এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  উপন্যাস

  • এক দুগুণে শূণ্য - ৬ 

    Kishore Ghosal লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | উপন্যাস | ১৫ জানুয়ারি ২০২৩ | ১৩৭ বার পঠিত


  • গোপাল লুচি আলুচচ্চড়ি খেয়ে তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলে বলল, “হেএএউ...ওফ্‌ কতদিন পর এমন আরাম করে খেলাম বলো তো, দাদা! লুচি কেমন খেতে প্রায় ভুলেই গেছিলাম। এমন জুটবে জানলে, কোন শালা পতিতের “ডিমটুচ” চিবোতো? ওটা না খেলে আরো চারটে লুচি নির্ঘাৎ পেটে ঢোকাতে পারতাম, দাদা!”
    দোতলার যে ঘরে চব্বিশ ঘন্টায় টাকা ডবল হবে, সেই ঘরেই এখন বিপদতারণ আর গোপালের অস্থায়ী আস্তানা। এই ঘরেই তারা টাকার প্যাকেট আগলে সারারাত থাকবে, কাল সকালে ডবল টাকা গুনে দিয়ে, নিজেদের কমিসন হিসেব করে, তারপর তাদের ছুটি। তারা সনৎবাবু ও পৃথাদেবীকে তাই বুঝিয়েছে! এখন লুচি-আলুচচ্চড়ি দিয়ে সকালের জলযোগ হল। গোপালের কথায় বিপদতারণ পূর্ণ সমর্থন করে বলল, “তা ঠিক, বেশ তৃপ্তি হল খেয়ে”।
    “অথচ আমি লুচির কথা বলতেই তুমি এমন ধমকে দিলে, ভাবলাম ব্যাপারটা কেঁচেই গেল”।
    “বোকা”।
    “কে তুমি তো? তা ঠিক, কিন্তু এভাবে নিজেকে ছোট করতে আছে, দাদা? এখন বোকা আছো তো কী হয়েছে, কালে কালে তুমিই একদিন দিকপাল বুদ্ধিমান হয়ে উঠবে, দেখে নিও”।  
    “মারবো এক লাথি, ক্যাঁৎ করে। বোকা আমি না তুই?”
    “তা মারো, কিন্তু আজে বাজে জায়গায় না মেরে, ওই পাছাতেই মেরো, লাগবে কম”।
    “আমি যদি তখন ওই নাটকটা না করতাম, ওই গতরখাকী মুটকি তোর জন্যে লুচি ভাজতো? বয়েই গিয়েছিল। একে বলে, রিভার্স সেন্টিমেন্ট প্রসেস। তোকে চাপ দিয়ে এমন একটা পরিস্থিতি তৈরি করলাম, মুটকির সেন্টিমেন্টের জল, বন্যার মতো তোর দিকে ধেয়ে এলো। তা না হলে এতক্ষণ, শুকনো রুটি আর কুমড়োর ঘ্যাঁট...কিংবা শুকনো পাঁউরুটি আর চা জুটত”!
    “আরেঃ এভাবে ভাবিনি তো? মিথ্যেই তোমার ওপর রাগ করেছিলাম, দাদা”।
    “ভাবতে শেখ, ভাবনাটাকে চেপে ধরতে চেষ্টা কর”।
    “মুটকিটার হালচাল দেখলে দাদা? ছিঃ। ইস্ত্রী হয়ে, স্বামীটাকে গালাগাল দিয়ে একেবারে ভাঁজে ভাঁজে ইস্ত্রি করে রেখে দিয়েছে, অথচ কাজের মেয়ে যা নয় তাই বলে যাচ্ছে, কিন্তু কোন হেলদোল নেই”?
    “গভীর স্বার্থ! কাজের মেয়ে আজ যদি কেটে পড়ে, ওই গতরখাকীর কী অবস্থা হবে বুঝতে পারছিস? আতান্তরে পড়বে! আতাক্যালানে স্বামী তো আর ছেড়ে যাওয়ার জিনিষ নয়, তার ওপরেই যত ধোবিপাট”।
    গোপাল হঠাৎ মেঝেয় মাথা ঠেকিয়ে বিপদতারণের পা ছুঁয়ে মাথায় ঠেকাল, বলল, “সারাজীবনের জন্যে তোমার পায়ের কাছে আমার একটা জায়গা রেখো, দাদা। তা নইলে ভেসে যাবো আঘাটায়, মাইরি!”
    বিপদতারণ হাত উঁচিয়ে থাপ্পড়ের ভঙ্গি নিয়ে বলল, “একটি থাপ্পড়ে... আচ্ছা, আমাকে শুদ্ধ শাকাহারী বলে তোর তখন নাটক করার কী দরকার ছিল? দুপুরের মাছের ঝোল ভাতটা মিস হয়ে গেল!”
    “ওই যে বললাম, তোমার ধমকানিতে তখন বেশ রাগ হয়ে গিয়েছিল, তাই দিলাম তোমার লেজটা একটু টেনে। আমার লুচি খাওয়াতে ব্যাগড়া, দাঁড়াও দেখাচ্ছি মজা। আমি কী আর জানি না, তোমার মতো মাংসাশী প্রাণীর কাছে বাঘও ছেলেমানুষ”!
    “হারামজাদা, তুই আমাকে ল্যাং মারলি?”
    “আমার জাবনা ভরা মাথায়, তোমার সূক্ষ্ম ভাবনা ঢুকবে কী করে? অপরাধ নিও না, দাদা। তখন কী আর তোমার ওই রিভার্স সেন্টিমেন্টের খেলা বুঝেছিলাম?”
    “দুপুরের খাওয়াটা মাটি করলি, শালা”।
    “আমাদের জন্যে সেদ্ধভাত হচ্ছে, ওরাও কী তাই খাবে দাদা? ওদের জন্যে তো মাছের ঝোল-ভাতই হচ্ছে। তোমার প্রসাদ পাওয়ার পর, ওদের ওই ভোগ, ওদের ভোগে লাগবে ভাবছো?”
    “হুঁ...তা ঠিক। কথাটা ভালই বলেছিস। তার মানে মাছের ঝোল-ভাত মিস হবে না বলছিস?”
    “আমার তো মনে হয় আমাদের কপালেই মাছের ঝোল-ভাত নাচছে, কিন্তু সিঁড়িতে পায়ের শব্দ দাদা, কেউ আসছে”।
    দুজনেই সতর্ক হয়ে, গুছিয়ে টানটান হয়ে বসল। বিপদতারণ গোপালকে হঠাৎ জিগ্‌গেস করল, “ধুতি দুটো আনিসনি? তখনই পই পই করে বললাম, এখন কী হবে?”
    গোপাল অবাক হয়ে জিগ্‌গেস করল, “ধুতি? কীসের ধুতি?”
    “মায়ের পুজো কী প্যান্ট-শার্ট পরে করবো, হতভাগা”?
    এইসময় দুকাপ চা নিয়ে কলমির মা ঘরে ঢুকল, ওদের চা দিতে দিতে বলল, “দাদাবাবু, চা। বুইদি জিগ্‌গেস করল তোমাদের আর কিচু নাগবে কী না”?
    “দুটো ধুতি...আমাদের দুটো ধুতি দরকার...”!
    কলমির মা নিচু হয়ে এঁটো বাসন তুলছিল, বলল, “অ মা, বুইদি বলছিল, তোমরা চাকরির ইন্টারভিউ দিতে এয়েছেন, সেকেনে ধুতি কোন কাজে লাগবে?”
    কলমির মায়ের কথায় বিপদতারণ ও গোপাল থতমত খেয়ে গেল, চাকরি? সে আবার কোথা থেকে উদয় হল? বিপদতারণ জিগ্‌গেস করল, “চাকরির ইন্টারভিউ?  কে বলল?”
    “ক্যানে, বুইদি বলল। তোমরা ফুটিদিদির শ্বশুর বাড়ির নোক, চাকরি খুঁজতে এয়েছো!”
    এই কথা বলে যে পৃথাদেবী কলমির মাকে ম্যানেজ করেছে বুঝতে পারল ওরা দুজন। কাজেই পরিস্থিতি সামলাতে বিপদতারণ বলল, “ও হ্যাঁ চাকরি...শিল্পীর চাকরি তো, কি রে গোপাল, বল না...এও একধরনের চাকরি নয়তো কী?”
    “চাকরি কী বলা যাবে, দাদা? আসলে আমাদের কাজটা একটু অন্যরকম...সামতাপুরের উত্তরে ধানজমিতে... শুটিং হবে, জমিদারবাড়ির পুজো, আমরা দুজন পুজো করব, গ্রামের ব্যাপার স্যাপার আর কি...”।
    শুটিংয়ের কথায় কলমির মা আশ্চর্য এবং উত্তেজিত হয়ে বলল, “শুটিং? সিরিয়াল? টিভিতে দেখাবে? ও হ্যাঁ, ওরম একটা সিরিয়াল তো চলতিছে, “বাঁকিপুরের বাঁকেবাঁকে”। গাঁয়ের জমিদার মিনসে হেব্বি হারামি, লেঠেল নিয়ে, ঘোড়ার পিঠে ঘোরে, আর মা-বুইনদের সব্বোনাশ করে। চোখ ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে খুব ডেকে হেঁকে কথা কয়...”।
    গোপাল কলমির মার কথায় খুব আগ্রহ নিয়ে বলল, “ইসসসস্‌...তাই?”
    “হ্যাঁ গো, তবে ওই মুখপোড়া মিনসেটা, পীতি বলে একটা মেয়ের কাছে খুব জব্দ। পীতির খুব সাহস, হেব্বি লড়তিছে। তার সঙ্গে ভাব আছে পীতমের...”
    গোপাল ফোড়ন দিল, “হেব্বি ভাব?”
    “হ্যাঁগো, পীতমটা একটু ম্যাদামারা টাইপের, কিন্তু হেব্বি ভাব পীতির সঙ্গে”।
    “ওদের বিয়ে হবে তো?”
    “ভাব করলে বে’ হবেনি? ও আবার কেমন কতা? ওরা যকোন নদীর ধারে ভাব করতে যায়, পেছনে কারা সব ফুলোট বাজায়, শাঁক বাজায়, উলু দেয়...ওদের সম্পোক্ক এ জন্মের নাকি...এর আগের জন্মেও ওরা সোয়ামি-ইস্তিরি ছিল যে”!
    “তাই? নদীর ধারে গিয়ে ওরা কী করে?”
    “অ মা, কী আবার করবে? হেসে হেসে মিস্টি মিস্টি কতা কয়, মোবাইলে একসঙ্গে গান শোনে, কত্তো সেলফি তোলে...! কিন্তু জমিদার মিনসে নিজের ছেলের সঙ্গে পীতির বিয়ে দিতে চায়”।
    গোপাল এবার সত্যিই অবাক হল। ভিলেনের এমন মতিচ্ছন্ন কেন? সে নিজে কিছু না করে, নায়িকাকে পুত্রবধূ করতে চায়? এমন তো বড়ো দেখা যায় না! সে জিগ্‌গেস করল, “সে কি? কেন?” 
    “ওম্মা, তাতে পীতি ঢিট্‌ হয়ে যাবে নে? বে হয়ে গেলে, শ্বশুরের বজ্জাতি লিয়ে কিচু বলতে পারবে আর? হারামজাদা বারবার চেষ্টা করছে পীতমকে মেরে ফেলার জন্যে...খুব টেনসান দিচ্ছে হতভাগা। ওই সিরিয়ালের সবাই ধুতি পরে”!
    “অ্যাঁ? সবাই? পীতি বলে ওই মেয়েটাও?”
    “অঅম্মা, পীতি ধুতি পরবে ক্যানে, ও গাছ কোমরে শাড়ি পরে... ব্যাটাছেলেরা ধুতি”।
    “যাক বাবা”।
    “তা তোমরা কী সিরিয়াল করবে গো, দাদাভাই”?
    বিপদতারণ এতক্ষণ চুপ করে কলমির মায়ের কথা শুনছিল, এখন বলল, “আমাদের সিরিয়াল কী হবে, আজ সন্ধেবেলা জানতে পারবো। আর তোমরা জানতে পারবে কাল সকালে... তার আগে কিছু হবে বলে মনে হয় না”।
    “ওম্মাআগো, তা কী নাম গো, সিরিয়ালের?”
    বিপদতারণ বলল, “নাম? সেও এখনো ঠিক হয়নি, ধরো “সামতাপুরের নামতা”।  
    গোপাল আরেকটা অপশন দিল, “কিংবা “এক দুগুণে শূণ্য””!
    “অম্মা, এক দুগুণি তো দুই হয়, শূণ্য হতি যাবে কী দুঃখে?”
    “শূণ্য বলেই তো দুঃখ”। 
    নিচে থেকে পৃথাদেবীর গলা পাওয়া গেল, তিনি কলমির মাকে ডাকছেন, “ও কলমির মা, ওপরে এতোক্ষণ কী করছিস রে? নিচেয় রাজ্যের কাজ পড়ে রয়েছে...”।
    কলমির মা বলল, “অই, ডাক পড়েছে, খুব হিংসেকুটিল বাবা, আমি নোকের সঙ্গে দুটো কতা কইলেই বুইদির গতরে আগুন ধরে যায়!”
    বিপদতারণ কলমির মাকে বলল, “সিরিয়ালের কতা আজই কাউকে বলবেন না যেন, কাল শুনে সবাই অবাক হয়ে যাবে”।
    “আপনেরা সে চিন্তে করো না, দাদাভাই, কলমির মার পেট থেকে কতা বার করা ...হুঁ হুঁ অত সস্তা না...”।
    “বাঃ খুব ভালো। কাকিমাকে বলবেন তো, আমাদের দুটো কাচা ধুতি লাগবে”।
    “আসতিচি...বুইদি নইলে নিচেয় কুরুখেত্তর বাধাবে...” ।
    এঁটো থালা, আর খালি চায়ের কাপ নিয়ে কলমির মা বেরিয়ে গেল। সিঁড়িতে পায়ের শব্দ মিলিয়ে যেতে, গোপাল বলল, “ব্যাপারটা কী হল, দাদা? আরেক দিকের বিপদ বাড়ল? নাকি কমল? এই মহিলা তো শহরময় কথা ছড়িয়ে দেবে”!
    “তা হয়তো দেবে, কিন্তু এতদূর এসে, পালাবার কোন মানে হয় না। দেখা যাক না কী হয়। চ ছাদে যাই, সিগারেট টেনে আসি”।
    “এখানেই ধরাই না, এখন আর কেউ আসবে বলে তো মনে হয় না”।
    “একদম না, এটা এক দুগুণে শূণ্যর ঘর – এখানে সিগারেটের ধোঁয়া? নৈব নৈব চ। চ চ ছাদে যাই...বিপদে পড়লে পালাবার অন্য পথগুলোও ভেঁজে রাখা ভালো”।
     
    ( ক্রমশঃ )  
  • ধারাবাহিক | ১৫ জানুয়ারি ২০২৩ | ১৩৭ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় প্রতিক্রিয়া দিন