এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  বাকিসব  নেট-ঠেক-কড়চা

  • আপেক্ষিকতা  

    সুকান্ত ঘোষ লেখকের গ্রাহক হোন
    বাকিসব | নেট-ঠেক-কড়চা | ২৬ নভেম্বর ২০২২ | ৭৩২ বার পঠিত | রেটিং ৪.৭ (৩ জন)
  • সেদিন দেখলাম অফিসে আমার ল্যাবে কাজ করা ছেলেটি মন খারাপ খারাপ টাইপের মুখ করে ডেস্কে বসে রয়েছে। জিজ্ঞেস করলাম কেস কি।  যা শুনলাম তাতে চক্ষু ছানাবড়া – কাগজ পড়া তেমন হয় না বলে টের পাইনি যে বিশাল ট্রেন্ডিং খবর চলছে।  এক প্রেমিক নাকি তার প্রেমিকাকে নৃশংস ভাবে খুন করছে।  যা বর্ণনা করল তাতে আমি বলতে বাধ্য হলাম – ঘটনা শুনে মন খারাপ হওয়াটা স্বাভাবিক, কিন্তু চেনাশুনা না হলে তার এতটা মুষড়ে পড়াও তো ঠিক ব্যাখা করতে পারছি না। 
     
    সে তখন তার মূল দুঃখের কারণ খুলে বলল – “দ্যাখো, এই ছেলে কেমন দুষ্টু – কিন্তু তাতেও ওর মেয়ে বন্ধু পেতে আসুবিধা হয় নি। একজনকে খুন করেছে, তারপরেও নাকি তার বাড়িতে অন্য মেয়েদের আনাগোণা ছিল।  আর এদিকে আমার অবস্থা দ্যাখো! তুমি তো আমাকে কতদিন চেনো – এই ছেলেটার থেকে আমি ভালো এটা তো মানবে! তাহলে বিয়ে করার জন্য মেয়ে পাচ্ছি না কেন? মনটা তাই খুব খারাপ”

    কি আর বলি – ভাবলাম ছেলের কথায় যুক্তি আছে।  মৃত্যু নিজে ধ্রুব, কিন্তু তার খবর অপেক্ষিক।

    সেই ছেলেটির বিবাহ যোগ্য কন্যে খোঁজার ব্যাকগ্রাউন্ডও আছে।

    বেশ কিছুদিন আগে আমাকে টিমের একজন বলল, “সুকান্ত, তুমি আমার ভিজিটিং কার্ড প্রিন্টের রিকোয়েষ্টটা অ্যাপ্রুভ করে দিও”

    বললাম, সে না হয় দেব। কিন্তু তুমি এর ভিজিটিং কার্ড বিলোচ্ছে কাকে?

    সে তখন জানালো বেশীর ভাগ ভিজিটিং কার্ড তার শেষ হয়ে যাচ্ছে অন্য ছেলেটির বিয়ের সমন্ধ করতে গিয়ে। মাঝে মাঝেই নাকি এরা দুজন আশেপাশে মেয়ে দেখতে যায়।  মানে ফর্মালি দেখা – মেয়ের বাড়ি গিয়ে।  যে ছেলেটির বিয়ের চেষ্টা চালানো হচ্ছে তার দেশের বাড়ি অনেক দূরে। তাই লোকাল গার্জেন হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছে ভিজিটিং কার্ড বিলোনো ছেলেটি।  ফর্মালি দেখতে গেলে নাকি একঘর লোক থাকে বৃহত্তর ফ্যামিলি – তাদের সবাইকে নিজের ভিজিটিং কার্ড বিলি করে বলছে – পাত্র খুব ভালো, নামী কোম্পানীতে কাজ করে।  আমার ভাইয়ের মত। এই আমার বিজনেস কার্ড, যে কোন রকম ডিটেলস জানতে আমাকে কনট্যাক্ট করবেন।

    আমি তখন বললাম, প্রতিবার মেয়ে দেখতে গিয়ে ২০টা করে বিজনেস কার্ড বিলোবার তো কোন দরকার নেই! ফ্যামিলির হেড-কে দিয়ে আসবে একটা কার্ড।  রিসোর্স অপ্টিমাইজ করতে শিখতে হবে  

    পাত্রী দেখতে গিয়ে পাশে কতজন বসে থাকবে সেটাও আপেক্ষিক।  কতজনকে বিজনেস কার্ড দেওয়া উচিত সেটাও।
     
    এর পর থেকে আমি প্রতি সোমবার সকালে গিয়ে সেই ছেলেটির কাছে গিয়ে আপডেট নিতাম যে তার পাত্রী বা বান্ধবীর অনুসন্ধান কেমন চলছে।  পি এইচ ডি করার সময় প্রতি সোমবার ল্যাবে গিয়ে সকালের কিছুটা সময় যেমন বরাদ্দ থাকত উইক এন্ডের ইংলীশ প্রিমিয়ার লীগের ফুটবল আলোচনায় – তেমনি আমি ছেলেটির কাছে তার বিবাহের আপডেট নিতে লাগলাম।
    ছেলেটি আমাকে জানালো, সে চারটি মেয়ের শর্ট লিষ্টে উঠতে পেরেছে। 

    আমি ব্যাপারটা বুঝতে না পারলে সে ক্লীয়ার করে দিল – আগে থেকে বান্ধবী থাকলে অন্য ব্যাপার, কিন্তু এই বয়সে বান্ধবী তথা পোটেনশিয়াল পাত্রী খোঁজার পুরো ব্যাপারটাই প্রফোশ্যনাল। আগে যেমন ছেলেরা শুধু নিজেদের সুবিধা দেখবে এখন সে সব যুগ চলে গেছে। মেয়েরাও রীতিমত লিষ্ট বানিয়ে প্রত্যেক ছেলের প্রোস্‌ অ্যান্ড কনস্‌ দেখছে – সেই মত র‍্যাঙ্কিং। 

    ভাবলাম এটা বেশ ভালো ব্যাপার।  ছেলেটির সাথে আরো আলোচনা করে জানলাম চারটি মেয়েরই টপ ফাইভ চয়েসের মধ্যে ঢুকতে পেরেছে সে।  মন তার খুশী খুশী।

    এর পরের সপ্তাহে সোমবারে গিয়ে দেখলাম তার মন খারাপ।  কারণ হিসেবে জানালো, শুক্রবারে রাতের দিকে সে একটি মেয়ের ম্যাসেজ পেল যে সে নাম্বার তিনে উঠে এসেছে।  শনিবার সকালে মনের আনন্দে ছিল – এমনকি দুপুরে বিরিয়ানিও খেয়ে নিয়েছিল আনন্দে।  কিন্তু শনিবার বিকেলে আবার ম্যাসেজ পায় চার নম্বরে নেমে গেছে বলে।  বুঝতে পারছে না র‍্যাঙ্কিং কিভাবে একবার উঠেও নেমে যেতে পারে! 
     
    তাকে বোঝালাম যে র‍্যাঙ্কিং চিরদিনই আপেক্ষিক।  পাত্রের র‍্যাঙ্কিং তো আরো – ভালোবাসা, সৌন্দর্য, টাকাপয়সা – দুপুরের বিরিয়ানির স্বাদ সবই আপেক্ষিক।

    আপসেট আরো বেশী এই জন্য যে এই মেয়েটির সাথে রাতের পর রাত কথা বলে কাটিয়েছে।  তবে নির্দিষ্ট টাইম স্লটে – সেই স্লট শেষ হলেই মেয়ে বলেছে এবার ফোন রাখছি কারণ লিষ্টের তিন বা দুই নম্বরকে টাইম দেওয়া আছে।  আমার ল্যাবের ছেলেটি কিচ্ছু মনে করে নি – খুবই স্পোর্টিং-লি নিয়েছে। 
     
    একদিন আমাকে জিজ্ঞেস করে ছেলেটি যে, “সুকান্ত তুমি তো অনেকদিন ইউরোপে ছিলে, তা সুইজারল্যান্ড দেশ হিসেবে কেমন”? আমি বললাম,
     
    -  দারুণ দেশ তো! হনিমুনে যাবার জন্য দারুণ! তাহলে কি ধরে নেব কেস এগিয়ে গেছে অনেক দূর?
     
    - আরে বাবা তা নয়! যে মেয়েটির সাথে কথা বলছি সে তো সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ার।  তার প্রথম চান্সেই এই দেশ থেকে কেটে পড়ার ইচ্ছে। অনসাইট খুঁজছে – পেলেই চলে যাবে, আর তা হলে আমাকে সাথে যেতে হবে বলছে

    - কিন্তু আমাদের কোম্পানীর ওখানে তেমন কোন স্কোপ নেই সেটা আগে থেকেই বলে রাখছি

    - সেই জন্যই তো আমি জানতে চাইছি! আমি মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার ওখানে গিয়ে কি করব!
     
    - কিছু না পেলে কল-মিস্ত্রী হয়ে যাবে! যাকে গালভরা নাম প্লাম্বার বলে ডাকে
     
    - ইনকাম আছে তাতে?

    - সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ারের থেকে বেশী ইনকাম।
     
    - তাহলে ভাবি সিরিয়াসলি এই নিয়ে
     
    আমি তাকে ভাবার উৎসাহ দিলাম – এমনকি ভাবা প্র্যাকটিস করতেও বললাম, আমাদের মহান বাঙালী যেটা বলে গিয়েছিলেন।
     
    এর পাশাপাশি ছেলেটিকে পরামর্শ দিলাম যে আমাদের অফিসের মধ্যেই অপশন এক্সপ্লোর করতে – ডুয়েল কেরিয়ার বেশ একটা আকর্ষণীয় অপশন।  সে বলল, পাশের একটা ল্যাবের মেয়েকে পছন্দ হয়েছে।  নড়চড়ে বসলাম আমি –
     
    - দারুণ খবর তো! ওই ল্যাবের ম্যানেজার আমার চেনা, কিছু দরকার হলে বল বোলো

    - ম্যানেজারের সাথে আমার তো দরকার নেই, মেয়েটাকে কিছু বলতে পারবে কি?
     
    - সে পারি, কিন্তু আমার মনে হয় পাশাপাশি ল্যাবে কাজ করছো যখন, নিজেদের মধ্যেই আলোচনা করা ভালো
     
    কিছুদিন পরেই শুনলাম সেই মেয়েটি এই ছেলেটির মনে ভাব টের পেয়ে এ কিছু বলার আগেই কফি খেতে ডেকে নিয়ে গিয়ে জানায়, “তুমি খুবই ভালো ছেলে, আমি তোমাকে বন্ধুর মত দেখি।  এর বাইরে রোমান্টিক কিছু ভাবা তোমাকে নিয়ে সম্ভব নয়।  আর তা ছাড়া আমার পরিবার খুবই গোঁড়া – আমাদের কমিউনিটির বাইরে বিয়ে দেবে না”। 
     
    ছেলেটি ভাবে মেয়েটির কথায় যুক্তি আছে – তাই আর কিছু মাইন্ড করে নি।  কিন্তু তার না মাইন্ড করা অবস্থা বেশী দিন চলল না।  একদিন উইক এন্ডে সে মেয়ে বাড়ি থেকে পালালো অন্য ল্যাবের এক ছেলের সাথে – তার কমিউনিটির বাইরের।  মেয়ের বাপ নাকি পুলিশে খবর দিয়েছে – ওদিকে ছেলেটি তার ল্যাবের ছেলেদের হোয়াটসঅ্যাপে ছবি পাঠাচ্ছে কোন এক রিমোট মন্দিরে বিয়ে হচ্ছে।  একদম অফ দি গ্রীড যাকে বলে। 
     
    আমিও সেই ছবি দেখলাম – ল্যাবের ছেলেটিকে বললাম,
     
    - তোমাকে আমি দুঃখ দিতে চাই না, কিন্তু তোমার ম্যানেজার হিসেবে আমার একটা কর্তব্য থেকেই যায় গ্রাউন্ড রিয়েলিটি চেক করানোর।  এই যে তুমি মেয়েটির গায়ের গয়না, শাড়ি এবং ছেলেটিরও সাজ সজ্জা দেখছো এগুলো শনিবারে বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়ে রবিবারে যোগাড় করা যায় না! সব জামা কাপড় পুরো ফিটিংস – ব্লাউজের হাতা ঢিলে নয়, তার মানে আগে থেকে মাপ দিয়ে বানানো। এবার তোমার যা বোঝার বুঝে নাও
     
    - কিন্তু ছেলেটিকেও তো আমি চিনি! আগের দিনে ল্যাবে আমাকে হাইড্রোজেন সিলিন্ডার এনে দিল! আর মেয়েটি যে আমাকে আগে বলল নিজের কমিউনিটির বাইরে বিয়ে করবে না! সেটার কি হল! 
     
    তাকে জানাতে বাধ্য হলাম যে কমিউনিটি ফিলিং এমনকি সিলিন্ডারের গ্যাসের ঘনত্বও আপেক্ষিক! সবচেয়ে বড় আপেক্ষিক মানুষের মন – “দেবা ন জনান্তি, কুতো মনুষ্য”।  সে আবার সংস্কৃত জানে না, ওদের ক্লাস সেভেন-এইটে টর্চার ছিল না।  তাই ব্যাখ্যা করতে হলে, ‘কুতো’ মানে কুত্তা নয় – কবি এখানে মানুষকে কুত্তার সাথে তুলনা করে নি।  সে তুমি হাইড্রোজেন সিলিন্ডার এনে দেওয়া ছেলেটিকে যাই ভাবো না কেন! হালকা গ্যাসের ব্যাপারে কবি নীরব!
     
    আবার কিছুদিন কেটে যায়।  অন্য একটি মেয়ের লিষ্টি টপে উঠে আসে সে ছেলে।  সপ্তাহের শেষে জানিয়ে যায় উইকএন্ডে কিছু একটা হেস্তনেস্ত হয়ে যাবে।

    কিন্তু হল না সেবারেও! একদম শেষ প্রশ্ন হিসেবে মেয়েটি জানতে চায় – তোমার দেবতা কে? মানে বাড়িতে কি তোমাদের শিব নাকি বিষ্ণু?

    ছেলেটি বলে, মনে হচ্ছে বিষ্ণুই হবে

    মেয়ে আকাশ থেকে পরে – “মনে হচ্ছে মানে? তুমি জানো জান? আমাদের বাড়ি শিব – তাই তোমার সাথে কোন ভাবেই আর এগুতে পারবো না”

    ছেলেটি বলার চেষ্টা করে তার অসুবিধা নেই শিবের ভক্ত হয়ে যেতে। কিন্তু ততক্ষণে দেরী হয়ে গেছে

    ধর্মও আপেক্ষিক – ভক্তিও।    
     
  • বাকিসব | ২৬ নভেম্বর ২০২২ | ৭৩২ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    থ: ! - Bitan Polley
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ইন্দ্রাণী | ২৬ নভেম্বর ২০২২ ১১:১১514170
  • সুকির সমস্ত লেখাই চমৎকার ।
    এই লেখাটি ছোটো, হাল্কা চাল অথচ গভীর দর্শন । অন্তর্লীন। ভালো লেগেছে।
     
  • | ২৬ নভেম্বর ২০২২ ১৩:৪০514175
  • এদিকে আইনস্টাইন সায়েব কবরের মধ্যে হাসতে হাসতে হেঁচকি তুলে ফেলছেন। 
    (কয়েকটা টাইপো আছে, একটু দেখে নিও ) 
  • Ranjan Roy | ২৭ নভেম্বর ২০২২ ২৩:২২514205
  • সবাই হাসছে কেন? আমার তো এই লেখা পড়ে মন খারাপ হয়ে গেল। মানে  ছেলেটির জন্য, মনে হচ্ছে আমরা একই গোত্রের। 
  • অমিতাভ চক্রবর্ত্তী | ২৮ নভেম্বর ২০২২ ০০:১৯514206
  • সুকির লেখা চমৎকার ত বটেই। কিন্তু রঞ্জনদার সাথে সহমত। এটা মোটেও হাসির গল্প নয়। sad
  • যোষিতা | ২৮ নভেম্বর ২০২২ ০১:২৫514207
  • সুকির গল্পে যে ছেলেগুলোকে দেখছি, তাদের প্রবলেম হ্যাভ। কী চায়, নিজেরাই জানে না। বিয়ে করতে চায়, সেটা বোঝা যাচ্ছে, কিন্তু যে কোনও ময়ে পেলেই ঝাঁপিয়ে পড়ছে এতটাই ডেসপারেট। মেয়েরা একে পাত্তা দেবে কেন? এই ছেলে বিয়ে পাগলা। কোনও আত্মসম্মান নেই, চয়েস নেই, কীরম কনফিউজ টাইপ। 
    আপেক্ষিকতা টতা নয়, জাস্ট ভুলভাল।
  • যোষিতা | ২৮ নভেম্বর ২০২২ ০১:২৬514208
  • ময়ে মেয়ে
  • জাস্ট ভুলভাল | 2600:1002:b010:c55e:c493:92d1:e97a:dc87 | ২৮ নভেম্বর ২০২২ ০১:৪৭514209
  • কি মুশকিল! 
  • পলিটিশিয়ান | 2603:8001:b102:14fa:252b:598b:b72c:fa09 | ২৮ নভেম্বর ২০২২ ০৮:৫৮514211
  • বিয়ে পাগলা মানুষ বিভিন্ন কারণে হয়, ছেলে মেয়ে নির্বিশেষে। শরৎচন্দ্র বামুনের মেয়ে লিখেছিলেন। সে পড়ার আতংক এখনো ভুলিনি। সাহস করে দ্বিতীয়বার পড়তে পারিনি।
  • বোষ্টম | 2402:3a80:1cd2:49e1:378:5634:1232:5476 | ৩০ নভেম্বর ২০২২ ১০:৩৮514265
  • পলিটিশিয়ান এর মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টির কারণ কি?
  • সুকি | 49.206.130.5 | ০১ ডিসেম্বর ২০২২ ০৬:৫২514283
  • সকলকে ধন্যবাদ।
     
    আমি সে-দির বক্তব্য গত পরশুদিন ছেলেটিকে বলললাম। তার উত্তরে ছেলে যা বলল তার সারমর্ম হল - "সবই মানলাম। কিন্তু গরু হারালে এমনই হয় মা!"
     
    যাই হোক, একটা সুখবর আসার খুব সম্ভাবনা ছেলেটির কাছে। সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত ভাবে একটি মেয়ের সাথে তার আলাপ হয়ে যায়। বাড়ির সবাই রাজী - মনে হচ্ছে কিছু একটা হয়েই যাবে এবার। আপনারা একটু দোয়া রাখেন তার জন্য 
  • যোষিতা | ০১ ডিসেম্বর ২০২২ ০৯:৪৮514284
  • ইনশাল্লাহ
  • :|: | 174.251.162.15 | ০১ ডিসেম্বর ২০২২ ১০:৫৯514285
  • ইহা সত্য ঘটনা?! অ্যাঁ! ভেবেছিলাম -- সব চরিত্র কাল্পনিক। মানে বাংলায় যাকে বলে গুল্প জঁরের লেখা।
  • &/ | 107.77.232.111 | ০৩ ডিসেম্বর ২০২২ ০৩:১৮514358
  • হরিদাস পাল !!!! মানে গল্পটা !!!!smiley
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আলোচনা করতে মতামত দিন