এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  উপন্যাস

  • এক দুগুণে শূণ্য - ৭

    Kishore Ghosal লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | উপন্যাস | ২২ জানুয়ারি ২০২৩ | ১৮৩ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)


  • সনৎবাবু এবং কমলবাবু ব্যাংক থেকে টাকা তুলে অনেকক্ষণ ফিরে এসেছেন। পৃথাদেবীর রান্নাও সারা। একে একে সকলের স্নান হয়ে গেল। সদরে তালা দিয়ে, টানটান উত্তেজনা নিয়ে, সবাই ওপরের ঘরে গেলেন। আর মাত্র কয়েকঘন্টার ব্যাপার! আট হবে ষোলো, ছয় হবে বারো! ছিল চশমা হয়ে গেল বেড়াল, এ ঘটনা তার থেকেও সাংঘাতিক! বিপদতারণ আর গোপাল আগে থেকেই পুজোর সব যোগাড় করে রেখেছিল। ওঁরা সবাই মিলে বসতেই বিপদতারণ আচমন করে, পুজো শুরু করে দিল।  
    “ওঁ বিষ্ণুঃ ওঁ বিষ্ণুঃ ওঁ বিষ্ণুঃ।
    ওঁ বিপত্তারিণৈ নমস্কৃত্যং কাঞ্চনমুদ্রা বৃদ্ধিম্‌ করিষ্যে। ওঁ বিপত্তারিণৈ নমঃ”। দুর্বাঘাসের গুছিতে জল নিয়ে সকলের মাথায় গঙ্গাজল ছিটিয়ে দিয়ে মন্ত্র পাঠ করতে লাগল বিপদতারণ।  
    “সারা দিনে তব নাম যে জপে শতবার।
    তাহার ঘরেতে সম্পদ ঝরে অনিবার।।
    শতেক বিপদ আপদ যায় বহুদূর।
    ছাই লয়ে মুখ ঢাকে যতেক শত্তুর।।
    প্রমোশন ঢেলে দেয় দুষ্ট উপরওয়ালা।
    দুধে জল দিতে ভোলে যতেক গোয়ালা।।
    ডেঙ্গু, নিপা, অজানা জ্বর, চি...”
    এই সময়েই সনৎবাবুর ফোন বেজে উঠল, ফোন ধরে সনৎবাবু বললেন, “ফুটি ফোন করেছে”, তারপর কানেক্ট করে বললেন, “হ্যালো, ফুটি...পুজো চলছে রে। হ্যাঁ একটু আগেই শুরু হল। শেষ হলেই তোকে রিং ব্যাক করছি, হ্যাঁ হ্যাঁ ...রাখছি, পরে ফোন করবো, মা, ভাবিস না”।
    গোপাল নাক চোখ কুঁচকে সনৎবাবুর দিকে এতক্ষণ দেখছিল, ফোন বন্ধ হতেই বলল, “ফোনটা এই সময়েই ধরলেন...মা আবার বিরক্ত না হন”।
    “কার মা, বিরক্ত হবেন”?
    “মা বিপত্তারিণী, যিনি টাকা ডবল করবেন”।
    “ওঃ, তাই”?
    কমলবাবু বললেন, “আঃ সনৎ, ফোনটা এখন সুইচ অফ করে রাখ না, পুজো শেষ হলে ফোন করিস। তীরে এসে তরি না ডোবে!”
    গোপাল বলল, “সেই ভালো, পুজোর সময় ডিস্টার্ব করলে, মা খুব রুষ্ট হন। দেবতাদের রুষ্ট হতেও বেশি সময় লাগে না, তুষ্ট হতেও তাই...”
    “তুই থামবি? পুজোর মধ্যে বিঘ্ন এলে, মহা অনর্থ উপস্থিত হয়... ওঁ বিষ্ণু, ওঁ বিষ্ণুঃ, ওঁ বিষ্ণু”।
    তারপর বাকি মন্ত্র পাঠে মন দিল বিপদতারণ,       
    “..ডেঙ্গু নিপা অজানা জ্বর, চিকুনগুনিয়া।            
    তব সহায়ে মাতঃ দিব আচ্ছাসে ধুনিয়া।।
    মারীতে মরিনি মোরা, কখনও হারিনি।
    জয় জয় মহা দেবী, মাগো বিপত্তারিণী।।

    শ্রাবণধারার মতো ঢেলে দিও টাকা।
    বন বন ঘুরে যেন মোর ভাগ্যচাকা।।
    শত্তুরের মুখেতে ঝামা ঘষিও ঘস্‌ঘস্‌।
    পতি-পুত্র-পরিবার সব হয় যেন বশ।।
    এক টাকা দিলে যেন পাই টাকা দুই।
    ডবল করিও মাগো যাহা পদতলে থুই।।
    ট্যাক্সো-ওয়ালা বাক্স নিয়ে যায় যেন ভেগে।
    তাহাদের ‘পরে মাগো তুমি যেও খুব রেগে।।
    মিটাইও যতেক সাধ যাহা সাধিতে পারিনি।
    জয় জয় মহা দেবী, মাগো বিপত্তারিণী”।।  
    এই সময় কমলবাবুরও ফোন বেজে উঠল, অপ্রস্তুত কমলবাবু ফোন অফ করে দিলেন, সকলের মুখের দিকে তাকিয়ে বোকার মতো হাসলেন। এদিকে মন্ত্র পাঠের পর বিপদতারণ দীর্ঘক্ষণ প্রণাম করল। তারপর সোজা হয়ে বসল, বলল, “এবার অঞ্জলি। কাকিমা, কাকাবাবু, হাতে বেলপাতা, তুলসি আর কুচো ফুল নিয়ে জোড় হাতে বলুন...”
    সকলের হাতে গোপাল উপচার তুলে দেওয়ার পর বিপদতারণ জিগ্‌গেস করল, “হয়েছে? সবাই বলুন, মাগো, আমাদের পুজোয় তুষ্ট হও মা”।  
    সনৎবাবু, কমলবাবু এবং পৃথাদেবী পরম ভক্তিভরে অঞ্জলি হাতে একসঙ্গে বললেন, “সবাই বলুন, মাগো, আমাদের পুজোয় তুষ্ট হও মা...”।
    বিপদতারণ একটু বিরক্ত হয়ে বলল, “যাচ্চলে, আপনারা “সবাই বলুন” বলছেন কেন? ওটা বলবেন না। “মাগো, আমাদের পুজোয় তুষ্ট হও মা” – এই কথাটুকুই বলবেন শুধু। এবার আর ভুল হলো না, সকলে ঠিকঠাক বলতে লাগল, “মাগো, আমাদের পুজোয় তুষ্ট হও মা”। বিপদতারণ এর পর একএকটা মন্ত্র বলতে লাগল, তারপর সবাই।  
    “আমাদের শত্রুদের উপর রুষ্ট হও মা”।
    “আমাদের শত্রুদের উপর রুষ্ট হও মা”।
    “আমাদের দারিদ্য, দৈন্য ঘুঁচিয়ে দাও মা”।
    “আমাদের দারিদ্য, দৈন্য ঘুঁচিয়ে দাও মা”।
    “আমাদের সামান্য অর্থ ডবল করে দাও মা”।
    “আমাদের সামান্য অর্থ ডবল করে দাও মা”।
    এবার পুজো শেষ, বিপদতারণ বলল, “ব্যস, আমাদের কাজ শেষ, এবার যা কিছু করবেন, মা বিপত্তারিণী। সকলে মাকে প্রণাম করুন, যার যা মনের ইচ্ছে, মনের কথা মনে মনে বলুন। মা সবার সব ইচ্ছে পূর্ণ করে দেবেন”।
    সকলে মেঝেয় মাথা ঠেকিয়ে প্রণাম করতে লাগল, বিপদতারণ গোপালের দিকে তাকিয়ে কিছু ইশারা করল। প্রণাম শেষ করে উঠতেই, গোপাল নৈবেদ্যর থালা থেকে, কলার ছোট্ট একটা টুকরো তুলে পৃথাদেবীর হাতে দিয়ে বলল, “কাকিমা, মায়ের এই প্রসাদ, একবারে কোঁৎ করে গিলে ফেলতে হবে। দাঁতে লাগলে, কিংবা চিবিয়ে ফেললেই সর্বনাশ! মনের ইচ্ছে পূরণও থেঁৎলে যাবে, পাখিতে খাওয়া ফলের মতো, কানা বেগুনের মতো - নিষ্ফল হয়ে যাবে... খুব সাবধান”।
    পৃথাদেবী বললেন, “গলায় আটকে যাবে না তো?”
    গোপাল বলল, “কেন কাকিমা, অশোকষষ্ঠীতে অশোকের ফুলসমেত কলার টুকরো, গিলে নেন না?”
    “তা তো নিই”।
    “তাহলে? মায়ের চরণে মন স্থির করে, মায়ের প্রসাদ গিলে ফেলুন...”।
    পৃথাদেবী প্রসাদ মুখে নিয়ে নির্বিঘ্নে গিলে ফেললেন। তিনি আনন্দে উচ্ছ্বসিত হয়ে বললেন, “হয়েছে, পেরেছি, মায়ের প্রসাদ...জয় মা, জয় মা...আর কোন ভয় নেই মা”।
    গোপাল এবার সনৎবাবু আর কমলবাবুকে বললেন, “এবার কাকাবাবু, আপনারা দুজনেও...”!
    এসময় পৃথাদেবী সনৎবাবুকে সতর্ক করে বললেন, “দেখো, তোমার আবার কাকের মতো সবকিছুই ঠুকরে খাওয়ার অভ্যাস। দাঁত না লাগে...তাহলেই ইওরোপের দফা রফা”। কিন্তু কোন অঘটন হল না, দুজনেই নির্বিঘ্নে গিলে ফেলল। স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল বিপদতারণ ও গোপাল। বিপদতারণ বলল, “এতক্ষণে পুরো অনুষ্ঠানটা সুসম্পন্ন হল। বাকি প্রসাদ আপনারা সকলেই ভাগ করে নিন। আর কতক্ষণই বা সময় লাগবে? মা ধীরে ধীরে সব পরিষ্কার করে দেবেন। আপনারাও সকলে গভীর স্বপ্নে বিভোর হয়ে থাকবেন”।  
    গোপাল বলল, “না ঘুমিয়ে কী স্বপ্ন দেখা উচিৎ হবে, দাদা”?
    “ঘুম তো আসবেই, ঘুম না এসে যাবে কোথায়”?
    “তার আগে খেয়ে নিলে হত না”?
    গোপালের কথায় সনৎবাবুর টনক নড়ল, তিনি খুব ব্যস্ত হয়ে বলে উঠলেন, “ঠিক কথা, বেলা অনেক হল, পৌনে চারটে! শুনছো, চল সবাই একসঙ্গে খেয়ে নিই, আর বেলা বাড়িয়ে কাজ নেই। কমল, তুই আবার এলিয়ে পড়ছিস কেন? চল নিচেয় চল, খেয়ে আসি”।  
    পৃথাদেবীও আসন থেকে ভারি শরীর তুলতে তুলতে বললেন, “কমলঠাকুরপো, খাবে এসো, নিচেয় গিয়ে আমি ভাত বাড়ছি...তোমরাও এসো, বিপদ, গোপাল...তুমি আবার সঙ সেজে দাঁড়িয়ে রইলে কেন? নিচেয় চলো, আমি একা পারবো নাকি? তুমিও হাতে হাতে ধরে দেবে..” শেষ কথাগুলো তিনি বললেন সনৎবাবুকে।
        
    সনৎবাবু ও পৃথাদেবী ঘর থেকে বেরিয়ে নিচেয় গেলেন। কিন্তু কমলবাবুর অবস্থা সঙ্গীন, তিনি মেঝেয় চিৎ হয়ে শুয়ে পড়েছেন, মৃদু মৃদু নাকের আওয়াজ আসছে। তাই দেখে গোপাল বলল, “ও দাদা, কমলকাকু এখানেই লটকে পড়ল যে”।  
    “ভালই তো, কমলবাবু কমল। চটপট ব্যাগ-ট্যাগ গুছিয়ে ফেল। ধুতি ছেড়ে, জামা-প্যান্ট... চটপট”।
    টাকার প্যাকেটগুলো ভাগ হয়ে ঢুকে পড়ল, বিপদতারণ ও গোপালের ব্যাগে। ধুতি ছেড়ে ওরা দুজন যখন জামা প্যান্ট পরে ফেলল, ততক্ষণে কমলবাবু গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন, রীতিমতো নাকের গর্জন শোনা যাচ্ছে! গোপাল বলল, “এবার?”
    বিপদতারণ চিন্তা করতে করতে বলল, “সদরের চাবিটা খুঁজতে হবে। তারপর সন্ধের জন্যে অপেক্ষা। সন্ধের আলো আঁধারিতে চটপট চম্পট”!
    “কোথায় যাবে, ঠিক করেছ? কলকাতায় ফিরে যাওয়া কী ঠিক হবে?”
    “একদম না, ভয়ংকর ভুল হবে। পুলিশের হাতে চোদ্দ লাখ তুলে দিয়ে, এত তাড়াতাড়ি আবার সরকারি অতিথি হওয়ার কোন ইচ্ছে আমার নেই”।
    “তাহলে?”
    “এখান থেকে বাস ধরে বিহার...সেখান থেকে নেপাল-টেপাল কোথাও...আরো ভাবতে হবে, আপাততঃ বঙ্গ থেকে রণে ভঙ্গ দিয়ে বিহার...তারপর চিন্তা করা যাবে...কিন্তু নিচে থেকে ডাক আসছে না, কেন? খিদেয় নাড়িভুঁড়ি হজম হয়ে যাওয়ার যোগাড়, খেতে টেতে দেবে না, নাকি রে?”
    “আমার মনে হয় দাদা, ওরাও ঘুমোচ্ছে...”
    “সে কি রে? এত তাড়াতাড়ি সবার ওষুধ ধরে যাচ্ছে? চল তো নিচেয় যাই”।
    “বয়স তো কম হয়নি, দাদা? ঢকঢকে বুড়ো সব, ফুল ডোজ কী আর সহ্য হয়? শেষে টেঁশে যাবে না তো, দাদা?”
    “অলক্ষুণে কথা বলছিস? বালাই ষাট, টেঁশে গেলে ডবল টাকায় ইওরোপ যাবার কী হবে”? 
    “টেঁশে গেলে তো বিনাপয়সায় ইওরোপ ভ্রমণ হয়ে যাবে দাদা! ভূতেদের ভিসা-পাসপোর্ট লাগে কী?”
    “তার আমি কী জানি? আমি কী ভূত না প্রেত?”
    “ব্যাগগুলো নিচেয় নিয়ে যাই দাদা?”
    “না, এখন এখানেই থাক, যদি না ঘুমিয়ে থাকে, আমাদের হাতে ব্যাগ দেখলে বুঝে ফেলবে, আমরা ফেরেব্বাজ...আগে চল, দেখে আসি”।
     
    (ক্রমশ)  
     
  • ধারাবাহিক | ২২ জানুয়ারি ২০২৩ | ১৮৩ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। চটপট মতামত দিন