এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ব্লগ

  • স্পিরিট

    ন্যাড়া লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ০৬ জানুয়ারি ২০১৯ | ১০৮৪ বার পঠিত
  • আমার বাড়ির কাছেই ছোট একটা বার আছে। আমরা বলি স্টিভের ভাঁটিখানা - স্টিভস ব্রিউয়ারি। যদিও স্টিভ মদ বানায় না, কিন্তু ওটাই আদরের নাম হয়ে গেছে। আমরা কজন আধবুড়ো লোক প্রতি শনিবার সকালে গলফ খেলে স্টিভের দোকানে ঢুকে দুয়েক পাত্র বিয়ার সেবন করে বাড়ির পথ ধরি। এ আমাদের অনেকদিনের অভ্যেস। স্টিভ ভিয়েতনামের যুদ্ধে লড়াই করেছে। এখানে যুদ্ধফেরতদের ভেটারেন বলে। স্টিভ হল ভিয়েতনাম ভেটারেন। যুদ্ধের পরে বীতশ্রদ্ধ হয়ে প্রায় পিসনিক হয়ে যায়। নিজে ওহায়োর ছেলে, কিন্তু ওর বেস ছিল স্যান্টা বারবারা। সেখানে থাকার সময়েই বারবারা বলে একটা মেয়ের প্রেম পড়ে তাকে বিয়ে করে। মিলিটারির মেয়াদ শেষ হলে সব ছেড়েছুড়ে আমাদের শহরে চলে আসে। এসে দুজনে মিলে এই বার খোলে প্রায় পঁয়তাল্লিশ বছর আগে। স্টিভের বয়েস এখন আশি-বিরাশি। বারো বছর আগে বারবারা মারা গেছে।

    বারবারা মারা যাবার আগে থেকেই স্টিভের সঙ্গে দোকান চালায় ওর মেয়ে লরা। লরা আমাদের স্থানীয় কলেজ থেকে অ্যাকাউন্টিং পাশ করে ভেবেছিল বড় কলেজে যাবে। তার আগেই একটা ছোট অফিসে পার্টটাইম চাকরিতে ঢুকে মালিকের ছেলের প্রেমে পড়ে বিয়ে করে সংসার পেতেছিল। বড় কলেজ আর যাওয়া হয়নি। সে বিয়ে ভেঙে যায় বছর পাঁচেকের মধ্যেই। তারপরে আরও একটা বিয়ে করেছিল লরা। সেটাও টেঁকেনি। তখন থেকে বাবা-মা-র ব্যবসা দেখছে সে। আমাদের বয়েসীই হবে। উইক ডে-তে লরা কিচেন দেখে আর স্টিভ বার। উইকেন্ডের সন্ধ্যেবেলা একটা ছেলে এসে স্টিভের সঙ্গে বার টেন্ড করে, নইলে ভিড় সামলান যায়না। পাড়ার বার। সবাই সবাইকে হয় নামে চেনে, নয় মুখ চেনে। তাছাড়া পাড়ার গল্পগুজব সবই এখানে। নিয়মিত খদ্দেরই বেশি। আমি ওই শনিবার সকালেই যাই।

    এক বেশপতিবার, বউ-মেয়েরা তখন দেশে গেছে, অফিস থেকে বাড়ি ফিরতে দেরি হয়েছে। পরের দিন ছুটি ছিল - লং উইকেন্ড। আয়েস করে বসে বই পড়ব বলে ড্রিংক বের করতে গিয়ে দেখি বাড়ি একেবারে ঢুঁঢুঁ। না ওয়াইন, না বিয়ার, না হার্ড কিছু। একেবারে খটখটে শুকনো। তখন রাত প্রায় দশটা বাজে। সুপারমার্কেটে যাব বলে গাড়িটা তাড়াতাড়ি বের করলাম। বাড়ির কাছের সুপারমার্কেটটা দশটায় বন্ধ হয়ে যায়। ঠিক সময়ে পৌঁছতে না পারলে সারারাত খোলা থাকে এরকম সুপারমার্কেটে পৌঁছতে আরও দশ মাইল ড্রাইভ করতে হবে। স্টিভের দোকানের সামনে দিয়ে যেতে গিয়ে দেখি তখনও ভেতরে আলো জ্বলছে। তার মানে স্টিভ এখনও দোকান বন্ধ করেনি। উইক ডে-তে স্টিভ দশটায় দোকান বন্ধ করে। ভাবলাম আজ স্টিভের দোকানেই একটা ড্রিংক মেরে দিই, কাল বাজার করতেই হবে। তখন একেবারে সব কিনে নেব।

    আমাকে দেখে লরা চমকে গেল। বলল, "ও তুমি!" আমি বললাম, "কী ব্যাপার, দোকান বন্ধ করনি এখনও? স্টিভ কোথায়?" লরা বলল, "স্টিভ বাথ্রুমে গেছে। একজন রেগুলারের জন্যে অপেক্ষা করছি, তাই বন্ধ করিনি।" কথা বলতে বলতেই স্টিভ এসে গেল। স্টিভও বলল, "ও তুমি! কথার আওয়াজ পেয়ে ভাবলাম অ্যারন এসেছে।" যে নিয়মিত খদ্দেরের জন্যে অপেক্ষা করছে বুঝলাম তার নাম অ্যারন। স্টিভ-লরা দুজনেই আমাকে অসময়ে দেখে অবাক হয়ে গেছে। আমি আমার আসার কারণ জানালাম। একটা নীট হুইস্কি চাইলাম। স্টিভ বলল, "স্পিরিট!" আমি এখানে বিয়ারের খদ্দের। তাই এই প্রশ্ন। স্টিভ স্পিরিট ঢালতে ঢালতেই বছর পঁয়তিরিশের একটি যুবক এসে ঢুকল। বুঝলাম এইই অ্যারন। এসেই লরাকে "হাই সুইটি" বলে জড়িয়ে দু গালে চকাস চকাস করে দুটো চুমু খেয়ে সম্ভাষণ জানাল। আর স্টিভকে আলিঙ্গন করে। স্টিভ দেখি ততক্ষণে ওর জন্যে একটা ককটেল বানাতে শুরু করেছে। দেখে মনে হল ম্যানহাটান। দেখে খুব লোভ হল। আমি বললাম, "দেখে লোভ হচ্ছে। পরেরটা আমিও তাহলে ম্যানহাটান নেব।" স্টিভ বলল, "পরেরটা কেন। এটাই নাও। তোমার হুইস্কি সরিয়ে রাখ। ভয় নেই, ওটার দাম নেব না।" আমি বললাম, "দাও তাহলে।" অ্যারন বলল, "সে কি! তুমি স্টিভের বানান ম্যানহাটান খাওনি কখনও? করেছ কি? এই পঁচিশ মাইল রেডিয়াসে যত বার আছে সবাইকার বারটেন্ডার স্টিভকে ককটেল বানানর গুরু মানে - বিশেষতঃ ম্যানহাটান। খাও খাও।" আমি সত্যিই চুমুক দিয়ে দেখলাম, অপূর্ব। অ্যারন করমর্দনের জন্যে আমার দিকে হাত বাড়িয়ে বলল, "অ্যারন প্রেসলার।"

    অ্যারন বলল, "আমি এই স্টিভের ম্যানহাটানের লোভে প্রতি বেশপতিবার দূর থেকে ছুটে ছুটে আসি।" লরা বলল, "তাই?" লরা আমার দিকে তাকিয়ে বলল, "ওর কথা বিশ্বাস কোরনা। অ্যারনটা খুব মিছে কথা বলে।"
    আমি অ্যারনকে জিগেস করলাম, "তুমি সব বেশপতিবার আস?"
    অ্যারন বলল, "ইয়েস। একটা বেশপতিও বাদ দিইনি এখনও।"
    - সে কদিন?
    - অনেকদিন। যুদ্ধ থেকে ফেরার পর থেকেই।
    বুঝলাম এও ভেটারেন। বয়েস দেখে বোঝা যাচ্ছে ইরাক ওয়ারের ভেটারেন। প্রথম বা দ্বিতীয় উপসাগরের যুদ্ধর সময়ে এর যুদ্ধে যাবার বয়েস হয়নি।
    - প্রতি বেশপতিবারটা কী ব্যাপার?
    অ্যারন বলল, "সে এক গল্প। বলছি দাঁড়াও।"

    "আমাদের ইউনিট ছিল স্পেশাল অপারেশন ইউনিট, বুঝলে। স্পেশাল অপারেশনস কী জান তো? এরা দৈনন্দিন ব্যাটলে যায়না। কিন্তু ধর খবর পাওয়া গেল একটা চালের গুদামে এনিমি অ্যামিউনিশন স্টোর করছে। স্পেশাল অপারেশনের দায়িত্ব হচ্ছে সেটাকে নিউট্রালাইজ করে দেওয়া। কিম্বা ধর খবর পেলে এনিমি তোমাদের দুজন সোলজারকে পিওডব্লু করে রেখেছে একজন সিভিলিয়ানের বাড়িতে। স্পেশাল অপারেশনের কাজ হল তাদের উদ্ধার করে নিয়ে আসা। আমাদের ইউনিটের যে লীডার ছিল, তার নাম ছিল স্টিভ। একদিন স্টিভ এসে বলল যে একটা অপারেশনে যেতে হবে। ছোট অপারেশন। একটা কালভার্টের তলা দিয়ে কমিউনিকেশন লাইন পাততে হবে। কারণ কালকের এয়ার রেডে আমরা কালভার্টটা নিউট্রালাইজ করে দেব। শুধু স্টিভ আর আমি। পঞ্চাশ ফুটের কালভার্ট। একজন লাইন পাতবে আর একজন কভার দেবে। সোজা কাজ।

    কথামতন আমি আর স্টিভ কালভার্টে পৌঁছলাম। পূর্ণিমার আগের রাত্তির বোধহয়। চাঁদের আলোয় চারদিক ভেসে যাচ্ছে। আমাদের টর্চ বা নাইটটাইম গগলস না হলেও চলে যায়, এত আলো। দুপাশে আদিগন্ত ধানের জমি। মাঝখান দিয়ে একটা রাস্তা চলে গেছে। সেই রাস্তার আড়াআড়ি একটা সরু কিন্তু নিচু সেচের খাল। তার ওপর দিয়ে কালভার্ট। কথা হল আমি কালভার্টের তলায় গিয়ে কমিউনিকেশন লাইনটা পেতে দেব। কালভার্টের ওপরে থেকে স্টিভ আমাকে কভার দেবে।

    সেইমতন আমি একটা রীল হাতে তার পাততে পাততে যাচ্ছি। কোন গোলমালই নেই। একে চাঁদের আলো, তায় আমাদের চোখে নাইট-ভিশন গগলস। চারপাশ দেখতে কোন অসুবিধে নেই। হঠাৎ নজরে পড়ল, মাটির ওপর দিয়েই ঠিক পাশে আরেকটা তার যাচ্ছে। আরেকটা কমিউনিকেশন লাইন? লাইনটা কদিনের পুরনো, কারন কয়েক জায়গায় ওর ওপরে পলি পড়েছে। আমি ওটাকে ধরে টেনে তুলছি, হঠাৎ শুনি স্টিভের গলা, "ডোন্ট টাচ ইট অ্যারন!" কিন্তু টু লেট। ততক্ষণে আমি তারটা ধরে হ্যাঁচকা টান দিয়ে ফেলেছি। দিয়েই কটা জিনিস আমার ইন্দ্রিয়য় একসঙ্গে খেলে গেল। দেখলাম কালভার্টের ওপর থেকে স্টিভের দেহটা আমার থেকে পনেরো গজ দূরে ঝাঁপ দিল। বুঝলাম সর্বনাশ হয়ে গেছে, যে তারটা ধরে টান দিয়েছি সেটার অন্যদিকে মাইন বাঁধা আছে। আর শুনলাম একটা গগনবিদারী আওয়াজ। আমি মরে যাচ্ছি।

    সাড়ে সাত মাস হসপিটালে ছিলাম। এক মাসের মাথায় এনিমি কান্ট্রি থেকে আমাকে এয়ারলিফট করে এদেশে আনা হয়। সারা শরীরে অগুন্তি টুকরো ঢুকে ছিল।

    - আর স্টিভ?
    - ও মাইনটার ওপরে সটান ঝাঁপ দিয়েছিল আমাকে বাঁচাতে। ওর দেহটা আর চেনাই যায়নি। ওর জন্যেই পনেরো গজ দূরে থেকেও আমি বেঁচে গেছিলাম। সেদিন ছিল বেশপতিবার রাত। তাই আমি প্রতি বেশপতিবার এই স্টিভের দোকানে এসে স্পিরিট পান করে সেই স্টিভের স্পিরিটকে আমার কৃতজ্ঞতা জানাই। গুড নাইট। গুড নাইট স্টিভ। গুড নাইট সুইটি।

    টুপিটা তুলে অ্যারন বেরিয়ে গেল। আমি অনেকক্ষণ হতবাক হয়ে বসে রইলাম। স্টিভ এল আমার টেবিলে গেলাসগুলো তুলবে বলে। আমি স্টিভকে বললাম, "তুমি জানতে?" স্টিভ বলল, "কেন জানব না? তবে গল্পটায় একটা গুল আছে।"

    - গুল?
    - ইয়েস, গুল। মেজর গুল। স্টিভের জায়গায় অ্যারনকে বসাও আর অ্যারনের জায়গায় স্টিভকে। তাহলে ঠিক গল্পটা পাবে।
    - তার মানে?
    - এই অ্যারন আমার ইউনিট লীডার ছিল। ওর জন্যেই সেদিন আমি আমি বেঁচে যাই।
    - কী বলছ তুমি? তাহলে এই অ্যারন?
    - স্পিরিট। অ্যারনের স্পিরিট। যার কাছে গল্প শুনলে সে অ্যারনের স্পিরিট। প্রতি বেশপতিবার রাতে আসে। আজ পঁয়তাল্লিশ বছরে একদিনও মিস হয়নি।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ব্লগ | ০৬ জানুয়ারি ২০১৯ | ১০৮৪ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • সুকি | unknown.*** | ০৬ জানুয়ারি ২০১৯ ০১:০২50460
  • বাহোবা, দারুণ লাগছে এই গল্পগুলি পড়তে. বাস্তবতা আর কল্পনার দোলচাল খুব উপভোগ করছি
  • কল্লোল | unknown.*** | ০৬ জানুয়ারি ২০১৯ ১১:১২50459
  • সাব্বাশ
  • বিপ্লব রহমান | unknown.*** | ০৭ জানুয়ারি ২০১৯ ০১:৫৫50461
  • স্পিরিটটাই আসল, চিয়ার্স।

    পাঞ্চ লাইনটি সেরাম। ব্রেভো!
  • | unknown.*** | ০৭ জানুয়ারি ২০১৯ ০৪:৩৪50465
  • বাহ
  • শঙ্খ | unknown.*** | ০৭ জানুয়ারি ২০১৯ ০৬:২০50462
  • মুগ্ধতা!
  • dc | unknown.*** | ০৭ জানুয়ারি ২০১৯ ০৯:৩৩50463
  • এই গল্পটাও ভালো লাগলো।
  • de | unknown.*** | ০৭ জানুয়ারি ২০১৯ ০৯:৫৬50464
  • দারুণ!
  • Shn | unknown.*** | ০৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০৩:৪৬50466
  • এই সিরিজটা দা--রুণ!
  • | unknown.*** | ০৮ জানুয়ারি ২০১৯ ০৩:৪৮50467
  • গল্পটা বেশ দুর্দান্ত। খ
  • রিভু | unknown.*** | ০৯ জানুয়ারি ২০১৯ ০৫:২৫50468
  • এই সিরিজটা ভালো হচ্ছে।
  • dc | unknown.*** | ১০ জানুয়ারি ২০১৯ ০১:০১50481
  • দদির সাথে একমত। আমিও বুঝতে পেরেছিলাম, কাজেই দেখা যাচ্ছে সিরিয়াস লোকজন ছাড়া সবাই বুঝেছিল। কাজেই সেই প্রশ্নটা আবার উঠে আসে - হোয়াই সো সিরিয়াস?
  • দ্রি | unknown.*** | ১০ জানুয়ারি ২০১৯ ০৪:৪৪50469
  • কনস্ট্রাকশানটা চমৎকার!

    ভিয়েতনাম ভেটারান স্টিভ পীসনিক হয়ে যাওয়ার পর আবার ইরাক ওয়ারে আহত, এটা কি ইন্টেন্শানাল কনস্ট্রাকশান?

    যাই হোক, এই লেখাটা ন্যাড়া রচনাবলীতে যাওয়ার মত।
  • | unknown.*** | ১০ জানুয়ারি ২০১৯ ০৭:২৯50471
  • রাইট আমারও মনে হচ্ছিল স্টিভ কি তাইলে দুটো, ন ইলে ভিয়েতনাম দুটো লাগে, তারপর ভাবলাম ভুতের ব‍্যাপার আর ঘাঁটাঘাঁটি করব না‌
  • | unknown.*** | ১০ জানুয়ারি ২০১৯ ০৭:২৯50470
  • রাইট আমারও মনে হচ্ছিল স্টিভ কি তাইলে দুটো, ন ইলে ভিয়েতনাম দুটো লাগে, তারপর ভাবলাম ভুতের ব‍্যাপার আর ঘাঁটাঘাঁটি করব না‌
  • ন্যাড়া | unknown.*** | ১০ জানুয়ারি ২০১৯ ০৭:৩১50472
  • ভূতেদের বয়েস বাড়েনা। অ্যারনের বয়েস দেখে লেখকের মনে হয়েছিল ইরাক ওয়ার ভেটেরেন। আসলে সে ভিয়েতনাম ওয়ারে মারা গেছিল। স্টিভও ভিয়েতনাম ওয়ার ভেটেরেন। লেখকের এইসব সূক্ষ্ণ চিন্তা ধরা গেছে দেখে লেখক উৎফুল্ল।
  • দ্রি | unknown.*** | ১০ জানুয়ারি ২০১৯ ১১:১৩50473
  • ভাবা যায়! এতবড় কথাটা ন্যাড়াদা বেমালুম চেপে গিয়েছিলেন!

    এই গল্পটা যখন কিছুদিন বাদে স্কুলের পাঠ্যবইতে ঢুকবে, আর প্রশ্ন আসবে 'অ্যারন কোন যুদ্ধে শহীদ হইয়াছিলেন', বাচ্চারা কী লিখবে বলুন তো?

    তবে আদিগন্ত ধানজমি, সরু সেচের খাল এসব ইরাকের চেয়ে ভিয়েতনামেই বেশী ভালো মানায়।
  • র২হ | unknown.*** | ১০ জানুয়ারি ২০১৯ ১১:১৭50474
  • ইরাক/ ভিয়েতনাম বয়স লেখকের ইরাক ভাবা এগুলো বোঝা যাচ্ছে তো। মানে আমার তো প্রথম পড়াতেই কনফিউশন হয়নি।

    সে যাই হোক চমৎকার সুখপাঠ্য হচ্ছে সিরিজটা।
  • sm | unknown.*** | ১০ জানুয়ারি ২০১৯ ১১:২১50475
  • সেতো লাস্ট লাইনে বলে দেওয়াই আছে। গত পঁয়তাল্লিশ বছর ধরে রোজ বেস্পতিবার আসছে। একদিন ও মিস নাই। তারপর সংশয় থাকে?
  • দ্রি | unknown.*** | ১০ জানুয়ারি ২০১৯ ১১:২৫50476
  • যাঃ, আমি একেবারেই বুঝিনি। মনে হয়, যারা নিয়মিত ভুতের গল্প পড়েন তারা এগুলো বোঝেন।
  • দ্রি | unknown.*** | ১০ জানুয়ারি ২০১৯ ১১:২৭50477
  • এসেম, রাইট! মন দিয়ে না পড়লে এই হয়।
  • | unknown.*** | ১০ জানুয়ারি ২০১৯ ১১:২৯50478
  • হ্যাঁ আমিও দিব্বি বুঝেছিলাম।

    দেখা যাচ্ছে খ বা দ্রি এর মত ভীহণ সিরিকাস লোকজন বোঝেন নাই। ;-)
  • r2h | unknown.*** | ১০ জানুয়ারি ২০১৯ ১১:৩৪50479
  • হাহাঃ) আমি অব্শ্য ভুতের গল্প পড়িনি অনেক্দিন, তবে এমনিতে ফিকশন বেশী পড়ি তা ঠিক।

    তবে ন্যাড়াদার এই গল্পটা - এটাকে ভুতের গল্পও (বা অলৌকিক ইত্যাদি) বলা যায়, আবার না বলাও যায়।

    মানে, হোয়াটিফ এই স্টিভ ঘনাদা টাইপ একটা চরিত্র, বা লেখক নিজে, তো ঐ ফিকশনের ভেতর ফিকশন সে আবার পেঁয়াজের খোসার মত কেন্দ্রগতং নির্বিশেষঞ্চ।
  • দ্রি | unknown.*** | ১০ জানুয়ারি ২০১৯ ১১:৩৫50480
  • অমনি সবাই বুঝেছিল!

    ন্যাড়াদা বুঝিয়ে না দিলে কি হত কিচ্ছু বলা যায় না।

    তবে ভুতের গল্প না পড়ে না পড়ে ভুলেই গেছিলাম ভুতেদের বয়স বাড়ে না।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় মতামত দিন