঙাদাদা, লেখো?
  • ranjan roy | 24.99.228.25 | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১২ ২৩:৫৩390054
  • হাড়িবাবুকেও কি অচিন্ত্যর রোগে ধরিল? আমরা যে হা-পিত্যেশ করে বসে আছি!
    কেসি ভায়া হটাৎ চুপ মাইর‌্যা গেলা কনে?
  • Abhyu | 107.81.70.40 | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১২ ০৬:২৭390055
  • কি গো?
  • Abhyu | 107.89.19.52 | ০৮ জানুয়ারি ২০১৩ ২১:৪৮390056
  • তারপর?
  • kc | 188.61.96.29 | ০৮ জুলাই ২০১৩ ২৩:১০390057
  • তখনকার সময়ে যদু ভট্ট বেশ পরিচিত নাম, নেমতন্ন না পেয়েও তিনি হাজির, কেশব মিত্তিরের বাজনা শোনার জন্য তাঁর মন বড়ই উতলা হয়ে পড়েছে। মেটিয়াবুরুজের দরবারের গাইয়ে ওস্তাদরা, আনসাদদৌল্লা আর মুস্তাকিনদৌল্লা আছেন। কয়েকজন বাইজিও আছেন। তা গানটান তো ভালোই হল। এইসময়ে যদু ভট্টকে দেখে তাঁকেও অনুরোধ করা হল, আর অনুরোধ করলে যদু ভট্টতো গাইবেনই। কেশব মিত্তিরকে নিয়ে যদু শুরু করলেন, কিন্তু একটু বদমাইশি করে তানপুরা তিন পর্দা ওপরে বাঁধলেন। মুদারার মধ্যমকে ষড়জ করে নিয়ে গান শুরু দিলেন। বাইরের ওস্তাদদের গান কিছুক্ষণের মধ্যেই তলিয়ে গেল।

    যদু কিছুক্ষণ পরে খাদের কাজে ব্যস্ত। বোধহয় একটু বেশী সময় ধরেই উদারাতে ঘুরছিলেন,সামনেই বসা মেটিয়াবুরুজের বাঈজীরা বলাবলি করতে লাগলেন যদু বোধ হয় হারিয়ে গেছেন গেছেন, সুরে ফিরতে পারছেন না। "সুর মে গানা বহুৎ কড়া হৈ।"
  • ranjan roy | 24.99.166.169 | ০৮ জুলাই ২০১৩ ২৩:৩৯390058
  • হো জায়ে কেসিবাবু! বহোৎ খুব! আগে বড়ো!!
    আর
    উড়ে গেছ ফিরে এস রাঙা,
    তোমা ছাড়া এ আসর লাগে যেন ভাঙা!
  • kc | 188.61.96.29 | ০৮ জুলাই ২০১৩ ২৩:৪৯390059
  • কথাটা যদু ভট্টের কানে গেল। গান থামিয়ে এক্কেরে দিদির ঢঙে চেঁচিয়ে উঠলেন - চোওওপ।

    তারপরেই একটা সপাট তান, আসর হেলে গেল। শ্রোতারা সবাই মাতোয়ারা। বাঈজিরা বলাবলি করলে 'শের হৈ'।
    আসর শেষ হল আর এই আসরে খবর গেল সোজা নবাব ওয়াজেদ আলি শাহের কাছে। মেটিয়াবুরুজে।
  • ranjan roy | 24.99.166.169 | ০৮ জুলাই ২০১৩ ২৩:৫৪390060
  • কেসি, আছি।
  • kc | 188.61.96.29 | ০৮ জুলাই ২০১৩ ২৩:৫৯390061
  • আনসাদদৌল্লা মুস্তাকিনদৌল্লাদের কাছে এত প্রশংসা শুনে নবার তাঁর দূত পাঠালেন যদু ভট্টের কাছে। এর আগে তিনি কোনও বঙ্গালির গানা শোনেন নি। যদু যদি তাঁকে দয়া করে একটু গানবাজনা করে শোনান তাঁর মহ্‌ফিলে, তাইলে তিনি ধন্য হন।

    সে মহ্‌ফিলের দিনক্ষণ ঠিক হল কোনও এক শনিবারে, সঙ্গে অবশ্যই কেশববাবু।

    মহ্‌ফিলে বসে তানপুরা পাখোয়াজ সব বাঁধাছাদা হল। নবাবও কায়দামাফিক তাঁকে গান শুরু করার জন্য অনুরোধ জানালেন। তানপুরাও ছাড়তে শুরু করলেন যদু ভট্ট, কিন্তু সঙ্গে শুরু করলেন উশখুশ করা। সুর বেজেই চলে, যদু ভট্ট উশখুশও করে চলেন, এদিক ওদিক তাকাতে থাকেন, গান আর শুরু হয়না।
  • kc | 188.61.96.29 | ০৯ জুলাই ২০১৩ ০০:১১390062
  • নবাব কোনও অসুবিধে হচ্ছে ভেবে তাঁর এক মুলাজিমকে পাঠালেন, 'ব্যাপারটা কী?'

    মুলাজিমবাবু যদুর কাছে এসে আবার প্রথামাফিক গান শুরু করতে অনুরোধ জানালেন, আর জিজ্ঞেস করলেন কোনও অসুবিধে হছে কিনা।

    সুরে আসক্ত যদু ভট্টর অন্য আসক্তির কথা বিশেষ কেউই জানতনা, শুনতে সেটা সুরেরই মতন। কানে কানে যদু ভট্ট জানালেন, তিনি শুনেছেন নবাবের সংগ্রহে নাকি 'অনমোল চিজ হৈ'। গান শুরু হবার আগে একটু হলে খুব ভাল হয়।
  • kc | 188.61.96.29 | ০৯ জুলাই ২০১৩ ০০:৪৩390063
  • নবাব সব শুনে যদু ভট্টকে পাশের একটি ঘরে নিয়ে যেতে বললেন। যদু গেলেন, কিছুক্ষণ পরেই ফিরে এলেন। আসরের বেশীরভাগ লোকই কিছু বুঝতে পারলেন না। কেশববাবু ঠিকই বুঝলেন। যদু ভট্ট এসে যে তাঁর কানে কানে বলেছেন - ' কি জিনিষ, আমার চোদ্দ পুরুষে কেউ.....'

    যাই হোক শরীফ মেজাজে গান শুরু হল। সব কিছু ভেসে গেল। গানের তোড়ে নবাব ওয়াজেদ আলি শাহ নিজের কুর্সী ছেড়ে এসে যদুর সামনে এসে বসে পড়লেন।

    গান শেষ হলে তৃপ্ত নবাব উর্দুতেই বললেন, এমন গান তিনি কখনই শোনেন নি। তিনি পুরস্কার দিতে চান। হে গায়ক কী নেবেন বলুন।

    নবাবের তখন এমন অবস্থা সে সময় যদু ভট্ট যদি লাখ টাকা চাইতেন তাই দিয়ে দিতেন। কিন্তু যদু ভট্ট চেয়ে বসলেন সে চিজের দুই বোতল।

    খবরে প্রকাশ সে চিজ নাকি ছিল রজনীগন্ধা আর কামিনী ফুলের সুবাস দিয়ে মোড়া বিশুদ্ধ তাড়ি। যার তৈয়ারী হত নবাবের স্পেশাল পাকশালাতেই।

    ওয়াজেদ আলি শাহের বিরিয়ানি, বাঙালি আজও বাঁচিয়ে রেখেছে। কিন্তু সেই চিজের রেসিপি? কালের গর্ভে হারিয়ে গেছে।

    ধিক বাঙালি ধিক। তোমার ক্ষমা নাই।
  • Sibu | 84.125.59.177 | ০৯ জুলাই ২০১৩ ০০:৪৯390067
  • সে রেসিপি শেষ অবধি ট্যাংরা, বেইজিং হয়ে সিওল পৌঁছেছিল। কোরীয়ানরা এখনো সে বস্তু পাম ওয়াইন বলে বিক্কিরি করে, নোংরা খেতে। তবে গন্ধের টিউনিং কি আর চ্যাপ্টা নাকে পারফেক্ট হয়?
  • ranjan roy | 24.99.166.169 | ০৯ জুলাই ২০১৩ ০০:৪৯390066
  • জিও কেসি! সত্যই বাঙালী আত্মবিস্মৃত জাতি।
  • Abhyu | 34.181.4.209 | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ১১:২৪390068
  • এই টইটা কন্টিনিউ করা উচিত।
  • Abhyu | 138.192.7.51 | ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ ০২:১৫390069
  • হাড়ি বাবু তো রিটায়ার করেছেন, কেসিবাবু লেখেন না কেন?
  • Abhyu | 198.137.20.25 | ২১ নভেম্বর ২০২০ ১২:১৫733213
  • শেষ পোস্টটাও দেখি আমারই। সাড়ে ছবছর আগে।

  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
    • কি, কেন, ইত্যাদি
    • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
    • আমাদের কথা
    • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
    • বুলবুলভাজা
    • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
    • হরিদাস পালেরা
    • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
    • টইপত্তর
    • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
    • ভাটিয়া৯
    • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
    গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
    মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


    পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। সুচিন্তিত মতামত দিন