এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • শিবাংশু | 127.197.237.108 (*) | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০৬:৫১72431
  • শীর্ষেন্দুর রচনার প্রতি মুগ্ধতা, নৈরাশ্য, উদাসিনতা বা প্রত্যাখ্যান, সব কিছু নিয়েই আসুন না এখানে...
  • rivu | 138.118.51.147 (*) | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ১১:৩০72432
  • " সত্যি কথা বলতে গত অন্ততঃ দু-আড়াই দশক ধরে বেড়ে ওঠা শীর্ষেন্দুর ছাপা হরফের পৃথিবীর সঙ্গে ব্যক্তি পাঠক হিসেবে আমি একাত্ম হতে পারিনি।"

    এইটা এক্কেবারে মনের কথা। শীর্ষেন্দুর একটি রিসেন্ট গল্প পড়ছিলাম। কল্পবিজ্ঞানের গপ্প, কিন্তু অসবর্ণ বিবাহ, বন্ধনহীন ভালোবাসা ইত্যাদির বিরুদ্ধে ইস্তাহার গোছের। জ্বলে গেল।

    কিন্তু ওনার পুরনো লেখা ঘুনপোকা, দূরবীন এমনকি মোটামুটি রিসেন্ট চক্র পড়েও ভালো লেগেছিল মনে আছে। ঘুনপোকার কিছু কিছু জায়গায় তো কাঁটা দিয়েছিল মনে আছে। জানিনা ফিরে পড়লে আবার কেমন লাগবে।

    আর একটা কথা, শরদিন্দুর লেখাতেও এই সু রক্ত বনাম বদ রক্তের সুরটা বেশ প্রছন্ন থাকে বলে আমার মনে হয়। ব্যোমকেশ এর বেশ কযেকটি গল্পেই দেখা যায়, অপরাধীর রক্ত খারাপ। আপনাদের কারো মনে হয়েছে কিনা জানিনা।
  • S | 81.191.150.74 (*) | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ১১:৫৭72433
  • আমার কাছে শীর্ষেন্দুর লেখার সবথেকে বড় আকর্ষণ হল ভাষা, বা গল্প বলার স্টাইল। সেই বুঝলে হে হরিপদ, কাল রাতে এক আজব কান্ড ঘটল - এই ভাবে যে গল্প বলা শুরু করেন, সেই গল্পের এক অদ্ভুত টান আছে। জাতপাত, অসবর্ণ বিবাহ বা অন্যান্য পলিটিক্যালি ইনকারেক্ট বিষয় কেমন যেন গৌণ হয়ে যায়। শুধু ভাষা দিয়েই মুগ্ধ করে রাখার মতন জাদুকাঠি শীর্ষেন্দুর করায়ত্ত।
  • dc | 11.39.63.163 (*) | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০৩:৫৫72434
  • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় আমার ছোটবেলার থেকে সবচেয়ে ফেভারিট লেখকদের একজন। আমার খুব ছোটবেলায় টিভিতে একটা সিরিয়াল হতো, মনোজদের অদ্ভুত বাড়ি। এখন আর সেই সিরিয়ালের কিছুই মনে নেই, শুধু শুরুর সুরটা মনে আছে। তারপর একবার বইমেলায় গিয়ে কোন একটা স্টলে বইটা আবিষ্কার করলাম। ব্যস, বাবার কাছে বায়না করে করে বইটা কিনিয়েও ছাড়লাম। বইটা পড়ে যে অসম্ভব একটা মুগ্ধতা হয়েছিল, সে এখনো যায়নি। তারপর থেকে প্রতি বছর আনন্দমেলার পুজোবার্ষিকীর প্রধানতম আকর্ষন ছিল ওনার উপন্যাস। এমনকি এখনো, প্রতি বছর আমার প্রথম পড়া পুজোবার্ষিকী হবে আনন্দমেলা, আর তার প্রথম পড়া উপন্যাস হবে শীর্ষেন্দু।

    বনি, পাতালসাহেবের কবর, গৌড়ের কবচ, মদন তপাদারের বাক্স - ওনার প্রায় প্রতিটা উপন্যাস গোগ্রাসে গিলেছি। জামবাটি ভর্তি ঘন দুধে কলা আর চিঁড়ের ফলার, বা বড়লোকের বাড়িতে সেরটাক পাঁঠার মাংসের সাথে কইমাছ - এসব পড়তে পড়তে যে কি লোভ লাগে!

    তবে ওনার গল্পের যেটা সবচেয়ে ভাল্লাগে সেটা হলো ঐ গ্রামের চোর বা সাধুদের মন্ত্রশক্তি আর বন্ধন, পেটুক দারোগাবাবুদের দোর্দন্ড প্রতাপ, ভুতপ্রেত, গুপ্তধন, মারন উচাটন বশীকরন ইত্যাদি। আমি ভাবি, বিদেশে বসে রাউলিং ম্যাজিক আর জাদুবাস্তব নিয়ে লিখে কতো ফেমাস হয়ে গেলেন। কিন্তু আমাদের শীর্ষেন্দুবাবুই বা কম কিসে? ওনার লেখাগুলোরও তো পরতে পরতে জড়িয়ে থাকে এক মায়াবী দুনিয়া!
  • dc | 11.39.63.163 (*) | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০৪:০০72435
  • ও হ্যাঁ এখানে জাতপাত, অসবর্ন বিবাহ বা পিছুটান নিয়ে যা বলা হয়েছে সেগুলো সত্যিই আগে চোখে পড়েনি। বরং ওই পিছুটানটাই আমার সবচেয়ে ভাল্লাগে, কারন ওটা তো ঠিক পিছুটান না, ওটা হলো এক ম্যাজিক গ্রামবাংলার বর্ণনা যা বাস্তবে কখনোই ছিলনা। তবে আমি একেবারেই পাতি সাধারন পাঠক, খুব একটা ক্রিটিকালি কিছু পড়িনা।
  • souvik | 132.175.8.43 (*) | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০৪:০২72438
  • এখানেও কোথাও নিলু হাজরার হত্যারহস্য,শ্যাওলা,বাসস্টপে কেউ নেই বা ফেরিঘাট বা উজান ,ফজল আলি আসছে এই লেখা গুলো যেখানে অনুকুল ঠাকুর এর মতামত গুলো কোথাও আসে নি সেই লেখা গুলোর কথা দেখ্লাম না।আর ছোটোদের জন্য লেখা গুলো তো এখোনো ফিরে ফিরে পড়ি।এতো stereotyping কেনো হয় বুঝিনা।
  • কান্তি | 113.24.191.120 (*) | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০৪:১৬72439
  • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় অবশ্যই একালের বাংলা ভাষার এক জন উল্লেখ যোগ্য কথাশিল্পী। কিন্তু ইদানীং কথাই
    তাঁর একমাত্র মূলধন হোয়ে উঠেছে। তাঁর লেখায় কোথাও আর মৌলিক মননশীলতার সন্ধান মেলে না। টিভির আলোচনায় তাঁকে সদম্ভে বলতে শুনেছি,ইদানীং বরাত পেলেই তবে তিনি লিখতে শুরু করেন। কিন্তু আমরা মনে করি ভিতরের তাগিদে এবং কোন বরাত ছাড়াই বরেন্য সাহিত্যকারেরা তাঁদের স্মরণীয় রচনাগুলি সৃষ্টি কোরেছেন। যত দূর জানা যায় শীর্ষেন্দুও তার ব্যতিক্রম নন।একটু নজর কোরলেই দেখা যায় যে তাঁর আদিকালের রচনা অনেকগুলি যে কারনে মাথায় কোরে রাখা যায় তার মধ্যে একমাত্র কথা সাজানো কলাটিই
    তাঁর কলমে আজও ফোটে। অথচ যে কারনগুলির জন্য এখানে গুরুর পাতায়ও তিনি সমালোচিত হোয়েছেন সেই
    জাতিভেদ প্রীতি ইত্যাদি ঝোঁকগুলি আরো প্রকট হোয়ে রয়েগিয়েছে। আর একটি বিষয়ের প্রতি আমি দৃষ্টি আকর্ষণ কোরতে চাই। যে গুরুকে তাঁর প্রথম রচনাটি তিনি পরম নিষ্ঠাভরে চরণকমলে সমর্পণ কোরেছেন তাঁর সম্পর্কে
    নানা সূত্রে নানা বিচিত্র কথা জানা যায় যা কোন মতেই প্রশংসনীয় নয়। কিন্তু এই পরম পূজনীয় গুরু তাঁর রচনায়
    কখনো চিত্রায়িত হননি বা ছায়া ফেলেননি। কেন?
  • Atoz | 161.141.84.164 (*) | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০৪:৪৭72440
  • হয়তো গুরু কোনো শর্ত দিয়েছিলেন। হয়তো বলেছিলেন "অ্যাই ব্যাটা, ভালো করে শুনে রাখ, কোনোদিন যদি আমায় নিয়ে কোনো নভেল লিখিস, তাইলে মজা দেখিয়ে দেবো।"
    ঃ-)
  • cm | 116.208.67.116 (*) | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০৫:০৮72441
  • মোটেইনা গুরু মাহাত্য সম্যকরূপে উপলব্ধি হলেই তা লেখা হবে। তবে ও একজন্মে হওয়ার নয়। (ধরে নিচ্ছি ওনারা পরজন্ম মানেন)।
  • d | 144.159.168.72 (*) | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০৫:১৮72436
  • কাল ভাটে লিখেছিলাম। একবার এখানেও কপি মেরে দিই।

    ছোটবেলায় খুবই ভালবাসতাম শীর্ষেন্দুর লেখা। তারপর একটু বড় হয়ে যাও পাখি বা মানবজমিন অসাধারণ লেগেছিল। তখন ঐ শভিনিস্টিক অ্যাটিচিউড, ঐ কিছু সারমন গিলিয়ে দেবার চেষ্টা নজরে আসত না, কারণ আশেপাশে ঐসব জিনিষ দেখেশুনে এমনই অভ্যস্ত ছিলাম যে ওগুলোকে স্বাভাবিক বলেই মনে হত। তখনও চোখ খোলে নি তো। আর শীর্ষেন্দুর লেখার প্রসাদগুণ নিয়ে তো নতুন করে বলার কিছু নেই।

    প্রথম ধাক্কা খাই 'চক্র' পড়তে গিয়ে। মানবজমিন, পার্থিব (এইটা আমার তত ভাল্লাগেনি) দেশে ধারাবাহিক পড়া। চক্রও তাই। ততদিনে পড়া হয়ে গেছে প্রায় সমস্ত মাণিক, তারাশঙ্কর কিছু সন্দীপন কিছু কমলবাবু (কিস্যু বুঝি নি এনাকে)। মোটকথা চোখ খুলতে শুরু করেছে। সেইসময় চক্র পড়তে গিয়ে কি চাপ। প্রত্যেকটা খন্ড পড়েই রাগে দাঁত কিড়মিড় করতে মন চায়, এতদিনের অভ্যেসে, ভাল লাগার অভ্যেসে আবার ভাবি না না এর পেছনে নিশ্চয় কিছু কারণ আছে, হয়ত উনি দেখাতে চাইছেন এরকম ঘরে পোষা বরে পোষা থেকে একদিন কোনও স্বাধীন চেতনসম্পন্ন নারী উঠে আসবে, চমকে দেবে ঐ শহরে গাঁয়ে দুটো বউ বিয়ে করে রাখা সুবিধেবাদী মতলববাজ লোকটাকে। কিন্তু হা হতোহস্মি! সেই গ্রামের বউটি নিজের জমিজমা, আর্থিক সংস্থান সবকিছু সত্ত্বেও সেইই পোষ্য বশংবদ এক দুপেয়ে জীব হিসেবেই থেকে যায়।

    এরপরেই শীর্ষেন্দুর ছোটগল্পগুলো, তারপরেও পুজোসংখ্যায় বেরিয়ে যাওয়া উপন্যাসগুলোতে ঐ অ্যাটিচিউড চোখে পড়ে, পড়তেই থাকে। তখন আস্তে আস্তে মানবজমিন বা পার্থিবরও অনেক অংশ মনে পড়ে, বিতৃষ্ণা বাড়তে থাকে। আর ফিরে পড়া হয় নি একটাও বই।
  • b | 24.139.196.6 (*) | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০৫:৩১72442
  • লিখেছেন তো। `কাছের ঠাকুর'।
  • Atoz | 161.141.84.164 (*) | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০৫:৩৮72443
  • সঞ্জীব চট্টোর সেই বড়মামা চরিত্র পূর্বজন্ম তারো পূর্বজন্ম এই করতে করতে পিছিয়ে যাচ্ছেন, মাসীমা কইলেন, হ্যাঁ, একেবারে গাছে ঝুলে আছো এইবারে। বানর।
    বড়মামা সিরিয়াসলি বল্লেন, "না না বানরজন্ম অবধি মনে করা যায় না, সেটা বহু বহু পূর্বের ব্যাপার।"
  • aranya | 154.160.226.53 (*) | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০৬:৪০72444
  • 'এখানেও কোথাও নিলু হাজরার হত্যারহস্য,শ্যাওলা,বাসস্টপে কেউ নেই বা ফেরিঘাট বা উজান ,ফজল আলি আসছে এই লেখা গুলো যেখানে অনুকুল ঠাকুর এর মতামত গুলো কোথাও আসে নি সেই লেখা গুলোর কথা দেখ্লাম না।'

    - গুড পয়েন্ট। খুবই ভাল লেগেছিল এই সব লেখা
  • b | 135.20.82.164 (*) | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ০৬:৪৪72437
  • আপনেরা উজান পড়েন নাই? বিষাদে মধুতে মেলানো বইটা?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় মতামত দিন