• বুলবুলভাজা  আলোচনা  সমাজ  বুলবুলভাজা

  • কাপুরুষ ও মহাপুরুষ

    রাজা ভট্টাচার্য
    আলোচনা | সমাজ | ১২ মার্চ ২০২১ | ৭৯০ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • হ্যারি-মেগানের কথা অনেক দূরের। ভৌগোলিকভাবে। কিন্তু সংস্কৃতিগতভাবে কি ততটা দুরের? বাংলার ঘরে ঘরে কি রচিত হয়ে চলছে মেগানের বয়ানের সঙ্গে মিলে যায় এমন এক ভাষ্য? এই নিবন্ধ তেমনই বলতে চায়।

    মেগান মারকেল (Meghan Markle) যখন ওপরাকে (Oprah) দুঃখ করে বললেন যে লালটুকটুকে রাজপুত্র হ্যারি (Prince Harry) আর বাদামি রঙের অনভিজাত মেগানের সন্তানের গায়ের রং কী হবে সে নিয়ে ব্রিটিশ রাজপরিবার বিচলিত হয়েছিল, তা শুনে বিশ্বজুড়ে হইহই পড়লেও বাঙালি গৃহবধূদের কাছে এ এমন কিছু নতুন কথা নয়। “দুধে একটু হলুদ দিয়ে খেলে বাচ্চা ফরসা হয়” ----- শ্বশুরবাড়ীর কারও মুখ থেকে এ কথা শোনেনি এমন মেয়ে ভূ ভারতে পাবেন বলে মনে হয় না, বাংলায় তো নয়ই। একটু বড়লোক শ্বশুরবাড়ি হলে দুধে হলুদের বদলে স্যাফরন বা জাফরান গুলে খেতে বলার রেওয়াজ আছে। বাঙালি ভদ্রলোক সমাজে ফরসা মানে সাদা চামড়া। বাঙালিরা সবাই ফরসা হতে চায়। কালো বাবা-মাও চায় ফরসা রঙের সন্তান, না হলে শ্বশুরবাড়িতে মুখ দেখানো দায় হয়ে ওঠে। ফরসা ছেলে আর কালো বউ হলে তো কথাই নেই, দুধে জাফরান-স্যাফরন না মিশিয়ে, জাফরান-স্যাফরনে দুধ মিশিয়ে খেতে বলেন শাশুড়ি, ননদ, জা’রা। হলুদ আর জাফরান খাবারে দিলে রং সাদা হয় না। হ্যাঁ ঠিকই ধরেছেন, হলুদ হয়। তবু বাঙালি ভদ্রসমাজে হলুদটাই সাদার কাছাকাছি। ব্লিচ অবশ্য সাদা করে, কিন্তু ব্লিচ দুধে গুলে তো খেতে বলতে পারে না! চক্ষুলজ্জা না থাকলেও, হাজত ভয় তো আছে! ব্লিচ মাখা শুরু হয় জন্মের পর থেকে। গায়ের রং ফরসা করার প্রতিযোগিতা শুরু হয় জন্মের আগে জাফরান-স্যাফরন খেয়ে। জন্মের পর সে প্রতিযোগিতা চলতে থাকে ব্লিচ মেখে। সব প্রতিযোগিতার মতো এই খেলাও শেষ হয় চিতায়। চিতা বললাম বলে আবার হিন্দু পক্ষপাতিত্বের কলঙ্কে কলঙ্কিত না হতে হয়।

    বর্ণবাদ হিন্দু সমাজের কলঙ্ক হলেও চামড়ার রঙের তারতম্যে উচ্চনীচ বিচারের রোগ যাকে ইংরিজিতে কালারিজম (colorism) বলা হয় তা মহারানি ভিক্টোরিয়ার থেকেই সংক্রামিত হয়েছে ভদ্রলোক সমাজে, ঔপনিবেশিকতার হাত ধরে। ভিক্টোরিয়ান প্রবাদবাক্য, “কাজ হল পূজা (work is worship)” থেকে শুরু করে কোনটা শ্লীলতা আর কোনটাই বা অশ্লীল তার পাঠ পড়িয়ে ব্রিটিশরাজ যে বাবু সম্প্রদায় সৃষ্টি করেছিলেন তারই পরম্পরা বাঙালি ভদ্রলোকরা আজও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করে চলেছেন। ভিক্টোরিয়ান প্রথানুসারে শ্লীলতা-অশ্লীলতার বোঝা বহনের দায় কেবল মেয়েদেরই। কম কথা বলা শ্লীল; বেশি কথা বললেই “বাচাল মেয়ে”র তকমা লাগানো বাঙালি ভদ্রসমাজের দৈনন্দিন কাহিনি। মেয়েদের বোবা হয়ে থাকার বিধান অবশ্য সেই উপনিষদের যুগ থেকে চলে আসছে। যাজ্ঞবল্ক্য গার্গীকে থামিয়ে দিয়ে বলছেন, “অতি প্রশ্ন করো না”। মেগান মারকেলকেও ঠিক এক কথা শুনতে হয়েছে রাজপরিবারের সদস্যদের থেকে। এ যেন ডিজনির মৎস্যকন্যার রূপকথা লিটল মারমেড (Little Mermaid)। জলের মৎস্যকন্যা এরিয়েল (Ariel) পড়েছে স্থলের রাজপুত্রের প্রেমে। কিন্তু এরিয়েলের তো পা নেই। নৃত্যে রাজপুত্রের সঙ্গে যোগ দেবে কেমন করে এরিয়েল? উপায় কী? “উপায় আছে” বললো ডাইনি। দু জোড়া পা দেবে ডাইনি, কিন্তু একটা শর্ত আছে। এরিয়েল পা পাবে, নাচতে পারবে, গাইতেও পারবে কিন্তু কথা বলতে পারবে না, তবেই পাবে রাজপুত্র আর অর্ধেক রাজত্ব। এরিয়েলের গল্প ট্রাজেডি। মেগানের নয়।

    হ্যারি আর মেগান বিয়ে করেন নিজেরাই। কিন্তু রাজপরিবারে সে বিয়ে কবুল নয়। ঘটা করে তাদের আবার বিয়ে হয় রাজপরিবারের নিয়ম কানুন মেনে। গোটা দুনিয়া দেখে সেই আড়ম্বর। বাহবা আসে দেশ বিদেশ থেকে। ইচ্ছে না থাকলেও রাজপরিবারের কথা মেনে দুজনেই আনন্দে যোগ দেন সেই আড়ম্বরে। সমস্ত পৃথিবীর সামনে মেগানকে গ্রহণ করে রাজপরিবারের সদস্যরা। কিছুদিনের মধ্যেই শুরু হয় শ্বাসরোধকারী নিয়মের বেড়াজাল। মেগানের যেখানে সেখানে কথা বলা বারণ, ইচ্ছে মত বাইরে যাওয়া বারণ। রাজপুত্রকে বিয়ে করে রাজকন্যা হতে হলে গেলে শুধু নীরব নির্বাক হলেই চলবে না, নানান নিয়মও পালন করতে হবে। কেমন করে বসতে হবে, কখন হাঁচতে হবে, কখন হাসতে হবে তার লম্বা তালিকা আছে। বাকিংহাম প্যালেসে সেই লিস্ট আছে। আর আছে বাঙালি ভদ্রলোকেদের ড্রইংরুমে। বাকিংহাম প্যালেসে থেকে সোজা ভদ্রলোকেদের ড্রইংরুমে কার হাত ধরে সেই নথি হাজির হয়েছে তার সঠিক ইতিহাস জানা না থাকলেও লিস্ট যে বাঙালি ঘরে ঘরে হাজির তা বাঙালি গৃহবধূদের চেয়ে ভাল আর কেউ জানেন না। আর জানেন; রাজপুত্তুররা। তবে রাজপুত্তুররা বেশিরভাগই কাপুরুষ। কটা রাজপুত্তুরের সাহস, সুযোগ আর ক্ষমতা আছে নিজের রাজপরিবারের শাসন নিয়ন্ত্রণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবার? হ্যারি পেরেছেন, চার্লস (Charles) পারেননি, বা হয়ত চেষ্টাও করেননি। চার্লসের কাপুরুষতার বলি হয়েছিলেন হ্যারির মা ডায়ানা (Diana)।

    কাপুরুষের অমিতাভ রায় নষ্ট করেছিল করুণা গুপ্তর জীবন। করুণা অবশ্য অমিতাভর মত কাপুরুষ ছিলেন না। তাই অমিতাভর কাপুরুষতা করুণার জীবন সম্পূর্ণ নষ্ট করতে পারেনি, শুধু ঘুমটা নষ্ট করেছিল । হ্যারির কাপুরুষতার বলি মেগান হতে পারত। কিন্তু হয় নি। দুজনেই পেরেছিলেন দেশ পরিবার ছেড়ে রাজপ্রাসাদের মরচেধরা লৌহ কপাট ভেঙে বেরিয়ে পড়তে। সমুদ্র পেরিয়ে প্রথমে চলে যান ক্যানাডায়, কারণ ক্যানাডা এখনো কমনওয়েলথের মধ্যে পড়ে। এর পর ক্যানাডার সীমানা পেরিয়ে চলে আসেন এমন একটা দেশে ঘর বাঁধতে যেখানে রাজতন্ত্রের দৌরাত্ম্য অনুপস্থিত। হ্যারি আর অন্তঃসত্ত্বা মেগান অতিথি হিসেবে ঠাঁই পান ব্ল্যাক-অ্যামেরিকান লোকহিতৈষী টাইলার পেরির (Tyler Perry) বাড়ীতে। ব্রিটেনের রাজপরিবার ততদিনে হ্যারির মাসোহারা বন্ধ করে দিয়েছে। মেগানের আকুতি সত্ত্বেও হ্যারির সুরক্ষা ব্যবস্থা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। টাইলার পেরি আতিথেয়তার সঙ্গে সঙ্গে হ্যারির সুরক্ষার ব্যবস্থাও করেন। চার্লস আর অমিতাভ কি সত্যি কাপুরুষ ছিলেন, নাকি রাজপরিবার বা সমাজের নিষ্ঠুরতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে যতখানি স্বাবলম্বী হতে হয় তা হয়ে উঠতে পারেননি? হ্যারি স্বাবলম্বী কারণ রাজপরিবার হ্যারির মাসোহারা এবং সুরক্ষার ব্যবস্থা প্রত্যাহার করলেও হ্যারির জন্য ডায়ানা যথেষ্ট অর্থ রেখে গিয়েছিলেন। ডায়ানা হয়ত এমন একটা কিছু তাঁর ছেলেদের কারও হতে পারে তা অনুমান করেছিলেন। ডায়ানার রেখে যাওয়া অর্থ ছাড়াও টাইলার পেরির মত বন্ধু ছিল মেগানের। তবু কতটা স্বাবলম্বী হলে তবে পারিবারিক বা সামাজিক অচলায়তনের ভিত আন্দোলিত করা যায় তার কি কোন সঠিক হিসেব আছে? করুণা মনে করেননি আছে। করুণা অমিতাভকে বলেছিলেন, “তোমার যেটার অভাব সেটা তো সময় নয়, অন্যকিছু।” সেই অন্যকিছুর অভাবই মানুষকে কাপুরুষ করে। চার্লস আর অমিতাভ কাপুরুষ, করুণা, হ্যারি আর মেগান মহাপুরুষ না হলেও কাপুরুষ নন।



    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন

  • বিভাগ : আলোচনা | ১২ মার্চ ২০২১ | ৭৯০ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ranjan Roy | ১২ মার্চ ২০২১ ১১:৫৫103544
  • ভাল লাগল। 

  • Ramit Chatterjee | ১২ মার্চ ২০২১ ১৮:০৪103565
  • এইটা এখন হট টপিক। এক ইন্টারভিউ তেই রাজ পরিবারের ইমেজ অনেকটা টাল খেয়েছে। লেখাটা ভালো লাগল।

  • Nandagopal Patra | 202.142.68.160 | ১২ মার্চ ২০২১ ১৮:৫১103569
  • বেশ বেশ। ভালই লিখেছিস রাজা।

  • kaktarua | 4.14.166.20 | ১২ মার্চ ২০২১ ২১:৫২103575
  • শুধু বাঙালী কে দোষ দিয়ে আর কি হবে! কোথাকার গল্প নয় এটা!! কিছু প্রত্যান্ত উপজাতি ছাড়া বোধহয় প্রত্যেকটা সমাজ সে সাদা কালো খয়েরি হলুদ যাই হোক না কেন- এই সমস্যায় ভুগছে। কিছু কম আর কিছু বেশি। অনেক পথ চলা বাকি আছে। 

  • অনিন্দিতা | 103.87.56.201 | ১৩ মার্চ ২০২১ ০৯:১৫103586
  • এই ‘হট টপিক’টিকে যেভাবে আমাদের ঘরের মধ্যের গল্পের পরিসরে নিয়ে আসা হয়েছে  তার জন্য লেখককে অভিনন্দন। কৃষ্ণকলি আর শ্যামলী বঙ্গললনাদের  এইজাতীয় অভিজ্ঞতা যে  কতখানি বেদনাময় আর অপমানের, তা লেখাটির মধ্যে দিয়ে কিছুটা হলেও প্রচারিত হোক । লেখককে অনেক ধন্যবাদ। 

  • বাইরে দূরে | ১৩ মার্চ ২০২১ ১৪:৫৩103592
  • মেগান হ্যারির নয় পুত্র আর্চির সুরক্ষা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর অভিযোগ উইলিয়াম, কেট এবং শ্বশুর মশায়ের দিকে নির্দেশিত , রানি বা ফিলিপের দিকে নয় । কর্মে মুক্তি কথাটি ব্যবহার করেছেন - এটি একটু করে দিলো . ১৯৩৩ সালের পরে এটি খুব শোনা যায় অন্য দেশে (Arbeit macht frei ) 


    আশা করি সে অর্থে আপনি বলেন নি । ডায়নার সঙ্গে খুবই মিলে যায় - তফাত শুধু পতি দেবের আচরণ 

  • বাইরে দূরে | ১৩ মার্চ ২০২১ ১৪:৫৫103593
  • একটু বাদ পড়ে গেছে - কর্মে মুক্তি কথাটি ব্যবহার করেছেন -এটি একটু অবাক করে দিলো ! আপনি নিশ্চয় সেই অর্থে লেখেন নি 

  • Raja Bhattacharyya | ১৫ মার্চ ২০২১ ০১:৩৬103671
  • সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ কমেন্টের জন্য, 


    বাইরে দূরে, হ্যারির সুরক্ষা কেড়ে নিয়েছে রাজপরিবার। আমি আর্চির কথা কোথাও লিখিনি কারণ সে এখনো শিশু। ওকে ইচ্ছে করেই বাদ রেখেছি। নামও লিখিনি। 


    কর্মে মুক্তি ইত্যাদি কোথা মানি না কারণ এগুলো ব্যাবহার করে ওয়ার্কার্স রাইটস সহজে কাড়া যায়। গীতাতেও এইধরনের প্রো-কর্পোরেট আর আন্টি-ওয়ার্কার শ্লোক রয়েছে। কাজ করো ফলের আশা কোরোনা ইত্যাদি। :) 

আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঝপাঝপ মতামত দিন