• হরিদাস পাল  ব্লগ

    Share
  • রণক্ষেত্র সুন্দরগড় - ২

    Atindriyo Chakrabarty লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ | ১৯৯ বার পঠিত | জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
  • ২) রৌরকেল্লার জমিজিরেৎ

    ভূমির ইতিহাসে একটা কাল অবধি, যখন সব ঘন জঙ্গলে ঢাকা ছিলো, অবিচ্ছিন্ন ভৌম ইনহেরিটেন্স। গা-গঞ্জ ছিলো হয়ত কিছু। সে সব ধুসর ইতিহাসে আর গাছগাছালির গহন ভুতপ্রেতে আছন্ন।

    ১৯৪৮ এর পয়লা জানুয়ারি বোনাইরাজ্য আর গাঙপুর-রাজ্য জুড়ে গিয়ে হল সুন্দরগড় রাজ্য। ১৯৫০ সালে পঞ্চম তফসিল তৈরী হলে তাতে সেঁধিয়ে গ্যালো এই জায়গার আর এর বাসিন্দা বহু মানুষের প্রাশাসনিক খাতাকলমী পরিচিতি, সংবিধানে মার্কা পড়ল ৩৩৯ নং ধারা।

    ওড়িশা এস্টেটস অ্যাবলিশান অ্যাক্ট এলো ১৯৫১ সালে, আর সকল সাধারণ আইনকানুন লাগু হল সুন্দরগড়ে। জমিজেরেতের প্রাশাসনিক দণ্ডমুণ্ডের নতুন নিয়মনীতি খাড়া হতে হতে রৌরকেল্লায় কারখানা বসার তোড়জোড় শুরু হল, কারখানা বসল তোড়জোড় ধূমধাম করে। কারখানা কেন্দ্র করে তৈরী হল ঘনবসতি, টাউন, সিনেমা হল, বাসরাস্তা, ট্রেণ-বাস সব বেড়ে গ্যালো।
    সংবিধানের একটা বহুচর্চিত ধারা হল স্বাধীনতার মৌলিক অধিকারের ধারা ১৯। এই ধারার পাঁচনম্বর অনুধারা বলছে –
    Nothing in … of the Section … shall affect the operation of any existing law in so far as it imposes, or prevent the State from making any law imposing, reasonable restrictions on the exercise of any of the rights conferred by the said sub clauses either in the interests of the general public or for the protection of the interests of any Scheduled Tribe.
    মানুষের বাকস্বাধীনতা কেড়ে নেওয়ার জন্য এই ‘reasonable restriction’ এর দোহাই মাঝেমধ্যেই রাষ্ট্র দিয়ে থাকে। কিন্তু আদিবাসীদের জমিতে কলকারখানা খাদান মিনিশহর পীচরাস্তা এসব বসানোর সময় এই ধারাটার বিশেষ ধার ধারা হয় না।

    এর পর সন ১৯৯৬। এলো পঞ্চায়েত এক্সটেনশান টু শ্যেড্যুল্ড এরিয়াস অ্যাক্ট। গাঁ-গঞ্জে পঞ্চায়েত আসার কথা, তৈরী হওয়ার কথা গ্রাম সভা। এর জন্য যদিও উক্ত আইনের ধারা ৪-বি অনুসারে গ্রামগুলোকে ‘রেকগনাইসড ভিলেজ’ হিসেবে নথিভুক্ত হতে হবে। হদ্দ জঙ্গলের বেহদ্দ আদিবাসীদের বিষয়ে সরকার যতটা গা করে ঠিক ততটাই হল এই নথিকরণ প্রসেস।

    এদিকে গোটা জেলাটাই তফশিলভুক্ত, যদিও এখনো ভারতের পঞ্চম তফশিলভুক্ত জেলাগুলোর যে সব জায়গায় কারখানা ও খাদানকেন্দ্রীক সদর টাউন-অঞ্চল গড়ে উঠেছে, সেগুলোর জন্য ২০০১ সালে একটা মিউনিসিপাল এক্সটেনশান টু শ্যেড্যুল্ড এরিয়াস বিল লেখাঝোখা হয়। বিলবাবু আইনবাবু হন নি এখনো।
    এদিকে ওড়িশার রাজ্যসরকার ২০০৩ সালে একটা আইন বলবৎ করে যার মারফৎ এই পঞ্চম তফশিলভুক্ত জেলা সুন্দরগড় ও ওড়িশার অন্যান্য পঞ্চম তফশিলভুক্ত জেলাসমূহের সদর অঞ্চলগুলো প্রশাসিত হবে।
    ওয়াকিবহাল মাত্রে জানবেন, সংবিধানের একটা সপ্তম তফশিল রয়েছে, আর সেই তফশিলের তিনটে অংশ রয়েছে। এক একটা অংশ জানাচ্ছে যথাক্রমে রাষ্ট্রকেন্দ্র (Union List), রাজ্যগুলো (State List) এবং কেন্দ্র ও রাজ্যগুলো মিলেঝুলে (Concurrent List) আইন বানাতে পারে। আইন বানানোর ক্ষমতার ভাগ-বাঁটোয়ার তফশিল হল সপ্তম তফশিল। আর আদিবাসী-অধ্যুষিত জেলাগুলির প্রাশাসানিক রূপচিহ্ন তথা ক্ষমতার মার্গনির্ধারক ও নির্ণায়ক হল পঞ্চল তফশিল। সপ্তম তফশিল অনুসারে পঞ্চম তফশিলভুক্ত অঞ্চলগুলোকে নিয়ে আইন একমাত্র কেন্দ্রসরকার-ই করতে পারে। অথচ ওড়িশার রাজ্যসরকার দিব্যি পঞ্চম তফশিলের সদর তথা টাউন অঞ্চলের জন্য ২০০৩ সালে ফেঁদে বসলো আইন।
    এই যে প্রশাসনিক চুলচেরা আটঘাট, তার থেকেই কিছু শূন্যস্থান তৈরী হয়েছে সুন্দরগড়ে, এবং অন্যান্য পঞ্চম তফশিলভুক্ত জেলায়। আর এইসব শূন্যস্থান শোষণের আঁতুড়ঘর, যেসব জায়গা বাজারু খাঁই-মেটানিয়া জোগান-মন্ত্রের মালমশলায় ভরপুর, সে’সব জায়গাতেই এই বাঘের ভয় ও নিরেট সন্ধ্যের খাসবুনন-ঠাসবুনট।

    ফিলহালের ক্রমঘটা অনুঘটন -

    ২০১৩ সালের একুশে অক্টোবর ওড়িশার নির্বাচন কমিশান জানান দিলো রৌরকেল্লা মিউনিশিপ্যাল অঞ্চলে ভোট হবে না। কেন হবে না? কারণ সরকার রৌরকেল্লায় একটা কর্পোরেশান গঠনের প্রস্তাব এনেছে।

    ঐ বছর রাজ্যসরকার নোটিফিকেশান নং ৬৮০/২০১৩ প্রকাশ মারফৎ আঞ্চলিক জনসাধারণের থেকে এ বিষয়ে ৩০ দিনের মধ্যে মতামত চাইল। জ্যান্যাগ্যান তীব্র আপত্তি প্রকাশ করল, প্রতিবাদ প্রতিরোধ চলল কিছুদিন। গ্রাম সভা এই অঞ্চলে সুগঠিত নয়। স্থানীয় মানুষ গ্রাম সভা করে বিষয়টি নিয়ে চর্চা করতে চাইলে তা খারিজ করে দিলো সরকারবাহাদূর।

    এর এক বছর পর গত বছরের নভেম্বর মাসে ওড়িশা সরকারের হাউসিং অ্যাণ্ড আর্বান ডেভ্লপমেণ্ট দপ্তর নোটিফিকেশান নং ৫১৪/২০১৪ প্রকাশ করল, যাতে উঁকি মারছে নিম্নলিখিত পিলেচমকানি শব্দবন্ধন –
    “...and, whereas the objections and suggestions received for the said proposed larger urban area have been duly considered by the state government...” ইত্যবিধঃ।

    জনসাধারণ ফের প্রতিবাদমূখর। ধর্ণা, ডেমোনস্ট্রেশান চলল। গত ২০/১২/২০১৪-এ অসংখ্য আঞ্চলিক মানুষ মুখ্যমন্ত্রীর কাছে মেমোরাণ্ডাম পেশ করল, এ বিষয়ে স্পষ্ট করে জানতে চাওয়া হল। বছর গড়িয়ে চলল গড়গড়ান। নতুন বছরেও কোনো স্পষ্ট ছবি দেওয়া হল না সরকারী তরফ থেকে।

    এদিকে ২০১৫-র ফেব্রুয়ারি মাসের ৯ তারিখ রৌরকেল্লা শহরের টাউন হলে একটা ঝাঁ-শান-জেল্লাই কোটপ্যাণ্টবাবুদের মিটিং হল। এর ফলে জানা গ্যালো যে রৌরকেল্লা শহরের একটা Comprehensive Development Plan হয়েছে। ৫২-টা গ্রাম্য গ্রাম (rural village(!)) ও ৫২-টা শহুরে গ্রাম (urban village (!!)) তৈরী হবে মোটমাট ২৫৯ স্কোয়্যার কিলোমিটার জায়গায়। এর ডিটেল কাগজপত্তর বের করা এখনো সম্ভব হয় নি, তবে আঁচ পাওয়া গ্যাছে যে রৌরকেল্লা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনে হঠাৎ করে অনেক মানুষকে নথিভুক্ত করার সরকারি ক্যাম্পেনসমূহ আরম্ভ। অনেকের জমিজিরেৎ নিয়ে পেয়াদাবাবুদের টানাটানি। ভবা পাগলারই তো সম্ভবত – ‘আবার পেয়াদাবাবু পাক বেঁধেছে শালিধানের চিড়া’।

    স্থানীয় মানুষজন সংগঠিত হয়েছে সুন্দরগড় আদিবাসী মূলবাসী বাঁচাও মঞ্চের মঞ্চে। গত সাতই জানুয়ারিতে সংঘটিত প্রেস কনফারেন্স মারফৎ গত মাসেরই কুড়ি তারিখ থেকে অঞ্চলে অনির্দিষ্টকালের জন্য আর্থনৈতিক ব্লকেডের ব্যারিকেড বজ্রমুঠ। পেয়াদাবাবুদের হাতে পদে পদে পদলাঞ্ছনার চে’ এই বেশ ফুল্কি নাহয়।
    ফুল্কি উড়েছে কিছু। এগারোই নভেম্বর ২০১৪-এ বেলা এগারোটা থেকে সন্ধ্যে ছটা অব্ধি ঘটে চলা রাস্তা রোকো মাধ্যমে আরম্ভ এই প্রতিরোধ অভিযান। ব্রাহ্মণিতরঙ্গ থানা থেকে ৩৭ জনের নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা বেরোয়। মূল অভিযোগ অঞ্চলের শান্তি এবং কিছু জিনিসপত্র ভাঙচুর করার।

    এ’বছর পনেরোই জানুয়ারী জনা সাতেক স্থানীয় মানুষকে ঐ একই থানার পুলিশ তুলে নেয় আর নকশাল নকশাল চার্জ লাগিয়ে কাস্টডিস্থ করে। পঁচিশে নভেম্বরের কেসটার সাথেই জুড়ে দেওয়া হয় এঁদের নাম। এক সপ্তাহ পরে ম্যাজিস্ট্রেটের থেকে বণ্ড সই করে ব্যেল পান এঁরা, কারণ এদের নামে জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা রুজু করেছিলো পুলিশ।

    পুলিশকর্তৃক মানুষশিকার ক্রমবর্ধমান। সংগঠন ভাঙার প্রয়াস তুঙ্গে উঠছে। গতমাসের সতেরো তারিখ আরো আটজন স্থানীয় মানুষকে ঐ থানার পুলিশ তুলল।

    এদিকে গতমাসের কুড়ি তারিখ থেকে হাজারে হাজারে আদিবাসী অনির্দিষ্টকালের জন্য হরতাল ডেকেছে। ঐ দিন ইকনমিক ব্লকেডের আরম্ভ। রাস্তায় ৬০ প্লাটুন সশস্ত্র সউর্দি সুরক্ষাবাহিনী। মঞ্চ বা সংগঠনের কোনো কর্মীকেই না জানিয়ে ধারা ১৪৪ রুজু করল রৌরকেল্লার স্থানীয় প্রশাসন। সুরক্ষাবাহিনী ঘর-ঘর থেকে মানুষ তুলল, লাঠিপেটা চলল তুলোধুনধুন।
    প্রীভেণ্টিভ ডীটেনশ্যনের নামে শ’খানেক লোক সেই যে গারদস্থ হলেন, এখনো তাঁরা গরাদের ওপারেই রয়েছেন।

    ব্রাহ্মণিতরঙ্গ থানায় গত মাসের কুড়ি তারিখে ঐ হরতালের ফলে নতুন করে ফৌজদারী মোকদ্দমা রুজু হয়েছে। ষোলোজনের স্থানীয় মানুষের নাম এবং ‘আরো অনেকে’ মর্মে শেষ সেই চার্জশীটের নামপাতা।

    এই থানা ছাড়াও বণ্ডামুণ্ডা ও রঘুনাথপল্লি থানায় জনৈক এম-এল-এ ও জনৈক প্রাক্তন এম-এল-এ সহ অজস্র স্থানীয় ও আদিবাসী মানুষের নামে ফৌজদারী মামলা চলছে, জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা লাগু, জেলহাজতও হয়ে চলেছে ঢলেঢল মানুষের। এই ফেব্রুয়ারি মাসেও নতুন নতুন চার্জশীট আনা হয়েছে। বহু মানুষ পুলিশি হেফাজতে তাই। ঐ ব্রাহ্মণিতরঙ্গ থানাতেই জনা একুশ মানুষের হদিশ মিলেছে যাঁরা বন্দী হয়েছেন নিজেদের ও বন্ধুদের জমিজিরেৎ বাঁচানোর হিড়িকে।

    রণক্ষেত্র সুন্দরগড় রক্তরাগে রাগছে। এর এক বিরাট অঞ্চল – ২৫২ বর্গকিলোমিটারের জমিজমা খেতখামার মাঠঘাট হাটবাজার গ্রামগঞ্জ পুকুরনদীনালা সমেত অনেক অংশ চলে যাচ্ছে লোভবাজারির হাঁ-গ্রাসে। এই দুশোবাহান্নর ভিতরে বেশ কিছু মানুষ পা-এর তলা থেকে সরতে থাকা জমি আগলানোর জন্য লড়ছে, মার খাচ্ছে, জেলে যাচ্ছে। আর এই ফিলহালের রণাঞ্চল তথা সম্ভাব্য শিল্পাঞ্চলের কেন্দ্রবিন্দুতে প্রবল ধুকধুক লাল-লাল হাপরটানা কয়লা-চুল্লি-চিমনি-মানুষ-নামানুষের স্রোতে দুলছে ভাসছে জাগছে ডুবছে শিল্পনগরী রৌরকেল্লা।
    কলকাতা
    ১৫/০২/২০১৫
  • বিভাগ : ব্লগ | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ | ১৯৯ বার পঠিত | | জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
    Share
আরও পড়ুন
দ্রোণ পর্ব - dd
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত