• টইপত্তর  আলোচনা  রাজনীতি

  • কেন কেউ পুরনো দল ছেড়ে যায় ঃ এলোমেলো ভাবনা

    Ranjan Roy লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | রাজনীতি | ১৯ এপ্রিল ২০২১ | ২৫৮ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • কেন একজন মানুষ তার পুরনো রাজনৈতিক দল ছেড়ে চলে যায়?

     

    প্রশ্নটাকে এভাবেও দেখা যেতে পারে—কেন একজন মানুষ তার পুরনো দল আঁকড়ে থাকে, দলের খুব খারাপ সময়েও? এটাকে আমরা দলের জায়গায় কোন সংস্থা (চাকরি, ক্লাব, ব্যাংক, ডাক্তার) বা মানবিক সম্পর্কের (বাবা-মা, ভাইবোন, স্বামী-স্ত্রীর)প্রেক্ষিতেও দেখতে পারি।

    তাহলে প্রশ্ন ওঠে-মানুষ দল বানায় কেন বা কোন দলে যোগ দেয় কেন?

    আমরা-ওরা সিন্ড্রোম

    v  ব্যক্তিমানুষ যেখানেই যায় -নতুন স্কুল, নতুন পাড়া, নতুন অফিস, নতুন দেশ—প্রথমে সে নিজেকে হংস মধ্যে বক মনে করে। তার প্রাথমিক অনুভূতি হল ‘অসুরক্ষা’, সেন্স অফ ইন্সিকিয়োরিটি।

    v  ফলে সে এই প্রাথমিক জৈবিক অনুভূতির প্রতিক্রিয়ায় সমভাবাপন্ন বা সম-স্বার্থসম্পন্ন লোকেদের খোঁজে; ছোট ছোট দল গড়ে, গ্রুপ বানায়, কলোনি বানায় এবং ঘেট্টো গড়ে তুলে। অর্থাৎ বহুনিন্দিত ‘আমরা-ওরা’ আসলে অসুরক্ষার অনুভূতি থেকে নিস্তার পেতে আইডেনটিটি গড়ে তোলা। এই অসুরক্ষার অনুভূতি ‘কাল্পনিক’ বা ‘বাস্তবিক’ দুটোই হতে পারে। এই থেকেই তৈরি হয় কৌমী সমাজ, খপ পঞ্চায়েত, ট্রেড ইউনিয়ন, ব্রাহ্মণ/ কায়স্থ/দলিত সম্মেলন, ক্লু-ক্লুস-ক্লান, হিন্দু মহাসভা, মুসলিম লিগ, এবং রাজনৈতিক দলগুলি।

    v  এই  ‘ওদের’কে চেনার প্রক্রিয়ায় ‘ভয়’ এবং ‘ঘৃণা’ হল প্রাথমিক র’ ইমোশন যা আমাদের পরিচালন বা ড্রাইভের কাজ করে। দুটো আসলে একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। (১)‘হিন্দু আজ বিপন্ন’ বা (২) ‘ওরা আমাদের সঙ্গে এক সাথে থাকতে পারে না’ বা (৩) ‘ওই লোকগুলোকে গাঁয়ের প্রান্তে আলাদা পাড়ায় থাকতে বাধ্য কর হোক।’

    v  ২নং উদাহরণে ’ওরা’ শব্দের মানে মুসলমান, ইহুদী, ক্রিশ্চিয়ান বা কালো মানুষ সবই হতে পারে।৩নং উদাহরণ ভাবলেই ভারতের গ্রামসমাজে দলিতদের কথা মনে হবে।

     

    ‘মানুষের মর্মে মর্মে করিছে বিরাজ, সংক্রামিত নরকের কীট’

    v  ভালবাসাও ঘৃণার মতই একটি বেসিক ইমোশন। ‘ভালোবাসা’ নিজেদের বা ‘আমরা’র জন্যে এবং ‘ঘৃণা’ হল  যাদের ‘ওরা’ বলি তাদের জন্যে।কাউকে ঘৃণা করতে বা খারিজ করতে আমাদের বেশি ভাবতে হয়না। কিন্তু কাউকে ভালোবাসার পেছনে অনেক নেতি-নেতি সচেতন বা অচেতন এক নির্বাচন প্রক্রিয়া কাজ করে।

     

    v   তাই ঘৃণার শক্তি ভালবাসার শক্তির থেকে অনেক বেশি। আমরা বড় সহজে কাউকে ঘৃণা করি, এড়িয়ে চলি বা কারও সুখেদুঃখে নিস্পৃহ থাকি। তার চেয়ে অনেক কঠিন হয় কাউকে ভালবাসা, কারও পাশে সুখেদুঃখে দাঁড়ানো, কারও জন্যে নিজের কিছু স্বার্থ ছেড়ে দেয়া।

     

    v  ফলে যত সহজে একজন ব্যক্তি বা গোষ্ঠী বা সম্প্রদায়কে ‘আমার সুখ বা সুরক্ষার অন্তরায়’ বলে দাগিয়ে দিয়ে লোককে মবিলাইজ করা যায়, তার চেয়ে অনেক কঠিন হয় একটি কোঅপারেটিভ বা ওয়েলফেয়ার সোসাইটি গঠন করা।

     

    তাহলে দাঁড়ালটা কী?

    ·        মানুষ প্রাথমিক ভাবে নিজের স্বার্থ বা সুরক্ষার কথা ভেবে কোন ক্লাব/সমিতি বা রাজনৈতিক দলে যায়; একইভাবে কোন ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খোলে।

    ·        সেই ব্যাপারে নিশ্চিত হলে তার পরের ধাপে সে নিজেকে সেই ক্লাব(মোহনবাগান/ইস্টবেঙ্গল) বা সেই রাজনৈতিক দলের সিম্বল/আদর্শের সাথে নিজেকে এক করে দেখে বা আইডেন্টিফাই করা শুরু করে। এই পর্যায়ে সে নিজের ক্লাবের জন্যে বা রাজনৈতিক দলের জন্যে প্রাণপণে খাটে, বিনাবাক্যব্যয়ে আদেশ পালন করে। এই স্টেজেই তার মতাদর্শগত দীক্ষা পাকা হয়, তার বনেদটি মজবুত হয়।

    ·        তার পরের ধাপে সে নিজেই সেই সংস্থার জন্যে নীতিনির্ধারক হতে চায়, তার ভিশন নির্মাণ করতে চায় এবং তার জন্যে  সংস্থার বা দলের ক্ষমতার অংশ হতে চায়।

     

       ছেড়ে যায় কখন এবং কেন?

    Ø  আজকাল আমরা বেনোজল কথাটা খুব শুনি। এরা সেই ব্যক্তি বা সমূহ যারা প্রাথমিক স্তরে ‘সুরক্ষা’ কোথায় পাওয়া যাবে তা’ হাতড়ে বেড়াচ্ছে। এখনও নিশ্চিত হয়নি। হরদম এদের দেখা যায় কোন দলের ক্রমাগত ক্ষমতা বৃদ্ধি হলে বা রাষ্ট্রের ক্ষমতার অলিন্দে কোন দলের অবস্থান পাকা হলে সেদিকে হেলে পড়তে। একই কারণে এদের দলীয় আনুগত্য হয় বেশ অগভীর।বঙ্গে তৃণমূলের নিরন্তর আক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে গত ২০১৯ শের নির্বাচনে বেশ কিছু বামসমর্থকের ভোট গেরুয়ায় ট্রান্সফার হওয়া এর অন্যতম উদাহরণ।

    Ø  কিন্তু যাঁরা প্রথম স্তর পেরিয়ে কোন রাজনৈতিক দল ও মতাদর্শের মধ্যে নিজের জীবনের মানে খুঁজে পেয়েছেন তাঁরা নিপীড়নের সামনে কখনও নীরব কখনও সরব হলেও দলকে ছেড়ে যাওয়ার কথা ভাবতেই পারেননা। এঁরাই কঠিস সময়ে দলকে লুকিয়ে আর্থিক সাহায্য করেন এবং প্রয়োজনে শেল্টার যোগান। এঁদের কাছে দলের সম্পর্ক হল ভালবাসার, আবেদনটি মূলতঃ নৈতিক। এঁদের কাছে দল হল পরিবারের মত।

    Ø  এর পর আসছে তাদের কথা যাদের জন্যে দল কোন নৈতিক বা অ্যাবস্ট্রাক্ট আদর্শের বদলে ক্রমশঃ তাঁদের ব্যক্তিগত চাহিদা/অ্যাসপিরেশন বা ক্ষমতার শীর্ষে ওঠার সোপান হয়ে গিয়েছে। এঁরা হয়ত বহুবছর ধরে দলের সঙ্গে থেকে কাজ করে একটি স্বীকৃতি এবং ব্যাপক পরিচয় পেয়েছেন, হয়ত প্রায় সেলেব্রিটির পর্যায়বাচী হয়েছেন। তখন এঁদের অহং ও আকাশছোঁয়া হয়। এঁরা যখন কালের চোরা বাঁকে আটকা পড়ে নিজেদের কোণঠাসা মনে করেন তখন মেনে নিতে পারেননা যে দলের মধ্যে  তাঁদের আগের জায়গাটা আর নেই। ফলং? দলত্যাগ বা নতুন কোন দল গড়ে তোলার চেষ্টা।প্রাক্তন বামমন্ত্রী রেজ্জাক মোল্লা, লক্ষণ শেঠ, শিশির বাজোরিয়া ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের মত সিপিএম নেতাদের দল ছেড়ে অন্যদলে আশ্রয় খোঁজা এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ।

     

    ছোটবড় কারণগুলোঃ ব্যাংকের গ্রাহকের উদাহরণ

    একজন পুরনো গ্রাহক কখন তার ব্যাংক বদলায়? সাধারণ ধারণা হল যেখানে তার লাভ হবে, অর্থাৎ যেখানে বেশি সুদ পাবে। কথাটা আংশিক সত্য। নইলে সমস্ত গ্রাহক একবার একটা ব্যাংকের সুদের হার পড়ে গেলে অন্য ব্যাংকের দিকে দৌড়ত, ফের অন্য কেউ বেশি সুদের লোভ দেখালে সেদিকে। বাস্তবে তাতো হয়না। একটা কোর গ্রুপ অফ ক্লায়েন্ট সবসময়েই ব্যাংকের সঙ্গে লেগে থাকে, বিশ্বস্ত থাকে। তারা ধরে নেয় এই অসুবিধেগুলো সাময়িক, কিছুদিন পরে ঠিক হয়ে যাবে।

    §  ঠিক এভাবেই কিছু সদস্য বা সমর্থক তার দলের প্রতি আস্থা রাখে। হয়ত কোন ইস্যুতে দলের কোন অবস্থান জনপ্রিয় হলনা, বা তার নিজেরও অবস্থানটি মনঃপূত হলনা। কিন্তু সে অস্বস্তির সঙ্গে হলেও লেগে থাকে, অপেক্ষা করে দলের নীতির পরিবর্তনের।

    §  তেমনই হঠাৎ কোন পুরনো গ্রাহক একটি ব্যাংকের থেকে জমা টাকাপয়সা তুলে নিয়ে পুরনো সম্পর্ক চুকিয়ে দেয়। তার মনে হয়েছে যে এতদিন সে ব্যাংকের একজন সম্মানিত গ্রাহক ছিল। আজ বর্তমান স্টাফ বা ব্যাংকের নতুন নীতির ফলে সে দুধভাত বা এলেবেলে হয়ে গেছে। এই ব্যাপারটা তার সেন্স অফ বিলঙ্গিং বা “আমরা’ বোধে ঘা’ দেয়। সে নিজেকে অপমানিত নাহোক অবহেলিত মনে করে। তখন তার ‘আমরা‘ ব্যাংক ‘ওরা’ হয়ে যায়।

    কেউ এই অবস্থায় চলে গেলে তাকে আর ফেরানো বড্ড কঠিন। ব্যাংকের গ্রাহকই হোক বা রাজনৈতিক দলের পুরনো সদস্য বা সমর্থক গোষ্ঠী। এভাবেই উত্তর প্রদেশে দলিত বা মুসলিমদের বড় অংশটি কংগ্রেসকে ছেড়ে বহুজন বা সমাজবাদী দলের অনুগত হয়েছে।

     

     

    কোন কারণটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ?

     দেখা যাচ্ছে, কোন একটি কারণ নয় বরং অনেকগুলো কারণ মানুষের আনুগত্য বা সমর্থন বদলের সিদ্ধান্ত নেয়ার পেছনে ক্রিয়াশীল। কোন কারণটি প্রধান কারক হবে তার অনেকখানিই সিদ্ধান্ত নেবার সময়ের পরিস্থিতি এবং কে কোন সমূহ সিদ্ধান্তটি নিচ্ছে তার ওপর নির্ভরশীল। বাটার সাত নম্বর জুতো সবার পায়ে ফিট বা আরামদায়ক নাও হতে পারে। তবু নীচের উদাহরণ থেকে একটা গড়পড়তা আন্দাজ পাওয়া যেতে পারে।

    এই শতাব্দীর গোড়ার দিকে ভারতের স্টেট ব্যাংকের ট্রেনিং সেন্টারগুলিতে একটি স্টাডির ভিত্তিতে  তার স্টাফদের একটা ফীডব্যাক দিত।

    সেটা মোটামুটি এ’রকমঃ

    কেন গ্রাহক তার পুরনো ব্যাংককে ছেড়ে যায়?

    কারণ                               প্রতিশত

    তাকে ব্যাংক অপাংক্তেয় মনে করে—         ৬২%

    ব্যাংক তার আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে অক্ষম      ১৫%

    সুদের হার কমে গেছে                   ১১%  

    নতুন নিয়ম কানুন তার পছন্দ নয়          ৫%

    ব্যাংকের বর্তমান প্রোডাক্ট পছন্দ নয়         ৭%

     

    এই তালিকাটি সেই সময়ের পর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বদলে গেছে। কিন্তু এর থেকে একটা তুলনাত্মক ধারণা পাওয়া যায় ।

     

    উপসংহার

    এবার ব্যাংকের জায়গায় আমরা রাজনৈতিক দল বসিয়ে নিলে দেখতে পাবঃ

                               i.          ব্যক্তির বা সমুদায়ের দল পরিবর্তনের পেছনে সবচেয়ে বেশি কাজ করে ‘অপাংক্তেয়’ হবার অনুভূতিটি(৬২%)। দলের কাছে আমি এখন এলেবেলে, আমার সহযোগ বা সমর্থন থাকলে বা না থাকলে দলের কিছু এসে যায়না।

     

                              ii.          দ্বিতীয় কারক তত্ত্ব(১৫%)হল -এখানে আমার ‘অ্যাসপিরেশন’ সফল হবে না। ব্যাংকের ক্ষেত্রে এটা হয়ত -আমার যে ধরণের বা যে পরিমাণের লোন দরকার তা দেবার ক্ষমতা বা ব্যবস্থা এই ব্যাংকে নেই। রাজনৈতিক দলের ক্ষেত্রে এটা হয়ত মতুয়াদের নাগরিকত্ব পাবার আকাঙ্ক্ষা বিজেপি সফল করতে পারে (ঠিক বা ভুল) এই বিশ্বাস।

     

                             iii.          তৃতীয় কারক তত্ত্ব (১১%)হল—সুদের হার কমে যাওয়া। রাজনৈতিক দলের কাছে এর সমান্তরাল হল কোন ইস্যুতে দলের কোন আন-পপুলার স্ট্যান্ড নেয়া। উদাহরণ, কৃষি আইনে বর্তমান সংস্কারের প্রশ্নে পাঞ্জাব, হরিয়ানা ও পশ্চিম ইউপিতে বিজেপির সমর্থনে ফাটল ধরা।

     

    সবশেষে একটি কথা বলা দরকার। যখন মতাদর্শগত প্রশ্নে একটি দল ভেঙে এক বা একাধিক দল গঠিত হয় তখন কোন ফ্যাক্টর কাজ করে?

    আমার বক্তব্য হল উপরের সবক’টি কারণই কাজ করে, শুধু ব্যক্তির জন্যে ফ্যাক্টরগুলির ওজন, গুরুত্ব ও প্রাথমিকতা বদলে যায়।

    যেমন, ভারতের অবিভক্ত কমিউনিস্ট পার্টি ভেঙে যখন প্রথম ১৯৬৪ সালে সিপিআই ও সিপিএম হল; পরে সিপিআই(এমএল)। তিনটে দলেরই আন্তর্জাতিক প্রশ্নে, ভারত রাষ্ট্রের চরিত্র প্রশ্নে এবং রণনীতি ও  রণকৌশলের প্রশ্নে নির্দিষ্ট মতাদর্শগত অবস্থান ছিল। কিন্তু পুরনো নেতা ও ক্যাডারদের মধ্যে কে কোন দিকে যাবেন তার নির্ধারণে অবশ্যই ওই তিনটে কারক তত্ত্বের নির্ণায়ক ভূমিকা ছিল।

    ===========================================

     

  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
    • কি, কেন, ইত্যাদি
    • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
    • আমাদের কথা
    • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
    • বুলবুলভাজা
    • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
    • হরিদাস পালেরা
    • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
    • টইপত্তর
    • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
    • ভাটিয়া৯
    • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
    যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
    মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


    পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। বুদ্ধি করে মতামত দিন