এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • guru | 2409:4060:e80:fab6:e987:6fab:dfdf:b46b | ১৯ জুন ২০২৪ ০৫:৪৪533449
  • অভিনন্দন সৈকত বাবু l আপনি এই ফোরামে সত্যিকারের ইনভেস্টিগেটিভ journalism করছেন l
  • | ১৯ জুন ২০২৪ ০৮:০৩533457
  • এই কবচ প্রযুক্তির যতটুকু ইমপ্লিমেন্টেড হয়েছে সেটুকু বাংলা বা পূর্বভারতের কোথাও হয় নি। 
  • dc | 2401:4900:4e60:3784:c0c5:f7a5:b4cd:5af8 | ১৯ জুন ২০২৪ ০৮:৫৫533462
  • মেরেছে, ভারতীয় রেলে কেজিবি? দ্রি কে খুব দরকার। 
  • অরিন | ১৯ জুন ২০২৪ ০৯:৪২533465
  • সৈকতের লেখাটা পড়ে মানে হচ্ছে এই কবচের ব্যাপারটা আরেকটা স্ক্যাম । এই রকম বেছে বেছে তিনটে কোম্পানিকে দেওয়া হচ্ছে, ব্যাপারটার implementation ঠিক করে করা হচ্ছে না (নাহলে ১-১.৫% লাইনে হবেই বা কেন), ইউরোপিয়ান ট্রেন কন্ট্রোল সিস্টেম আগে ভারতীয় রেখেই ব্যবহার করা হতো, এখন হয়তো বেশ কিছু লাইনে করা হয়, হঠাৎ তাদের কে সরিয়ে (না কি, না সরিয়ে) এইরকম সব dodgy কোম্পানিকেই বা কেন বরাত দেওয়া হচ্ছে এই নিয়ে মনে হয় পার্লামেন্টে প্রশ্ন তোলা উচিত । শুধু তাই নয়, ncrb র ডাটা অনুযায়ী মোদির আমলে ট্রেন একসিডেন্টে ২.৫ লক্ষ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, ভারতের বেশ কিছু মারাত্মক রেল দুর্ঘটনা এদের আমলে ঘটেছে । 
     
    রেল দুর্ঘটনা শুধুই ট্র্যাক আর ট্রেনে অটোমেটেড সিস্টেম দিয়ে রাখা যাবে কি?  আমার গত দুতিন বছরে ভারতে ট্রেনে করে  ঘোরার  অভিজ্ঞতা থেকে সংশয় আছে যে ভারতে ট্রেন যাত্রা কতটা  নিরাপদ । 
  • a | 98.128.173.33 | ১৯ জুন ২০২৪ ১০:০৮533469
  • কবচ আবার এক বাঙালি ইন্দ্রনীল মজুমদারের উদ্ভাবন। কে না জানে বাঙালি যাতে হাত দেবে সেটাই শেষ।
  • অরিন | ১৯ জুন ২০২৪ ১১:৩৮533475
  • একথা কেন বলচেন মশাই? এরা কবচ লাগায়নি বলেই তো এই সব কোলিশন হল বলে বলছে।
  • W | 49.207.218.77 | ১৯ জুন ২০২৪ ১১:৫৩533482
  • "শুধু তাই নয়, ncrb র ডাটা অনুযায়ী মোদির আমলে ট্রেন একসিডেন্টে ২.৫ লক্ষ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, ভারতের বেশ কিছু মারাত্মক রেল দুর্ঘটনা এদের আমলে ঘটেছে ।

    মোদীর আমল, মানে গত দশ বছর। অর্থাৎ গড়ে প্রতিদিন ৬৮ জন মানুষ রেল দুর্ঘটনায় মারা গেছেন।

    এ তো ভয়ংকর অবস্থা।
  • Lama | 2401:4900:7068:f6c9:76c1:879:944d:a10 | ১৯ জুন ২০২৪ ১১:৫৮533483
  • তাবিজ লাগাতে বলছে না এই তো আমাদের চৌদ্দপুরুষের ভাগ্যি 
  • Kishore Ghosal | ১৯ জুন ২০২৪ ১৩:৪৪533489
  • এই SCAM গুলোর জন্যেও  সুরক্ষা-কবচ আছে - সিবিআই, ইডি -মিডি কেউ টেরই পায় না - আহা কি সরল লোকজন।    
  • Argha Bagchi | ১৯ জুন ২০২৪ ১৭:০৪533493
  • একদম সঠিক পর্যবেক্ষণ। গতকাল পুনরায় এই তিন কোম্পানির শেয়ার চড়েছে, কবচ-এর নতুন বরাতজোরে। মোদী কোম্পানি ক্ষমতায় এসেই সর্বপ্রথম যে দুটি কীর্তি স্থাপন করেছিল, তার মধ্যে একটি হল আলাদা রেল-বাজেট পদ্ধতি বিসর্জন দিয়ে তাকে সাধারণ বাজেটের অন্তর্ভুক্ত করে দেওয়া, আর দ্বিতীয়টি হল, প্ল্যানিং কমিশনকে বুলডোজার চালিয়ে পঞ্চভূতে বিলীন করে তার জায়গায় নীতি-আয়োগ তৈরী করে তাকে বাৎসরিক প্ল্যানিং-এর বরাত দেওয়া। প্রথমটার ফল কী হতে চলেছে তা নিয়ে তাবড় তাবড় মাথাও মাথা ঘামাননি, যার কুফল আমরা একে একে পাচ্ছি অথচ বিরোধী পক্ষ না দেখছে, না বুঝছে। প্রতিবার রেল-দুর্ঘটনার পর অনেক তথ্য উঠে আসছে কিন্তু রেল-শ্রমিক ইউনিয়ন বলে কি যেন একটা ছিল,তাদের একটাকেও দেখা যাচ্ছে না কোন প্রতিবাদ গড়ে তুলতে। নীতি আয়োগ আসার ফলে দেশের প্ল্যানিং কী হয়েছে কে জানে, কিন্তু পি এম ও থেকে রেজাল্ট নির্ধারণ করে বলে দেওয়া হচ্ছে ডেটা সাজিয়ে কি প্রেজেন্ট করতে হবে, বড় বড় ডেটা-বিজ্ঞানীরা সেই হুকুম তামিল করে রঙিন-রঙিন ছবি আঁকছেন বছরের পর বছর। এর পরেও যে আমাদের গণতন্ত্র হতাশ হয়নি, তার ছাপ এই নির্বাচনে খানিকটা পড়েছে। কিন্তু অপদার্থ বিরোধী দলেরা একজোট হতেই ভুলে গেছে, সমস্যা সনাক্তকরণ তো দূর অস্ত। আর প্রতিবাদ / প্রতিরোধ? ওগুলো তো পার্লামেন্টে বেঞ্চ বাজালেই ক্যামেরায় ছবি হয়ে যায়, তার জন্য পথে নেমে জনমত গঠণের দরকার কী! ক্রমবর্ধমান বাইটের লোভে নেতা-মন্ত্রী-সান্ত্রী-সেপাই সবাই মিলে দেশটাকে কামড়ে কামড়ে খাচ্ছে, আর দেশপ্রেমের বিজ্ঞাপন বানানোর নতুন নতুন চিত্রনাট্য লিখছে। 
  • r2h | 208.127.183.211 | ১৯ জুন ২০২৪ ২০:০৫533498
  • মানুষ বিচিত্র প্রাণী।
    এঁরাই তো দুর্ঘটনার খবর পেয়ে নিজেদের নাওয়া খাওয়া উৎসব ভুলে দুর্ঘটনাগ্রস্তদের সহায়তায় ও ত্রাণে ছুটে এসেছিলেন, আহতদের নিজেদের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে শুশ্রূষা পর্যন্ত করেছেন।
  • সুদীপ্ত | ১৯ জুন ২০২৪ ২০:২৩533500
  • সে তো বটেই, নানারকম মানুষের জন্যে নানাভাবে অবাক হই, নিজেকেও বাদ দিই না।
  • | ১৯ জুন ২০২৪ ২০:২৫533501
  • নাহ এঁরা একই সেটের লোক নয় তো। এই বুভুক্ষু সেলফিপিয়াসী জনতা হল তারা, যারা বন্দেভারত আর বুলেটট্রেনমুগ্ধ,  ট্রেন থেকে স্লিপারক্লাস তুলে দেবার পক্ষপাতী bsrkari hala parisaba vala haba বিশ্বাসী জনতা। বিভিন্ন ট্রাভেলগ্রুপে থৈ থ্যঈ করছে 
  • r2h | 208.127.183.211 | ১৯ জুন ২০২৪ ২০:৩৪533502
  • ঃ(

    দোকান পাটও খুলেছে দেখলাম, মনে হলো স্থানীয় লোকজন হবে...
    খুবই বিভৎস ব্যাপার স্যাপার।

    জনস্বার্থ, ভাবাবেগ- কত কারনে কত রকম মামলা মোকদ্দমা হয়, রেলমন্ত্রীর বিরুদ্ধে দায়িত্বপালনে ব্যর্থতা, নীতি প্রয়োগে ইচ্ছাকৃত ভুল- এই মর্মে মামলা হতে পারে না?

    প্রশ্নটা আসলে রেটরিক, নিজেও জানি, হতে পারলেও হয় না। কয়েক বছর আগে ত্রিপুরায় মন্ত্রী রতনলাল নাথের দায়্ত্বজ্ঞানহীন ও ভিত্তিহীন বক্তব্যের ফলে তৈরি হওয়া গুজবে একাধিক মানুষ গণপ্রহারে নিহত হয়েছিলেন, যাঁদের মধ্য একজন তথ্য সংস্কৃতি দপ্তর থেকে গুজব বিরোধী প্রচারের দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকা কর্মীও ছিলেন। সেই গণপ্রহারের ভিডিও সমাজ্মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল। রতনলাল নাথ এখনো মন্ত্রীগিরি করছেন।
  • অরিন | ২০ জুন ২০২৪ ০১:৩৪533516
  • ভারতের রেলমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিৎ এবং প্রথমে বালেশ্বর তারপর এই, দুটো ট্রেন দুর্ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করানো উচিৎ, যদি সম্ভব হয় জয়েন্ট পার্লামেন্টারি কমিটি গঠন করে। এর প্রথম উদাহরণ রেখেছিলেন লাল বাহাদুর শাস্ত্রী,
     
     
    গত বছর গ্রীসে ট্রেন দুর্ঘটনার পর সে দেশের পরিবহন মন্ত্রীও পদত্যাগ করেছিলেন,
     
  • অরিন | ২০ জুন ২০২৪ ০২:০৫533518
  • সমরেশবাবু, আপনার দেওয়া লিঙ্কটা খুলল না, যা হোক, তবে ব্যাপারটা বিশ্বাসযোগ্য । সরকার বা রেল কর্তৃপক্ষ যদি মনে করেন শুধু টেকনোলজির প্রয়োগ করে রেল দুর্ঘটনা কমাবেন, কখনো হবে না।  এখনো অবধি সারা পৃথিবীতে দূরপাল্লার রেল মানুষে চালায়, ফলে শুধু ট্র্যাক এবং চালকের কেবিনে ডিভাইস দিয়ে AI/ML দিয়ে দুর্ঘটনা এড়ানো অসম্ভব, colllision risk হয়ত অনেকটা কমবে, তবে সেটাই তো একমাত্র নয়।
  • যোষিতা | ২০ জুন ২০২৪ ০৪:০৪533519
  • সমরেশবাবুর লিংকের ভেতরে এই হচ্ছে খবরঃ-
     
    একটানা চার রাত ডিউটি করার পর বিশ্রামে থাকা মালগাড়ির চালককে বাধ্য করা হয়েছিল ফের গাড়ি চালাতে!
    ভারতীয় রেলে তিন লক্ষ শূন্যপদ পড়ে আছে। সেফটি ক্যাটাগরিতেও উদ্বেগজনক সংখ্যায় ফাঁকা পড়ে আছে পদ। আর তার মাশুল দিতে হচ্ছে বর্তমান রেল কর্মচারীদের। চার রাত গাড়ি চালিয়ে বিশ্রামে থাকা মালগাড়ির চালককে মধ্যরাতে রানিং রুমের বিছানা থেকে তুলে হাতে ধরানো হয়েছে ডিউটি স্লিপ!
    দুর্ঘটনার পর রেল প্রশাসনের তরফ থেকে অভিযোগের আঙুল উঠেছে মালগাড়ির চালকের ওপর। রাঙাপানি স্টেশনে কাছে শিয়ালদহগামী কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের পিছনে এসে ধাক্কা মারে মালগাড়ি। দুর্ঘটনায় মালগাড়ির চালক ও তাঁর সহকারী দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। আর এই মৃত্যুর পরেই মৃত মালগাড়ির চালককেই কাঠগড়ায় তুলেছে রেল প্রশাসন।
    কিন্তু টানা চার রাত ডিউটি করার পর গত রবিবার রাতে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনের রানিং রুমে বিশ্রামে ছিলেন মালগাড়ির চালক। রাত প্রায় আড়াইটা থেকে তাঁর ওপর রেল প্রশাসন ফের ডিউটিতে যাবার জন্য চাপ তৈরি করতে থাকে। বিশ্রামে থাকা চালক রাজি হননি। কিন্তু সকাল ৬টা ৪০ মিনিট নাগাদ তাঁকে ডিউটি করার জন্য একপ্রকার বাধ্য করানো হয়েছিল। ভয়ানক দুর্ঘটনার পরে রেলকর্মীরাই এখন রেল প্রশাসনের এই অমানবিক আচরণের তীব্র নিন্দা করছেন। 
    গত ছয় মাস আগে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের এই রেলপথে স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল ব্যবস্থা চালু হয়েছে। কিন্তু দুর্ঘটনার সময় থেকে ছয় ঘণ্টা আগে থেকে ওই পথে স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল ব্যবস্থা খারাপ ছিল। ফলে পুরানো পদ্ধতি মেনে চালু রাখা ছিল সিগন্যাল। আর তারজন্য রেলের তরফে চালকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল, ‘টিএ ৯১২’ ফরম। কিন্তু ম্যানুয়াল সিগন্যাল ব্যবস্থায় ‘টিএ ৯১২’ ফরমে চালকদের কোনও গতি নিয়ন্ত্রণ করার কথা নয়। গতি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য চালকদের কাছে ‘টি/জি ৯১২’ ফরম দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রেলের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, মালগাড়ির চালকের কাছে গতি নিয়ন্ত্রণের ফরম দেওয়া হয়নি। 
    রেল কর্মচারীদের স্পষ্ট অভিযোগ, রেলের রানিং স্টাফ মানে চালক ও সহকারী চালকরা কতক্ষণ ডিউটি করবেন তার নির্দিষ্ট রূপরেখা তৈরি করা আছে। কর্নাটক ক্যাট (সেন্ট্রাল এ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইব্যুনাল) ও ব্যাঙ্গালুরু হাইকোর্টের রায়ে স্পষ্ট বলে দেওয়া হয়েছে, একজন চালক ১০ ঘণ্টা ডিউটি করবে। মালগাড়ি থেকে এক্সপ্রেস ট্রেন চালানোর দু’টি ডিউটির মাঝে কমপক্ষে ১৬ ঘণ্টা বিশ্রামের ব্যবস্থা করতে হবে চালকদের। একইসঙ্গে সাপ্তাহিক ২৬ ঘণ্টা বিশ্রামের ব্যবস্থা করার ব্যবস্থা করবে রেল মন্ত্রক। আদালতের এই নির্দেশের বাইরেও নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত রেলকর্মচারীদের জন্য নির্দিষ্ট ডিউটি ম্যানুয়াল আছে। আইন ও বিধি কোনও কিছুরই তোয়াক্কা না করে রেল কর্মচারীদের ওপর চাপানো হচ্ছে বিস্তর কাজের বোঝা। ইস্ট্রার্ন রেলওয়েমেন্স ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক অমিত বর্মণ জানান, ‘‘ দুর্ঘটনায় মালগাড়ির চালক প্রাণ হারিয়েছেন। আর রেল প্রশাসন এখন সেই চালকের ওপর দায় চাপিয়ে বাঁচতে চাইছে। রেলের নিয়ম নীতিকে অগ্রাহ্য করে রেল কর্মচারীদের ওপর কাজের বোঝা চাপানোর দায় এইভাবে এড়িয়ে যেতে চাইছে রেল মন্ত্রক। এ জিনিস মানা হবে না।’’
    মোদী সরকারের আমলে রেল মন্ত্রক কার্যত পরিষেবার পরিবর্তে আয় করার ক্ষেত্র হিসাবে গড়ে উঠেছে। ২০২০ সালের ২০ মার্চ কোভিড পর্বে ভারতীয় রেল যাত্রীদের ওপর থেকে সব ধরণের ছাড় প্রত্যাহার করে নিয়েছিল। কোভিড পার হয়ে গেলেও রেলের প্রবীণ নাগরিকদের ওপর যাত্রীভাড়ায় সেই ছাড় ফিরিয়ে আনা হয়নি। তথ্যের অধিকার আইনের মাধ্যমেই জানা গেছে, কোভিড পর্বে প্রত্যাহার করা প্রবীণ নাগরিকদের রেলযাত্রায় ছাড় তুলে দিয়ে ভারতীয় রেল প্রায় ৫ হাজার ৮৭৫ কোটি টাকা অতিরিক্ত আয় করেছে। অথচ দীর্ঘ সময় ধরে ভারতীয় রেলে প্রবীণ পুরুষ যাত্রীদের রেলের টিকিটের ওপর ৪০ শতাংশ ও প্রবীণ মহিলাদের ৫০ শতাংশ ছাড় দিত রেল। কিন্তু এখন স্রেফ ব্যবসা করতে গিয়ে ভারতীয় রেলের যাত্রী পরিষেবাকে শিকেয় তুলে মুনাফাতে ব্যস্ত রেল মন্ত্রক।
    আর মুনাফার হাত ধরেই রেলে এখন ব্যাপক হারে বেসরকারিকরণ চলছে। গত বছর জুন মাসে ওডিশার বাহানাগা রেল স্টেশনে ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়া করমণ্ডল এক্সপ্রেসের সঙ্গে বছর ঘুরতে উত্তর পূর্ব সীমান্ত রেলের অধীনে রাঙাপানি স্টেশনে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় মিল খুঁজে পাচ্ছেন রেল কর্মচারীরাই।
    রেল প্রশাসন সূত্রেই জানা গেছে, এদিন সকালে ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটেছে সেই রেলপথে ছয় মাস আগে সিগন্যালিং ব্যবস্থার আধুনিকীকরণের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় করা হয়েছে। কিন্তু গত ছয় ঘণ্টা ধরে ওই রেলপথে প্রযুক্তিগত কোনো ত্রুটির জন্যই স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল ব্যবস্থা চালু ছিল না। ফলে পুরানো পদ্ধতিতেই রেলপথ দিয়ে চালানো হচ্ছিল ট্রেন। রেল কর্মচারীদের বক্তব্য, ‘‘ আসলে ভারতীয় রেলের নিজস্ব সিগন্যাল ব্যবস্থা আছে। তার আধুনিক বিভাগও আছে। কিন্তু বর্তমানে গোটা ব্যবস্থাকেই বেসরকারিকরণের মধ্য দিয়ে আউটসোর্স করে দেওয়া হয়েছে। এখন অটোমেটেড সিগন্যাল ব্যবস্থার বরাত দেওয়া হয়েছে বেসরকারি হাতে। আবার সেই ব্যবস্থায় কোনও ত্রুটি ধরা পড়লে তার রক্ষণাবেক্ষণের বরাত দেওয়া আছে অন্য এক সংস্থার হাতে।’’  রেলযাত্রীদের নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত সমস্ত বিভাগকে আউটসোর্স করে দেওয়ার চূড়ান্ত পরিণতিতেই ঘটে যাচ্ছে একের পর রেল দুর্ঘটনা। 
  • Prativa Sarker | ২০ জুন ২০২৪ ১৮:২৫533535
  • আজ কাগজে দেখলাম চালক নিয়োগের ফাইল নাকি নড়ছে!  এতদিনে। গত দশ বছরে খুব পরিকল্পিত ভাবে ভারতীয় রেলকে শেষ করা হয়েছে। পরতে পরতে ষড়যন্ত্র। 
    এরকম লেখা আরও আসুক।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভ্যাবাচ্যাকা না খেয়ে মতামত দিন