• হরিদাস পাল  খ্যাঁটন  খানাবন্দনা

  • খাও তবে কচুপোড়া খাও তবে ঘন্টা

    সম্বিৎ লেখকের গ্রাহক হোন
    খ্যাঁটন | খানাবন্দনা | ২৮ মে ২০২১ | ৯৩১ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • আটের দশকের গোড়ার কথা বলছি। বাংলা ভাষায় তখনও আনন্দবাজারের সঙ্গে টক্কর দিচ্ছে যুগান্তর। দৈনিক বসুমতি বোধহয় তিন নম্বরে। এমন তৈরি পেকিং অর্ডার এলোমেলো করে দিয়ে উঠে এল আজকাল। আজকাল শুরু হয়েছিল আইএফএ-র প্রেসিডেন্ট, পরে এআইএফএফের, অশোক ঘোষের পরিবারের ব্যাকিঙে। বাংলা কাগজে প্রথম অফসেট। ঝকঝকে ছাপা। আর কী তার লাইন-আপ। সম্পাদক গৌরকিশোর ঘোষ, ক্রীড়া-সম্পাদক অশোক দাশগুপ্ত। অপ-এড লেখেন বদরুদ্দীন আহমেদ থেকে শুরু করে তাবড় তাবড় লোক। প্রকাশক হয়ে এলেন প্রতাপ রায়।

    এই সময়ে প্রতাপ রায় প্রতি বুধবার 'সুখাদ্য সুবচন' নামে একটা ফিচার লিখতেন। তখনও বাঙালি এত রেস্টোর‍্যান্টে খেতে শেখেনি, 'হোটেলে' খেতে যেত।। রেস্টোর‍্যান্টই বা কোথায়। ভাল জায়গায় খেতে গেলে ছুটতে হত সাহেব পাড়ায় - মানে পার্ক স্ট্রিট-ধর্মতলা অঞ্চলে। কজনই বা সে মহার্ঘ্য স্বাদ নিতে যেত! তার পরেই পাড়ার রেটুরেন্ট। এ হেন অবস্থায় প্রতাপ রায় তাঁর ফিচারে কলকাতার নানা অঞ্চলের বিশিষ্ট খানাঘরের পরিচয় দিতেন নিজের অভিজ্ঞতা থেকে। কোনদিন হয়ত পরিচয় করালেন সাবিরের রেজালার সঙ্গে, কোনদিন স্কাইরুমের প্রন থামিডোরের সঙ্গে। তার পরের হপ্তায় হয়ত চলে গেলেন টেরিটিবাজারের চীনেপট্টির কুঙ্গায় অথবা ভবানীপুরের গুজরাটি খাদ্যবিপণীতে। সদ্য কৈশোরে পা দেওয়া আমি অত্যন্ত আগ্রহ নিয়ে পড়তাম।

    এই লেখাগুলোই পরে 'মহাভোজ রাজভোজ' নামে একটা বইয়ে সংকলিত হয়ে প্রকাশিত হয়েছিল আজ থেকে বছর কুড়ি-বাইশ আগে। ওতে শুধু ফিচারের লেখাই ছিল, নাকি তার সঙ্গে আরও লেখা যোগ হয়েছিল, সে মনে নেই। ওরই আগে-পরে প্রতাপ রায়ের সুপাঠ্য আত্মজীবনী 'পত্মপাতায় জল'-ও বের হয়। আমি দুটোই সংগ্রহ করেছিলাম। হা হতোস্মি, কোন শ্বশুরপুত্র আমার 'মহাভোজ রাজভোজ'-এর কপিটি চক্ষুদান করে। ফলে রসনার স্বাদ পাঠে মেটানোরও আর উপায় ছিলনা। পরে যতবারই বইটি খরিদের চেষ্টা করেছি, মার্ফির নিয়মানুযায়ী বইটি 'আউট-অফ-প্রিন্ট'। এখন বোধহয় রিপ্রিন্ট হয়েছে। আমি পেয়ে গেলাম সেই বইয়ের একটি স্ক্যানড ভার্সান। পড়তে গিয়ে এখনও সেই প্রাক-কৈশোর রোমাঞ্চ অনুভব করলেও খানাপত্রের দাম দেখে শিউরে শিউরে উঠছিলাম।
  • আরও পড়ুন
    আয়না - ন্যাড়া

  • ছাপার অক্ষরে না দেখে কেউ বললে বিশ্বাস করতাম না যে আমারই জীবদ্দশায়, কলকাতা শহরে মুর্গির থেকে পাঁঠার মাংস সস্তা ছিল। একটা উদাহরণ দিই। আমিনিয়ায়, প্রতাপ রায় লিখছেন, মাটন চাঁপ ৩.৫০ আর চিকেন চাঁপ ৮.০০ টাকা। যদিও এই দামের ব্যাপারের আমার একটা খটকা লাগছে। ১৯৮৫-৮৬ সাল নাগাদ, আধা লায়েক হবার কালে, যদ্দুর স্মরণ পড়ে, আমিনিয়ায় এক প্লেট চিকেন চাঁপ খেয়েছি ৫.০০ টাকায়। এখন, ইন্টারনেটের কল্যাণে, সেই জিনিসেরই দাম দেখছি এরকম - মটন চাঁপ ২২০.০০, চিকেন চাঁপ ২০৫.০০। ৪০ বছরে মটন চাঁপের দাম বেড়েছে ষাট গুণেরও বেশি। ইনফ্লেশন হিসেব করলে বছরে প্রায় ১১%।

    খাবারের বাছবিচারে প্রতাপ রায় সাবেক কলকাত্তাইয়া। রয়ালের চাঁপ, সাবিরের রেজালা, নিজামের রোল, চাচার ফাউল কাটলেটে এমনই আস্থা যে সে জায়গায় অন্য কাউকে বসাতে পারেন না। তবে আশাভঙ্গও হয়। যেমন চাচার ফাউল কাটলেট। আজ থেকে চল্লিশ বছর আগে যে আশাভঙ্গ প্রতাপ রায়ের হয়েছিল, আমার হল বছর তিন-চার আগে। চাচা তো ফুটপাত বদল করে উল্টোফুটে চলে এসেছে। সেজে উঠেছে নবসাজে। সে রূপ অবশ্য পাড়ার নতুন কাফে ডি তেলেভাজার থেকে থেকে কিছু ভিন্ন নয়। তবু এখনও ফাউল কাটলেটটি করে। কিন্তু সে শুষ্কং-কাষ্ঠং কাটলেট খেলে চাচার দোকানের ওপর শ্রদ্ধার থেকে অন্য কিছুর উদয় হয় মনে। শিককাবাব আর করে না।

    তবে যে আশাভঙ্গের হাত থেকে প্রতাপবাবু বেঁচে গেছিলেন, সে ভাগ্য আমার হলনা। অনেক দিন পরে, গেল বছর, পৌঁছে গেলাম চাঁদনিতে সাবিরের ঠেকে। দরজার পাশে অর্বাচীন দোকানের মতন গেট করে তাতে খাবারের ছবি দেওয়া। দোতলায় উঠে রুটি আর রেজালা চাইলাম। সেই লাল-লংকা-ভাসা সাদাটে রেজালার রূপ একই আছে। কিন্তু স্বাদে পুরোন দিন ফিরে এল না। রেজালার জন্যে রেওয়াজি মাংস লাগে। মানুষের সঙ্গে সঙ্গে খাসিও কি এমন স্বাস্থ্য-সচেতন হয়ে পড়েছে যে রেওয়াজি মাংসয় টান পড়েছে? এই কারণেই আমি রয়্যালে যাওয়া এড়িয়ে গেছি এতটি বছর। এতটি মানে পঁচিশ। রয়্যালের চিকেন চাঁপ শেষ খেয়েছি ১৯৯৫ সালে। সে স্বাদ এখনও জিভে লেগে আছে। সে স্বাদের স্মৃতি নিয়েই ধরাধাম থেকে বিদায় নেব, না অপরিসীম সাহস দেখিয়ে নতুন করে স্বাদ নেবার ঝুঁকি নেব এই চিন্তাই প্রবলতর হয়ে উঠছে। এও তো একধরণের ঈশ্বরচিন্তাই।

    জীবনে আশাভঙ্গ পদে পদে। আমাহার্স্ট স্ট্রিট-কেশব সেন স্ট্রিটের মোড়ের কাছে, আমহার্স্ট স্ট্রিট - থুড়ি, রাজা রামমোহন রায় সরণীর ওপর ছিল পদ্ম রেস্টোর‍্যান্ট। পদ্মর চিকেন কাটলেট ছিল লোকাল কিংবদন্তি। পদ্মও বছর দুত্তিন আগে গিয়ে দেখলাম ভোল পাল্টেছে। দোকান বপুতে দ্বিগুণ হয়েছে ঠিকই, কিন্তু কাটলেট করা ছেড়ে দিয়েছে। দোকান বড় করে তবে কী হল বড়বাবু?
  • বিভাগ : খ্যাঁটন | ২৮ মে ২০২১ | ৯৩১ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • b | 14.139.196.16 | ২৮ মে ২০২১ ১৬:১৯106510
  • বইটা কি নেশনের স্বার্থে শেয়ার করা যায়? 


    আরেকটা কথা, উত্তর কলকাতা তো ধরুন মারোয়াড়িদের পীঠস্থান । মারোয়াড়ি খাবার/ভুজিয়া/ কচুরি/ মিষ্টি   ইত্যাদির ভালো ঠেক (তেওয়ারীর কথা বাদ দিলে ) কি আছে? 

  • dc | 122.164.215.55 | ২৮ মে ২০২১ ১৬:২৪106511
  • আমিনিয়ার বিরিয়ানি আর চাঁপ, গোলবাড়ির কষামাংসর সাথে ছোট ছোট পরোটা, তারই উল্টোদিকের দোকানের বোঁদে, পার্ক সার্কাসের বিফ পরোটা, আর যাদবপুর এইটবি বাসস্ট্যান্ডের উল্টোদিকে সারি দেওয়া দোকানগুলোর এগরোল/চিকেন রোল। এসব কতোদিন খাইনি, আর কখনো খাবো কিনা তাও জানিনা। তবে এসবের স্বাদ কখনো ভুলবো না। জিভে নিয়েই মরবো। 

  • Byomkesh Mitra | ২৮ মে ২০২১ ২১:২৩106517
  • পদ্ম রেস্তোরাঁর আর একটি বিখ্যাত জিনিষ ভেজিটেবিল চপ। যদিও চিকেন কাটলেটের পাশে ভেজিটেবিল চপের উল্লেখ নেহাতই বাতুলতা। কিন্তু ওমন হাইক্লাস ভেজিটেবিল চপ আর কোথাও পাইনি। সে বস্তু আটের দশকে যেমন ছিল আজও তাই আছে।

  • শঙ্খ | ২৮ মে ২০২১ ২৩:৫৪106525
  • ন্যাড়াদা, সাবিরের রেজালা বহুদিন হল মারা গেছে। সেম উইথ গোলবাড়ি। সেম উইথ অনাদির কেবিন। তবে বিরিয়ানিতে আলিয়া আর রয়াল আর চাঁপে শুধুই রয়াল এখনো অনেকটাই ধরে রেখেছে নিজেদের। এটা বেশ রেগুলার বেসিসে যাবার ভিত্তিতে বলছি। সাবিরে গেলে শুধু ওদের দুটো কাবাব নেওয়া যায়ঃ চিলি আর গার্লিক কাবাব। ব্যস।


    আর বি দা, মহাভোজ রাজভোজ বাংলাবুকে আছে, শুধু অ্যাড ব্লকার ডিসেবল করে নামিয়ে নিলেই হলো। 

  • সম্বিৎ | ২৯ মে ২০২১ ০১:১৬106527
  • আলিয়া কোথায়?

  • অরিন | 118.149.73.95 | ২৯ মে ২০২১ ০৩:২৩106530
  • সম্বিৎ, প্রতাপ রায় পরে দীর্ঘকাল বর্তমান সাপ্তাহিক পত্রিকাতেও লিখতেন। আমার তাঁর লেখা কলামের নামটা এইমুহূর্তে মনে নেই, তবে সে লেখাতেও কলকাতার সাবেকী খাবারের বর্ণনা থাকত। এ ব্যাপারে আরেক গুরুস্থানীয় শাঁটুলবাবু (রাধাপ্রসাদ গুপ্ত)। 

  • অরিন | 118.149.73.95 | ২৯ মে ২০২১ ০৩:২৭106531
  • "আটের দশকের গোড়ার কথা বলছি। বাংলা ভাষায় তখনও আনন্দবাজারের সঙ্গে টক্কর দিচ্ছে যুগান্তর। "


    আপনি হয়ত সত্তরের দশকের শেষের কথা বলছেন। ১৯৮০ সালে অমৃতবাজার এবং যুগান্তর পত্রিকা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। 

  • b | 14.139.196.12 | ২৯ মে ২০২১ ০৮:০১106534
  • না না। যদ্দুর মনে পড়ছে, ১৯৮০ -র মাঝামাঝিও যুগান্তর পড়েছি। 

  • বিপ্লব রহমান | ২৯ মে ২০২১ ০৯:২২106541
  • এই চণ্ডালের দৌড় নিউ মার্কেট পর্যন্ত, নিজামের মাটন বিরিয়ানি এখনো খুব মিস করি ❤️

  • dc | 122.174.195.191 | ২৯ মে ২০২১ ০৯:২৯106544
  • এই সবের সাথে আরেকটা জিনিস খুব মিস করি, সেটা হলো ওলি পাবের বিফ স্টেক আর বিয়ার। বেশ কয়েকবার গেছি বন্ধুদের সাথে, সেই আড্ডাটা মিস করি। 

  • শঙ্খ | ২৯ মে ২০২১ ১৯:১৯106579
  • এইরে ন্যাড়াদার প্রশ্নটা মিস করে গেছলুম, আলিয়া হল বেন্টিংক স্ট্রিটে, কেসি দাসকে বাঁ হাতে রেখে পাশের রাস্তাটায় সোজা এগিয়ে যেতে হবে, প্যারাডাইস পেরিয়ে আলিয়া, যেখানে সিরাজদৌল্লা সরণি বা ওয়ারটারলু স্ট্রিট অ্যাম্বারের দিকে থেকে এসে মিশেছে বেন্টিংকে। উল্টোদিকেই সেই বিখ্যাত চা দোকান, ব্রিটিশ আমলের পেল্লায় পেতলের ট্যাংকিতে চা বানায়।

  • শঙ্খ | ২৯ মে ২০২১ ১৯:২২106581
  • বিপ্লবদা, নিজাম গ্যাসে গিয়া, জানি না কতোদিন আগে খেয়েছিলেন, তবে রোল, কুলপি-ফালুদা আর বিরিয়ানি সবই এখন মাঝারি মানের। এবারে এলে আলিয়া আর রয়ালের বিরিয়ানি চাঁপ খেয়ে দেখবেন।

  • সম্বিৎ | ২৯ মে ২০২১ ২২:১৯106596
  • অম্বর তো আমার প্রতিবারের ঠেক - অন্ততঃ একদিনের জন্যে। আলিয়ার কথা জানতামই না। পরের বা ঢুঁ লাগাব। 


    নিজামের কাঠি কাবাব বছর চারেক আগে খেয়ে কিন্তু বেশ পুরনো দিন ফিলিং হল। যদিও ছাগলাদ্য, বড়া গোশত আর করে না।

  • শঙ্খ | ২৯ মে ২০২১ ২৩:১২106599
  • বড়া গোশত খাবেন তো কোয়েস্ট মলের উল্টোফুটে জমজম। ছোট্ট খাসা দোকানটি, বিরিয়ানি আর ভুনা, আর মালাই। ওফ, তোফা তোফা। রোল চাইলে নিউ মার্কেটে ইউপি বিহার আছে, এখনো ড্যাঞ্চি। 

  • বিপ্লব রহমান | ৩০ মে ২০২১ ০৬:৫৭106613
  • ভাই শঙ্খ, সব নোট কইরা রাখতেছি, মহামারী পার হইয়া আবারও কইলকাত্তা দেখনের বাসনা রাখি! 


    শক্তিদির আঙ্গুল ছুইয়াও দেখতে হইব, তুমি কেমন কইরা পইদ্য করো কবি! ❤️

  • সম্বিৎ | ৩০ মে ২০২১ ০৯:৫৫106623
  • শঙখ খিদিরপুরে ইন্ডিয়া হোটেলে খেয়েছেন? আমি বার দুয়েক খেয়েছি। খুব সম্ভবত কলকাতার সেরা গালৌটি কাবাব। ওদের বিরিয়ানিও ভাল বলে শুনেছি, আমি খাইনি। খুব পরিচ্ছন্নও।

  • | ৩০ মে ২০২১ ১০:০১106624
  • গলৌটি চিনার পার্কের আমিনিয়ারও বেশ ভাল। আর শুনেছি অওধেরও। তবে ওইটা আমি খাই নি। সাদার্ন অ্যাভিনিউ শরৎ বোস রোড এলাকায় ইন্ডিয়াজ লস্ট রেসিপি'তে শুয়োরের আইটেমগুলোও খাসা। বেশ রেওয়াজি শুয়োর যাকে বলে। 

  • শঙ্খ | ৩০ মে ২০২১ ১১:৪৪106627
  • ন্যাড়াদা আমায় আবার আপনি করে লেখেন ক্যান?


    খিদিরপুরের ইন্ডিয়া থেকে বিরিয়ানি আনিয়ে খেয়েছি কিন্তু দোকানটায় যাওয়া হয়নি সামহাউ। ওদের গালাউতি বেশ ভালো লেগেছে, করিম আর অউধের ততটা লাগে নি, এদের দামও সাঙ্ঘাতিক। ইচ্ছে আছে মনজিলাতের গালাউতি আর বিরিয়ানি খাবার, তবে এদের সব সময়েই ভিড় লেগেই থাকে।

  • সম্বিৎ | ৩১ মে ২০২১ ০৪:৩১106653
  • মনজিলাত আবার কোথায়? শঙখ একটা করে এন্ট্রি দিচ্ছে আর একটা করে নতুন দোকানের নাম জানছি।

  • Abhyu | 47.39.151.164 | ৩১ মে ২০২১ ০৪:৩৬106654
  • এই যাহ ন্যাড়াদা মঞ্জিলাৎ ফতিমার কথা জানেন না? ভদ্রমহিলা যাকে বলে খানদানির হদ্দমুদ্দ।

  • সম্বিৎ | ৩১ মে ২০২১ ০৪:৪৭106656
  • ও উনি কি সেই রুবির কাছে নিজের বাড়ির ছাতে অল্প কয়েকজনের জন্যে রান্না করেন, ওয়াজিদ আলী শাহর পরিবার?

  • Abhyu | 47.39.151.164 | ৩১ মে ২০২১ ০৫:৪২106657
  • ইয়েস স্যার।

  • শঙ্খ | ৩১ মে ২০২১ ২২:৫১106677
  • বিঙ্গো, ইনিই মনজিলাত। লকডাউনের আগে একবার যাবার প্ল্যান হয়েছিলো, সে কবে হবে কেজানে। 

  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে মতামত দিন