এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • ঢাকাঢুকি আড্ডা

    Abhyu
    অন্যান্য | ১৬ এপ্রিল ২০১৩ | ১৭২৭৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Du | ১৪ জুন ২০১৭ ০০:৩০601654
  • দেশে থাকলেও দেশটাই যে কোথায় একটা চলে যেতে থাকে going west কার লেখা ? পাকিস্থানেতই লেখক।
  • rabaahuta | ২৩ নভেম্বর ২০১৭ ২২:৩৭601655
  • হাঁসুলীবাঁকের উপকথা, বনওয়ারীর বিশ্বস্ততা, চন্ননপুরের বাবুরা মনিব হবে এই উচ্চাকাংখা, ঘোষ, চৌধুরীদের কাহারদের নানাবিধ অপমান করা, বেগার খাটানো, হিসেবে গন্ডগোল ইত্যাদি, এবং তারপরও কাহারদের কৃতজ্ঞতা, কাজে নিষ্ঠা, জন খাটবার সুযোগ পেয়ে বা কখনো মোট বয়ে দুআনি পেয়ে, পড়তে পড়তে বহুজাতিকের চাকরী বাকরীর সঙ্গে তুলনা এইসব মনে হচ্ছিল।

    ***

    কত লোকের সঙ্গে দেখা হয়। আমাদের এখানে দু'জন নিরাপত্তাকর্মী। একজন শক্তপোক্ত, শীতের হাওয়ায় রাতে টুপি পরে একটু বিব্রত - 'রক্তের তেজ কমে যাচ্ছে তো, ঠান্ডা লাগে এখন'। আশুতোষ কলেজে পড়তেন। ১৯৭২ সালে কলকাতা থেকে পালিয়ে যেতে হয়, নাগাল্যান্ডে ছিলেন অনেকদিন আন্ডারগ্রাউন্ডে, তারপর নানা জায়গা ঘুরে এখন কোন বন্ধুর সূত্রে সিকিউরিটি এজেন্সির চাকরী।

    আরেকজন মেদিনীপুর থেকে, আগে শাড়ি ছাপানোর কাজ করতেন। পয়ঁত্রিশ টাকা করে পার শাড়ির রেট ছিল, রঙ, ডিজাইন নিয়ে কাজ করতে ভালোবাসতেন। কিন্তু এখন রেট কমে সাড়ে বারো টাকায় দাঁড়িয়েছে, দিনে দশটার বেশী করা যায় না, ছেলে মেয়ে বড় হচ্ছে, ওতে হয় না। তাই এখানে।
  • কান্তবাবু | ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১৭:০০601656
  • এইসব স্থানকাল এইসব কাকচিল ফ্যাচাখেউ রাতদিন
    দুপুরের ঝোঁকে ঘুঘু যদিও ব্যস্ত রাস্তাঘাট যন্ত্রশকট গাড়ি
    ছুটে চলে লোহার দোকানে কাটে ইস্পাত লোহার করাত
    গুণে গুণে মিল দিয়ে মাত্রা তাল পদ
    পদ্যে অযথা ঢপ গদ্যে শূণ্যজল ছদ্ম অস্তাচলে রাঙা দিনমনি

    এদিকে সন্ধ্যা হয় এদিকে ফর্সা ভোর এদিকে নিঃসহায়
    স্তব্ধ কিংবা খুব আওয়াজের জোর
    এইসব স্থানকাল এইসব শহরের ধুলোয় অল্প কুঁচি ছন্দের ঝোঁক
    ভরসা এইদিকেই মাঝরাতে জ্বলে থাকে একলা আনাড়ি ল্যাম্পপোস্ট।

    ত্রস্ত কোন মানুষ কন্ঠে ইচ্ছাভার সবারই চলছে লেট
    যেখানে যাওয়ার ছিল যেখানে ফেরার
    তাদের যাত্রা হোক শান্ত নির্বিকার
    এরকম শহরের দগ্ধ বিষাদ

    শান্ত সন্ধ্যাময় আলতো অস্তাচলে রাঙা দিনমনি।
  • কান্তবাবু | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১০:৪০601657
  • বালকবেলার মতন লেখা পদ্যগুলি
    শব্দগুলি জর্জাজড়ি আউপাথালি
    মুখের কথায় ছাপার ভুলে এই অছিলা
    অন্ধকারে সবুজ মতন নয়ানজুলি

    পদ্যগুলি স্থানিক এবং সবুজ হলুদ
    ওরাংওটাং উদাস যেমন কাঠের ছাতে
    জলসেঁচা তার ফ্ল্যাটের বাসা ক্ষেতের আলে
    জীবাশ্মদের ভিতের নীচে পেতেও পারো

    পদ্যগুলি পদ্য নেহাত গোবিন্দায়
    দায় দাবী মাফ রম্য যদি চক্ষে ঠেকে
    ঘুর্ণি বাতাস নির্বাসনে বাস্তুছাড়া
    অনেকদিনই উড়ালপুলের খাম্বা ঘেঁষে।

    বালকবেলার পদ্যগুলি তারকাঁটাতে
    ক্ষেতের আলে ভোরের ঝোঁকে ভুল অছিলা।
  • | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১১:০৭601658
  • হুতোর বাছা বাছা কবিতা নিয়ে আরেকটা বই হউক
  • T | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ১৪:০৮601659
  • ইয়েস, সমর্থন করি।
  • কান্তবাবু | ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ২৩:২১601660
  • একটি দুটি অক্ষর ধরে শেষ হলো অভিধান, বেবাক
    সরুই ছিল তা যদিচ, যেরকম শুরুর কবিতাগুলি সরু
    যেরকম দিনগুলি হুশ করে কোথা দিয়ে গলে যায় লালমাটি
    গ্রীষ্ম প্রখর, ছুটিছাটা, বিকেলে ছাতিমঘ্রাণ, ক্ষীয়মান বন।
    একটি দুটি অক্ষর ধরে কিই বা তেমন কথা কত আর বাহানার ভার
    শেষ হয় দ্রুততর যত না ফুরায় এই ম্যাজিকের আলো হাওয়া
    অবশিষ্ট শহরের জেগে থাকা পেয়ালা পিরিচ দূরভাষ
    রং বর্ষন, বাসন্তী গরল বিষাদ, থেমে যাওয়া গান।
    সামান্য দুই চারি শিয়ালের করাল কুমীর এই শব্দগুলি শেষ
    নিভেছে সলিতাগুলি চৌদিকে, ঈশার আজান ভাসে সঘন নিকট জুড়ে
    একটি দুটি অক্ষর ধরে শেষ হলে জাড্যের ক্ষুধা আর সুধার অমল
    ডাকঘরে চিঠি আসে, তার্পিন তেল মেখে দরিয়ায় ভাসে জলযান।
    শ্বাপদে কোন্দল করে শ্বদন্তে ঝলকায় পদ
    একদুটি শব্দ খেয়ে হেন্তালের বনে
    আশ্লেষে ওঁৎ পাতে ভয়ানক নীলাভ বিপদ।
  • সিকি | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ০৭:১৭601661
  • আহা!
  • T | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ০৭:৫৫601662
  • হুতোদার পরবর্ত্তী বইয়ের অলংকরণ যেন আমার হাতে ছাড়া হয়। ডিব্‌স।
  • dd | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ০৮:৪২601532
  • তবে পাতা দুয়েকের একটা সিরিয়াস ভূমিকাটা আমিই লিখবো। বেশী ওয়েট করিও না বাপু।
  • রুকু | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ০৮:৪৫601534
  • আমি একটা কবিতা দেব?
  • রুকু | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ০৮:৪৫601533
  • এই থ্রেডটা কী ভালো!
  • রুকু | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ ০৮:৫০601535
  • আগন্তুক

    বিন্দুদৃষ্টি সে ভয়ানক, বিদ্ধ করে অন্তঃশরীরে;
    যেখানে জলকেলি ভবিষ্যৎ, নীলাভ আলোয় ঘেরা এক মায়াকানন।
    চলে যাওয়া খুব সহজ, তুড়ি মারলেই আলো বন্ধ হয়ে যাবে;
    তবু থেকে যাওয়া হয়।
    কাচের অন্তরগর্তে আমাদের বাসা ছিলো;
    ঘন পশমের মত বুনোট,জোনাকি ধরে দেওয়ালে গেঁথে রাখা।
    আলো, সেই আলোর ছায়া তোমার বাদামী চোখ;
    অপ্রগলভ আদর, কস্তুরী গন্ধ মাখা ত্বক আমাদের।
    আসলে কাঁচা আপেলের স্বাদ জিভে নিয়ে শীর্ষে ওঠা।
    বরফের মধ্যে দিয়ে দেখতে পাই, আগন্তুক,
    এক পা দু পা রেখে উঠে যাচ্ছো ধর্মের পাহাড়ের চুড়োয়,
    পিঠ বেয়ে গড়িয়ে যাচ্ছে ঘাম, বরফ শীতল।
  • কান্তবাবু | ০১ মার্চ ২০১৮ ১২:১৩601536
  • আজ তো একেবারে অফিসিয়াল বসন্তকাল, কিন্তু এতবছরে দোলের কোন কমন ডেডিকেটেড টই নেই সেটা দেখে অবাক; সে একটা টই খুলেই ফেলা যায়, কিন্তু আমার তো একখানার বেশী পোস্ট নেই, তাই আর টই বাড়ালাম না। যাগ্গে, বসন্তকালে পদ্য লিখবো না এ তো কোন কথা নয়, রীতিমত কর্তব্যের মধ্যে পড়ে।
  • কান্তবাবু | ০১ মার্চ ২০১৮ ১২:১৪601537
  • বসন্তে এই পথে এলোমেলো দূর থেকে গান
    স্টেশনের এলোমেলো গঞ্জের লালমাটি পথ
    পোড়ো ভিটে পিকনিকে কি একাকী কাছিমের পিঠ
    দেখে আসে সাবধানী দেয়নি সাগরে যারা ডুব

    ঝাঁঝাঁ রোদ সয়ে যায় চোখে চোখে গাঢ় বন্ধনী
    কাঁচকড়া, সাবধানী শৈবালে ঢাকা ইতিহাস
    এদু'টি দিনের মত ভোররাতে আধা জাগরণ
    কেতাবী শিমুলতলা ছোঁয়াছুঁৎ গোস্তাকী মাফ।

    ধুলো ধুলো ঘুঘুপাখি পৃথিবীর আনাচে কানাচে
    এসব জিতেছে কাল দেশ সব জটিল গণনা
    টিউকলে বোল্ডারে অগোচরে লুকোচুরি যেসব জলধি
    দূরাগত স্বর শুনে কলকল মুখরিত হতে।

    মিঠে হাওয়া লাগ দোল হোলি হ্যায় এসব ছলনা
    তেমনই ভিভিড যত কর্নেটে বাঁরোয়ার সুর
    দেখে আসে তারা, যারা অগোচরে নামেনি সাগরে
    বিষাদে বিষম ঢিলে স্বরচিত অজেয় কবচ
    বসন্তে ছুঁয়ে আসে খুশিয়াল কাছিমের পিঠ।
  • paps | ০১ এপ্রিল ২০১৮ ২২:৩৬601538
  • সার্কুলার কোয়ে না। উচ্চারণটা "কি" অর্থাৎ key এর মত। ইংরাজি এক আজব ভাষা!
  • সিকি | ০১ এপ্রিল ২০১৮ ২৩:১৫601539
  • ক্বে বা ক্বী টাইপের উচ্চারণ ছিল।
  • তোমার নিকটে | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১৩:০২601540
  • তোমার নিকটে যেতে ধুলিভরা পথ কিছু, কিছু শীতাতপ
    ঘোলাটে নদীর জলে ইতস্তত ভেসে থাকে মেঘের ছায়াটি
    সতত নদীরা চলে যেমন সময় চলে আমাদের মোহ্গুলি নিয়ে
    সাদাসিধে এইসব একঘেয়ে প্রলাপের মত
    মানুষের চলা যেন ছোট বড় পাথরের নীচে চাপা ফ্যাকাসে
    ধূসর সবুজ তাজা নানাবিধ মোড়ের দোকানী
    সন্ধ্যের পরে একা লম্ফটি জ্বেলে বসে একাকী শহরে
    তোমার নিকটে যেন আলো আবছায়া, বাস্তবে মিলে মিশে যায়
    তার পসরা, বাসনা; তবে ক্রমাগত দূরে যায় এমন নিয়তি।

    তোমার নিকটে যেতে শরতে শেফালি আর বর্ষায় কদমের ফুল
    বুটজুতো আলগোছে দলে দেয় কাদা ও ধুলিতে তার ঘ্রাণ
    তোমার নিকটে যেতে, গেলেই তো হয়, তবু
    তোমার নিকটে ম্লান কেবলই কাতর এই অপয়া বিষাদ।
  • সনাতন | ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ২৩:৩৩601541
  • সুখ নাই বুঝি তার অসুখের গ্রীষ্ম প্রখর
    চুঁইয়ে রোদের ধারা গলিত বাতাসে দোলে
    চটের বনাত দেওয়া। আবছা বাঘারু
    যেন কাঁপা মরিচীকা
    দুপুরের হাইওয়ে জুড়ে দেখা উইন্ডশিল্ডের পারে হুই কত দূর
    দেখা যায় ধোঁয়াটে ধোঁয়াটে
    তার সুখ নাই এই অশেষ দিগরে

    সুখ নাই বুঝি তার অসুখের এই মাঠে
    হাঁক পেড়ে বহুরূপী যায়, গ্রাম্য বাজিয়ে
    যায় বেহালা বগলে, রসকলি কাটা বোষ্টম
    ধুলো ওড়ে গেঁয়ো পথে ধ্বনিগত দাগ পড়ে
    ধুলার শয়ানে তার ফিরে ফিরে স্থায়ী অন্তরা
    তার সুখ নাই অসুখের খোঁজে এই গলিত বাতাসে
    রোদে কতকাল থেকে ঘোরে বেমালুম গ্রহ ধুলিকনা

    কাঁচের পেছন থেকে ছিটকানো মথ প্রজাপতি ছেড়ে
    চটের বনাত ছিঁড়ে পথে পথে ঘুরে যায়, পদে ভুল হলো তার
    অল্প শিকার ধরে তমাল গাছের ছায়া খুঁজে।

    একলা বাঘারু, তার দুপুরে অসুখ।
  • সনাতন | ০৯ অক্টোবর ২০১৮ ১৫:১৭601543
  • ছোট ছোট পোকাগুলি পাখাতে দিচ্ছে শান
    তাদের ছুটির দিন হলো।
    ছাতিমের থোকা থেকে নেমে আসে জবুথবু শুঁয়ো
    সেলোফেনে মোড়া হ্যালোজেন
    আসলে আলোর থেকে বেশী জোরে চলে তার আলো
    সন্ধ্যায় কাকভোরে কাকজ্যোৎস্নায়।

    ঝড়ের পূর্বাভাস ঘুপচি ভ্যাপসা ছাত
    এক কোণে ফাটা জেরিকেন
    ফেলে যাওয়া ছাতা জুতো কোদাল করাত
    ধুলো গুলি ঝিকিমিকি আজকাল
    নিজমনে অক্টোবর ঋতু।

    বাতিল হরকরারা জড়িবুটি জড়ো করে স্টেশনের শেষ মাথা ঘেঁষে
    তাদের আসেনি বেশী বখশিশ, ম্যাজিকেই আজকাল পেটে ভাতে ক্ষয়।

    হাওয়াদপ্তর বলেছে ঘূর্ণী হবে, যাত্রাভঙ্গে কেউ খুশি
    আসলে তাদের ক্ষোভ, ছুটির পদ্য লেখা বাকি।
    অসময়ী শুঁয়োপোকা যেরকম হামা দিয়ে নামে
    সেইসব কুণো লোক ঘেঁটে দেখে যাবতীয় ওকালতনামা
    সবই হলো, শুধু অসময়ে
    ছুটির পদ্য লেখা বাকি।
  • তোমার নিকটে | ২২ নভেম্বর ২০১৮ ১৬:১৯601544
  • কড়ে আঙুলের নখে ছাতা পড়ে শ্যাওলা সবুজ মহাশূণ্য হলে মনে হয়
    লেখা যাক এইবেলা কফির গভীর ঘ্রাণ গরীবের খামার বিলাস
    যখন ঘুমিয়ে লোক হালাবুলু থিতিয়ে তলানী ঝিম মেরে রোদ বেঞ্চিতে
    তোমার পণ্যগুলি ইঁদুরে কেটেছে কুচিকুচি, আতপের চিহ্ন মেখে
    উচ্ছিষ্ট করেছে আর গতিময় ধাঁধার পান্ডুলিপি লিখে
    লোকেরা ঘুমিয়ে আর জেগে শুধু শোরগোল দিবারাতি উড়ুক্কু পাখি
    তফাতে গিয়েছে তারা জাগতিক কোলাহলে কফি।

    তোমার নিকটে তারা একঘেয়ে ছিনিমিনি খেলে
    তোমার নিকটে তারা ধ্বনি দেয় যেরকম কুচি পান্ডুলিপি
    তোমার নিকটে তারা ততক্ষণ থাকে যতক্ষণ প্রতি লোক বিমনা
    তার একঘেয়ে চড়ুইভাতিতে আর বাজারে ও কাছারী বা উল্লাসরবে

    তোমার নিকটে এই দু'প্রহর ঘন্টা কতক
    শ্যাওলা গজিয়ে ওঠে রকমারী নীলাভ সবুজ
    আর ফুলে ফেঁপে মহাশূণ্য কালক্ষেপ দু আঙুলে তুড়ির সমান।

    ততক্ষণ মনে হয় লেখা যাক এইবেলা কফির গভীর ঘ্রাণ
    নাই বা নিখুঁত হলো বৃত্তের ব্যাস ও পরিধি।
    নাই বা এড়ালো দাগ দেহযন্ত্রে সুষুপ্ত তামাকের কড়া।
  • | ২২ নভেম্বর ২০১৮ ২০:১০601545
  • আঃ

    (রাধিকা সিরিজ বহুকাল আসে নি)
  • Kahiptaashaa | ২৩ নভেম্বর ২০১৮ ০২:৪৩601546
  • লিখেছি কিন্তু কদিন আগেঃ)
  • তোমার নিকটে | ২৫ নভেম্বর ২০১৮ ১৭:৪৭601547
  • উদাসী বাউলের মত কে দেখে ময়দানে হই হট্টগোল
    যেমন সন্ধ্যা ঘরে স্বোপার্জিত নেভা আলো ঝিম ধরা দুপুরেই মদ
    এদিলে ধূলায় ধুলি পশ্চিম থেকে আসে এক পশলা গেঁয়ো হাওয়া
    পশ্চিম থেকে আসে ঘর্ঘড়ে প্রযুক্তি মাটি ছ্যাঁদা করে কস্তুরী পিলারের ছবি

    বাড়িঘর ওঠে আপিস কাছারী ঘিরে ফেলেদমচাপা করে দেয়
    সন্ধ্যাঘরে স্বোপার্জিত নেভা আলো যতেক ক্ষতির কামনা

    পূববাংলায় তার সাকিনটি পড়ে ছিল তোমার নিকটে তার কৃপাপ্রত্যাশা
    বিচিত্র মানবজমিনে তার আলোটুকু নিভে থাকে জ্বলে থাকে

    শয্যাগত এখন বৃদ্ধা তার জৌলুসে দংশেছে কীট

    উদাসী বাউলের মত দেখে এই কাল
    দেখে শহরের ধুলো দেখে গেঁয়ো হাওয়া
    গোধুলির মরা আলো
    যেমন জীবনে মরে শয্যাগত সাকিনটি তার

    বিচিত্র আধো ভেজা মাটি স্নেহের কোলে
    আবেগবর্জিত অশ্রু প্রবৃত্তিতে যেমন ঝরেছে ভূমিতে।

    উদাসী বাউলের মত দেখে তার জাবেদা খাতায় দেখে ময়দানে দেখে শহরে বন্দরে দুয়ারের পিছে।

    তোমার নিকটে শুধু অর্ধ চেতনাতে তার উল্লাস ভুলে গিয়ে
    অপয়া এ কাতর বিষাদ।
  • aranya | ২৬ নভেম্বর ২০১৮ ০০:৩২601548
  • দারুণ
  • সিকি | ০৩ ডিসেম্বর ২০১৮ ২১:৪৭601549
  • সাঁঝের ক্লাসের একটি ছেলে, আজ মারা গেছে। রিকেটে আক্রান্ত ছিল, হুইলচেয়ারে চলাফেরা করতে হত, আরও কিছু শারীরিক জটিলতা ছিল, মাঝে মাঝেই হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি হতে হত। আজ সকালেও হয়েছিল। বিকেলের দিকে ছাড়া পায়। বাড়ি আসার কয়েক মিনিটের মাথায় হঠাৎ অ্যাটাক, এবং মৃত্যু।

    কাল তাদের শোকসভা হবে, তাই অফিস থেকে ফেরার পথে কিছু ফুল কিনে নিয়ে যাবার ছিল। রাস্তায় পড়ে এক সাঁইমন্দির, তার সামনেই ফুলের দোকান। সাদা ফুল রাখা রয়েছে বালতিতে, দেখে দাঁড়ালাম। এ দেশে রজনীগন্ধার তেমন চল নেই, এ কী ফুল জানি না, ঐ রকমই লম্বা লম্বা স্টিক, কোনও গন্ধ নেই কেবল।

    দোকানদার খুব উৎসাহী হয়ে বলল, চারটে গোলাপ দিয়ে সাজিয়ে দিই স্যার? তাকে নিরস্ত করে বললাম, না না, কেউ মারা গেছে, তার জন্য ফুল নিয়ে যাচ্ছি, সাদা বাদে আর কোনও রঙের ফুল দেবেন না। কত পড়বে একটা বোকে?

    দোকানদারের আওয়াজে হঠাৎ কেমন একটা পরিবর্তন এল। না না, কেউ মারা গেছে, তার জন্য যখন ফুল নিয়ে যাচ্ছেন, আমি তার জন্য কোনও দরদাম করব না। আপনি যা দেবেন, তাই মাথা পেতে নেব।

    অবাক লাগল, উত্তরপ্রদেশের রোডসাইড দোকানে এসব শোনা অভ্যেসও নেই, আবার ফুল কেনারও বাতিক নেই। একটা বোকের দাম কত হতে পারে, পঞ্চাশ, না একশো, নাকি তারও বেশি - কে জানে!

    লোকটা বোকে বানিয়ে তাতে সেলোফেন পেপার দিয়ে মুড়ে সুন্দর করে সাজিয়ে দিল। আমি কিন্তু কিন্তু করে তার দিকে বাড়িয়ে ধরলাম তিনটে কুড়ি টাকার নোট, বললাম, এতে হবে তো? ঠিক আছে?

    লোকটা কপালে হাত ঠেকিয়ে আবারও নির্মোহ স্বরে বলল, যাঁর জন্য ফুল, তিনি দাম দেবেন এর। আপনি যেটুকু দিচ্ছেন, সেটা উপরি। দিন। কোনও দরাদরি নেই।

    আমি ফুলের বোকে নিয়ে গাড়িতে উঠে বসলাম।
  • I | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৮ ০০:০৮601550
  • আজকাল কম পেয়ে, না পেয়ে এমন অভ্যেস হয়ে গেছে, একটুখানি পেলেই কৃতজ্ঞতায় মন ভরে যায়।ঐ ক্লিশে কথাটাই আবার মনে আসে।বিশ্বাস হারানো পাপ।

    ধন্যবাদ সিকি।ঐ অচেনা ফুলওয়ালাকে নমস্কার।
  • I | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৮ ০০:১১601551
  • সম্ভবতঃ সাদা গ্লাডিওলাই।
  • সিকি | ০৪ ডিসেম্বর ২০১৮ ০৯:৪১601552
  • হুঁ, গ্লাডিওলাস। নামটা মনে পড়ছিল না। এই দিকে এটাই চলে।
  • b | ০৬ ডিসেম্বর ২০১৮ ১৭:১২601554
  • দক্ষিণের হাসপাতালে ক্যান্টিনে বাঙালীরা বসে বসে ইডলি দোসা খায়, সম্বর দিয়ে চটকে মেখে। কোলোনস্কপি, ইএম আর আই,স্টেন্ট, এল এফ টি এসব শব্দগুলো মাছির মত ঘোরে। বর্ধমান, শিলিগুড়ি, পুরুলিয়া, ঢাকা, নাটোর। পায়রার খুপরির মত কেবিনের দেওয়ালে পায়ের কবেকার, কার লাগানো, রামকৃষ্ণ বিবেকানন্দ সারদার স্টিকার। অনেকটা উঠে গেছে। সেদিকে তাকিয়ে জ্যেঠিমা জপ করতে করতে বলেন, হ্যাঁ রে, আমি ভালো হয়ে যাবো তো? গ্রেড থ্রী গলব্লাডার কারসিনোমা, আমি চুপ করে থাকি।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। কল্পনাতীত মতামত দিন