এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ভ্রমণ  পথ ও রেখা

  • শীতল মরুভূমিতে সাড়ে তিনদিন - ২ 

    লেখকের গ্রাহক হোন
    ভ্রমণ | পথ ও রেখা | ২২ অক্টোবর ২০২৩ | ৬২৭ বার পঠিত

  • শ্রীখন্ড মহাদেব রেঞ্জ - ১৯/০৯/২৩ 
     
    সারাহান ছিল বুশহর রাজ্যের গ্রীস্মকালীন রাজধানী। রামপুরে আমরা শীতকালীন রাজধানীর রাজপ্রাসাদটা দেখে এসেছি। শিবম গেস্ট হাউসের দোতলা থেকে এই গ্রীস্মকালীন প্রাসাদের বাইরের অনেকটা অংশ দেখা যায়। বিকেলে এত বৃষ্টি হল যে বেরোতেই পারলাম না আর পরের দিন সকালে তাড়াতাড়ি বেরিয়ে কামরু ফোর্ট ঘুরে ছিটকুল পৌঁছানোর পরিকল্পনা থাকায় রাজপ্রাসাদ দেখার চেষ্টাও করি নি। কিন্তু তখন যদি জানতাম দিনের বাকী সময় কীভাবে যাবে তাহলে সকালে  বেরোনর আগে ওটা দেখার একটা চেষ্টা করতাম। মনে করা হয় সারাহানই নাকি পুরাণে বর্ণিত শোণিতপুর। মানে আসামের শোণিতপুর নয়, শিবের বাসস্থান কৈলাসের রাজধানী শোণিতপুর আর আদি কৈলাস পর্বত সমেত কিন্নরদেশই হল কৈলাস।
     

    সারাহান প্যালেস - ১৯/০৯/২৩ (শিবমের বারান্দা থেকে জুম করে নেওয়া) 

    সারাহানের মুখ্য আকর্ষণ ভীমাকালী মন্দিরের স্থাপত্য এক্কেবারে অনন্য। আশেপাশের কোনও অঞ্চলে তো নয়ই, অন্য কোথাওও দেখা যায় না। প্রায় আটশো বা তার কিছু বেশী বছর আগে বুশহর রাজাদের তত্ত্বাবধানে হিন্দু ও বৌদ্ধ স্থাপত্যরীতি মিলেমিশে তৈরী এই অনুপম মন্দিরটি। মন্দিরের সাথে জড়িয়ে আছে একাধিক কিংবদন্তী। রাজা বাণাসুরের কন্যা উষা আর কৃষ্ণের নাতি অনিরুদ্ধের প্রেমকাহিনীর কিংবদন্তী এই মন্দিরকে ঘিরে আছে। নাতি বাণাসুরের মেয়ের সাথে প্রেম করছে শুনে ক্রুদ্ধ কৃষ্ণ বাণাসুরকে হত্যা করে তাঁর মাথাটা কেটে এই মন্দিরের প্রবেশপথে পুঁতে দেন। মাথা পোঁতা অংশটি নাকি মন্দিরের প্রবেশপথে একটু উঁচু একটা পাথরের চট্বান দিয়ে চিহ্নিত করা আছে। বাণাসুরের মৃত্যুর পরে কৃষ্ণপুত্র, অনিরুদ্ধের পিতা প্রদ্যুম্ন রাজা হন।

    মন্দির সম্পর্কে অপর আরেকটি কিংবদন্তী  দক্ষযজ্ঞের সাথে জড়িত। দক্ষযজ্ঞের পরে সতীর খন্ড খন্ড দেহাংশের মধ্যে কান নাকি এইখানে পড়েছিল। সেই থেকে ভীমাকালীকে একান্ন শক্তিপীঠের একটি বলে মনে করা হয়। মূল মিনার মন্দিরে উপরে সতী ও নীচের তলায় পার্বতী পুজিত হন। মন্দির চত্বরে আরো তিনটি মন্দির আছে যথাক্রমে রঘুনাথ, নরসিংহ এবং কালভৈরবের। মন্দিরের এক একটি দরজা অপূর্ব গঠনের, ভেতরে বারান্দায় সুক্ষ্ম কাঠের কাজ দেখা যায়। সব মিলিয়ে ভীমাকালী মন্দির স্থাপত্য এক অনন্য বিস্ময়। ধর্মীয় অনুষঙ্গ ছাড়াও দেখার মত জায়গা। এদিকে উখীমঠের সাথেও অনিরুদ্ধ উষার প্রেমকাহিনী জড়িত। এগুলি সবই পৌরাণিক কাহিনী, কোনটিরই কোনও ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই। 

    আমি বহু আগে এই সারাহানে বাণাসুর হত্যা আর মাথা কেটে মন্দিরের প্রবেশপথে পুঁতে দেওয়ার পৌরাণিক গল্পটা কোথায় যেন পড়েছিলাম। সেই থেকে এই মন্দিরের প্রতি একটা বিতৃষ্ণা রয়ে গেছে। ফলে দেখার ইচ্ছেই হয় নি। পরিব্রাজক উমাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বলেছেন কাহিনী পৌরাণিক বা লোককাহিনী হলেও এর পেছনে আর্য অনার্য সংঘাতের ঈঙ্গিত আছে বলে পন্ডিতেরা মনে করেন। উদাহরণস্বরূপ রবীন্দ্রনাথের ‘ভারতবর্ষে ইতিহাসের ধারা নির্নয়’ প্রবন্ধের কিছু অংশ তুলেও দিয়েছেন – ‘পর্দা উঠিবামাত্র ভারতবর্ষের ইতিহাসের প্রথমাঙ্কেই আমরা আর্য অনার্যের প্রচন্ড জাতি সংঘাত দেখিতে পাই।...‘ এছাড়া এখানে একটা ছোট পাখিরালয় আছে বলেও নেটে দেখেছিলাম, তবে সে দেখতে গেলে আর একটা দিন অন্তত থাকতে হয়।
     

    একফালি সারাহান 

    এদিকে সারাহান পৌঁছেই জানলাম আমরা যেখানে রাত্রে থাকবো সেই শিবম গেস্ট হাউসের রাঁধুনি নাকি ছুটিতে গেছেন। সে পরিকল্পিত ছুটি নাকি হঠাৎ প্রয়োজনে নেওয়া তা ভগা জানে। তবে সেজন্য যে পরিমাণ অব্যবস্থা দেখলাম সে আর কহতব্য নয়। রাতের খাবারে মুর্গীর ঝোল রান্না করেছিলেন স্বয়ং ট্রিপ সংগঠক। অতি সুস্বাদু সে রান্না। কিন্তু তার সাথে ভাত রুটি কখনোই পর্যাপ্ত পাওয়া যাচ্ছিল না। সে এক মহা বিশৃঙ্খলা। কখনো রুটি ফুরোচ্ছে তো কখনো ভাত। পরেরদিন সকালেও বিশৃঙ্খলা অব্যাহত।  খাবার ঘরে বসে থেকে থেকে শেষে একে একে উঠে গিয়ে রান্নাঘরে দাঁড়িয়ে যে যার টোস্ট অমলেট সরাসরি উনুন থেকে টপাটপ তুলে আনতে লাগল। চা কফির আশা ছেড়ে আমরা কজন বাইরে উল্টোদিকের এক চায়ের দোকানে হাজির হলাম  চা কফি খেতে।  

    পরম আশ্চর্য্যের ব্যপার হল এঁরা সকালে এমনকি এক কেটলি গরমজলও দিতে পারেন নি। দিলে সঙ্গে থাকা কফি বানিয়ে নিতে পারতাম আমরা। ওদিকে পথ চলতি মানুষজনের মাথায় রঙচঙে হিমাচলি টুপি দেখে আমার শখ জেগেছে অমন একখানা টুপি কেনবার। অতএব বাকীরা যখন বেরোনর জন্য তৈরী হচ্ছে তখন আমি আর অর্ণাদি (অপর্ণাদি) চললাম টুপির  দোকান খুঁজতে। সামনের গলিতেই দুশোমিটার মত এগিয়েই কুলু উলেন এম্পোরিয়াম, বিক্রেতা এক সহাস্য মহিলা। পছন্দ করা, দাম মেটানোর ফাঁকে একথা সেকথায় আমরা আজ  ছিটকুল যাবো শুনে তিনি অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করলেন ওদিকে যে ধ্বস নেমেছিল তার রাস্তা খুলেছে? আমাদের তখনও সংগঠকদের উপরে অগাধ ভরসা, তাই বলি হ্যাঁ নিশ্চয়, নাহলে আর  নিয়ে যাচ্ছে কেন? 
     

    হিমাচলী টুপি  
     

    শ্রীখন্ড মহাদেব (বেলা আটটার রোদ্দুরে ঝলমল) 
    নিয়তিদেবী নিশ্চয়ই তখন বন্ধ চোখের ফাঁকে মুচকি হেসেছিলেন। গেস্ট হাউসে ফিরেই হুড়মুড়িয়ে ব্যাগপত্তর উঠিয়ে  গাড়ি চেপে বসা গেল। বাকী দুটো গাড়ি ততক্ষণে বেরিয়ে গেছে। সারাহানের ছোট্ট জনবসতি ছাড়িয়ে গাড়ি ধরে পাহাড়ি সর্পিল রাস্তা। গাড়িশুদ্ধ সবাই মহা ফুর্তিতে পরিকল্পনা করি ছিটকুলে গিয়ে কী কী করব। ইতোমধ্যে প্রায় সবাই মাথায় পরে নিয়েছি হিমাচলি টুপি। ঘন্টাখানেক চলার পরে এক দুর্দম ঝর্ণা ছাড়িয়ে কয়েক পা এগিয়েই থেমে গেল গাড়ি। সামনে লাইন দিয়ে পরপর দাঁড়িয়ে আছে নানা আকারের আকৃতির যাত্রীবাহী ও মালবাহী গাড়ি। প্রথমে শোনা গেল লম্বা জ্যাম, দেড় দুই ঘন্টা লাগবে ছাড়তে। আরো খানিক বাদে জানা গেল নিগেলসুরিতে ধ্বস নামার কারণে রাস্তা প্রায় বন্ধ। পুলিশ এক একদিকে সত্তরটা করে গাড়ি ছাড়ছে।
     

    ম্যাগী পয়েন্টের সেই বহুধারা ঝর্ণা 

    আমরা বসে বসে গুণতে লাগলাম উপর থেকে কটা করে গাড়ি নামছে। তা সে ত মনে হল সত্তরের বেশীই হবে। অধিকাংশই আপেলবোঝাই ট্রাক। এদিকেও সমান সংখ্যক গাড়ি ছাড়লে আমাদের গাড়ি কেন একপাও এগোচ্ছে না তা আমরা কেউই বুঝে উঠতে পারলাম না। এদিকে ঘড়ির কাঁটা ঘুরে ঘুরে তিনঘন্টা চারঘন্টা পার হয়ে যেতে লাগল। সামনে কয়েক পা এগিয়ে চা ম্যাগী জল বিস্কুট ইত্যাদির একটা ছোট দোকান, সেখানেই ওই শয়ে শয়ে গাড়ির লোকে হামলে পড়ে ম্যাগী চা খেতে লাগল। খেয়েদেয়ে আমি শেষ গুডডে বিস্কুটের প্যাকেটটা কিনে নিলাম। মাঝে মাঝে আমাদের পেছন থেকে হিমাচল ট্র্যান্সপোর্টের বাস কিম্বা সরকারি পতাকা লাগানো গাড়ি এসে আমাদের ছাড়িয়ে চলে যেতে লাগল। কয়েকটা সাধারণ গাড়িও বেরিয়ে গেল।     

    নীরজ, আমাদের সারথি ঘুরে এসে জানাল সত্যিই সত্তরটা গাড়ি ছাড়লে আমাদের এর পরের চান্সেই বেরিয়ে যাবার কথা। সাধারণ গাড়ি যেগুলো পেছন থেকে এসে এগিয়ে যাচ্ছে তাদের পুলিশ ৫০০০/- টাকার চালান কেটে ফাইন নিয়ে যেতে দিচ্ছে। এদিকে সময় গড়িয়ে বিকেল ছটা, গাড়িতে বসেই রাত কাটাতে হবে এই আলোচনার  মধ্যেই নীরজ জানালো ট্রিপের মূল সংগঠক  জানিয়েছেন আমরা সারাহানেই ফেরত যাব, রাতে এখানে থাকা নিরাপদ নাও হতে পারে, যদি পাহাড়ের এই অংশ থেকেই হঠাৎ ধ্বস নামে তাহলে বেশী বিপদ হবে। আমরা দু’একজন যদিও গাঁইগুই করছিলাম যে রাত্রে এখানেই থেকে গেলে পুলিশ যখন ছাড়ত তখন বেরিয়ে যেতে পারতাম। তা সে আর শোনানোর জন্য সংগঠক মশাইকে পাচ্ছিই বা কোথায়!


    আলগা পাথর সব,গড়িয়ে নামতে পারে যে কোন সময়। 

    সকালে আমরা সবার পরে রওনা হলেও ছোট গাড়ি হওয়ায় পৌঁছেছিলাম ট্রাভেলার দুটোর আগে, ফলে ফিরতি পথে সবার পেছনে। আর কি আশ্চর্য্য ব্যাপার, যাওয়ার সময় যেখানে ঘন্টাখানেকে পৌঁছেছিলাম সেখান থেকে ফিরতে সময় লাগল প্রায় দুই ঘন্টা বা তারও একটু বেশী। রাস্তা আর শেষ হয় না, হয়ই না। ততক্ষণে ঘোর অন্ধকার হয়ে গেছে। নেমেছে বৃষ্টিও। আবারও সেই শিবম ধর্মশালা, সেখানে আবার অন্য অতিথিরা এসে গেছেন কাজেই  যতক্ষণ না ঘর বরাদ্দ হচ্ছে ততক্ষণ ছড়িয়ে ছিটিয়ে বারান্দায় বসা। ওদিকে বৃষ্টির মধ্যে গাড়ির ছাদ থেকে মালপত্র নামানোর কেউ নেই, সহযাত্রী অভিষেক, সমৃক, প্রিয়ংকর ইত্যাদি জনা কয় উৎসাহী যুবক হাসিমুখে নামিয়ে দেন সকলের মালপত্র, আবার ডেকে হেঁকে খোঁজও নেন সবাই পেয়েছে কিনা।

    স্রেফ বসে থেকে থেকেই এমন ক্লান্ত হয়েছিলাম যে কোনোমতে ডাল, আলুসেদ্ধ আর ডিমের অমলেট দিয়ে ভাত খেয়েই সোজা বিছানায় এবং প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই ঘুম। বাইরে তখনো টুপটাপ করে বৃষ্টি পড়েই চলেছে। পরেরদিন খুব ভোরে ছ’টার আগেই আমাদের আর্টিগা বেরিয়ে যাবে, তাতে  আমাদের নিয়মিত যাত্রীদের একজন, অভি যাবে না। বদলে ট্রিপের গাড়িগুলো  দিয়েছে যে সংস্থা তাদের প্রতিনিধি হ্যারী যাবেন  আমাদের গাড়িতে। ছোট গাড়ি তাই অনেকটা টেনে সামনে চলে যেতে পারবে, হ্যারী ওখানে পৌঁছে দেখবেন কী অবস্থা, কীভাবে গাড়িগুলো বের করিয়ে নেওয়া যায়। কথামতই ভোরে উঠে তৈরী আমরা। কফি প্রাতরাশ রাস্তায়ই কোথাও হবে। ৫.৪৫এ ছাড়ল আমাদের গাড়ি,দুরুদুরু বুকে সবার একটাই প্রশ্ন, যাবো তো আজ  ছিটকুল?   আকাশে তখন আতপচাল ধোয়া জলের রঙ।
     
    ঝর্ণারকি তীব্র বেগ! আর তেমনি আওয়াজ 
     

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ভ্রমণ | ২২ অক্টোবর ২০২৩ | ৬২৭ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    খুশি - Suvasri Roy
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • swati | 2a0b:f4c2:1::1 | ২৩ অক্টোবর ২০২৩ ০৮:২৯525040
  • যা বাবা সারাদিন ধরে ওখানে আটকে রইলে? টুপির ছবি দিও একটা।
  • kk | 2607:fb90:ea0c:cd31:3838:7c15:53a8:552d | ২৩ অক্টোবর ২০২৩ ১৯:৪৪525075
  • হ্যাঁ, আমিও টুপির ছবি দেখতে চাই।
  • | ২৩ অক্টোবর ২০২৩ ২১:১০525080
  • হ্যাঁ সারাদিনই আটকে ছিলাম। (এ কোন স্বাতী রে বাবা!?) 
     
    টুপির ছবি দিলাম। দুজনেই দেখে নেবেন/ নিও 
  • অমিতাভ চক্রবর্ত্তী | ২৪ অক্টোবর ২০২৩ ০৮:৩৩525096
  • ৫০০০ টাকা × ৩ = ২৪ ঘন্টা। এও অভিজ্ঞতা বটে। এখন পরের দিনের অপেক্ষায় থাকলাম।
  • অর্পণা দত্ত | 203.163.233.152 | ২৪ অক্টোবর ২০২৩ ১০:২৫525100
  • লেখা তো অনবদ্য বটে ই ! ছবি ও অসাধারণ নিয়েছো দি
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। সুচিন্তিত মতামত দিন