• বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়।
    বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে।
  • পাশে থাকার বার্তা - ব্যাঙ্কসির ছবি

    বিষাণ বসু
    বিভাগ : আলোচনা | ১৪ মে ২০২০ | ৭৮৩ বার পঠিত
  • ডাক্তারবাবু বা নার্সদিদিদের বলছি - এই বাজারে চিকিৎসাটিকিৎসা করতে না যাওয়াই ভালো - ঘাপটি মেরে ঘরের কোণে বসে থাকলে আপনিও ভালো থাকবেন, আপনার পরিবারও। খামোখা পরিষেবা দিতে গিয়ে নিজে সংক্রামিত হলে আপনি যাবতীয় নিয়মকানুন মেনে ঘরে থাকলেও পাড়ার লোক বাড়িতে চড়াও হবেন - রীতিমতো পুলিশ না এসে পড়লে আপনার প্রাণটি করোনায় যাবে, নাকি যাকে বলে স্বতঃস্ফূর্ত গণরোষে, সে হিসেবনিকেশের ফয়সলা হয়ে যেতে পারে মিনিটকয়েকের মধ্যে - মানে, যেমনটি হতে চলেছিল বারাসাতে - কাজেই, আবেগ দায়বদ্ধতা এসব বাজে কথা ছেড়ে আরেকবার ভেবে দেখুন।

    তবে, আশার কথা এই, সর্বত্র পরিস্থিতি আমাদের এই মহান মহামানবের সাগরতীরটির মতো নয় - অর্থাৎ, আড়াই ঘণ্টা মদের লাইনে দাঁড়িয়ে ক্লান্তি কাটানোর বাড়তি স্বাস্থ্যসচেতনতা হিসেবে লোকজন জড়ো করে চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের বাড়িতে হুজ্জুতি করার প্রচলন এখনও আন্তর্জাতিক হয়ে উঠতে পারেনি তেমনভাবে - সাগরপারের দেশের শিল্পী চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরলস প্রয়াসের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে ছবি উপহারের মতো সদর্থক বার্তাও দিয়ে থাকেন।

    তাহলে আসুন, মনখারাপের কথা ছেড়ে, সেই ছবি নিয়ে কথা বলা যাক।

    ব্যাঙ্কসি কে, বা তাঁকে কেমন দেখতে, তিনি শ্বেতাঙ্গ নাকি তাঁর গাত্রবর্ণ গাঢ় - সেকথা কেউ জানেন না। অথচ, তিনি ভুবনবিখ্যাত। ক্যামেরার সামনে নিজের মুখটিকে অষ্টপ্রহর ভাসিয়ে রাখার এই ঐকান্তিক প্রচেষ্টার যুগে, তিনি নিজেকে আড়ালে রাখেন - এবং, অনেকে বলেন, এই আড়ালে রাখার সচেতন প্রয়াসই, সম্ভবত, তাঁর বিপণন-কৌশল - আর, সেটাকে যদি কৌশল বলে মেনেই নেন, মেনে নিতেই হয়, সে কৌশল অসম্ভব কার্যকরীও বটে। তিনি পথশিল্পী - রাস্তার ধারের দেওয়ালে তিনি ফুটিয়ে তোলেন নিজের শিল্প - তিনি গ্রাফিত্তি-শিল্পী - এক নিজস্ব ধাঁচের স্টেনসিলে দেওয়ালে আঁকেন সময়ের ধারাভাষ্য। গ্যালারিতে নিয়মিত শো না করেও তিনি বিশ্ববিখ্যাত।

    তাঁকে নিয়ে বিস্তারিত কথা বলব পরে হয়ত কখনও - কিন্তু, যেটা বলতে বসেছি - ক'দিন আগেই, ইংল্যান্ডের একটি হাসপাতালে পৌঁছে গেল ব্যাঙ্কসির তরফে উপহার - একখানা ছবি।

    ছবিটি একেবারেই ব্যাঙ্কসি ঘরাণার - অনেকখানি অংশ জুড়ে সাদা - মুখ্যত ড্রয়িংভিত্তিক কাজ - কাঠকয়লার আঁচড়ে ফুটিয়ে তোলা বাস্তবানুগ মানুষের ছবি - অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সে মানুষ কিশোর বা কিশোরী - রঙের ব্যবহার ন্যূনতম - কিন্ত যেটুকু রঙ, সে ভারী নজরকাড়া।

    এ ছবি নিয়ে কথা বলার আগে ব্যাঙ্কসির আরেকখানা সাড়া জাগানো ছবির কথা বলে নেওয়া যাক - বেলুন গার্ল। একটি কিশোরী হাওয়ায় উড়িয়ে দিয়েছে বেলুন - অথবা ভাসমান বেলুনের দিকে বাড়িয়ে দিয়েছে হাত - মেয়েটিকে ধরা হয়েছে কাঠকয়লার আঁচড়ের ধূসর কালো রঙে - স্বপ্নের বেলুনের রঙ ঘন উজ্জ্বল লাল - এ ছবি ভালোবাসার।



    বেলুন গার্ল ছবিটি নীলামে ওঠে - এবং এক মিলিয়ন পাউন্ড, অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় দশ কোটি টাকায় নীলামে বিক্রি হওয়ার পরেই ঘটে সেই আশ্চর্য ঘটনা - নীলামঘরে, সবার চোখের সামনেই, ছবিটি টুকরো টুকরো হয়ে ছিঁড়ে যায়।

    হ্যাঁ, ক্যানভাসের ফ্রেমের মধ্যে ব্যাঙ্কসি নিজেই রেখে দিয়েছিলেন একটি ছুরি-জাতীয় যন্ত্র - রিমোটের মাধ্যমে সেই ছুরি চালু করে দেন তিনি স্বয়ং - সবার চোখের সামনেই কয়েক কোটি টাকা মূল্যের শিল্পকর্ম টুকরো টুকরো হয়ে ঝুলতে থাকে ফ্রেম থেকে।

    বেলুন গার্ল ছবির নাম বদলে ব্যাঙ্কসি নতুন নাম রাখেন - লাভ গোজ ডাউন দ্য বিন।



    অর্থাৎ ভালোবাসা - ছবির মেয়েটির ভালোবাসা - উড়তে থাকা রঙীন ভালোবাসার পিছনে ধাওয়া করা মেয়েটির আবেগ - যে আবেগের চিত্ররূপের দাম উঠল নীলামঘরে এক মিলিয়ন পাউন্ড - সে পবিত্র আবেগ এই বাজার-অর্থনীতির বিকিকিনির হাটে ভেসে গিয়েছে নর্দমার জলে - না, নিজের ছবির ভিতরে থাকা বার্তার রাজনীতি নিয়ে ব্যাঙ্কসি কখনোই ধোঁয়াশা রাখেন না।

    এবারে এই ছবি - যে ছবির কথা শুরুতেই বলেছি - ছবির নাম - গেম চেঞ্জার।

    একটি কিশোর - আপনমনে বসে খেলছে। এ ছবি জুড়েও প্রচুর স্পেস ছাড়া রয়েছে। কিশোরকে আঁকা হয়েছে, এখানেও, কাঠকয়লার ধূসর কালো রঙে। ছেলেটির হাতে একটি পুতুল - সে পুতুলের পোশাক হাসপাতালের নার্সদিদিদের অনুসারী - মাথায় ক্যাপ, পরণে ইউনিফর্ম-স্কার্ট - করোনার দিনে অবশ্যম্ভাবী মাস্ক। ছেলেটির পাশে বাতিল খেলনার ঝুড়ি - বাতিলের ঝুড়িতে চোখে পড়ছে বিভিন্ন সুপারহিরো - ব্যাটম্যান, স্পাইডারম্যান ইত্যাদি।

    ছবিতে মাত্র একটু রঙ - সে রঙ নজরকাড়া লাল - নার্সের ইউনিফর্মের বুকে থাকা রেড ক্রস - দুনিয়া জুড়ে লড়াই করে চলা স্বাস্থ্যকর্মীদের অমোঘ চিহ্ন।



    হ্যাঁ, এইমুহূর্তের এই অচেনা আতঙ্কের দুঃস্বপ্ন থেকে মুক্তি পেতে হলে ব্যাটম্যান বা সুপারম্যানরা নয় - মানুন বা না মানুন, ভরসা সেই চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীরাই - গেম চেঞ্জার আর কারা-ই বা হতে পারেন!!

    বাই দ্য ওয়ে, যাঁরা উপহারকে কাঞ্চনমূল্যে যাচাই করায় বিশ্বাসী, তাঁদের উদ্দেশে জানানো যাক - এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নীলামে তোলা হলে, এ ছবির দাম দাঁড়াবে কমপক্ষে পাঁচ মিলিয়ন পাউন্ড - ভারতীয় মুদ্রায় পঞ্চাশ কোটি টাকার কাছাকাছি।

    সে কথা থাক আপাতত। এ ছবির বিষয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে দুটি বিষয় লক্ষ্যণীয় -

    এক, এই উপহারের জন্যে ব্যাঙ্কসি বেছে নিয়েছেন সেদেশের সরকারি স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে - যে স্বাস্থ্যব্যবস্থা অপটু বলে উত্তরোত্তর অভিযোগ বেড়ে চলেছে - এবং প্রাইভেট হেলথকেয়ারের সপক্ষে যুক্তি ক্রমশই বেড়ে চলেছে - এদেশের মতো ওদেশেও। যদিও, এই করোনার আমলে পরিস্থিতি মোকাবিলার ক্ষেত্রে এদেশে বেসরকারি স্বাস্থ্যপরিকাঠামোর অংশগ্রহণ নামমাত্র - অবশ্য, সেকথা আর ভেবে দেখছে কে!!!

    দুই, ছবির পুতুলটিকে ব্যাঙ্কসি এঁকেছেন নার্সের আদলে - হ্যাঁ, চিকিৎসক নন, নার্স - আমাদের স্বাস্থ্যব্যবস্থার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়েও সবচেয়ে কম স্বীকৃতি পান তাঁরাই। ডাক্তারবাবু রোগী দেখেন দিনে দুবার - কিন্তু, তাঁর পরামর্শ ঠিকমতো অনুসরণ করে, রোগীর পাশে অষ্টপ্রহর থেকে, সেবাযত্ন করে সুস্থ করেন নার্সদিদিরাই। রোগীর কথায় ডাক্তারবাবুরা ভগবান হন অনেকসময় - বিশেষণ বদলে শয়তান হতেও সময় লাগে না। কিন্তু, রোগীপরিজনের তরফে গালিগালাজ কটূক্তি নার্সদিদিদের নিত্যসঙ্গী - পাড়াপ্রতিবেশিদের চোখে সন্দেহের দৃষ্টি - ক্ষেত্রবিশেষে অল্পবিস্তর সম্মান জুটলেও ভগবান বিশেষণ তাঁদের পাওয়া হয়ে ওঠে না।

    হ্যাঁ, এই ভয়াবহ অন্ধকারের দিন থেকে আলোয় ফিরতে গেলে গেমচেঞ্জার হয়ে খেলা ঘোরাতে পারেন স্বাস্থ্যকর্মীরাই - আর সেই স্বাস্থ্যব্যবস্থার আনসাং হিরোদের অনিবার্য প্রতিনিধি নার্সদিদিরা - ব্যাঙ্কসি সঠিক জায়গাটাই ধরেছেন।

    অনেক খারাপ খবর, অনেক অসম্মান, অনেক বিদ্বেষ, অবিশ্বাস - তাবৎ অন্ধকারের মাঝে আলো জ্বালালেন ব্যাঙ্কসি - স্বাস্থ্যব্যবস্থার এক সামান্য অংশ হিসেবে অনুপ্রাণিত বোধ করলাম আমিও।

    এদেশেও তো কত বড় বড় শিল্পী - মস্ত নামীদামী মানুষ তাঁরা - তাঁদেরও ছবির দাম ওঠে লাখ লাখ টাকা, মাঝেমধ্যে কোটিও - পারেন না কেউ একটু আমাদের হয়ে কথা বলতে? আঁকতে পারেন না কেউ আমাদের অনুপ্রাণিত করার মতো একখানা ছবি??

    নাকি, এসব আটপৌরে উপাদান ঠিক ছবি আঁকার উপযুক্ত বিষয় নয়!!! ওইসব আদিখ্যেতা ওদের দেশেই মানায়!! আমাদের জন্যে তো…
  • বিভাগ : আলোচনা | ১৪ মে ২০২০ | ৭৮৩ বার পঠিত
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • Barun | 162.158.19.36 | ১৪ মে ২০২০ ১৯:৫২93321
  • বেশ।

  • Prativa Sarker | 172.68.146.133 | ১৪ মে ২০২০ ২০:২৮93323
  • আমার অশিক্ষিত চোখে ছবিগুলি খুবই সাধারণ লাগলো ! 

  • বিপ্লব রহমান | 37.111.201.117 | ১৬ মে ২০২০ ০৪:৩১93382
  • বেলুন গার্ল দারুণ,  পরের ছবি এলেবেলে মনে হয়েছে, ভাল লেগেছে নার্স দিদির  করোনা কালের ভূমিকার উপস্থাপনা। লেখাটাই সবচেয়ে বাস্তব।  ব্রেভো              

  • করোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • গুরুর মোবাইল অ্যাপ চান? খুব সহজ, অ্যাপ ডাউনলোড/ইনস্টল কিস্যু করার দরকার নেই । ফোনের ব্রাউজারে সাইট খুলুন, Add to Home Screen করুন, ইন্সট্রাকশন ফলো করুন, অ্যাপ-এর আইকন তৈরী হবে । খেয়াল রাখবেন, গুরুর মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করতে হলে গুরুতে লগইন করা বাঞ্ছনীয়।
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত