এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  স্মৃতিচারণ  নস্টালজিয়া

  • চেনা মানুষ অজানা কথা - ১৪

    সুকান্ত ঘোষ লেখকের গ্রাহক হোন
    স্মৃতিচারণ | নস্টালজিয়া | ২১ মে ২০২২ | ৮১৭ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  •  
    ১৯৩৪ সালের কথা - রবি ঠাকুর আমন্ত্রণ পেলেন কলকাতায় ‘বেঙ্গল মিউজিক কনফারেন্স’ এর উদ্বোধন করার।  একদম যাবার ইচ্ছে নেই রবি বাবুর, কিন্তু শান্তিনিকেতনের পাবলিক নাছোড়বান্দা – বারে বারে কানের কাছে বলতে লাগলো এই সব অনুষ্ঠানে না গেলে রবীন্দ্র সংগীতের মার্কেটিং কেমন করে হবে! ততদিনে রবি বাবু বুঝে গেছেন যে তাঁর যা কিছু কমার্শিয়াল স্টেক সবই ওই গানের উপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে থাকবে।  গান দাঁড় করাতে না পারলে শান্তিনিকেতনও দাঁড়াবে না মনের মত করে – গানেই পয়সা এই সারমর্ম মরমে গেঁথে গেছে একদম। 

    তো গেলেন উদ্বোধন করতে। এমনিতে উদ্যোক্তরা বলেছিলেন যে রবি ঠাকুর গিয়ে লম্ফ জ্বালিয়ে উদ্বোধন চলে এলেই হবে – ওতেই ফুটেজ যা দরকার সব কালেক্ট হয়ে যাবে।  তার পর বাকিটা উনারা সামলে নেবেন।  ততদিনে দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর শান্তিনিকেতন থেকে কলকাতা চলে এসেছেন মনমালিন্যের জন্য।  এর জন্য কবি নিজে সরাসরি দায়ী ছিলেন না অবশ্যই – কিন্তু অভিমান হেতু দিনু দেখাও করছিলেন না তখন কবির সাথে।  কিন্তু ওদিকে গান আবার মজ্জায় – তাই বেঙ্গল মিউজিক কনফারেন্সে চলে এলেন দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর, এবং এসে দেখা হয়ে গেল কবির সাথে। দিনু কি বলবে বুঝতে পারছে না – কিন্তু কবি একদম কুল, জিজ্ঞেস করলেন –

    - কি রে দিনু, দেখাই পাওয়া যায় না তো তোর! ভ্যাগিস এলি এখানে
    - তুমি তো উদ্বোধন করে দিয়েছ অলরেডী, তা এখনো বসে আছ যে এখানে? ব্যস্ততা কি কমে গেছে নাকি আজকাল?
    - তা না রে, শান্তিনিকেতনের ওরা বলল এখানে এই সুযোগে কিছু মার্কেটিং করতে আমার লেখা গানগুলোর
    - তুমি কি গান গাইবে নাকি?
    - গান গাইতে কি অ্যালাও করবে? মনে হয় না – তার চেয়ে বরং আমি একটা লেকচার দিয়ে দিই
    - কি নিয়ে লেকচার দেবে? তোমার লেকচার শুনে লোকে ঢুলবে
    - আরে বাবা, গান নিয়েই লেকচার দেব এখানে। তুই তো জানিস, কি রাগ নিয়ে আমি খেলা করি নি? ভৈরবী, ইমন, কাফি, খাম্বাজ, বেহাগ, জয়জয়ন্তি সবেতেই গান বেঁধেছি
    - সেটা ঠিক, কিন্তু বেশী বোর করবে না একদম। সংক্ষেপে কাজ সারবে
    - ঠিক আছে, মনে রাখব তোর পরামর্শ
     
    এই বলে কবি হাত তুলে ডাকলেন ফাংশনের একজন কর্তা-কে।  জানালেন তাঁর বক্তব্য রাখার ইচ্ছের কথা।  কিন্তু সেই কর্তা বলল,

    - এখন তো সব সিডিউল ফিক্সড, কি করে আপনাকে মাঝে ঢোকাই বলুন তো! তাও আবার বক্তৃতা!
    - তবুও একটু দেখুন না যদি অ্যাডজাষ্ট করে নেওয়া যায় কিছুটা। আমি বেশী টাইম নেব না
    - ঠিক আছে দেখছি। এর পরে শচীন গান গাইবে। তার পরের পার্টিসিপেন্ট-কে এখনো দেখছি না।  আপনি এখানেই থাকুন। চান্স পেলেই আমি ডেকে নেব।
     
    সেই মত বসেই রইলেন রবি ঠাকুর – আর এই ভাবেই সম্পূর্ণ আন-প্ল্যানড ভাবে পালটে গেল শচীন দেব বর্মণের জীবন। হ্যাঁ, আমাদের প্রিয় শচীন কর্তা, তখনো যদিও ‘কর্তা’ উপাধি পান নি।  ২৮ বছরের মত বয়স তখন শচীন দেব বর্মণের।  তখন তিনি গান-ই গান মূলত।  সেই সে কুমিল্লা থেকে কলকাতায় এম এ পড়তে এসেছিলেন ১৯২৪ সালে – কিন্তু সংগীতের ক্ষপ্পরে এসে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আর এম এ শেষ করতে পারলেন না।  কৃষ্ণ চন্দ্র দে এর কাছে গান শিখলেন টানা পাঁচ বছর – ১৯২৫ থেকে ১৯৩০ সাল পর্যন্ত।  তারপর ১৯৩২ সাল থেকে জুড়ে গেলেন ভীষ্মদেব চট্টোপাধ্যায়ের সাথে যদিও ভীষ্মদেব মাত্র তিন বছরের বড় ছিলেন শচীন দেবের সাথে।  কিন্তু ভীষ্মদেব ছিলেন অন্য জিনিস – অমন প্রতিভা বাংলা সংগীত জগতে আসে নি বলতে গেলে। এই নিয়ে অন্যদিন লিখব এখন। তো যাই হোক, এই সব গান টান শিখে ততদিনে শচীনদেব কলকাতা রেডিও-তে গান-টাই গাইছেন।

    সেদিনের অনুষ্ঠানে শচীন দেব গান গাইতে উঠলেন।  রবি বাবুর ততক্ষণে চলে যাবার কথা, আর শচীন দেব সরাসরি গ্রীন রুম থেকে এলেন বলে তিনি আর খেয়াল করেন নি শ্রোতাদের মধ্যে রবি ঠাকুর বসে আছেন।  গান শুরু হল – শচীন দেব সেদিন গাইলেন ঠুমরি।  সেই কি গাইলেন – পুরো অনুষ্ঠান শেষ হলে শচীন দেব পেয়েছিলেন গোল্ড মেডেল।  রবি বাবু খুব মন দিয়ে গান শুনছিলেন – মজে গিয়েছিলেন, একসময় জিজ্ঞেস করলেন
     
    - হ্যাঁরে, দিনু, ছেলেটা কে রে? ভারী সুন্দর গাইছে তো। 
    - ওটা তো শচীন।  ওর বাবাকে চিনবে তুমি।  ত্রিপুরায় গিয়ে অনেকবার উনার সাথে সাক্ষাত হয়েছে তোমার
    - আচ্ছা, ত্রিপুরার রাজ দরবারে তবলা বাজায় নাকি ছেলেটার বাবা?
    - ওফ, তোমার যত বয়স হচ্ছে না, তত ফিলসফিক্যাল হয়ে যাচ্ছো। আগে কি লিখতে, কি বলতে তবু কিছুটা বোঝা যেত, এখন তো তুমি প্রায় দুর্বোধ্য!
    - আমার দুর্বোধ্যতার সাথে এই ছেলেটির সম্পর্ক কি? তুইও কলকাতায় সিফট করার পর ভাট বকতে শুরু করেছিস দেখছি!
    - শচীন হল গিয়ে তোমার ত্রিপুরার রাজকুমার নবদ্বীপচন্দ্র দেব বর্মণের ছেলে
    - বলিস কি! মাণিকের নাতি? (*মহারাজা ঈশ্বরচন্দ্র মানিক্য দেব বর্মণ)
    - হ্যাঁ, তাই তো দাঁড়াচ্ছে
    - তাহলে একবার গিয়ে দেখ করে আসি। এ ছেলে মনে হচ্ছে নাম করবে যদি শুধু ‘সা সা’ করে জীবন না কাটায়।  আমার গান-ও যদি গাইতে চায়, দেখি একবার বলে। আমার দিক থেকেও মার্কেটিং হয়ে যাবে
    - তুমি এক নোবেল লরিয়েট কবি যাবে গ্রীন রুমে এক ছোকরার সাথে দেখা করতে! মান সম্মান কিছুই তো রাখবে না দেখছি!
    - তোর নামে তো আর বিল আসে না! শান্তিনিকেতনের বিল মেটাতে গিয়ে আমাকে গ্রীন রুম কেন, দরকার হলে সেজে গুজে স্টেজেও নামতে হবে।
    - ঠিক আছে, ঠিক আছে। তুমি বসো। আমি গ্রীণ রুম থেকে শচীন-কে ডেকে পাঠাচ্ছি
     
    গ্রীন রুমে তখন শচীন দেব বর্মন বসে তারিফ শুনছিলেন অন্যদের মুখে। যেই শুনলেন স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ তাঁর গান শুনে খুশী হয়েছেন এবং ডাকছেন, পরিমরি করে ধুতি সামলে ছুটলেন একবারে রবিঠাকুরের সামনে –

    - গুরু, আপনি আমার গান শুনেছেন! আমি ভাবতেই পারছি না!
    - কিন্তু আমি তো তোমার গুরু নই।  এই নামে আমাকে সম্বোধন করো না
    - না না, এই গুরু সেই গুরু নয়। এটা কলকাতার একটা সম্বোধন বলতে পারেন
    - ও তাহলে ঠিক আছে। তোমার গান আমার খুব ভালো লেগেছে
    - আমি একদম আপ্লুত
    - তুমি কি আমার গান গাইতে ইচ্ছুক?
    - কেন নয়? সেই সৌভাগ্য কি আমার হবে?
    - দেখ তুমি একদিন জোড়াসাঁকোয় এসো।  খোলা গলায় গান শুনি তোমার।
    - এখানে কি বুঝতে পারেন নি আমার রেঞ্জ
    - শুধু এই রেঞ্জ দিয়ে তো আর আমার গান গাওয়া যাবে না! “হ্যাঁ-না, তানা – তানা, সা রে গা” করেই প্রায় ঘন্টা দেড়েক কাটালে স্টেজে
    - ওই আর কি, যেখানে যেমন
    - শোনো শুধু কালোয়াতি গান দিয়ে হবে না।  তুমি আমার কালয়াতি গান শোনা নিয়ে বাজারে চালু চুটকিটা শুনেছো তো?
    - কোন চুটকি?
    - ওই যে আমাকে দিনু বার বার অনুরোধ করছিল এক বিরাট উস্তাদের কালোয়াতি গান শুনতে যাবার জন্য। আমি নাকি জিজ্ঞেস করছিলাম, উস্তাদ থামে তো?
    - এটা তো খুবই চালু চুটকি। তবে ছেড়ে দেন না, কত লোকে কত মিথ্যে রটায়
    - এটা মিথ্যে নয়, ঘটনা সত্য।  আর সেটাই বলছিলেম – গানের ব্যাপারে একটা ফ্রী-তে পরামর্শ দিই শোনো, অবশ্য যদি শুনতে চাও
    - প্লীজ বলুন, প্লীজ বলুন – খুব শুনতে চাই।
    - গান এমন হবে যেন হৃদয়ে গিয়ে লাগে। তবেই মানুষের মুখে মুখে সেই গান ঘুরতে। শুধু তান মেরে কারুকাজ করে গেলে কিছুই হবে না

    রবি ঠাকুরের এই পরামর্শ শচীন দেব বর্মণ সারা জীবন মনে রেখেছিলেন। এবং আপনারা যাঁরা কিশোর কুমারের স্মৃতিচারণ শুনেছেন শচীন কর্তাকে নিয়ে, তাঁরা নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন শচীন কর্তার পরামর্শ, “কিশোর, তুই হৃদয় দিয়ে গাইবি, শুধু শুধু কারুকাজ তানা তানা করবি না”।  এটা সেই রবি ঠাকুরের দেওয়া পরামর্শ শচীনকর্তাকে। 

    আবার ফিরে আসা যাক সেদিনের ঘটনায় – রবিঠাকুরের মুখে সোজা সাপটা গান গাইবার কথা শুনে শচীন কর্তা জিজ্ঞেস করলেন

    - তাহলে গুরু, রাগ সঙ্গীত ভিত্তিক গান কি বাঁধবোই
    - ধুর পাগলা, তা কখন বললাম! এমন রাগ দিয়ে শুরু করবি যেন তা শ্রোতার বুকে গিয়ে লাগে। তার পর না হয় অন্য রাগ নিয়ে খেলা করবি
    - তাহলে কোন রাগ নিয়ে খেলব প্রথমে?
    - কেন? পিলু নিয়ে নাড়াচাড়া কর। এর মতন শিওর শট জিনিস হয় না। আমি জানিস কতগুলো গান বেঁধেছি এই পিলু-তে? অনেক অনেক – সব ভুলেও গেছি! এ্যাই দিনু, তোর মনে আছে আমি পিলু নিয়ে কি বেঁধেছিলাম

    পাশ থেকে দিনু জানালেন – “আমার পরাণ যাহা চায়”, “সেদিন দুজনে দুলেছিনু বনে”, “আমার হিয়ার মাঝে লুকিয়ে আছে”, “তোমায় গান শোনাব”, “চাঁদের হাসির বাঁধ ভেঙেছে”, “দিবস রজনী আমি যেন”, “ওগো নদী আপন বেগে” – আরো আছে, বলব?

    রবি ঠাকুর বললেন –

    - থাক এতেই হবে।  বুঝতেই পারছো শচীন, এগুলো সব হিট গান
    - আসলে আমার তো ভৈরবী ভালো লাগে বেশি। কিন্তু আপনি যখন বলছেন তখন ‘পিলু’ দিয়েই স্টার্ট করব না হয়।
    - সেটাই করো।  পিলু-র নামের মধ্যেই ওই রাগের ফ্রী-ফ্লোয়িং ব্যাপারটা লুকিয়ে আছে
    - তাই নাকি? এটা জানতাম না তো? কেমন ভাবে
    - এটা অনেকেই জানে না। পিলু এসেছে হিন্দী “পি লুঁ” মানে পান করে ফেলি – এখান থেকে। 
    - ও তাই!

    সেদিন রবি ঠাকুরের কাছ থেকে অনেক কিছু টিপস পেলেন শচীন কর্তা।  শচীন কর্তার প্রকৃত গলা অতটা নাকি ছিল না – কিন্তু রবি ঠাকুর পরামর্শ দিয়েছিলেন যে কন্ঠে সিগনেচার আনার জন্য নাকি ব্যাপারটা আরো একটু বাড়াতে।  তাতে করে যে কি বাণিজ্য সফল মার্কেট তৈরী হয়েছিল শচীন কর্তার গানের, সেটা তো ইতিহাস বলবে।  সেই দিনের উনাদের দুই জনের আলোচনার আরো গল্প পরের দিন করব

    আজকে এইটুকু লিখে শেষ করি।  ১৯৪৪ সালে যখন শশধর মুখার্জীর অনুরোধে বোম্বে গেলেন শচীন দেব তখনো কিন্তু তিনি রবি ঠাকুরের পরামর্শ ভোলেন নি।  কিছু দিন সময় লেগেছিল নিজেকে এসটাবলিস করতে বোম্বের মার্কেটে।  ১৯৫০ সাল নাগাদ যখন শচীন কর্তার নাম ছড়াচ্ছে তার পিছনেও ছিল কিন্তু ‘পিলু’ রাগ আর রবি ঠাকুর।  ১৯৫০ সালে মুক্তি পায় ছবি আফসার। শচীন দেব বর্মনের সুরে প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী সুরাইয়া গান “নয়ন দিওয়ানে এক নেহি মানে” গানটি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রেম পর্যায়ের গান “সেদিন দুজনে দুলেছিনু বনে”র হিন্দি রূপান্তর ছিল এই গানটি।  

    পিলু রাগের উপর তৈরি এই গানটি আজকের দিনের অনেকেই হয়ত মনে নেই – কিন্তু এই গানটি সেযুগে কাঁপিয়ে দিয়েছিল মার্কেট আর শচীন দেব বর্মন শচীন কর্তা হবার দিকে এগিয়ে দিয়েছিল একধাপ। 
     
  • স্মৃতিচারণ | ২১ মে ২০২২ | ৮১৭ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • rukhsana kajol | 103.217.111.30 | ২২ মে ২০২২ ১২:১২507968
  • উফফ-হাসতে হাসতে দুপুর হয়ে গেল।  
    এমন লেখা সহজে কেউ পারে না লিখতে। 
    পরের পর্বগুলোর অপেক্ষায় রইলাম ।।
  • Ranjan Roy | ২২ মে ২০২২ ১৯:৫৪507979
  • "সহজ কথায় লিখতে আমায় কহ যে, 
    সহজ কথা লেখা যায় না সহজে"!
  • প্রত্যয় ভুক্ত | ২৩ মে ২০২২ ০৯:১৪507989
  • ওহো ,আমি আবার ভাবতাম পিলু রাগের নামটা ইংরাজি , লালমুখো সাহেব ব্যাটাচ্ছেলেদের কান্ড ,রাগ শুনে pee আর loo একসাথে পেয়ে যাওয়ায় নাম দিয়েছিল pee-loo ,যাইহোক এবার একটা অন্য ব্যাখ্যা পেলাম তবু wink
  • | 2401:4900:30e9:e691:0:46:b7ec:9f01 | ০২ নভেম্বর ২০২২ ১৪:৩৮513401
  • ১৬ নম্বর পর্ব পড়ার পর মনে পড়ল দিনুঠাকুরের রবীন্দ্রনাথকে ট্যাশ ট্যাশ করে বলা কথাগুলো। তাই খুঁজে এই পর্বটা আবার পড়লাম। উফফ, চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছি দুজনের বাক্যবিনিময়। 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। বুদ্ধি করে মতামত দিন