ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  আলোচনা  রাজনীতি

  • আফগানিস্তান নিয়ে তসলিমা নাসরিন 

    সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায় লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | রাজনীতি | ২৬ আগস্ট ২০২১ | ৯০৮৭ বার পঠিত | রেটিং ৪.৪ (৫ জন)
  • তসলিমা নাসরিন বাংলাদেশ প্রতিদিনে আফগানিস্তান ইত্যাদি নিয়ে একটি লেখা লিখেছেন। তার সারকথা মোটামুটি এইঃ
     
    ১। আমেরিকা আফগানিস্তানে গণতন্ত্র গড়ে দিতে গিয়ে অশ্বডিম্ব প্রসব করেছে।
    ২। সাধারণ মুসলমানরা এখন আফগানিস্তান থেকে পালাচ্ছেন, বা পালাতে চাইছেন, কারণ মুসলমানরাই সপ্তম শতাব্দীর ধর্মীয় আইনকে খুব ভয় পায়। 
    ৩। তালিবানি আইন চূড়ান্ত নারীবিরোধী। সামান্য স্বাধীনতা উপভোগ করতে গেলেই মেয়েদের তারা পাথর ছুঁড়ে মেরে ফেলে। এবারও ফেলবে। বিয়ের নামে যৌনদাসী বানাবে। 
    ৪। এই তালিবানি আইন এক দেশের ব্যাপার না। সিরিয়া এখন এসে গেছে আফগানিস্তানে, আফগানিস্তান বাংলাদেশে। এ হল প্যান ইসলামিজম। গোটা উপমহাদেশকে তার ফল ভুগতে হবে। 
    ৫। বর্বর এই জঙ্গীরা নারীর সর্বনাশ করবে। তাদের মদত দেবার দায় পাকিস্তান, চিন, রাশিয়ার। 
    ৬। দুনিয়ার মুসলমানরা নারীর এই অবমাননার বিরুদ্ধে তেমন প্রতিবাদ করছেনা, যেমন তারা করে থাকে পালেস্তাইনের ক্ষেত্রে। মুসলমান মৌলবাদীরা তো জায়গায় জায়গায় তালিবানের নামে জয়ধ্বনি দিচ্ছে।
    ৭। নারীর পরনে যে দাসত্বের শৃঙ্খল, তা ভেঙে ফেলতে কয়েক শতাব্দী লেগেছে। এখন দুদিনেই আবার পরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ধর্মের আরেক নাম পুরুষতন্ত্র। কিন্তু ধর্মন্ধতা, মৌলবাদ, নারীবিদ্বেষ পুরুষকে রক্ষা করবেনা।
     
    এই সারসংক্ষেপ আমার তৈরি (শুধু পরের মুখে ঝাল না খেয়ে আসল লেখাটি অবশ্যই পড়ুন -- https://www.bd-pratidin.com/editorial/2021/08/19/681973 ) । আলোচনার জন্য। না, তসলিমাকে নিয়ে কিছু বলার নেই, বরং ধন্যবাদই দেবার আছে। এই ধরণের একটি ন্যারেটিভ আভাসে ইঙ্গিতে টুকরো-টাকরায় পশ্চিমী এবং প্রাচ্যের মিডিয়া এবং সোশাল মিডিয়ায় ঘুরছে, সেটাকে গুছিয়ে স্পষ্ট করে লিখে ফেলার জন্য। না লিখলে আলোচনাটাই করা যেতনা। 
     
    তা, এই ন্যারেটিভের কয়েকটি সুনির্দিষ্ট লক্ষণ নিয়ে কথা বলা যাক। এই ন্যারেটিভের প্রথম লক্ষণ হল, আফগানিস্তানকে আফগানিস্তান বানানোর জন্য পাকিস্তান, চিন এবং কখনও সখনও দুষ্টু রাশিয়াকে দায়ী করা। আর আমেরিকাকে স্রেফ একটু ব্যর্থতার জন্য সমালোচনা করা। আমেরিকা আফগানিস্তানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে লাট করেছে, সে নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই, কিন্তু উদ্দেশ্য তো ভালোই ছিল, গণতন্ত্রই তো গড়তে গিয়েছিল। মানুষকে ধর্মান্ধতা থেকে স্বাধীনতা দিয়েছিল, মেয়েদের দিয়েছিল ওড়ার আকাশ। কাইট রানার সেই পশ্চিমী স্বাধীনতার প্রতীক, মালালা হল মুখ। এখন আমেরিকার পিছিয়ে আসায় সে আকাশ ভেঙে পড়ে যাচ্ছে, এবার অ্যাসিড বৃষ্টি আসন্ন -- এরকম একটা ভাব। 
     
    তো, এ ন্যারেটিভ এতই মোটাদাগের, এবং এতটাই অলীক, যে, আলাদা করে সমালোচনা করার এমনি কোনো কারণই নেই। তবু লেখা যখন হচ্ছে, তখন সংক্ষেপে, স্পষ্ট করেই বলা যাক, বাস্তবতা থেকে এসব অনেক দূরে। ইন্দোনেশিয়া থেকে আফগানিস্তান হয়ে আরব পর্যন্ত মৌলবাদীদের উত্থানে সক্রিয় ভূমিকা, মদৎ ছিল কাদের তা কোনো গোপন তথ্য নয়। আফগানিস্তানে মুজাহিদিনদের প্রশিক্ষণ, সৌদি আরবের অগাধ কনট্র‌্যাক্ট, এবং তালিবানদের সঙ্গে চলমান আলোচনা, এসব নিশ্চয়ই গণতন্ত্র এবং নারীর অধিকারের স্বার্থে করা হয়নি। বস্তুত জঙ্গী ইসলাম, মূলত প্রত্যক্ষভাবে পশ্চিমের তৈরি।  
     
    এই ন্যারেটিভের দ্বিতীয় লক্ষণটি আরও কৌতুহলোদ্দীপক। লেখাটিতে, এই ধরণের লেখাগুলির সবকটিতেই, দুইটি বর্গের রমরমা। নারী এবং ইসলাম। এই দুটিকে ঘিরেই চর্চা চলে অবিরত। তা, এই নারী বর্গটি নিয়ে বিস্ময়ের কিছু নেই। গোটা পশ্চিমী মিডিয়াতেই এখন তথাকথিত 'অপর'দের প্রাধান্য। নারী হোক বা কালো রঙের লোক। এও এক নির্মিতি। কিন্তু তার গতিবিধি আলোচনা এখানে করা হচ্ছেনা। যেটা আকর্ষণীয়, সেটা হল, অন্য এক 'অপর'এর ক্ষেত্রে এই অপরবান্ধবতা একেবারেই ভেঙে পড়ছে। সেই অপর হল 'ইসলামিজম'। ইসলামও পশ্চিমের এক 'অপর'। পশ্চিমী সভ্যতার আলোর উল্টোপিঠ। কিন্তু এই 'অপর'কে গৌরবান্বিত করার ব্যাপার তো নেইই, বরং পুরোটাই ভিলেনের রঙে আঁকা। প্যান ইসলামিজম এখানে ভিলেন। দুষ্টু লোক। 
     
    এটা একটু কঠিন করে বলা হয়ে গেল। সোজা করে বললেই ব্যাপারটা বোঝা যাবে। ধরুন, হিলারি ক্লিন্টন ছিলেন যুদ্ধবাজ। বা মার্গারেট থ্যাচার উজিয়ে ফকল্যান্ডে যুদ্ধ করেছিলেন। কিন্তু এঁদের জন্য নারীবাদকে বা নারীকে পশ্চিমী মিডিয়ায় কেউ ভিলেন ঠাওরায়না। যদি আদৌ কথাটা ওঠে, তখন বলা হয়, ওগুলো ব্যক্তির লক্ষণ, নারী নামক বর্গের নয়। কথাটা অবশ্য ওঠেইনা, বস্তুত এঁদের গৌরবের প্রশ্নে এই লক্ষণগুলোকে সযত্নে আড়াল করা হয়। যেমন হিলারি ক্লিন্টনের পক্ষের মিডিয়া ন্যারেটিভ ছিল 'গ্লাস সিলিং ভাঙা'। যুদ্ধ টুদ্ধ তার অনেক পিছনে। এই সমর্থন  বা সহমর্মিতা কিন্তু ইসলামিজম পায়না। আড়াল করার তো প্রশ্নই নেই, বরং হিলারির সম্পূর্ণ উল্টোদিকে গিয়ে লাদেন একজন বিচ্ছিন্ন মানুষ নন, একটি প্রতীক হয়ে যান, যদিও হিসেব করলে দেখা যাবে, লাদেনের আদেশে একটি শহরের একটি বহুতল ভেঙেছে, হিলারির আদেশে হয়তো একশটি। মুসলমানরা সদলবলে তালিবানদের নিন্দে না করে ভিলেন হয়ে যান, কিন্তু দুনিয়ার পশ্চিমীরা, মিডিয়া সহ, বুশ নামক এক রাষ্ট্রনায়কের স্রেফ গুলবাজি করে ইরাক নামক একটি গোটা দেশকে ধ্বংস করে দেবার নিন্দে সজোরে কখনই করে উঠতে পারলনা, তাই তারা গণতন্ত্রের ধারক ও বাহক। এই অন্তর্নিহিত দ্বিচারিতা, আলোকজ্জ্বল পশ্চিমে আছে। ফলে লিঙ্গ বা গাত্রবর্ণ নিয়ে যতই ঢক্কানিনাদ চলুক, আদতে অপরবান্ধবতা, বোঝা যায়, পশ্চিমের আর পাঁচটি গিমিকের মধ্যে একটি।
     
    তৃতীয় এবং সর্বশেষ লক্ষণটি এখানে লক্ষ্যণীয়, যে, শুধু ইসলামিজম-বনাম-নারী দ্বৈত নয়, আরও একটি দ্বৈতও এখানে প্রকট। সেটি হল নারী বনাম পুরুষ। নারীকে শুধু জঙ্গী ইসলামই পীড়ন করছে তা নয়, সামগ্রিক ভাবে পুরুষও একই দোষে দুষ্ট। অর্থাৎ শুধু 'ঐস্লামিক' পুরুষ নয়, এই ক্ষেত্রে বৃহত্তর ভিলেনটি হল পুরুষ। এর জন্য নির্মান করা হয়েছে একটি নতুনতর বর্গ, পুরুষতন্ত্র। ইংরিজিতে যে কথাটি ব্যবহৃত হত, বা এখনও হয়, তার বাংলা হল পিতৃতন্ত্র। সেটা ব্যবহার করা হত, বা হয়, একটি নির্দিষ্ট কারণে। পিতৃতন্ত্র একটি ব্যবস্থা, যা পুরুষ এবং নারীর জন্য অসমঞ্জস অবস্থান নির্ধারণ করে। অর্থাৎ, পুরুষ যুদ্ধ করবে, দেশনেতা হবে, নারী বাড়ির কাজ করবে, নার্স ও শিক্ষিকা হবে -- মোটাদাগে বললে, এইরকম। নারীর স্বার্থে এই ব্যবস্থাটা বদলানো দরকার, বিংশ শতকের নানা ঢেউএর নারীবাদ, সেই কথাই বলত, আভ্যন্তরীন নানা বিতর্ক এবং মতভেদ সত্ত্বেও। এখানে কাঠামোগতভাবে কোনো ভিলেন ছিলনা। কিছু পুরুষ নিশ্চয়ই বদ, পুংরা জাতিগতভাবেই ভিলেন না, ভিলেন হল কাঠামোটা। একবিংশ শতকে জনপ্রিয় আখ্যানে বিষয়টা বদলাতে শুরু করে। ব্যবস্থা নয়, সরসরি 'ম্যান'কে ভিলেন তৈরি করা হয়। পুরুষের বৈশিষ্ট্য আলাদা করে চিহ্নিত করে তাকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা হয়। তৈরি হয় 'টক্সিক ম্যাসকুলিনিটি' বা 'ম্যানসপ্লেনিং' এর মতো বর্গ। বিংশ শতকের 'এমসিপি' জাতীয় বর্গের সঙ্গে এর তফাত হল, এমসিপি বা মেল-শভিনিস্ট-পিগ বলা হত কিছু ব্যক্তিকে। কিন্তু 'বিষাক্ত পৌরুষ' জাতীয় বর্গ সামগ্রিকভাবে পুরুষের লক্ষণকে উদ্দেশ্য করে তৈরি। ইংরিজিতে পিতৃতন্ত্র বর্গটি এইভাবেই তার পুরোনো অর্থ থেকে নড়েচড়ে গেছে। শব্দটি যদিও বদলায়নি। বাংলায় সোজাসাপ্টা ভাবে শব্দটিই বদলে পিতৃতন্ত্রের জায়গায় পুরুষতন্ত্র করে ফেলা হয়েছে। এই বর্গের ব্যবহার একটুও আপতিক না, কারণ তসলিমার আখ্যানও এই একই লক্ষ্যে ধাবিত। 
     
    এটাও একটু কঠিন করে বলা হয়ে গেল। সোজা করে বললে, ধরুন, আপনার চারদিকে 'প্রগতিশীল' মনে করেন এমন একজন মানুষকেও দেখেছেন, যিনি তালিবানদের সমর্থক? লিঙ্গ বা ধর্ম নির্বিশেষে? খবরের কাগজে এরকম লোকেদের কথা নিশ্চয়ই পড়েছেন, কিন্তু কাছে পিঠে? সম্ভবত দেখেননি। কারণ তালিবানি কথাটিই প্রায় সর্বজনস্বীকৃত নিন্দাসূচক শব্দ। খোদ আফগানিস্তানেও পুরুষরা কি খুন হচ্ছেন না, না লড়ছেন না? নিশ্চয়ই তালিবানরা সংখ্যায় অনেক, কিন্তু উল্টোদিকটাও, কম হলেও তো আছে। তার মরছে টরছেও। তাহলে ধর্ম পুরুষদের রক্ষা করছে, বা চিরকাল করবেনা, এই কথাটার মানে কী? 
     
    মানে একটাই। এই কথাটা শুধু নয়, সামগ্রিক ভাবে তিনটি লক্ষণেরই। একবিংশ শতকে রাজনীতির নতুন বয়ান তৈরি হচ্ছে। এগুলো তার অংশ। সেখানে আমেরিকা বা সামগ্রিক ভাবে পশ্চিমী সাম্রাজ্যবাদ আর ভিলেন নয়। মূল ভিলেন সন্ত্রাসবাদ, বা পড়ুন প্যান ইসলামিজম। খুচরো ভিলেন সামগ্রিকভাবে পুরুষরা। এবং সহমর্মিতা ধাবিত হবে, নারী, কালো, নিচু জাত এই বর্গগুলির দিকে। বিংশ শতকের রাজনীতির থেকে যা অনেকটাই আলাদা। 
     
    বিংশ শতকের রাজনীতির এরকম নির্দিষ্ট কেন্দ্রিকতা ছিলনা। পশ্চিমী দুনিয়ায় মূল শত্রু ছিল কমিউনিজম। নব্বইয়ের দশক পর্যন্ত। তৃতীয় বিশ্বে পরিস্থিতি ঠিক উল্টো ছিল। সেখানে চিরশত্রু ছিল পুঁজিপতিরা এবং আমেরিকা। দুই জায়গাতেই এই রাজনীতিই মূল প্রাধান্য পেত। নারী বা কৃষ্ণাঙ্গ বা সমকামীদের ইস্যু ছিল পিছনের সারিতে। তারা মাঝেমাঝে উপচে পড়ত মূল ধারায়। চলত বিতর্ক। এখন হয়েছে ঠিক উল্টো। লিঙ্গ-বর্ণ-জাত -- শুধু উপচে পড়েছে নয়, নির্ণায়ক জায়গা নিয়ে নিয়েছে রাজনীতিতে। অবাস্তবরকম চরম জায়গায়ও চলে যাচ্ছে থেকেথেকেই। উল্টোদিকে পুঁজিবাদ আর ভিলেন নয়, নতুন ভিলেন হয়েছে, আগেই যা বলা হল, সন্ত্রাসবাদ, পুং ইত্যাদি। 
     
    রাজনীতি এভাবেই বদলায়। বিতর্ক হয়। আবার বদলায়। তাতে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু একবিংশ শতকের রাজনীতির একটা জায়গাই খুবই বিপজ্জনক। তার রাজনীতির এককেন্দ্রিকতা। বিতর্কের অভাব। বিংশ শতকের রাজনীতি, তার সমস্ত সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও, বিতর্কের অভাবে কখনও ভোগেনি। বিতর্কের অভাব, পৃথিবীর ইতিহাসে, বরাবরই টোটালিটারিয়ান বা প্রায়-টোটালিটারিয়ান ব্যবস্থা ডেকে এনেছে। সে ম্যাকার্থির আমেরিকাই হোক, বা হিটলারের জার্মানি। শুধু তসলিমা তো নন, তাঁর লেখায় যে তিনটি লক্ষণের কথা বলা হয়, বাম-দক্ষিণ নির্বিশেষে সেগুলি সকলেরই গ্যান্ড ন্যারেটিভ হয়ে উঠছে। ভয়টা সেখানেই। গ্র‌্যান্ড ন্যারেটিভের ভয়। দেয়ার ইজ নো অল্টারনেটিভ এর ভয়। যে ভয়, বিংশ শতকে কেউ কখনও পায়নি। 
  • | রেটিং ৪.৪ (৫ জন) | বিভাগ : আলোচনা | ২৬ আগস্ট ২০২১ | ৯০৮৭ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায় | ২৭ আগস্ট ২০২১ ০৭:৫৯497164
  • না। সৌদি বস্তুত আমেরিকার উপনিবেশ।  সৌদির যাবতীয় কনট্ঠের্যাক্কট আমেরিকান কোম্পানিদের হাতে। গুচ্ছের টাকা এদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। নজরানার মতো। বদলে রাজারা পায় সমর্থন। সেটা  না পেলে রাজারা ১০ বছরও টিকবেনা।
  • &/ | 151.141.85.8 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ০৭:৫৯497165
  • চীন আর পাকিস্তান এসে পুশতুদের সঙ্গে দল বেঁধে মহান ভারতে ঢুকে ডাইনে বাঁয়ে থাপ্পড় মারতে শুরু করলে তখন "এসো গুরু কৃপা করো" বলে কাকে ডাকবেন জানমানপ্রাণ রক্ষা করতে ?
  • সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায় | ২৭ আগস্ট ২০২১ ০৮:০১497166
  • চিন আর পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের বিবাদের কোনো কারণই নেই। কাশ্মীর নিয়ে একটা আন্ডারস্ট্যান্ডিং এ এলে এমনিই ডাব ডাব ভাব ভাব হয়ে যাবে। এই প্রতিরক্ষাখাতে অসভ্যের মতো খরচটাও কমবে। 
  • Amit | 203.0.3.2 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ০৮:০৩497167
  •  রাজা টিকলো না টিকলোনা বা  কে কত নজরানা সেটা তো এই লজিকে সৌদির লোকের সমস্যা। আপনার নয়। পাল্টালে ওরা  নিজেরাই পাল্টাক। যেহেতু বাইরে থেকে গণতন্ত্র ইম্পোর্ট করা বারণ -  এই যুক্তি অনুসূরণ করলে ? 
  • &/ | 151.141.85.8 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ০৮:০৪497168
  • হ্যাঁ, হ্যাঁ, কোনো বিবাদই নেই। শুধু মাঝে সাঝে কিছু কার্গিল। ও তো কুমীরড্ডাঙা খেলা। ধত্তে নেই।
  • সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায় | ২৭ আগস্ট ২০২১ ০৮:০৪497169
  • আমি তো শুধু আমেরিকাকে হাত গুটোতে বা গুটোতে বাধ্য করতেই বলছি। তারপর সৌদির লোকই বুঝে নেবে। বছর পাঁচেক আগেই খুন জখম করে একটা বিদ্রোহ দমন করা হল। ঠেকনা না থাকলে আর পারবেনা।
  • কিন্তু | 144.48.39.114 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ০৮:০৭497170
  • লিথিয়াম পুশ্তুদের হাতে ছেড়ে দিলে দুনিয়াজোড়া ব্যাবসা চলবে কেমন করে? ব্যবসা না চললে, ক্যাপিটালিজম বাদ দিয়ে কি প্রগতি সম্ভব? এই যে আপনি-আমি-আমজনতা দুনিয়াজোড়া জালে তক্কাতক্কি করছি, এ ত ক্যাপিটালিজমের দান। তাই ব্যাবসা মাস্ট গো অন।
  • Amit | 203.0.3.2 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ০৮:০৮497171
  • সেটাও সৌদি র লোকই ঠিক করুক না-আমাদের বলার দরকার নেই তো আপনার লজিক অনুসারে। 
     
    আর এদিকে আম্রিগা সরকার হাত গোটাবে না ছাড়বে সেটাও  আম্রিগার লোকেই ঠিক করুক। তার মধ্যে তো আপনিও পড়েন। চার বছর অন্তর ভোট হচ্ছেতো। 
  • :|: | 174.255.131.176 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ০৮:১৩497172
  • কিন্তু জন্মইস্তক আমেরিকার (kalo) হাত গুঁড়িয়ে দেবার কথাই শুনেছি। সেটি গুটিয়ে দেওয়ায় বদলে গেলো কবে?! 
  • সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায় | ২৭ আগস্ট ২০২১ ০৮:১৫497174
  • অবভিয়াসলি লোকেই ঠিক করবে। আগামী ১০ বছরে অনেক কিছুই ঘটবে। কিন্তু বলার দরকার থাকবেনা কেন? অবশ্যই বলার দরকার আছে। কথাবার্তা ছাড়া স্রেফ মিলিটারি মোডে গণতন্ত্র হয় নাকি?
  • Amit | 203.0.3.2 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ০৮:১৭497175
  • উহু -বাইরে থেকে গোটানো গুড়ানো কিছু করা উচিত নয় এখানকার যুক্তি অনুসারে। আফগানিস্তান হোক বা সৌদি বা আম্রিগা বা ইন্ডিয়া - শুধু সেখানকার লোকই যা করার করতে পারে। ইমপোর্ট করা বিপ্লব বা সংস্কার সব ব্যানড। 
     
  • Amit | 203.0.3.2 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ০৮:২১497177
  • প্রতি ১০ বছরেই অনেক কিছু ঘটে। লোকে ঠিক করা বলতে কি একটা ডেমোক্রেটিক প্রসেস এর মধ্যে দিয়ে ঠিক করা বলছেন নাকি তালিবান স্টাইলে ঠিক করা বলছেন ? পিউরলি থিওরি পয়েন্ট থেকে প্রশ্নটা। যেহেতু আপনার ​​​​​​​লেখায় ​​​​​​​আফগানিস্তানে ​​​​​​​সংস্কার ​​​​​​​গুলো পশ্চিমীদের ওপর ​​​​​​​থেকে ​​​​​​​চাপানোটা ​​​​​​​খারাপ ​​​​​​​- এই ​​​​​​​এঙ্গেলটা ​​​​​​​সরাসরি তোলা ​​​​​​​হয়েছে। 
     
    আম্রিগা তালিবান  ডিল ওর নো ডিল ডাসন্ট ম্যাটার। 
     
     
  • dc | 122.174.146.158 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ০৮:২৬497178
  • দেখুন, বিনাশকালে বুদ্ধিনাশ হয়। এর আগে ইউএসএসআরএর হয়েছিল, এখন আমেরিকারও হচ্ছে/হবে। আমেরিকা এদ্দিন সুপারপাওয়ার ছিল, এখন আস্তে আস্তে চীন সুপারপাওয়ার হিসেবে উঠে আসছে। ব্যালেন্স অফ পাওয়ার ওয়েস্ট থেকে ইস্টে শিফট হচ্ছে। লিথিয়াম নিয়ে চিন্তার কিছু নেই, এখন থেকে চীন আর রাশিয়া আফগানিস্তানের লিথিয়াম সাপ্লাই দেবে। এদ্দিন আফগানিস্তানে আমেরিকার পাপেট সরকার ছিলো, এখন চীনের পাপেট সরকার হবে। তাইওয়ানও পুরোপুরি চীনের স্ফিয়ার অফ ইনফ্লুয়েন্সে ঢুকে যাবে, যেমন হংকং গেছে। আর তেলের বদলে সোলারউইন্ডে শিফট করলে সৌদি টৌদি এমনিতেও ভোগে যাবে।  পোথোমাদ্ধের খেলা শেষ, ধৈজ্জো ধরে বসুন, আমেরিকার বাইডেন আর চীনের রসুন। 
  • Amit | 203.0.3.2 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ০৮:৩১497179
  • চীনের পাপেট তালিবান সরকার যদি মেয়েদের সেক্স স্লেভ বানিয়ে রাখে তাহলে বুজিদের বিশেষ আপত্তি নেই মনে হয়।বাইরে থেকে সংস্কার চাপানোও হলোনা  , কাজও সারা হলো। মালালারা গুলি খেলে কার কি এলো গেলো ও দেশের লোকই বুঝে নেবে। 
     
    আশা করি যখন গোরক্ষকদের হাতে নেক্সট লাশ পড়বে যুক্তিবিন্যাস একই থাকবে। আফ্টারল ইতিহাস বা সংস্কার বলে কথা। 
  • হেহে | 2a06:1700:0:12::1 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ০৮:৪৪497181
  • অমিতচাড্ডি গোরক্ষক বিজেপীকে পুশ করার একটা সুযোগও ছাড়ে না মাইরি :-)  বছরের গোড়ার দিকে তিনোমুল আসলে বিজেপী কেন আসবে না পবয় বলে সমানে  *দিয়ে গেল।  না আসায় এখন তালিবানের ন্যাজ ধরে মুসলমান খুন জাস্টিফাই কত্তে লেগেছে। 
  • Kallol Dasgupta | ২৭ আগস্ট ২০২১ ০৯:৪৯497186
  • অমিত। বারবার একই কথা বলতে ক্লান্ত লাগে, বিশেষ করে তোমার মতো কাউকে। "চীনের পাপেট তালিবান সরকার যদি মেয়েদের সেক্স স্লেভ বানিয়ে রাখে তাহলে বুজিদের বিশেষ আপত্তি নেই মনে হয়।" এই কথাগুলোর কোন লজিক আছে কি ?  আর কতোবার একই কথা বললে সেটা মগজে ঢুকবে ? চীন, রাশিয়া, আমেরিকা, কিউবা, ভারত কারুর তাঁবে আফগানিস্তানের কোন ভালো হবার নেই। তাদের দেশের মানুষ ঠিক করবে ওখানে কি হবে বা হবে না। সেটা ঠিক করার অধিকার আর কারুর নেই।
    আসলে যুক্তি ফুরিয়ে গেলে একদল বাম বলে দাবী করা মানুষ এরকম অযৌক্তিক ট্রোল করে। তোমায় সেই দলে ফেলতে কষ্ট হয়। 
    তলিবান বিরোধী হলে আমেরিকাপন্থী, আমেরিকার বিরোধী হলে তালিবানপন্থী - এসব ছেলেমানুষী বাইনারী আর কদ্দিন ? 
    আমি তো যতদূর জানি তুমি বিজেপি বিরোধী। তা, এবারেও যদি ভোটে বিজেপিই জিতে আসে, কাকে ডাকবে - আমেরিকা, রাশিয়া, চীন না কিউবা ? 
  • dc | 122.174.146.158 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১০:০৪497187
  • বিটিডাব্লু, বোম ফেটে কার লাভ হলো সবচেয়ে বেশী? 
     
    চীনের। 
     
    জাস্ট সেয়িং :p
  • র২হ | 49.37.37.120 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১০:১৮497188
  • "চীন, রাশিয়া, আমেরিকা, কিউবা, ভারত কারুর তাঁবে আফগানিস্তানের কোন ভালো হবার নেই। তাদের দেশের মানুষ ঠিক করবে ওখানে কি হবে বা হবে না। সেটা ঠিক করার অধিকার আর কারুর নেই।"
     
    প্রথম লাইনের সঙ্গে একমত। পরের  দু'লাইনের সঙ্গে না।
    এবার প্র্যাকটিকেলি 'মানুষের ভালো' করার জন্য এক দেশ অন্য দেশে নাক গলায় না সে অন্য কথা। 
     
    পাকিস্তানীরা পূর্ববঙ্গে ম্যাসাকার করছে, রাজাকাররা সঙ্গে আছে - রাজনৈতিকভাবে এক দেশের মানুষ বলে আর কেউ নাক গলাবে না - এটা আদৌ কাজের কথা না।
     
    আর আফগান সেনা পুলিশ সরকার সব যেমন ল্যাজ গুটিয়ে পালালো প্রথম সুযোগেই, তাতে বাকি পৃথিবী যতই এটা হোক ওটা হোক বলে, এরা আসলে সার্বভৌমত্ব হ্যান্ডল করতে পারবেন কিনা তাতে সন্দেহ আছে।
     
  • সিএস | 49.37.32.224 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১০:২৭497190
  • হুতোর লাস্ট পয়েন্টটা নিয়ে আমার আবার আপত্তি আছে। ধরে নেওয়া হয়েছে যে সেখানে শক্তপোক্ত একটা সেনাবাহিনী ছিল, কিন্তু সত্যি কি ছিল ? অনেক রিপোর্ট তো বেরিয়েছে যেখানে পড়া গেছে যে আমেরিকা টাকা ঢেলেছে কিন্তু সেসব কিছু লোকের পকেটে গেছে, ৩০০,০০০ সেনার যে সংখ্যাটা বলা হচ্ছে সেটাও ঠিক নয়, দৈনন্দিনের অবস্থাগতিকে সাধারণ সেনারা তাদের বন্দুক ইত্যাদি কালোবাজারে বেচে দিয়েছে, উপরন্তু এও বলা হয়েছে, তালিবানদের বাধা না দেওয়ার নির্দেশ প্রেসিডেন্টের দপ্তর থেকে নাকি দেওয়া হয়েছে।

    তো ব্যাপার হল, এই এত সব কিছু যখন হয়েছে, তখন আফগান সেনার পালিয়ে যাওয়ার সাথে সার্বভৌমত্বর বিশেষ সম্পর্ক নেই। যেটা ছিল বলে মনে হচ্ছে সেটা হয়ত ভেতর থেকে ফাঁপা ছিল, অতএব বিশেষ কিছু করার ছিল না।
     
     
  • dc | 122.174.146.158 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১০:৩৩497191
  • আচ্ছা এই যে মায়ানমারে সেনা ম্যাসাকার করছে, তো বাকি দেশগুলো এতো হাহুতাশ করছে কেন? মায়ানমারের অভ্যন্তরীন ব্যাপারে নাক গলানোর কি আছে? বা রোহিঙ্গা হত্যার ব্যপারেই বা কার কি আসে যায়? জার্মানির ফাইনাল সলিউশান নিয়ে এতো হৈচৈ কেন হয়েছিল? নাজিরা তো জার্মানই ছিলো, তো ওরা জার্মানদের নিয়ে যা কিছুই করুক না কেন, সে তো জার্মানদের নিজেদের ব্যপার। 
  • Amit | 203.0.3.2 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১০:৩৩497192
  • অনেস্টলি আপনার স্ট্যান্ডটা আমার ও অদ্ভুত লাগছে এক্ষেত্রে কল্লোলদা। ইয়েস এখানে আমরা মোটামুটি সবাই বাম মনস্ক। তার মানে কি এই যে একটা আর্মড প্রিহিস্টোরিক মাইন্ডেড মিলিশিয়া গ্রূপ আপরাইসিং কে পাবলিক রেভোলুশন বলে চালানোর চেষ্টা হবে ? এটা কে আমার বেশি বাইনারি মনে হচ্ছে। 
     
    ওয়েস্টার্ন সিভিলাইসেশন কে হাজারটা গালাগাল দিয়েও যেটা বলতে হয় -ডেমোক্রেসি বা ইন্ডিভিজুয়াল রাইটস বা ইকুয়ালিটি অফ এভরি ওয়ান -এই সবকটা কনসেপ্ট ই  ওয়েস্ট থেকেই  আসা- ইনক্লুডিং মার্কস এঙ্গেলস। আমাদের দেশ হোক বা পাকিস্তান বা আফগানিস্তান বা আরব দেশগুলো -কোথাওই মানুষকে মানুষ হিসেবে ধরা হয়না। সে জাস্ট একটা ক্ল্যান বা সমাজের পার্টস মাত্র। তার কোনো  ইন্ডিভিজুয়াল রাইটস নেই। মেয়েরা জাস্ট ভোগ্যবস্তু। তারা ফুল হিউমান বিংস ই নয়।  আজকের ইন্ডিয়াতে যেটুকু ওমেন্স বা দলিত রাইটস দ্যাখেন অনেকটাই ব্রিটিশদের আইনকানুন আর ওসব দেশগুলোর মডেলে করা সংবিধান। যেটা না থাকলে আজকে রোহিত ভেমুলারা হয়তো রাস্তা সাফ করতো ,  ইউনিভার্সিটি অবধি পৌছতনা। 
     
    ডেমোক্রেসি একটা কোনটুনুয়াস প্রসেস। এক লাফে বা একদিনে কোনো দেশ হিউমান রাইটস এর চূড়োয় পৌঁছে যায়নি। নানা দেশে নানা এক্সপেরিমেন্ট চলেছে , চলছে। তার সাথে টেকনোলোজিক্যাল লিপস। পুরো ডেমোক্রেসির ইতিহাসটাই তো নানা ডিসরাপশন আর কোর্স করেকশন এর। 
     
    আজ থেকে   ১০০-২০০ বছর আগে কটা ওয়েস্টার্ন দেশে উওমেন বা লেবার ক্লাসের ভোটিং রাইটস ছিল ? আম্রিগায় মেয়েরা ভোটিং রাইটস পেয়েছে হয়তো অ্যারাউন্ড ১০০ বছর আগে। কেও কি ক্লেম করছে আম্রিগা দুনিয়ার সেরা ডেমোক্রেসি ? আজকে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলো যতটা ইউনিভার্সাল বেসিক ইনকাম , উওমেন রাইটস এন্ড ইকুয়ালিটি এসব যে জায়গায় নিয়ে এসেছে - আম্রিগা বা অন্য দেশগুলো কি সেখানে এসেছে ? আবার এই দেশগুলো যা করেছে সেগুলো ইউরোপের অন্য দেশগুলো করতে পারেনি। নানা ইকোনমিক ইন্টারেস্ট - বিসনেস ইন্টারেস্ট নানা অবস্টাকল তৈরী করেছে নানা দেশে। 
     
    ১০০-% ইডিয়াল ডেমোক্রেসি এন্ড ইকুয়ালিটি একটা জাস্ট উটোপিয়ান এন্ড ইভলভিং কনসেপ্ট। অনেক দেশ চেষ্টা করছে যাতে সেটার কাছাকাছি পৌঁছনো যায় -ব্যাস -এটুকুই। এবার যদি কোনো দেশ সেটার উল্টোপথে হাঁটে সেটাকে জাস্ট ইতিহাস বা সংস্কারের অজুহাত দিয়ে মান্যতা দেওয়া উচিত নয়। সে যতই দেশের মধ্যে থেকে বিদ্রোহ হোক। দশটা টেরোরিস্টের হাতে বন্দুক থাকলে হাজারটা সাধারণ মানুষ জাস্ট প্রাণের ভয়ে চুপ থাকে। সুতরাং দেশের লোক বিদ্রোহ করছে না এটা বলে কোনো টেরোরিস্ট সরকারকে জাস্টিফাই করা যায়না। সবার মধ্যে ক্ষুদিরাম হওয়ার ইচ্ছে নাই থাকতে পারে। 
     
    আমি এটাও মনে করি যখন কোনো একটা দেশে একটা আর্মড মিলিশিয়া টেরোরিস্ট গ্রূপ বন্দুকের ডগায় ক্ষমতা দখল করে , মেয়েদের সেক্স স্লেভ বানায় , লোকেদের পাথর ছুড়ে মারে -  সেখানে ইন্টারন্যাশনাল কমিউনিটি সাইলেন্ট স্পেক্টেটর হয়ে বসে থাকা উচিত নয়। বাংলাদেশ হোক বা কাম্বোডিয়া কি উগান্ডা কি আফগানিস্তান -সবকটা দেশে এক্সটার্নাল ইনফ্লুয়েন্স না হলে নিরীহ লোকের ডেথ কাউন্ট আরো বহুগুনে বাড়তো। যারাই বাইরে থেকে ইনফ্লুয়েন্স করেছে এই দেশগুলোতে সেই সময় গুলোতে -আমার কাছে সেটা ঠিক  স্টেপস । সেটা ভেতর কি বাইরে থেকে হলো ওসব আমার কাছে  প্রায়োরিটি নয়। কয়েকটা লোক বাঁচানোটা প্রায়োরিটি। 
     
    ইয়েস আরো গন্ডা গন্ডা রিগ্রেসিভ রেজিম আছে দুনিয়ায়। ইরান সৌদি নর্থ কোরিয়া এটিসি এটিসি।  আম্রিগা সব জায়গায় কেন ডেমোক্রেসি চাপাচ্ছে না , কেন সেসব সরকারের সাথে ডিল করে নিচ্ছে -সে প্রশ্ন তোলাই যায় টাইম থাকলে। কিন্তু ওখানে কেন হচ্ছেনা কিন্তু এখানে হচ্ছে -এটা আমার কাছে নাগপুরের যুক্তি। আম্রিগা কোনো ভগবান নয় , সবার আগে সে তার বিসনেস ইন্টারেস্ট দেখে। কিন্তু তার বদলে একটা বার্বারিক রেজিমেকে নিয়ে আসা জাস্ট নট আকসেপটাবল।   
  • dc | 122.174.146.158 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১০:৪৫497194
  • "ইয়েস এখানে আমরা মোটামুটি সবাই বাম মন"
     
    সে আবার ​​​​​​​কি? ​​​​​​​আমি ​​​​​​​তো ​​​​​​​ক্যাপিটালিস্ট! ​​​​​​​
  • Amit | 203.0.3.2 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১০:৫০497196
  • ওই জন্যেই তো মোটামুটি বলা হল। 
  • র২হ | 2405:201:8005:9947:dcd6:e135:70c0:184f | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১০:৫৯497197
  • dc | 122.174.146.158 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১০:৩৩ - একদমই তাই। সবই তো আভ্যন্তরীন। আমাদের উনিজীর দলও অ্যামিকেবলি মিটিয়ে নিতে বলেন।
  • dc | 122.174.146.158 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১১:০২497198
  • র২্হ, ঠিক। ইদি আমিন থেকে পোল পোট হয়ে যেখানে যতো ডিকটেটার আর খুনে, সবাই চায় তাদের অভ্যন্তরীন ব্যাপারে অন্য কেউ যেন হস্তক্ষেপ না করে। 
  • sm | 42.110.137.86 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১১:০৬497199
  • যুক্তি তে প্রচুর ফাঁক। কোন দেশে সিভিল পর চললে বা মিলিটারি ক্যু হলে,প্রথম কর্তব্য হলো,ইউ এন পিস কিপিং ফোর্স এর হস্তক্ষেপ।
    আর একটি দেশের অযাচিত হস্তক্ষেপ অনুচিত।
    এতে করে ক্ষয় ক্ষতি ও গণ মৃত্যু সংখ্যা বাড়ে।
    তবে, আন্তর্জাতিক বিধি না মেনে চললে,অর্থনৈতিক অবরোধ বা স্যানকশন করা যেতে পারে।
    মায়ান মারের সমাধান,বর্তমান মিলিটারি সরকার কে মান্যতা না দেওয়া।
    অর্থনৈতিক অবরোধ করা।
    তাতেও কাজ না হলে,ইউ এন এর হস্তক্ষেপ।
    সেন্ট্রাল আফ্রিকার বহু গৃহযুদ্ধ এভাবে সমাপ্ত হয়েছে বা তীব্রতা কমেছে।
  • sm | 42.110.137.86 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১১:০৭497200
  • #ওয়ার
  • দেশে বিদেশে | 2409:4061:2c93:f7f0:78f9:73c1:4678:553c | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১১:০৭497202
  • মীর আসলম আরো জোর হুঙ্কার দিয়ে বললেন, আমি যা বলেছি, তা সম্পূর্ণ নেতিবাচক। আমি বলি, আমান উল্লা কাফির নয়। তার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ না-জায়িজ অশাস্ত্রীয়।

    নাস্তিক রাশান রাজদূতাবাসে গিয়ে শুনি সেখানেও ঐ মত। দেমিফকে বললুম, রেভলিউশন আরম্ভ হয়েছে। তিনি বললেন, না, রেবেলিয়ন। আমি শুধালুম, তফাতটা কি? বললেন, রেভলিউশন প্রগতিকামী, রেবেলিয়ন প্রগতিপরিপন্থী।

  • Amit | 203.0.3.2 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১১:০৯497203
  • আহা। ডিকটেটার , খুনে  এসব কেন ​​​​​​​বলছেন ​​​​​​​আবার ? এনারা ​​​​​​​সবাই ​​​​​​​আভ্যন্তরীন ​​​​​​​রাষ্ট্র বিপ্লবের ​​​​​​​মধ্যে ​​​​​​​থেকে ​​​​​​​উঠে ​​​​​​​এসেছেন  নেতা হিসেবে।  তালিবানদের মতই অনেকটা। এদেরকে সরাতে হলে এসব দেশের লোকেই নিজে বুঝে নেবে। ​​​​​​​বাইরে ​​​​​​​থেকে ​​​​​​​কারোর কিছু ​​​​​​​বলার ​​​​​​​বা ​​​​​​​করার ​​​​​​​দরকার ​​​​​​কি? যা ​​​​​​​হয়েছে ​​​​​​​সব ​​​​​​​ভুল। ​​​​​​​রিপিট ​​​​​​​না ​​​​​​​হলেই ​​​​​​​ভালো। 
  • র২হ | 49.37.33.108 | ২৭ আগস্ট ২০২১ ১১:১৬497204
  • @সিএস ১০:২৭, একমত। রেজিস্ট করার মত পরিকাঠামো, জনসমর্থন, মনোবল, মোটিভেশন কিছুই ছিল না বোঝা যায়। নাজিবুল্লাকে যেমন ভাবে মেরেছিল তাতে লোকজনের খুব সাহস হওয়ার কথাও না।
    কিন্তু তাতেও আমি পুরো ব্যাপারটার ব্যর্থতাই দেখি। রাজনৈতিক নেতৃত্ব, প্রতিরক্ষা আর সাধারন মানুষের কোন কমন কজ নেই, কোন যোগাযোগ নেই - এমন ব্যবস্থা তো ধ্বসে পড়বেই, ওরা সার্বভৌমত্বের জন্যে প্রস্তুতই না। আর তালিবান আইসিসের পারস্পরিক ক্যালাক্যালির তপ্ত কটাহে একটা দেশের লোক সেদ্ধপোড়া হচ্ছে এমন দেখার থেকে পশ্চিমি আগ্রাসন দেখা আমার কাছে স্বস্তিদায়ক।
     
    এই স্বস্তির পেছনে বায়াস, কন্ডিশনিং, নির্মান সবই আছে। কিন্তু আমরা আজ সভ্যতা বলতে যা বুঝি তালিবান বা আইসিস তার থেকে অনেক দূরে।
     
    হ্যাঁ, সৌদি টৌদিও তাই। তবে ওরা যেহেতু নিজেদের মধ্যে খেয়োখেয়ি করতে এসে অসাবধান পথচারীর গায়ের ওপর পড়ে খ্যাঁক করে কামড়ে দিচ্ছে না তাই ওদেরটা আমি আভ্যন্তরীন বলে উপেক্ষা করবো।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা খুশি মতামত দিন