• বুলবুলভাজা  আলোচনা  বিবিধ

  • আমার পুজোনামচা

    জারিফা জাহান লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | বিবিধ | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭ | ৫৭৩ বার পঠিত | ১ জন
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • আমার পুজোনামচা

    ভোকাট্টা: নীল পাটভাঙা শাড়ি পরে, মিহি শিউলির সাদা টিপ কপালে, গায়ে কাশের গন্ধ নিয়ে সেই যে বিশ্বকর্মা পুজোর সাথে সাথে শরতের 'পুজো আসছে'র আইভরি আমেজ- সে আমার বর্ষা পরবর্তী চিরকালীন 'উৎসব অনুভূতি'র প্রাক নির্মলি।

    এই ঋতুকালীন হুল্লোড় : কালো কালো মেঘের ছড়ি ঘোরানো হঠাৎ থেমে গিয়ে আকাশের নিঃশ্বাস ফেলার দু'দন্ড ফুরসৎ, পুকুরের জলের শাপলা-পদ্ম নিয়ে সবজেটে স্বপ্ন দেখার খুব ধুমধাম, রাস্তাঘাটে-পিচে জমা পুরু কাদার পরত ধুয়ে গিয়ে শ্যাওলাহীন মুখ বের করার খুশি মেহনত, খোলা মাঠে একগুচ্ছ কাশের ধীর লয়ে রোদে লুকোচুরি - এসবেই কোথাও পুজোর নৈবেদ্য, প্রসাদ, নতুন জামা, আরতি, ধুনুচি নাচ, ঢাকের বাদ্যির আগমন সমাচার, অদৃশ্য ফিতে কেটে দেয় যেন প্রকৃতি শারদাগমের।

    'পথের পাঁচালী'র রেললাইনের ধারে কাশফুল কিংবা 'জয় বাবা ফেলুনাথ'এ "পরশু তো ষষ্ঠী, আপনার কাজ পরশুর মধ্যে শেষ হবে?" বাঙালির ল্যাজে সুড়সুড়ি-সেন্টুতে ফুক্কুড়ি কাটার বহু আগে থেকেই মা দুর্গা আমাদের ওপর বিশেষ প্রসন্ন, আমাদের ঘরের মেয়ে, তাই ভেজ-ননভেজের পিট্টু 'চু-কিৎ কিৎ' ফেলে এ পুজো 'পুজো'র রীতি ছড়িয়ে উৎসবের ডেফিনিশনকে নার্ভফেল করিয়ে ছেড়েছে এক ছক্কায়। অতএব জাতি হিসেবে এই 'পুজো-পুজো ইয়ে' ই আমাদের ধরাধামে ফুর্তি - হুল্লোড় জুড়তি।

    তা এই আমাদের মধ্যেও ফুটাস্কোপ দিয়ে ছেঁকে পাওয়া 'আমরা', যারা বিশুদ্ধবাদি কচকচানিতে ধর্মের পরিসংখ্যান মেপে 'সংখ্যালঘু' আওতায় পড়ি, হ্যাঁ, তাদের কাছেও এটা উৎসব - ভিড়ে ঘামের গন্ধ হজমে - পায়ের ফোস্কা মলমে হাউমাউ প্রগালভতার আমুদে সেলিব্রেশন বচ্ছরকার এই চারটে দিন এবং তা আমি পুজো সংখ্যার বর্ষাকালীন টুকি মারারও বহু আগে থেকে আশায়-অপেক্ষায় আঙুল গুনি। যেহেতু লঘু-গুরুর প্রসঙ্গ হাঁটি-হাঁটি-পা-পা করে এসে থেবড়ে বসেই পড়ল, তখন বলেই ফেলি, অফিস- কাছারিতে একটা দিনও যে ঈদের জন্য বরাদ্দ নেই (ফ্লেক্সি আছে খালি) - এইটা সারারাত পুজোয় ঘুরে রোল-বিরিয়ানি-আইসক্রিম-চাউমিন-ফুচকা একসাথে হজম করার থেকেও সত্যি বেশ কষ্টকর। শুধু এটুকুই 'অভিযোগ' ভেবে যেসব চরমপন্থী হনুর আঁতে হওয়া ঘা'য়ে কয়েক চিমটে নুন পড়ে গেছে বলে রে-রে করতে আসবেন ভেবে আস্তিন গুটাচ্ছেন, তাদের বলি, বাংলাদেশে এই লঘু-গুরুর হিসেবটা এ বঙ্গদেশের মাপে এক্কেরে লুডোর গুটি - ছক্কা আর পুঁটের মাপজোখ : সেখানে পুজোর বদলে তাই ঈদসংখ্যা বেরোয়, তিনদিন ছুটি বরাদ্দ, সাথে টিভিতে বিশেষ অনুষ্ঠান এবং 'দ্য কাউন্টডাউন বিগিন্স' জাস্ট লাইক বঙ্গদেশের পুজো। কিন্তু তবুও ঈদ, দুর্গাপুজোর মতো 'সার্বজনীন' হয়ে উঠতে পারেনি ধর্মীয় বেড়াজালে অক্সিজেন লেভেল কমিয়ে।

    ঈদের সকালে বাড়ির ছেলেরাই শুধু নামাজ পড়তে যায় (কিছু 'প্রগতিশীল' ঈদগাহে মেয়েরা অবশ্যি হাল আমলে নামাজ পড়ে তবে ওই আর কী, 'পর্দা মেনে')। আব্বু মসজিদে রওনা হওয়ার আগে আম্মি মিষ্টিমুখ করাতে ভোর ভোর উঠেই ( নামাজ মোটামুটি ৭-৮ টা নাগাদই শুরু হয়ে যায়) সিমাই-লাচ্ছা বানিয়ে রাখে। এরপর বাড়িতে বন্ধু-বান্ধব-আত্মীয় আসার পালা, সুতরাং একটু বিশ্রাম নিয়েই শুরু হয় বিরিয়ানি-চাপ বানানোর তোড়জোড়। আমরা ছেলেপুলেরা টুকটাক ফাই-ফরমাশ খেটে দিই আর ভাবি নতুন জামা কখন পরব। কিন্তু তারপর আর কতদূরই বা যাব, অগত্যা ফটোসেশন শেষ হলে দু'এক বাড়ি ঘুরে এসে বন্ধুদের সাথে আম্মির বানানো বিরিয়ানির ওপর হামলে পড়া আর ঢেঁকুর তোলার ফাঁকেই ঈদ কেমন ফুরিয়ে যায়।

    পুজোয় ঠাকুর দেখা - না দেখার প্ল্যান আপডেটেড হোক বা না হোক বাড়ির সবাই একদিন-বন্ধুরা একদিন- পাড়ায় আড্ডা একদিন-মিষ্টি নিয়ে আত্মীয়ের বাড়ি একদিন : এই অলিখিত গোলকধাঁধা, ম্যারাপ বাঁধার বহু আগে থেকেই শরতের খুশি খুশি রোদ্দুরপালকে আঁকা হয়ে যায় মরশুমি পীরিত।

    কলকাতার ভিড়ভাট্টা থেকে যে বছর পালাতে মন চায়, পাততাড়ি গুটিয়ে চলে যাই সুন্দরবনের কাছে কোনো এক গ্রামে। মেকমাইট্রিপে টেনশনকে মুড়ি-বাতাসা খাইয়ে জলপট্টি দেওয়ার রিস্ক কাটাতে নয়, শিমলা-মানালি-গোয়ার যে বহুচর্চিত 'ভ্রমণপিপাসু' সাইকেল, যেখানেই যাইবে বাঙালিই পাইবে - ধারণাকে এবেলা স্রেফ বেরসিক দশেরার তুবড়িবাজি থেকে কানে তুলো দিয়ে মনকে লেবুজল খাওয়াতেই বাংলায় থাকা। একটা ছোট্ট গ্রাম : হিন্দু-মুসলিম মিলে গুটিকয়েক বসত, সন্ধ্যে কাটে যেখানে চাঁদের আলোয়, পুজোর চারদিন ছেলেমেয়ে সব দল বেঁধে নতুন জামা পরে গ্রামের ছোট্ট বাঁশের প্যান্ডেলের সামনে জড়ো হচ্ছে, কিশোর কুমার এই হানি সিং এর গুঁতানো টপকে এ কলিকালেও দিব্যি গাইতে পারছেন 'শিং নেই তবু নাম তার সিংহ' - এই হল বাংলায় দুর্গা মায়ের মাহাত্ম্য।

    বারাসতের মেয়ে, তাই পুজোপ্রসঙ্গে মা কালীকে না টানলে, অভিশাপে, কানে বিরাশি সিক্কার চড়ের জন্য এবার থেকে টেনিদা প্যালারামের বদলে আমাকে টার্গেট করতেই পারে, অতএব সে বিষয়ে বলি, বেশ ধুপধুনো - থিম - লাইটিং - গাজরমার্কা তুবড়ি - উৎসাহ ভিড়, আয়োজনে কোথাও এতটুকু কমতি না থাকলেও এটা আমার কাছে স্রেফ পুজো : ঠাকুর দেখা - ঘুরে বেড়ানো পুজো। দুর্গাপুজোর মতো এমন দিলদার ফুর্তি আঁচলে নিয়ে 'উৎসব' হয়ে ওঠেনি, উঠতে পারেনি, যেভাবে ঈদ সার্বজনীন উৎসব হয়ে উঠতে পারেনি আপামর বাংলায়।

    উৎসব ফুরোলেই ইতিবৃত্তের শুরু। একই রুটিন, একই একঘেয়েমি। বিসর্জনের আগে এত যে শিউলি, এত যে মুহূর্তের আনন্দমাখা, নবমীর রাত থেকেই সেসব কেমন বিষণ্ণ হতে শুরু করে - জ্যোৎস্নায় অন্ধকার ধুয়ে গেলেও যে মনোগত আঁধার ছোঁয়াচে লেগে থাকে চোখে : ঠিক তেমনি এক নিথর মনখারাপিয়া, বিষাদ- আহ্লাদী গুফতাগু বুকে নিয়ে শুরু হয় আরও এক অপেক্ষার; স্নিগ্ধ, বছরভর, প্রহর গোনা এক আগমনী উৎসবের।

  • বিভাগ : আলোচনা | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭ | ৫৭৩ বার পঠিত | ১ জন
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন গ্রাহক পুনঃপ্রচার
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • প্রতিভা | 37.5.138.255 (*) | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ০১:৩৩81965
  • ঘরে বসে নির্ভেজাল শারদীয়া আমেজ চান ? তো জারিফা জাহানের লেখা পড়ুন।
  • aranya | 172.118.16.5 (*) | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ০২:৪৪81966
  • ভাল লাগল।

    দুটো শব্দের অর্থ জানতে চাই -

    'আমার বর্ষা পরবর্তী চিরকালীন 'উৎসব অনুভূতি'র প্রাক নির্মলি' - এখানে নির্মলি শব্দ-টার

    আর 'আহ্লাদী গুফতাগু ' - এখানে গুফতাগু শব্দের
  • জারিফা | 125.118.217.178 (*) | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ০৩:০০81967
  • অনেক ধন্যবাদ অ।
    প্রতিভা দি, আপনার এই মন্তব্যই আমার পুজোর এবারের সেরা উপহার।
    অরণ্য দা, 'নির্মলি' শব্দটা সে অর্থে বহুল প্রচলিত নয়, কিছু লেখাতে এর ব্যবহার দেখেছি। অনাবিল রেশ - এই অর্থেই প্রচলিত। আর গুফতাগু এক্ষেত্রে 'ফিসফিস' অর্থ ধরে রেখেই জুড়েছি আহ্লাদের সাথে : ভেতর ভেতর আনন্দের যে দ‍্যোতনা, আমার সাথেই আমার অনুভূতির কথোপকথন - সেটা বোঝাতে
  • aranya | 172.118.16.5 (*) | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ০৩:০৯81968
  • গুফতগু বলে একটা শব্দ শুনেছিলাম, গুফতাগু কি একই শব্দ?

    সব লেখায় মন্তব্য করা হয় না, তবে পড়ি সবই। দূর্দান্ত লিখছ (তুমিই বললাম)।

    এই স্টাইল-টা বড় লেখায় (বড় আর্টিকল, বা গল্প-উপন্যাসে) কেমন লাগবে, দেখতে ইচ্ছে করে
  • জারিফা | 125.118.218.176 (*) | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ০৩:৫৮81969
  • অনেক ধন্যবাদ অরণ্য দা। 'তুমি' ই একদম ঠিক আছে :)
    বড় লেখা একদম লেখা হয়না, তবে চেষ্টা করব কখনো নিশ্চয়ই।

    হ্যাঁ, একই শব্দ। গুফতাগু, গুফতগু...ওই উচ্চারণের হেরফেরে লিখেছি।
  • সিকি | 116.222.41.47 (*) | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ০৫:০৪81970
  • গুফতগু মানে গসিপ।
  • | 52.110.132.11 (*) | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ১২:৪৮81964
  • যথারীতি সুস্বাদু গদ্যের প্রচুর লক্ষণ!
    'কষ্টকর' শব্দটার অভিঘাত বেশ সুতীব্র এবং বাস্তব।অস্বীকার করার উপায় কম।
  • Rabaahuta | 132.167.140.144 (*) | ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ০২:৩২81973
  • ডিডি ওয়ানে গীত গজলের অনুষ্ঠান হতো, ওখানে 'গুফতগু' শুনে শুনে সবার এত পছন্দ হয়েছিল যে বাড়ির কথাবার্তার শব্দভান্ডারে শব্দটা রীতিমতো ঢুকে গেছিল।
  • | 52.106.3.241 (*) | ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ১১:১৪81971
  • গসিপ? এটা কোন ভাষায়?

    আমার যদ্দুর মনে পড়ছে কোন একটা ইংরেজি ডিকশনারিতে দেখেছিলাম উর্দু শব্দ হিসেবে whispering sweet nothing। তাহলে ফিসফিস করা যা জারিফা বলছেন তাইই হয়।
  • | 52.106.3.241 (*) | ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ১১:১৬81972
  • লেখা অসাধারণ লাগল
  • b | 135.20.82.164 (*) | ০৬ অক্টোবর ২০১৭ ১১:০১81974
  • হরেক বাতমে পুছতে হো কি তু ক্যা হ্যায়।
    তুমহি কহো কে ইয়ে আন্দাজ-এ-গুফত-গু ক্যা হ্যায়

    রগোঁ মে দৌড়নে ফিরনে কে ম্যাঁয় নহি কায়ল
    অগর আঁখ সে হি ন টপকে তো ফির লোহু ক্যা হ্যায়?

    ইত্যাদি।
  • de | 69.185.236.52 (*) | ০৯ অক্টোবর ২০১৭ ১১:৫৪81975
  • ক্ষী ভালো!!
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। বুদ্ধি করে মতামত দিন