ভূমিপুত্রের হাতে খাল কাটার কাজ ছিল, সব কিছু ঠিক হয়ে গেলে, বর্ষা এল! ঋতু শুরু হলে মুলতুবি থাকে কাজ!
মানুষ ঘুম থেকে উঠে দেখে জানালার বাইরে পৃথিবীটা সবুজ। আকাশ আরো নীল। গাছ গাছড়া উদ্ভিদকুলে এক বিরাট অস্থিরতা। যেমন ইচ্ছা বেড়ে উঠেছে।যেদিকে ইচ্ছা ছড়িয়ে পড়েছে। চেনা অচেনা লতাপাতা জড়িয়ে ধরেছে গচ্গুলিকে। কি এক বেপরোয়া ভাব চারদিকে।কাল বিকেলের হাঁটু সমান চাঁপা গাছটা এক লাফে উঠে এসেছে জানালা অব্দি। জল নেই। বিদ্যুত নেই নেটওয়ার্ক অচল। গায়ে সোয়েটার অথচ শীত গায়েব। কোকিল ও ডাকে। মেয়েটি বলে সবাই ঘুমিয়ে পড়েছিল। ড্রাইভার পাইলট সবাই সবাই।সৈন্যরাও যুদ্ধ করতে করতে ঘুমিয়ে পড়েছিল। দাদু আমরা সবাই ঘুমিয়ে পড়েছিলাম শুধু গাছগুলো ছাড়া। ওরা ঐ আকাশ অব্দি পৌঁছে যাবে। দাদু শঙ্কিত। কি হয়েছে বল দেখি মা। তুই নিশ্চয় কিছু একটা করেছিস! একদিন দেখলাম আমাদের রান্নাঘরের পেছনে ওই মস্ত বড় পিপল গাছটার ডালে ... ...
দামোদর নদীতে বান আসছে। / বাঁধের রাস্তা। / কাঁধে স্কুলের ব্যাগ। / চটি খুলে এক হাতে নিয়ে অন্য হাতে ছাতার ভার সহ্য করে
নির্জন রাতে সমুদ্র ভয়াল নয় অতটাও যতটা ভয়াল মানুষ পশুর কাম, কেন ছেলেমেয়ে বিহারে যাও সমুদ্রসৈকতে, জানো না কি, রাষ্ট্র নেবে না দায়িত্ব সুরক্ষার। মেয়ে হলে পশু ছিঁড়ে খুঁড়ে খাবে দেহ, পুরুষ হলে পিটিয়ে করবে লাল, ভয়ে ভয়ে থাকো, মেনে নাও যত নিষেধ এবং শিকল, জানো নি কি এখনো, রাত্রি অথবা নির্জনতায় ধর্ষকদেহে পুরুষাঙ্গ কামরোগে বেসামাল।
গোলাপের পাপড়িগুলি শুকিয়ে একাকার নির্ভেজাল বৃক্ষ বুঝিবা তা জানে না
হিম ঝরছে আখ,খেজুরে, জিভ চাখছে গুড়ের ঝোল,জরায়ুটি ফেলছে ছেঁটে, শাকিলা,হেম, ঝিল, চঞ্চল। ওই আসছে দলে দলে, হাসপাতালের খাতায় নাম,ঝরছে না আর মাসিক রজঃ, লাফিয়ে বাড়ছে গুড়ের দাম। ঘন ঘন আখের ক্ষেতে লুকিয়ে থাকে লাঁডগা (নেকড়ে)সব, "মালা লাঁডগা ডর না লাগে, নর পেক্সা অপায়কারক"। *(মারাঠি ভাষায় -নেকড়ে আমার* ডর লাগে না, পুরুষ তার চেয়ে ভয়ংকর) ... ...
সারা রামায়ণ কিংবা মহাভারত জুড়ে ভিলেন খোঁজা মানে হলো ঠগ বাছতে গাঁ উজাড়। রামায়ণ মহাভারত কোনো রোমান্টিক প্রেমের কাহিনী তো নয়, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তৎকালীন সমাজ দর্পন।নায়ক ভিলেন এসব সেন্টিমেন্ট নিয়ে মাথা ঘামায় নেকু পাব্লিক। (রামায়ণ) রাজনীতিতে অত উতলা হলে গদি ছিঁড়ে ভেতরের ছোবড়া পেছনে খোঁচা দেয়। ওখানে ফেলো কড়ি মাখো তেল, সীতা তুমি কি আমার পর? কে যেতে বলেছিল আমার সাথে বনবাসে, তিন তিনজন শাউড়ি সামলে ঘর করবে না তাই স্বামীর রিমোট পোষ্টিং এ বাক্স গুছিয়ে তড়িঘড়ি রেড়ি। ... ...
বাঘ দেখা, বাঘ শোনা -- লিখেছেন শুভংকর ঘোষ রায় চৌধুরীগতকাল রাতে গ্রামে ঢুকে পড়েছিল। আজ ভোরে উঠে দেখি বাড়ির পিছনের নরম রাস্তায় ভিড় জমেছে, মাটির উপর তেনার পায়ের ছাপ। সেই জমাট-বাঁধা একতাল মাটি। শুকিয়ে কাঠ, ধার থেকে ঝুরো ঝুরো হয়ে ভেঙে যাচ্ছে, কিন্তু মাঝে সেই থাবার প্যাডিংয়ের যে ছাপ, তা অক্ষত। মাটিতে লেগে থাকা সে সময়ের ঘাস এখন শুকনো, হলুদ। নাকটা খুব কাছে নিয়ে গিয়ে আমি গন্ধ শুঁকতাম। শুকনো মাটির ধুলো-ধুলো গন্ধ ছাড়া আর কিছুই নেই। তবু, ওই মাটিতে নাক ঠেকিয়ে আমার মনে আসতো তুমুল বৃষ্টি, নদীতে বান এসেছে, গ্রামের রাতের অন্ধকারে একটা ঝাঁঝালো গন্ধ, কোনও বাড়ির দরজার ক্ষীণ ... ...
সিধে রাস্তা। সোয়া ঘন্টার পথ।বিল্লি -- লিখেছেন শুভংকর ঘোষ রায় চৌধুরীগরম লাগছিল প্রচন্ড। কিভাবে এই জ্বালা থেকে মুক্তি পাই, সাজেশন চাওয়ায় বিল্লি তৎক্ষণাৎ বললো, তিব্বত গেলেই পারো। আমরা হাঁ হাঁ করে উঠলাম, "বলে কী! তিব্বত? যাওয়ার জোগাড় করতে করতেই তো ঘেমে নেয়ে মরে যাব!" বিল্লি একটুও না দমে বললো, "সে মরতে পারো, কিন্তু একবার চেষ্টা চরিত্তির করে যদি পৌঁছে যাও তিব্বতে, দেখবে এ জীবনের মতো গরম উধাও হয়ে গেছে! তাপ্পর যতই যাও বীরভূম বা আফ্রিকা, গরম আর লাগবে না। এমনকি বরাত থাকলে পরের জন্মে গ্রিনল্যান্ডেও জন্ম হতে পারে।" পুরোটা পড়ুন ... ...
হরদিগছ স্টেশন থেকে নেমে কিলোমিটার চার পূব দিক পর যে চা বাগানগুলো, তার ঠিক শেষ বাগানটার নীচে মরালি বুড়ি রোজ বসে। ভিক্ষাতে। সারাদিনে রাস্তায় গোটা কুড়ি লোক চলে তাও আশায় বসে। কোন কোন দিন নিরাশ হয়, কোনদিন কিছু জুটে। চা কামিনরা কাজ সেরে ফেরার সময় বাঁচা কুচি দিয়ে যায়। তাই দিয়েই চলে কোনরকমে। আমি আবার বাউন্ডুলে। বউ সংসারের সব হওয়ার পর থেকেই বাউন্ডুলেপনা আরও বেড়েছে। পরিচয় হবার কথা নয়, কিন্ত হল। নিত্য দিন ও পথে মাছ মারার শখে যাবার পথে ক্ষণিক মগজে ধোঁয়া, সঙ্গী মরালি বুড়ি ... ...
হালতু শ্রমজীবি ক্যান্টিন চলছে, গত ৮ জুলাই থেকে। গড়ে ৫০০ টির মত দুপুরের খাবারের প্যাকেট ৬ টি বিতরণ কেন্দ্র থেকে দেওয়া হচ্ছে প্যাকেট প্রতি ₹২০/- বিনিময় মূল্যে।যারা সাহায্য করতে চান যোগাযোগ করতে পারেন। আমার মাধ্যমে সাহায্য করলে মোটামুটি শর্তগুলি নিম্নরূপ১. ভারতে বসবাসকারী ও ট্যাক্সপেয়ার ও ভারতের নাগরিক হতে হবে, ভারতীয় ব্যাঙ্ক আকাউন্ট থেকে ভারতীয় টাকায় সাহায্য করা প্রয়োজন। কলকাতায় থাকলে খাদ্য সামগ্রী বা প্যাকেজিং সামগ্রী বা স্টোরেজ ব্যবস্থা, বা মাল তোলার যানবাহন দিয়ে, বা কোন অনুষ্ঠানে আমাদের সাধারণ খাবার নিয়ে সাহায্য করতে পারেন, তবে আগে্ ব্যক্তিগত ভাবে পরিকল্পনা জানালে আগে আমি সংগঠকদের সঙ্গে আলোচনা করে জানাবো জানাব।২. টাকা সিপিএম হালতু এরিয়া ... ...
আজ বাতাস হয়ে যাও আয়না / আমি নিজের মুখটা দেখি।
বৃষ্টি বৃষ্টি বৃষ্টি এ কোন অপরূপ সৃষ্টিএত মিষ্টি মিষ্টি মিষ্টি আমার হারিয়ে গেছে দৃষ্টি।সত্যি প্রকৃতির অপরূপ সৃষ্টি। ৪০০কোটি বছর আগে নবজাত পৃথিবীর জ্বলন্ত আগুনকে নির্বাপিত করে নিষ্প্রান মেদিনীতে প্রাণের আধার তৈরি করেছিল এই বারিধারা। সূচনা হয়েছিল শস্যশ্যামলা সুজলা সুফলা পৃথিবীর। বৃষ্টি নিয়ে আমাদের কতই না স্মৃতি। শিশুকালে রবিঠাকুর কে তাঁর শিক্ষক মহাশয় জিজ্ঞেস করেছিলেন _রবি করে জ্বালাতন আছিল সবাই, বরষা ভরসা দিল আর ভয় নাই। রবি তাই মিলিয়ে দিলেন_ মীনগণ হীন হয়ে ছিল সরোবরে,এখন সকলে মিলে জল কেলি করে।রবি ঠাকুরের ছেলেবেলার কথা বলতেই নিজের ছেলেবেলা চুপটি করে পাশে এসে দাঁড়ায়। বৃষ্টির ফোঁটা তো ভারী হয়ে উপর থেকে নীচের দিকেই নামে। ... ...
যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা চলছে নিরন্তর, / এই যুদ্ধে আমি একটি বোরে মাত্র।
ঊনবিংশ শতাব্দীতে পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রসারের ফলে বাংলার ধর্ম, সমাজ ও সংস্কৃতিতে প্রাণচাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছিল, অন্ধবিশ্বাস ও কুসংস্কারের বদলে যুক্তিবাদী ও মানবতাবাদী দৃষ্টিভঙ্গির হয়েছিল, যা ভারতকে আধুনিকতা ও প্রগতিশীল তার মন্ত্রে দীক্ষিত করেছিল। মানুষ দীর্ঘদিনের কুসংস্কার ও গোড়ামি থেকে মুক্তি পাওয়ার পথ খুঁজে পায়। এক কথায় বলতে গেলে নবজাগরণের সূচনা ঘটে। মানুষ যুক্তি দিয়ে কোনো কিছুকে গ্রহণ করতে শিখে। ... ...
ভাষাবন্ধন এর পক্ষ থেকে আয়োজন করা হচ্ছে প্রতি বছরের মতই।
দেশদ্রোহী তকমা দিয়ে আর কতো কাল রাখবে পুরে? যেই করেছি প্রশ্নগুলো সবাই বললে, "বড্ড গেরো!"
একদিন সাগর হয়ে থেমে যাবো / পৃথিবীর কিনারায়
পদ্মপাতায় এক বিন্দু জলকণা / টলটল করে …