এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • . | ২১ জুন ২০২৬ ১২:০৮556458
  • উনি বিদ‍্যাসাগরের এগেইন্সটে ছিলেন, এস্পেশালি বিধবা বিবাহ নিয়ে।
  • Manali Moulik | ২১ জুন ২০২৬ ১১:২০556457
  • +/-
    ঈশ্বরগুপ্ত ঘোষিতভাবেই মিসোজিনিষ্ট। সিপাহী বিদ্রোহের সময়ে রানী লক্ষ্মীবাঈকে ওনার বক্তব্য অতি অপ্রযুক্ত।
  • . | ২১ জুন ২০২৬ ১১:০৮556455
  • আমাদের এখানেও যোগ দিবস পালন হচ্ছে অনেক শহরেই। আমাদের অফিসের অনেকেই যোগ করে। তারাও যাচ্ছে এবং যোগ করবে।
  • | ২১ জুন ২০২৬ ০৯:৪৪556454
  • আজকেই মহায়ন সত্যি হবার দিন। এবারে হাওড়া ব্রিজে শীর্ষাসনের ছবিগুলো পেলেই মিলিয়ে নিতে পারি।
  • +/- | ২১ জুন ২০২৬ ০৮:৪৩556453
  • বিধবা-বিবাহ
    ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
     
    বাধিয়াছে দলাদলি লাগিয়াছে গোল।
    বিধবার বিয়ে হবে বাজিয়াছে ঢোল॥
    কত বাদী প্রতিবাদী করে কত রব।
    ছেলে বুড়া আদি করি মাতিয়াছে সব॥
    কেহ উঠে শাখাপরে কেহ থাকে মূলে।
    করিছে প্রমাণ জড়ো পাঁজি পুতি খুলে॥
    একদলে যত বুড়ো আর দলে ছোঁড়া।
    গোঁড়া হয়ে মাতে সব দেখে নাক গোড়া॥
    লাফালাফি দাপাদপি করিতেছে যত।
    দুই দলে খাপাখাপি ছাপাছাপি কত॥
    বচন বচন করি কত কথা বলে।
    ধর্ম্মের বিচাপথে কেহ নাহি চলে॥
    “পরাশর” প্রমাণেতে বিধি বলে কেউ।
    কেহ বলে এ যে দেখি সাগরের ঢেউ॥
    কোথা বা করিছে লোক শুধু হেউ হেউ।
    কোথা বা বাঘের পিছে লাগিয়াছে ফেউ॥
    অনেকেই এইমত লতেছে বিধান।
    “অক্ষতযোনির” বটে বিধাহ-ধিধান॥
    কেহ বলে ক্ষতাক্ষত কেবা আর বাছে?
    একেবারে তরে যাক্‌ যত রাঁড়ী আছে।
    কেহ কহে এই বিধি কেমনে হইবে।
    হিঁদুর ঘরের রাঁড়ী সিঁ’দুর পরিবে।
    বুকে ছেলে কাঁকে ছেলে ছেলে ঝোলে কোলে।
    তার বিয়ে বিধি নয় উলু উলু ব’লে॥
    গিলে গিলে ভাত থায় দাঁত নাই মুখে।
    হইয়াছে আঁত খালি হাত চাপা বুকে॥
    ঘাটে যারে নিয়ে যাব চড়াইয়া খাটে।
    শাড়ীপরা চুড়ি হাতে তারে নাকি খাটে॥
    শুনিয়া বিয়ের নাম “কোনে” সেজে বুড়ী।
    কেমনে বলিবে মুখে “থুড়ী থুড়ী থুড়ী”॥
    পোড়ামুখ পোড়াইয়া কোন্‌ পোড়ামুখী।
    “দুখী” “সুখী” মেয়ে ফেলে কেঁচে হবে খুকী॥
    ব্যাটা আছে যার তার বেলগাছ এঁচে।
    তুড়ী মেরে থুড়ী ব’লে সে বসিবে কেঁচে॥
    গমনের আয়োজন শমনের ঘরে।
    বিবাহের সাধ সে কি মনে আর করে॥
    যেখানে সেখানে শুনি এই কলরব।
    বালার বিবাহ দিতে রাজি আছে সব॥
    সকলেই এইরূপ বলাবলি করে।
    ছুঁড়ীর কল্যাণে যেন বুড়ী নাহি তরে॥
    শরীর পড়েছে ঝুলি চুলগুলি পাকা।
    কে ধরাবে মাছ তারে কে পরাবে শাঁখা॥
    জ্ঞানহারা হয়ে যাই নাহি পাই ধ্যানে।
    ফে পাইবে “সৎবাপ” মায়ের কল্যাণে।
  • +/- | ২১ জুন ২০২৬ ০৮:৩৮556452
  • আচার ভ্রংশ
    কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
    ১৮৮৫ সালে প্রকাশিত বঙ্কিমচন্দ্র চট্টেপাধ্যায় সম্পাদিত ও সংগৃহীত “ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের
    জীবনচরিত ও কবিত্ব বিষয়ক প্রবন্ধ এবং কবিতা সংগ্রহ” গ্রন্থের পাঁচ খণ্ডে ঈশ্বর গুপ্তের
    কবিতার সংগ্রহের ২য় খণ্ড সামাজিক কবিতা।
     
    কালগুণে এই দেশে বিপরীত সব।
    দেখে শুনে মুখে আর, নাহি সরে রব ॥
    এক দিকে দ্বিজ তুষ্ট, গোল্লাভোগ দিয়া।
    আর দিকে মোল্লা বোসে, মুর্গি মাস নিয়া॥
    এক দিকে কোশাকুশী, আয়োজন নানা।
    আর দিকে টেবিলে, ডেবিলে খায় থানা॥
    ভূতের সংসারে এই, হোয়েছে অদ্ভূত।
    বুড়া পূজে ভূতনাথ, ছোঁড়া পূজে ভূত!
    পিতা দেয় গলে সূত্র, পুত্র ফ্যালে কেটে।
    বাপ পূজে ভগবতী, ব্যাটা দেয় পেটে!
    বৃদ্ধ ধরে পশু-ভাব, জশু-ভাব শিশু।
    বুড়া বলে রাধাকৃষ্ণ, ছোঁড়া বলে ঈশু॥
    হাসি পায় কান্না আসে, কব আর কাকে?
    যায় যায় হিঁদুয়ানী, আর নাহি থাকে॥
    ওহে কাল কালরূপ, করালবদন।
    তোমার রদনযুক্ত, মরালবাহন॥
    দেব দেবী কত তুমি, করিয়া সংহার।
    ভারতের স্বাধীনতা, করিলে আহার॥
    কিছু বুঝি নাহি পাও, চারি দিক চেয়ে।
    এখন ভরাবে পেট, হিন্দুধর্ম খেয়ে?
    দোহাই দোহাই কাল, শান্তিগুণ ধর।
    উঠ উঠ পান লও, আঁচমন কর॥
  • +/- | ২১ জুন ২০২৬ ০৮:৩৭556451
  • বাঙ্গালীর মেয়ে
    কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
    ১৯১৯ সালে প্রকাশিত সতীশচন্দ্র মুখোপাধ্যায় দ্বারা বসুমতী সাহিত্য মন্দির থেকে
    প্রকাশিত “ঈশ্বরগুপ্তের গ্রন্থাবলী (প্রথম ও দ্বিতীয় ভাগ একত্রে)” এর “কবিতা-গুচ্ছ” অধ্যায়
    থেকে নেওয়া।
     
    লক্ষ্মী মেয়ে যারা ছিল,
    তারাই এখন চড়বে ঘোড়া চড়বে ঘোড়া!
    ঠাঠ ঠমকে চালাক চতুর
    . সভ্য হবে থোড়া থোড়া !!
    আর কি এরা এমন কোরে,
    . সাঁজ সেঁজুতির ব্রত নেবে?
    আর কি এরা আদর কোরে,
    . পিঁড়ি পেতে অন্ন দেবে?
    কপালে যা লেখা আছে,
    . তার ফল তো হবেই হবে!
    (এরা) এ বি পোড়ে বিবি সেজে,
    . বিলিতী বোল কবেই কবে!
    (এরা) পর্দ্দা তুলে ঘোম্ টা খুলে,
    . সেজে গুজে সভায় যাবে!
    ড্যাম্‌ হিন্দুয়ানী বোলে
    . বিন্দু বিন্দু ব্রাণ্ডি খাবে!
    আর কিছুদিন থাক্ লে বেঁচে,
    . সবাই দেখতে পাবেই পাবে!
    (এরা) আপন হাতে হাঁকিয়ে বগী,
    . গড়ের মাঠের হাওয়া খাবে!
     
    ১২৬৫ বঙ্গাব্দে দেহত্যাগের অব্যবহিত পূর্ব্বে কবিবর এই দৈববাণী করিয়া গিয়াছেন।
  • dc | ২১ জুন ২০২৬ ০৮:৩১556450
  • বাজে কথা বললে হাজার টাকা জরিমানা! আবাপর ছবিটায় দেখছি লিখছে অবমাননাকর কথাবার্তা। তার মানে এবার থেকে ট্রেনে উঠে ধরুন কেউ বললো, জানিস তো, হনুমানের দুটো ল্যাজ ছিল, বা কেউ বললো, ঐ দোকান থেকে তেলেভাজা কিনেছিলাম, একেবারে গরুর খাদ্য বানিয়েছে। ওমনি ফাইন! আর যদি কোন ভিখিরি বলে, বাবু তো দেখছি হাওড়া ব্রিজে শীর্ষাসন করে বেশ একখানা টিকি বাগিয়েছেন, তো একশো টাকা বেশী দিন না, ব্যস এক্কেবারে তিন হাজার টাকা ফাইন।
  • :|: | ২১ জুন ২০২৬ ০৭:৫৯556449
  • হাইট হলো "ভিক্ষা করলে ২০০০ হাজার টাকা জরিমানা করা হবে"। যদি অতো টাকা জরিমানাই দিতে পারবে তবে ভিক্ষা করবে ক্যানো?
  • :|: | ২১ জুন ২০২৬ ০৭:৫৭556448
  • ওরে বাবারে! এতো সব দেখবে কে? "বাজে কথা" কাকে বলে?
    আজকের আবাপ -- "রেলের নতুন নির্দেশিকা অনুসারে, অন্য কারও টিকিটে যাত্রা করলে সেই টিকিট বাজেয়াপ্ত করা হবে। সঙ্গে অন্তত ৫০০ টাকা অতিরিক্ত দিতে হবে। অনুমতি ছাড়া জিনিসপত্র বিক্রি করলে বা ভিক্ষা করলে ২০০০ হাজার টাকা জরিমানা করা হবে। মত্ত অবস্থায় ট্রেনে উঠলে, ঝামেলা করলে, থুতু ফেললে, বাজে কথা বললে ১০০০ টাকা জরিমানা করবে রেল। একই অপরাধ আবার করলে ৫০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা এবং কারাদণ্ড পর্যন্ত হতে পারে।"
  • :|: | ২১ জুন ২০২৬ ০৭:৫১556447
  • তা বললে কি হয়? আপুনি তো দ্যাহি ম্যাগনিফায়ার নিয়েও ছানিকে হানি পরসেন। বয়স মহায় বয়েস! ও নিয়ে তক্কো চলে না।
  • ম্যাগনিফায়ার | ২১ জুন ২০২৬ ০৭:৩৮556446
  • খুদি খুদি অক্ষর আবার কী হানি? ফোনে দেখছেন, দু আঙুলে টানলেই তো যত খুশি বড় করে দেখতে পারেন। ফোন ঠিকঠাক ব্যবহার করতে না পারলে সেটা বরং শিখে নেওয়া ভালো। অন্যত্রও দেখলে তো মাউসের চাকা ঘোরালেই বড় করে দেখা যায়।
  • ইয়ো ইয়ো ছানি সিং | ২১ জুন ২০২৬ ০৫:১৩556445
  • ওরে বোন, এখানে সবাই বুড়াবুড়ি, মিডিয়ান এজ পঞ্চান্ন (নিন্দুকে বলে ষাইট), এই খুদি খুদি অক্ষর কেডা পড়বে?

    তবে, হ্যাঁ, পড়ার আর কী আছে, সাহিত্যই সমাজের স্লো পয়েজন। আর ইণ্টারনেট হলো গিয়ে ফাস্ট পয়েজন। তবে শরৎচন্দ্র তো শরৎচন্দ্রের সময়কার লোক, সে সময় অতো প-কা ছিলো না। আর এখন আর কে চরিত্রহীন পড়ে মিসোজিনিস্ট বা অন্য কিছু -ইস্ট হবেন? সে সব পন্থার উপাদান হাতের ফোনেই আছে।

    অন্য প্রসঙ্গে, যোষিতার সাথে এই একটি ব্যাপারে একমত। তরমুজ, বাবা তুমি ঐ কী যেন কাদের মার্গদর্শন করাচ্ছিলে স্টেপ বাই স্টেপ, ঐটাই ভালো হচ্ছিল। আবার এই জবরদস্তি কবিতা কেন?
  • Manali Moulik | ২১ জুন ২০২৬ ০২:২৬556444
  •  
    এগুলি কিছু অংশে হলেও সমাজের স্লো পয়েজনিং করার জন‍্য দায়ী।
  • চে | ২১ জুন ২০২৬ ০১:২৭556443
  • এটা অবশ্য ভাল কথা- ঋতব্রত, শতরূপ- এদের বেশ একটা গুয়েভরা ভাব আছে
  • পরিবরতোন ভাল লাগিছে তো? | ২১ জুন ২০২৬ ০০:২৮556442
  • https://www.facebook.com/share/r/1GP5bHNqQK/
     
    জনগণের কেমন লাগিছে, এবিপি আনন্দের পেজে ( লিনক উপরে) গিয়ে নিজেরাই পড়িয়া লউন।
  • . | ২০ জুন ২০২৬ ২৩:২৯556440
  • তরমুজের কবিতা শ্রীমল্লারের কবিতাগুলোর চেয়েও ইয়ে হয়েছে।
  • এখন যন্তরমন্তরে | ২০ জুন ২০২৬ ২৩:১৭556439
  • আজ দেশবাসী কি রাত জাগবে? যন্তর মন্তরে পুলিশি ঘেরাওয়ে কেমন আছে GenZ?
    ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ছাড়া তো আরশোলারা যন্তর মন্তর ছাড়বে না বলেছে। দিল্লি পুলিশ ঘেরাও করে জল, টয়লেট, আলো- সব আটকে দিচ্ছে, জানাচ্ছে ওদের পেজ!

  • . | ২০ জুন ২০২৬ ২৩:১৬556438
  • চন্দ্রবিন্দুগুলো কৈ?
  • তরমুজ | ২০ জুন ২০২৬ ২৩:০৭556437
  • ফাইনাল এডিট করলাম কবিতাটা। আমার নিজেরও বেশ ভালোই লেগেছে।
     
    শ্রমের গন্ধে ভেজা, জাতির পতাকা, আমার ছেড়া জামা।
    পুড়ছে, খালি পেট... বুলডোজারে ভাঙা বাসা...
    তোমার দিকে তাকিয়ে আছি, আমার ছেড়া জামা।

    খোলা আকাশের নিচে.... তোমার সবুজ প্রাণগুলো;
    রক্ত রঙের মাটির উপর, লাশটা পড়ে ছিলো।
    কালো পুঁজির... উষ্ণ মরুর... বালির খনিতে,
    উড়বে তুমি ডানা মেলে, আমি দেখবো দাড়িয়ে।

    যদিও ভেঙে গিয়েছে তুলি, তবুও আঁকবো,
    কত ভাঙা ঘরের ছবি......
    কত জীবন্ত কঙ্কাল, কত হারানো চাষের জমি।
    কারখানায় পোড়া মাংস আমার.....
    প্রিয় জন্মভূমি,
    তোমার প্রেমে মগ্ন আমি, আমি জানি.....
    একদিন তুমি উড়বে আকাশ জুড়ে, আমি দেখবো দাড়িয়ে।

    আমার মেয়ের শরীর যেদিন বিকোবে বাজারে!
    ভাঙা ছাদের ঘরে বসে, ছেড়া জামা গায়ে জড়িয়ে,
    সাদা পেনে কালো খাতায়, লিখবো ইতিহাস;
    ভালো সময়ের... কালোবাজারির... বাজার ইতিহাস।
  • dc | ২০ জুন ২০২৬ ২০:৫১556435
  • কেকে কি কোন অসুবিধায় আছেন? তাহলে তাড়াতাড়ি কাটিয়ে বা সেরে উঠুন, শুভেচ্ছা রইল।
  • dc | ২০ জুন ২০২৬ ২০:৫০556434
  • আমাদের পাড়ায় একজন কুকুর ছিল, তার নাম মানি - ইংরেজি মানি নয়, তামিল মানি। সে আজ মারা গেল। অনেক বয়স হয়েছিল, ক বছর আগে একটা মোটরসাইকেলের সাথে ধাক্কাও খেয়েছিল, কিন্তু ভেটেরিনারি হাসপাতাল থেকে ফিরে এসে দিব্যি ছিল। ওর প্রিয় খাবার ছিল সেদ্ধ ডিম। দুয়েকদিন ধরে খেতে অসুবিধা হচ্ছিল, আমরা ভাবছিলাম ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাব, এর মধ্যে গতকাল রাত থেকে এক জায়গায় শুয়ে ছিল আর আজ হঠাত করে চলে গেল। এমনিতে পাড়ার লোকেদের একটু মন খারাপ, কিন্তু অবাক ব্যপার হলো, আরও দুয়েকটা কুকুর আছে, তারাও সব চুপচাপ হয়ে গেছে। সন্ধেবেলা হাঁটতে বেরিয়েছিলাম, দেখি সবাই নিজের নিজের জায়গায় শুয়ে বা বসে আছে, আমাকে দেখে কেউ উঠে এলো না। কুকুররাও বুঝতে পারে বোধায়।
  • | ২০ জুন ২০২৬ ১৯:৫৭556433
  • আপনারা ভাবছেন ২০১২ -১৩ থেকে আইটিসেলের দুটাকার কর্মীরা কাজে লেগেছে? নাহ হিন্দু মহাসভা (বিজেপীর আদিপিতা) সেই গত শতাব্দী থেকেই এই জিনিষ করে আসছে। এই দেখুন এটা মণিকুন্তলা সেনের 'সেদিনের কথা'য় আছে। হিন্দু কোড বিল পাশের সময়কার কথা। কিন্তু এত যুদ্ধ মন্বন্তর দেশভাগ, মহামারী পেরিয়েও রেট সেই দুটাকাই রয়ে গেছে। কি অবস্থা!
     
  • | ২০ জুন ২০২৬ ১৯:৫১556432
  • টেক কেয়ার কেকে। সামলে ওঠো।
  • kk | ২০ জুন ২০২৬ ১৯:২৪556431
  • হুতো আর স্যান্ডিকে থ্যাংকিউ।
  • Jayanta Chatterjee | ২০ জুন ২০২৬ ১৭:২৯556430
  •  
    প্রসূন আচার্য্য র এই ইউটিউব ভিডিও টি সবার দেখা. দরকার
  • Manali Moulik | ২০ জুন ২০২৬ ১৫:৪৮556429
  • এতো আমারও হয়। শতরূপ ঘোষ আর সৃজন ভট্টাচার্য্যকে দেখলে। ম‍্যাক্স ওয়েবার একে বলেছেন 'ক‍্যারিশমাটিক অথোরিটি'। পার্সোনালিটির মাধ‍্যমে টেনে রাখা নিজের দিকে। যেটি ছিলো কাস্ত্রোর। মারিতা লরেঞ্জের সঙ্গে প্রথম দেখায় কাস্ত্রো ওনার ভুবনবিজয়ী হাসি দিয়ে বলেছিলেন, "আমিই কিউবা।" লরেঞ্জ তখন ১৯ বছরের। পরে সিআইএ ওনাকে স্পাই হিসাবে কাস্ত্রো-হত‍্যায় পাঠায়। তাকে বোঝানো হয়, মিয়ামি উপকূলে একমাত্র রক্ষাকর্তা হচ্ছে ইউএস। কাস্ত্রো একজন একনায়ক যিনি সোভিয়েতের সঙ্গে হাত মিশিয়ে গণতন্ত্র ও বিশ্বমানবাধিকারকে বিপন্ন করতে চান। মারিতাকে এর প্রতিরোধ করতে হবে। দুটি বটুলিনিয়াম টক্সিনের ট‍্যাবলেট তিনি ফেসক্রিমের কৌটোয় লুকিয়ে নিয়ে আসেন সেই কিউবায়। কাস্ত্রো পরিশ্রান্ত-ঘর্মাক্ত দেহে ফিরে বিষয়টি এক লহমায় ধরতে পারেন ও নিজের রিভলবারটি মারিতার হাতে তুলে দিয়ে বলেন, "বিষ আবার কেন? এটা দিয়েই হত‍্যা করো আমাকে !"
    আবেগের আতিশয‍্যে মারিতা গভীরভাবে জড়িয়ে ধরেছিলেন তাঁকে। পরবর্তীতে সিলিয়া সানচেজ, লিজা হাওয়ার্ড, মেলবা হার্নান্ডেজও।...
    লিয়াম নেসানকে 'Che' মুভিটিতে ফিদেলের ভূমিকায় মানিয়েছে...তবে খুব বেশী না। বাস্তবে বোধহয় ফিদেল ছিলেন 6' 2" উচ্চতার। তেমন গভীর কন্ঠস্বর, ভাসমান স্বপ্নময় নৌকার মতো চোখ, তপ্তকাঞ্চনবর্ণাভা। স্প‍্যানিশ জিন কিছুটা মিশেছিলো অস্বীকার করা যায় না কারণ আসলে গ‍্যালিন্সিয়ার লোক ওনারা। আর্নেষ্ট হেমিংওয়ের সঙ্গে ফিশিং কম্পিটিশন, বে অফ পিগসের ঘটনায় সামরিক উর্দিতে হাঁটা ----- আহা......আহা..... এরকম একজন কমিউনিষ্ট আজকাল কেন হয়না হে?
  • শ্রাবণী | ২০ জুন ২০২৬ ১৩:৫৯556428
  • আমার একজন দিদিকে মনে আছে। আদ‍্যোপান্ত কমিউনিস্ট দিদি, বিশ্ববিদ্যালয়ের তুখোড় বলিয়ে কইয়ে এস এফ আই, এবং ভীষণ প্রিয় দিদি সব ছোটদের। একদিন হাসতে হাসতে মজা করে তার সতীর্থদের বলছে শুনলাম "ভাই, রাজীব গান্ধী যদি কোনোদিন আমার ভোট চায়, তাহলে আমি না দিয়ে পারব না। কী দুধর্ষ সুন্দর মানুষ, আর এমন অপূর্ব হাসি।"
    তার কিছুদিন আগেই তারা রাজীব গান্ধীর বিরুদ্ধে বিশাল মিছিল মিটিং করে এসেছে।
    আমাদের দেশে জননেতা জনপ্রতিনিধি বা প্রশাসনের সর্বোচ্চ আসনে থাকা মানুষেরা আসলে তো মানুষই, সাধারণ মানুষের মত দোষত্রুটি তাদেরও থাকে, সৎ অসৎ কমবেশি অবস্থাবিশেষে সবাই হয়ে এসেছে।
    তাদের মূল‍্যায়নও সেভাবেই হয়, এবং সময়বিশেষে সেইসব মূল‍্যায়ন কারা করছে তার ওপরেও কোনদিকে পাল্লা ঝুঁকবে তা নির্ভর করে।
    সেই আমলে রাজীব গান্ধী রাজনীতিতে আসার আগে বা সদ‍্য যখন এলেন ভাইয়ের মৃত‍‍্যুর পর, তাকে নিয়ে কিছু কিছু গল্প চালু ছিল। ভালো রাজপুত্রের গল্প। একটা আমার আবছা মনে পড়ে এক কাকুর কাছে শোনা।
    ইন্দিরা একদিন দুই ছেলেকে নিয়ে প্লেনে কোথাও যাচ্ছিলেন, তো তিনি ছেলেদের জিজ্ঞেস করলেন যে কী কী বিশেষ কাজ করলে তাদের মনে হয় দেশের লোক খুব খুশী হবে, দেশের ভালো হবে। সন্জয় অনেক ভালো ভালো কাজের কথা বলল। রাজীবের টার্ন এলে উনি বললেন যে, "আমি যদি এখন তোমাদের দুজনকে প্লেন থেকে ধাক্কা মেরে ফেলে দিই তাহলে মনে হয় দেশের লোক খুশী হবে আর দেশের ভালো হবে"!
    এরকম আরো অনেক গুল্প চালু ছিল। সেসময় দলমত নির্বিশেষে বাঙালিরা চেয়েছিল প্রণব মুখার্জি হন প্রধানমন্ত্রী। তাই রাজীবকে খুব ভালো চোখে দেখা হত না। সেসব অবশ‍্য অন‍্য গল্প।
    রাজীব মারা না গেলে বিপুল ভোটে জিততেন ওই ইলেকশনে, হয়ত ২০১৪ র মতই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতায় ফিরত কংগ্রেস।
    কিছুদিন আগে নাগেশ কুকুনুরের "দ‍্য হান্ট" দেখছিলাম। এদেশে সব কিছুর মত এই ডেথ ইনভেস্টিগেশনও কীরকম বচড তার একটা আভাস পাওয়া যায়।
    বারবার ওনার সেই শেষ মিটিংয়ে স্টেজের দিকে যাওয়ার ছবিটা দেখাচ্ছিল, নতুন করে খারাপ লাগল, রাজনৈতিক মতাদর্শ যাই হোক, কোনো মানুষের এরকম পরিণতি যে কোনো সুস্থমনস্ক মানুষকে বিচলিত করবেই।
    রাজীব গান্ধীর লেগাসি নিয়ে সংঘীরা বিশেষ কথা বলে না, এর থেকেই প্রমাণ হয় যে আসলেই এদের হিসাবে নেহরুকে এরা মহান মানে বা তাকেই উনিজীর একমাত্র চ‍্যালেঞ্জের যোগ‍্য মনে করে। ইন্দিরাকে এমার্জেন্সি ও রাজীবকে বোফর্স দিয়ে সাপটে গিলে ফেলা যায়।
    যদিও আমার ধারণা ভবিষ‍্যত সে কুড়ি বছর হোক বা পঞ্চাশ বছরই হোক বলবে যে রাফায়েল স্ক‍্যামের সামনে বোফর্স শিশু !
    আর একটা গল্প যা খুব চালু ছিল তা হল ইন্দিরা গান্ধীর দেহ যখন হসপিটালে, সোনিয়া গান্ধী বাইরে। কথাবার্তা চলছে রাজীবকে শপথ নেওয়ানোর, উনি এসে পৌঁছতে, সোনিয়া নাকি পাগলের মত কেঁদে বলেছিলেন উনি কিছুতেই রাজীবকে প্রধানমন্ত্রী হওয়া তো দূরের কথা, রাজনীতিতেই আর থাকতে দেবেন না!
    এটা হয়ত পুরোটা গল্প না হলেও হতে পারে। সেইসময় রাজীবকে অনেকেই " রিলাকটান্ট প্রাইম মিনিস্টার" বলে অভিহিত করত প্রথম দিকে।
     
    আসলে কাল রাহুল গান্ধীর জন্মদিন গেল, সো মি তে এনিয়ে প্রচুর পোস্ট ভিডিও মিম ঘোরাফেরা করছে, ভালোবাসার ঘৃণার দুইয়েরই চাষ, যেমনটা হয়ে থাকে। অনেক পুরনো ভিডিও উঠে আসছে। রাহুল গান্ধী বলতে গেলে আমাদের কনটেমপোরারি। আমাদের আশেপাশের বয়সের। তবে তাকে নিয়ে আমার কোনো স্নেহ বা ক্রাশ কিছুই নেই। অল্পবয়সীরা কী ভাবে জানিনা, কিন্তু রাহুলকে আমার ওই দিদির বর্ণনার রাজীব গান্ধীর মতও মনে হয় না।
    কাল একজন লিখেছে দেখলাম যে রাহুল হল সত‍্যিকারের ভালো মানুষ আর তাই এখনকার রাজনীতিতে বেমানান।
    আমাদের সমসাময়িক হওয়াতে বলতে পারি যে রাহুল গান্ধীকে নিয়ে বর্তমান শাসক দল দীর্ঘকাল ধরে ভিলিফিকেশন ক‍্যাম্পেন চালিয়েছে, আমাদের নিজ নিজ কর্ম ক্ষেত্রে তার এক পার্সেন্ট হলেও বেশীরভাগেরাই সব ছেড়েছুড়ে চলে যেতাম।
    রাহুলকে আমার আজকের দিনে যে রাজনীতি বা রাজনীতিকদের আশেপাশে দেখি, সব দল মিলিয়ে, সবকিছুর থেকে আলাদা মনে হয়, অনন‍্য, "অ‍্যাক্সিডেন্টাল পলিটিশিয়ান"।
    আগে বেশী দেখিনি শুনিনি তার কারণ হল তেমন প্রচার হয়নি। তখন সো মি এরকম ছিল না আর এই আজকের শাসনতন্ত্রের যে প্রচারসর্বস্ব এজেন্ডা তাও ছিলনা।
    তাই যেমনটা বলা হচ্ছে যে শিখেপড়ে তৈরি হয়েছে আগে পাপ্পু ছিল তা হয়ত সত‍্যি নয়।
    মানুষের চরিত্র এমনিতেও পাল্টায় না, যা পাল্টায় তা হল অন‍্যদের দেখার নজরিয়া আর পরিস্থিতি। এই দুইকে নানা প্রোপাগান্ডার মাধ্যমে ম‍্যানিপুলেট করা যায়, যা করা হয়েছে রাহুলের ক্ষেত্রে।
    রাহুলের কথাবার্তা দৃষ্টিভঙ্গি এমনকি ২০১৯ এর বিখ‍্যাত রভিশকুমার ইন্টারভিউ বা কনট্রোভারসিয়াল অর্ণব গোস্বামী ইন্টারভিউ তেও শুনে খুব কিছু বদলেছে মনে হয় না। শুধু অভিজ্ঞতা বেশী হলে, উপলব্ধি বাড়লে অনুভব যেরকম গোছানো লাগে, পরিণত লাগে এখন তাই হয়েছে।
    কংগ্রেস বা বিজেপি অথবা বাকী দলেরও রাজনীতির একটা সেট প‍্যাটার্ন আছে। সে কারণেই এদল ওদল করতে এদের কোনো সমস‍্যাই হয়না, যেমন বাকীরা কম্পানি বদলায় এরাও দল বদলায়।
    এখনকার প্রেক্ষিতে এদেশের রাজনীতি ও প্রশাসনকে যদি আজিয়ান স্টেবলের সাথে তুলনা করা যায়, তাহলে রাহুল হয়ত হারকিউলিস হতে পারবে না। কিন্তু এও সত্যি যে আজকের দিনে একমাত্র রাহুলেরই মধ‍্যে তার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। সুযোগ পরিস্থিতি যদি কোনোদিন অনুকূলে আসে।
    রাহুল যেরকম বিরোধী পেয়েছে বা বিরোধিতার সম্মুখীন হচ্ছে এত দীর্ঘকাল ধরে ঘরে বাইরে সব জায়গায় তার সিকিভাগও তার পূর্বজদের ফেস করতে হয়নি।
    কালকে বার বার সাংবাদিকদের ভিড়ের পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার ছবিটা চোখে লাগছিল। কেউ বলবে ক্ষমতার জন‍্যে, আবার কেউ বলবে মানুষকে ভালোবেসে নীতি আদর্শের জন‍্যে, আমাদের সময়কাল চেনা মানুষদের দিয়ে আজ এত বছরে বলতে পারি দুইই সম্ভব। যাই হোক বেঁচেবর্তে থাক, ভালোমানুষের আজকাল েত অভাব।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত