• হরিদাস পাল  ব্লগ

  • জন্মখ্যাপার  Genome

    Siddhartha Mukherjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ২৫ নভেম্বর ২০২০ | ৮৪০ বার পঠিত | ২ জন)
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • জন্মখ্যাপার  Genome


              --সিদ্ধার্থ  মুখোপাধ্যায় 


          ★


    অধ্যাপক শ্রী ধীরেশ ভট্টাচার্য ছিলেন অর্থনীতির মহাপ্রাজ্ঞজন। 


    আমার পিতৃদেবের  সঙ্গে তাঁর ছিল ভারি মধুর এক


     ' অগ্রজ -অনুজ ' সম্পর্ক।  ঢাকার একই ইস্কুলের সতীর্থ  ছিলেন...যদিও ধীরেশ জ্যেঠু ছিলেন বয়সে অনেকটাই বড়।   বাবার কাছে শুনেছি, ১৯৩০ এর দশকে অবিভক্ত বাঙ্গলা, সিংহল, বার্মার


     " কম্বাইন্ড ম্যাট্রিক " পরীক্ষাতে ( এবং আই. এ. পরীক্ষাতেও)  তিনি রেকর্ড নম্বরসহ প্রথম হয়েছিলেন ।  


    পরবর্তীকালে দীর্ঘদিন মৌলানা আজাদ ও প্রেসিডেন্সি কলেজ ছাড়াও কলকাতা  বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতির প্রধান অধ্যাপক ছিলেন। 


    শ্রী অমর্ত্য সেন সহ বহু কৃতী ছাত্রের তিনি ছিলেন অতি শ্রদ্ধার স্নেহময় "স্যার "।


    ডাক্তারি পাশ করার পরে বেশ কিছুদিন আমার দায়িত্ব  ছিল সপ্তাহান্তে একবার  জ্যেঠুর বাড়িতে গিয়ে ওঁনার শারীরিক অবস্থা পর্যালোচনা করা এবং জ্যেঠিমার হাতের তৈরি দারুণ  জলখাবারের মানবৃদ্ধি উপলব্ধি  করা। 


    সেই সোনাঝরা সন্ধ্যাগুলির স্মৃতি আজও ছুঁয়ে যায়। 


      ★


      বর্তমান ঢাকুরিয়া AMRI সন্নিহিত একটি বহুতলের চারতলায় থাকতেন তাঁরা।  


    এক রবিবার শেষ বিকেলে পৌঁছেছি ধীরেশ জ্যেঠুর ফ্ল্যাটে। 


    বড় ধীর স্থির মানুষ ছিলেন।  নামের সঙ্গে একেবারে মেলানো যেন। বোঝাই যেতনা  যে বিদ্যার জাহাজ।  কথা খুব একটা বলতেন না -- তবে আমার সঙ্গে বেশ মিলে যেতেন।  স্মৃতির ঝাঁপি খুলে বসতেন কোন কোন বিকেল সন্ধ্যায়।  


    সেদিন সবেমাত্র ঢাকার বিখ্যাত পগোস স্কুলের (Pogose Collegiate School)  কথা শুরু করেছেন  -- ভেজানো দরোজা ঠেলে শশব্যস্তভাবে ঢুকলেন আরেকজন । 


     ইস্তিরির তোয়াক্কা করেননি শার্টে -ট্রাউজার্সে ... গালে অন্তত কয়েকদিনের বেড়ে ওঠা দাড়ি... 


    পা বুঝি ঈষৎ দিগশূন্যহীন... হাতে কবিতার বই --


     " সোনার মাছি খুন করেছি " । 


    ঘরে ঢুকেই ...  বইটি সাইড টেবিলে রাখলেন কি না-রাখলেন...  একবারে যাকে বলে রাশিয়ান গোলরক্ষক লেভ ইয়াসিনের কায়দায় ধীরেশ জ্যেঠুর পায়ে ঝাঁপিয়ে পড়লেন তিনি। পা দু-খানি বুকে জড়িয়ে খানিক চুপ করে রইলেন।  দৃশ্যত বিপন্ন ধীরেশ জ্যেঠু  বলে চলেছেন --


     " আরে কি কর, বলতো ? ওঠো , ওঠো । " 


    আমার কেবলি মনে হচ্ছে, এই বুঝি উনি বললেন... বলে ফেললেন  -- "প্রভু,  নষ্ট  হয়ে যাই  " !  


     উনি কিন্তু বললেন -- " স্যার , এই আপনার পায়ের তলায় পড়ে থেকে বলছি -- আর কোনদিন খালাসিটোলার  ম্যানেজার কালিদার ধুতির পিছনে চাটের জল ঢেলে দেবোনা।  দেবোনা । দেবোনা।


    তিন সত্যি।  " 


    ধীরেশ জ্যেঠুর ইঙ্গিতে আমি তাঁকে ধরে চেয়ারে বসালাম।  


    স্থিতাবস্থা ফিরে আসতে জ্যেঠিমাও এসে বসলেন।  ঘটনাটি জানা গেল। 


     


     ধীরেশ জ্যেঠুর বৈদগ্ধে মুগ্ধ ছিলেন এমনকি কমলবাবু--  আমাদের মাষ্টারমশাই, শ্রী কমল কুমার মজুমদারও। এতটাই মজেছিলেন তাঁর সারল্যমাখা পান্ডিত্যে, যে গড়িয়াহাট মোড়ে তাকে দেখতে পেলেই ২৪ কিংবা ২৬ নম্বর ট্রাম থেকে নেমে পড়তেন কমলবাবু। দু দন্ড কথা হতো। 


    কয়েকদিন আগেও তিনি তাই করেছিলেন। সেদিন মাষ্টারমশাইয়ের মন ছিল খানিক উচাটন।  খালাসিটোলার এক 


    ' আইকন ' যদি তিনি হন... আরেকজন হলেন ম্যানেজার কালি বাবু -- কালি সাহা। 


    ( অপ্রসঙ্গে বলি, কালিবাবু কাঠের খড়ম পরে সারাক্ষণ খালাসিটোলা সুরাবিতান টহল দিতেন এবং পছন্দের মানুষজনের সঙ্গে বার্তালাপ করতেন। কমলবাবু ওঁনাকে স্নেহে - শ্রদ্ধায় "রাবড়ি খচ্চর " বলতেন। ) 


    তাকেই কি না অপদস্ত করেছে  কমলকুমারের প্রিয় ছোকরাদের অন্যতম -- শক্তি !  


    কালিবাবু সারাদিন আর তাদের বেঞ্চি মুখো হননি। সে বড় লজ্জা... বড় অবজ্ঞার কথা !  


    মাষ্টার মশাই সেই দুঃখের কথাই বলেছিলেন জ্যেঠুকে শোভনালয়ের সামনে দাঁড়িয়ে। 


    এর মধ্যেও কথা লুকিয়ে ছিল।  


    শক্তি চাটুয্যে নাকি কোনও ভাবে ছিলেন ধীরেশ জ্যেঠুর ছাত্র। তাঁকে  যারপরনাই ভয় পেতেন ( অন্তত মুখে বলতেন)  আর শ্রদ্ধা করতেন অন্তর থেকে।   কমল কুমার  শক্তির অপরাধ ক্ষমা করতে রাজি হয়েছিলেন এক শর্তে -- ধীরেশ ভট্টাচার্য মশাইয়ের পা জড়িয়ে শপথ করতে হবে -- 


    ' কালিবাবুর ধুতি আর কলঙ্কিত করব না..না.. না! '


    অতএব, কোন এক বসন্ত সন্ধ্যায় এমত দৃশ্যাবতরণ । 


    জ্যেঠিমা মাছের কচুরি সাজিয়ে  আনতে গেলেন । 


        ★ 


      শক্তি গেলেন হাত ধুতে। 


     জ্যেঠু সস্নেহে বললেন --


     " জন্মখ্যাপা । 


      কি যেন বলে ডাক্তারিতে ...!  


      ওর 'জেনোমে ' খ্যাপামির DNA আছে ।  " 


     হাসলেন।  


      ★ 


     শেষ হয়নি। মাছের কচুরি আর কি ।  জ্যেঠু হঠাৎ  তাঁকে  বললেন --- " আরে, তোমার স্ত্রী কিন্তু ওর ( অর্থাৎ, আমার)  বাঙ্গলা শিক্ষিকা ছিলেন।  " 


      আমিও মাথা নেড়ে সম্মতি দিলাম। 


     " হ্যা তো !  মীনাক্ষীদি আমাদের  ক্লাস সিক্স -সেভেনে পড়িয়েছেন তো।  " 


    একমুখ কচুরি নিয়ে উনি আমার দিকে খরদৃষ্টিতে তাকালেন।  


    --" ভাই, তোমার তো দাড়ি-গোঁফ গজিয়ে গ্যাছে।  এখনো ক্লাস সিক্স ? এক্কেবারে আতাচোরাটি।  " 


    আমি প্রবল প্রতিবাদ করার  প্রস্তুতি নিচ্ছি... উনি ততক্ষণে চোখ বুজে  শুরু করে দিয়েছেন  --- 


    " আতাচোরা পাখিরে ... ।  "


              ★


    আতাচোরা পাখিরে


    কোন তুলিতে আঁকি রে


                   হলুদ ?


    বাঁশ বাগানে যাইনে


    ফুল তুলিতে পাইনে


                       কলুদ


    হলুদ বনের কলুদ ফুল


    বটের শিরা জবার মূল


                       পাইতে


    দুধের পাহাড় কুলের বন


    পেরিয়ে গিরি গোবর্ধন


                       নাইতে


    ঝুমরি তিলাইয়ার কাছে


    যে নদিটি থমকে আছে


                       তাইতে


    আতাচোরা পাখিরে


    কোন তুলিতে আঁকি রে


                      —হলুদ ?  


       ★ 


     বিশ্বাস করুন , অজান্তেই দাড়িতে হাত বুলিয়েছিলাম সেই মুহূর্তে ।


        ★


    বেশ কিছুদিন পরে "আনন্দমেলা " র পাতায় দেখেছিলাম ছড়াটি।  


    আরও পরে একটি ছড়া সংকলনেও পেয়েছিলাম এই  অপূর্ব লেখা। 


      ঘটনাটি পিতৃবন্ধু বিখ্যাত শিল্পী শ্রী সুনীলমাধব সেন কে একদিন বলেছিলাম। তিনি ছিলেন শক্তি-মুগ্ধ।  ছড়াটি শুনে এঁকে দিয়েছিলেন একটি হলুদ পাখি। 


    ★ 


    আজ সেই জন্ম খ্যাপা শক্তির জন্মদিন।

  • বিভাগ : ব্লগ | ২৫ নভেম্বর ২০২০ | ৮৪০ বার পঠিত | ২ জন)
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন গ্রাহক পুনঃপ্রচার
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • জয়ন্ত ভট্টাচার্য | 59.93.168.243 | ২৫ নভেম্বর ২০২০ ১৪:৪৩100639
  • আহা! এত সুর একসাথ!! 

  • Bhudeb Sengupta | ২৫ নভেম্বর ২০২০ ১৬:৪৬100643
  • বড় মায়াময় সোনাঝরা দিনের কথা লেখক দরদ দিয়ে লিখেছেন। শক্তি চাটুয‍্যে যেন এক কালবৈশাখীর দমকা হাওয়া। কলুদ ফুল কি কলকে ফুুুল? 

  • মহুয়া | 115.187.48.108 | ২৫ নভেম্বর ২০২০ ১৮:১৭100646
  • সব পেয়েছির দেশে পৌঁছে গেলাম 

  • Pushan | 81.237.247.113 | ২৫ নভেম্বর ২০২০ ২০:৩১100651
  • ডাকতার babur ধন্যি কলাম। চাট্টিখানিচাটুজ্জে 

  • Pallab Kumar Chatterjee | ২৫ নভেম্বর ২০২০ ২১:১৫100652
  • খুব হিম্‌সে হচ্ছে বেরাদর তোমার ভাগ্যকে। আর কী দুর্দান্ত আর মোহময় অবলোকন! আমরা তো শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের নামই শুনিনি ছোটবেলায়। বিহারে থাকতাম কিনা! তা আমাদের বিহারি হেডমাস্টারমশাই একদিন আমার দাদুকে ফাঁকা পেয়ে বললেন 'চাচাজি কে বলে বাঙালির শক্তি নেই? শুনুন তবে অনুবাদ করেছি-
    'কেওয়াড়ি লগাইকে সুতল রহিন মুহল্লা 
    কে খটখটাওয়ে- কাহেকা হাল্লাগুল্লা!
    এ অবনী ঘর মা হ?' '

  • সম্বিৎ | ২৫ নভেম্বর ২০২০ ২২:১২100653
  • 'কেওয়াড়ি লগাইকে সুতল রহিন মুহল্লা 
    কে খটখটাওয়ে- কাহেকা হাল্লাগুল্লা!
    এ অবনী ঘর মা হ?' '


    অসামান্য। আপনার সোনার কলম হোক। এই অনুবাদটি আমি ব্যক্তিগত দায়িত্বে নিজের গন্ডিতে চড়িয়ে দেব। 

  • Siddhartha Mukherjee | ২৫ নভেম্বর ২০২০ ২৩:০৪100658
  • শক্তি চাটুয্যের জীবিতকালেই প্রায় কিংবদন্তি হয়ে উঠেছিল কলকাতার রিক্সাওয়ালাদের একটি শক্তিসাধনা । 


    " তানি যাওয়াত সকত জরুর।


     লেকিন, এথি, কাহে কো  যাইবহ ?  " 

  • অরুণাচল দত্ত চৌধুরী | 2401:4900:314c:490c:6b07:1e76:b54d:af62 | ২৬ নভেম্বর ২০২০ ১৭:২৬100678
  • খুব ভালো লেখা। এ হেন শক্তিকে কলেজ সোশ্যালে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপলক্ষে নিমন্ত্রণ করে এনেছিলাম।সন ১৯৭৮। খুব করে ধরেছিলাম স্বরচিত কবিতা আবৃত্তির জন্য। উনি দ্রব্যগুণে একটু আচ্ছন্ন ছিলেন। বললেন, 


    - পারব না ভাই, আমার তো ইনফ্লুয়েঞ্জা হয়েছে। একটু থেমে জড়ানো গলায় আবারও বললেন,


    - কী জানো? আজকাল আমার প্রায়দিনই ইনফ্লুয়েঞ্জার জ্বর থাকে।

  • অরুণাচল দত্ত চৌধুরী | 2401:4900:314c:490c:6b07:1e76:b54d:af62 | ২৬ নভেম্বর ২০২০ ১৭:২৬100677
  • খুব ভালো লেখা। এ হেন শক্তিকে কলেজ সোশ্যালে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপলক্ষে নিমন্ত্রণ করে এনেছিলাম।সন ১৯৭৮। খুব করে ধরেছিলাম স্বরচিত কবিতা আবৃত্তির জন্য। উনি দ্রব্যগুণে একটু আচ্ছন্ন ছিলেন। বললেন, 


    - পারব না ভাই, আমার তো ইনফ্লুয়েঞ্জা হয়েছে। একটু থেমে জড়ানো গলায় আবারও বললেন,


    - কী জানো? আজকাল আমার প্রায়দিনই ইনফ্লুয়েঞ্জার জ্বর থাকে।

  • Ranjan Roy | ২৮ নভেম্বর ২০২০ ০৮:৫৪100722
  • ডাগদরবাবু


    আপনার স্টেথো ও কলম দুটোই সোনার,  নির্দ্বিধায়।


    ধীরেশবাবুর কাছে ফার্স্ট ইয়ারে পড়েছি। অমন রাশভারি ব্যক্তিত্ব! ইন্ডিয়ান ইকনমিক্সের উপর ওঁর বইটির খুব নাম।


    চাটুজ্জেমশায়


    অনুবাদ পড়ে ফিদা।


    আমার ছতরিশগরের আড্ডার গ্রুপে উটি আপনার কপিরাইট সহ পেস্ট করার অনুমতি চাই। 

আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। চটপট প্রতিক্রিয়া দিন