• খেরোর খাতা

  • তোমার ঘরে বসত করে কয় জনা

    Swati Chakraborty লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৭ আগস্ট ২০২১ | ৫০৫ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • সকাল ৮:৩০এ ক্লাস শুরু হয়েছে খিলখিলের। নিজের ৯টা থেকে অফিস। যদিও বাস ধরার তাড়া নেই। তাও রেডি তো হতে হবে। প্রায় দেওয়ালের সাথে মিশে গিয়ে অরিন্দম টাওয়ালটা জড়িয়ে বাথরুম থেকে বেরিয়ে কোনোমতে সুরুৎ করে ছোট ঘরটায় ঢুকে গেল। ডাইনিং টেবিলে খিলখিলের স্কুল চলছে, চশমা আঁটা তরুনী দিদিমণি সিভিক সেন্স পড়াচ্ছেন। প্রায় ষাটটা (চৌ)বাচ্চা ওদের ঘরের দিকে তাকিয়ে। পুরো পাবলিক প্লেস।ওদিকে মাধুরী রাতের পোশাক পরা শরীরটা ল্যাপটপের এপাশে লুকিয়ে জাস্ট হাতটা বাড়িয়ে ওপাশ থেকে পেপারটা নিয়ে নিল। সকাল বেলায় মোটামুটি এরকমই একটা লুকোচুরি চলে ওদের ফ্ল্যাটের ডাইনিং কাম লিভিং রুমে করোনার দৌলতে।

    অনলাইন ক্লাসের ঠ্যালায় ঘরের ভিতর যে একটা ডিজিটাল জানলা বসানো থাকে তাতে মনে হয় যেন পাশের বাড়ির জানলা গুলো সব আমার ঘরের মধ্যেই বসানো। বিভিন্ন মানুষ সারাদিন আমার ঘরের দিকে আমার ব্যক্তিগত জীবনের দিকেই তাকিয়ে আছে। কি যন্ত্রনা। আর ফ্ল্যাট বাড়ীর ছোট্ট পরিসরে তো সব জগাখিচুড়ি ব্যবস্থা। মন্টুর মা মাছের ঝোলে ফোড়ন দিচ্ছে, মিক্সিতে মশলা করছে, ওদিকে চলছে digestion and nutrition এর ক্লাস। একেবারে পন্ডিত শিবকুমার শর্মা আর জাকির হুসেইনের যুগলবন্দী। শ্যামলীদি পুটুসকে বলল এইখানটা একটু মুছে নিই সরো তো মা, অমনি পুটুস ক্লাসরুম, টিচার, ক্লাসমেটদের সুদ্ধু এ ঘর থেকে ও ঘর নিয়ে চলে গেল। ম্যাজিক।

    সপ্তক সেদিন গড়গড়িয়ে ওর মাকে বলে গেল রিতুদের বাড়ির দেওয়ালে একটা বড় পিকক আঁকা আছে, অভিসিক্তার ঠাকুমার নাকি একটাও দাঁত নেই আর ঝিলমদের বাড়িতে সকাল ৯টায় দুধ‌ওয়ালা দুধ দিতে আসে। আগে ছিল এগুলো স্কুলে বসে গল্পের বিষয় এখন সব‌ই প্র্যাকটিকাল ডেমো চলে। এই লকডাউনে আমরা যখন বাড়িতে বন্দী তখন অফিস, স্কুল একেবারে ঘরের ভিতরেই চলে এসেছে। অফিসের বসের গৃহসজ্জা, অঙ্কের দিদিমণির কি কি রঙের চশমা, প্রিন্সিপাল বাড়িতে কোনখানে বসে কাজ করেন, কি কাপে কফি খান এসব না জানা তথ্য ফাঁস হয়ে যাচ্ছে। হাঁড়ির খবর পেতে আর ছোটাছুটি করতে হবেনা, বাড়িতে বসেই হাতে গরম।

    সেদিন তো অন্তর্জালে এক জলা‌ঞ্জলী ব্যাপার। মান সম্মান নিয়ে টানাটানি। মধুপর্ণাদের বাড়িতে ঘরভর্তি আত্মীয়, বসার ঘর‌ও অপ্রতুল, তার মধ্যে কুমোরপাড়ার কলসী হাঁড়ির মত ভুঁড়িওয়ালা লোকজন প্রর্দশনীতে। ক্যামেরা তাক করে তাকিয়ে। তাদের ধারনা নেই তাকাতাকিটা দুপ্রান্তেই চলছে। সাথেসাথে ওপার থেকে দিদিমণি ধমকে উঠলেন, প্যারেন্ট কল। হাফপ্যান্টের ওপর শার্ট পরা আর নাইটির ওপর শাড়ি পরা প্যারেন্ট। টিচার ও অবশ্য সেইরকম কিছু একটা হবে। সেই থেকে ক্লাসের সময় বাড়ির সবাই ভাগাভাগি করে হয় ঠাকুর ঘরে না হয় রান্না ঘরে থাকে।একেবারে কাছাখোলা অবস্থা।

    আছি ঘরে, একান্ত আপন বেডরুমে অথচ মনে করতে হবে বাইরে। মস্তিষ্কের তরলে তোলপাড় দশা। কি দিনকাল এলো? নজরুল দেখে যেতে পারেননি যে জগৎ দেখার জন্য এখন বদ্ধ ঘরেই থাকতে হয়। সেই দু'বছর আগে যখন বাসে ট্রামে গুঁতো খেয়ে অফিস কাছারি করতে হত তখন মাঝেমধ্যে কবি গুরুকে স্মরণ করে বলতে ‌ইচ্ছে করত, একদিন‌ও কি ঘরে থাকলে পরেও অফিসে আছি মনে করতে নাই? তা যে এমনভাবে ফলে যাবে কস্মিনকালেও ভাবি নি। আসলে উনিও তো আদতে ঠাকুর কখন তথাস্তু বলে ফেলেছেন।

    তবে মাঝে মধ্যে অসাবধানী সুরেলা কন্ঠ, তানপুরার রাগরাগিনীরাও বেপাড়ায় প্রবেশ করে। এরকম কত অসতর্ক মুহূর্ত ইন্টারনেট ঘাঁটলেই পাওয়া যায়। কেউ হয়তো খাচ্ছেন, কেউ অর্ধেক জামাকাপড় পরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, এই সেদিন দেখলাম এক খুদে তার টিচারের সাজগোজের ব্যাপারে তার মাকে ডেসক্রিপসন দিচ্ছে এদিকে সে আনমিউট। ফলে যা হবার তাই হল টিচার এবং সারা জগৎ তাই বসে বসে শুনল। কি কান্ড।

    এই মিউট আর আনমিউট‌ও এক মজার ব্যাপার। তুমি চুপ কর, এখন আর বলা হয় না। সামনাসামনি ও বলে ফেলছি, তুই মিউট হ তো। আমার তো এরকম একটা ডিভাইস খুব দরকার। কত লোকের কত কথা শুনতে ইচ্ছে করে না, বেশ মিউট করে দেব। সে বুঝতে ও পারবে না। ওটাও রবি ঠাকুরের কাছেই চাইবে ঠিক করেছি।

    এদিকে খিলখিল, সপ্তক, মধুপর্ণাদেরও হয়েছে অন্য জ্বালা, আগে অন্তত স্কুলে গেলে মা বাবার খবরদারি থেকে রেহাই পাওয়া যেত এখন সে কপাল‌ও পোড়া। ক্লাসের মধ্যেও মা, পড়া এবং পড়ানো দুই এর মধ্যেই ঢুকে পড়ছে। স্কুল শেষে বাড়ি ফিরে অন্তত বলা যেত আজ সব পড়া পেরেছি, সব টিফিন খেয়েছি। কিন্তু সে ব্যবস্হাওতো হাতেনাতে পাকড়াও হয়ে যাচ্ছে।‌

    সত্যি মাধুরীর ভেবে অবাক লাগে আগে খিলখিলের কোনো ম্যাডামের সাথে দেখা করতে যাওয়াটা ছিল বিড়ম্বনা। বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে তবে পাওয়া যেত আ্যপয়েন্টমেন্ট। আর এখন তো ও নাইটির ওপর হাউসকোট চাপিয়েই বলতে পারে মে আই কাম ইন ম্যাম? এমনকি ম্যামের বাড়ির পর্দার রঙ ও ওর জানা। সত্যি ঘরে বাইরে সব একাকার হয়ে গেল। শাহরুখ খানের বাদশা সিনেমার মত ঘরের সেট টাইমে টাইমে পাল্টে যায় কখনো মেয়ের স্কুল, কখনো বাবার অফিস, কখনো মায়ের স্কুল।

    এতো জীবনের অন্দরমহলে বাহিরের প্রবেশ। একমাত্র একান্ত ব্যক্তিগত স্হান বলতে স্নানঘর ছাড়া আর বোধ হয় কিছু র‌ইল না।

    তাই এখন যদি কবি বলেন তোমার ঘরে বসত করে কয় জনা, মন জান না। বলব জানি, জানি কজন থাকে, কি করে, কেমন দেখতে সব জানি।

     

  • আরও পড়ুন
    ফেরার - JAYASHREE KONAR
    আরও পড়ুন
    বার্ড - Sambaran Sarkar
  • বিভাগ : অন্যান্য | ১৭ আগস্ট ২০২১ | ৫০৫ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | ১৭ আগস্ট ২০২১ ১৯:৩৬496835
  • হোয়াটস্যাপ ছাড়া জুম, গুগল মিট, টিমস  ইত্যাদি ভিডিও কলিং অ্যাপে ব্যাকগ্রাউন্ড সেট করে রাখা যায়। সেক্ষেত্রে ভিডিও ওন করলে সেট করা ব্যাকগ্রাউন্ডে যে কল নিচ্ছে তাকেই দেখাবে, ঘর দরজা ইত্যাদি নয়। 

  • Swati Chakraborty | ১৭ আগস্ট ২০২১ ১৯:৫৪496836
  • এতো কয়েকটা প্রত্যক্ষ করা ঘটনা মাত্র

  • বিপ্লব রহমান | ১৮ আগস্ট ২০২১ ০৭:১৮496840
  • মিউট, আন মিউটের বাস্তব চিন্তা ভাল লেগেছে, আরও লিখুন। 


    গ্রাহক হলাম 

  • | ১৮ আগস্ট ২০২১ ০৮:৪৫496841
  • হ্যাঁ ওই প্রত্যক্ষ করা ঘটনাগুলো এড়ানো যেত। ঘটনার পাত্রপাত্রীরা সামান্য একটু ঘাঁটাঘাটি বা নিদেন গুগল সার্চ করলেই এগুলো এড়াতে পারতেন সেটাই  বললাম। 

  • Swati Chakraborty | ১৮ আগস্ট ২০২১ ১০:৩৯496843
  • তাহলে আমি লিখতাম কি করে

  • Swati Chakraborty | ১৮ আগস্ট ২০২১ ১০:৪০496844
  • বিপ্লব বাবু ধন্যবাদ

  • pi | 14.139.221.129 | ১৮ আগস্ট ২০২১ ১১:০০496845
  • 'ক্লাসের মধ্যেও মা, পড়া এবং পড়ানো দুই এর মধ্যেই ঢুকে পড়ছে'


    মায়েদের নিজেদের অফিস, কাজকর্ম নেই? 

  • Swati Chakraborty | ১৮ আগস্ট ২০২১ ১১:৪০496846
  • মা রা তো দশভূজা

  • অনিন্দিতা | ১৯ আগস্ট ২০২১ ২১:১৭496883
  • কত লোকের কত কথা শুনতে ইচ্ছে করে না, বেশ মিউট করে দেব। 


    আপনি যদি মিটিংটির অর্গানাইজার হন ​​​​​​​তবেই ​​​​​​​কাউকে মিউট ​​​​​​​করতে ​​​​​​​পারেন। যেকোনো পার্টিসিপেন্ট ​​​​​​​কিন্তু ​​​​​​​পারে ​​​​​​​না ​​​​​​​নিজেকে ​​​​​​​ছাড়া ​​​​​​​অন্য ​​​​​​​কাউকে ​​​​​​​মিউট ​​​​​​​করতে। 

  • বিপ্লব রহমান | ২১ আগস্ট ২০২১ ০৭:৩৮496934
  • পুনশ্চ : 


    লেখার শিরোনামটি যে গান থেকে নেওয়া হয়েছে, তার লেখক জাহিদ হাসান , একদা আমার কবিতার মাস্টার ছিলেন, তাকে নিয়ে দু কলম লিখেছিলাম। শুভ 


    https://www.guruchandali.com/comment.php?topic=14224

  • Swati Chakraborty | ২১ আগস্ট ২০২১ ১৩:৪৫496958
  • প্রনাম

  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঠিক অথবা ভুল মতামত দিন