albert banerjee কে?
albert banerjee কী? যাই প্রথমে কাবুলের পতিতালয়ে, যেখানে কাঁধের ওপর বোরকা, নিচে খোলা পা, চোখে কাজল, ঠোঁটে হাসি, হাতে চুড়ি, পায়ে ঘুঙুর। আমি সেখানে প্রবেশ করি রাতের আঁধারে, আমার গায়ে কালো পোশাক, মুখে নকল দাগ, যেন আমিও এক পতিতা, যেন আমিও বিক্রি করি মাংস, কিন্তু আমি বিক্রি করি না, আমি কিনি, আমি কিনি রক্ত, আমি কিনি ব্যথা, আমি কিনি সেই ক্ষতের গন্ধ, যে গন্ধ হয়তো তাকে নিয়ে আসবে, যে গন্ধ হয়তো তাকে টেনে আনবে আমার দিকে, যেমন চুম্বক টানে লোহা, যেমন আগুন টানে পতঙ্গ, যেমন মৃত্যু টানে জীবিতকে।কাবুলের ঘরগুলো সরু, দেয়াল ইটের, মেঝে কাদামাটি, বাতাসে গোলাপের গন্ধ মেশানো ঘর্মের দুর্গন্ধ। আমি বসি এক ... ...
ক্ষত। ক্ষত চেনার গন্ধ। যার ঘা শুকায় না, তার ঘামে মেশে পুঁজের গন্ধ, কাঁচা মাংসের গন্ধ, যে গন্ধ আমি চিনি নাকের ছিদ্র ফুলিয়ে, চোখের তারা ফিরিয়ে, জিভের ডগায় তুলে, স্বাদ নিই – লবণাক্ত, তিক্ত, পচা আঙুরের রসের মত, যাতে মিশেছে মৃত্যুর চিনি, বিষের মধু, আর সেই মিষ্টি বিষ আমাকে টানে, আমাকে ডাকে, বলে, “এসো, এসো, এই পথে হাঁটো, এই দরজায় ঠেকো, এই বিছানায় শুয়ো, এই দেহের ভিতর খোঁজো সেই সূত্র, যার শেষে আছে সে, যে অভিশপ্ত, যে চিরন্তন ঘুরে বেড়ায়, যার কপালে ক্ষত, যার ঘা শুকায় না, যেমন শুকায়নি আমার ঘা, যেটা তাকে দেওয়া তীর ছুঁড়েছিল, যে তীর আমার বুকে ... ...
নো ... ...
আমি বসে আছি প্রাসাদের সবচেয়ে উঁচু কক্ষে, যেখানে রাজা বসতেন সিংহাসনে, এখন সিংহাসন খালি, তার গায়ে ধুলো, মাকড়সার জাল, আর আমি মেঝেতে বসে, পা ছড়িয়ে, হাতে একটি একটি শিরার টুকরো, যা আমি কেটে রেখেছিলাম আমার শেষ শিকারের গলা থেকে, এখন তা শুকিয়ে গেছে, কালো, শক্ত, আমি তা ঘোরাই আঙুলে, যেন এটি একটি আংটি, একটি অলংকার, একটি স্মৃতিচিহ্ন। আমি পৌঁছে যাই পাহাড়ের গোড়ায়। পাহাড় উঁচু, কালো, যেন আগ্নেয়গিরির ছাই জমে জমে তৈরি হয়েছে, যেন কোনো এক প্রাচীন যুদ্ধের দানবের দেহ, যে মরে গেছে, কিন্তু তার দেহ পচে না, শুধু দাঁড়িয়ে আছে, সাক্ষী হয়ে, ইতিহাসের সাক্ষী, যন্ত্রণার সাক্ষী, আমার সাক্ষী। আমি উঠতে শুরু ... ...
গণনা শুরু করি। আঙুলে নয়, দাঁতে, প্রতিটি কামড়ের সাথে একটি সংখ্যা জুড়ে দিই, যেন আমি জপমালা গুনছি, যেন আমি তপস্যা করছি, যেন আমি প্রার্থনা করছি, কিন্তু প্রার্থনা কার কাছে? দেবতা যারা দেখেছিল, শুনেছিল, হেসেছিল, চুপ ছিল, তাদের কাছে? না, তারা আমার চেয়েও শূন্য, তারা আমার চেয়েও মৃত, তারা আমার চেয়েও বেশি রক্তচোষা, কারণ তারা চুষেছে ভক্তের রক্ত, খেয়েছে বলির মাংস, পুড়িয়েছে যজ্ঞের আগুন, আর বলেছে, “এটা ধর্ম, এটা ন্যায়, এটা তোমার কর্তব্য।” আমি তাদের কর্তব্য খেয়ে ফেলেছি, তাদের ধর্ম গিলে ফেলেছি, তাদের ন্যায় চিবিয়ে থুতু দিয়েছি, এখন আমার দাঁতে লেগে আছে দেবতার মাংসের আঁশ, সেই আঁশ ছাড়াতে চাটছি জিভ দিয়ে, ... ...