• বুলবুলভাজা  ধারাবাহিক  অপর বাংলা

  • আমার কারাবাস এবং - তৃতীয় কিস্তি

    আসিফ মহিউদ্দীন লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | অপর বাংলা | ২০ আগস্ট ২০১৩ | ৩২৬ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • তখন রাত দেড়টা। ডিবি অফিসে হাজতখানার পাশের লম্বা টুলে শুয়ে শুয়ে আমি যতীন সরকারের একটি বই পড়ছি(অনেক কষ্টে বই পড়ার অনুমতি পেয়েছিলাম); গোয়েন্দা পুলিশের উপ-কমিশনার কয়েকজন পুলিশ সহ আসলেন দুইজন হেফাজত ইসলামের সদস্যকে নিয়ে। সদস্যদ্বয় বয়সে তরুণ, একজনার দাড়ি বড় হয়েছে, আরেকজনার দাড়ি এখনও বেশি গজায় নি।

    আমাকে দেখিয়ে পুলিশ উপ-কমিশনার জিজ্ঞেস করলেন, এই লোককে চেনোস?

    তারা দুইজন আমার দিকে অনেকক্ষণ তাকিয়ে থাকলো, তারপরে বড় জন চোখ বড় বড় করে বললো, হ স্যার চিনি। এর নাম আসিফ মহিউদ্দীন। পেপারে এর ফটো দেখছি।

    কমিশনারঃ এই লোক কে?

    হেফাজতঃ এই লোক বলকার, শাহবাগ পার্টি। বিরাট নাস্তিক, নাস্তিকগো সর্দার।

    কমিশনারঃ এই লোকেরে বাইরে পাইলে কী করবি?

    হেফাজতঃ ইনশাল্লাহ জবাই দিমু।

    কমিশনারঃ হালা কত্ত বড় সাহস, আমার সামনে এই কথা কইলি? কেন জবাই দিবি?

    হেফাজতঃ এই লোক ইসলাম আর নবী নিয়া ব্লগে খারাপ কথা কইছে।

    কমিশনারঃ তুই কি ব্লগ পড়স?

    হেফাজতঃ না স্যার, আমার বড় হুজুরে কইছে।

    কমিশনারঃ তোর বড় হুজুর কি ইন্টারনেট চালায়? সে ব্লগে গিয়া পড়ছে?

    হেফাজতঃ না স্যার সে কম্পিউটার চালাইতে পারে না। সে পেপারে পড়ছে।

    কমিশনারঃ কোন পেপারে?

    হেফাজতঃ আমারদেশ পেপারে।

    কমিশনারঃ তুই কি ব্লগে ঢুইকা দেখছস তার লেখা? না দেইখাই জবাই দিবি?

    হেফাজতঃ স্যার, কথা যখন উঠছে কিছু না কিছু তো হইছেই, নাইলে পেপারে আইবো ক্যান? তার উপরে সে নিজে স্বীকার করে সে নাস্তিক। হাদিসে আছে ইসলাম ত্যাগের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। তাই জবাই দেয়াই লাগলো। আমাগো কিছু করার নাই স্যার, যেইটা নিয়ম সেইটাই।

    সেই রাত্রে এই দুই হেফাজতির জন্য কোন খাবার ছিল না, ক্যান্টিন ৯ টার সময়ই বন্ধ হয়ে যায়। আমি তাদের একটু কেক খেতে দিলাম, কিন্তু তারা নাস্তিকের খাবার খাবে না, যদিও তাদের চেহারা দেখে বেশ বোঝা যাচ্ছিল তারা ক্ষুধার্ত। এরপরে কমিশনার আমার দিকে তাকালেন। বললেন আপনি এদের সাথে একটু আলাপ করেন, আমরা একটু শুনি। আমি আলাপ শুরু করলাম।

    এই ধরণের মাদ্রাসার ছাত্রদের কিভাবে নাস্তানাবুদ বানাতে হয়, সেটা আমার জন্য খুব কঠিন না। ৩০ মিনিটের মধ্যে পুলিশের চরম ধার্মিক ব্যক্তিটিও দেখি আমার সুরে কথা বলতে শুরু করেছে। কমিশনার থেকে শুরু করে সবাই তখন মোটামুটি আমার পক্ষ হয়ে তাদের সাথে তর্ক করছে। যদিও তারা ব্যাপক ধর্মপ্রাণ, কিন্তু আমি এমন কয়েকটা প্রশ্ন করেছি যে, বেচারাদের চেহারা লাল হয়ে গেছিল। আমতা আমতা করে বলছে, এই প্রশ্নের উত্তর তাদের কাছে নাই, বড় হুজুরের কাছে জিজ্ঞেস ক’রে তারা পরে আমাকে এই উত্তর জানাবে। এই নিয়ে হাজত খানায় ব্যাপক হট্টগোল, দুই পক্ষ হয়ে চরম তর্ক বিতর্ক। একদল আমার পক্ষ, আরেকদল ঐ পক্ষ। ঐ পক্ষ বলছে ধর্ম নিয়ে যুক্তি দেয়া ঠিক না, আরেকপক্ষ বলছে প্রশ্নের উত্তর দিতে পারোস না তোরা কিয়ের হেফাজত করোস? কিয়ের নামাজ রোজা করোস? এরপরে নানাভাবে ব্যর্থ হয়ে দুই হেফাজতি আমাকে তাদের সাথে নামাজ পড়তে অনুরোধ জানালো, বললো নামাজে দাঁড়ালেই নাকি আমি সব উত্তর পেয়ে যাবো! আমি বললাম আমি যেহেতু কোন ধর্মেই বিশ্বাসী না, সেহেতু প্রার্থনা আমার জন্য কোন অর্থ বহন করে না। নামাজের পরে আরো ২ ঘণ্টা কথা বললাম। দুই ঘণ্টা পরে তারা আর আমার সাথে কথা বলবে না বলে প্রতিজ্ঞা করলো, কারণ আমার সাথে কথা বললে নাকি তাদের ইমান দুর্বল হয়ে যাবার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে!

    এর দুইদিন পরে। আমি বসে আছি উপ-কমিশনারের রুমে। বড় হেফাজতিটাকে নিয়ে আসা হলো। আমাকে দেখিয়ে বলা হলো, এই লোকটা কেমন? মানে মানুষ কেমন?

    হেফাজতিটা বললো, সে মানুষ হিসেবে ভাল। মনটা ভাল আছে, লোক খারাপ না, কিন্তু সমস্যা হইলো নাস্তিক। নাস্তিক না হইলে তারে খুব ভাল মানুষই বলা যাইতো।

    কমিশনারঃ এখন বল, এরপরে এরে রাস্তায় পাইলে কি করবি?

    হেফাজতিঃ স্যার ইনশাল্লাহ জবাই দিমু?

    কমিশনারঃ কি কস? তুই না কইলি মানুষ ভাল, তাইলে জবাই দিবি ক্যান?

    হেফাজতিঃ স্যার এইটা হাদিসে আছে, আমাগো ধর্মের নিয়ম। ধর্মের বাইরে তো যাইতে পারুম না। সে যত ভাল মানুষই হোক, নাস্তিক হইছে মানে এরে আল্লাহর নামে শাস্তি দেয়া ছাড়া উপায় নাই। এ যদি তওবা কইরা আবার মুসলমান হয়, তাইলে একটা কথা আছে।

    কমিশনার আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, এরে বাইরে পাইলে আপনি কী করবেন? আমি ঠোঁট উলটে বললাম, এক কাপ চা খাওয়া যাইতে পারে, আর কাঁধে হাত রেখে একটু আলাপসালাপ করতে পারি। আর কী করবো?

    নাহ, তারা তাদের লাইনে ঠিকই আছে। অন্তরে যা বিশ্বাস করে সেটাই বলে, অন্তত হিপোক্রিট না। সমস্যা এদের শিক্ষায়, বিষবৃক্ষের গোঁড়ায়, এদের ধর্মান্ধ মৌলবাদী "হয়ে ওঠায়"; কেউ মৌলবাদী হয়ে জন্মায় না, ক্রমশ পরিণত হয়। আর এই হয়ে ওঠার প্রক্রিয়াটার বিরুদ্ধেই যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হবে, মাদ্রাসার এই অল্পশিক্ষিত ছেলেগুলোর বিরুদ্ধে নয়। একই কথা প্রযোজ্য জামাত শিবির হিজবুতিদের ক্ষেত্রেও। যুদ্ধটা প্রথা, প্রতিষ্ঠান এবং ব্যবস্থার বিরুদ্ধে, ব্যক্তিবিশেষের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয়ী হলেও আরেকজন ব্যক্তি এসে শূন্যস্থান পূরণ করবে। তাই আঘাত করতে হবে শেকড়ে।
     


  • বিভাগ : ধারাবাহিক | ২০ আগস্ট ২০১৩ | ৩২৬ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন গ্রাহক পুনঃপ্রচার
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • siki | 131.243.33.212 (*) | ২০ আগস্ট ২০১৩ ০৪:৪০77181
  • অসম্ভব রকমের অবিশ্বাস্য। আশা করছি এটা সামগ্রিক বাংলাদেশের "ধার্মিক" ইসলামিক জনগণের মানসিকতার প্রতিফলন না।

    দেশ দেখার লিস্টি থেকে বাংলাদেশকে বাদ দেওয়া ছাড়া আর কোনও উপায় দেখছি না।
  • সে | 203.108.233.65 (*) | ২০ আগস্ট ২০১৩ ০৭:৫০77182
  • পুরো ব্যাপারগুলো যেন দেখতে পাচ্ছি। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা আছে এদের সঙ্গে পরিচিত হবার। ১৯৮৮ সালের জুন মাসে কিছু ধর্মান্ধ মৌলবাদীদের সঙ্গে সামান্য মোলাকাৎ হয়েছিলো - এই লেখাটা পড়তে পড়তে সেই অপ্রীতিকর স্মৃতি আবার পরিষ্কার চোখের সামনে ভেসে উঠল।
  • aranya | 154.160.98.31 (*) | ২০ আগস্ট ২০১৩ ০৮:৪৬77190
  • শাহবাগ আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে এটা বোধহয় বলা যায় যে বাংলাদেশে লিবারাল মানুষ-ও বিশাল সংখ্যায় আছেন এবং মৌলবাদীদের সাথে তাদের লড়াই চলছে। বাংলার ভাষা, সংস্কৃতি, গান - ধর্মের বাঁধন থেকে বেরোনোর অনেক সহায় আছে সে দেশের মানুষের।
    অন্য মুসলিম দেশগুলো, পকিস্তান বা মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশের তুলনায় বাংলদেশে এই লড়াই বেশি জোরদার - এটা অবশ্য আমার ধারণা।
  • siki | 131.243.33.212 (*) | ২০ আগস্ট ২০১৩ ০৮:৫২77183
  • শোনানো যায়, সেই গল্প?
  • aranya | 154.160.98.31 (*) | ২০ আগস্ট ২০১৩ ০৮:৫৫77191
  • 'কেউ মৌলবাদী হয়ে জন্মায় না, ক্রমশ পরিণত হয়' - এইটা সার কথা। কওমী মাদ্রাসার শিক্ষা-র বিকল্প থাকলে ভাল হত। মাদ্রাসায় বোধহয় গরিব ছাত্রদের থাকা-খাওয়ারও ব্যবস্থা করে, সরকারের পক্ষে কি তেমন কিছু করা সম্ভব?
  • aranya | 154.160.98.31 (*) | ২০ আগস্ট ২০১৩ ০৮:৫৯77192
  • আসিফ লিখেছেন বড় ভাল। একক যেমন বলল- এক ই সঙ্গে হাসতে হাসতে পেট ফেটে যায় আবার শিরদাঁড়া ঠান্ডা হয়ে যায়।
  • | 24.97.122.63 (*) | ২০ আগস্ট ২০১৩ ০৯:১৫77184
  • অ্যাথেইস্ট তো নাস্তিক নয়, সন্দেহবাদী। অ্যাগনস্টিক মানে নাস্তিক নয়?

    সিকি, বাংলাদেশে তুমি নাই যেতে পার, সে তোমার পছন্দ। কিন্তু সেখানে বিদেশী/ভারতীয়দের ভিসাফর্মে 'নাস্তিক' লেখা কিনা আর সেই দেখে দেখে প্রোফাইলিং করে হ্যারাস করা হচ্ছে -- এমন কোনো খবর তো নেই এখনও পর্যন্ত।
  • সে | 203.108.233.65 (*) | ২০ আগস্ট ২০১৩ ০৯:২১77185
  • শোনানো যায় কিন্তু খুবই স্পর্শকাতর সেই প্রসঙ্গ ও আবেগও পুরোপুরি বাদ দিয়ে লিখতে পারব না। তাই আপাতত তোলা রইল।
  • সে | 203.108.233.65 (*) | ২০ আগস্ট ২০১৩ ০৯:২৯77186
  • http://en.wikipedia.org/wiki/Atheism
    নাস্তিক মানে এথেইস্ট। ঈশ্বরের অস্তিত্ব সে অস্বীকার করে।
    http://en.wikipedia.org/wiki/Agnosticism
    অ্যাগন্স্টিকের অবশ্য ঈশ্বর আছেন কি নেই এতে এসে যায় না।
    http://www.thefreedictionary.com/sceptic
    আবার স্কেপ্টিকের ডাউট থাকে (ডাউট মানে এখানে ঠিক "সন্দেহ" নয়)
  • সে | 203.108.233.65 (*) | ২০ আগস্ট ২০১৩ ০৯:৩০77187
  • অ্যাগ্‌নস্টিক।
  • | 24.97.122.63 (*) | ২০ আগস্ট ২০১৩ ০৯:৩৭77188
  • আচ্ছা।
    কিন্তু আমার কেমন মনে হচ্ছে ঈশ্বর আছে কি নেই যে কেয়ার করে না, তাকেই বোধহয় নাস্তিক বলা উচিৎ।
  • একক | 24.96.120.168 (*) | ২০ আগস্ট ২০১৩ ১১:৩৫77189
  • বানিয়ে লেখা একেবারেই মনে হচ্ছেনা । বাংলাদেশি বন্ধুদের কাছেও এমনটাই শুনেছি । তবে এই বর্ণনা টা পড়ে এক ই সঙ্গে হাসতে হাসতে পেট ফেটে যাচ্ছে আর শিরদাঁড়া ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে এই ভেবে যে বাংলাদেশে জন্মালে কবে জবাই হয়ে যেতুম ।
  • টিক্কা | 24.96.108.52 (*) | ২১ আগস্ট ২০১৩ ০৭:৩০77194
  • ভালো। তবে কিছু কিছু জায়গা পড়ে মনে হল লেখক একটু নিজের গুণগান গাইছেন।
  • rivu | 140.203.154.17 (*) | ২১ আগস্ট ২০১৩ ১২:১৯77193
  • "এর দুইদিন পরে। আমি বসে আছি উপ-কমিশনারের রুমে। বড় হেফাজতিটাকে নিয়ে আসা হলো। আমাকে দেখিয়ে বলা হলো, এই লোকটা কেমন? মানে মানুষ কেমন?
    হেফাজতিটা বললো, সে মানুষ হিসেবে ভাল। মনটা ভাল আছে, লোক খারাপ না, কিন্তু সমস্যা হইলো নাস্তিক। নাস্তিক না হইলে তারে খুব ভাল মানুষই বলা যাইতো।
    কমিশনারঃ এখন বল, এরপরে এরে রাস্তায় পাইলে কি করবি?
    হেফাজতিঃ স্যার ইনশাল্লাহ জবাই দিমু?
    কমিশনারঃ কি কস? তুই না কইলি মানুষ ভাল, তাইলে জবাই দিবি ক্যান?
    হেফাজতিঃ স্যার এইটা হাদিসে আছে, আমাগো ধর্মের নিয়ম। ধর্মের বাইরে তো যাইতে পারুম না। সে যত ভাল মানুষই হোক, নাস্তিক হইছে মানে এরে আল্লাহর নামে শাস্তি দেয়া ছাড়া উপায় নাই। এ যদি তওবা কইরা আবার মুসলমান হয়, তাইলে একটা কথা আছে।"

    এই প্যারাটা অসাধারণ। জাস্ট অসাধারণ। একসঙ্গে কত গুলো ইমোশন খেলা করে গেল ১৫-২০ বাক্যে।
  • বিপ্লব রহমান | 127.18.231.50 (*) | ২২ আগস্ট ২০১৩ ০৬:৩১77195
  • এই তো হওয়ার কথা ১৯৭১ এর রক্তস্নাত বাংলাদেশে..আমাদের মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক মুজিব - জিয়া যখন স্বাধীন বাংলায় খলনায়কে পরিনত হন, ঘাতক যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমা করার “উদরতা” দেখান এবং তাদের পুনর্বাসনের মিশন নেন, তখন দেশটি ক্রমেই মিনি পাকিস্তান হয়ে উঠলে এমনই তো হওয়ার কথা...

    ”নাস্তিকতা” দায়ে, মত প্রকাশের দায়ে একজন হুমায়ুন আজাদকে খুন হতে হবে বা একজন দাউদ হায়দার দেশান্তরি হবেন বাএকজন তসলিমা মাথা বাঁচাতে বিদেশে পালিয়ে বেড়াবেন বা একজন আহমদ শরীফ “মুরদাত” তকমা নিয়ে দেহ রাখবেন বা শহীদ জননী জাহানারা ইমাম রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা নিয়ে লোকান্তরিত হবেন বা মুক্তচিন্তার দায়ে ব্লগার রাজিবকে খুন হতে হবে বা সহব্লগার আসিফ, রাসেল, শুভ, বিপ্লবকে জেলে যেতে হবে..আর দেশটি ক্রমেই হিজাব-আচকান মোল্লা-মক্তবের পাক-আফগানিস্তান হয়ে উঠবে, শষ্যের চেয়ে অধিক টুপিতে ভরে উঠবে আমার সোনার বাংলা, তবেই না হবে মিশন সাকসেসফুল!

    সূর্য তুমি নিভে যাও!
    http://biplobcht.blogspot.com/2013/07/blog-post.html
  • কবি আলমগীর গৌরীপুরী | 80.39.186.175 (*) | ২৭ আগস্ট ২০১৩ ০১:০১77196
  • কিছু পাগল এখনও আছে যারা তাদের নিজের জন্ম নিয়ে সন্দেহ করে। তবে আমি কিন্তু পুরাই মজা পাইলাম। হাস্যকর বিষয় গুলি অনেক মজা দেয় আমাকে। তবে আর একটা বিষয় খুবই অদ্ভুত যে পাগলের প্রলাপ আর মিথ্যা কথা এক নয়।
    যারা নিজের জন্ম নিয়া সন্দেহ করে তাদের মুখে মিথ্যা কথা একটা মজাদার বস্তু।
    যখন সীমানা নিদ্ধারন হয়ে যায় তখন সীমানার বাহিরের অংশকে মন থেকে ঘৃনা না কল্লেত আর নিজের অস্তিত্বই থাকবে না। তাই প্রলাপ প্রলাপনী আর মুখোশ। ।
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভালবেসে প্রতিক্রিয়া দিন