• বুলবুলভাজা  আলোচনা  বিবিধ

  • পুরাভারতের গুরুচেতনা

    দীপ্তেন লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | বিবিধ | ২৩ মে ২০১১ | ২০১ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • গুরু ব্যাপারটা নিতান্তই হিন্দু। অন্য কোনো ধর্মে বা সমাজে এর ঠিকঠাক প্যারালাল কিছু পাওয়া যায় না। শুধু শ্রদ্ধেয় শিক্ষক বা আচার্য্যই নন, গুরু সবেতেই একস্ট্রা অনেক কিছু, অনেক বেশী। অনেকাংশে বাবা-মায়ের মতনই গুরুত্বপুর্ণ। ফ্রেন্ড, গাইড অ্যান্ড ফিলোজফার। ক্রমশই এই শ্রদ্ধার সম্পর্কের সাথে আরো একটা সম্পর্ক, আরো জোরদার হয়ে উঠতে লাগল, সেটা আনুগত্যের। প্রশ্নাতীত আনুগত্য। গুরুর আদেশ অলঙ্ঘনীয়, সেটি পালনের সাথে নিজের বিচারবুদ্ধির বা বিবেকের কোনো অজুহাত থাকতে পারবেনা। এই আনুগত্য আরো বেশী করে দেখা যায় যখন গুরু হন ধর্মগুরু। উদ্দালক আরুণীর বহু প্রচলিত গল্পটি তো সবার জানা। আলের গর্ত দিয়ে যাতে জল না ঢোকে ক্ষেতে, গুরুর সেই আদেশ পালন করতে গিয়ে অনন্যোপায় হয়ে আরুণী সারারাত আলের ধারে নিজের দেহ দিয়ে ঢেকে রাখলেন আলের গর্ত্ত। পরের ভোরবেলা গুরু ধৌম তাকে খুঁজে পেয়ে উদ্ধার করলেন, খুব খুশি হলেন ও নামকরণ করলেন উদ্দালক। বা শিষ্য বিন্ধ্যপর্বত ঘাড় গুঁজে রইলো চিরকালের জন্য গুরু অগস্ত্যের ফিরে আসার জন্য। শুধু গুরু নয়, গুরুপুত্রের জন্যেও একটা ধারাবাহিক দুর্বলতা। সরাসরি রণাঙ্গনে মুখোমুখি অশ্বত্থামাকে অর্জুন তাই "মৃদুভাবে' শরাঘাত করেন। কৃষ্ণকে মনে করিয়ে দিতে হয় গুরুপুত্র বলে অবহেলার সময় এটি নয়। সাত্যকি ও কৃপাচার্য্যকে সম্পুর্ণ পরাজিত করেও তাকে বধ করেন না বা বন্দীও করেন না। এরকম, বা এর থেকেও বেশী, সম্পুর্ণ নির্বোধ, আনুগত্য অবশ্য আমরা ক্যাসাবিয়াংকার মধ্যেও দেখেছি, কিন্তু গুরুবাদের মধ্যে এই আনুগত্য বা গুরুর কর্তৃত্ব এক বিশেষ হিন্দু ঐতিহ্য। শুরুতে মনে হয়এমন ছিল না, গুরু অবশ্যই শিক্ষক। ছাত্ররাই তার শিষ্য। তবে পারস্পরিক শ্রদ্ধাটা - অন্তত প্রথম দিকে চালু ছিল। প্রভাকর ছিলেন ছাত্র। তার গুরু ছিলেন এক প্রখ্যাত মীমাংসক। একদিন ক্লাসের মধ্যে গুরুদেব একটি শ্লোকের আর কিছুতেই মানে করতে পারছিলেন না। শ্লোকটি ছিলো "অত্রতু নোক্তং তত্রাপিনোক্তোং অত: পৌনরুক্তং'। আক্ষরিক অনুবাদ হল, এখানেও বলা হয়নি, সেখানেও বলা হয়নি, অতএব পুনরুক্তি দোষ ঘটেছে। সবাই বিফল হয়ে ঝাঁপ বন্ধ করে চলে গেলে ছাত্র প্রভাকর ঐ বাক্যটাকে একটু ভেঙে লিখলেন। তুনা ও অপিনা,সন্ধিবিচ্ছেদ করে লিখলেন। ঠক করে মানেও বদলে গেল। এখন এর অর্থ দাঁড়াল, তু ভাবে বলা হলো, আবার অপি করেও বলা হলো, এর ফলে পুনরুক্তি দোষ হল। প্রভাকর এই সমাধানটি লিখে মীমাংসকের পুঁথিতে লিখে রাখলেন। শিক্ষক পরেরদিন এসে এই সমাধান পেয়ে খুব খুশি। কিন্তু তিনি তার ছাত্রের সাফল্যটি আত্মসাৎ করলেন না। প্রশ্ন করলেন কে এই সমাধান করেছে? প্রভাকরের পরিচয় পেয়ে শিক্ষক তাকেই গুরু সম্ভাষণ করলেন।

    আর আরেকটি গল্প যেটি মনু কথিত,অঙ্গিরার একটি পুত্র ছিলো বালক কিন্তু বেদজ্ঞ। সেই বালক তার কাকা জ্যাঠাদের অজ্ঞতা দেখে নিয়মিত তাদের বেদশিক্ষা দিতেন। তো সেই ছেলে তখন তার পিতৃব্যদের পুত্রক সম্বোধন করলে, তারা খুবই ক্রুদ্ধ হয়ে সটান নালিশ জানাতে দেবসভায় হাজির। কিন্তু দেবতাদের রায় গেলো বালকের পক্ষেই। রায় হলো শিক্ষক মাত্রেই পূজনীয় ও ছাত্র মাত্রেই বালকবৎ। তবে পুরা ভারতের এই গুরুনির্ভর বিদ্যাশিক্ষার একটি কারণ হতে পারে কোনো লিপির অনুপস্থিতি। যদিও এটি তর্কাতীত কিছু নয়, যেমন খোদ ঋগবেদেই (১/৪৮/৩৮) সূক্তে রয়েছে বেদ "পাঠ' করার কথা। লিপি না থাকলে পাঠ হবে কেমন ভাবে? তবে এ নিয়ে আরো বিশদ বিতর্কে না গিয়ে,পুরা ভারতে কোনো লিপি প্রচলিত ছিল না, এই কনসেনসাস সিদ্ধান্ত মেনে নিলে, পুরাভারতের গুরুমুখী জীবনের প্রয়োজন বোঝা যায়। গুরু যেটি শিখাচ্ছেন ছাত্র আর কোনো সূত্রে তার বেশী জানতে পারবেন না। একটি উদাহরণ দ্রোণের কাছে অর্জুনের অস্ত্রশিক্ষা। সব ছাত্রের সাথে অশ্বত্থামাও ছিলেন দ্রোণের অস্ত্রশিক্ষার ছাত্র। দ্রোণ তাঁর ছেলেটিকে বেশী শিখানোর জন্য সব কুরুভাইদের জল ভরে দিতে আনতেন খুব সরু মুখের কলসীতে, যাতে সময় লাগে অনেক বেশী। অর্জুন এটা বুঝতে পেরে বড় মুখের কলসে গুবগুবিয়ে জল ভরেই ছুটে চলে আসতেন দ্রোণের কাছে, যাতে কোনো ফাঁকি না পড়ে। গুরুর গুরুত্ব বুঝাতে পুরাসাহিত্য খুবই ভোকাল ছিলো। নানান কথকতা আর উপাখ্যানে রয়েছে গুরুর প্রায় ঈশ্বরত্ব অর্জনের কথা।

    তবে গুরু বল্লেই তো হবে না। সেটাও অর্জন করতে হবে,নানান সদ্‌গুণ ও জন্মসুত্রের মধ্য দিয়ে। তবে ব্যাকরণ তো সবসময়ে মানা হতই না। শুধু দ্রোণ কেন, কৃষ্ণ বলরাম গেছিলেন সন্দীপন মুনির কাছে অস্ত্রশিক্ষার জন্য। ধনুর্বেদও তো প্রচলিত আছে বশিষ্ঠমুনির নামে। দ্রোণের আগে কৃপাচার্য্য ছিলেন কুরুদের অস্ত্রশিক্ষক। তবে ব্রাহ্মণ হয়ে অস্ত্রধারণ ও যুদ্ধের জন্য বারংবার তিরস্কৃত হয়েছেন দ্রোণ ও অশ্বত্থামা- দু জনেই। মনে হয় সমাজের খুব একটা অনুমোদন ছিলো না এরকম বর্ণবিপর্যয়ী বৃত্তির। উল্টো দিকে দেখুন , ক্ষত্রিয় রাজারা বার বারেই দেখছি বেদেয় পারঙ্গম। তাদের কাছে নির্দ্বিধায় আসছেন মুনিঋষিরা।

    জনক রাজার কাছে যাজ্ঞবল্ক্য গেলে মহাতেজা রাজা উপহাস করে বললেন, কি উদ্দেশ্যে আপনার আগমন? আপনি উপঢৌকন চাইছেন (গোকামা) না ব্রহ্মবিদ্যা? যাজ্ঞবল্ক্যের ঢাক ঢাক গুড় গুড় ছিলো না, বললেন দুটোই চাই। জনক রাজা নির্দ্বিধায় ব্রহ্মজ্ঞান দিলেন,অসংকোচে তা গ্রহন করলেন ঋষি। জাত পাতের কোনো সিনই নেই। গৌতম পুত্র শ্বেতকেতু রাজা প্রবাহন জৈবলির সভায় গেলে তাকে রাজা পাঁচটি প্রশ্ন করেন। শ্বেতকেতু সেগুলির উত্তর জানতেন না। মন:ক্ষুন্ন হয়ে বাবার কাছে আসলে গৌতম মুনি জানালেন যে ঐ প্রশ্নগুলির উত্তর তাঁরও অজানা। তো বাপ ব্যাটা দুজনেই উপস্থিত হলেন রাজার কাছে। শিক্ষালাভর জন্য। রাজা বললেন দীর্ঘদিন থাকতে হবে কিন্তু। মুনি তাতেও রাজি। অবশেষে রাজা বললেন, দেখুন আপনার আগে ব্রাহ্মণদের কেউ এই বিদ্যা পায় নি। তাই না ক্ষত্রিয়দের প্রশাসন সর্বত্র।' ব্রহ্মবিদ্যার জন্য ক্ষত্রিয়দের কাছে যেতে ব্রাহ্মণেরা কুন্ঠিত ছিলেন না।

    কিন্তু উল্টোদিকে দেখি জানশ্রুতি পৌষায়ন রৈক্ক মুনিকে দিলেন ছশো গাভী, গাধায় টানা রথ ও সোনার হার। চাইলেন ব্রহ্মবিদ্যা। অতো কম মুল্যে রাজী নন ব্রহ্মিষ্ঠ। তখন রাজা দিলেন এক হাজার গরু আর নিজের মেয়েকেও। যথেষ্ট নয়। রাজা এরপর একটি গ্রামও দিলেন মুনিকে। অবশেষে মুনিও তাকে বিদ্যাদান করলেন। তো? মুশকিল হলো রৈক্ক তাকে সম্বোধন করলেন শুদ্র বলে। কী মহাপাপ!! শুদ্রকে বেদ বিদ্যা অকাতরে দিয়ে দেওয়া হোলো ? ভাষ্যকারেরা অসম্ভব কষ্টকলিপ্ত ব্যাখ্যা দিলেন এই শুদ্র সম্বোধনের। একজন বল্লেন রাজা শোকে দ্র¦ত গমন করছিলেন, এবং একটি ব্যাকরণগত ব্যাখ্যা দিয়ে প্রমাণ করতে চাইলেন যে সেই জন্যই জানশ্রুতিকে শুদ্র বলা হয়েছে। শংকরাচার্য্যও বল্লেন, হক কথা। আভিধানিক অর্থ গ্রহণ করা চলবে না।

    এর পরের প্যারাতেও রৈক্ক আবার ফ্যাসাদ বাঁধালেন। রাজকন্যার "মুখ তুলিয়া ধরিয়া রৈক্ক বলিলেন শুদ্র, তুমি এইসব (ধন দৌলত) আনিয়াছ কিন্তু (একমাত্র)এই মুখ দিয়াই আমাকে কথা বলাইতেছ।' অত:পর মহাবৃষ প্রদেশে গিয়ে মুনি সেই শুদ্র রাজাকে বেদবিদ্যা দিলেন। আর এই দ্বিতীয়বার শুদ্র সম্বোধনে বিড়ম্বিত ভাষ্যকারেরা আর কোনো কু ব্যাখ্যা দিলেন না।

    সত্যকাম বেদ বিদ্যার জন্য আশ্রমে যাওয়ার আগে মাকে জিজ্ঞেশ করলেন আমার কী গোত্র?' জবালা তাহাকে বলিলেন - পুত্র, তোমার কোন গোত্র তাহা আমি জানি না। যৌবনে বহু বিচরণ করিয়া পরিচারিণী অবস্থায় ( কিংবা যৌবনে পরিচারিণী রূপে বহুলোকের পরিচর্য্যা করিয়া) তোমাকে পাইয়াছি। আমি জানি না তোমার কোন গোত্র। আমি জবালা, তুমি সত্যকাম। তাই বলিও আমি সত্যকাম জাবাল। ভাষ্যকারেরাও হাঁ হাঁ করে ছুটে এলেন। তাই কখনো হয়? গোত্রহীন কাউকে বেদবিদ্যা দিলেই হলো?

    বললে বিশ্বাস করবেন যে শংকরাচার্য্য ও অন্যান্য ভাষ্যকারেরা ব্যখ্যা করেছিলেন, "সময়াভাবে ও লজ্জাবশত: জবালা স্বামীকে এই বিষয়ে প্রশ্ন করেন নি, এবং স্বামীর মৃত্যুর পর লজ্জা ও শোকবশত: অন্য কাউকেও জিজ্ঞেশ করেন নি।' শুধু বর্তমান যুগের রাজনীতির ও প্রাচীন শাস্ত্রকারেদের পক্ষেই এই রকম পোস্ট মডার্ন ব্যাখ্যা সম্ভব! গৌতম মুনি কিন্তু সত্যকামকে তখুনি শিষ্যত্বে বরণ করলেন।

    আর গুরু বনাম গুরুর শ্রেষ্ঠ গল্পটি দেবগুরু বৃহষ্পতি ও দানবগুরু শুক্রাচার্য্যের। এইখানে দেখি এনারা শুধু আচার্য্যই নন, এরাই ছিলেন দলপতি। বিশেষত; শুক্রাচার্য্য দানবদের অবিসংবাদিত নেতা ছিলেন। দুই পক্ষে ছল ও চূড়ান্ত অন্যায় যুদ্ধ করেছেন। শুক্রচার্য্যের মা অসুরদের আশ্রয় দিয়েছেন এই অভিযোগে বিষ্ণু ভৃগ্যপত্নীকে খন্ড খন্ড করে কেটে ফেললেন, ব্রহ্মহত্যা বা নিরস্ত্র নারীহত্যার পাপ তাঁর উপর বর্তালো না। শুক্রাচার্য্যের ছদ্মবেশে বৃহষ্পতি সাধ্বী জরন্তীকে ধর্ষণ করলেন। গুরু বনাম গুরুর লড়াই ছিলো নিতান্ত ডার্টি ফাইটিং। তবে গুরু মাত্রেই পুজ্য নয়। দু একটি ক্ষেত্রে শিষ্যরাই গুরুকে ত্যাগ করছেন। সবথেকে প্রখ্যাত কহানিটি শুক্রাচার্য্যের, তিনি অঙ্গিরস মুনির কাছে শিক্ষা নিতে গেলে তাঁর মনে হল, অঙ্গিরস তাঁর নিজের ছেলে বৃহস্পতিকেই বেশী সুবিধে দিচ্ছেন। অগত্যা শুক্রাচার্য্য তাঁর গুরু অঙ্গিরসকে ত্যাগ করে নতুন গুরুর কাছে গেলেন, গৌতম মুনি। এই বৃহস্পতি আর শুক্রাচার্য্যের রেষারেষি চলবে চিরটা কাল। হাড়মালা তন্ত্র নিশ্চয়ই অনেক অর্বাচীন, তাই পুরাভারতের টাইমস্কেলে ঠিক পরে না। কিন্তু কহানীটি এতোই প্রচলিত গুরুবাদের বিরোধী যে চুম্বকটি উল্লেখ না করে পারছি না। ডাকিনীর হানিট্র্যাপে পরে মোহিত গুরু। সেই পতিত গুরুকে, উদ্ধার করবেন তার শিষ্যই। তো, এই হল মোটামুটি পুরা ভারতের গুরু কাহিনী।
  • বিভাগ : আলোচনা | ২৩ মে ২০১১ | ২০১ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন গ্রাহক পুনঃপ্রচার
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ক্যাবাত বা দুচ্ছাই মতামত দিন