• বুলবুলভাজা  ধারাবাহিক  অপর বাংলা

  • আমার কারাবাস এবং - প্রথম কিস্তি

    আসিফ মহিউদ্দীন লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | অপর বাংলা | ১৭ জুলাই ২০১৩ | ৩১৮ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • সেই প্রথম দিনের জেল প্রবেশের কথা মনে পড়ছে।

     গাড়ি থেকে যখন নামানো হল, তখন আমরা সংখ্যায় পরিণত হয়েছিলাম। গরু বাছুরের মত আমাদের বারবার গোনা হচ্ছিল, এরপরে একটা অন্ধকার করিডোরে নিয়ে যাওয়া হল। আমরা চারজন একজনার পিছনে আরেকজন ঢুকছি, আমাদের সামনে পিছনে চারজন কারা প্রহরী। সবার আগে রাসেল ভাই, তারপরে শুভ, তারপরে আমি, সবশেষে বিপ্লব ভাই। আমাদের ১৪ সেলে নিয়ে গেল। ১৪ সেলের দরজা দিয়ে ঢোকার সাথে সাথেই চারদিক থেকে চিৎকার চেঁচামেচি শুরু হয়ে গেল, তাদের টিনের বাসন দিয়ে শব্দ করে কান ঝালাপালা আবস্থা। তারা সবাই একসাথে স্লোগান দিতে লাগলো; বলতে লাগলো, "নাস্তিকমুক্ত জেলখানা চাই", "নাস্তিকদের আজই ফাঁসি চাই", "জেলখানায় নাস্তিক, মানি না মানবো না"।

    একটা সিনেমাতে এমনটা দেখেছিলাম। খুব বিখ্যাত একজন খুনী জেলে ঢোকার পরে সিনেমাটায় এমন হয়েছিল। জেলখানায় খুনী ধর্ষক মাদকব্যবসায়ী সকলেই আছেন, এমন কোন অপরাধ নেই যা এক একজন করে নি। কেউ নিজের মা কে হত্যা করেছে তো কেউ ছোট একটা বাচ্চা মেয়েকে ধর্ষন করেছে, আবার কেউ ২০-২৫ টা খুন করেছে, কেউ বা দেশ ফেনসিডিলের বন্যায় ভাসিয়ে দিয়েছে। সবাই আছে থাকবে ছিল, কিন্তু পুরো জেলখানায় চারজন ধর্মে অবিশ্বাসী নাস্তিকের জায়গা নেই! যেন পৃথিবীর সবচাইতে বড় অপরাধ হচ্ছে ঈশ্বরে অবিশ্বাস করা, মনে হচ্ছিল চিন্তা করতে পারার মত, নিজের বিশ্বাস অবিশ্বাসের সিদ্ধান্ত নিজে পছন্দ করার মত খারাপ কাজ এই শতাব্দীতে আর একটিও নেই।

     সত্যিকথা বলতে কী, এই কথাটি বলে তারা ধার্মিকদের জয়গান গাইলো নাকি প্রকারান্তরে নাস্তিকদেরই জয়ধ্বনি দিল, সেটা বোঝা গেল না। কারণ জেলখানা তারা ধার্মিক দিয়ে পূর্ণ করে ফেললে ধর্মের সম্মান হয় নাকি অসম্মান, সেটা একটা সুন্দর বিতর্কের বিষয় হতে পারে, তবে সেই বিতর্কে তখন যাবার মত অবস্থা ছিল না। আমি সম্ভবত তাদের বেশ পছন্দের ছিলাম, তারা বলতে লাগলো, "ঐ যে তিন নম্বরটা আসিফ মহিউদ্দীন" এবং সেই সাথে আমার পরিবার পরিজন পূর্বপুরুষের সবাইকে খুব সভ্য ভদ্র মার্জিত ভাষার বুলি সমূহ। স্বঘোষিত ধর্মরক্ষকগণের এহেন বুলি শুনে কারো মনে তাদের পবিত্র ধর্ম সম্পর্কে কী ধারণা হওয়া উচিত, তা পাঠক মাত্রই বুঝে নেবেন। এর চাইতে বেশি কিছু বলা শোভন হবে না, এই মুহূর্তে আরেকটি মামলা খেয়ে যাবার কোন ইচ্ছা নেই। তবে খাঁটি ধর্মপ্রাণ সমাজ আসলেই এরকমই হবে, এরকমই হবার কথা।

     যাইহোক, আমাদের ঢোকানো হল একটি ১০/৬ ফুট সেলে, রুম নম্বর ১০; চারজন সেই রুমে ঢোকার পরে তালা লাগিয়ে দেয়া হলো, এবং তখনও চারিদিকে প্রচণ্ড হৈচৈ, হট্টগোল। আমাদের সবাইকে তারা সকাল বেলা কীভাবে জবাই করবে, আমাদের কোন পথে কী প্রবেশ করাবে, তার পুংখানুপুংখ বর্ণনা তারা দিয়ে গেলো। একজন লুঙ্গি খুলে নাচতে শুরু করলো, এবং আমাদের ডাকতে লাগলো, ডেকে ডেকে তার বিশেষ বিশেষ অঙ্গ প্রত্যঙ্গ প্রদর্শন করতে লাগলো। সকালে তারা লাইন ধরে কীভাবে ঐ প্রত্যঙ্গ দিয়ে অনেক কিছুই করবে বলে হুমকি দিল, আর আমরা অবাক হয়ে ভাবতে লাগলা, এদের নামই তবে ধার্মিক? ভয়াবহ বীভৎস পরিস্থিতি। আমরা চুপচাপ সব শুনে যাচ্ছি, কারণ আমাদের কিছুই করার নেই। রুমের ভেতরে একটা ফ্যান ঘুরছে, তারপরেও প্রচণ্ড গরমে আমরা দর দর করে ঘামছি।

     একটু পরে কেউ একজন বাইরে থেকে আমাদের ফ্যানটি বন্ধ করে ষোলকলা পূর্ণ করলো। রুমের ভেতরে তখন মোটামুটি সাহারা মরুভুমির মত অবস্থা। নিচের ময়লা কম্বল আমাদের ঘামে ভিজে যাচ্ছে। কারো কাছে সিগারেট ছিল না, আমি বুদ্ধি করে ঢোকার সময় ২৪০ টাকা দিয়ে এক প্যাকেট বেনসনের ব্যাবস্থা করেছিলাম। প্যাকেটটা বের করতেই দেখা গেল, সবার কাছ থেকেই লাইটার এবং ম্যাচ রেখে দেয়া হয়েছে। আমরা কারারক্ষীদের ডাকতে লাগলাম। কারারক্ষীদের দূর থেকে দেখা যাচ্ছে, কিন্তু তারা সামনে আসছে না। দূরে বসে মজা দেখছে। প্রায় ঘন্টাদুয়েক ডাকাডাকির পরে একজন আসলো, এবং বললো কী হইছে। আমরা ফ্যানটা ছেড়ে দিতে বললাম, সে ফ্যানটা ছেড়ে বললো কেউ মনে হয় ভুলে বন্ধ করে দিয়েছে! বুঝতে পারলাম তারাই এই কাজটি করেছে। এরপরে অনেক অনুনয় বিনয়ের পরেও সে একটা লাইটার বা ম্যাচ আমাদের দিলো না। সারারাত সিগারেটের প্যাকেট নিয়ে বসে থাকলাম আর তাদের চেঁচামেচি শুনলাম, আমি একটা সিগারেট বের করে ঠোঁটে নিয়ে টানার চেষ্টা করছিলাম। তখন মনে হচ্ছিল এই রকম পরিস্থিতিতে কী করা উচিত আসলে!

    সকালের জন্য অপেক্ষ করছিলাম, সকালে কিছু না কিছু একটা ব্যবস্থা হবেই। প্রচণ্ড ভীত তখন, সকালে কী হবে জানি না। হয় কোন ব্যবস্থা হবে, নতুবা একপাল ভয়ঙ্কর অপরাধী আমাদের চারজনকে কচুকাটা করবে। গরমে ঘুম বারবার ভেঙ্গে যাচ্ছে, ঘেমে নেয়ে উঠছি আর শুনছি আমাদের বিরুদ্ধে তখনও স্লোগান চলছে। তাদের গালি গুলো অসম্ভব সৃজনশীল, কীভাবে তারা এই গালিগুলো চিন্তা করে বের করে সেটা এক অশ্চর্য বিষয়! তখনও আমরা জানি না আমাদের ছেড়ে দেবে নাকি আটকে রাখবে। আমরা ভাবছি আজকের রাতটাই তো, সকালেই ছেড়ে দেবে। আমাদের বিরুদ্ধে তো পুলিশ কোন প্রমাণ হাজির করতে পারে নি। তখনও জানতাম না, দুঃস্বপ্নের সবে শুরু।


  • বিভাগ : ধারাবাহিক | ১৭ জুলাই ২০১৩ | ৩১৮ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন গ্রাহক পুনঃপ্রচার
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • শিবু | 84.125.59.177 (*) | ১৭ জুলাই ২০১৩ ০৯:০১77639
  • দাড়িদাদু এরকম সিচুয়েশনের কথা ভেবেছিলেন।

    ধিক্‌ ধিক্‌!
    পূর্ণ মোরা বহু পাপে, কিন্তু রে ঋত্বিক্‌,
    শুধু একা তোর তরে একটি নরক
    কেন সৃজে নাই বিধি! খুঁজে যমলোক
    তব সহবাসযোগ্য নাহি মিলে পাপী।
  • বিপ্লব রহমান | 212.164.212.20 (*) | ১৯ জুলাই ২০১৩ ০১:২৮77646
  • "জেলখানায় খুনী ধর্ষক মাদকব্যবসায়ী সকলেই আছেন, এমন কোন অপরাধ নেই যা এক একজন করে নি। কেউ নিজের মা কে হত্যা করেছে তো কেউ ছোট একটা বাচ্চা মেয়েকে ধর্ষন করেছে, আবার কেউ ২০-২৫ টা খুন করেছে, কেউ বা দেশ ফেনসিডিলের বন্যায় ভাসিয়ে দিয়েছে। সবাই আছে থাকবে ছিল, কিন্তু পুরো জেলখানায় চারজন ধর্মে অবিশ্বাসী নাস্তিকের জায়গা নেই! যেন পৃথিবীর সবচাইতে বড় অপরাধ হচ্ছে ঈশ্বরে অবিশ্বাস করা, মনে হচ্ছিল চিন্তা করতে পারার মত, নিজের বিশ্বাস অবিশ্বাসের সিদ্ধান্ত নিজে পছন্দ করার মত খারাপ কাজ এই শতাব্দীতে আর একটিও নেই।"

    হুমায়ুন আজাদের ভাষায় বলতে হয়, এই বাংলাদেশই কি আমরা চেয়েছিলাম?...

    গুচ'কে সাধুবাদ জানাই, বাংলাদেশের ব্লগারদের দুর্দিনে আবারো পাশে এসে দাঁড়ানোর জন্য। নিদানকালে এই সহমর্মিতা, সহযোগিতাটুকু সামান্য নয়। শাবাশ গুরু!
  • নাটের গুরু | 127.203.178.127 (*) | ১৯ জুলাই ২০১৩ ০৮:১৩77640
  • আস্তিকদের পাপ করলেও পূণ্যি ফাউ হিসেবে পাওয়ার দেদার সুযোগ আছে। দান-দক্ষিণে, সিন্নি-কেত্তন করে ওরা ঢাহাঁ খালাস। সেদিক দিয়ে দেখলে নাস্তিকরা যুক্তি-তক্কের দীক্ষা নেওয়ামাত্র-ই মহাপাতকে পরিণত হয়। এখানেই পাপিষ্ঠ নাগরিক, শাসক সবার ঘাড়-গর্দানের রোঁয়া ফুলে ওঠে !!
    মাজা পুকুরের মতো বিটকেল গন্ধ ছাড়া ডেমোক্রেসির ছবিটা বুঝে নিতে চোখ থাকবে আসিফ মহিউদ্দিনের লেখায়।
  • সে | 203.108.233.65 (*) | ১৯ জুলাই ২০১৩ ০৮:২৭77641
  • কোন অপরাধে জেলে পাঠানো হয়েছিলো? নাস্তিক হওয়া কোনো ক্রাইম নাকি!!! ভয়াবহ অবস্থা তো! এটা কোন সালের ঘটনা?
  • | 24.97.68.165 (*) | ১৯ জুলাই ২০১৩ ০৮:৫৬77642
  • এটা শাহবাগ আন্দোলন চলার সময়ের ঘটনা, থাবা বাবা খুন হওয়ার পরে, যদ্দুর মনে হচ্ছে ত্বকী খুন হওয়ারও পরে এই 'নাস্তিক' বলে ধরপাকড় শুরু হয়।

    http://en.rsf.org/bangladesh-blogger-asif-mohiuddin-arrested-03-04-2013,44295.html
  • siki | 132.177.46.190 (*) | ১৯ জুলাই ২০১৩ ০৯:৫৩77643
  • বাংলাদেশের একটা বড় অংশের কাছেই নাস্তিক ব্যাপারটা খুব ঘৃণ্য গালাগাল টাইপের ব্যাপার। কেউ নাস্তিক জানলে তাকে সব রকমভাবে হিউমিলিয়েট করা হয়। কাউকে খুব খিস্তি মারতে হলে নাস্তিক বললেই চলে।

    শুনলে কী রকম মনে হয় একটা ইনসেনদের দেশ!
  • siki | 132.177.46.190 (*) | ১৯ জুলাই ২০১৩ ০৯:৫৭77644
  • হাতে গরম উদাহরণ -



    হুমায়ুন আহমেদকে নাস্তিক বলে মরণোত্তর বিচার চেয়েছেন একজন। তাতে চটে গিয়ে আরেকজন ফেসবুকে খুব চেঁচাচ্ছেন, হুমায়ুন আহমেদকে অকমান করা হয়েছে বলে।

    এটা আপনার আমার মোটা মাথায় ঢুকবে না, কাউকে নাস্তিক বললে অকমানটা কী করে হয়, আর নাস্তিক হলে তার বিচারটাই বা কীসের হয়!
  • শ্রী সদা | 132.176.98.243 (*) | ১৯ জুলাই ২০১৩ ১০:০১77645
  • এই ঢ্যামনামোগুলো দেখলে মনে হয় জীবনে যদি সত্যিকারের ভালো কিছু করে থাকি তবে সেটা হল নাস্তিক হওয়া এবং কথায় কথায় ধর্ম মারানো লোকজনকে যদ্দুর সম্ভব চাট দেওয়ার অভ্যেস তৈরী করা।
  • বিপ্লব রহমান | 212.164.212.20 (*) | ২৪ জুলাই ২০১৩ ০২:১৬77647
  • পুনশ্চ: আসিফের জামিনে মুক্তির ক্ষণে লেখা আমার নোট, তাৎক্ষণিক ভাবনা:
    http://biplobcht.blogspot.com/2013/06/blog-post.html

    নোটটি মুক্তমনাতেও আছে।

    জয় হোক মুক্তচিন্তার, শুভবুদ্ধির !
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। কল্পনাতীত মতামত দিন