• বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়।
    বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে।
  • আমাদের রান্নাঘরকে বাঁচালো কারা?

    সুপ্রিয় রায়
    বিভাগ : আলোচনা | ২২ মে ২০২০ | ৩৪১ বার পঠিত
  • ঝপ করে যেদিন লকডাউনের বাদ্যি বাজল, যথারীতি নাটকীয় উপস্থাপনায়, বক্তৃতার প্রথম প্রতিপাদ্য, যে আজ রাত বারোটা থেকেই “আজ হরতাল, আজ চাকা বন্ধ” অব্দি বুঝেই দৌড়ে যেতে হ’ল পারিবারিক নিজ ব্যবহার্য ওষুধ, যেগুলো নাহলে কোমর্বিডিটির সম্ভাবনা এবং পথ্য, যা না হলে ভাইরাস আসার আগেই তার বড়ভাই অনাহার এসে দেহের তালা ভাঙবে। পাড়াসুদ্ধ লোকই এক লজিকে দৌড়েছে। বোঝা গেল, কেননা নোটবন্দীর করুন স্মৃতি অমলিন। দোকানিও হাতজোড় করলেন, পারবোনা, আমাকেও দুকেজি আলু নিয়ে বাড়ি ফিরতে হবে, আপনি এনে দেবেন? চারপাশে অদ্ভুত অসহায় Panic buying – Panic Sale –ও। পাড়ার মোড়ের সস্তার ভাতের হোটেল, যা মূলতঃ রিক্সাচালক বা সমধরণের কায়িক পরিশ্রম বিক্রেতার চাহিদা মেটায়, তার জমানো আলু, আটা, চাল, ডাল, ডিম তখন তাড়াতাড়ি পৌঁছে দিচ্ছে পড়শী মুদির দোকানে— হোটেল কর্মচারীরা দেশের বাড়ি ফিরবে আজ রাতেই।

    ধরেই নিয়েছিলাম, অন্যান্য সমস্যা বাদই দিলাম, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে, বা সাতের দশকের বইয়ে পড়া কন্ট্রোল্ড বাজারের মতো টেনেটুনে খেয়েই চালাতে হবে কিছুকাল। ভাবনা হচ্ছিল, সর্বাগ্রে নিজের জন্য, তৎপরে সব্জীওয়ালা, মাছ বিক্রেতাদের জন্যেও, যে ট্রেন বন্ধ হলে, শহর খাবে কী? শহর না খেলে গ্রামই বা কী খাবে?

    গত মাস দেড়েকে সে ভয় অনেকটাই কেটেছে। ২৪ শে মার্চ রাতের এই দুশ্চিন্তা যেমন আমার একার ছিল না, এখনকার আপাত স্বস্তিও হয়ত অনেকেরই, যে সব্জী, ডিম, grocery-এর অভাব সেভাবে হয়নি, এমনকি মাছ-মাংসও মিলেছে। অবশ্যই রোজগার ও তার নিশ্চয়তা থাকলে।

    কেমন করে ঘটল এমনটা? সারা দেশের সব বড় শহরেই কী ঘটল? তাহলে আমরা যতটা ভয় পাই, আমাদের সরকারী ব্যবস্থা তার চেয়ে বেশি দক্ষ?

    এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে কথা বললাম কয়েকজনের সঙ্গে। সরকারী দপ্তরের নানান অলিন্দে যারা কর্মরত এবং নেই-রাজ্যকে একদম নইরাজ্যে এখনো পুরোপুরি চলে দিতে দিচ্ছে না, রথের রশ্মী দুর্বল হলেও এখনো চাকা ঘুরিয়ে নিয়ে চলেছে। আরো দু-এক সুহৃদ যারা ছোটখাটো শিল্পে নিয়োজিত, বড় পুঁজি নেই, তাই বার বার পরিস্থিতি অনুযায়ী স্রোত বুঝে হাল টানতে জানে।

    বিগত প্রায় তিন দশকের নয়া উদারবাদ প্রায় সব্বাইকে, হয়ত বামপন্থীদেরও বুঝিয়ে ফেলেছে যে, সরকারের প্রায় সব ব্যাপার থেকেই হাত তুলে নেয়াই দস্তুর, যাতে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, যোগাযোগ, খাদ্য যোগান, ব্যাংকিং সমস্ত মাঠেই ব্যক্তি-পুঁজি আস্তিন গুটিয়ে নামতে পারে। সে অংকেই হরিণঘাটা প্রায় নেই, রেশন কার্ডে বিস্তর গরমিল, কয় প্রকার ও কী কী প্রশ্ন উঠলে খারাপ ছাত্রের মতো মাথা চুলকাতে হয়। এই শীর্ণ হাতগুলি পেশীহীন হতে হতেও যেটুকু রয়ে গেছে সেই পরিকাঠামো দিয়ে পঞ্চায়েত ও খাদ্য দপ্তর প্রথম ক’দিন নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের জোগানের ঘাটতি মেটাতে শুরু করেছিল। খাদ্য দপ্তরের সমস্যা সংগ্রহের নয়, গুদামে দীর্ঘকাল মজুত থাকে। সমস্যা সোস্যাল ডিস্টান্সিং ও দুর্বলতর পরিকাঠামো, আসা যাওয়ার ব্যবস্থা বন্ধ অবস্থায় কম কর্মচারীতে বন্টনের। পঞ্চায়েত দপ্তর ও Comprehensive Area Development Corporation – কাজ করে সব্জী ও livestock নিয়ে যা অত্যন্ত পচনশীল। Supply Chain ও Cold chain অপ্রতুল, কারণ ওসব এখন আর সরকারী অগ্রাধিকার নয়— কাজেই সংগ্রহ ও বন্টন উভয় দিকেই বিস্তর ফাঁক। তারই মধ্যে সর্বপ্রথমে যোগাযোগ হ’ল সেই আটের দশকে গড়ে ওঠা ত্রিস্তর পঞ্চায়েত ও দীর্ঘকাল ধরে ধীরে ধীরে গড়ে ওঠা মহিলাদের স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলোর।

    এইখানে গ্রাম থেকে সবজি আসার পথটা একটু জানা বোঝা যাক। পশ্চিমবঙ্গে ভূমিসংস্কারের ফলে বড় জোত প্রায় নেই, যাকে বৃহৎ শিল্পায়নের প্রতিকূল বলে সাধারণতঃ দুর্বলতা বলে ধরা হয়। কেননা এক লপ্তে জমি কিনতে গেলে গুওজরাটে বা হরিয়ানায় যেখানে বিশজন বড় চাষীকে রাজি করাতে হয়, এখানে বিশহাজার জনের মালিকানায় তা ছড়িয়ে আছে।
    স্বাভাবিক নিয়মে অনিচ্ছুকের সংখ্যা যথেষ্ঠরও বেশি। এই ছোট চাষী কিন্তু পাঞ্জাব বা হরিয়ানার মতো জমির কাজের জন্য পরিযায়ী শ্রমিকদের উপর নির্ভশীল নয়। সে নিজে সপরিবার খাটে, না পারলে জনমজুর লাগায়, সেও স্থানীয়ই। ফলে স্বাভাবিক সময়ে বড় চাষীর যে সুবিধে, সোশ্যাল ডিস্টানসিং-এ সে অসহায়, ট্রাক্টর সেখানে চালক ও অন্যান্য শ্রমিকের অভাবে অচল পয়সা। ছোট চাষী এক্ষেত্রে বলবান, সে সব্জী চাষ করে, পুকুরে চুনো বা জিওল মাছ পোষে, বাড়ির উঠোনে মুরগী ও বাংলার কালো ছাগল। ফেলে দেওয়া ভাত-তরকারি-মাছের কাঁটাই সেখানে মুরগীর মাছ ও ছাগের খাদ্য। এই চাষী গভীর রাতে মাল নিয়ে যায় বড় আড়ত বা হাটে, প্রত্যেক জেলায় সেরকম অনেক আছে, যেখানে নীলামের পর পণ্য যায় ফড়ের ঘরে। সেও তৎক্ষণাৎ তা পাঠায় শহরের বড় বড় বাজারে। মধ্য-কলকাতায় যেমন কোলে মার্কেট, সেখান থেকে পাইকারের হাত ধরে পাড়ার খুচরো বিক্রেতার কাছে। তাহলে লকডাউনে আড়ত বা হাট এবং শহরের বড় বাজার, শৃঙ্খলের এই দুটো বড় বড় যন্ত্রাংশ হাপিস। সরকার এমনিতে তার গুটিকয় সরকারী বিপনীর কারণে জুড়ে থাকে পঞ্চায়েত ও স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে - যেখানে ফড়ের প্রবেশের সুযোগ কম। সরকারী সীলমোহরের এইসব গাড়ী সর্বপ্রথম চাষী ও স্বনির্ভর গোষ্ঠীর থেকে সরাসরি সব্জী, ডিম, কিছু কিছু সীমিত livestock কিনে শহরে আনে, তাদের বিপনীতে বিক্রির জন্য। কিন্তু তার সংখ্যা হাতে গোনা, আর সেখানেই বা ক্রেতা আসবেন কেমন করে? কয়েকদিনের মধ্যেই তাই জোগাড় হলো এমনিতে কাজ হারানো টোটো। হেল্পলাইন ও হোয়াটসঅ্যাপে দপ্তরের কর্তাদের ব্যক্তিগত যোগাযোগের নম্বর দিয়ে সল্ট লেকের নানান আবাসনে পরীক্ষামূলকভাবে মাল বেচা শুরু হলো। আবাসন ভিত্তিক এসব জায়াগায় পুরোনো কলকাতার মতো যত্রতত্র বাজার বসে না। বেশিরভাগ নাগরিক প্রৌঢ় বা বৃদ্ধ, ছেলে মেয়ে বিদেশ বা অন্য প্রদেশে বাস করে। তাদের দ্বারপ্রান্তে খানিকটা পৌঁছলো সরকার। মুশকিল হচ্ছে গোটা কলকাতায় এই পরিকাঠামো নেই। এই সময় গড়ে তোলাও অসম্ভব। বহুকাল হলো এসব দায় সরকার ঝেড়ে ফেলার নীতি নিয়ে চলেছে।

    তাহলে বাকি কলকাতার কী হলো? কেনই বা সাবেক কলকাতা সব্জী বা livestock এর সমস্যায় ভুগলো না?

    এখানেই হচ্ছে সেই ম্যাজিকের খেলা। যাকে বলে মনুষ্যবুদ্ধি, যা তার বাঁচার এক ও একমাত্র চাবিকাঠি, তার উদ্ভাবনী ক্ষমতা। সাম্প্রতিক একটি সাক্ষাৎকারে সদ্য-নোবেলজয়ী অধ্যাপক অভিজিৎ বিনায়ক বন্দোপাধ্যায় গরীব মানুষকে বলেছেন natural entrepreneur, কেন যে বলেছেন বোঝা যায়, যখন দেখি আড়ত বন্ধ তাও স্থানীয় চাষী, পঞ্চায়েত ও স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মাধ্যমে রোজগার হারানো ছোট মালবাহক গাড়িকে ন্যায্য দরে পরিবহনে রাজি করিয়ে ব্লক অফিস থেকে বিডিও-র শংসাপত্র জোগাড় করে সড়কপথে শহরে আসতে শুরু করছে লকডাউনের তৃতীয় সপ্তাহেই। আমাদের দেশে ৭০ শতাংশের বেশি মানুষের হাতে দিন পনেরোর বেশি বসে খাবার মতো জমানো টাকা থাকে না। কাজেই ফড়ের পাশ কাটিয়ে, পাইকারের হাত ছাড়িয়ে, macro-economy-র চালু মডেল যখন লকডাউনের চক্করে নীরক্ত, সরকারী সাহায্য ছাড়া একপাও চলতে অপারগ — micro economy তখন রাষ্ট্র বা বৃহৎ পুঁজির ভরসায় বসে না থেকে গৃহস্থের দুয়ারে হাজির।

    পাড়ার রিক্সাওয়ালাও বেকার, বাজারের সবজিওয়ালাও — কাজেই কার্যকরী বন্ধুত্ব গড়ে উঠতে সময় লাগে না। এই অর্থনীতিতে Board of Director-এর মিটিং লাগে না, শুধু ক্ষুধার যন্ত্রণা ও তজ্জনিত গরজ লাগে, যা সকল উদ্ভাবনের উৎস।

    এই খরগোসের ঘুমিয়ে পড়া, ও কচ্ছপের দৌড়ে বাজিমাতই আপনাকে এখনও সোস্যাল মিডিয়ায় চিলি চিকেন বানানো ভিডিও আপলোড করতে সক্ষম রেখেছে। নইলে আক্ষরিক অর্থেই লকডাউন, গুহায় আটকে পড়া কাসেমের মতো আপনাকে-আমাকেও আলু ফাঁক, পটল ফাঁক বলতে বলতে কাঁচা টাকা চিবিয়ে যেতে হতো।
    (অলমিতি)।
  • বিভাগ : আলোচনা | ২২ মে ২০২০ | ৩৪১ বার পঠিত
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • একলহমা | 2600:1700:3690:6070:4ec:2aa2:be85:5dc3 | ২২ মে ২০২০ ০৬:৩৫93556
  • চমৎকার বিশ্লেষণ। সুন্দর লেখা। এবং, মনে জোর-আনা, ভবিষ্যতের দিশা দেখানো লেখা। 

  • dc | 103.195.203.65 | ২২ মে ২০২০ ১৬:০১93564
  • "বিগত প্রায় তিন দশকের নয়া উদারবাদ প্রায় সব্বাইকে, হয়ত বামপন্থীদেরও বুঝিয়ে ফেলেছে যে, সরকারের প্রায় সব ব্যাপার থেকেই হাত তুলে নেয়াই দস্তুর, যাতে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, যোগাযোগ, খাদ্য যোগান, ব্যাংকিং সমস্ত মাঠেই ব্যক্তি-পুঁজি আস্তিন গুটিয়ে নামতে পারে।"

    আমি মনে করি সরকারের কাজ হওয়া উচিত সরকার চালানো। শিক্ষা আর স্বাস্থ্য বাদ দিয়ে বেশীর ভাগ ক্ষেত্রি প্রাইভেট কোম্পানির জন্য ছেড়ে দেওয়া উচিত, কারন সরকারি কোম্পানি কখনো প্রাইভেট কোম্পানির মতো ইনোভেটিভ আর এফিসিয়েন্ট হতে পারে না। আর নব্বই এর দশকের যে ইকোনমিক রিফর্মস মনমোহন সিং আর নরসিংহ রাও শুরু করেছিলেন, তা অত্যন্ত সময়োপযোগী ছিল। ভারতের ইতিহাসের সবচাইতে সেরা পদক্ষেপগুলোর মধ্যে একটা।
  • করোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • গুরুর মোবাইল অ্যাপ চান? খুব সহজ, অ্যাপ ডাউনলোড/ইনস্টল কিস্যু করার দরকার নেই । ফোনের ব্রাউজারে সাইট খুলুন, Add to Home Screen করুন, ইন্সট্রাকশন ফলো করুন, অ্যাপ-এর আইকন তৈরী হবে । খেয়াল রাখবেন, গুরুর মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করতে হলে গুরুতে লগইন করা বাঞ্ছনীয়।
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত