এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  লঘুগুরু  কড়চা

  • টুকরো টাকরা বিবেকানন্দ

    শুভংকর ঘোষ রায় চৌধুরী লেখকের গ্রাহক হোন
    লঘুগুরু | কড়চা | ২১ আগস্ট ২০২২ | ৬৯০ বার পঠিত | রেটিং ৪ (১ জন)
  • উনিশ শতকের শেষ দিক, ভিড় জমেছে বাগবাজারে বলরাম বসুর বাড়িতে। ভক্তসঙ্গে বেদ-পাঠ ও ব্যাখ্যা করছেন স্বামী বিবেকানন্দ। সেই ভাবগম্ভীর নিমগ্নতা ভেঙে ঘরে এসে ঢুকলেন নাছোড় কালবৈশাখীর মতো গিরিশ ঘোষ।

    পাঠের মাঝে একটু বিরতি পড়লো স্বভাবতই। স্বামীজী পিছনে লাগার ভঙ্গিতে বললেন, "কি হে জি.সি, সারাজীবন তো কেষ্টবিষ্টুদের নিয়েই কাটিয়ে দিলে স্টেজে! এবার একটু বেদ পড়ো! বয়স তো কম হলো না!"
    গিরিশ মুচকি হেসে বলেন, "ওই এক তোমাদের ঠাকুর – তিনি আমায় একজীবনে যা দিয়েছেন, তা সামলাতেই পেরে উঠি না। বেদ-ফেদ থাকুক আমার মাথায়!"
    "সেই বটে! বোঝা গেছে তোমায় দৌড়!"
    গিরিশ স্থির চোখে একটু তাকিয়ে থেকে, হঠাৎ ঝলসে ওঠেন, "হ্যাঁ হে নরেন, বেদ-বেদান্ত তো ঢের পড়লে। কিন্তু এই যে দেশে এত হাহাকার, ব্যভিচার, অন্নাভাব, এসব দূর করার উপায় তোমায় বেদে আছে? যে বাড়ি এককালে পঞ্চাশটা মুখে অন্ন জোগাত, আজ তিনদিন সে বাড়িতে হাঁড়ি চাপেনি; অমুক বাড়ির কুলস্ত্রীকে অত্যাচার করে মেরে ফেলা হয়েছে; আর ওই পাড়ার মোড়ে জোচ্চুরি করে বিধবার সর্বস্ব হরণ করা হয়েছে! তোমার বেদ এই সবের সুরাহা কী বাতলায়, বলো শুনি!"

    ৩৯ বছরের জীবনে যিনি নিরন্তর বলে গেছেন শক্তির কথা, মনোবলের কথা, অন্ধকার থেকে আপসহীন উত্তরণের কথা, সেই বিবেকানন্দ নিশ্চুপ। প্লেগ মহামারী যখন তছনছ করছে চারদিক, বিবেকানন্দ এই সিদ্ধান্ত নিতেও দ্বিধা করেননি যে মঠ, জমি বিক্রি করে দেবেন, কারণ সেবার জন্য টাকা চাই। গিরিশের প্রশ্নের মুখে বেদজগৎ থেকে বহু দূরের এই দুঃখের জগৎ আবার মনে এল তাঁর, হঠাৎই উঠে ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন চোখের জল আড়াল করতে। বেজায় বিরক্ত বিবেক-শিষ্য শরচ্চন্দ্র চক্রবর্তী গিরিশকে বলেন, "মশায়, দিলেন তো বেদপাঠের আসরটার বারোটা বাজিয়ে? দিব্যি চলছিল সব, আর মাঝখানে আপনি এসে..."
    "আরে রাখ তোর বেদপাঠ!" গর্জে ওঠেন গিরিশ। "দেখলি নরেনকে? মানুষের দুঃখকষ্টের কথা উঠতেই ওঁর বেদ উড়ে গেছে; কাঁদতে কাঁদতে উঠে চলে গেল। আমি তোদের বেদজ্ঞ বিবেকানন্দকে মানি না! ওই নরেনের কাছে নাকখত দিয়ে আমি গোটা জীবন পড়ে রইব বরং, যে দুঃখে ওরকম কাঁদতে পারে।"

                                          *****

    চারদিক ব্যাপক সরগরম – মঠ ছেড়ে নাকি চলে যাবেন স্বামী ব্রহ্মানন্দ। কারণ তাঁর প্রিয় ভাই নরেন – যে কিনা তাঁকে ডেকেছিল রাখাল রাজা বলে, যাঁর ডাকা সেই নাম ধরে আজ তিনি সুপরিচিত 'রাজা মহারাজ' – সেই নরেনের সঙ্গে ঝামেলা লেগেছে। আর সে এমন ঝামেলা যে ব্রহ্মানন্দ ঠিক করেই ফেলেছেন, এই মঠে আর নয়। খবর পেয়ে, যাবার সকালে ঘরে আসেন বিবেকানন্দ; দু'জনের মাঝে তখন পৌষের শীত।
    "রাজা, শুনলাম মঠ ছেড়ে চলে যাচ্ছ?"
    "শুনে যে এসেছো, এইই যথেষ্ট।"
    "ছাড়ার কারণটা জানা যায় কি?"
    "অবশ্যই। তুমি মঠকে যেভাবে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধেছ, অমুক সময় খাওয়ার, অমুক সময় জপের, তমুক সময় ধ্যানের – আমি তো ওভাবে ঘড়ির কাঁটা ধরে চলতে পারবো না নরেন। জপ সেরে খেতে যাই যখন, ফিরিয়ে দেয় এই বলে যে এখন খাওয়ার সময় নয়। ঠাকুরের কাজ করবো, নাম করবো, তাঁরই প্রসাদ খাবো – এর জন্য ঘড়ি আর ঘন্টা মিলিয়ে চলতে হবে আমায়? সে পারবো না ভাই। আমি মঠকে এভাবে দেখিনি – এত কঠোর! "
    ভাবলেশহীন প্রস্তরমূর্তির মতো বিবেকানন্দ দাঁড়িয়ে থাকেন। ব্রহ্মানন্দ ভাবেন, হয়তো সব বুঝে নরেন কাছেই টেনে নেবেন তাঁকে। বুঝবেন কি? না। "বেশ, যাওয়ার আগে খেয়ে যেও" – এই কটি কথা বলে বিবেকানন্দ বেরিয়ে যান ঘর থেকে, উদাসীনভাবে।

    দীর্ঘ, ক্লান্তিকর দুপুরে শেষবারের মতো মঠের অন্ন খেতে বসেন ব্রহ্মানন্দ; থালায় ভাত নিয়ে বসে আছেন, বিবেকানন্দ এলে একসঙ্গে খাবেন। হাজার হোক, ভাইই তো। নরেন আসেন না। বেলা গড়িয়ে যায়, সেবকেরা বলেন "মহারাজ খেয়ে নিন এবার।" ব্রহ্মানন্দ না-ছোঁয়া পাতে জল ঢেলে উঠে পড়েন, "না রে বাবা, রেখে দে। ও না এলে এসব আমার গলা দিয়ে নামবে না।"
    যেটুকু স্থাবর সম্বল তাঁর, নিয়ে বেরোনোর মুখে শেষবার বিবেকানন্দকে বিদায় জানাতে তাঁর ঘরে যান। ঘরে স্বামী বিবেকানন্দ নেই; নরেন একা বসে ছোটদের মতো ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছেন। ব্রহ্মানন্দ সব ফেলে গিয়ে জড়িয়ে নিতে নরেন শুধু এটুকুই বলতে পারলেন, "ভাই, নিয়ম রাখতে গিয়ে মানুষ ভুলে গিয়েছিলাম"...
    রাখাল মহারাজেরও আর কোনোদিন মঠ ছেড়ে যাওয়া হলো না। 

                                            *****

    মঠে হাতে-হাতে এদিক সেদিক স্বেচ্ছায় কাজ এগিয়ে দেয় একটি দরিদ্র ছেলে। ওখানেই খেতে পায়, শুতে পায়। একদিন সে ধরা পড়েছে পকেট মারার দায়ে; ব্যাস, আর যায় কোথায়! মঠ থেকে তো তাড়ানো হবেই; তার আগে রাখাল মহারাজের রামবকুনি। বকুনির ডিগ্রি বাড়ছে, এমন সময় হন্তদন্ত হয়ে এসে হাজির বিবেকানন্দ। 
    "কী ব্যাপার, রাজা?"
    "ব্যাপার আবার কী! এই বাবুর হাতসাফাইয়ের শখ জেগেছে! একেবারে বিদেয় করে দেবো ব্যাটাকে!"
    "বিদেয় করবে?" কী একটু ভেবে বিবেকানন্দ বললেন, "তা করো। তবে বলছি কি রাখাল, আমার-তোমারও তো কখনও কখনও ভিতরে মটর দেওয়া নকুলদানা, মশলা দেওয়া ঘুগনি খাওয়ার সাধ জাগে; খাই-ও। ওরও হয়তো তেমনই একটু সাধ হয়েছিল। সবসময় মঠের সন্ন্যাসীদের খাবার ওটুকু ছেলের কী ভালো লাগে? না তাড়িয়ে, ওকে দুটো টাকা দিয়ে দিলে হয় না, দরকারমতো? তাহলেই ওকে আর অন্য কারো পকেট হাতড়াতে হয় না।"
    রাখাল মহারাজ ফেলতে পারেন নি সেই কথা। সামান্য হাতখরচার বিনিময়ে, মঠের স্বেচ্ছাসেবক হয়ে থেকে গিয়েছিল ছেলেটি।

                                           *****

    আরও একবার, স্বামীজীর ঘর পরিষ্কার করতে গিয়ে তাঁর সদ্য পাওয়া একটি চীনাকাঁচের উপহার ভেঙে ফেলেছে পরিচারক; চোখে পড়েছে এক প্রবীণ মহারাজের। রাগে শুধু পরিচারকের গায়ে হাত ওঠা বাকি, উদয় হলেন নরেন্দ্র।
    "কী হয়েছে দাদা?"
    "আপনার পাওয়া ওই কাঁচের জিনিসটা ভেঙে দিল বলদটা! বিকেলে রাজা মহারাজ ফিরুন, তারপর হচ্ছে ওর! আপনার অত সুন্দর কাঁচের স্মারক...", মহারাজের দুঃখ আর যাচ্ছে না।
    "আচ্ছা আপদ তো! কাঁচের জিনিস তো ও'ভাবেই যায় দাদা; ও কী আমাদের মতো যক্ষ্মা-কলেরায় যাবে নাকি?"

                                             *****

    শশী মহারাজের (স্বামী রামকৃষ্ণানন্দ) সঙ্গেও ভারি এক সম্পর্ক ছিল স্বামীজীর। ঠাকুরের দেহ যাওয়ার পর যখন বরানগরের পোড়ো বাড়িতে বারো শিষ্য একসঙ্গে থাকেন, বাকি সবাই মগ্ন শাস্ত্রপাঠ, জ্ঞানচর্চায়; একা শশী মহারাজ আগলে পড়ে থাকেন ঠাকুরের পুজো। আক্ষরিক কানাকড়িহীন তাঁরা, তবু শশী দু বেলা এক কণা ভোগ ঠাকুরকে না দিয়ে খান না। দিনরাতই কেবল প্রয়াত গুরুদেবের অর্চনা, সেবা। মাঝেমাঝেই খটাখটি লাগতো নরেনের সঙ্গে এত পুজো-আচ্চা নিয়ে। একদিন নরেন ঠাকুরঘরে দাঁড়িয়ে 'ঠাকুরঘর রাখা অযৌক্তিক' বিষয়ে লেকচার শুরু করলে শশী তাঁকে চুলের মুঠি ধরে হিড়হিড় করে টানতে টানতে ঠাকুরঘর থেকে বার করে দিয়েছিলেন, একটিও বাক্যব্যয় না করে। 
    ক্রমে দিন বদলালো, অর্থ এল, সেই আগলে রাখা ঠাকুরকে কেন্দ্র করেই প্রতিষ্ঠিত হলো রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশন। কিন্তু মিশনের সুদিনে শশীকে এখানে আর দরকার নেই; দক্ষিণাত্যে ঠাকুরের বাণী প্রচার ও সেবকর্ম শুরুর প্রয়োজন। স্বামীজীর আদেশে টুঁ শব্দটি না করে শশী মহারাজ চলে গেলেন মাদ্রাজে, সেখানে মিশনের শাখা গড়ে ঠাকুরকে নিয়ে রয়ে গেলেন। কলকাতায় যখন অর্থাভাবে মিশনের সেবকর্ম ব্যাহত, স্বামী বিবেকানন্দের ঘুম উড়ে গেছে, খবর পেয়ে মাদ্রাজ থেকে শশী মহারাজ এসে স্বামীজীর কাছে নামিয়ে রাখেন তাঁর এই যাবৎ চার বছর ধরে প্রাপ্ত ব্যক্তিগত দক্ষিণামূল্য – মাত্র চারশত টাকা, "যা পেয়েছি এত বছরে, সেটুকুই দিতে পারলাম নরেন। যেটুকু কাজ হয় এতে..."
    স্বামীজীর শরীর কেঁপে ওঠে, চোখ ঝাপসা হয়ে আসে। মনে পড়ে, তাঁর পিতৃবিয়োগের পর যখন পরিবারে মা আর ভাইদের জন্য দু'বেলার ভাত জুটছে না, শশী তখন এইসব অধ্যাত্মপথ ছেড়ে টিউশন পড়িয়ে নরেনের জন্য টাকা জোগাড় করবে, ঠিক করেছিল। এই শশী মহারাজই ১৯০২ সালে আজকের রাতে, মাদ্রাজ মিশনে, স্বপ্নে, না ঘোরে শুনেছিলেন – "আমি শরীরটাকে থুতুর মতো ফেলে দিয়ে এলাম, শশী! থুতুর মতো!"

    (আংশিক তথ্যঋণ - শঙ্করী প্রসাদ বসু)
  • লঘুগুরু | ২১ আগস্ট ২০২২ | ৬৯০ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    হিরো - Malay Roychoudhury
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • aranya | 2601:84:4600:5410:a463:83f5:feb3:7571 | ২১ আগস্ট ২০২২ ০৭:৩৯511227
  • সুন্দর 
  • santosh banerjee | ২১ আগস্ট ২০২২ ১৭:৪৪511243
  • এই হলো আমাদের Vivekananda!! ন্দ্
  • tutul shree | ২২ আগস্ট ২০২২ ১৯:০৯511270
  • আচ্ছা  এই Conversation গুলোর source কি?
  • Abhyu | 198.137.20.25 | ২২ আগস্ট ২০২২ ২১:১৩511274
  • বেসিক গল্পগুলো স্বামি-শিষ্য সংবাদ (https://archive.org/details/in.ernet.dli.2015.355853) ও আরো কিছু স্যাণ্ডার্ড বইতে আছে, বাকিটা মনের মাধুরী।
  • শুভংকর ঘোষ রায় চৌধুরী | ২২ আগস্ট ২০২২ ২২:৩৮511275
  • দ্বিতীয় ঘটনাটি বাদে প্রতিটিই শঙ্করী প্রসাদ বসুর লেখা 'বন্ধু বিবেকানন্দ' বইতে পাবেন। দ্বিতীয় ঘটনাটি রামকৃষ্ণ মিশনের সঙ্গে যুক্ত এক অগ্রজপ্রতিম ভক্তের কাছে শোনা; যা শুনেছি, সেটিকে সেভাবেই লিখেছি।
  • dc | 2401:4900:1f2b:3771:20b1:e825:2c00:1a1c | ২২ আগস্ট ২০২২ ২৩:২৬511277
  • সবকটা ঘটনাই পড়ে হ্যাগিওগ্রাফি মনে হলো। 
  • Abhyu | 97.81.101.181 | ২৩ আগস্ট ২০২২ ০৬:৪২511281
  • dc এই সব গল্পে যা হওয়ার তাইই হয়েছে। আগেই যেমন বললাম, মূল গল্পগুলো মোটামুটি প্রামাণ্য জীবনীতে আছে। তবে এই সব জীবনীগুলোও মূলতঃ রামকৃষ্ণ মিশনেরই বই।

    দ্বিতীয় গল্পটা বড্ড মেলোড্রামাটিক - তবে নিয়মের চোটে ও অন্যান্য কারণে স্বামীজির গুরুভাইরা মঠ ছেড়ে যেতে চাইছেন - এ ঘটনার উল্লেখ একাধিক জায়গায় পাওয়া যায়।
  • dc | 2401:4900:1cd0:1bb4:4b5:f8ca:3003:57cd | ২৩ আগস্ট ২০২২ ০৭:০৮511283
  • হুঁ, বুঝতে পারছি। আমাদের দেশে লোকজনকে এভাবেই পেডেস্টালে তুলে পুজো করা হয়, কি করা যাবে। 
  • &/ | 151.141.85.8 | ২৩ আগস্ট ২০২২ ০৭:১৭511284
  • আহা, ফিকশন ভেবে নিলেই হয়। সুনীলবাবুর "প্রথম আলো" যেমন। ঃ-)
  • m | 2405:8100:8000:5ca1::1df:d5d6 | ২৩ আগস্ট ২০২২ ০৮:১৫511285
  • অমৃতকথা। আরও লিখুন। সেই আগুনের পরশমণি ছুঁইয়ে দিন।
  • Abhyu | 97.81.101.181 | ২৩ আগস্ট ২০২২ ০৮:১৬511286
  • এই শঙ্করীপ্রসাদ বসু না শংকর কে যেন শ্রীরামকৃষ্ণদেবের দাঁত নিয়ে একটা (রহস্য?) উপন্যাস লেখার চেষ্টা করেছিলেন!
  • Amit | 121.200.237.26 | ২৩ আগস্ট ২০২২ ০৮:৪১511287
  • বাঁধানো দাঁত না আসল দাঁত ?  কেউ কি তেনার মুখ হাঁ করে খুলে দাঁত চুরির চেষ্টা করেছিল ? কি সাংঘাতিক। 
  • Amit | 121.200.237.26 | ২৩ আগস্ট ২০২২ ০৮:৪১511288
  • বাঁধানো 
  • dc | 2401:4900:1cd0:1bb4:4b5:f8ca:3003:57cd | ২৩ আগস্ট ২০২২ ০৮:৫৪511290
  • দাঁত না দাঁতন? 
  • Ranjan Roy | ২৩ আগস্ট ২০২২ ২৩:২৬511302
  • অভ্যু
      ৬৯ পাতা তোমার সৌজন্যে পড়া হল। আরও খানিকটা কাল পড়ব। ঠাকুরের দাঁত বলে কথা।
  • প্রেমহংস  | 151.197.9.164 | ২৬ আগস্ট ২০২২ ০৬:০৬511368
  • আচ্ছা, এটাই কি পুরো বই, না আরো ছিল? 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। চটপট প্রতিক্রিয়া দিন